<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | A.N.M.Solayman | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/000a999888/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/000a999888/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for A.N.M.Solayman.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 16 Jun 2026 06:36:55 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">751fd7903631261297fca2f5fb91d829</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and M A Kuddus Hossen are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/34036/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Sep 2021 07:43:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">078dff6db86e0496b31fa30ee0b7b08e</guid>
				<title>প্রত্যাবর্তন
আবু নাঈম
 সকাল হতে শুরু করেছে,  সূর্যটা আড়মোড়া ভেঙ্গে মাত্র উঠবে উঠবে করছে।আমার দুচোখের পাতায় ঘুমের মাদকতা ভর করতে শুরু করেছে। বিছানায় নিজেকে ছেড়ে দিয়েছি সবে। ঠিক এমন মুহুর্তে দরজায় কড়া নাড়লো কেউ। এই সময়টা কারো আসার ক্ষেত্রে খুব অসময় বলেই মনে হলো আমার কাছে। তবুও একরাশ বিরক্তিকে সঙ্গে করে নিজেকে এগিয়ে নিলাম দরজার কাছে। ঘুরে দাড়ালাম ফিরবো বলে, আসলে এই সময়ে দরজা খুলে কাউকে স্বাগত জানানো সম্ভব নয় আমার পক্ষে। অবশ্য তেমন বিশেষ কেউ নেই যাকে এতটা সকালে ঘুম ত্যাগ করে সম্ভাষণ জানাবো আমি। যে এসেছে আসুক, একটুখানি বসুক। এমন একটা ভাব নিয়ে দরজা খুলে দিয়ে আমি বিছানায় ফিরছিলাম। কিন্তু থমকে দাড়ালাম পিছুডাক শুনে। এভাবে দরজা খুলে কেউ যায়? অন্তত নিশ্চিত তো হয়ে যাওয়া যায় কে এসেছ! আমি ফিরে দাড়ালাম, ঘুম শুধু চোখ কেন হয়তো রাজ্য ছেড়েই পালিয়েছে। দুচোখে এখন ভর করেছে একরাশ বিষ্ময় আর অবিশ্বাস। অরুনিমা....! নামটা যেন স্বগতোক্তি হয়েই বের হলো আমার ঠোটের ফাঁকে। বিষ্মিত আমাকে ঘোরের মাঝে রেখে ধীর কিন্তু নিঃসঙ্কোচে ঘরে এলো অরুনিমা। তারপর টেবিলে রাখা জগের থেকে ঢগ ঢগ করে পানি খেয়ে নিলো অনেকটা। আমি ধপ করে সোফায় বসে পড়লাম, মাথায় কিছু ধরছেনা। অরুনিমা হঠাৎ কেন! কি কারনে সে আবার ফিরে এল? এই কি সেই অরুনিমা, যে পাঁচ বছর আগে আমাকে সুখের সাগরে ভাসিয়ে চলে গিয়েছিল! কতটা সময় হাতড়ে ফিরেছি আমি। কতটা পথ ওর অপেক্ষায় একাকি চলেছি। কত অব্যক্ত যন্ত্রণায় নীল হতে হতে আমি আজ কূলে ভিড়েছি। সেদিন কোন দায় চাপিয়ে দেয়নি সে, মেলে ধরেনি কোন অভিযোগের পসরা।শুধু বলেছিল আমাদের একপথে পায়ে পায়ে চলা সম্ভব নয়, আজ থেকে তোমার আমার পথ আলাদা। ওকে খুব ভালোবাসতাম বলেই সেদিন পথ আগলে দাড়াইনি। বলিনি একটা  বার থেকে যাওনা হতটা ধরে। আমরা নাহয় পায়ে পায়ে চলতে পারবো না কিন্তু স্বপ্নেরা ঠিক উড়োউড়ি করবে। কিন্তু বলিনি, যে যেতে চায় তাকে ধরে রাখা দায়। নিজের অসহায়ত্বকে মিষ্টি হাসিতে আড়াল করে সেদিন ওকে এগিয়ে দিয়েছিলাম। সেদিন আমি চাইনি আমার পরম যত্নে আগলে রাখা ভালোবাসা কারো পদতলে পিষ্ট হয়ে যাক। যেখানে ভালোবাসা মূল্য হারায় সেখানে অশ্রুরা শুধু উপহাস পায়। সেদিন অরুনিমার চোখে আমি কোন মায়া বা ভালোবাসা দেখিনি। দেখেছি শুধু একরাশ স্বপ্ন, নতুন জীবনের স্বপ্ন। তাইতো কাঁটার চাদরে নিজেকে মুড়িয়ে হাসির ফোয়ারা মেলে যেতে দিয়েছিলাম ওকে। সময় গড়িয়ে গিয়েছে আপন গতিতে, আমিও নিজেকে ছেড়ে দিয়েছি সময়ের স্রোতে। স্মৃতিগুলো পিছনে ফেলে আমি এগিয়ে গেছি কালের খেয়ায় চড়ে। পিছনের সৈকতে বালিচাপা পড়ে রয়ে গেলো হাজারো স্মৃতি। হয়তো কিছুটা পেয়েছে সলিল সমাধি। আমি পথ চলি স্বপ্নহীন এক মরুপথে। মরীচিকাও কখনো কখনো উপহাস করে বসে। আমার পথে যেন দিগন্ত পেরিয়ে আরো দূর বহুদূরে। এমন আবেশী সময়ে মরুর বুকে হঠাৎ বৃষ্টির মতো শুভমিতার আবির্ভাব হলো। সমগ্র নারীসত্তা দিয়ে ভালোবাসলো শুভমিতা। নারীত্বের এক নতুন মুর্তি দেখেছি আমি শুভমিতার মাঝে। কি সকাল আর কি সাঁঝে,মোহময়ী শুভমিতা আমার পাশে। এলোমেলো আর উদাসীন এই পথিকের মনে একটু একটু করে মায়ার মেঘ জমালো এই মায়াবতী। আমি নিজের অজান্তেই একদিন নিজেকে সঁপে দেই শুভমিতার কাছে। কাল ছিল আমার বিয়ে। আর আজই অরুনিমার ফিরে আসতে হলো! আমার ক্রমশ আশঙ্কা হতে শুরু করলো। শুভমিতা ঠিক কিভাবে নিবে অরুনিমার এই প্রত্যাবর্তন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/33945/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Sep 2021 05:20:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রত্যাবর্তন<br />
আবু নাঈম<br />
 সকাল হতে শুরু করেছে,  সূর্যটা আড়মোড়া ভেঙ্গে মাত্র উঠবে উঠবে করছে।আমার দুচোখের পাতায় ঘুমের মাদকতা ভর করতে শুরু করেছে। বিছানায় নিজেকে ছেড়ে দিয়েছি সবে। ঠিক এমন মুহুর্তে দরজায় কড়া নাড়লো কেউ। এই সময়টা কারো আসার ক্ষেত্রে খুব অসময় বলেই মনে হলো আমার কাছে। তবুও একরাশ বিরক্তিকে সঙ্গে করে নিজেকে এগিয়ে নিলাম দরজার কাছে। ঘুরে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-33945"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/33945/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">670e603a1467b7991237051da4f0334b</guid>
				<title>-:বাসরে:-
আবু নাঈম

বিয়েটা আমার একদমই হঠাৎ করে হয়ে গেলো। নিজের ইচ্ছেতে না হলেও পুরোটা অনিচ্ছায় ও নয়,আসলে বাবাকে না কথাটা বলতে পারিনি। যাক সবকিছু ভালোভাবেই শেষ হলো। অনেকটা অনাড়ম্বর ভাবেই বাসরঘরে এসে গেলাম,কেউ এসে দিয়ে যাবে সেটার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়নি। কিন্তু ঘরে প্রবেশ করে কিছুটা অবাক হলাম, আমার চিরপরিচিত ঘরটা কেমন যেন অপরিচিত মনে হলো। বিয়ের ড্রেস এখনো ছাড়া হয়নি, আগে পাল্টাতে হবে খুব ভারী ভারী লাগছে। আলনায় আমার পাশাপশি আরো কেউ ততক্ষণে স্থান দখল করে নিয়েছে। পোশাক ছাড়িয়ে খাটের সামনে যেতেই একটা ধাক্কা খেলাম,ভীত হরিণীর মতো চোখে মেয়েটা আমাকে ভালোভাবেই লক্ষ করতেছিল। এখনো বিয়ের শাড়ীটাই পাল্টায়নি।বললাম তুমি চেণ্জ করে আসো ততক্ষণে আমি একটু টেবিলে বসবো। মেয়েটার নড়ার কোন লক্ষণই দেখলাম না। কারন কি হতে পারে ভাবছিলাম তারপর জানতে চাইলাম শাড়ী পরতে পারো? ছোট স্বরে জানালো যে পারেনা। কি করা যায় এখন, বললাম সমস্যা নেই, তুমি বরং শাড়ী খুলে ফেল, আর আলনায় আমার টি&#039;শার্ট আছে পছন্দমতো একটা পরে নাও। না সে টি&#039;শার্ট ও পরবেনা, দারুন জামেলায় পড়লাম তো! এখন কাপড় ছাড়ানোর জন্য কাউকে ডাকবো? না না থাক কাউকে ডাকা যাবেনা, আচ্ছা চলো আমি দেখি পারি কিনা...
একটা সুতি শাড়ী পরিয়ে বললাম, চেয়ারটা টেনে আমার মুখোমুখি বস তোমার সাথে কিছু কথা বলবো। চোখ তুলে আমার দিকে তাকালো একটু তারপর চেয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে গেলো। কথাটার শুরুটা এভাবেই ছিলো....
প্রেয়সী আমার, যখন কাগজে সাইন দেয়া হয়ে গেছে তখনি আমাদের একজনের উপর অন্যজনের কিছু দায়িত্ব আর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। আমি চেষ্টা করবো আমার উপর থাকা তোমার প্রতি সব দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করার।তোমার সব চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা আমার অব্যাহত থাকবে, তবে আমার সাধ্যের বাইরে থেকে যাওয়া তোমার স্বাদ আমার কাছে চাহিদা বলে গণ্য হবেনা।আমি আশা করবো তুমি আমার কাছে এমন কিছু চাইবেনা যা আমাদের চলার পথকে বাঁকিয়ে দিবে, আমার নৈতিকতা নষ্ট করে দিবে।
তোমার থেকে আমার খুব বেশীকিছু চাওয়ার নেই, শুধু বলবো আজ আমি যা কথা তোমাকে বলবো তা ভালোভাবে স্বরণ রেখো।
কালকের দিনটা তুমি ঠিক সেভাবে শুরু করবে যেভাবে আগামি বিশ-ত্রিশ বছর পরও তুমি চলতে পারবে।
তোমার উপর যা কিছু কর্তব্য আছে তা নিয়ে যেন আমার মাথা ঘামাতে না হয় (তোমার নামাজ,রোজা,পর্দা ইত্যাদি ফরজ বিধানগুলো)
জীবনে সততা খুব জরুরী বিষয়,তাই নিজেকে সততার সাথে পরিচালিত করো। যদি কখনো আমার থেকে কোন কিছু একবার গোপন করে যাও তবে যেন সেটা আমার কাছে আর কখনোই প্রকাশ না পায়, যদি মনে হয় এটা সম্ভব নয় তবে সে ধরনের কোন কাজ তুমি করোনা।
যদি কোন ভুল করে ফেলো তবে তোমার রবের কাছে তাওবা করে নিজেকে পরিশোধিত করে নিও, আমার কাছে ক্ষমা চাওয়ার দরকার নেই,দরকার শুধু সংশোধিত তোমাকে। কখনো আমার বিশ্বাস নষ্ট করোনা, আমি ভুলকে নিয়ে চলতে পারবো কিন্ত অবিশ্বাস নিয়ে নয়।
তুমি কখনো আমার ঘরটাকে কোন অনৈতিক কিছুর জন্য নিরাপদ মনে করে ব্যবহার করোনা, তোমার আর আমার হলে সেটা আমাদেরই, কিন্তু আমার বাইরে তোমার কোন জগৎ থাকলে সেটা শুধুই তোমার, তাই তার জায়গাও তোমার মতো করে আলাদা করে নিও। আমি না থাকলে তুমি কি করো তার হিসেব আমার প্রয়োজন নেই তবে আমার সামনে তুমি শুধু আমারই। আমাকে তোমার পছন্দ কিনা সেটা আমি এখনই জানতে চাইবোনা, আর এখনি আমি তোমাকে ভালোবাসি একথাটা ও আমি বলতে পারবো না।
আমি সারাজীবন একসাথে পথ চলবো বলেই তোমার হাত ধরেছি তাই আমি চাইবো আমৃত্যু একসাথে চলতে, তবে সেটা কখনোই যেকোন মুল্যে নয়। আজ কাল অথবা দশ-বিশ বা আরো পরেও কখনো তোমার মনে হয় যে আমি তোমার জন্য পারফেক্ট নই তবে আমায় জানিয়ে দিও আমি তোমাকে স্বাধীন করে দিবো।
কারন কাউকে জোর করে নিজের সাথে চলতে বাধ্য করতে আমি চাইনা,পারি ও না।
যদি কখনো মনে হয় আমার সাথে পায়ে পা মিলিয়ে চলা তোমার পক্ষে সম্ভব নয় তবে তুমি আমাকে বলে পথ আলাদা করে নিও।
আমি তোমাকে সব দিতে পারবো শুধু তুমি আমায় ধোঁকা দিওনা প্লীজ। আপাতত এটুকুই থাক,
অনেক রাত হলো, যাও ঘুমিয়ে পড় কাল আবার তাড়াতাড়ি উঠতে হবে। আার হ্যাঁ, যদি কোন অভিযোগ বা অন্যকিছু বলার থাকে তবে সময় করে বলে নিও কারন একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর তুমি হয়তো এর জন্য আর সুযোগ পাবেনা।
কাঁথাটা পাশে রেখো রাতে ঠান্ডা করতে পারে, চাইলে তুমি কাঁথার বিকল্প ও নিতে পারো......</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/33783/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Sep 2021 14:05:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>-:বাসরে:-<br />
আবু নাঈম</p>
<p>বিয়েটা আমার একদমই হঠাৎ করে হয়ে গেলো। নিজের ইচ্ছেতে না হলেও পুরোটা অনিচ্ছায় ও নয়,আসলে বাবাকে না কথাটা বলতে পারিনি। যাক সবকিছু ভালোভাবেই শেষ হলো। অনেকটা অনাড়ম্বর ভাবেই বাসরঘরে এসে গেলাম,কেউ এসে দিয়ে যাবে সেটার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়নি। কিন্তু ঘরে প্রবেশ করে কিছুটা অবাক হলাম, আমার চিরপরিচিত ঘরটা কেমন যেন অপরিচিত মনে হলো। বিয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-33783"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/33783/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e6a63aed1b63a6c85577e8b76e7e6923</guid>
				<title>করোনা
এম.সোলায়মান

পূর্বদিক হতে ছড়িয়ে পড়েছে,
কি যেন বাতাস নাকি ভাইরাস!
থামিয়ে দিয়েছে যত কোলাহল,থমকে গিয়েছে মানব আজ।
বিশ্বব্যাপী ঘাতক যেন এক,
শুরু করেছে আজব রাজ।
সভ্যতা আজ ভয়ে আড়স্থ,
অবনত হয়েছে অহংকার যত।
মানব সমাজ আজ বন্ধী একাকি,
হৃদয়ে রয়েছে বেদনার ক্ষত।
দেখা হলে আজ,বাড়াইনা হাত,
এই বুঝি এলো, করোনার আঘাত!
ভাইয়ে ভাইয়ে আজ,একি দূরত্ব!
লাশেরা হয়না অশ্রুতে সিক্ত।
দূর হতে দেয় আখেরি বিদায়,
থাক না যত হৃদয়ে কষ্ট।
যত আদরের ভাই কিবা বোন,
মা বাবা আর যত যে আপন,তোমার করোনা কাছে এসোনা,দূরে থেকে বল, দুঃখ কথন।
মরার পরে কবরে একা,
হচ্ছে এ কেমন কবর দেখা,
বেঁচে থেকেও মরার মতন,
যত চেনা জানা, অচেনা কেমন!
হে প্রভূ আমি চাইনা এমন,
দূরে রবে মোর প্রানের আপন,
তাইতো আমি চাইনা করোনা,
চাই শুধু আজ তোমার করুণা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/33782/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Sep 2021 14:04:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>করোনা<br />
এম.সোলায়মান</p>
<p>পূর্বদিক হতে ছড়িয়ে পড়েছে,<br />
কি যেন বাতাস নাকি ভাইরাস!<br />
থামিয়ে দিয়েছে যত কোলাহল,থমকে গিয়েছে মানব আজ।<br />
বিশ্বব্যাপী ঘাতক যেন এক,<br />
শুরু করেছে আজব রাজ।<br />
সভ্যতা আজ ভয়ে আড়স্থ,<br />
অবনত হয়েছে অহংকার যত।<br />
মানব সমাজ আজ বন্ধী একাকি,<br />
হৃদয়ে রয়েছে বেদনার ক্ষত।<br />
দেখা হলে আজ,বাড়াইনা হাত,<br />
এই বুঝি এলো, করোনার আঘাত!<br />
ভাইয়ে ভাইয়ে আজ,একি দূ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-33782"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/33782/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ea58336cca562d37d165f4eed9311103</guid>
				<title>******কে তুমি*****
----------------আবু নাঈম
কে তুমি? নবনৃত্যে প্রতিটা মুহুর্তে,
উদ্যম বেশে ডেকে যাও আমায়।
উর্ধ্ব শিরের এলোকেশ উড়িয়ে,
উন্নত বক্ষের আন্দোলিত সমীরণে,
অবারিত রুপের পসরা মেলে ধরে।
কেন ডেকে যাও আমায় তুমি ??
আবেগ জড়ানো এমন করুণ স্বরে।
তোমার উদাত্ব এই প্রেম জড়ানো হাতছানি,
আমি যে নব প্রেমিক,কি করে অবহেলা করি?
আমি পুলকিত,  শিহরিত আমি,
বিমোহিত আমি তোমার  সাজে।
মাথা ভর্তি যেন তোমার, 
ভেজা মেঘের এলো কেশ,
আকাশের নীল যেন কপাল জুড়ে।
টানা টানা সবুজ রেখা,
ভ্রু দুটো যেন তোমার।
উদসী দুছোখ যেন স্বপ্ন রাজ্য,
হৃদয় কেড়ে নেয় আমার।
ক্রমশ ক্ষীণ হওয়া ওপথ যেন,
তোমার সরু নাক।
পীত বর্ণা মাটি গুলোই তো,
কোমল রাঙ্গা ঠোট তোমার।
সবুজে ঘেরা পাহাড় গুলো,
উন্নত বক্ষে দৃঢ়তার প্রকাশ।
চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে চলা,
সবুজের দল যেন তোমার, প্রসরিত দু&#039;বাহু।
জলের নুপুরে মোড়ানো তোমার,
নিশ্চল দু&#039;খানি পা&#039;য়।
কাঙ্গাল হৃদয় হঠাৎ যেন,
নিজেকেই খুজে পায়।
পাহাড় ঘেরা সবুজ প্রকৃতি,
আমাকে যে টান বার বার।
তুমি চির সবুজ, চির সতেজ,
অনন্ত যৌবনা পরী।
তুমি যে প্রিয়া, আমার দেখা,
জগত সেরা রুপের রাণী!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/33781/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Sep 2021 14:03:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>******কে তুমি*****<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-আবু নাঈম<br />
কে তুমি? নবনৃত্যে প্রতিটা মুহুর্তে,<br />
উদ্যম বেশে ডেকে যাও আমায়।<br />
উর্ধ্ব শিরের এলোকেশ উড়িয়ে,<br />
উন্নত বক্ষের আন্দোলিত সমীরণে,<br />
অবারিত রুপের পসরা মেলে ধরে।<br />
কেন ডেকে যাও আমায় তুমি ??<br />
আবেগ জড়ানো এমন করুণ স্বরে।<br />
তোমার উদাত্ব এই প্রেম জড়ানো হাতছানি,<br />
আমি যে নব প্রেমিক,কি করে অবহেলা করি?<br />
আমি পুলকিত,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-33781"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/33781/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0eb287def12c0cb6c97bc4973a47f573</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and ইসমাইল হোসেন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/33000/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Sep 2021 04:55:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6a617a16c98919bcd2d8490d1aab76fe</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and Sumaia Nusrat are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/31818/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Sep 2021 15:48:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3c1c9a51b2979aa46bfcf88486174675</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and ইমরান হুসাইন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/31681/</link>
				<pubDate>Sun, 05 Sep 2021 05:58:13 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">288034bc9a50a8dcc27657336268f822</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and মেহেদী হাসান সুজন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/31073/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Sep 2021 10:04:16 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4493a52a0590b50396ec08fc70fc5c11</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and সাইমূম ইভান are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/30917/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Sep 2021 22:59:39 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1e1285252af7df13c261583bb1908f9b</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and Alam Sayed are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/30895/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Sep 2021 18:37:04 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">380773f0b9589082977119660862c325</guid>
				<title>তনয়া
আবু নাঈম
পার্ট:-৩
দুহাতে তুলে নিলাম তনয়ার ছোট্ট দেহটা, জড়িয়ে নিলাম বুকের সাথে। যেন একটা বড়সড় রক্তপিন্ড। আমাকে জড়িয়ে ধরেনি মেয়েটা, দুছোখ বোঁজা, যন্ত্রণায় মুখটা কেমন যেন নীল হয়ে আছে। 
যত্ন করে শোয়ালাম টেবিলে, আলমিরা খুলে নিয়ে এলাম ফাস্ট এইড বক্স, দ্রুত হাতে রক্ত পরিষ্কার করে নিলাম। পেটের ডান পাশে বড় একটা ক্ষত তৈরী হয়ে আছে, কপালের ডানপাশটাও অনেকটুকু কেটে গেছে। গজকাপড় পেঁচিয়ে ভালো করে বাঁধলাম, সেন্সে নেই মেয়েটা এখনো। এবার ওকে নিয়ে ছুটলাম ক্লিনিকের দিকে...
ড.কামাল সাহেবের মুখোমুখি বসে আছি আমি, কথা বলছেন ড.কামাল, আপনি রিল্যাক্স হোন মিঃরোহান। কিছুই হবেনা আপনার মেয়ের, ভিতরে যে কাঁচের টুকরো ছিলো তা বের করা হয়েছে। তাছাড়া এটা বড় কোন সমস্যা নয়, ভয় পেয়ে জ্ঞান হারিয়েছে। 
আর হ্যাঁ বেশী ব্লিডিং হওয়ায় এক ব্যাগ রক্ত দেয়া জরুরী, আপনি দেখবেন নাকি আমি দেখবো?
কি গ্রুপ ওর রক্তের? প্রশ্নটা আমার যেন প্রশ্ন শেষ হওয়ার আগেই বেরিয়ে এলো। ও প্লাস, যেন স্বগতোক্তি করলেন ড.কামাল। বললাম রক্ত আমি দিতে পারবো, আপনি নেয়ার ব্যবস্থা করুন। ড. কামাল একজন নার্স ডেকে আমাকে পাঠালেন তার সাথে।
রাতে জ্ঞান ফিরতেই ওর চোখ আমাকেই খুজে পেলো, হাত বাড়িয়ে বাবাকে আরো কাছে চাইলো। ঝুঁকে পড়ে বললাম, মা ভয় পেওনা একদম, আমি তোমার কাছেই তো আছি। কোন দিকে কান নেই তনয়ার, ভীত হরিণীর মতো আঁকড়ে ধরে আছে আমায়। কাঁপছে পুরো শরীর, বড় বড় শ্বাস নিচ্ছে।
দু&#039;সপ্তাহ পর ক্লিনিক ছেড়ে বাসায় এলাম, যদিও দুদিন পরই ড.কামাল সাহেব রিলিজের কথা বলেছেন, তবে আমি কোন রিস্ক নিতে চাই নি। এখনো পুরোপুরি সুস্থ নয় মেয়েটা, কেমন যেন চুপচাপ হয়ে গেছে, আমাকে কাছ ছাড়া করতেই চায় না। যাই করবো সব ওকে কোলে রেখেই করতে হবে। এখন আমার দু&#039;হাত নয় বরং একহাতে সব কাজ সারতে হয়। বাম হাতে সব সময় তনয়া বুকের সাথে জড়ানো থাকে। ওকে ছাড়া কোথাও যাওয়া আমার জন্য চিন্তার ও বাইরে। বাজার থেকে রান্না, গোসল থেকে ঘুম সবকিছুতে তনয়া আমার ছায়ার মতো। তমার সাথেও যেন মিশতে ভয় পায়, মেয়েটা মাঝে মাঝে আসে, এটা ওটা দিয়ে ভাব জমাতে চায়। আমিও একটু একটু বলি, আন্টির কাছে যাও তোমাকে অমলেট দিবে। আমি আন্টির থেকে নয় বাবার থেকেই খাবো উত্তর থাকে তনয়ার।
ধীরে ধীরে সব স্বাভাবিক হতে লাগলো, তনয়ার ভয় অনেকটা কমেছে, তমার সাথেও কদিন ধরেই মিশতে শুরু করেছে।
বাবা-মেয়ের খুনশুটি আর হুল্লোড়ে কেটে যাচ্ছিলো আমাদের সময় গুলো, একতলা দো&#039;তলা করতে করতে তনয়ার বয়স চার বছরে পরিণত হলো। 
তমা একদিন হঠাৎ সকাল বেলা এলো, সাথে ওর বাচ্চা ও। ভাইজান আজ আমরাও আপনাদের সাথে নাস্তা করবো, হেসে বললো তমা।
আমি কিছুটা অবাক হয়ে বললাম, আমাদের নাস্তা করতে দেরী হবে, এখনো কিছু তৈরী করিনি। তুমি চাইলে বিস্কিট খেতে পার তবে শুকনো। রহস্য করে হাসলো তমা, তারপর বললো চলুন, নিচে চলুন। আমি অবাক হইনি খুব একটা এই মেয়েটা পারেনা এমন খুব বেশীকিছু নেই। বললাম তুমি যাও আমি তনয়াকে ডেকে আসছি। তমা বললো তার দরকার নেই ভাইজান, তনয়া সকাল থেকেই তো আমার কাছে আছে। আমি হাসলাম একটু করে, বললাম চলো।
নাস্তার টেবিলে কথাটা শুরু করলো তমা, ভাইজান, আজ আমি আপনাকে ডেকেছি একটা কথা বলবো বলে, থামলো তমা, চোখ রাখলো আমার চোখে। বললাম কি কথা বলো? কৌতুহলি হয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দিলাম।
বলছি তনয়ার বয়স তো চার বছর হয়ে গেলো,ওকে এখন স্কুলে দেয়া দরকার আপনি কি বলেন? হুমম তাইতো! আমি তো এখনো ভাবিই নি এদিকটা। ঠিক আছে দুএক দিনের মধ্যেই আমি ভর্তির বিষয়টা দেখবো। আপনিও পারলে দু&#039;একটা স্কুলে কথা বলে দেখতে পারেন।
কয়েক দিনের মাঝেই তনয়ার স্কুল জীবন শুরু হলো, সাথে আমার ও। বাবাকে ছাড়া সে ক্লাসে বসবেই না, অগত্যা কি আর করা, আমারও সেই ছোট ছোট বেন্চে বসে ক্লাস শুরু করতে হলো।
ক্লাসে যাওয়া আমার খুব বেশীদিন লাগেনি। একদিন তনয়া নিজেই বললো বাবা তুমি যাও, আমি বন্ধুদের সাথে বসতে পারবো। সেদিন থেকে ক্লাসে দিয়ে আসা ছাড়া আমার আর কাজ ছিলোনা, তমাই দুপুরে ওকে নিয়ে ফিরতো।
দুপুরে খেয়ে ঘুমানো, বিকেলে খেলতে যাওয়া আর রাতে হোমওয়ার্ক রেড়ী করার মতো নতুন রুটিন সেট করতে হলো আমাকে।
কিছুদিনের মাথায় ভাবলাম তনয়া স্কুলে চলে যাওয়ার পর আমি তো শুয়ে বসেই সময় পার করি, তারছেয়ে নতুন করে কিছু শুরু করলেতো মন্দ হয়না।
সেদিন তনয়াকে স্কুলে দিয়ে বের হলাম একটা চাকরীর খোঁজে। পুরোদিন ঘুরে ঘুরে অনেকে প্রতিষ্ঠানে সিভি জমা দিয়ে এলাম।কদিন পর থেকেই ফোন, মেইল আসা শুরু করলো, আবার নতুন করে ইন্টারভিউ দেয়া শুরু করলাম। মৌলিক প্রশ্নটা আমার জন্য কমন ছিল, আপনার চাকরিজীবনে চার বছরের গ্যাপ কেন??
উত্তর কারো কাছে যৌক্তিক নয়, আবার কারো কাছে যৌক্তিক হলেও আমার এখনো সমস্যার সমাধান হয়নি। এসব কারণ দেখিয়ে রিজেক্ট করতে থাকলো।
অবশেষে একটা ফার্মে এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হলাম। জীবনের একটা নতুন অধ্যায়ের সুচনা হলো। শুরু করলাম নতুন ভাবে সংগ্রাম। এই অফিসটা আমাকে অনেক দায়িত্বের সাথে সাথে অনেক স্বপ্নও দেখতে শিখালো।
তনয়া বড় হচ্ছে একটু একটু করে, ক্লাস পাড়ি দিচ্ছে সাফল্যের সাথে। ক্লাস থ্রীতে পড়ে মেয়েটা এখন আর হোমওয়ার্ক রেড়ী করে দেয়ার জন্য আমাকে জ্বালায় না। আমার অনিয়মের যন্ত্রণায় অতিষ্ট হয়ে অনেক বছর আগে মা বলেছিলেন, আমি আর পারছিনা, বিশটা বছর ধরে জ্বালাচ্ছিস আমায়। আর কত জ্বলবো??
মাকে মজা করে বলেছিলাম, তুমি না পারলে অন্যকারো কাছে দায়িত্ব ভাগ করে দাও। আমি নিয়মে আসতে পারবোনা, যত অনিয়মই আমার জীবনে নিয়ম। সেই কথাটা এতবছর পর মনে পড়লো,কারন তনয়া যেন দিন দিন সেই দায়িত্বটাই নিজের ঘাঁড়ে তুলে নিচ্ছে।
বাবা বাবা, উঠো বাবা, বাবা উঠোনা.. তনয়ার এরকম ননস্টপ ডাকে আমার ঘুম ভাঙ্গলো। ভাবতে ভাবতে কখন যে চোখে ঘুম নেমেছিল আর রাত পেরিয়ে গেল বুঝতেই পারিনি। বললাম কি হলো মা, এত ডাকছিস কেন???
বাবা তুমি অফিসে যাবেনা? আমার স্কুলের দেরী হয়ে যাচ্ছে তো! আজ ম্যাম বকা দিলে আমি কিন্তু বলে দিবো বাবার জন্যই দেরী হয়েছে।
থাক বুঝেছি আমি,তুমি নাস্তা কর গিয়ে আমি দু&#039;মিনিটেই রেড়ী হয়ে আসছি.....
সমাপ্ত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/30664/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Sep 2021 04:22:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তনয়া<br />
আবু নাঈম<br />
পার্ট:-৩<br />
দুহাতে তুলে নিলাম তনয়ার ছোট্ট দেহটা, জড়িয়ে নিলাম বুকের সাথে। যেন একটা বড়সড় রক্তপিন্ড। আমাকে জড়িয়ে ধরেনি মেয়েটা, দুছোখ বোঁজা, যন্ত্রণায় মুখটা কেমন যেন নীল হয়ে আছে।<br />
যত্ন করে শোয়ালাম টেবিলে, আলমিরা খুলে নিয়ে এলাম ফাস্ট এইড বক্স, দ্রুত হাতে রক্ত পরিষ্কার করে নিলাম। পেটের ডান পাশে বড় একটা ক্ষত তৈরী হয়ে আছে, কপা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-30664"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/30664/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7ce703896ba0bdff0b87e437607cc3a2</guid>
				<title>জীবন কখনো কখনো বিবর্ণ হয়ে যায়।
সূরগুলো সব হারায় অজানায়।
স্বপ্নগুলো ঝরে পড়ে রক্তিম কোন ব্যাথায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/30291/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Sep 2021 06:14:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবন কখনো কখনো বিবর্ণ হয়ে যায়।<br />
সূরগুলো সব হারায় অজানায়।<br />
স্বপ্নগুলো ঝরে পড়ে রক্তিম কোন ব্যাথায়।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ffbd3e3fa5cf65a33a62344ce9499996</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and তানভীর তীব্র are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29897/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Aug 2021 08:16:35 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">28a1f4561d035a1e5eff5abaf53d6ea7</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and অনিক ভট্টাচার্য্য are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29874/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Aug 2021 07:42:01 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">64b72fc5df9d2689202162595083ffd5</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and কবি মোঃ সামিদুল ইসলাম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29873/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Aug 2021 07:38:40 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d3555b6d451c63db7856658a96db3d46</guid>
				<title>তনয়া
আবু নাঈম
পার্ট :-২
খুব ভোরে আই সি ইউর গ্লাসে ছোখ রাখলাম, আনিতার কাপড়ে ঢাকা দেহ আর পবিত্র মুখটা দেখেই মনে মনে ভাবছি কি শান্তিতেই না ঘুমাচ্ছে সে।
আজ ড.কামাল সাহেব একটু তাড়াতাড়ি এলেন, আমাকে সহ নিয়ে আনিতার কাছে গেলেন। পাল্স, নার্ভ দেখলেন, তারপর বললেন চলুন রোহান সাহেব।
আমি ড.কামাল সাহেবের অফিসে বসে, ঠান্ডা গলায় বললেন আপনি আজকেই বাসায় ফিরতে পারেনন। আমি সব শেষ করে আপনাকে জানাচ্ছি। 
সেদিনই সকাল এগারোটার সময় আমরা ক্লিনিক ছাড়লাম, আনিতা আমাদের সাথে আসেনি, শুধু ওর দেহটাই নিয়ে এসেছিলাম। 
শেষ মুহুর্তে যখন আমার কোলে শুভ্র তোয়ালে মোড়ানো ছোট্ট তনয়া এলো, আমি যেন আকাশে চাঁদটাকেই দুহাতে আগলে ধরেছিলাম। আনন্দে আমার বাঁক রুদ্ধ। স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতায় আমার তনুমন নুয়ে এলো। হাজার ধন্যবাদ আনিতার প্রতি উৎসর্গ হচ্ছিলো। আর ঠিক তখনি জানতে পারলাম আমরা তিনজন হতে পারিনি, দু&#039;জনই হয়েছি আবার। পুরো পৃথিবী অন্ধকার হয়ে এলো আমার, কাঁচের মতো ভেঙ্গে পড়লো যেন আকাশটা। নিজের শরীরে ওজন হ্রাস পেলো আর তনয়াকে পাহাড়ের ছেয়ে ভারী মনে হচ্ছিলো।
ফ্লোরে বসে পড়লাম ধপ করে।
বাসায় আসার পর থেকে তনয়ার কান্না বন্ধ হওয়ার কোন লক্ষণই দেখিনা। কি করবো ভেবে কোন কিনারা করতে পারছিনাম না, কি দিবো একে, কি খাওয়াবো আমি???
অনেক চেষ্টার পর ধীরে ধীর থেমে এলো কান্নার জোয়ার। 
গভীর রাত হঠাৎ ঘুম ভাঙ্গলো বাচ্চার কান্নায়, জেগে দেখি আমার হাতের নিচে ছোট্ট মেয়েটা চাপা পড়ে আছে, নিশ্বাস নিতে পারছিলো না। হাত সরাতেই লম্বা শ্বাস নিলো। ভাবলাম আমাকে আরো সতর্ক হওয়া প্রয়োজন, কারন আমি এখন একজন বাবা। না, শুধু বাবা তো নই সাথে মা ও।
দু&#039;হাতে তুলে নিলাম ওকে, ঠান্ডা হয়ে আছে একদম। বিছানা ও ভেজা, আগেই পাল্টানোর দরকার হয়েছিলো বুঝতে পারিনি। হাতের কাছে কিছু পেলামনা, সবকিছু আনিতা কোথায় রেখেছে কাল খু্জে দেখতে হবে।
আপাতত আমার গায়ের কাঁথাই ভরসা।
এক সপ্তাহ পর তনয়াকে নিয়ে বের হলাম, বন্ধুর বাসায় ওকে রেখে আমি অফিসে গেলাম। সোজা এমডি স্যারের কক্ষে, কুশল বিনিময়ের পর পকেট থেকে একটা খাম বের করে স্যারের সামনে টেবিলে রাখলাম।
জানতে চাইলেন, এটা কি মিঃ রোহান?
স্যার, আমার ছুটি চাই, কিছুদিন ছুটি লাগবে আমার।
স্যার বললেন কতদিন লাগবে আপনার? 
বললাম মিনিমাম ছয় মাস তো লাগবে স্যার।
বিষ্পোরিত চোখে তাকালেন আমার দিকে, বললেন কি বলছেন আপনি?
হ্যাঁ স্যার, আমি একা মানুষ ছোট বাচ্চাটা কোথায় কি করবো?
আমি আপনার সমস্যা বুঝতে পারছি, তা আপনি বাচ্চার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করছেন না কেন? তাছাড়া কোম্পানীর এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আপনার মতো একজন এমপ্লয়ীর এত দীর্ঘ ছুটি সম্ভব নয়।
আপনি কি আমার সমস্যা বিবেচনা করবেন না স্যার? 
আপনি যাই বলেন ছুটি এখন সম্ভব নয়, আপনি চাইলে আপনাকে অন্যকোন ভাবে সাহায্য করতে পারি।
ঠিক আছে স্যার তবে তাই করুন আপনি বলে পকেট থেকে একি রকম আরেকটা খাম টেবিলে রাখলাম। দেখতে একি খাম হলেও ভিতরটা আলাদা। বেরিয়ে এলাম অফিস থেকে, জানার ইচ্ছে ও হলোনা আমার রেজিগনেশান গ্রহন হলো কি হলোনা।
ফেরার পথে তনয়াকে নিয়ে এলাম, শুরু হলো আমার নতুন এক জীবনের পথচলা।
আমার জগত আমার পৃথিবী সবকিছুই এখন থেক তনয়া।
তনয়ার বয়স আজ এক মাস, ও তার তমা আন্টির কোলে, খুব হাসছে মেয়টা।
তমা আমাদের বাসার নিচতলায় উঠেছে আজ থেকেই,তাই দেখা করতে এলো। 
সেদিন বাসা ভাড়ার সাইন টানিয়েছিলাম, সেই সুবাধে একজন লোক আমার সাথে দেখা করলেন, লোকটা দেখতে শুনতে ভালোই। একটা প্রাইভেট ফার্মে জব করেন, ফ্যামিলি বলতে তিনি, তার ওয়াইফ আর দু&#039;বছর বয়সী একটা বাচ্চা।
তাদের উঠে যেতে বললাম, আর আজ বাসায় উঠলো।
নিচতলায় ওরা আর উপর তলায় আমরা, ভালোই চলে যাচ্ছে আমাদের ছোট ছোট দুটো সংসার। 
তমা অবাধেই উপর নিচ করে, অদ্ভুদ মায়াবী মেয়েটা। খুব সহজেই কতো আপন হয়ে গেলো আমাদের। একটু একটু করে আমরা একটা পরিবারে পরিণত হতে থাকলাম।
সকাল বেলা নাস্তা পঠানো যেন তমার রুটিন হয়ে দাঁড়ালো।
দেখতে দেখতেই দুটো বছর কেটে গেলো, তনয়া এখন অনেক কথা বলতে পারে। ঘরময় ইদুর দৌড় খেলে, কাঁচ ভাঙ্গা শব্দের হসিটা আমার সব কষ্ট মুছে দেয়।
খাটের তলায়, আলনার পিছনে বা আলমিরার পাশে লুকিয়ে থেকে বাবা বাবা বলে ডাকতে থাকে।
রান্না করতে গেলে সব ছড়িয়ে ফেলা, খাওয়ার সময় লুকোচুরি করা, আর পড়তে গেলে আমার বই ছিড়ে ফেলা আর রাতের বেলা চুপ করে বাবার বুকে শুয়ে পড়া এসব করতে করতেই বাবা-মেয়ের সময়গুলো যেন দ্রুতই কেটে যেতে লাগলো।
সেদিন বাজার করে এসে দেখি তনয়া খাটের পাশে ফ্লোরে রক্তাক্ত হয়ে পড়ে আছে, আর পাশেই কাঁচের জগটা কয়েক টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়া......
 #চলবে.........</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29835/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Aug 2021 07:02:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তনয়া<br />
আবু নাঈম<br />
পার্ট :-২<br />
খুব ভোরে আই সি ইউর গ্লাসে ছোখ রাখলাম, আনিতার কাপড়ে ঢাকা দেহ আর পবিত্র মুখটা দেখেই মনে মনে ভাবছি কি শান্তিতেই না ঘুমাচ্ছে সে।<br />
আজ ড.কামাল সাহেব একটু তাড়াতাড়ি এলেন, আমাকে সহ নিয়ে আনিতার কাছে গেলেন। পাল্স, নার্ভ দেখলেন, তারপর বললেন চলুন রোহান সাহেব।<br />
আমি ড.কামাল সাহেবের অফিসে বসে, ঠান্ডা গলায় বললেন আপনি আজকেই বাসায় ফি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-29835"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/29835/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b665d79a48654992a4e87f10bef6c212</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and জামাল হোসেন বিষাদ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29803/</link>
				<pubDate>Tue, 31 Aug 2021 03:43:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b41f590a7c1506c82d61b67621cd957f</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and Neel tripura are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29703/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 18:35:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e5b0f239b9771518d7316faaa852c6f1</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and বদরুদ্দোজা রাফি are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29699/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 18:29:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e9df45cab5318060754129afd3189ae6</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and Sadia Akter are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29693/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 18:26:07 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b4d3f1b6ec79206afcb0f5eb6395f73a</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and অন্তু are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29689/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 18:20:28 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dce896d9392e501a6c2e3f73e80fa3af</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and নির্ঝর চৌধুরী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29675/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 17:49:46 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b55178ac195d57433fa2582103281bf0</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and Umme Tabassum Taiyeba are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29626/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 15:58:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">89d1d130fd96ab265b52207479a049d6</guid>
				<title>তনয়া
আবু নাঈম
পার্ট:-১
খুব সাবধানে দরজা ফাঁক করে কক্ষে উঁকি দিলাম, নিমিষেই নজর স্থির হলো খাটে গিয়ে। তনয়া ঘুাচ্ছে ওপাশ ফিরে। মুখটা ঠিক দেখা যাচ্ছেনা, চুলটা অগোছালো। মশারা গান শুনাচ্ছে যেন ওকে, মশারী কখনো টানায় না মেয়েটা। এতে নাকি নিজেকে বন্ধী বন্ধী মনে হয়,  দম বন্ধ হয়ে আসে নাকি...
টেবিলের কাছে গেলাম চুপিসারে আলতো পায়ে। যাতে তনয়া জেগে না উঠে।  কয়েল রাখাই ছিলো কিন্তু ম্যাচ পাচ্ছি না। দুটো কয়েল হাতে নিয়ে কিচেনে গেলাম।মাথা এবং পায়ের দিকটায় দুটো কয়েল খাটের নিচে করে রেখে,কাঁথাটা ভাঁজ ভেঙ্গে পাশে রেখে তনয়ার পাশে রাখলাম, ফ্যানের স্প্রীড একটু বাড়িয়ে দিলাম। লাইট অফ করে বেরুতে যাবো ঠিক তখনই তনয়া ডাকলো, বাবা......
মেয়েটা প্রথম যেদিন আমায় ডেকছিলো সেদিনই বাবা শব্দটাই উচ্চারণ করেছিলো। অনেক চেয়েছি তবে পাল্টাতে পারিনি, আর এখন তো ওর মুখের বাবা শব্দটাই আমার কাছে পৃথিবীর সেরা শব্দ।
আবার লাইট অন করে বললাম, ঘুমাসনি মা???
হুম বাবা ঘুমেই তো ছিলামম, তোমার ঘ্রাণ পেয়েই ঘুম ভাঙ্গলো। 
বলিস কি!  ঘুমের মাঝে ও?
হুম বাবা তুমি এত সহজে নিজেকে আমার থেকে লুকোতে পারবেনা বাবা।
আচ্ছা ঠিকাছে লুকাবোনা, খেয়েছিস তুই??
হ্যাঁ বাবা খেয়েছি, তুমি ইদানিং বেশী রাত করে ফিরছো, আমি তোমাকে খুব মিস করি বাবা। তাছাড়া তুমি ভুলে যাচ্ছো আমি রাতে এককি ভয় পাই খুব।
নারে মা আমি ভুলে যাচ্ছি না একটুও, কটাদিন অফিসে একটু সমস্যা তাই। কাল থেকে তাড়াতাড়ি ফিরতে চেষ্টা করবো। এখন তুই ঘুমা, আমি লাইট আর অফ করলাম না। ঠিক আছে??
আচ্ছা বাবা, তুমি খেয়ে নাও বাবা। আমি আসবো তোমার সাথে??
না থাক তুই ঘুমা, আমি খেয়ে নিবো।
বাবা তুমি না খেয়ে একদম ঘুমাবে না কিন্তু।
ডাইনিংটা খুব অগোছালো অবস্থা, ভাতের বোলটায় ঢাকনা দেয়া নেই, জগে পানি নেই হয়তো সিদ্ধ করা পানি শেষ। টেবিলটা একটু গুছিয়ে ফিরে এলাম শোওয়ার ঘরে, খাওয়ার আর ইচ্ছে নেই আমার। মাথাটা ও টনটন করছে ঘুমানো দরকার খুব।
রাত বারোটা বেজে গেছে অনেক আগেই, চারিদিকে কবরের নিরবতা বিরাজ করছে। সেকেন্ডর কাঁটা টিক টিক শব্দ লাফিয়ে যাচ্ছে দেয়াল ঘড়িটায়। ইদানিং ঘড়ির কাঁটার শব্দ শুনাটাও আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
ভাবনা আমাকে উল্টো পথে ঘুরিয়ে আট বছর আগের সময়ে নিয়ে দাঁড় করিয়ে দিলো।
সেদিন অফিস থেকে বের হয়ে মাত্র একটা কফিশপে ঢুকলাম, হাতে থাকা মুঠোফোন সংকেত দিতে শুরু করলো, একটা মেসেজ ছিলো আমার স্ত্রীর নম্বর থেকে।
রোহান কোথায় তুমি???  তাড়াতাড়ি বাসায় এসো, তাড়াতাড়ি প্লীজ।
আমি বের হয়ে পার্কিং এ থাকা গাড়ীতে বসলাম।
গাড়ী এসে রাস্তায় পড়লো, মনের গতির মতো গাড়ীর গতি থাকলে এতক্ষণে বাসায় পৌঁছে যেতাম হয়তো। জ্যামে আটকে আছি অনকটা সময় ধরে।
আবার মেসেজ,  কই তুমি?? আমি আর পারছি না।  কই তুমি???
কল দিলাম, আনরিসিভেবল দেখালো। ভাবছি কি করা যায়, আমি বাসায় পৌঁছানোর আগে অনেক কিছু ঘটে যাওয়া সম্ভব। মোবাইল স্ক্রীনে দ্রুত আঙ্গুল চালাচ্ছি, হুম পেয়েছি। ড. কামাল,  অনেকবার মিট করার কারণে বন্ধুর মত এখন।
ফোন করে জানালাম সব, বলে দিলাম এ্যম্বুলেন্সর সাথে দুজন নার্স দিতে। আমি ক্লিনিকেই আসছি। 
সন্ধা ৭টায় আমি ক্লিনিকের গেইটে নামলাম। একটু পর আনিতাকে নিয়ে এ্যম্বুলেন্স এসে থামলো, নমানো হলো স্ট্রেচার। আনিতা কেমন যেন নিস্তেজ হয়ে স্ট্রেচারে মিশে আছে। এগিয়ে যাচ্ছিলাম আমি কিন্তু তা হলোনা।
ড.কামাল বললেন,  মিঃ রোহান আপনি আমার সাথে আসুন। বলেই দ্রুত পা বাড়ালেন অফিসের দিকে।
আমও ছুটছি তার পিছুপিছু....
চেয়ারে বসলেন ড.কামাল,  আমি বসলাম মুখোমুখি।
রোহান সাহেব, আপনার স্ত্রীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল মনে হচ্ছে, ইমার্জেন্সী অপারেশন  প্রয়োজন।
রক্তক্ষরণ এবং অপারেশনের জন্য রক্তের প্রয়োজন। আপনি রক্তের ব্যবস্থা করুন আর আমি আমাদের করণীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।
বিস্পোরিত চোখে তাকিয়ে আছি ড.কামাল সাহেবের দিকে। ঠান্ডা স্বরে বললেন চিন্তা করবেন না, ইন্ শা আল্লাহ সব ঠিক হয়ে যাবে।
আনিতাকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হলো সাড়ে আটটার দিকে। আমি অপেক্ষারত অবস্থায় আনিতার অপারেশন থিয়েটারে যাওয়ার আগের মুহুর্তটাই ভাবছি।  আমার হাতের মুঠোয় আনিতার ডান হাত, ঠোট কাঁপছে, খুব ধীরে চোখ মেলে তাকালো আমার দিকে। মুখে একটা কথাও বলেনি আমায়, অশ্রুভেজা দুচোখ আকুতি করে বলছে, আমি বাঁচতে চাই রোহান, আমি তোমার সাথে আরো অনেকটা পথ চলতে চাই। বাঁচবো তো আমি রোহান??
কিছুই বলতে পারিনি আমি আনিতাকে,শুধু আলতো করে মুছে দিয়েছিলাম ওর দুচোখের অশ্রুধারা। তাকিয়ে ছিলাম অপলকে ওর পথপানে।
দুচোখ আমার কঠিন ওই দরজা থেকে সরছেনা একদম, মনে হাজার প্রশ্ন কি হচ্ছে দরজার ওপাশে, ভয় পাচ্ছে না তো আনিতা??
এত সময় কেন লাগছে??
অবশেষে অপেক্ষার অবসান হলো, খুলে গেলো ওটির দরজা বেরিয়ে এলেন ড.কামাল সাহেব। ছুটে গেলাম তার কাছে, মুখে নয় চোখই প্রশ্ন করছিল হাজারটা।
কিছুটা গম্ভীর মনে হলো তাকে, বললেন আপনার একটা মেয়ে....
আনিতা..? আনিতা কেমন আছে ড.???
ধৈর্য ধরুন মিঃ রোহান, আপনার স্ত্রীর অবস্থা জানাতে আমাদের একটু সময় লাগবে। সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করুন প্লীজ। আর হ্যাঁ বাচ্চা চাইলে এখন দেখতে পারেন, আমি একজ নার্স ডেকে দেই আপনাকে।
না থাক ড. আগে আনিতা, তারপর বাচ্চা।
ক্লিনিকেই রাতে থেকে গেলাম, ড.কামাল থাকার ব্যবস্থা করে গেলেন।
আমি রাত জেগে ভাবছি কখন সকাল হবে?? কখন আমরা দুজন থেকে তিনজন হয়ে তিন জায়গায় আলাদা থাকা সবাই এক হবো.....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29619/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 15:54:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তনয়া<br />
আবু নাঈম<br />
পার্ট:-১<br />
খুব সাবধানে দরজা ফাঁক করে কক্ষে উঁকি দিলাম, নিমিষেই নজর স্থির হলো খাটে গিয়ে। তনয়া ঘুাচ্ছে ওপাশ ফিরে। মুখটা ঠিক দেখা যাচ্ছেনা, চুলটা অগোছালো। মশারা গান শুনাচ্ছে যেন ওকে, মশারী কখনো টানায় না মেয়েটা। এতে নাকি নিজেকে বন্ধী বন্ধী মনে হয়,  দম বন্ধ হয়ে আসে নাকি&#8230;<br />
টেবিলের কাছে গেলাম চুপিসারে আলতো পায়ে। যাতে তনয়া জেগে ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-29619"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/29619/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a2e3dc6b27c295f0872432efe63c0d5c</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and __ariyan__ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29611/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 15:41:07 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">32060f8df5adadd76f5e0afb819abc66</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and Rejwana Khan are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29607/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 15:33:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">597bf2185750be2893888b82197a1380</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and Drako Shajib are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29596/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 15:13:21 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4959d539170fd0bdc6725d885fd54433</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and হাবিবুল্লাহ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29392/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 09:58:27 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">820d3a9b91413364ad6ee151932e3361</guid>
				<title>আমার ছেলে
আবু নাঈম
আমার ছেলেটা ঠিক তোমার মতোই ছিল।জানো? পড়াশুনার প্রতি ওর কোন মনোযোগই ছিলনা।ওকে পড়তে বসাতে আমি কখনোই পারতামনা।ধরো সকালবেলা,আমি ওকে পড়তে বলে একটু বাইরে গেলাম।এসে দেখি,সে ঘরের আঙ্গিনায় কি যেন করছিল,আমাকে দেখেই দৌড়ে পালিয়েছে।আমি এগিয়ে গিয়ে দেখলাম,কিসের যেন দু&#039;চারটে ঢাল-লতা এনে লাগানোর চেষ্টা করতেছিল।খুব মেজাজ গরম হয়েগেলো আমার।না,আমি ওকে ডেকে আনিনি।আমি যতক্ষণ ঘরে ছিলাম,সে আর ঘরে আসেনি।আমিও খুব একটা মাথা ঘামাইনি এটা নিয়ে।দুদিন পর আমি দুপুরের খাবার খেয়ে ওর রুমে গেলাম।খেয়ে শুয়েছিল,আমি রুমে ঢুকতেই উঠে বসলো।আমি খাটের একটা কোনায় বসলাম।তারপর ওকে লক্ষ্য করে বললাম,পড়তে ভালো লাগেনা তাইনা?কোন উত্তর পাইনি আমি।নিজে থেকেই আবার বললাম,পড়তে ভালো না লাগলে পড়ার দরকার নাই।তবে হ্যাঁ,আমার থেকে পালিয়ে বেড়িওনা।তোমার যা ভালো লাগে করো,আমি বাধা দেবো না। কেমন যেন বিশ্বাস অবিশ্বাস নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো।উঠে দাঁড়ালাম আমি,পকেট থেকে কিছু টাকা বের করে টেবিলে পেপারওয়েট দিয়ে চাপা দিয়ে রেখে বললাম,এখানে কিছু টাকা আছে। বিকেলে একটু বাজারে যেও,আর তোমার যা ভালো লাগে কিনে নিও।
রাতে খাবার পর ওর রুমে উঁকিদিয়ে দেখি, খুব গুছানো টেবিলে কিছু বই,পত্রিকা কাটিং ইত্যাদি নিয়ে ঘাটাঘাটি করছে।আমি আর আগ বাড়াইনি,চলে এলাম নিজের কক্ষে। বেশকিছু দিন কেটে গেলো,সে নিজের একটা বাগান সাজিয়েছে,ঘরে বাইরে,নিজের কক্ষে অনেক গাছ লাগিয়েছে।খুব ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ইদানিং।সকালে গাছ রোদে দিচ্ছে,বিকেলে ঘরে নিচ্ছে,বাইরের গাছগুলো দু&#039;চারদিন পর পর ঘুরিয়ে ফিরিয়ে রোদ লাগাচ্ছে।ভালোই কাটছে ওর দিনগুলো।
আমার মন খুব একটা স্বস্তিতে নেই।ওকে নামাজ পড়তে দেখিনা অনেক দিন ধরে।কিছু বলছিও না আমি কোনকিছু নিয়ে।
হঠাৎ একদিন দেখলাম খুব মন খারাপ ওর,বাসায় কারো সাথে কখনো কিছু শেয়ার করেনা।নিজের মতোই থাকে।
তাই মন খারাপের কারণ জানতে ইচ্ছে হলো খুব।গেলাম ওর কাছে,পাশে বসে হাত বাড়িয়ে ওকে নিজের কাছে টেনে নিলাম,আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো।পিঠে হাত বুলিয়ে জানতে চাইলাম,কি হয়েছে? কোন সমস্যা হয়েছে তোমার?
জানালো ওর একটা গাছ মরে গেছে,খুব পছন্দের ছিলো গাছটা।আমারো খারাপ লাগলো এটা ওটা বলে শান্তনা দিয়ে চলে আসলাম।আর আসার সময় বলে এলাম,মনটা হালকা হলে সময় করে আমার কাছে এসো,কিছু কথা বলবো।
রাতেই সে আমার স্টাডিরুমের দরজায় এলো।বাবা আসবো? বলে অনুমতি চাইল।আমি ওকে আসতে বললাম।এসে একটা চেয়ার নিয়ে আমার মুখোমুখি বসলো।অভ্যাসটা আমারো,যখন কারো সাথে বসতে যাই,কেন জানি মুখোমুখি বসি।
তারপর শুরু করলাম,হালকা মুড়ে কথা বলছি আমি।বাগান নিয়ে ওর ইচ্ছে,পরিকল্পনা জেনে নিলাম।আরো কিছু টুকটাক কথা বলে ওকে আমার প্রতি মনযোগী করে নিলাম।তারপর বলতে শুরু করলাম,এই যে তুমি গাছ লাগাও,গাছের যত্ন কর,রোদে দাও আবার যায়গামতো নিয়ে রাখো।এতে নিশ্চয় তোমার কোন প্রত্যাশা বা প্রাপ্তি থাকে? যদি তুমি সব ঠিকঠাক দেখ তোমার ভালো লাগে আবার একটু এদিক ওদিক হলে খারাপ ও লাগে। ঠিক তেমনি তোমাকে সৃষ্টি করার পিছনেও আল্লাহর কোন না কোন প্রত্যাশা প্রাপ্তি নিশ্চয় থাকার কথা।তুমি সেই বিষয়ে কখনো চিন্তা করেছো? নিজের ভালো লাগার কাজ করবে ভালো কথা,তোমার সৃষ্টিকর্তা তোমার কাছে কি চায় সেটার প্রতি তোমার খেয়াল রাখা উচিৎ নয় কি? তারপর দেখ,তোমার গাছটা মরে গেলো,কিন্তু কেন মরলো,কি করলে এটাকে বাঁচানো যেতো, এটা জানার জন্য ও তো তোমার কিছু শিক্ষার দরকার আছে নাকি? একটু একটু করে পড়াশুনা করেও তো নিজের ভালো লাগার কাজগুলো করা যায় নাকি??কোন উত্তর আমি কোন কালেই ওর থেকে পাইনা,আজো পাইনি।উত্তর আমি ওর থেকে প্রত্যাশাও করিনা। শুধু বললো,আমি কি এখন যাবো বাবা?? বললাম যাও। 
ফজরের সময় উঠে দেখি সে আমার আগেই জামায়াতে যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে আছে।নামাজ শেষে মসজিদে অনেক্ষণ ধরে কুরআন তেলাওয়াত করলো,তারপর বাসায় এসে গাছে পানি দিলো।আজ দেখি পড়তেও বসেছে। সময় মতো নাস্তা খেয়ে স্কুলে গেলো।ওর পুরো একটা নতুন রুটিন তৈরী হলো।জীবনটা ভিন্ন একটা গতি পেলো।দেখতে দেখতে সে নবম শ্রেনীতে উঠলো।একদিন আমাকে এসে জানালো,সে বিজ্ঞান বিভাগ নিতে চায়।বললাম যে বিভাগে পড়তে ভালো লাগবে সেই বিভাগ নাও,তবে একটু ভেবেচিন্তে নিও।পড়াশুনা ভালোই চলতে লাগলো।এস এস সি পরিক্ষাও দিয়ে দিয়েছে,রেজাল্ট যেদিন হলো, সেদিন আমাকে এসে জানালো নিজের রেজাল্টের কথা।জানতে চাইলাম,তোমার প্রত্যাশা এবং প্রচেষ্টা অনুযায়ী সফলতা কতটুকু? বললো প্রচেষ্টার থেকে সফলতা কিঞ্চিৎ উপরে আছে।জানতে চাইলাম,এটাকে তুমি কিভাবে মূল্যায়ণ করবে? বললো সব ঠিক আছে বাবা,তবে আমাকে নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য আরেকটু ভালো করতে হবে যা আমি আগে বুঝতে পারিনি।আমি আর কিছু বলিনি, কারণ সে নিজের একটা পথ তৈরী করেছে,নিজের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।আর তার লক্ষ্য অর্জনের জন্য সঠিক গতিও সে নিজেই সেট করতে পারবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29374/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 07:58:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার ছেলে<br />
আবু নাঈম<br />
আমার ছেলেটা ঠিক তোমার মতোই ছিল।জানো? পড়াশুনার প্রতি ওর কোন মনোযোগই ছিলনা।ওকে পড়তে বসাতে আমি কখনোই পারতামনা।ধরো সকালবেলা,আমি ওকে পড়তে বলে একটু বাইরে গেলাম।এসে দেখি,সে ঘরের আঙ্গিনায় কি যেন করছিল,আমাকে দেখেই দৌড়ে পালিয়েছে।আমি এগিয়ে গিয়ে দেখলাম,কিসের যেন দু&#8217;চারটে ঢাল-লতা এনে লাগানোর চেষ্টা করতেছিল।খুব মেজাজ গরম হয়েগেলো আমার।না,আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-29374"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/29374/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ddc51efe550f275719218febbc505c01</guid>
				<title>মানব জীবন তিনটা গুরুত্বপূর্ণ ভাগে বিভক্ত,ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং সামাজিক।  যদিও রাজনৈতিক, রাষ্ট্রীয় বলে আরো কিছু বিষয় থাকে যা সামাজিক জীবনেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং সংকীর্ণ অথবা বিস্তৃত রূপ। সেটা নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না।
তবে আমার কাছে আমার জীবন হলো, ব্যক্তিগত, পারিবারিক, আর বন্ধু-বান্ধব (এটাই আমার সামাজিক জীবন) বস্তুত সমাজবিজ্ঞানের যে সমাজ বা যে সমাজে আমরা বাস করি তা অনেক বিস্তৃত এবং জটিল বিষয়। তাই এটা নিয়ে ভাবার মতো পর্যায়ে আমি এখনো নিজেকে মনে করিনা। এই সমাজ নিয়ে চিন্তাভাবনা করার কাজ আপাতত সমাজ সংস্কারকদেরই থাকুক। তাই আমি সামাজিক কোন ইস্যু নিয়ে বাস্তব জীবনে যেমন কোন মন্তব্য করিনা তেমনি অন্যকোন মাধ্যমেও ততটা এক্টিভিটি দেখাতে চাইনা।
আমি এখনো কোন সামাজিক দায়বদ্ধতা নিজের ঘাঁড়ে নিতে প্রস্তুত নই, সুতরাং যেনতেন কোন সামাজিক ইস্যুতে মন্তব্য করার আপাতত কোন প্রশ্নের অবকাশ নেই।
যদি বলা হয়ে থাকে সমাজ আমাকে প্রাকৃতিক নিয়মেই অনেক কিছু দিচ্ছে,তাই সমাজের প্রতি আমার কিছু দায়বদ্ধতা থাকে তাহলে আমি বলবো অবচেতন প্রক্রিয়ায় সমাজও আমার থেকে তার প্রাপ্য পেয়ে যাচ্ছে।
আমি আমার ব্যক্তিগত,পারিবারিক (ক্ষেত্রবিশেষ) এবং বন্ধু ছাড়া তেমন কোন বিষয়ে মাথা ঘামাইনা। 
সুতরাং আপনার সাথে আমার ব্যক্তিগত সমস্যা না থাকলে আমার কোন অভিমত আপনাকে নিয়ে নয় এই বিষয়ে নিশ্চিত থাকুন।
 #উপদেশ, আমার ডিকসনারিতে স্বদেশ, বিদেশ,বাংলাদেশ, সন্দেশ এরূপ অনেক শব্দ খুব পরিচিত হলেও উপদেশ বলে কোন শব্দের স্থান এখানে নেই। আমি কখনো কাউকে উপদেশ দেইনা এবং কারো থেকে কোন উপদেশ গ্রহন করার জন্য প্রস্তুত ও থাকিনা। তাই আমার আঙ্গিনায় উপদেশ বাণীর কোন স্থান নেই। যদি কোন ব্যক্তি স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে আমাকে উপদেশ দিতে চান তবে সেটা নিজের কাছেই সযতনে রেখেদিন। আপনার প্রতি যথেষ্ট সম্মানবোধ রেখেই বলছি (Apnar proti o Same Upodesh) বাক্যের মাধ্যমে আমাকে কোন উপদেশ দেয়ার চেষ্টা করবেন না। যেহেতু আমি কাউকে উপদেশ দেইনা তাই এমন কোন বাক্য আমার সাথে যায়না।
 #পরামর্শ, এই বিষয়টা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ তাই এই বিষয়টা যেভাবে সেভাবে যেখানে ব্যবহার করিনা। কেউ আমার কাছে পরামর্শ না চাইলে যেমন আমি নিজে থেকে পরামর্শ দেইনা তেমনি জানতে না চাইলে কারো পরামর্শ প্রত্যাশাও করিনা। আমার মনে হয়না যে, কোন ব্যক্তিত্ববান ব্যক্তি ধরে ধরে কাউকে নিজে থেকে পরামর্শ  দেয়।
অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে পরামর্শ দেয়াটা আমার মনে হয় ছোট মানসিকতার কাজ। 
একজন মানুষ ব্যক্তিত্বহীন, নিচু মানসিকতার হতেই পারে সেটা নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথা থাকেনা। যতক্ষণ না তার ব্যক্তিত্বহীন নিচুমানসিকতা আমাকে স্পর্শ না করে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29371/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 07:46:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানব জীবন তিনটা গুরুত্বপূর্ণ ভাগে বিভক্ত,ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং সামাজিক।  যদিও রাজনৈতিক, রাষ্ট্রীয় বলে আরো কিছু বিষয় থাকে যা সামাজিক জীবনেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং সংকীর্ণ অথবা বিস্তৃত রূপ। সেটা নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না।<br />
তবে আমার কাছে আমার জীবন হলো, ব্যক্তিগত, পারিবারিক, আর বন্ধু-বান্ধব (এটাই আমার সামাজিক জীবন) বস্তুত সমাজবিজ্ঞানের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-29371"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/29371/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9835cca6e324d33ffa60fff045cf23d4</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and Sharbanam Gupta are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29368/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 07:39:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9835cca6e324d33ffa60fff045cf23d4</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and অভিমানী মন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29367/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 07:39:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9835cca6e324d33ffa60fff045cf23d4</guid>
				<title>A.N.M.Solayman and চাঁদ সদাগর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29366/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 07:39:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>