Profile Photo

বিষণ্ন সুমনOffline

  • logolabbd
  • বৃষ্টি ও মানুষ

    আকাশের বুক থেকে আর কতটুকুই বৃষ্টি ঝরে
    এর চেয়ে ঢের বেশী বৃষ্টি ঝরে মানুষের বুকে ।

    সুনীল আকাশের বুকে ভাসে নিঃসঙ্গ মেঘের দল।

    তার শুভ্র দেহের ভাজে
    বয়ে বেড়ায় এক রাশ জলকণা।
    অসীম কষ্টের দাহনে কখনো
    এই শুভ্রতাই হয়ে উঠে কালো।
    ভারী হয়ে যায় আকাশের বুক
    তখনি ঝরে পড়ে অঝোরে।
    অঢেল কান্নার স্রোতের ভীড়ে
    অবিরাম বৃষ্টির ছলছলে মুখ।

    মনের সফেদ আকাশে ভাসে স্বপ্ন রাশি রাশি।

    স্বপ্নের নিরেট ভাজে জড়িয়ে
    এক বুক চাওয়াটুকু হয় উদ্বেল।
    স্বার্থের টানা-পোড়েনের যাঁতাকলে
    কখনো এই স্বপ্নেরাই হয়ে যায় মিথ্যে।
    তখনি ভিজে উঠে চোখের কোণ
    কান্নার আদলে ঝরে জল।
    বুকের উত্তাপে যায় মিশে
    অবিরত কষ্টের দুঃসহ সুখ।

    আকাশের বৃষ্টি দেখে হাসে মানুষের চোখ
    তার ফেনায়িত ছটায় কভূ ভেজেনা বুক।
    নিজের বুকের আকাশে ঝরে পড়া বৃষ্টির দুখ
    অবিরত রঙ পাল্টায় অকপট মানুষের মুখ।

    আকাশের বুক থেকে আর কতটুকুই বৃষ্টি ঝরে
    এর চেয়ে ঢের বেশী বৃষ্টি ঝরে মানুষের বুকে ।

    3
    4 Comments
আমি মানুষের ভীড়ে মানুষ খোঁজে ফিরি

বিষণ্ন সুমন

ডিজাইনার

স্কুল বয়েস থেকেই লিখালিখা করি। যদিও পড়ি তার আগে থেকেই। আমি বিশ্বাস করি, ভালো লিখতে হলে আগে ভালো পড়তে জানতে হবে। তাই এখন পর্যন্ত নিজেকে লেখক না ভেবে ভালো পাঠক হিসেবেই পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। প্রথম প্রকাশিত বই সেই ১৯৯৬ সালের গ্রন্থমেলায় “কে বলে তুমি নেই” রোমান্টিক উপন্যাস এবং সম্পূর্ণ মৌলিক ওয়েস্টার্ণ “লোন রাইডার”। পরবর্তীতে ২০১২ সালের বই মেলায় অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত গল্প সংকলন। মাঝে banglanews24.com এর সাহিত্যপাতায় নিয়োমিত লিখেছি। আসলে আমি লেখায় কখনোই অনর্গল নই। মাঝেমাঝেই বন্ধাত্ব্য এসে আমায় থামিয়ে রাখে। একটা শব্দও লিখতে পারিনা। তখন আমার পুরনো লিখাগুলো নিজেই পাঠক হয়ে পড়ি আর ভাবি, এ গুলো কি সত্যিই আমি লিখেছিলাম(?)। এই ৫৪ বছর বয়সে এসেও এই একটাই প্রশ্ন নিজেকে করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।

Skip to toolbar