-
#এক_মুঠো_বিকেল
পর্ব ১
অফিস থেকে আজ জবাব দিয়ে দিল। লাঞ্চের পর অফিসের পিছনের গলির টং থেকে চা খেয়ে আর সিগারেট ফুঁকে যখন সবে ডেস্কে ফিরেছে সাইফ, সাপোর্ট স্টাফ বাবু এসে খবর দিল এমডি স্যার তলব করেছে। লাঞ্চের পর এই সময়টায় একটু ঝিমুনি আসে। বস ডাকছে শুনে ঝিমুনি কেটে গেল তার। অফিসে এখন ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইসিসের নামে লোক ছাঁটাই চলছে। প্রতি সপ্তাহেই এক দুইজনকে বিদায় দেয়া হয়। টেবিলের উপর থেকে পানির বোতলটা নিয়ে গলাটা একটু ভিজিয়ে নিল সাইফ। তাড়াহুড়ো করে খেতে গিয়ে শার্টটাও খানিকটা ভিজে গেল। মনে মনে আয়তুল কুরসি পড়তে পড়তে এমডির রুমের দরজায় নক করল। ভিতরে ঢুকতেই আশঙ্কা সত্য প্রমাণিত হল। কারণ এমডির পাশে এইচআর হেড আর সাইফের রিপোর্টিং বস সেলস হেড আনিস ভাইও বসে আছেন। সাইফ কেবিনে ঢুকে সালাম দিলে আনিস ভাই বসতে বললেন। “কী অবস্থা, কেমন আছেন সাইফ?” বললেন এইচ আর এর পিয়াস ভাই।
“জি ভাই, ভালো।” বলে মনে মনে ভাবল, ভালো আর তোরা থাকতে দিলি কই! পেটে লাথি দেয়াএ ব্যবস্থা করে জিগাস কেমন আছি! শালা!
“এ মাসে আপনার টার্গেটের কী অবস্থা সাইফ?” টার্গেটের অবস্থা খুব ভালো করে জেনেই এই অবান্তর প্রশ্ন। মেজাজটা খারাপ হচ্ছে সাইফের। রুক্ষ স্বরে জবাব দিল, “অর্ধেক এচিভ হয়েছে।”
এবার এমডি স্যার বললেন, “ব্যবসার খুব মন্দা যাচ্ছে বুঝলেন। আপনারা তো সবই জানেন।” সাইফ অধৈর্যভাবে বলল, “জি স্যার।”
“সাইফ, আপনি মনে হয় বুঝতে পেরেছেন আপনাকে কেন ডাকা হয়েছে।”
“জি স্যার।”
পিয়াস বলল, “আপনি আমাদের জন্য খুবই মূল্যবান এসেট ছিলেন সাইফ। আপনার যোগ্যতা নিয়ে আমাদের বিন্দুমাত্র অভিযোগ কিংবা সন্দেহ নেই। কিন্তু…”
“কিন্তু আপনারা আমাকে আর অ্যাফোর্ড করতে পারছেন না তাই তো?”
পিয়াস একটু বিচলিত হয়ে বলল, “ঠিক।”
“ঠিক আছে স্যার, আসি তাহলে, আনিস ভাই, আসি।”
আনিস উঠে সাইফের সাথে করমর্দন করে শেষে জড়িয়েই ধরল। তার খারাপ লাগছে, গত তিন বছরে একটা ভাই-ব্রাদার সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল।
পিয়াস বলল, “আজকেই অফিশিয়ালি আপনার শেষ দিন আমাদের সাথে, এক মাসের নোটিশ পিরিয়ড থাকবে। আপনি যাওয়ার আগে এইচআরে সুমির সাথে দেখা করে যাবেন। জবাবে মাথা ঝাঁকাল সাইফ।
অফিস থেকে বের হওয়ার সময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখল। আরেকটা ডিপার্টমেন্টের কয়েকটা মেয়ের শেষ দিন আজকে। কাস্টমার সার্ভিস ডিপার্টমেন্ট, বেশিরভাগই অল্পবয়সী মেয়ে এই ডিপার্টমেন্টে। যারা চলে যাচ্ছে এবং বাকি কলিগরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে। মনে মনে হাসল সাইফ। কম বয়স আর মেয়ে হওয়ার সুবিধা আছে, অন্তত কেঁদে দুঃখটা হালকা করার তো উপায় আছে। ছয়টায় অফিস শেষ, পাঁচটায় সুমির কাছে গেল। সুমির মুখে অপরাধীর ছাপ, যেন সাইফের চাকরি যাওয়ার জন্য ওই দায়ী। সাইফ রসিকতা করে বলল, ” কী ব্যাপার, মুখটা এমন করে রেখেছ কেন? কেঁদে দিবে নাকি?”
“আপনি এখন কী করবেন সাইফ ভাই?”
“আপাতত কিছুদিন নাকে তেল দিয়ে ঘুমাব। প্রতিদিন ছয়টা সময় উঠে অফিসে আসতে আসতে আমি ক্লান্ত।”
“এইচ আরেও লোক ছাঁটাই করবে সাইফ ভাই।”
সাইফ মেয়েটাকে কী বলবে ভেবে পেল না। সুমির ব্যক্তিগত কাহিনি সে জানে। অল্পবয়সে ঝোঁকের বশে পালিয়ে বিয়ে করেছিল। পরে দেখে ছেলে ড্রাগ অ্যাডিক্ট, বিয়ে টিকেনি শেষ পর্যন্ত। ফিরে এসে ভাইয়ের সংসারে জায়গা হয়নি। ভাবীর সাথে ঝগড়া করে মাকে নিয়ে আলাদা থাকে। তার আয়ের উপরই চলে মা-মেয়ের সংসার।
“চাকরি খুঁজতে থাক সুমি। সুযোগ থাকতেই চলে যাও। জব একবার চলে গেলে আবার নতুন চাকরিতে ঢোকা মুশকিল।” সুমির চোখ ছলছল করছে। সাইফ একটা দীর্ঘশ্বাস গোপন করল। সুমির মনে যে তার জন্য বিশেষ অনুভূতি আছে, তা ভালো করেই বুঝে সাইফ। এমনকি সাইফ বিবাহিত তা জেনেও। নিজের বৈবাহিক সম্পর্কের কথা ভেবে মনটা আরও খারাপ হয়ে গেল। নবনীকে বোধ হয় আর ফেরানো যাবে না। এইচ আরের কাগজপত্র বুঝে নিয়ে সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে গেল সাইফ। বের হলো পাঁচটা পয়তাল্লিশে। পনেরো মিনিট আগে বের হওয়ার জন্য আজ আর কারো কাছে জবাবদিহি করতে হবে না।
কিছুক্ষণ আগে বের হওয়ায় রাস্তায় ভীড় কম। বাসস্ট্যান্ডেও লোক কম। হঠাৎ পাশে এসে দাঁড়ালো কাস্টমার সার্ভিসের সদ্য চাকরি হারানোর মেয়েগুলোর একজন। মেয়েটা একদমই বাচ্চা দেখতে, জয়েন করেছে বেশিদিন হয়ওনি বোধ হয়৷ গালে কান্নার দাগ স্পষ্ট। সাইফ ওকে দেখে সৌজন্য করে হাসল। মেয়েটা মলিন একটা হাসি ফেরত দিল।
“কোথায় যাবা?”
“ফার্মগেট। আপনি?”
“আমিও ফার্মগেট যাব।”
“ওখানে বাসা?”
“না, বাসা কলাবাগান। তোমার বাসা?”
“বাসা নেই, আমি তেজকুনিপাড়ায় একটা ছাত্রী হোস্টেলে থাকি।”
মেয়েটা খানিকক্ষণ চুপ থেকে বলল, “ভাইয়া আপনাকেও নাকি…”
সাইফ মাথা ঝাঁকিয়ে বলল, “হুম।”
বাস এসে পড়েছে। চাকরি চলে গেলেও মেয়েটার ভাগ্য ভালো আজকে, মহিলা সীট খালি ছিল। সাইফ বাসের পিছনের দিকে গিয়ে দাঁড়ালো। মাঝারি উচ্চতার, ছিমছাম গড়নের, শিশুসুলভ চেহারার এই মেয়েটির সাথে হয়তো আর কখনোই দেখা হবে না।
সরাসরি বাসায় গেল না সাইফ। এত আগে বাসায় গিয়ে করবেটাই বা কী! রাত নয়টার আগে তো এমনিতেও অফিস থেকেই বের হওয়া হতো না। বাসায় যেতে যেতে দশটা। নবনী চলে যাওয়ার পর থেকে তো কোনো টাইমটেবিলই নেই জীবনে। বাস থেকে নেমে আনন্দ সিনেমা হলে ঢুকল। রানিং মুভির নাম বেহায়া প্রেম, রগরগে পোস্টার৷ একা একা বসে সিনেমা দেখল সাইফ। হলে বেশি লোক নেই, এ ধরণের সিনেমার দর্শক বেশি হয় নাইট শোগুলোতে। এক ঘণ্টা বসে থেকে বের হয়ে গেল সাইফ৷ হল থেকে বের হতেই অবনীর ফোন।
“কী ব্যাপার সাইফ ভাই, আপনি কি আর আপুকে নিতে আসবেন না?”
“তোমার আপুকে তো আমি রেখে আসিনি অবনী। মাসে ত্রিশ হাজার টাকা বেতন পাওয়া স্বামীর ঘর সে করবে না। তার ত্রিশ হাজার টাকা ভাড়ার বাসা লাগবে। তার চেয়ে সে সেখানেই থাকুক।”
“না না কি যে বলেন, আপনার জিনিস আপনি নিয়ে যান। জ্বালিয়ে ফেলছে আমাকে। আমার রুম বেদখল হয়ে গেছে। সারাদিন কি সঅব দুঃখের গান শুনে। কান ঝালাপালা হয়ে গেছে আমার। আর সারাদিন কি যে মেজাজ! সবার সাথে চিল্লাচিল্লি, কথা কাটাকাটি। যেন আমরা ওর ঘর ভেঙেছি। ”
“ও ফ্রাস্টেসনে ভুগছে অবনী। তোমরা কোথাও থেকে ঘুরে আসো না ওকে নিয়ে।”
“ইস! আপনার ঝামেলা নিয়ে আমরা ঘুরতে পারব না। আপনি এসে ওকে নিয়ে যান।”
“সেটা আর সম্ভব না অবনী। ওকে এখন থেকে আমাকে ছাড়াই থাকতে হবে। যে লাইফস্টাইল ও চায়, সেটা দেয়া আগে তো আমার পক্ষে সম্ভব ছিলই না, এখন তো আরও হবে না।”
“কেন কেন?” চিন্তার ছাপ পড়ে অবনীর মুখে
“আমার চাকরি চলে গেছে অবনী। আগে যে ত্রিশ হাজার টাকা নিয়ে এত ক্ষোভ ছিল তোমার আপুর, সেটাও আগামী মাস থেকে আর আসবে না। ওকে বলো, যদি মিউচুয়াল করতে চায়, তাহলে সব ব্যবস্থা করে আমাকে বলতে। আর যদি আমাকে ব্যবস্থা করতে হয়, সেটাও যেন জানিয়ে দেয়।”
“কিন্তু ভাইয়া…” অবনীর কথা শেষ হওয়ার আগেই ফোন কেটে দেয় সাইফ।
অবনীর ফোনটা লাউড স্পিকারে ছিল। কথোপকথন সবই শুনেছে নবনী। চোখ বেয়ে নোনা পানির ধারা বইছে তার। অবনী কিছু বলতে যাবে, তার আগেই সে এক দৌড়ে বাসার মেইন দরজা দিয়ে বের হয়ে গেল। এখন ছাদে যাবে সে, অবনী খুব ভালো করেই জানে। এখন তাক্র ঘাঁটিয়ে লাভ নেই। আপুর কর্মকাণ্ড দেখলে বিরক্ত লাগে অবনীর। নিজেই পাগল পাগল হয়ে বিয়ে করলি, বললি টাকাই নাকি সব না, ভালোবাসাটাই মুখ্য। বিয়ের দুই বছরের মধ্যে কতবার যে রাগ করে বাপের বাড়ি এসেছে, তার কোনো হিসাব নেই। অজুহাত কী তাও, পহেলা বৈশাখে দামি শাড়ি দেয় নাই, অ্যানিভার্সারিতে হীরার আংটি পায় নাই- কেন রে বাবা, তুই বিয়ের আগে জানতিনা তোর প্রেমিক কী করে, কয় টাকা কামাই করে? এবার এসে বলে ফকিরের ঘর করবে না। যেদিন লাখ টাকার চাকরি পাবে, সেদিন স্বামীর ঘরে ফেরত যাবে! ছোটোলোক কোথাকার! এখন বসে বসে কাঁদে জামাই ডিভোর্সের কথা বলছে দেখে। অবনীর নিজের স্বার্থেও নবনীকে জলদি নিজের বাড়িতে পাঠানো দরকার। অবনীর বিয়ের কথা চলছে। বিবাহিত বড় বোন বাপের বাড়িতে রাগ করে পড়ে আছে, এটা নিয়ে ইতোমধ্যে ও বাড়ির কয়েকজন কথা শুনিয়ে ফেলেছে। কিন্তু এখন তো পরিস্থিতি আরও সঙ্গীন। দুলাভাইয়ের চাকরি নাই, আবার ডিভোর্সের কথাও বলছে। অবশ্য চাকরি থাকতেই আপু স্বামী ফেলে চলে এসেছে, চাকরি না থাকলে কী করতো আল্লাহই জানেন।
নবনী ছাদ থেকে নামল রাত নয়টার দিকে। তার মাও বড় মেয়ের খামখেয়ালি কর্মকাণ্ডে খুবই বিরক্ত। বিয়ের আগে তারা বারবার না করেছিলেন, ছেলের পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না। ছেলেরও সামান্য বেতনের সাধারণ চাকরি। কিন্তু না, তখন তো চোখে ভালোবাসার টিনের চশমা আঁটা, মা-বাবার কথা রুচবে কেন?
এখন দুইদিন পর পর নাটক লেগেই আছে। লাজ-শরম বলতে কিছুই নেই মেয়েটার।
নবনী রুমে গিয়ে ঘর অন্ধকার করে চুপচাপ শুয়ে রইল, অবনী শুতে এলে ওর সাথেও কোনো কথা বলল না। অবনী রাত জেগে হবু বরের সাথে কথা বলে। নবনী আসার পর থেকে বারান্দায় গিয়ে কথা বলতে হয়৷ কথা বলতে বলতে বারান্দায় রাখা দোলনায় বসেই কখন ঘুমিয়ে গেল টের পায়নি। সকালের রোদ চোখে পড়ার পর রুমে এলো। এসে দেখে নবনী নেই রুমে।
সাইফ রাতে স্বাদ তেহারি থেকে এক প্যাকেট তেহারি এনে খেলো। সহকর্মীদের মধ্যে দুই-একজন ভার্সিটির সহপাঠী ছিল। সেই সুবাদে চাকরি যাওয়ার খবর বন্ধুমহলে চাউর হয়ে গেছে এরই মধ্যে । কয়েকজন ফোন করেছে, সাইফ ধরেনি, তবে ধরা উচিত। পরিচিতদের রেফারেন্স ছাড়া দ্রুত চাকরি পাওয়া কঠিন হবে। কাল সকালে কলব্যাক করতে হবে সবাইকে। ভোরের দিকে ঘুম ভাঙল মোবাইলের রিংটোনে। ভার্সিটির বড় ভাই ইরফানের নামটা স্ক্রিনে দেখে একই সাথে খুশি এবং অবাক হলো।
নবনী সারা রাত ঘুমায়নি। ফজরের আজান দিতেই উঠে নামাজ পড়ল। অবনীকে দেখল বারান্দায় ঘুমিয়ে আছে। আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে নিজের চেহারা দেখে চমকে উঠল। অবিন্যস্ত চুল, চোখের নিচে কালি, ফোলা মুখ। তাড়াতাড়ি চুলগুলো ঠিক করে হালকা লিপস্টিক লাগিয়ে নিল ঠোঁটে। কাপড়টাও পালটে নিল। এ সময় রিকশা পাওয়া গেলেই হয়।
কলবাগানে নিজেদের ভাড়া করা ছোট্টো ফ্ল্যাটটার সামনে গিয়ে থমকে দাঁড়ালো। সে যাওয়ার সময় বাসার চাবি নিয়ে যায়নি। বারবার বেল বাজিয়েও কোনো লাভ হলো না, দরজা খুলছে না সাইফ। এরপর জোরে জোরে সাইফের নাম ধরে ডাকতে থাকল সে। ওর আওয়াজ শুনে দোতলা থেকে বাড়িওয়ালার কাজের ছেলেটা এসে জানাল সাইফকে সে সকালেই বাইরে যেতে দেখেছে, হাতে ছিল বড় একটা স্যুটকেস।
(চলবে)-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 07 October 2022 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 14 July 2023 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 15 April 2024 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
-
তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন। আপনার এই লেখাটি আজ 25 January 2025 তারিখে ‘এডিটর’স চয়েস’ হিসাবে নির্ধারিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং আপনার চমৎকার কোয়ালিটির লেখা শেয়ার করে মঞ্চকে একটি সমৃদ্ধ স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনার অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!
Friends
ভাস্কর
@vaskarchou
Prithula Zaman
@prithula
AdabenTatali
@adabentatali
Sharbanam Gupta
@sharbanam-gupta
অভিমানী মন
@ovimanimon
তুলট ডেস্ক
@toulot
চাঁদ সদাগর
@chand_sodagor
Latifur Rahman Pramanik
@latifur-rahman


সুন্দর গল্প। সাইফ এমন কেন! অভিনন্দন।