-
পবিত্র আযহা উপলক্ষে বিশেষ গীতি নকশা:ঈদ আনন্দ
রচনা – আবুল হাসান তুহিন
উপস্থাপনা: ছেলে
ছেলে : মুসলমানদের দুটি প্রধান ধর্মীয় উৎসব একটা হচ্ছে ঈদুল ফিতর আর —–
মেয়ে : অন্যটি হলো ঈদুল আযহা। যা কোরবানি ঈদ নামে পরিচিত। প্রিয় শ্রোতা বন্ধুরা আজকে ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিশেষ গীতি নকশা__ঈদ আনন্দ/__________। গীতি নকশাটি গ্রন্থনা ও গীত রচনা করেছেন আবুল হাসান তুহিন। সুর এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন আব্দুল্লাহ খান। প্রযোজনা করেছেন_______________
ছেলে : ঈদুল আযহা বা কোরবানি ঈদ মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব, যা প্রতি বছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে উদযাপিত হয়।
মেয়ে :হযরত ইবরাহীম (আ.)-এর মহান ত্যাগের স্মরণে এটি পালিত হয়।
ছেলে: যেখানে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সামর্থ্যবান মুসলমানেরা গরু, ছাগল বা উট কোরবানি দিয়ে থাকেন।
মেয়ে : ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল এই দিনে ঈদের নামাজ শেষে কোরবানি এবং আত্মশুদ্ধির চর্চা করা হয়।
ছেলে: বনের পশু কোরবানির মাধ্যমে মনের পশু কোরবানি দেওয়া হয়।
মেয়ে: ত্যাগের মাধ্যমে প্রকৃত সুখ লুকিয়ে থাকে। সেই আনন্দে আমরা একটি ঈদে গান শুনবো,
ছেলে : গানটা গাইবেন শিল্পী ১।________________ ২।____________
মেয়ে : ঈদ মানে ভালোবাসা জাগে মনে ছন্দ, ঈদ আসে ঘুরে ফিরে আনন্দ আনন্দ।
গান।।০১।। আধুনিক।। ছেলে, মেয়ে।।দলীয়।।
ঈদ মানে ভালোবাসা
জাগে মনে ছন্দ,
ঈদ আসে ঘুরে ফিরে
আনন্দ আনন্দ ॥দোলা লাগে প্রাণে প্রাণে
বাঁজে মনে সুর,
উচু নিচু ভেদাভেদ
হয়ে যাবে দুর।
ভাগাভাগি করে নের
যত ভালো মন্দ,
ঈদ আসে ঘুরে ফিরে
আনন্দ আনন্দ ॥কোরবানি দাও মনের পশু
শান্তি খুঁজে পাবে,
বুকের ভেতর জমা কালি
দূর হয়ে যাবে,
খোদার রহম পেতে সবাই
ত্যাগ করি সব মন্দ,
ঈদ আসে ঘুরে ফিরে
আনন্দ আনন্দ ॥ভেঙ্গে ফেলি মত বাঁধা
ফোঁটে মুখে হাসি,
ঈদ মানে মিলেমিশে
ভালোবাসাবাসি।
কোলাকুলি করি এসো
কেটে যাবে দ্বন্দ্ব,
ঈদ আসে ঘুরে ফিরে
আনন্দ আনন্দ ॥উপস্থাপনা: মেয়ে
মেয়ে : ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ-উল্লাস রঙবেরঙের পোষাক পরে নতুন সাজে সজ্জিত হওয়া।
ছেলে : ঈদ সংস্কৃতির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের অন্যতম আকর্ষণ হলো ছোট ছোট ছেলে মেয়ে থেকে শুরু করে আবাল বৃদ্ধ বনিতা সবার জন্যই নতুন পোষাক, ভালো ভালো খাবার আর আনন্দ বিনোদন।
মেয়ে: ঈদের নামাজ শেষে হিংসা বিদ্বেষ ভুলে সবাই কোলাকুলি করে, এতে ভালোবাসার বন্ধন দৃঢ় হয়।
ছেলে: মোবাইল ক্যমেরার ফ্রেমে বন্দি হয় অসংখ্য স্থিরচিত্র, বন্ধুবান্ধব আর আত্মীয়ের বাসায় বাসায় ঘোরাঘুরি, খাওয়া-দাওয়া, মজা করা ঈদ সেলামিতে পকেট ভর্তি করা ইত্যাদি ইত্যাদি। এছাড়া যারা কুরবানী দিয়ে থাকেন তারা আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধবের বাড়িতে ঈদের মাংস পৌঁছে দিয়ে আসেন।
মেয়ে: শুধু আত্নীয় স্বজন নয়, গরীর অসহায়দের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ করেন। এই কারণে ঈদ মুসলমানদের জন্য মহা মিলন ও মহা আনন্দের দিন।
ছেলে : আনন্দের হিল্লোলে তোমাকে একটা কথা বলতে চাই।
মেয়ে : কী কথা?ছেলে : গানে গানে বলি! তুমি বুঝতে পারো কিনা!
মেয়ে : ভিতুর ডিম একটা। আচ্ছা গানের মাধ্যমে শুনি।
ছেলে : স্বর্গ থেকে পালকি চড়ে ভালোবাসা আসে, স্বর্গ সুধায় ঘোর লাগে তাই হৃদয়ের চার পাশে। চমৎকার এই গানটি গেয়েছেন শিল্পী
১।________________ _২।_______________গান।।০২।। আধুনিক।।ছেলে, মেয়ে।। ডুয়েট।।
স্বর্গ থেকে পালকি চড়ে
ভালোবাসা আসে,
স্বর্গ সুধায় ঘোর লাগে তাই
হৃদয়ের চার পাশে ।।স্বপ্নগুলো সোহাগ মাখে
প্রজাপতির ডানায়,
সাতটি রংয়ের রংধনুটা
বাজায় সুখের সানাই।
চোখের কোনে নেশার কাজল
আবেগ নিয়ে হাসে,
স্বর্গ থেকে পালকি চড়ে
ভালোবাসা আসে ।।স্বপ্নগুলো ডানা মেলে
ফুল ফাগুনের সাথে
বিভোর হয়ে মন ছুটে যায়
জোৎস্না মাখা রাতে।
বুকের মাঝে সোহাগ মেখে
আশার খেয়ায় ভাসে,
স্বর্গ থেকে পালকি চড়ে
ভালোবাসা আসে ।।৩১/১২/২০২৪ মঙ্গলবার
উপস্থাপনা: ছেলে
ছেলে: কিছু বুঝতে পারলে? আমি কী বলতে চেয়েছি!
মেয়ে :পরে বলবো। তবে একটা শর্ত আছে!
ছেলে : যে কোন শর্ত আমি মানতে রাজি।
মেয়ে : বড় কোন শর্ত না। ঈদের দিন আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসবে।
ছেলে : আসবো না মানে একশত বার আসবো।
মেয়ে: এর আগেও তুমি কথা দিয়ে কথা রাখেনি!
চিট করলে খবর আছে!ছেলে : এই যে তোমার হাতটা ছুয়ে কথা দিলাম।
মেয়ে : মনে থাকবে!
ছেলে : নিশ্চয়ই থাকবে।
মেয়ে : দাওয়াত দিলাম ঈদের দিনে বন্ধু আমার বাড়ি,কইরো না কইরো না বন্ধু তুমি বাড়াবাড়ি।
ছেলে : মাথা খারাপ!ঈদের নামাজ পইড়্যা আমি
আসবো তাড়াতাড়ি।মেয়ে: আমার পক্ষ থেকে ঈদে দাওয়াত গানে গানে গাইতে আসবেন শিল্পী
১।___________________ ২।________________গান।।০৩।। ফোক ।।ছেলে, মেয়ে।। ডুয়েট
দাওয়াত দিলাম ঈদের দিনে
বন্ধু আমার বাড়ি,
কইরো না কইরো না বন্ধু
তুমি বাড়াবাড়ি,
ঈদের নামাজ পইড়্যা আমি
আসবো তাড়াতাড়ি।।শাড়ি পইরা সাইজ্যা থেকো
কপালে টিপ দিয়া,
আইসক্রিম আর ফুচকা খাবো
তোমায় সাথে নিয়া।
সময় মত না আসিলে
নেব আমি আড়ি।।
ঈদের নামাজ পইড়্যা আমি
আসবো তাড়াতাড়ি।।পোলাও কোরমা সেমাই খাইবা
দেবো যতন করে,
লজ্জা রাইখা খুশি মনে
খাবো পেটটা ভরে।
তাই কোরবানের গোস্ত আমি
রানবো ভইরা হাঁড়ি
ঈদের নামাজ পইড়্যা আমি
আসবো তাড়াতাড়ি।।০৮/০৪/২০২৬/ বুধবার
উপস্থাপনা:মেয়ে
মেয়ে :১০ই জিলহজ সকালে মুসলমানেরা ঈদের ময়দানে বা মসজিদে জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন নামাজের পর সামর্থ্যবান মুসলমানেরা গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া বা উট কোরবানি করেন।
ছেলে : কোরবানির গোশত তিন ভাগে ভাগ করে থাকেন নিজের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে বণ্টন করা সুন্নাত। এটা বলতে ভুলে গিয়েছিলাম।
মেয়ে: শুধু শিশু কিশোর রাই নয় বড়রাও ঈদের দিনে নতুন পোশাক পরেন, আত্মীয়দের বাড়িতে যান, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আনন্দ করে থাকেন।
ছেলে : প্রতিটি ধর্মেই তার প্রধান ধর্মীয় উৎসব রয়েছে। আর সেই উৎসবের আমেজ বা আনন্দ সবার সাথে সমবন্টন করে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন গড়ে তোলে।
মেয়ে : যার ফলে মানব জাতির মধ্যে এক ভালোবাসার বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে।
ছেলে : তোমার আমার মাঝে একটা ভালোবাসার বন্ধন তৈরি হয়েছে!
মেয়ে: ও মা এ তো দেখছি তোতা পাখির মুখে বোল ফুটেছে!
ছেলে : কি বলো ফুটবে না। তোমাকে কত নামে এখন ডাকতে ইচ্ছে করে।
মেয়ে : এই বলো না! নাম গুলো।
ছেলে : শুনবে? তাহলে শোন। কি নামে ডাকবো তোমায় হলো চেনা জানা,
নজরুলের আশালতায় পূর্ণ ষোলআনা । তোমার এই নাম গানের পাখির মতো গেয়েছেন শিল্পী
____________________গান।।০৪।। আধুনিক।। ছেলে।। একক
কি নামে ডাকবো তোমায়
হলো চেনা জানা,
নজরুলের আশালতায়
পূর্ণ ষোলআনা ।।ষোড়শী হও শরৎ বাবুর
না হয় চন্দ্রমুখী,
কিরণময়ী চারুলতা
যে নামে হও সুখী।
ডাকতে পারি সুচরিতা
না ডাকবো অনন্যা,
নজরুলের আশালতায়
পূর্ণ ষোলআনা ।।রবি ঠাকুরের নন্দিনী হও
সমরেশের হও দিপা
নিরুপমা ডাকবো তোমায়
না ডাকবো জয়িতা।
ঊর্মিলা শর্মিলা নামে
করো না আর মানা
নজরুলের আশালতা
পূর্ণ ষোলআনা ।।০৯/০৫/২০২৫
শুক্রবারউপস্থাপনা: ছেলে
ছেলে : পবিত্র ঈদুল আজহার অর্থ আমরা অনেকেই জানি আবার অনেকে জানিনা! ‘ঈদ’ শব্দের অর্থ আনন্দ এবং ‘আজহা’ শব্দের অর্থ কোরবানি বা ত্যাগ। তাই ঈদুল আজহা হলো ত্যাগের আনন্দ।
মেয়ে : মূলত আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা, আনুগত্য ও ত্যাগের মহিমাকে স্মরণ করতেই এই উৎসবের প্রবর্তন।
ছেলে : হজরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি দিতে উদ্যত হয়েছিলেন। আল্লাহর প্রতি তাঁর এই আত্মত্যাগ ও আনুগত্যের দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী ঘটনাকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে ঈদুল আজহার প্রচলন হয়।
মেয়ে : তুমি তো কিছুক্ষণ আগে গানের ভাষায় আমার অনেক নামের কথা জানালে। তুমি যে নামেই ডাকো না কেন সবার আগে থাকতে হবে বিশ্বাস। যতক্ষণ আছে নিঃশ্বাস, ততক্ষণ করো বিশ্বাস
রেখ তুমি হাতটা ধরে, জীবনের উচ্ছ্বাসে, আমরন থেকো পাশে ভালোবাসো উজাড় করে। আমাদের বিশ্বাসকে আরো দৃঢ় করার জন্য এবার গান নিয়ে আসছেন শিল্পী_____________________গান।।০৫।। আধুনিক।। মেয়ে।। একক।।
যতক্ষণ আছে নিঃশ্বাস, ততক্ষণ করো বিশ্বাস
রেখ তুমি হাতটা ধরে,
জীবনের উচ্ছ্বাসে, আমরন থেকো পাশে
ভালোবাসো উজাড় করে।।যত বাঁধা অভিমান ,হয়ে যাবে অবসান
হারাবো সুখের পথে,
মিলনের গান গেয়ে, ইচ্ছের দাঁড় বেয়ে
ভাসবো প্রেমের স্রোতে।
অন্তরে থেকে যাবো, তোমাকে কাছে পাবো
আপন হয়ে চিরতরে,
জীবনের উচ্ছ্বাসে ,আমরন থাকবো পাশে
ভালোবাসো উজাড় করে।।যত ভুল ভ্রান্তি, আমি মুছে দেব ক্লান্তি
তুমি শুধু পাশে থাকো,
স্বর্গের সুখ চেয়ে , যাবো স্বপ্নের সিঁড়ি বেয়ে
সারা জনম বেঁধে রাখো।
জীবনের হাঁকডাক , সুখে দুখে কেটে যাক
দিও প্রেম আঁচল ভরে,
জীবনের উচ্ছ্বাসে , আমরন থাকবো পাশে
ভালোবাসো উজাড় করে।।২৮/০৪/২০২৫
সোমবারউপস্থাপনা: মেয়ে
মেয়ে: কি বুঝলে? আমার হাতটা শক্ত করে ধরে রাখতে পারবে তো!
ছেলে : এত ধৈর্য হারা হলে চলে!
মেয়ে : আমি ধৈর্য্য আর হয়নি শুধু আমার হাতটা ধরে রেখো জীবন মরণ পাশে থেকো!
ছেলে : ঠিক আছে, এই হাত ধরেছি যখন আমি
ছাড়বো না কোন দিন, ভালোবেসে জীবন জুড়ে স্বপ্ন করবো রঙিন, তোমার আমার ভালোবাসা থাকবে চিরদিন। আমার না বলা কথা গানের মাধ্যমে তোমাকে জানতে আসছেন শিল্পী
১।_________________________২____________________গান।।০৬।। আধুনিক।। ছেলে, মেয়ে।। ডুয়েট
এই হাত ধরেছি যখন আমি
ছাড়বো না কোন দিন,
ভালোবেসে জীবন জুড়ে
স্বপ্ন করবো রঙিন,
তোমার আমার ভালোবাসা
থাকবে চিরদিন।।তাই অচেনা জগৎ জুড়ে
করবো বিচরণ,
সুখে দুখে থাকবো পাশে
আমি সারাজীবন।
ফাগুনের পরশ খুঁজে নিও
তুমি প্রতিদিন,
তোমার আমার ভালোবাসা
থাকবে চিরদিন।।তাই লুকানো আবেশ খুঁজি
এসো দু’জন মিলে,
সারা জনম থাকবে তুমি
এই হৃদয় মজ্ঞিলে।
বুকের ভিতর তোমার জন্য
শুধু করে চিনচিন,
তোমার আমার ভালোবাসা
থাকবে চিরদিন।।২৭/০২/২০২৬
শুক্রবারছেলে : যখন ইব্রাহীম (আঃ) আরাফাত পর্বতের উপর তার পুত্রকে কোরবানি দেয়ার জন্য গলদেশে ছুরি চালানোর চেষ্টা করেন, তখন তিনি বিস্মিত হয়ে দেখেন যে তার পুত্রের পরিবর্তে একটি প্রাণী কোরবানি হয়েছে এবং তার পুত্রের কোনো ক্ষতি হয়নি। ইব্রাহীম (আঃ) আল্লাহর আদেশ পালন করার দ্বারা কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
মেয়ে : দেখতে দেখতে হাতের সময়টা ফুরিয়ে এলো আমরা অনেকক্ষণ ঈদুল আযহার মাহাত্ম্য এবং ঈদ আনন্দ উপভোগ করলাম। তোমার আমার ভালবাসার কথা সবাই জেনে গেল! এবার বিদায় নেওয়ার পালা।
ছেলে : প্রিয় শ্রোতা বন্ধুরা এতক্ষণ আপনাদের সাথে ছিলাম আমি _______________________
মেয়ে: আর আমি_______________
ছেলে : গীতি নকশাটির গ্রন্থনা ও গীত রচনা করেছেন স্বনামধন্য গীতিকার আবুল হাসান তুহিন
সুর ও সংগীত পরিচালনায় ছিলেন আপনাদের সবার প্রিয় আব্দুল্লাহ খান। প্রযোজনা করেছেন ________________কবিতা।। আবৃত্তি।।ছেলে, মেয়ে।।
কোরবানির এই পূর্ণতায় ত্যাগের মহিমা জাগে,
আনন্দের ধারা বয়ে যাক আজ সবার অনুরাগে।
কেবল উৎসবে পূর্ণ হবে না ঈদের প্রকৃত দান,
যদি না ঘুচাতে পারি আমরা ব্যথিতের ব্যবধান।
অত্যাচারের কষাঘাতে যদি ম্লান হয় কারও হাসি,
তবে কি সার্থক হবে আমাদের উৎসব রাশি রাশি?
হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে যদি হই একপ্রাণ,
তবেই ধ্বনিত হবে গাইবে সাম্যের সুমধুর গান।
মৈত্রীর এক সমাজ গড়ি, যেখানে সবাই সমান,
অবহেলা নয় ক্ষুধার্তকে কর অন্ন দান ।
দুঃখী-অভাবী ও ছিন্নমূলের পাশে এসে দাঁড়াই,
ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে চলো মানবতার হাত বাড়াই।
কোরবানির মাংস পৌঁছে যাক সবার ঘরে ঘরে?
গরিব দুঃখীর মুখে ফুটুক হাসি ভালোবাসা থরে থরে।
খোদার রহম তোমারা সবাই পেতে যদি চাও
মনের ভিতর পশুটাকে দাও কুরবানী দাও।।
ত্যাগের এই দিনে ঘুচে যাক জমা যত শোক,
সবাই মিলে একসাথে বলি— ঈদ মোবারক!।। সমাপ্ত।।
রচনা কালঃ০৮/০৪/২০২৬ বুধবার-আবুল হাসান তুহিন
গীতিকার এবং নাট্যকার বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন1 Comment

Abul Hasan Tuhen
Friends
abrar
@abrar
জামান বারভী
@zamanbarovi
MUHAMMAD TAHSEEN
@muhammadtahseen
Kokeshas King
@kokeshasking
মোরশেদ সাকিব
@morshedsakib
Ekhtiar Uddin
@ekhtiar2003
ইভান
@ivan
মো: ফারহান হাবীব
@farhan-habib
Masfi K
@masfi-mohammad


সাহিত্যের বিভিন্ন নাম নিয়ে লেখা গানটি (গান-০৪) এক কথায় অনবদ্য। অনন্যা, জয়িতা, চারুলতা—সব মিলিয়ে এক দারুণ সংকলন।