-
আরও একটি ফুল ফুটলো
রক্তাক্ত হলো পৃথিবী
আমরা পাতা ঝরা বিকেল ধরে ঝুলে থাকিঝুল বারান্দায় খোলা আকাশ খুলে ফেলছে গুঁড়ো মেঘের পাল
3 Comments -
Taposh Kumer dey and
Neel tripura are now friends
-
Taposh Kumer dey and
Rejwana Khan are now friends
-
Taposh Kumer dey and
রাইসা আনজুম (পর্শি) are now friends
-
Taposh Kumer dey and
আনিস কবির are now friends
-
ক্ষোভের লম্বা ক্ষত
তাপস কুমার দেসীমাবদ্ধতা অস্ত্রের মতো উঁচিয়ে ধরে সৃজনে লাল রেখা টেনে দিয়েছে
আমি নই —
লাইনের পর লাইন দাঁড়িয়ে আছে স্রষ্টা
সে আমার কবিতা নয় প্রার্থনানিরব নিশি যাপনের পিঠে দীর্ঘ ব্যঞ্জনা লেগে থাকা—
সৃষ্টি
বিসর্জন
অভিশাপের মতো ডাকপিওনের সাথেও জোটবদ্ধভাবে পারস্পরিক সম্পর্ককে চুলের বেনী করা ফুলের মতো বেঁধে রাখতে, চোখ রাখতে…Read More11 Comments-
আপনার লেখাটা বেশ গভীর এবং পড়ার সময় অদ্ভুত এক অনুভূতি হলো। কবিতার প্রতিটি লাইন মনের ভেতর অনেকগুলো চিন্তার জন্ম দেয়। সত্যি বলতে, এমন শক্তিশালী শব্দচয়ন সচরাচর চোখে পড়ে না।
-
চমৎকার শব্দের বুনট! কবিতাটি এক আধ্যাত্মিক তপস্যা যেন, এক সাহসী, প্রথাভাঙা কণ্ঠস্বর যেখানে প্রচলিত কাব্যরীতির সীমানা ভেঙে এক নতুন ভাষা খোঁজার চেষ্টা করছে, যেখানে বিরাম চিহ্নের বাঁধন নেই, লাইনগুলো যেন নিজের মতো করে বুনে চলেছে আপন ছন্দ!
-
আপনার লেখনীতে আবেগ ও তীব্র অনুভূতির যে সাহসী প্রকাশ ঘটেছে, তা এক কথায় অসাধারণ। গভীর এই উপলব্ধিকে আরও উজ্জ্বল করতে আপনি চাইলে কিছু পঙক্তির বিন্যাস নিয়ে নিরীক্ষা করে দেখতে পারেন। আপনার সৃজনশীল সত্তা এভাবেই সাবলীল ছন্দে এগিয়ে চলুক, এই শুভকামনা রইল।
-
-
-
-
আলো গাঁথা গল্প
তাপস কুমার দেআমার শিরা-উপশিরা মানচিত্রের মতোই
ভেঙেচুরে রেখেছে এই শরীর
আমাকে বহন করছে জলবায়ু
চোখের নঙ্গরে আমি বাঁধা
আমার সময় আমার ভেতর বিদ্ধস্তভাটি গাঙের ভাটিয়ালি সুরে বয়ে যাচ্ছে
পরমায়ুর কোনো রতি শস্য শ্যামল মাঠের দিশা দেখানো
দিগন্তের দিবানিশি দূরত্বের কালি নিয়ে মিথ এঁকে যাচ্ছেআঙুলে বিলাপের…Read More
4 Comments -
পাঁজরের পালকি
তাপস কুমার দেচলো মেঘের মধ্যে চোখ রেখে দেখি কি ঘটছে
কলিজায় গেঁথে আছে ভাঙা কলম
পেন্সিলের স্কেচ
ইরেজারের টুকরোমোছা অনেক কিছুই ঝুলছে মহা বিশ্বের কমরে
আকাশ তাগাতে চাঁদ একটি কবজমানুষের চেহারা বদলে যাচ্ছে
কেউ গোল খাচ্ছে
কেউ গোল দিচ্ছেআয়নায় কেউ আর মুখ দেখে না
হাতের তালুতে সূর্যরঙের চেয়ে রক্…Read More
11 Comments-
-
-
কবিতাটি সরাসরি নয়, অনুভব দিয়ে পড়তে হয়। প্রতিটি চিত্রকল্প নতুন ব্যাখ্যার দরজা খুলে দেয়।
শব্দের ভেতরে এক অস্থির সময়ের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। গভীর ও ভাবনাসঞ্চারী। -
-
-
-
বিমূর্ত
তাপস কুমার দেদরজা খুলে দিলাম, তুমি এলে
দখিনা বাতাস বয়ে গেল
জানালায় ডেকে গেল জোড়া শালিক ।ভাবলাম পাতায় পাতায় লেখা হবে কবিতা
চুমুর রেলগাড়ি হুইসেল বাজাবে
আমি কপাটে খিল তুলে দেব।বুকের মাচানে লতিয়ে উঠবে লাউয়ের ডগার মত স্বপ্ন
রোদ জ্বলজ্বল সবুজ উস্কে উঠবে
অন্দরে খেলা করবে প্রেম পূর্ণিমা
মুকুলিত হবে এ বসন্ত।ছড়…Read More
9 Comments -
শরমী যন্ত্রণা
তাপস কুমার দে
২১/০৬/২০২৬হায় বৃষ্টি
আকাশকে তুলে রাখলে ফাঁকির খাতায়
চেতনায় খেলা করে বিবাগী বসন্ত
সুনশান নিরব শশ্মান হৃদয়
চোখজলে ডুবন্ত নাভীমূল
জাদু মান স্পর্শের প্রতিক্ষায়সাদাকালো মেঘের পাতায় লিখেছে কতো চিঠি
সবুজ শব্দ সব দীর্ণ হৃদয়ের অতল স্পর্শী
প্রতিক্ষার শরমী যন্ত্রণা পুড়িয়েছে এ হৃদয়
কখনো গড়িয়…Read More6 Comments -
তুমি নেই বলে
তাপস কুমার দে
১৮/০৬/২০২৬ছেড়া কাগজের টুকরোগুলোই তোমার স্মৃতি
জোড়া দিতে দিতে শিশিরের কাব্য পড়ি
আর নিজেকে টেনে নিয়ে যাই পলাশের বনে
সেখানে প্রথম ভালোবাসার চিহ্ন রেখেছিলে
আমার ঠোঁটেতবুও বারুদ জ্বলে আমার নাভি মূলে
বাগানেও দেখি চেনা-অচেনা যে কতো ফুল ফোটে
শুধু তুমি নেই বলে গোলাপের কাঁটা
রক্ত চুষে নিলোসব ফুল জোছন…Read More
6 Comments -
জলেরও জ্যোতি চিহ্ন আছে
তাপস কুমার দেজলেরও জ্যোতি চিহ্ন আছে
ঘুম ভাঙলে জোয়ার আসে
লিখে রাখে কবিতাআমরা আমাদের চিহ্ন মুছে ফেলি
রক্ত আর মাংসের বুনিয়াদে যাকে বুনো শুয়োর বলি
তাকেই তুলে ধরি মাঝ আকাশেকবি হাসে
আর হাসে
বাতাসে গো কি সুর বাজে?©তাপস কুমার দে
খুলনা, বাংলাদেশ5 Comments -
দোদুল দোলে সুরের দিগন্তে
তাপস কুমার দে
সবুজ উবে যাওয়া প্রাতীকি রং
প্রলেপ প্রবণ
ঘুমন্ত প্রায়চেতনায় পাতার বসন্ত নেমে আসে
শোষণ আর দুষণ মুক্ত
সে এক প্রেমের উপাখ্যান উপাদেয় সময়মেঘের মতো বালুচর ঘুমপাড়ানি গান শোনালে—
জাগরণে জলজ অনুভূতি বৃষ্টির বৃদ্ধাঙ্গুলিতে কপাল চাপড়ায়
স্বপ্ন রাঙা হলুদ পাখি, হলুদ চাঁদ ব্যাঞ্জনা দায়ক শিশিরে স্নান সেরে…Read More -
*উদারতা আর বিনয়*
তাপস কুমার দেস্পর্শের গহীন জানালায় বৃষ্টি ভেজা অনুভূতি এসে দাঁড়ালে —
বুকের ফ্রেমে ঝুলে পড়ে জীবন্ত আয়না
উঁকি দিয়ে যায় একফালি বিমুগ্ধ চাঁদচারপাশ নির্জন
গহনা গহনা জলমগ্ন আকাশ
আলোর পিঠে অন্ধকার রাখে আলপিনকিছু দিশা বিদ্যুৎ-খঞ্জনির ক্ষণিক আলোয় চমকে ওঠে
বিপদগামী গতি কোন অপশন না পেয়ে ছিঁড়ে ফেলে ইমেজের আ…Read More4 Comments -
পালক ঝরা বাতাস
তাপস কুমার দে
অন্তরিক্ষে অস্তিত্বের জোছনা জোছনা পালক ওড়ে
কাঁচচূর্ণ বিবস স্বপ্নের ফ্ল্যাশলাইট চমকায়
ফ্যাঁকাসে হয়ে ওঠে জমকালো দিনগুলিসন্দিগ্ধচিত্ত,
সন্ধিবিচ্ছেদ পড়তে পড়তে ব্যকরণের ছায়া খোঁজে
লেখে সমাসবদ্ধ সময়ের ব্যবচ্ছেদের রীতি
শাপলুডুর মই বেয়ে লতিয়ে ওঠেসন্দেহাতীত ধরে আছে নক্ষত্রের রাত
বুড়ি-চির বুড়িকে ছুঁত…Read More4 Comments -
Taposh Kumer dey and
Shohel Nawaz are now friends
-
Taposh Kumer dey changed their profile picture
2 Comments -
সংকটের শ্লোক
তাপস কুমার দে
তুমি বর্ণমালা পরবর্তী দিব্যজ্ঞান
সূর্যোদয় যুবকের দেহ
ওষ্ঠে বেঁধে রাখি জলের রাতুল
উপাখ্যানের সমাপ্তিতে ভাসছে ধ্রুপদীর ছিন্ন মাথাপরজন্ম লেখার সুদূর বৃক্ষরা অতিথি পরায়ণ
নাভী সন্ত্রাস কারুর রক্ত অধিবাস
জরায়ু ভরা রাস্তা লেখে আদর, ফসলের মাঠ
ধারণাতে ঋতু সংকট, মুন্ডুহীন শ্লোক!সম্মুখে স্থির গাছের…Read More
5 Comments








আপনার লেখা “রক্তাক্ত হলো পৃথিবী” লাইনটা ভীষণ গভীর এবং একদম মনের ভেতর গেঁথে যাওয়ার মতো। খুব সুন্দর করে বিষাদ আর বাস্তবতাকে একসাথে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। আপনার লেখার ধরনটা আসলেই দারুণ, সত্যি বলতে মন ভালো করে দিল।