-
কিশোরী_বয়সের_ভালোবাসা
(না কি অপরিণত বয়সের ভুল )
লেখাঃ মেহের_মেহের_সীমা।
পর্বঃ ১৮
আমার দুই দুলাভাই ব্যস্ত তাদের নতুন ভায়রা ভাইকে সমাদার করতে।
সেদিন আংটি বদল করার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে এসে সিদ্ধান্ত বদলে গেছে।
আংটি বদল নয় বরং আজ আমার বিয়ে হবে।
তবে সম্পূর্ণ বিয়ে না অর্ধেক বিয়ে।
অর্ধেক বলছি তার কারণ আজকে আংটি বদল হওয়ার কথা ছিল সেজন্য সকাল বেলা থেকেই রান্নার তোরজোর শুরু হয়েছে।
তাছাড়া আংটি বদল উপলক্ষে আমাদের এবং পাত্রের বাড়ি মিলে লোকসংখ্যা প্রায় ৬০+ হবে।
এছাড়া আমাদের বাড়িতে যে কোনো ছোট খাটো অনুষ্ঠানেও লোকজন বেশি হয়ে যায়।
সেখানে আমার আংটি বদল লোকতো হবেই
এছাড়া পাত্রের বাড়িতে থেকে আসবে ২৫ জনের মতো।
সব মিলিয়ে আমাদের বাড়িতে একটা জমজমাট অবস্থা।
তাদের তোরজোর দেখে আমার মনের মধ্যে অস্থিরতা বিরাজ করছে।
সামনে কি হবে তা ভেবে ভয় করছে।
ইচ্ছে করছে মায়ের কোলে মাথা রেখে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকতে।
কারণ মায়ের কোলে মাথা রাখলে আমার সকল ভয় ছুঁমন্তর হয়ে যায়।
তবে মায়ের আজ সময় কোথায়?
মা’কে তো সব দিক দেখতে হচ্ছে সেজন্য আমর কাছে এসে বসতে পারছে না। রিয়া আমার পিছনে ঘুরঘুর করে গোসল করতে বলছে।
আমি ওর কথায় তেমন একটা পাত্তা দেয়নি।
সাব্বিরে মা সকাল থেকে সবকিছু ঠিক আছে কিনা তা দেখছিলেন,
কিন্তু এরমধ্যেই সে হঠাৎ করে কাঁদতে ঘরের ভেতর চলে যান।
এদিকে সাব্বিরের বাবা একটা কাজে ঘরে ঢুকেছিল স্ত্রীকে কাঁদতে দেখে বললেন,এই সাব্বিরের মা কি হয়েছে?
এতক্ষণ তো সব ঠিকই ছিল হঠাৎ করে তোমার কি হয়েছে?
মা আমার বাবার কথা শুনে বললেন, আপনি রিয়ার খালাকে ফোন করে আসতে নিষেধ করুন।
এখানে আমার মেয়েকে বিয়ে দিবো না।
বাবা আমার মায়ের কথা শুনে বললেন, কী?
সকালেও তো তুমি রাজি ছিলে হঠাৎ করে কি হয়েছে?
কেন বিয়ে দিবে না?
আমি এতকিছু বলতে পারব না বিয়ে হবে না এটাই মূল কথা।
সাব্বিরের মা পাগল হলে !সমস্যা কি তা তো বলবে?
তাছাড়া কাঁদার মত কি হয়েছে?
তাছাড়া আজ তো বিয়ে হচ্ছে না শুধু আংটি বদল হবে
কান্নাকাটি বন্ধ কর।
আপনি যাই বলুন না কেন এখানে সীমার বিয়ে দিব না।
যে ছেলে হিরোইন এবং চোরাচালান এর ব্যাবসা করে তার সাথে আমার একমাত্র মেয়ের বিয়ে দিয়ে তার জীবন নষ্ট করতে চায় না।
আমার বাবা সেদিন মায়ের কথা শুনে কিছুক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করেন আসলে কী হয়েছে!
বাবা কিছুক্ষণ চুপ করে মা’কে বলেন, এই সব কথা তুমি জানলে কোথায় থেকে?
সাব্বিরের বাবা আশ্চর্য কথা বলছেন তো আপনি? ছেলেটা খারাপ তা শুনেও কেন তাদের আসতে নিষেধ করছেন না?
উল্টো আমাকে জেরা করছেন।
আমি জানলাম কিভাবে!
স্ত্রীর কথা শুনে শাহেদ বেপারি বললেন, উল্টাপাল্টা কথা না বলে যা বলছি তার উত্তর দাও।সুমনা তার স্বামীর কথা শুনে বলেন ,আপনার চাচাতো ভাইয়ের বৌ বলেছেন।
তাকে নাকি তার পরিচিত একজন বলেছেন।
বাবা কথাগুলো শুনে মায়ের দিকে তাকিয়ে বলেন, সাব্বিরের মা মেঝো ভাবীর সাথে তোমার ছোট ভাইয়ের শ্বাশুড়ির বড় ভাব রয়েছে সেটা তো জানোই?
সুমনা তার স্বামীর কথা শুনে বললেন, তাতে কী হয়েছে?
শাহেদ বেপারি বলেন,কি হয়েছে বুঝতে পারছো না,
এই গ্রামে আমার মেয়ের বিয়ে ভাঙ্গার সাহস কেউ করবে না।
শুধু একজন ছাড়া সে হচ্ছে তোমার ভাইয়ের শ্বাশুড়ি।
কারণ সে আমাদের আত্মীয় এবং প্রতিবেশী হলেও আমাদের ভালো থাকাটা সে কখনো সহ্য করতে পারে না।
তাই আমার মনে হচ্ছে আমাদের মেয়ের বিয়ে ভাঙতে তিনিই ভাবীকে এই কথা বলেছেন।
যাতে মেঝো ভাবী এসে আমাদের বলেন।
কারণ ছেলে খারাপ হলে তা আমার কানে এতদিন এসে যেতো।
আর তুমি চিন্তা করো না, আজকে তারা আসুক দরকার হলে খাওয়া দাওয়া করে চলে যেতে বলব,আমি এই বিষয়ে খোঁজ না নিয়ে মেয়েকে ওখানে দিব না।
সুমনা তার স্বামীর কথা শুনে কিছুটা শান্ত হলেও মনের মধ্যে তার খুঁত খুঁত থেকে যায়।
এদিকে রেবা পাত্রকে রেখে আগেই এসে পরেন।
শাহেদ বেপারি রেবাকে সবসময় নাম ধরে ডাকতেন ভাইয়ের শালী হলেও বয়সে বেশ ছোট হওয়াতে।
সেদিন রেবাকে দেখে শাহেদ বললেন, রেবা তুমি হচ্ছো এই বিয়ের মেইন তোমার তো গতকাল থেকে আমাদের এখানে থাকা উচিত ছিল।
সে মুচকি হেসে শাহেদ বেপারিকে বলেন, গতকাল আসিনি তো কি হয়েছে আজকে তো আগেই এসে গেছি।
তিনি শাহেদ বেপারির সাথে আরও কিছুক্ষণ গল্প করেন।
গল্পের মধ্যে রেবা তার বোনকে বলতে লাগলেন,আপা একটা কান্ড ঘটে গেছে, ওখানে একজন আমার দেবরকে ও স্বামীকে বলেছেন সীমা একটা ছেলের সাথে পালিয়ে গিয়েছিল।
ছেলেটা ওকে কিছুদিন নিজের কাছে রেখে ছেড়ে দিয়েছে ।
সেজন্যই ওকে শহর থেকে গ্রামের স্কুলে ভর্তি করেছে।
আমার কথাটা শুনার পর থেকে অস্থির লাগছিল সেজন্য তোমাদের এখানে আগে এসে পড়লাম।
রেবা যখন কথাগুলো বলছিলেন সেখানে সীমার চাচী ছাড়াও তার আপারা, দুলাভাইয়েরা এবং তার মা বাবাও উপস্থিত ছিলেন।
রেবার কথা শুনে কিছুক্ষণের জন্য সকলে থমকে গেছে।
তারা বিশ্বাস করতে পারছেন না সীমা সম্পর্কে কেউ এমন কিছু বলতে পারেন।
মানুষ কতটা নিচে নামলে একটা মেয়ের নামে মিথ্যা বদনাম উঠাতে পারে।
সুমনা ভাবছে তার মেয়েটা তাদের সম্মানের কথা চিন্তা করে গ্রামে কষ্ট করে থাকছে।
আর মানুষ কিনা তার মেয়েকে নিয়ে উল্টোপাল্টা কথা বলেছে।
সুমনা কষ্ট হচ্ছে মানুষের এসব কথা শুনে।
রেবার কথা শুনে তার বড় দুলাভাই বলেন,কার এতো সাহস আমার ভাতিজির নামে উল্টাপাল্টা কথা ছড়ায়?
তাকে জুতা মেরে গাল লাল করে দিব।
এরমধ্যে সীমার বড় দুলাভাই বলে উঠেন,খালা এসব মিথ্যা কথা কে বলছে?
তার নাম ঠিকানা বলুন।
সীমাকে চোখের সামনে বড় হতে দেখেছি।
ওর মতো লক্ষী মেয়ে আর দুই একটা খুঁজে পাবেন কিনা সন্দেহ।
ওকে ছোট বোন ছাড়া কখনো শালীর নজরে দেখিনি।
তার সম্পর্কে এতবড় কথাটা কে বলল?
এরমধ্যে সীমার বড় চাচী তার বোনকে বলে উঠলেন,তুই কিছু বলিসনি?
তুই তো জানিস আমাদের মেয়ে কেমন?
রেবা তার বোনের কথা শুনে বললেন, তোমাদের বোন জামাই লোকটার কথা শুনে বলেছে, মেয়ে যেহেতু একবার ভেগে কষ্ট পেয়ে ফিরে এসেছে তাই এখন আর আমার ভাইকে রেখে পালানোর সম্ভাবনা নেই।
তাছাড়া আপনি হয়তো ভুলে গেছেন মেয়ের বড় চাচা আমার আপন ভায়রা ভাই।
তাই মার কাছে মাসীর প্যাঁচাল না বললেই ভালো হয়।
তার কথা শুনে লোকটি মুখ কালো করে চলে গেছে।
রেবার কথা শুনে শাহেদ বেপারি তার স্ত্রীকে ফিসফিসিয়ে বললেন,দেখছো আমি বলিনি আমাদের মেয়ের বিয়ে ভাঙতে এসব কথা ছড়াচ্ছে।
আমাদের কাছে বলেছে ছেলের দোষ আর ওদের কাছে আমার মেয়ের চরিত্র নিয়ে কথা বলছে।
সাব্বিরের মা কিছু মানুষ চাই আমার মেয়ের বিয়ে ভেঙে যাক।
কিন্তু আমি বেঁচে থাকতে তাদের মনের আসা পূরণ করতে দিব না।
সেদিন পাত্র এবং তার বাড়ির লোকজন এখানে আসার পর তাদের সাথে কথা বলে শাহেদ বেপারি সিদ্ধান্ত নিলেন আজকে এবং এই মুহূর্তেই তার মেয়ের বিয়ে হবে।
পরে সীমার এসএসসি পর অনুষ্ঠানে করে তুলে দিবেন।
যাতে আর কেউ বিয়ে ভাঙ্গার চেষ্টা করতে না পারে।
এরমধ্যে সীমার হবু শ্বাশুড়ি বলে উঠলেন এই মাসে তার ছেলের জন্ম তাই এই মাসে বিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না।
এবং তিনি এই মাসে বিয়ে করাতে নারাজ।
সীমার হবু শ্বশুড়ি আগের যুগের মানুষ ছিলেন বিধায় সে যা বিশ্বাস করতেন তাই করতেন।
এটা যে একটা কুসংস্কার তা বুঝার চেষ্টা করতেন না।
কিন্তু উপস্থিত সকলে ভাবছিল অন্য কথা।
তারা সিদ্ধান্ত নেন আমাদের বিয়ে তো হবে তবে সরকারি খাতায়।
আর ধর্মমতে বিয়ে হবে আগামী মাসে।
তাহলে সীমার হবু শ্বাশুড়ির কথাও রাখা হবে আর বিয়েও।
আর ধর্মমতে বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত একে ওপরের জন্য হারাম।
সেজন্য ধর্মমতে বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত একে অপরের থেকে দূরে থাকতে হবে।
বিয়েতে তাড়াহুড়ো করার কারণ আজকে বিয়ে না হলে পড়ে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
শাহেদ বেপারি সবাইকে খাওয়া দাওয়া করতে বলেন।
খাওয়া দাওয়া শেষে রেজিস্ট্রি হবে।খাওয়া দাওয়ার পর্ব শেষ হলে শুরু হয় আমার নতুন জীবনে প্রবেশ করার প্রক্রিয়া।
সেদিন ছিল ১৯.৮.২০০৩ ।
রেজিস্ট্রি করে আমার বিয়ে হয়ে গেল।
একটু পড়ে তারা চলে যাবে সেজন্য সওড়া কাবিনের ডেট ঠিক করলেন আগামী মাসের ১৯ সেপ্টেম্বর।
ডেট ঠিক হলে তারেকের বাড়ির মুরব্বিরা আমার হাতে আংটি পরিয়ে দেয়।
সবাই যে যার মত কথা বলছেন, তারেককে সীমার দুলাভাইয়েরা অন্য ঘরে নিয়ে বসান।
এদিকে আমার বোনেরা আমাকে নিয়ে তার সামনে মানে তারেক এর সামনে নিয়ে বসান।
আমি মাথা নিচু করে বসে ছিলাম।
সে হঠাৎ করে বলেন, এমন সঙ সেজে আছো কেন?
আমার মেকআপ পছন্দ না এখুনি ধুয়ে আসো।
তার কথা শুনে আমি থমকে যায়!
প্রথম দিনে এমন রুড আচরণ মানতে কষ্ট হচ্ছে।
মনের মধ্যে ভয় এসে দানা বাঁধছে।
তার কথা শুনে আমার বোনেরা তো বলেই ফেললো বিয়ের দিন সাজবে না তো কখন সাজবে?
এরমধ্যে বড় দুলাভাই হেঁসে বললেন,ভায়রা ভাই বিয়ে যেহেতু করেছেন সাজ সহ্য না হলেও এখন থেকে সহ্য করা শেখতে হবে।
কারণ মেয়েরা সাজবে না তো আমরা সাজব?
সে দুলাভাই এর কথা শুনে কিছু বলেননি।কিন্তু তার কথা আমার ইগুতে লাগে আমি রিয়াকে ফিসফিসিয়ে বললাম, আমাকে ভিতরে নিয়ে চল।
দশ মিনিট পর মুখ দিয়ে তার সামনে এলে সে আমার সামনে দাঁড়িয়ে তার গলায় থাকা আড়াই ভরির মোটা চৈইনটা খুলে আমাকে পরিয়ে দিয়ে
বলেন, মুরুব্বীরা তোমাকে আংটি পড়িয়েছে আমার তো উচিত তোমাকে কিছু দেওয়া।
তাই এটা আমার তরফ থেকে।
রুমের সবাই তার এমন কান্ড দেখে হতভম্ব হয়ে যায়।
সেদিন আরও কিছুক্ষণ কথা বলে তারেক যাওয়ার আগে আমার হাতে এক হাজার টাকা এবং একটা কার্ড গুঁজে বলেন,এটা আমার কার্ড।
এখানে আমার মোবাইল নাম্বার রয়েছে, আমি আজকে ঢাকা চলে যাচ্ছি।
তুমি প্রতিদিন বিকালে আমাকে এই নাম্বারে ফোন দিও।
কথাটা বলে সেদিন তিনি চলে যায়।
এরপর দিনগুলো যেন স্বপ্নের মতো কাটছিল।
আমাদের বাজারেই একমাত্র ফোনের দোকান।
ঢাকা ফোন করতে তখন প্রতি মিনিটে ১৫ টাকা করে কাটে।
হয়তো তা সে জানতো তাইতো সেদিন টাকা দিয়ে যান।
তবে আমি প্রথমে টাকা নিতে চায়নি কিন্তু সে জোর করে দিয়েছে।
প্রথম দিকে আমি তার সাথে ঠিকঠাক গুছিয়ে কথা বলতে পারতাম লজ্জা করতো।
তবুও প্রতিদিন ফোন করতে হতো।
তার সাথে কথা বলার সময় আমার সাথে থাকতেন আমার মেঝো আপা এবং রিয়া।
মেঝো আপ আমাকে শিখিয়ে দিতেন কিভাবে কথা বলতে হবে।
কি বলতে হবে,
ও আরেকটি কথা একমাস পর কাবিন হবে সেজন্য মেঝো আপা ডাকা যায়নি।
তবে বড় আপা চলে গেছেন তার বাচ্চারা এতদিন দেশে থাকতে পারবে না সেজন্য।
প্রতিদিন মেঝো আপাকে আমার সাথে করে নিয়ে যেতাম ফোন করতে।
তবে এরমধ্যে একদিন আপা যায়নি
তারেক তো সেদিন আমার কথা শুনে বলেই ফেলেন, তোমার মাষ্টার আজকে আসেনি তাই না?
আমি তার কথা শুনে লজ্জায় কুঁকড়ে যেতাম।
এই এক মাসে আমাদের সম্পর্কটা স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
এরমধ্যে হঠাৎ করে তিনি এক শুক্রবার আমাদের বাড়িতে আসেন।
মা বাবা ঢাকায় থাকলেও চাচা চাচী তার সমাদারের ত্রুটি রাখেননি।
সেদিনও আপা আমাদেরকে একা কথা বলতে সুযোগ করে দেয়।
চাচী প্রথমে রাজি হচ্ছিল না কারণ আমাদের এখনো কবুল বলে বিয়ে হয়নি সেজন্য।
কিন্তু আপা চাচীকে রাজি করায়।
সেদিন আমি তার সামনে বসে লজ্জায় কথা বলতে পারছিলাম না।
কিন্তু সে দিব্যি এটা ওটা জিজ্ঞেস করছিল।
আর আমাকে লজ্জা পেতে দেখে মুচকি হাসছিল।
আপুর দেওয়া সময় শেষ হলে
আমি রুমে থেকে বের হতে যাচ্ছিলাম এরমধ্যে তিনি পিছন থেকে আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার ঘাড়ে একটা তার ওষ্ঠ ছুঁয়ে দিলেন।
একদিকে তার প্রথম ছোঁয়ায় আমার ভিতরে শিহরণ খেলে গেল যায় ।
অন্যদিকে লজ্জায় ও ভয়ে আমি কাঁপতে থাকি।
সে আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে তাড়াহুড়ো করে রুমে থেকে বের হয়ে যায়।
কিন্তু আমি বের হতে পারছিলাম না মনে হচ্ছিল আমার পা ওখানে জমে গেছে।
আমার সাথে কিছুক্ষণ আগে ঘটে যাওয়া ঘটনার কারণে মাথা শূন্য লাগছিল।
সেদিন পর থেকে ঘোরের মধ্যে ছিলাম কিছুদিন।
খেতে পারি না, পড়তে পারি না চোখের সামনে সেই দৃশ্য ভেসে বেড়ায়।
আমার বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না আমার কিশোরী হৃদয়ের অনেকটাই দখল করে নিয়েছেন তারেক নামের লোকটা।#চলবে
8 Comments

Saifun nesa Shima
Housewife
Friends
শাহ্ সাকিরুল ইসলাম
@shahsakirulislam
মোহাম্মদ আফজাল হোসেন মাসুম
@afjalhossain
মাহ্দী সাকিব
@mahdi-sakib
মাহীম খান
@meho
মামুনুর রশিদ
@mamun01722525933gmail-com
এফ. আর. মাহদী
@frmahedi
ইফতিশা খানম
@eftishakhanam
Poly Alam
@butterflywords
Mubarra Ayesha Chowdhury
@mubarra45


Wonderful