Profile Photo

বিষণ্ন সুমনOffline

  • logolabbd
  • Profile picture of বিষণ্ন সুমন

    বিষণ্ন সুমন

    • 4 months, 3 weeks ago

    তোমার চাহনি

    বদলে যাবার মিছিলে এখন তুমিও।

    ঘাসের ডগাগুলো সব গেছে নুয়ে।
    সবুজের জমিনে জড়ানো বাদামী প্রলেপ
    অমলিন সরলতায় আঁকে বয়সী আস্তরণ।
    হুমড়ি খেয়ে যায় সতেজ শিশির
    ঝড়ে পড়ার ফেরে তাই কুয়াশার মরণ।

    এক রত্তি পায়ে হাঁটা পথকেও দেখি
    তকতকে কার্পেটের শোভায় যায় মুড়ে।
    চার চাকায় চলার গতিময় স্পন্দন
    খুঁজে ফেরে এঁদো গলি স্মৃতির ক্রোড়ে।
    এমনি করেই হারায় চেনা চারিপাশ।

    সবুজ অরণ্য ভূমে জাগে ন্যাড়া বসুধা
    কালো পিঁপড়ের দল হেথা পায়না ঠাই।
    ঘুণে পোকার আদলে তারাও গর্ত খুড়ে
    নিবিড় জীবনের তরে খোঁজে মাটির চাই।
    এভাবেই শুন্যচারীর হয় মৃত্তিকাবাস।

    বুড়ো দেহের ভাঁজে এখন যৌবন আসেনা।
    ফর্সা মুখের নিটোল আদ্যোপান্ত জুড়ে
    বয়সের বলীরেখা লুটোপুটি খায়।
    তুমিও ছিলে কখনো বুকের ধুকধুকানিতে
    স্মৃতির মণিকোঠায় তাই দোলা দিয়ে যায়।

    অনুভূতির সায়রে এখন নিরেট ভাবনার বসবাস।
    মাকড়শার শত জালের বিভ্রান্তি জুড়ে
    চিন্তা ও চেতনা ক্রমশ: ফিকে হবার দলে।
    তুমি ও তোমার অবস্থিতির মূল্যায়ন
    পুরোটাই বর্তমান কেবলি সান্ত্বনার ছলে।

    ক অক্ষর গো’মাংস থেকে চীনের প্রাচীর
    কিম্বা চেঙ্গিসখানের এপিটাফে ভোরের শিশির।
    ক্লিউপ্রেট্রাও হতে পারে তোমার সমান
    সব সুন্দরের একই নাম সবি তো মহান।
    বদলানোর মিছিলে নেই তবে কে শুনি।

    সামান্য ঘাসের ডগা অথবা চেনা চারিপাশ
    শিল্পীর তুলিতে আঁকা শরীরী অমনিবাস
    সবই বদলায় কিম্বা চাইলেই বদলানো যায়।
    তবুও অনেক ইচ্ছে করেও রয়ে যায় অটুট
    আবাল্য থেকে অদ্যাবধি কেবলি তোমার চাহনি।

    5
    4 Comments
আমি মানুষের ভীড়ে মানুষ খোঁজে ফিরি

বিষণ্ন সুমন

ডিজাইনার

স্কুল বয়েস থেকেই লিখালিখা করি। যদিও পড়ি তার আগে থেকেই। আমি বিশ্বাস করি, ভালো লিখতে হলে আগে ভালো পড়তে জানতে হবে। তাই এখন পর্যন্ত নিজেকে লেখক না ভেবে ভালো পাঠক হিসেবেই পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। প্রথম প্রকাশিত বই সেই ১৯৯৬ সালের গ্রন্থমেলায় “কে বলে তুমি নেই” রোমান্টিক উপন্যাস এবং সম্পূর্ণ মৌলিক ওয়েস্টার্ণ “লোন রাইডার”। পরবর্তীতে ২০১২ সালের বই মেলায় অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত গল্প সংকলন। মাঝে banglanews24.com এর সাহিত্যপাতায় নিয়োমিত লিখেছি। আসলে আমি লেখায় কখনোই অনর্গল নই। মাঝেমাঝেই বন্ধাত্ব্য এসে আমায় থামিয়ে রাখে। একটা শব্দও লিখতে পারিনা। তখন আমার পুরনো লিখাগুলো নিজেই পাঠক হয়ে পড়ি আর ভাবি, এ গুলো কি সত্যিই আমি লিখেছিলাম(?)। এই ৫৪ বছর বয়সে এসেও এই একটাই প্রশ্ন নিজেকে করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।

Skip to toolbar