-
দমকলকর্মী।
আমিনা বেগম রেবা।শহরে লেগেছে আগুন, যত্রতত্র।
ছড়িয়েছে দিক্বিদিক।
পুড়ে গেছে পুরাতন গ্রন্থাগার,
ঝলসে গেছে পুষ্প তোরণ,
উদ্যানে উদ্যানে,
লেলিহান ছায়াবীথি সকল,
দাউদাউ ছুটে আসছে , রাহুর মতোন,
অজস্র দৈত্যাকৃতি ধূমায়িত মেঘ
কুণ্ডলী পাকিয়ে হুু হুুঙ্কারে,,,
ঢেকে দিচ্ছে আকাশের নির্লিপ্ত আলোক পুন্জ।আমি ছুটছি দিক্বিদিক,,
সকলেই ছুটে যাচ্ছে সমুখে,
ভাবছে কোথাও যেন, সামনেই,
আছে এক হরিৎবরণ সুদৃশ্য দ্বীপ,
পাশে প্রবাহিত যেন এক সোমেশ্বরী নদী কথা।সকলেই ছুটে যায়,ত্রস্ত পায়ে,
হাহাকারে, কান্নায়, বিমর্ষ,
বিশৃঙ্খল নগরের প্রধান ফটক,
সাইরেন বাজিয়ে সুউচ্চ তান্ডব শব্দে,
তুমুল ছুটে যাচ্ছে,
শহরের দমকল বাহিনী।
কিন্তু কেউ জানে না,
কোথায় চলেছে সকলে,,,আহারে,,,ভীত, চকিত, বিভ্রান্ত মানুষ, দাঁড়াও।
এইবার দাঁড়াতে হবে ঘুরে,,,,
প্রজন্মের পর প্রজন্ম কাটালে,
এই রকম পালাতে পালাতে,
মোক্ষ হবে না লাভ,
নেভানো যাবেনা এই অকাতর আগুন।বরং, দাঁড়াও।
ফিরে দাঁড়াও,,,
নিজের বিপুল বুক, পাঁজর,
জ্বলতে দাও। নিজেকে জ্বালাও।
শহরে আগুন নেভাতে হলে আগে,,,
ফিরে দাঁড়াতে হবে সদম্ভে,,,
মুখোমুখি চোখ পাকাতে হবে,
দাম্ভিক, সুচতুর, লকলকে আগুনের জিভ,
টেনে ধরে ছিঁড়ে নিতে হবে,সবলে।।শহরে জ্বলছে আগুন দিক্বিদিক,
আমি ও ঘুরে দাঁড়িয়েছি অতঃপর,
আগুন নেভাতে হবে, প্রস্তুত আমি।
যতটা পোড়াতে হয় নিজেকে,
ঝলসে ঝলসে, ছাঁই হওয়া পর্যন্ত।৩১/০১/২০২৫.

আপনার লেখাটা পড়ে একদম গায়ের লোম খাড়া হয়ে গেল, কী দারুণভাবে পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়েছেন। আগুনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এই জেদ আর ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তাটা আমাদের খুব প্রয়োজন ছিল। আপনি অন্য সবার পোস্টে একটু লাইক আর কমেন্ট করবেন যাতে আমাদের এই গ্রুপটা বেশ অ্যাক্টিভ আর প্রাণবন্ত থাকে।