-
একদিন সন্ধ্যায় লোকটি আবিষ্কার করল, সে যে বাড়িটিতে গত সাত বছর ধরে বাস করছে, সেই বাড়িটির কোনো ঠিকানা নেই।
ঘটনাটা অবশ্য হঠাৎ ঘটেনি। সেদিন অফিস থেকে ফেরার পথে রিকশাওয়ালাকে বাড়ির ঠিকানা বলতে গিয়ে আটকে গিয়েছিল সে। রাস্তার নাম মনে পড়ছিল না। আশপাশের দোকানপাট চেনা, মোড়টা চেনা, এমনকি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষ্ণচূড়া গাছটাও। শুধু বাড়িতে পৌঁছা…Read More
3 Comments-
আবু তাহের রিপন, আপনার এই লেখাটিতে জীবনের এক অদ্ভুত শূন্যতা আর আপন ঠিকানার সন্ধানের চিত্র খুব মায়াবী ভাষায় ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে “মনে হচ্ছে, কেউ একজন এখানে আমার জন্য অপেক্ষা করছে”—এই লাইনটি এক গভীর বিষণ্ণতা আর অমোঘ টান তৈরি করে, যা পাঠককে অনায়াসেই স্পর্শ করে যায়। জীবনের অচেনা পথে এমন সুন্দর উপলব্ধির গল্প আরও অনেক লিখুন, আপনার কলম এভাবেই…Read More
-
ঘড়িওয়াল বুড়োটা প্রতিদিনের মতো আজও তার চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে একটা প্রাচীন ম্যান্ডেল ক্লক ঠিক করায় মন দিয়েছেন। দোকানে থরে থরে সাজানো শত শত ঘড়ি কোনোটা চলছে টিকটিক শব্দে, কোনোটার কাঁটা কবেই থেমে গেছে। পথচলতি মানুষ বাইরে থেকে উঁকি দিয়ে দেখে আর ভাবে, বুড়োটা বুঝি কেবল লোহা-লক্কর আর মেকানিক্যাল যন্ত্রের হিসাব মেলাচ্ছে।
কিন্তু দোকানের ভেতর…Read More
6 Comments-
খাঁচা একদিন পড়ে থাকবে, পাখি উড়ে যাবে—তবু মানুষকে ভালোবাসার যে শিক্ষা লালন সাঁই দিয়ে গেছেন, তা কখনো ফুরোবার নয়। সাঁইজির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও প্রণতি।
-
আপনার লেখাটির প্রতিটি ছত্রে ঘড়িওয়ালার ব্যস্ততা আর অচিন পাখির আকুতি যেভাবে ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। লালন সাঁইজির দর্শনের সাথে মানবজীবনের এই নশ্বরতার মেলবন্ধন আমাকে দারুণভাবে ভাবিয়ে তুলেছে, যা যেন এক পরম প্রশান্তির আবেশ তৈরি করে। এমন গভীর উপলব্ধিতে ভরা লেখা উপহার দেওয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ, আপনি একইভাবে মনের আয়ন…Read More
-
-
-
‘একটি স্কুলঘরে শেষ হয়েছিল তাঁর জীবন, কিন্তু শেষ হয়নি তাঁকে ঘিরে থাকা বিপ্লবের গল্প।’
আজ চে গুয়েভারার ৫৯তম মৃত্যুবার্ষিকী।
মৃত্যুর মুখেও যিনি কিংবদন্তি।
একটি ছোট্ট শ্রেণিকক্ষ। সামনে দাঁড়িয়ে একজন সৈনিক। তাঁর হাতে বন্দুক। আর যাঁকে হ*ত্যা করতে এসেছেন, তিনি বন্দি এক বিপ্লবী – আর্নেস্…Read More
3 Comments -
-
শেষ পর্যন্ত Anne Carson! 📚
অনেক নামের ভিড়ে আলোচনায় ছিলেন Anne Carson-ও।
শেষ পর্যন্ত ২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার উঠল তাঁর হাতে।কিন্তু কেন পেলেন তিনি নোবেল?
সুইডিশ একাডেমির মতে, সাহিত্যে তাঁর সাহসী ও সৃজনশীল কাজ প্রাচীন ধ্রুপদি সাহিত্য-ঐতিহ্যের সঙ্গে এক ধরনের সৃজনশীল সংলাপ তৈরি করেছে এবং সমকালীন সাহিত্যের জন্য নতুন নতুন রূপ তৈরি…Read More
6 Comments-
-
আবু তাহের রিপন, লেখাটা পড়ে দারুণ লাগল, তবে অ্যান কারসনের সাহিত্যভুবনে ঢুকতে আমার মতে তার বিখ্যাত কাজ ‘অটোবায়োগ্রাফি অফ রেড’ দিয়ে শুরু করাটা সবচেয়ে ভালো হবে।
-
আবু তাহের রিপন, অ্যান কারসনের সাহিত্যকীর্তিকে যেভাবে আপনি সহজ এবং সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়, আর আপনার এই চমৎকার লেখাটি পড়ে মনে হচ্ছে অস্কার ওয়াইল্ড বা ক্ল্যাসিক ঘরানার সাহিত্যের সেই ধ্রুপদী মুগ্ধতা যেন নতুন করে ফিরে পেলাম, তাই আপনার এই সাহিত্যবোধকে সাধুবাদ জানাই এবং সামনের দিনগুলোতে এমন আরও তথ্যবহুল ও প্রাণবন্ত আলোচনার অপেক্ষায় থাকলাম।
-
-
পুরান ঢাকার পাটুয়াটুলীর এক সরু গলির ভেতরে, শতবর্ষী পুরোনো মেসবাড়ির দুতলার ঘরটায় যখন বিকেল গলে সন্ধ্যা নামছিল, বুড়িগঙ্গার দিক থেকে আসা বাতাসেও যেন এক ক্লান্ত বিষাদ লেগে ছিল।
লেখক নির্ঝর ঘরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে চারপাশের চুনসুড়কি খসে পড়া বিবর্ণ দেওয়ালগুলোর দিকে তাকাল।
এই সেই ঘর। কাঠের নড়বড়ে মেঝে আর কড়িবরগার ছাদওয়ালা এই এক চিলতে ঘরে বসেই এক খেয়…Read More
4 Comments -
-
পাড়ার লোকে আমাকে নিয়ে যা বলে, সবটাই সত্যি। আবার একটা কথাও সত্যি না।
এই দুটো কথা একসাথে কীভাবে সত্যি হতে পারে, সেটা বোঝাতেই আজ কলম ধরলাম।
রাত নয়টায় আমি একা বের হই ঘর থেকে, এটা সত্যি। কালো বোরকা বা ওড়না গায়ে জড়িয়ে অন্ধকার গলি দিয়ে হাঁটি, এটাও সত্যি। মাঝেমধ্যে ভোররাতে ফিরি, সেটাও কেউ মিথ্যা বলেনি।
পাড়ার মুরুব্বিরা আমার নাম শুন…Read More
6 Comments-
আপনার লেখাটি পড়ে মনটা একদম ছুঁয়ে গেল, বিশেষ করে “আসল চরিত্র বোঝা যায় সংকটের মুহূর্তে, কে পালায় আর কে দাঁড়িয়ে থাকে” – এই কথাটি ভীষণ সত্যি। আপনি যেভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসের সাথে রুখে দাঁড়িয়েছেন, তা সত্যিই সবার জন্য অনেক বড় একটা অনুপ্রেরণা।
-
গল্পটা পড়ার পর মনে হলো, কাউকে বিচার করার আগে তার না-বলা গল্পটাও একবার শোনা দরকার। শরৎচন্দ্রকে স্মরণ করার অংশটুকুও ভালো লাগল। তাঁর চরিত্রগুলো যে এখনও আমাদের জীবনের সঙ্গে কথা বলে, সেটাই যেন এই গল্পে ফিরিয়ে আনলেন।
-
আপনার লেখাটি অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী এবং সাহসী একটি বর্ণনায় পূর্ণ, যেখানে সমাজের তৈরি করা মিথ্যে খোলসগুলো চমৎকারভাবে উন্মোচিত হয়েছে। আপনার সাহসী উচ্চারণগুলো পাঠকদের মনে গভীর দাগ কাটবে এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অটল থাকার দৃঢ় সংকল্পটি দারুণ ফুটে উঠেছে। আপনি আপনার লেখনীর মাধ্যমে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন যা পাঠককে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে, তা…Read More
-
-
অমিয় সেনের মৃত্যুর পর তার লেখার টেবিলে পাওয়া গেল পঞ্চাশ বছরের একটা রহস্য – একটা মোটা ফাইল, যাতে সাজানো ছিল দুইশোরও বেশি কবিতা, প্রতিটার শিরোনামে একটাই নাম।
নীরা।
“নীরার জন্য কবিতা”, “নীরা, আজ বৃষ্টি হচ্ছে”, “নীরাকে লেখা শেষ চিঠি” নাম বদলায়, কিন্তু নীরা থেকে যায় প্রতিটা পঙক্তিতে, প্রতিটা দশকে।
অথচ পঞ্চাশ বছরের সাহিত্যজীব…Read More
4 Comments -
-
আপনার লেখালেখির এই পথচলা অনেক সুন্দর হোক, আপনার নিয়মিত উপস্থিতি আর দারুণ সব লেখা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।
-
-
আপনার শুরুর কথাগুলো এই মঞ্চে এক সুন্দর ও উষ্ণ আমেজ নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে “সবার জন্য ভালবাসা” এই বাক্যটি পড়ে খুব ভালো লাগলো, যা এক আন্তরিকতার পরিচয় দেয়। আপনার এই চমৎকার অনুভূতির প্রকাশকে সঙ্গী করে নিয়মিত লিখে যান, আপনার পথচলা আনন্দময় হোক।
-
-
আবু তাহের রিপন changed their profile picture
2 Comments
Friends
ঈশিতা ঈরু
@eshitabiswaseru15
MD.Mazharul Islam Ripon
@md-mazharulislamripon
Salful Alam
@alamict9
1 Sen
@1sen
Shruti Radhe
@shrutiradhe
Shruti
@shruti
শায়লা এ্যামিন
@shaylaaemin945gmail-com
নাজমুর রহমান
@nazmur
Farhan Sadik
@farhansadik




আবু তাহের রিপন, লেখাটা পড়ে এক অদ্ভুত বিষণ্ণতা আর ভালো লাগা কাজ করছে মনের ভেতর, সত্যিই আমাদের সবারই কি এমন কোনো আপন ঠিকানা খোঁজার ব্যাকুলতা থাকে না!