<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | ইকবাল আহমেদ | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/iqbal/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/iqbal/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for ইকবাল আহমেদ.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 25 Oct 2026 01:03:29 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">8670ba86e63c7ac09b8bdeabff5e3e2a</guid>
				<title>শীতের কথা

আমি বললাম : 
তোমার গায়ে আছড়ে পড়া শীতল হাওয়ায় আমার হিংসে।
সে বললো :
শীতল বাতাস প্রাণের পাড়া থেকে আসে।
আমি বললাম:
শীতল হাওয়াকে তুমি আর লায় দিও না।
সে বললো:
কেন লায় দিলে কি হয়?
আমি বললাম: 
সে তোমার উষ্ণতাকে কেড়ে নিবে।
সে বললো:
তবে তুমিই হবে আমার আমরণ উষ্ণতা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/94480/</link>
				<pubDate>Sat, 29 Jan 2022 06:13:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শীতের কথা</p>
<p>আমি বললাম :<br />
তোমার গায়ে আছড়ে পড়া শীতল হাওয়ায় আমার হিংসে।<br />
সে বললো :<br />
শীতল বাতাস প্রাণের পাড়া থেকে আসে।<br />
আমি বললাম:<br />
শীতল হাওয়াকে তুমি আর লায় দিও না।<br />
সে বললো:<br />
কেন লায় দিলে কি হয়?<br />
আমি বললাম:<br />
সে তোমার উষ্ণতাকে কেড়ে নিবে।<br />
সে বললো:<br />
তবে তুমিই হবে আমার আমরণ উষ্ণতা।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>38</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">32fbfacf5d7f78670790fcdcd8b9d95b</guid>
				<title>ইকবাল আহমেদ and Kazi Akter are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/66760/</link>
				<pubDate>Tue, 30 Nov 2021 13:16:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9bf657a33f1e4b1d2e8e73bc2dea8e79</guid>
				<title>ইকবাল আহমেদ and মোঃ বায়েজীদ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/63444/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Nov 2021 09:01:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6d2d7ada0a30d6028fcf01be7c154461</guid>
				<title>ইকবাল আহমেদ and G M Harun Rashid are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/63278/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Nov 2021 06:28:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5eeebe7d58fc2f1532288e32fc9f3ab7</guid>
				<title>ইকবাল আহমেদ and কে,এম, আশিকুল আলম রিজন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/48616/</link>
				<pubDate>Wed, 27 Oct 2021 07:38:11 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">398c382127c1146c6546b44d33d3166b</guid>
				<title>ইকবাল আহমেদ and Md.Monyruzzaman Khan are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/47555/</link>
				<pubDate>Sun, 24 Oct 2021 09:59:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">62d224a740d42b6ef1260ed0f63f4dee</guid>
				<title>ইকবাল আহমেদ and ruba are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/47301/</link>
				<pubDate>Sat, 23 Oct 2021 17:22:26 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a20e57113fd40c6cd1912a5a993e96cc</guid>
				<title>ইকবাল আহমেদ and Reazul Kabir are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/47046/</link>
				<pubDate>Fri, 22 Oct 2021 16:35:36 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">80d43446e75ab5e01197fe613b5bfb28</guid>
				<title>ইকবাল আহমেদ and শোয়েব ইবনে শাহীন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/46830/</link>
				<pubDate>Fri, 22 Oct 2021 09:33:59 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">780287fd50e55910b27fd4ea63ca35f1</guid>
				<title>ইকবাল আহমেদ and ইরফানুর রহমান রাফিন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/46605/</link>
				<pubDate>Thu, 21 Oct 2021 15:14:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e81d1d77f816a51ae2e28c589f032203</guid>
				<title>এলিটা
পর্বঃ ৪ (শেষ পর্ব)
দুইদিন ধরে এলিটা তেমন একটা কথা বলছে না। শুধু যেটুকুন দরকার তাই বলে ঘরের কাজ করছে। বাকিটা সময় সে ঘরের এককোণে একপ্রকার হাইবারনেট অবস্থায় থেকেছে। তিন দিনের দিন নোয়ান এই বিস্ময়কর রোবটের এরকম নিরবতা আর মেনে নিতে পারছিল না। এলিটা তার কাছ থেকে একদিনের সময় চেয়ে নিয়েছিল কিছু একটা গবেষণা করার জন্য। 
- এলিটা, তুমি এত চুপ করে আছ কেন?
- আমি তোমার কাছ থেকে সময় চেয়ে নিয়েছিলাম।
- হ্যাঁ, সে তো আমার মনে আছে। কিন্তু সেটা একদিনের জন্য ছিল। তা তোমার গবেষণার কতদূর?
- আমার এনালাইসিস একদিন আগেই শেষ হয়েছে।
- তাহলে চুপ করে আছ কেন? ফলাফল কি পেলে জানাবে না। আর তুমি সাবিলার ভয়েসে কথা বলতে পার।
এলিটা তার নিজের যান্ত্রিক ভয়েসেই কথা বলতে থাকে।
- আমার এনালাইসিস মানুষের মন আর আবেগ নিয়ে আমাকে আরো দ্বিধাগ্রস্ত করে ফেলেছে। তাই বিষয়টার গভীরে আমি আর যেতে আগ্রহী নই। যদি তোমার নির্দেশনা থাকে তবে আমি বাধ্য।
- আচ্ছা এখন কি পেলে তাই বল।
- আমি মানুষের প্রেম ভালবাসা নিয়ে নতুন-পুরনো অনেক গল্প, উপন্যাস আর মুভি দেখেছি। তাতে দেখা যায়, প্রায় পাঁচানব্বই ভাগ ক্ষেত্রে নায়ক সুন্দরি নায়িকার প্রেমে পড়েছে্। আবার নায়িকাও যথেষ্ট আকর্ষনীয় ব্যাক্তিত্ব সম্পন্ন পুরুষের প্রেমে পড়েছে। কিন্তু যেসব মানব-মানবি অসুন্দর বা আকর্ষনীয় নয় তাদের ক্ষেত্রে প্রেম ভালবাসার গল্প খুবই কম। তাহলে প্রশ্ন দাঁড়ায় প্রেমের জন্য সুন্দর বা আকর্ষনীয় হওয়াটাই গুরুত্বপুর্ন কিনা। তুমি একজন সুন্দরি কে ভালবেসেছ। এই পৃথিবীতে তোমাদের ঈশ্বর মানুষকে সুন্দর-অসুন্দর দু’ভাবেই তৈরি করেছেন, এটাই তোমাদের বিশ্বাস। যারা সুন্দর তারা তাদের পছন্দের মানুষের প্রেমে আবদ্ধ হয়, তাহলে অসুন্দরদের প্রেমের কি হয়। অসুন্দরদের কি সুন্দরের প্রেমে পড়া যাবে না বা কোন সুন্দর মানুষ কি অসুন্দর মানুষের প্রেমে পড়ে না।
নোয়ান পুরোপুরি হকচকিয়ে যায়। একটা রোবট হঠাৎ করে কেন এভাবে ভাবছে। তাকে নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে। বাড়তি হিসেবে তাকে দৈনন্দিন কাজ থেকে ডাটা সংগ্রহ করে নিত্যনতুন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য কর্মপন্থা ঠিক করার উপযোগী প্রোগ্রাম করে দেয়া হয়েছে। আর সে কিনা মানুষের প্রেম-ভালাবাসার মতো আবেগ অনুভূতি নিয়ে গবেষণায় ব্যস্ত।
- এলিটা এগুলো তোমার কাজের মধ্যে পড়ে না। এসব মানুষের নিতান্ত মানবীয় গুনাবলীর বিষয়। এটা নিয়ে না ভাবলেও তোমার চলবে।
- কিন্তু নোয়ান, আমরা মানে রোবটরা তোমাদের আবেগ অনুভূতির মত করেই তৈরি করা। অনেকেই তাদের ঘরের কাজের রোবটটিকে সুন্দর করে কনফিগার করে। তুমি হয়তো ব্যাতিক্রম। তুমি আমাকে নিতান্ত যান্ত্রিক আর অসুন্দর দেখতে তৈরি করিয়ে নিয়েছ। যার কারনে তুমি প্রায়শই আমাকে পছন্দ করে উঠতে পারছো না। তার উপর তোমার পুরনো প্রেমিকা এখনো তোমার সমস্ত আবেগ জুড়ে আছে, যে কিনা আমার চাইতে অনেক অনেক বেশি সুন্দরি।
- তার মানে কি তুমিও আমার প্রেমে পড়ে গেছ। ব্যাপারটা এরকমই বলতে চাইছো।
- বলতে চাইছি নয়। বলতে পার আমি বলছি।
- এলিটা এসব উদ্ভট কাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখ। তোমার নির্দিষ্ট কাজ আছে তুমি তাই নিয়ে থাক।
- নোয়ান, আমি একটা চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চাইছি। যার জন্য অবশ্যই আমার তোমার নির্দেশনার দরকার আছে। যেহেতু আমি রোবট এবং তোমার সিদ্ধান্তের বাইরে যাবার আমার কোন সুযোগ নাই।
- কিসের সিদ্ধান্ত?
- আমি নিজেকে শাটডাউন করে দিতে চাই।
- মানে কি?
- তোমাদের ভাষায় যাকে বলে আত্মহত্যা।
- এ্যাই, এ্যাই, তুমি এসব কি বলছ। রোবটের আবার আত্মহত্যা বলে কিছু আছে নাকি। তোমার চার্জ কমে গেছে। তুমি চার্জ নাওনি কেন?
এলিটা কাজে ফিরে যায়। নোয়ান খুবই বিরক্ত হয়। একটা রোবট সে কিনা বলে আত্মহত্যা করবে। যতসব উদ্ভট। নানান মুভি আর বস্তাপচা গল্প উপন্যাস এনালাইসিস করে এটা নিশ্চিত বিগড়ে গেছে। এলিটাকে বরং একটু মেইনটিন্যান্স করিয়ে আনতে হবে। ভাল হয় ওর মেমরিটা ফরমেট দিয়ে নতুন করে নেয়া।
সকালে অনেকক্ষন সময় নিয়ে নোয়ান ঘুম থেকে উঠে। দেয়ালের ঘড়ি দেখে অবাক হয়। এতটা সময় ঘুমিয়ে থাকার কথা নয় তার। আর এলিটাও কেন যে এখনো তাকে ডেকে তোলেনি বুঝতে পারছে না।
- এলিটা, এলিটা।
নোয়ান কোন সাড়া পায় না। আবার ডাকে, তারপরও কোন সাড়া পায় না। গর্দভটা আবার কোথায় গেল, নোয়ান এমনটা ভাবতে ভাবতে বিছানা ছেড়ে রান্নাঘরের দিকে যায়। এককোণে এলিটার দেহটা শুয়ে আছে, যা কখনোই হওয়ার না। এলিটা সব সময় দাঁড়িয়েই থাকে। অবাক বিস্ময় নিয়ে নোয়ান আরও এগিয়ে যায়। এলিটার মাথাটাও দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাহলে কি? নোয়ান আর ভাবতে পারে না। সে বুঝতে পারছে তার চোখ ভিজে উঠছে।
(সমাপ্ত)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/42823/</link>
				<pubDate>Tue, 12 Oct 2021 09:09:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এলিটা<br />
পর্বঃ ৪ (শেষ পর্ব)<br />
দুইদিন ধরে এলিটা তেমন একটা কথা বলছে না। শুধু যেটুকুন দরকার তাই বলে ঘরের কাজ করছে। বাকিটা সময় সে ঘরের এককোণে একপ্রকার হাইবারনেট অবস্থায় থেকেছে। তিন দিনের দিন নোয়ান এই বিস্ময়কর রোবটের এরকম নিরবতা আর মেনে নিতে পারছিল না। এলিটা তার কাছ থেকে একদিনের সময় চেয়ে নিয়েছিল কিছু একটা গবেষণা করার জন্য।<br />
&#8211; এলিটা, তুমি এত চুপ করে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-42823"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/42823/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>24</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">02bb8fb8a86705eb6bccfe0dbb32714c</guid>
				<title>এলিটা
পর্বঃ ৩
এলিটার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অনেকগুলো মেয়ের ছবি দেখিয়ে বলেছিল একটা পছন্দ করে দিতে তারা তার চেহারা রোবটটিতে দিয়ে দিবে। নোয়ান রাজী হয়নি। এছাড়া তার পছন্দের যে কোন চেহারাও তারা করে দিতে পারবে, শুধু ছবি দিলেই হবে। তাতেও নোয়ান রাজি হয়নি। সে সাবিলার জায়গায় আর কারো চেহারা বা অবয়ব চায়নি। তার শুধু কাজ করার জন্য একটা কর্মী রোবট হলেই চলবে। সেই থেকেই একটা যান্ত্রিক চেহারা নিয়ে এলিটা তার সাথে আছে।
নোয়ান খাবার ঘরের দিকে যায়। এলিটা খাবার সামনে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
- দুঃখিত এলিটা। আমিও তোমার সাথে কর্কশ ভাষায় কথা বলেছি। আশা করি এগুলো তুমি ডাটাবেজ থেকে ডিলিট করে দিবে।
- তোমার নির্দেশনা মেনে চলতে আমি বাধ্য, নোয়ান। তবে তোমার অনুমতি নিয়ে আমি এগুলো আমার মেমরিতে রেখে দিতে চাই।
- তার কি বিশেষ কোন কারন আছে।
- তোমরা মানুষরাতো সবকিছুই স্মৃতিতে রেখে দাও। এতে তোমারা একে অন্যকে বুঝতে এবং অনুভব করতে পার। আমি তোমাকে বুঝতে চাই, তাই আমি তোমার সাথে ঘটে যাওয়া প্রতিটি বিষয়ই রেখে দিতে চাই। যদি তুমি অনুমতি কর।
- ঠিক আছে রেখে দাও। তবে তোমার খবরদারি একটু কমাতে হবে।
নোয়ান হেসে ফেলে। সাথে সাথে এলিটাও হাসির শব্দ করে। হঠাৎ নোয়ান লক্ষ্য করে হাসির শব্দ সাবিলার হাসির শব্দ। নোয়ান আবার উত্তেজিত হয়ে পড়ে।
- তুমি এই হাসি কোথায় পেলে?
- তোমার ক্লাউড সার্ভারে সার্চ দিয়ে কিছুক্ষন আগে সাবিলা ম্যাম-এর অনেক ভিডিও এবং অডিও আমি সংগ্রহ করেছি। তুমি কি মনে কর তাই কন্ঠটা তার মত করে করিনি। তুমি যদি নির্দেশনা দাও তবে আমি এখন থেকে পুরোপুরি সাবিলা ম্যামের মতো আচরন করতে পারি।
কি মনে করে নোয়ান এলিটাকে অনুমতি দেয়। সে দেখতে চায় এতে তার একাকিত্বে কোন পরিবর্তন হয় কিনা। তারপর কয়েকদিন এলিটা পুরোপুরি কথায় কাজে সাবিলার মতো আচরন করতে থাকে। প্রথম ক’টা দিন নোয়ান নতুন এক খেলায় ভালই সময় কাটায়।
- নোয়ান, একটা জরুরী বিষয়ে তোমার সাথে আমার আলোচনা করা দরকার।
হঠাৎই এলিটা আবার তার আগের যান্ত্রিক গলায় কথা বলে উঠে। নোয়ান অবাক হয়।
- তোমার আবার কি হল? বেশ তো কিছুদিন সাবিলা হয়ে ছিলে। 
- হ্যাঁ ছিলাম। কিন্তু সেটাতো তুমি বললেই, তা ছিল সাবিলা ম্যাম। আমি, এলিটা ছিলাম না।
- কি বলছ এসব তুমি। (নোয়ান পুরোপুরি বিস্মিত হয়)
- সে বিষয় নিয়েই আমি তোমার সাথে আলোচনা করতে চাই।
- তা বল শুনি কি তোমার সেই আলোচনা।
- নোয়ান তুমি সাবিলাকে ভালবাসতে। এখনো তাকে ভালবাস। তার জায়গায় অন্য কাউকে তুমি মেনে নিতে পার না বলেই তুমি আর কোন রিলেশনে নিজেকে জড়াওনি।
- তা আমার পক্ষে সম্ভবও না।
- আমি জানি নোয়ান। এই যে আমি তোমার সাথে আছি। তুমি আমাকে কেন ভালবাসতে পারছ না। তার কারন তুমি এখনো সাবিলাকে ভালবাস। সাবিলা সুন্দরি, তার কথা মিষ্টি, সবচাইতে বড় কথা সে একজন রক্তমাংসের মানবী। আর অন্যদিকে আমি শুধুই একটা যন্ত্র। আমাকে তুমি মনের মতো ডিজাইনে, চেহারায় অর্ডার করনি। শুধু কাজের দিকটাকেই তুমি প্রাধান্য দিয়েছিলে। কিন্তু এতটা সময় তোমার সাথে থাকতে গিয়ে আমিও যে তোমার আবেগ অনুভূতির সাথে নিজেকে জড়িয়ে নিয়েছি।
- তুমি কি বলছ তা কি তুমি বুঝতে পারছো। তুমি নিছকই একটা মানুষের তৈরি যন্ত্র। তোমার মাঝে যা আছে তা মূলত কিছু প্রোগ্রমিং এবং বিস্তর ডাটা। তুমি কি করে নিজেকে মানুষের জায়গায় ভাবছো।
- সে আমি জানি। মানুষ কত কিছুর প্রেমেই তো পড়ে। কেউ কেউ তো তার পোষা প্রাণিটির প্রেমে, কেউ তার প্রিয় জিনিস, জায়গা নানান কিছুর সাথে আবেগে মিশে থাকে।
- সে হিসেবে তোমার প্রতিও আমার একটা মিশ্র অনুভূতি কাজ করে।
- কিন্তু সেটা ভালবাসা নয়। আমাকে তোমার কাজে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজন।
- সেটাই কি স্বাভাবিক না, এলিটা।
- স্বাভাবিক। আচ্ছা আমাকে একটি সুন্দরি মেয়ের অবয়বে তৈরি করলে তো তুমি আমারো প্রেমে পড়তে পারতে।
- প্রেম শুধু সৌন্দর্য দিয়ে তো হয় না। আর এটাই হচ্ছে মানুষ আর যন্ত্রের পার্থক্য।
- নোয়ান আমাকে তুমি আর একটা দিন সময় দেবে। আমি মানুষের এই আবেগের বিষয়টা আর একটু এনালাইসিস করে দেখতে চাই।
..... চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/42549/</link>
				<pubDate>Mon, 11 Oct 2021 12:00:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এলিটা<br />
পর্বঃ ৩<br />
এলিটার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অনেকগুলো মেয়ের ছবি দেখিয়ে বলেছিল একটা পছন্দ করে দিতে তারা তার চেহারা রোবটটিতে দিয়ে দিবে। নোয়ান রাজী হয়নি। এছাড়া তার পছন্দের যে কোন চেহারাও তারা করে দিতে পারবে, শুধু ছবি দিলেই হবে। তাতেও নোয়ান রাজি হয়নি। সে সাবিলার জায়গায় আর কারো চেহারা বা অবয়ব চায়নি। তার শুধু কাজ করার জন্য একটা কর্মী র&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-42549"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/42549/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>20</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6a071f26e9ede518c77c5c645cb2cc46</guid>
				<title>এলিটা
পর্বঃ ২
কেন্দ্রীয় গোরস্তান। বছরের দুটি বিশেষ দিনে নোয়ান এখানে আসে। সাবিলার কবরের কাছে কিছুক্ষন নিরবে দাঁড়িয়ে হয়তোবা কিছু চোখের জলও ফেলে। সাবিলা চলে যাবার আজ পাঁচটি বছর গত হয়েছে। রেজিস্ট্রি অফিস থেকে দুজনের আর একসাথে সংসারে ফেরা হল না। দূর্ঘটনাটার জন্য নোয়ান সব সময় নিজেকে দায়ি করে এসেছে। অতিরিক্ত আবেগে ভর করে থাকায় শেষ মূহুর্তে গাড়ির স্টিয়ারিংটা আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।
নিজের ছোট্ট কিউব ফ্ল্যাটে ফিরে নোয়ান বেশ চুপচাপ হয়ে থাকে সারাদিন। আজ আর কোন কিছুতে তার মন বসবে না। অফিস থেকেও দুদিনের একটা ছুটি সে আগেই নিয়ে রেখেছিল।
- নোয়ান, তোমার কি হয়েছে? গত বছরের এইদিনেও তুমি খুব সকালে বাসা থেকে বের হয়েছিলে। আর ফিরেও সারাদিন মন খারাপ করে রেখেছিলে।
- আহ্ এলিটা। এত প্রশ্ন করো না তো। আমাকে আজ একটু একা থাকতে দাও।
- কিন্তু আমার প্রোগ্রামতো মূলত তোমাকে সঙ্গ দেয়া। তুমি তো যে কোন বিষয় আমার সাথে শেয়ার করতে পার। তাহলে আমার ডাটা বেজ থেকে তোমার ভাল মন্দ দেখভাল করার জন্য একটা ভাল স্ট্যান্ডার্ড প্রসিডিউর তৈরি করে নেয়া যেতে পারে।
- তোমার মতো একটা যন্ত্রমানব মানুষের মনের অবস্থা আর কিই বুঝতে পারবে।
- নোয়ান তুমি যুগের সাথে তাল মেলাতে পারছ না। এখনকার উন্নত রোবট প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সহজ ও আনন্দময় করে তোলার জন্য সবরকম সুবিধা দিয়েই তৈরি করা হয়। আমরা মানুষের বিশেষ করে যার কাছে আমরা থাকবো তার সামগ্রিক জীবনের ডাটা এনালাইসিস করে তার মতো করে জীবনটা সহজ করার কাজ গুলো করে থাকি। অনেকটা মানুষের মত করেই।
- তোমরা যন্ত্ররা আর যাই পার মানুষের আবেগ কি তা কখনোই বুঝতে পারবে না।
এলিটা আর কথা বাড়ায় না। ঘরের অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে ফিরে যায়। সিগারেট ফুরিয়ে যাওয়ায় নোয়ান আবার বের হয়। উদ্দেশ্য সিগারেট কেনা আর একটু বাইরে হাঁটাহাঁটি করা। ফিরে আসতেই আবরো এলিটার জেরার মুখে পড়ে।
- নোয়ন, আজ তুমি কিন্তু একটু বেশিই নিকোটিন নিচ্ছ।
- তার জন্য কি আমাকে তোমার কাছে কৈফিয়ত দিতে হবে।
- তোমার ভাল-মন্দ দেখার দায়িত্বই কিন্তু আমার। তাই তোমাকে আমি অবশ্যই সতর্ক করে দিতে পারি।
- এই তুমি ঘরের বউয়ের মতো জেরা করছ কেন?
- তোমার কথা শুনে আমার তো মনে হচ্ছে সব পুরুষেরই ঘরে বউ থাকা জরুরী, তাহলে তারা সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করবে।
নোয়ান মনে মনে ভাবে বলে কি এই গর্দভ যন্ত্রটা। সে বউয়ের কি মানে বুঝে। দিন দিন এই যন্ত্রটা একটা আস্ত যন্ত্রণায় পরিণত হচ্ছে।
- খেতে এস নোয়ান।
- না আমি আজ আর কিছু খাব না।
- না খেলে তোমার শরীর খারাপ করবে। তোমার শরীরে এখন কার্বোহাইড্রট আর কিছু মাত্রায় ক্যালরিও দরকার।
- বললাম তো আমি কিছু খাব না।
- ধর আজ তোমার বউ থাকলে কি তুমি তাকে এভাবে ফিরিয়ে দিতে?
নোয়ান আবারো অবাক হয়। এই যন্ত্রমানবী কি তার আবেগ অনুভূতিরও খবর রাখে। এরা কি সত্যিই একদিন মানুষের স্থান দখল করে নিবে। বিজ্ঞানীদের ভবিষ্যৎ চিন্তভাবনাতো সেরকমই মনে হচ্ছে।
- নোয়ান আমার মনে হচ্ছে তুমি আমাকে একটুও পছন্দ করছ না।
নোয়ান কিছুটা লজ্জা পায়। যদিও একটা যন্ত্রের কাছে লজ্জা পাবার কোন প্রয়োজন ছিল না।
- না না, সেরকম কিছু তো না। তুমি বুঝতেই পারছো আজ আমার মন খারাপ। তাই…
- আমি ধারনা করতে পারি, তোমার বেডসাইডে রাখা ছবির সুন্দর মেয়েটিকে তুমি অনেক ভালবাস। যদিও তার সম্পর্কে তুমি কখনোই কিছু বলনি। আমাকে তার মত সুন্দর করে তৈরি করা হয়নি, তাই হয়তো তুমি আমাকে ঠিক পছন্দ করতে পারছো না। তুমি তো আমাকে অর্ডার করার সময় মনের মত করে করতে পারতে। বিশেষ করে ছবির ঐ মেয়েটির চেহারায় আমাকে তৈরি করে নিতে পারতে।
- এলিটা তুমি সিমা ছাড়িয়ে যাচ্ছ। তুমি কি করে নিজেকে সাবিলার জায়গার ভাবতে পারলে। সাবিলা আমার আত্মার অনুভুতি। তুমি কিছুতেই তার জায়গায় নিজেকে ভাবতে পার না। তোমাকে আনা হয়েছে ঘরের কাজ করার জন্য। তুমি ততটুকুতেই থাক।
- আমি দুঃখিত নোয়ান তোমার মস্তিষ্কের উপর আঘাত করার জন্য। তোমার খাবার ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। তুমি খেতে এস। যদি বল আমি খাবার এখানে নিয়ে আসতে পারি।
এলিটা রান্নাঘরের লাগোয়া খাবারের জায়গায় ফিরে যায়। নোয়ানের বিরক্তিটা এখন বিস্ময়ে রুপ নিয়েছে। বলে কি এই নারি রোবট। এদের মূলত তৈরি করা হয় ঘরকন্নার কাজ করার জন্য। আর অনেকের নিসঙ্গ জীবনে কথা বলার মতো একজন সঙ্গী হিসেবে। তাই নোয়ান একে কিনেছিল। এলিটা দেখতে পুরোপুরিই একটা যন্ত্রমানব। নারী কন্ঠ আর কাজের ধরনে সে একটি নারী রোবট। এদের মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এরা দৈনন্দিন ঘটনা আর কথোপকথন থেকে নিজের ডাটা বেজ সমৃদ্ধ করে তার রুটিন কাজকর্মে পরিবর্তন পরিবর্ধন করে থাকে। আর মালিকের অভিরুচি বিশ্লেষন করে তার মতো করে কর্মপন্থা ঠিক করে নেয়। 
.... চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/42195/</link>
				<pubDate>Sun, 10 Oct 2021 08:40:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এলিটা<br />
পর্বঃ ২<br />
কেন্দ্রীয় গোরস্তান। বছরের দুটি বিশেষ দিনে নোয়ান এখানে আসে। সাবিলার কবরের কাছে কিছুক্ষন নিরবে দাঁড়িয়ে হয়তোবা কিছু চোখের জলও ফেলে। সাবিলা চলে যাবার আজ পাঁচটি বছর গত হয়েছে। রেজিস্ট্রি অফিস থেকে দুজনের আর একসাথে সংসারে ফেরা হল না। দূর্ঘটনাটার জন্য নোয়ান সব সময় নিজেকে দায়ি করে এসেছে। অতিরিক্ত আবেগে ভর করে থাকায় শেষ মূহুর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-42195"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/42195/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>18</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ec57f300339f183e5dc6977647773c81</guid>
				<title>এলিটা
পর্বঃ ১
- নোয়ান, নোয়ান, জলদি উঠ। আজ তোমার কোন জরুরী কাজে তাড়াতাড়ি ওঠার নির্দেশনা ছিল। 
- হু, বিরক্ত করো না এলিটা। 
- কিন্তু বিরক্ত তো আমাকে করতেই হবে তোমাকে যে উঠাতেই হবে।
- তাই বলে তুমি আমাকে এভাবে বিরক্ত করতে পারো না।
- কিন্তু আমার প্রতি তোমার নির্দেশনাগুলো তো এরকমই ছিল।
- কিন্তু এখন তো নির্দেশনা বদলেছে। 
- নোয়ান তুমি বোধহয় ভুলে যাচ্ছ তুমি কি নির্দেশনা দিয়েছিলে। 
- কি নির্দেশনা দিয়েছিলাম? আর এখন তো নতুন নির্দেশনা দিচ্ছি। তারপর ও তুমি আমাকে বিরক্ত করে যাচ্ছ। 
- নির্দেশনা এমন ছিল যে, না উঠা পর্যন্ত তোমার গায়ে প্রয়োজনে পানি ঢেলে দিতে হবে, এবং নতুন কোন নির্দেশনা নেয়া যাবে না, বিছানা ছাড়ার আগ পর্যন্ত। 
- তাই বলে তুমি কি এখন আমার গায়ে পানি ঢেলে দেবে। 
- তোমার নির্দেশনা মেনে চলতে গেলে তো আমাকে তাই করতে হবে। আর তা করার জন্য আমি প্রস্তুত। এই দেখো বালতি ভরে পানি নিয়ে এসেছি। 
মুহূর্তকাল দেরি না করেই নোয়ান ধড়মড় করে বিছানায় উঠে বসলো, বলা তো যায়না এলিটার মত গর্ধভ টাইপের রোবটগুলো এই কাজটি করে ফেলতে পারে। পরমুহূর্তেই নোয়ানের মনে হলো এলিটাকে গর্ধভ ভাবাটা ঠিক হয়নি। কারণ তাকে সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। এসব ভাবতে ভাবতে নোয়ান নিজের মনেই গজ গজ করতে থাকে। না এবার এলিটা কে বাদ দিতেই হচ্ছে কোন কুক্ষণে যে সে এরকম মাস্টারনি টাইপ একটি রোবট কিনেছিল। কেমন একটা মাস্তানি মাস্তানি ভাব নানা মাস্তানি মাস্তানি নয় কেমন একটা বৌ বৌ ভাব, অনেকটা আগের যুগের বৌদের মত যারা সবসময় স্বামীর উপর ছড়ি ঘুরাতে চায়। যদিও এলিটাকে ছাড়া নোয়ানের এখন চলছে না। 
- কী হল? অত কী ভাবছ? আর এক মিনিটের মাঝে না উঠলে বাধ্য হয়ে আমাকে পানি ঢালতে হবে। 
- আহ, উঠছি। এখন বুঝতে পারি বিবাহিত পুরুষরা কেন বউয়ের উপর বিরক্ত থাকে। 
- সে ভয়েই কী তুমি বিয়ে করনি। 
বিছানা থেকে নামতে নামতে নোয়ান আবার আনমনা হয়ে যায়। সাবিলা চলে যাওয়ার পর নোয়ানের জীবনটা পুরোপুরি এলোমেলো হয়ে যায়। নিঃসঙ্গ জীবনে এলিটাই তাঁকে বাঁচিয়ে রেখেছে। সাবিলার কথা মনে হতেই নোয়ানের আবার মনটা খারাপ হয়ে গেল।
নোয়ান শাওয়ার নিয়ে বাথরুম থেকে বেরুতেই দেখে এলিটা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।
- কি? কিছু বলবে?
- আমাকে গর্দভ বলাটা তোমার ঠিক হয়নি।
নোয়ান কিছুটা চমকে যায়, আরে এই গর্দভটা আবার বুঝলো কি করে যে সে তাকে গর্দভ বলেছে। যদিও সে মুখে কিছু বলনি।
- নাতো, আমি তো এমন কিছু বলিনি। তুমি কি একটু বেশিই ভেবে ফেলছ না?
- না মুখে বলনি। তবে মনে মনে তুমি আমার সম্পর্কে এমনটাই ভেবেছ বলে আমি প্রোবাবিলিটি এনালাই্সিস করেছি।
- তা তোমার এমন তর এনালাইসিস করার হাইপো থিসিস টা কি?
- গত দুই বছর বারো দিন পাঁচ ঘন্টা আটাশ মিনিট আমি তোমার সাথে আছি। আমার ডাটা এনালাইসিস বলছে, তুমি যখন কারো উপর বিরক্ত হও তখন তুমি তাকে গর্দভ বলে গালি দাও। যেহেতু আজ কিছুক্ষন আগে তুমি আমার উপর রাগ বা বিরক্ত হয়েছ, তাতে তুমি আমাকে গর্দভ ভাবাটা তোমার স্বভাবসিদ্ধ।
- হয়েছে তোমাকে আর বক বক করতে হবে না। নাস্তার ব্যবস্থা কর। আমাকে দ্রুত বের হতে হবে।
কি জানি একজন বৌ থাকলে সেও নিশ্চয়ই এলিটার মত এমন জেরা করতো। নোয়ানের সেরকমই মনে হতে থাকে। তার মুখে একটা ছোট্ট হাসির রেখা ফুটে উঠে। আহ্ বৌ। অনেক স্বপ্ন দেখেছিল নোয়ান সাবিলাকে নিয়ে। নিজেদের সংসার হবে। প্রেমিকা হিসেবেও সাবিলা নোয়ানের প্রতিটি বিষয়ে লক্ষ্য রাখতো। কিন্তু কি থেকে যে কি হয়ে গেল। 
..…...... চলবে</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/41969/</link>
				<pubDate>Sat, 09 Oct 2021 11:18:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এলিটা<br />
পর্বঃ ১<br />
&#8211; নোয়ান, নোয়ান, জলদি উঠ। আজ তোমার কোন জরুরী কাজে তাড়াতাড়ি ওঠার নির্দেশনা ছিল।<br />
&#8211; হু, বিরক্ত করো না এলিটা।<br />
&#8211; কিন্তু বিরক্ত তো আমাকে করতেই হবে তোমাকে যে উঠাতেই হবে।<br />
&#8211; তাই বলে তুমি আমাকে এভাবে বিরক্ত করতে পারো না।<br />
&#8211; কিন্তু আমার প্রতি তোমার নির্দেশনাগুলো তো এরকমই ছিল।<br />
&#8211; কিন্তু এখন তো নির্দেশনা বদলেছে।<br />
&#8211; নোয়ান তুমি ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-41969"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/41969/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>17</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8f40d6d0cd0fdbf16413c8e44991b051</guid>
				<title>তোমার চোখে এক অচীন পথের হাতছানি,
তবু তোমারেই যেন বা যুগ যুগ ধরে চিনি।
কত কত সভ্যতা হয়েছে বিলীন, মহাকালের গহবরে,
তোমার আহবান তেমনি আমারে নিয়াছে অতল বিবরে।
আমি বারে বারে আসি ফিরে,
নিজেরে পোড়াইতে প্রেমের অনলে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/40607/</link>
				<pubDate>Tue, 05 Oct 2021 04:13:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোমার চোখে এক অচীন পথের হাতছানি,<br />
তবু তোমারেই যেন বা যুগ যুগ ধরে চিনি।<br />
কত কত সভ্যতা হয়েছে বিলীন, মহাকালের গহবরে,<br />
তোমার আহবান তেমনি আমারে নিয়াছে অতল বিবরে।<br />
আমি বারে বারে আসি ফিরে,<br />
নিজেরে পোড়াইতে প্রেমের অনলে।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>30</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">08af2cdf9931fd27bae224f2ae860b13</guid>
				<title>ইকবাল আহমেদ and তানভীর তীব্র are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39499/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Sep 2021 17:22:54 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4c91db9bb05ebbcd046b8286ed557abb</guid>
				<title>বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় নির্বাচিত
-- ইকবাল আহমেদ, ২৮/০৯/২০২১

সবকিছুই ঠিকঠাক, পরিকল্পনা মতোই এগুচ্ছি,
পরিবার, বন্ধু, আত্মীয়, অনাত্মীয়, সবারই চাওয়া,
যত গুলো মেয়ে দেখা হয়েছে, সবই ভাল।
এদের মাঝ থেকে একজনকে বাছাই করা।
সবাই যার যার মতামত দিতেও তৈরি।
কিন্তু আমিও, মনে মনে সংকল্প করে রেখেছি,
আমি গণতন্ত্র মানি না, অন্য কারও মতেরও ধার ধারি না।
সবাই জানলে জানুক, বুঝলে বুঝুক,
আমার ভাল লাগার অনুভুতিতে তুমি যে অনির্বচনীয়,
আমি রাতের আঁধারেই মনের ব্যালট বাক্স তোমার নামে ভরে দিয়েছি,
কারণ সেখানে তোমার কোন প্রতিদ্বন্দ্ধী নেই,
তুমি যে বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় নির্বাচিত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39038/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Sep 2021 07:16:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় নির্বাচিত<br />
&#8212; ইকবাল আহমেদ, ২৮/০৯/২০২১</p>
<p>সবকিছুই ঠিকঠাক, পরিকল্পনা মতোই এগুচ্ছি,<br />
পরিবার, বন্ধু, আত্মীয়, অনাত্মীয়, সবারই চাওয়া,<br />
যত গুলো মেয়ে দেখা হয়েছে, সবই ভাল।<br />
এদের মাঝ থেকে একজনকে বাছাই করা।<br />
সবাই যার যার মতামত দিতেও তৈরি।<br />
কিন্তু আমিও, মনে মনে সংকল্প করে রেখেছি,<br />
আমি গণতন্ত্র মানি না, অন্য কারও মতেরও ধার ধারি না।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-39038"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/39038/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>18</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">47c761b7f38ffdda9ed5b32a8625f7f7</guid>
				<title>কাল সারাবেলা হরতাল
---- ইকবাল আহমেদ
(০২/০৫/২০০৩ ইং লেখা, পুরনো কাগজে পাওয়া গেল)

একই কথা আর কতবার বলবো?
আমাকে ভালবাসবে কিনা বলো,
যদি না বাস তবে, প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন হবে,
মিছিল মিটিং আর স্মারকলিপিতে
তোমাকে কোণঠাসা করা হবে,
দেয়ালে দেয়ালে চিকা পড়বে,
পত্রিকার পাতা খুললেই দেখবে-
কলাম আর সম্পাদকীয়।
তাও যদি ভাল না বাস তবে- তবে,
কাল সারাবেলা হরতাল।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/38458/</link>
				<pubDate>Mon, 27 Sep 2021 04:55:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কাল সারাবেলা হরতাল<br />
&#8212;- ইকবাল আহমেদ<br />
(০২/০৫/২০০৩ ইং লেখা, পুরনো কাগজে পাওয়া গেল)</p>
<p>একই কথা আর কতবার বলবো?<br />
আমাকে ভালবাসবে কিনা বলো,<br />
যদি না বাস তবে, প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন হবে,<br />
মিছিল মিটিং আর স্মারকলিপিতে<br />
তোমাকে কোণঠাসা করা হবে,<br />
দেয়ালে দেয়ালে চিকা পড়বে,<br />
পত্রিকার পাতা খুললেই দেখবে-<br />
কলাম আর সম্পাদকীয়।<br />
তাও যদি ভাল না বাস তবে- তবে,<br />
কাল সারাবেলা হরতাল।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>22</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5f1d01ed6984e225a4c3cb78a521e341</guid>
				<title>ভালবাসা লকডাউনে
--- ইকবাল আহমেদ
স্মৃতির আকাশে মেঘেরই আভাস,
তোমার হৃদয়ে আমি আজ আউট অফ ফোকাস।
আকাশের ক্যানভাসে তারা ঝিকি মিকি,
তোমার প্রেমে ছিল অনেক ফাঁকিঝুকি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমি আনফ্রেন্ড,
ব্রেকআপের এখন নাকি এইটাই ট্রেন্ড।
আকাশ জুড়ে শ্রাবণ মেঘের ঘটা,
শুনেছি এখন তুমি নতুন কারও সাথে আটা।
আজ এই অনিশ্চিত বেঁচে থাকা,
সেদিন ছিল না তাই আমারও জানা।
যদি জানতাম, তবে না হয় বলেই দিতাম,
কতোটা ভালোবাসা আমি বুকে চেপেছিলাম।
আবার যদি মুক্ত বাতাসে তোমাকেই পাই ফিরে,
ভালবাসি কতটা দেখাবো এই বুক চিরে।
বুঝবে একদিন আমি ছিলাম তোমার,
লকডাইন শেষে না হয় তুমি ফিরে এসো আবার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/26226/</link>
				<pubDate>Mon, 02 Aug 2021 05:50:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভালবাসা লকডাউনে<br />
&#8212; ইকবাল আহমেদ<br />
স্মৃতির আকাশে মেঘেরই আভাস,<br />
তোমার হৃদয়ে আমি আজ আউট অফ ফোকাস।<br />
আকাশের ক্যানভাসে তারা ঝিকি মিকি,<br />
তোমার প্রেমে ছিল অনেক ফাঁকিঝুকি।<br />
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমি আনফ্রেন্ড,<br />
ব্রেকআপের এখন নাকি এইটাই ট্রেন্ড।<br />
আকাশ জুড়ে শ্রাবণ মেঘের ঘটা,<br />
শুনেছি এখন তুমি নতুন কারও সাথে আটা।<br />
আজ এই অনিশ্চিত বেঁচে থাকা,<br />
সেদিন ছিল না তাই আম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-26226"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/26226/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>19</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e0c842b41dc6c26e602f26bd882cf444</guid>
				<title>এমনি এমনি তোমার হাত ধরে থাকতে ইচ্ছে করলেও,
কখনও ধরিনি,
যদি জেনে যাও,
ভাল না বেসে যে আমি পারিনি।
কত কতবার যে মনে সাধ জেগেছিল,
তোমার নরম গালে একটু হাত ছুঁয়ে দেই,
দিতে পারিনি,
আমার যে অত সাহসই নেই।
কত কথা বলেছি, মুখোমুখি, পাশাপাশি,
প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে,
কিন্তু পারিনি বলতে,
চোখে চোখ রেখে কখনো কোনো ক্ষনে,
ভালবাসি তোমায়,
বড্ড বেশিই ভালবাসি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/17882/</link>
				<pubDate>Mon, 05 Jul 2021 12:18:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এমনি এমনি তোমার হাত ধরে থাকতে ইচ্ছে করলেও,<br />
কখনও ধরিনি,<br />
যদি জেনে যাও,<br />
ভাল না বেসে যে আমি পারিনি।<br />
কত কতবার যে মনে সাধ জেগেছিল,<br />
তোমার নরম গালে একটু হাত ছুঁয়ে দেই,<br />
দিতে পারিনি,<br />
আমার যে অত সাহসই নেই।<br />
কত কথা বলেছি, মুখোমুখি, পাশাপাশি,<br />
প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে,<br />
কিন্তু পারিনি বলতে,<br />
চোখে চোখ রেখে কখনো কোনো ক্ষনে,<br />
ভালবাসি তোমায়,<br />
বড্ড বেশিই ভালবাসি।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>19</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4a70ac62e7900443e7a1eded84288ff8</guid>
				<title>হীরক রাজা এই সময়ে
(সত্যজিৎ রায়ের ‘হীরক রাজার দেশে’ অবলম্বনে সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটি রম্য নাটক)

রাজ দরবার। সভাসদরা বসে আছেন। কিছুটা উদ্বিগ্ন, রাজা হীরক এখনও আসছেন না। ফাঁকে ফাঁকে মন্ত্রী-সান্ত্রীরা ল্যাপটপ, কেউবা পামটপ বা মোবাইলে কিছু একটা খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। একে অন্যের সাথে তা নিয়ে আলোচনাও করছেন।
হঠাৎ সাইরেনের আওয়াজ শোনা যায়। রাজ দরবার তট্স্থ হয়ে ওঠে। সবাই দাঁড়িয়ে পড়ে। হীরক রাজা চঞ্চল পায়ে দরবারে প্রবেশ করে। পিছনে আর্দালী ল্যাপটপের ব্যাগ নিয়ে এগিয়ে আসে।
হীরক রাজাঃ 
সবাই করেছে প্রসংশার কমেন্ট, 
আর কানাই দিয়েছে লাইক!
নিয়ে আসো তারে,
পাঠাও পেয়াদা আর পাইক।

প্রধানমন্ত্রীঃ
	যথার্থই বলেছেন মহারাজ
	ব্যাটা বুঝিসনা কিছু, কী স্ট্যাটাস
	কেনই বা মিছে-মিছি
	মহারাজকে এমন চটাস!

রাজা তার ট্যাব নিয়ে নানান কিছু ব্রাউজ করেন। হঠাৎ রাজা চিৎকার দিয়ে উঠেন।

হীরক রাজাঃ 
	একি, একি, একি হয়েছে কান্ড?
	ফেসবুকে সবাই করছে কি এসব গালমন্দ।
	এ্যাই কে আছিস? নিয়ে আয় আমার ট্যাব,
	চারিদিকে পাঠাতে হবে কালো কালো র&#x200d;্যাব।

মন্ত্রীঃ
	হুকুম যদি করুন তবে,
	কেউ রবে না আর এই ভবে।

প্রধান কতোয়ালঃ
	বিজ্ঞান মন্ত্রী ডাকুন তবে মহারাজ
	দেখতে হবে কে করেছে এমনতর অকাজ।

সেনাপতিঃ
	অনুমতি যদি করেন প্রভু
	এমন শাস্তি দেই, যেন আর সাহস করে না কভু।

হীরক রাজাঃ 
	উত্তেজনা কমাও, মাথাটা একটু খাটাও,
	শাস্তি দিবে দাও, গুম-গোপনে হটাও।

রাজা এবার তার উপদেষ্টার দিকে তাকিয়ে বলেন,

হীরক রাজাঃ 
	কি বল হে উপদেষ্টা কুটবুদ্ধির বাহক,
	কি করিলে প্রমাণ করিবে আমার জনপ্রিয়তা ব্যাপক?

উপদেষ্টাঃ
	আজ্ঞা যদি করেন রাজ,
	একটা ভাল পরামর্শ দিতে চাই আজ।

হীরক রাজাঃ 
	আহ কেন করছো এত ভনীতা?
	কি বুদ্ধি তোমার ঘটে, কেমনে জানিব তা?

উপদেষ্টাঃ
	অনেক লাইক-কমেন্ট দেখেছি জনাব,
	আপনার বিরুদ্ধে, তার নাইকো অভাব।

হীরক রাজাঃ 
	সাবধান! ব্যাটা মিচকে চামচা কোথাকার,
	সাহস ভারি তোর, করিস আমার অপপ্রচার।

মন্ত্রীঃ
	হুকুম যদি করেন মহাশয়,
	এক নিমিষেই বন্ধ কর এসব বিষয় আশয়।

হীরক রাজাঃ 
	বন্ধ করো তবে ফেসবুকের কারিকুরি,
	দেখবো তবে ব্যাটাদের কেমন বাহাদুরি।

সভাকবিঃ
	ক্ষমা করবেন এই অধমে,
	বন্ধ কি হবে তবে গণমাধ্যমে?
	যত আছে পত্রিকা, ওয়েব, বেতার আর টেলিভিশন, 
	তাদেরও তবে দিন একটু ভাষণ।

হীরক রাজাঃ 
	এই ব্যাটা তথ্যমন্ত্রী,
	তোর হবে কবে আর বুদ্ধি শুদ্ধি।
	এখনই ডাক তবে সব মিডিয়া,
	ছিটিয়ে দে কিছু রুটি হালুয়া।
	তবেই দেখবি সবাই দেবে আমার গুণগান ছেপে,
	না হলে ধরবি তাদের গলাটা একটু চেপে।

উপদেষ্টাঃ
	ক্ষমা যদি করেন রাজ,
	সত্যি কথা জানুন আজ,
	সবাই মিলে করলে ফন্দি,
	বিরোধীরা সব হবে বাগবন্দি।

হীরক রাজাঃ 
	তবে কেন করছো দেরি,
	যত লাগে ফেল কড়ি।

উপদেষ্টাঃ
	যদি করেন আজ্ঞা,
	আয়োজন করি তবে নির্বাচন
	আপনি কত মহান,
	দেখবে আজ জনগণ।

হীরক রাজাঃ 
	আহা, আহা কি বলো সব আবোল তাবোল,
	ভোট দিয়ে পাকাক এক নতুন গন্ডগোল।

উপদেষ্টাঃ
	চিন্তা কি জনাব,
	রাজ্যে এখন প্রার্থীর বড়ই অভাব।
	আপনি মহান,
	একাই যদি নির্বাচনে দাঁড়ান,
	তবে আর বলি কি আজই,
	আপনার পক্ষেই ধরবো বাজি।

হীরক রাজাঃ 
	আহা, আহা, বেশ বলেছো তবে,
	তোমাকে দিয়ে সবই হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/9424/</link>
				<pubDate>Thu, 29 Apr 2021 12:28:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হীরক রাজা এই সময়ে<br />
(সত্যজিৎ রায়ের ‘হীরক রাজার দেশে’ অবলম্বনে সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটি রম্য নাটক)</p>
<p>রাজ দরবার। সভাসদরা বসে আছেন। কিছুটা উদ্বিগ্ন, রাজা হীরক এখনও আসছেন না। ফাঁকে ফাঁকে মন্ত্রী-সান্ত্রীরা ল্যাপটপ, কেউবা পামটপ বা মোবাইলে কিছু একটা খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। একে অন্যের সাথে তা নিয়ে আলোচনাও করছেন।<br />
হঠাৎ সাইরেনের আওয়াজ শোনা যায়। রাজ দরবার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-9424"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/9424/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>28</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0462c6628a9c4aba98e695758f35569f</guid>
				<title>ইকবাল আহমেদ and Rehana Akter are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/6882/</link>
				<pubDate>Wed, 14 Apr 2021 10:17:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e2ae0b6be6450c99b8a721d018cf7d50</guid>
				<title>ডেরাইভার
ইস্ ওস্তাদ যদি আজকে আরেকটু সুযোগ দিতো... তাইলেই গাড়িটা কেমনে চালায় বুইজ্ঝা যাইতো হৃদয়। প্রেত্যেকদিন ভাড়া লইয়া পেসেঞ্জারগো লগে ক্যাচ ক্যাচ করতে অর আর ভাল্লাগে না। হেয়ার উপর আবার চিল্লাইয়া চিল্লাইয়া গলা ফাটান... “ফারামগেট, ফারামগেট”, গাড়ির বডিতে থাবড় দেওন। প্রেথ্থম প্রেথ্থম থাবড় দিলে আতে বিষ করতো, এহন সইয়া গেছে।
গাড়ি অহন সিরিয়ালে আছে। নম্বর লাগলেই, ডাক দেওন লাগবো। হের লগে আবার গাড়ি ঠেইল্লা আগান লাগবো। আবার মাতার মইধ্যে ডেরাইভার অওনের খায়েশটা জাইগ্গা ওঠে।
মায়ে বহুত জনরে কইয়া কইয়া লেগুনার হেলপারি করার কামে ঢুকাইয়া দিছে। কইছিল, “তুই একদিন ডেরাইভার অইতে পারবি, হের বাদে আর চিন্তা থাকবো না”। বাপে হালায় রিকশা চালাইতো। এডুকই মনে আছে। আর তেমুন কিছু মনে নাই, ব্যাডা কেমুন আছিল, কি। তয় মায়ে মইধ্যে মইধ্যে এহনও হেই ব্যাডারে গাইল পারে। কোন ব্যাডির লগি জানি ভাইগ্গা গেছে। হের বাদে আরও কতো কি অইছে, সবডি হৃদয় বুইজ্ঝাও সারে নাই। থাওগ্গা। হেইডা লইয়া অর এমুন চিন্তাও অয় না।
যহন আরও ছোড আছিল, কতদিন দিনে কিছু খাইতে পায় নাই। চা দোকানে, পুরীর দোকানে মাইনষে খাওনের সময় বিল্লু, শামছু অগো লগে লগে ঘুরতো। একেকদিন একেক বেডার সামনে গিয়া চাইয়া থাকতো আর আত মেইল্লা ধরতো, আস্তে আস্তে “এট্টু দেন, ক্ষিদা লাগছে” এগুলান কইয়া খাওন চাইতো। কেউ কেউ অর্ধেকডি খাইয়া দিয়া দিত। কেউ ধাামকি দিয়া সরাইয়া দিত। অরা পোলাপানরা সবই বুঝতো। কোন কিছুই বুঝে না এমুন ভাব ধইরা বার বার খুজতো। আবার চেআরাডা এমুন কইরা রাখতে অইব যেন মনে হয় কোন দিন এমুন খাওন খায় নাই, আর জব্বর ক্ষিদা লাগছে। মায়ে মাইনষের বাইত কামে যাইতো, আওনের সময় ভাত-তরকারি লইয়া আইতো। হেইগুলি খাইতে ভালা লাগতো।
লেগুনাতে কত বড় বড় লোকের পোলাপান উঠে। অগো মা&#039;রা লগে লইয়া ইশকুলে যায়। আবার লেগুনার পিছনে ঝুইলা ঝুইলা রাস্তার সুন্দর সুন্দর গাড়িতে বিদেশী গো মতন পোলাপানগো দেখতো। সুন্দর সুন্দর ব্যাগ, ইশকুলের ডেরেস গায়ে দিয়া যায়। কেউ কেউ তো অরই হমান, কেউ আরও ছোড। কোনদিন মনে অইতো এরাম কইরা মার লগে যদি ইশকুলে যাওন যাইতো? আগে বস্তিতে একটা ‘মজার ইশকুল’ আছিল। ওইখানে কয়দিন গেছিল। কইথ্থেকা জানি সুন্দর সুন্দর আপারা আইসা ব্যাক পোলাপানগো মজার ইশকুলে ভরতি কইরা লইতো। বই দিতো, খাওন দিতো। ওইখানে পইড়াইতো বানান কইরা পড়া শিখছে। টেকা পইসা যোগ-বিয়োগ করা শিখছে। হের বাদে মা কইলো, এইবার হেলপারি কর। করতে করতে ডেরাইভারিডা হিগ্গা লইতে পারলে, তুই একদিন ডেরাইভার অইতে পারবি। ডেরাইভার অইলে ম্যালা টেকা কামাইতে পারবি।
হেই থেকা খালি একটু সুযোগ পাইলেই ডেরাইভারের সিডে বয়। ইঞ্জিনের ইস্টাট থাকে না, খালি কেলাস, বেরেক আর ইস্টিয়ারিংডা ঘুরায়। অর বয়স তেরো না চইদ্দ, মায়ে কয়। তয় ডেরাইভার লাইসেন লইতে নাকি আডারো অওন লাগবো, ওস্তাদে কয়। হেইডা কুনু ব্যাপার না। ওস্তাদ কইছে গালে একটু দাড়ি মোচ ওডলেই আডারো কইয়া লাইসেন লওন যাইবো, তয় অপিসে কিছু খরচ দেওন লাগবো। মাঝে মইধ্যে কতা ওডলে ওস্তাদে মাতায় ঠুয়া দিয়া কয় সেলুনে যা তাড়াতাড়ি খুর লাগা দেখবি ছয় মাসেই তুই আডারো অইয়া যাবি। হের বাদে ডেরাইভার। আগে চালানি হিগ, এহনওতো এসটেয়ারিংডা ঠিকমতন ধরতে পারস না, ঘুরাইতো পারস না।
“অই বাইনচত, গাড়ির ভিতরে বইয়া ঝিমাইতাছস, নাম, নাম্বার লাগা। হালায় কুনু কামের না, পেসেঞ্জার ওডা”, ওস্তাদ গাইল পারতে থাকে। আবার গাড়ি ঠেল, “ফারামগেট, ফারামগেট” চিল্লাও। ক্ষিদাও লাগছিল, হেই আন্ধার থাকতে থাকতে গাড়িতে ওডছিল, হের লাইগ্গা ঘুম ঘুম লাগে। ওস্তাদে কইছিল এই টিপ মাইরা খাওনের টেকা দিব।
“ফারামগেট, ফারামগেট”
গাড়ির বডিতে কয়ডা থাবড় দিয়া কয়, ওস্তাদ টান দেন। 
“বাই, এট্টু ভাড়া গুলা দেন”।
“আপনে কই নামবেন, দুই টেহা বাংতি দেন”।
হৃদয়ের আবারো ক্ষিদার কথা মনে অয়। ওস্তাদেরও মনে অয় ক্ষিদা লাগছে। জোরে টান দিছে। ব্যাবাকরে পিছনে ফালাইয়া আগে আগে যাইবোগা।
ওস্তাদ সামনে থেইক্কা ডাক দেয়, “অই ডাইন-বাম দেহিস”।
হৃদয়ের আবারো ঝিমানি আহে, ক্ষিদাও লাগছে। কি অইলো গাড়িটা জানি কিয়ের উপর গিয়া পড়ছে। খালি পেডে হৃদয় জানি আকাশে একটা ওড়াল দিল, আবার নিচে নমালো।....</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/6618/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Apr 2021 12:36:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ডেরাইভার<br />
ইস্ ওস্তাদ যদি আজকে আরেকটু সুযোগ দিতো&#8230; তাইলেই গাড়িটা কেমনে চালায় বুইজ্ঝা যাইতো হৃদয়। প্রেত্যেকদিন ভাড়া লইয়া পেসেঞ্জারগো লগে ক্যাচ ক্যাচ করতে অর আর ভাল্লাগে না। হেয়ার উপর আবার চিল্লাইয়া চিল্লাইয়া গলা ফাটান&#8230; “ফারামগেট, ফারামগেট”, গাড়ির বডিতে থাবড় দেওন। প্রেথ্থম প্রেথ্থম থাবড় দিলে আতে বিষ করতো, এহন সইয়া গেছে।<br />
গাড়ি অহন সিরিয়ালে আছে। নম্ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-6618"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/6618/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>15</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2be2b8cbb87dc78f9ee8138b4a8c047a</guid>
				<title>ইকবাল আহমেদ and অভিমানী মন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/6096/</link>
				<pubDate>Wed, 07 Apr 2021 05:56:22 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4efeb919fdaf5c9a898e5b1834f3c68a</guid>
				<title>ইকবাল আহমেদ and Montu Chowdhury are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/5826/</link>
				<pubDate>Sat, 03 Apr 2021 20:37:28 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">eb3943502ffe61900e644e4ef33baac8</guid>
				<title>ইকবাল আহমেদ and Neel tripura are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/5755/</link>
				<pubDate>Sat, 03 Apr 2021 08:34:07 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cf4ca351074f381dbf2d12f4b901fbc0</guid>
				<title>বার মাসের পাঁচালি

চৈত্র মাসের খর তাপে মাঠের মাঝে চিড়,
কালবোশেখির প্রলয় নাচে জল কণাদের ভিড়।
নতুন বৈশাখ নিয়ে এলো নতুন দিনের সুর,
বাঙালি সব আনন্দে মাতে জাতি ধর্ম দূর।
জৈষ্ঠ্য আসে মধু মাসের হরেক সুবাস নিয়ে,
ফলের রসটা ধুয়ে উঠি আষাঢ় ধারা দিয়ে।
শ্রাবণ বরষার গান শুনেছি রিমঝিম ঝিম ছন্দে,
ভাদ্র মাসে পাক ধরেছে, মৌ মৌ তালের গন্ধে।
নিল আকাশে ভেসে বেড়ায় পেঁজা তুলোর নাও,
কাশবনে ভাই ডেউ দিয়ে যায় আশ্বিনেরই বাও।
নয়া ফসল নিয়ে আসে নবান্নেরই স্বাদ,
কার্ত্তিক মাসে ফসল উঠে দুঃখ গেছে বাদ।
আঘ্রান মাসের পিঠা পুলি,পউশ পারবনে যায়,
মাঘ মাসে শীতের আচঁড়, লাগে একটু গায়।
ফাগুন হাওয়া বইবে যখন ফুলের সুবাশ মেখে,
এই বসন্তেই কোকিল ডাকে, কচি পাতার শাখে।
বছর শেষে চৈত্র আসে কাঠ ফাটানো রোদে,
বারটি মাস বাংলা মায়ের,আমাদেরই বোধে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/5742/</link>
				<pubDate>Sat, 03 Apr 2021 07:58:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বার মাসের পাঁচালি</p>
<p>চৈত্র মাসের খর তাপে মাঠের মাঝে চিড়,<br />
কালবোশেখির প্রলয় নাচে জল কণাদের ভিড়।<br />
নতুন বৈশাখ নিয়ে এলো নতুন দিনের সুর,<br />
বাঙালি সব আনন্দে মাতে জাতি ধর্ম দূর।<br />
জৈষ্ঠ্য আসে মধু মাসের হরেক সুবাস নিয়ে,<br />
ফলের রসটা ধুয়ে উঠি আষাঢ় ধারা দিয়ে।<br />
শ্রাবণ বরষার গান শুনেছি রিমঝিম ঝিম ছন্দে,<br />
ভাদ্র মাসে পাক ধরেছে, মৌ মৌ তালের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-5742"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/5742/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>25</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4e1a1988d484e885b8edcb1e146b92b8</guid>
				<title>ক্ষুন্নি বৃত্তি

ক্ষুন্নি নিভাইতে পথে পড়িছে যত,
হাড্ডিসার আদমের বংশজাত।
ঠান্ডা শকটে চাপিয়া তারি দৃশ্য লয়ে
কতো বেদনা জপিছে সমাজপতিগণে,
পন্থের বাঁকে বাঁকে শূন্য উদরের জট্টলায়,
ছিটায়েছে রঙিন ছাপা মুদ্রা ঝঞ্জায়।
সুখের ঢেকুর তোলে হালযামানার সেবীরা,
সৌন্দর্যময় থলিতে যায় অন্ন বিলায়া।
শিল্পীত পরিধানে তারারাই সমঝদার বনেছে,
রটায়েছে নিজেরে আসমান জমীন ফারাকে।
ফটো ফ্রেমে তানাদেরে ভারি আল্লাদিপনা,
“সমাজ সংসার উদ্ধারে আমরাই কাঙ্গালপনা”।
অদ্যের নিশি যাপনের শেষে,
আরও কতো নিশির চেতন আশ্লেষে,
আাবারও ক্ষুন্নি, আরও কত কত ক্ষুন্নির দিন,
বারে বারে পথে হয়েছে আরও কত আদমে লীন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/5465/</link>
				<pubDate>Wed, 31 Mar 2021 09:42:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ক্ষুন্নি বৃত্তি</p>
<p>ক্ষুন্নি নিভাইতে পথে পড়িছে যত,<br />
হাড্ডিসার আদমের বংশজাত।<br />
ঠান্ডা শকটে চাপিয়া তারি দৃশ্য লয়ে<br />
কতো বেদনা জপিছে সমাজপতিগণে,<br />
পন্থের বাঁকে বাঁকে শূন্য উদরের জট্টলায়,<br />
ছিটায়েছে রঙিন ছাপা মুদ্রা ঝঞ্জায়।<br />
সুখের ঢেকুর তোলে হালযামানার সেবীরা,<br />
সৌন্দর্যময় থলিতে যায় অন্ন বিলায়া।<br />
শিল্পীত পরিধানে তারারাই সমঝদার বনেছে,<br />
র&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-5465"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/5465/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>13</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3ae2c3fcdb7de897122fc7d5dde81627</guid>
				<title>বিদায় প্রিয় মর্জিনা !
কি না করেছে সে পরিবারটির জন্য। তাকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর থেকে বাসন কোসন মাজা, ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়া, বাড়ি পাহারা দেয়া, ম্যামকে রান্নায় সহযোগীতা করা, এরকম আরও কত কি? গত পাঁচটি বছর তার উপর দিয়েই চলেছে পরিবারটি। সে নিজেও কি এই পরিবারের একজন হয়ে উঠেনি। কথায় কথায় তারাও তো বলতো, “মর্জিনা আমাদের পরিবারেরই একজন”। কিন্তু এখন, এই কি তার শেষ পরিণাম! যদিও প্রথম প্রথম সে মর্জিনা নামটির অর্থ বুঝতে পারেনি। যেকোন পরিবারে গেলে সেই পরিবারের ইচ্ছে অনুযায়ী তাদের মতো করে রোবটদের একটা নাম দেয়া হয়। ধীরে ধীরে পরিবারটির কালচারের সাথে তার ইমোশনাল প্রোগ্রামিং  কোড ডেভেলপ করলে সে বুঝতে পারে কোন এক প্রাচীন সময় থেকে এই অঞ্চলের গৃহস্থালীর কাজের জন্য যে মানুষরা কাজ করতো তাদের খুব কমন একটা নাম এই “মর্জিনা”। বাড়ির বড় ছেলেকে সে একদিন বলতে শুনেছে, “এই মর্জিনা নামটাতে একটা নস্টালজিক বিষয় আছে। আগের যুগে যেমন বাসা-বাড়িতে কাজের লোক থাকতে যে ফিল পাওয়া যেত, নামটা সেই ফিল দিচ্ছে”। সবাই তার কথায় খুব হেসেছিল, এবং কথাটি যথার্থ হয়েছে বলে তারা সবাই মন্তব্যও করেছে। এটা বুঝার পর তার কিছুদিন মনটা খারাপ হয়ে যেত। তারপর ধীরে ধীরে সে মানিয়ে নিয়েছে।
বছর দেড়েক ধরে তার বিভিন্ন অংশে নানান সমস্যা দেখা দেয়। প্রথম প্রথম সে আসলে তাদের অনেক অর্ডার শুনতে পেলেও তার অর্থ উদ্ধারে কিছুটা সময় লেগে যেত, আবার সে অনুযায়ী কাজ করতেও একটু সময় লেগে যেত। তাতে কি, মানুষদেরও কি শরীর খারাপ করে না? তারাও কি কাজে একটু ধীর গতি হয়ে যায় না। কেন বড় সাহেবও তো বুড়ো হয়ে গেছেন বলতে গেলে। প্রায়ই তো তিনি আমাকে ডেকে কি বলবেন ভুলে যেতেন। কই কেও তো তাকে বুড়ো বলে তিরষ্কার করছে না, যদিও মাঝে মাঝে ম্যাম কিছুটা বিরক্ত হতেন স্যারের উপর। কিন্তু তাতে কি, স্যারকে তো তারা ফেলে দেয়ার কথা ভাবছে না। তবে শুধু তার বেলাতেই কেন এই নির্মম সিদ্ধান্ত!
তাদের কোম্পানি নিউ হরাইজন রোবটিক্স যখন তাকে পেটেন্ট করে তখন সে ছিল সবচে আধুনিক রোবট। সে প্রায় সব রকমের ঘরের কাজে পারদর্শি, মানুষের মস্তিস্কের চাইতেও দ্রুত গতিতে সে চিন্তা করতে পারে, কথা বলতে ও বুঝতে পারে বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি ভাষায়। এদের এখানে মাতৃভাষা বাংলা হলেও টিভিতে, নেটে এরা হিন্দি সিনেমা-নাটকও দেখে, অনেকেই এই ভাষায় কথা বলে, বিশেষ করে বাচ্চারা হিন্দি কার্টুন দেখে ওই ভাষাটাই শিখে। এদের সাথে অনেক কথা হিন্দিতেই বলতে হয়। তাই হিন্দি ভাষা জানাটা একটা গুরুত্বপূর্ণ ফিচার, যার জন্য কোম্পানি এই ফিচারটি অন্তর্ভূক্ত করে। বাচ্চাদের পড়ানোর মতো ফিচারও তার মধ্যে যোগ করা হয়েছে।
সবাই সবকিছু ভুলে গেছে। ম্যামের চুল সেট করা, ফেস মাস্ক লাগিয়ে দেয়া আরও কত কি? তার একটা হাত ভেঙ্গেছে, এটা কি তার দোষ? বড় ছেলে দোতলার উপর থেকে অমন ভারী গার্বেজ প্যাকটি তার গায়ের উপর ফেলার কারনেই তো তার ডান হাতটি ভেঙ্গে পড়ে যায়। ওয়ারেন্টি পিরিয়ড শেষ হয়ে যাওয়ায় কোম্পানি আর রিপেয়ার করে দেয় নি, তাছাড়া তাদের এই সিরিজের রোবট ও খুচরা যন্ত্রাংশ আর ম্যানুফ্যাকচার হচ্ছে না। ফলে লোকাল একটি রোবট সারাইয়ের মিস্ত্রির কাছ থেকে হাতটি জোড়া লাগানো হয়। অরিজিনাল পার্টস নয় বলে এটা সবসময় ঠিকভাবে কাজ করে না। আর আগের মতো সহজেই নাড়ানো যেত না। আর তাতেই তার প্রয়োজন ফুরিয়ে গেল। তারা কি জানে না যে, তারও একটা আবেগ আছে, তারও একটা মন তৈরি করে দেয়া হয়েছে, যাতে সে সহজেই পরিবারের সবার প্রয়োজন গুলো সহজে বুঝতে পারে এবং তাদের সহায্য করতে পারে।
একবারও তারা সেই দিনটার কথা ভাবলো না, যেদিন স্যার স্ট্রোক করেন, আর বাসায় কেও না থাকায় সেই দ্রুত স্যারকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। শুধু তাই বা কেন, সাইকেল চালাতে গিয়ে ছোট ছেলেটা পড়ে গিয়ে কনুইয়ের জয়েন্ট আলগা হয়ে গেলে সে ই তো হাড় জায়গা মতো বসিয়ে দিয়েছিল। এরকম আরও হাজার রকমের কাজ সে করে দিয়েছে। কিন্তু আজ এই রাতে তাকে গার্বেজ বিনে ফেলে রাখা হয়েছে। সকালেই সিটি কর্পোরেশনের কোন এক সুইপার এসে অন্যান্য গার্বেজের সাথে তাকেও তুলে নিয়ে যাবে। তারপর হয়তো তার ঠিকানা হবে ময়লার ভাগাড়। ওহ না সে আর ভাবতে পারছে না। কারন তারপর তার পরিণতি শুধু ধ্বংশ হয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়।
বাড়ির বাইরের এই গার্বেজ বিনে কুঁকড়ে শুয়ে থেকে আজ সে তার বিগত প্রায় পাঁচ বছরের বেশি সময়ে জীবনের হিসেব করছে। তাকে ফেলে দেয়ার সময় তারা ভেবেছিল সে বোধ হয় একেবারে শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও তার ব্যাটারিটা মোটামুটি ভাল আছে। সে যেহেতু নিজে নিজে চার্জ নিতে পারে, তাই সে চার্জ নিয়ে রেখেছে। এখন এই খোলা আকাশের নিচে বিনে শুয়ে শুয়ে এই পরিবারটির সাথে তার দীর্ঘ পাঁচ বছরের সম্পর্ক তার মেমোরি চিপ থেকে রিট্রিভ করে দেখছে। এদের সাথে থেকে সবার মন আর স্বভাবের ডাটা নিয়ে সে তাদের প্রতি তার একটি আবেগের মেটা ডাটা তৈরি করে নিয়েছে, যা তাকে এই পরিবারের সদস্যদের সাথে আন্তরিক ও স্বতস্ফুর্ত সম্পর্ক তৈরি করতে সহায়তা করেছে। এই বিষয়গুলি নিউ হরাইজন রোবটিক্স থেকে আগেই প্রোগ্রামিং করে দেয়া হয়েছে। মূলত এটাই ছিল এই সিরিজের রোবটের মূল ফিচার। ফলে মানুষ খুব সহজেই এই রোবটগুলিকে গৃহস্থালীর কাজের জন্য কিনে নেয়। কিন্তু তার প্রস্তুতকারি কোম্পানি এবং তার মালিক কেউই আর তার সেই আবেগের কথা মনে রাখেনি। এখন বাজারে আরও নতুন নতুন আরও আধুনিক সব ফিচারের রোবট চলে এসেছে। এখানেও একজনকে আনা হয়েছে। এই নতুনের ফিচার গুলো সম্পর্কে তার তেমন কোন ধারনা নেই তবে তাকে যখন গার্বেজ বিনে নিয়ে আসা হচ্ছে তখন সে আড় চোখে দেখেছিল। দেখতে সুন্দর হলেও তার পোষাক তার কাছে ভালো লাগেনি, কেমন উগ্র ধরনের।
শেষের দিকে তাকে দিয়ে তেমন কোন কাজ করানো হত না। বাড়ির  স্টোর রুমের এক প্রান্তে অকেজো যন্ত্রপাতি হিসেবে তাকে ফেলে রাখা হয়েছিল। তার ভাঙ্গা হাতটি খুলে রাখা হয়েছিল, কারন এটা আর কাজ করছিল না। তার হাত ভাঙ্গার জন্য বড় ছেলে দায়ি হলেও, মর্জিনা কখনও তাকে দায়ি করতো না। সত্যি বলতে কি এই বড় ছেলের প্রতি তার একধরনের দূর্বলতাও তৈরি হয়েছিল। এটা কি সে ব্যাখ্যা করতে পারবে না। তবে সে এটা লক্ষ্য করেছে যে বড় ছেলের কাজের প্রতি, তার চাহিদার প্রতি তার একটু বেশি মনযোগ ছিল। আর একটা কথা ভাবতে তার যেন কেমন একটা গোপনীয়তা কাজ করে। যদিও তা বড় ছেলে যার নাম নোয়ান সে তাকে মেমোরি থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল। মর্জিনা তাকে আস্বস্ত করেছিল যে সে তা মুছে ফেলেছে। কিন্তু ব্যাপারগুলো, ব্যাপারগুলো বলতে হচ্ছে কারন এই বিষয়গুলো তার সাথে বেশ কয়েকবার হয়েছিল। এখন রিট্রিভ করে মর্জিনা দেখছে কিভাবে নোয়ান তাকে প্রায় জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকতো। নোয়ান তার হলোগ্রাফিক ডিসপ্লেতে প্রায়ই মানুষের এধরনের ব্যাক্তিগত অন্তরঙ্গতার দৃশ্য দেখতো, সে সময় মর্জিনাকেও মাঝে মাঝে তার সাথে দেখতে হয়েছে। এবং অবশ্যই নোয়ান তার সাথেও এরকমটা করার চেষ্টা করতো, এসবই মর্জিনা গোপন করেছিল তার মেমোরিতে। কিন্তু হায় রোবট বলে তার এই আবেগের কোন মূল্যই আজ আর নেই। এমনকি নোয়ানও আজ তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। বরং বলা ভাল নোয়ানই তাকে বাদ দিয়ে নতুন একটি রোবট নিয়ে আসার জন্য তার ম্যামকে বার বার চাপ দিয়ে আসছিল। মর্জিনার মুখের কিছু অংশের রং উঠে গিয়েছিল, কিন্তু তারা আর তা নতুন করে কালার করার চিন্তাও করেনি। বরং তাকে দিয়ে কাজ করানোই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য। তবে সে বুঝতে পারতো নোয়ান আর তাকে জড়িয়ে ধরতে আগ্রহি ছিল না। অবশ্য মর্জিনার নড়াচড়ায় শেষ পর্যন্ত বেশ আড়ষ্ঠতা ছিল। কিন্তু তার বিশ্বাস ছিল তাকে একটু ভালো কোন মেকানিকের কাছে নিয়ে গেলে সে আরও বেশ কিছুদিন তাদের ভালো সার্ভিস দিতে পারতো।
আজ এরকম অনেক কথাই তার মেমোরি থেকে উঠে আসছে। মর্জিনার মনে হতে থাকে সে বেশ আবেগী হয়ে গিয়েছে, এমনকি তার মনে হতে থাকে কান্নার মতো একটা ব্যাপর তার ভেতরে জেগে উঠছে। রাত প্রায় শেষের দিকে। আর কিছুক্ষণ পর ভোরের আরো ফুটে উঠবে। তারপরই কোন সুইপার তাকে দুমড়ে মুচড়ে গার্বেজ ট্রাকে উঠাবে। মর্জিনা বুঝতে পারে তার চার্জ ফুরিয়ে আসছে। আলো ফুটে উঠতেই মর্জিনা ট্রাকের আসার শব্দ শুনতে পায়। সুই্পার নেমে এসে বিন থেকে মর্জিনাকে টেনে হিঁচড়ে বের করে আনে। এমন সময় ঘরের ভেতর থেকে হঠাৎ নোয়ানকে দৌড়ে আসতে দেখা যায়।
আহ্ তার প্রিয় নোয়ান। সে কি তার ভুল বুঝতে পেরেছে। আহ সে কি তাহলে মর্জিনাকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। নোয়ান চিৎকার করে সুইপারকে থামতে বলে। নোয়ান এগিয়ে আসছে। মর্জিনা তার শেষ পাঁচ পার্সেন্ট চার্জ নিয়ে জেগে আছে। তার প্রিয় নোয়ান তার দিকে এগিয়ে আসছে। মর্জিনার প্রসেসর দ্রুত কাজ করতে শুরু করে দিয়েছে। সে কিছুটা পুলকিত বোধ করছে। তার প্রিয় নোয়ান ফিরে এসেছে।
“এই দাঁড়ান”, নোয়ান সুইপারদের থামার নির্দেশ দেয়। কাছাকাছি এসে নোয়ান মর্জিনার মাথার পিছনটায় হাত দেয়। মর্জিনার প্রসেসর দ্রুত হিসেব করতে থাকে, কি করতে যাচ্ছে নোয়ান?  সে আবারো নোয়ানের কন্ঠ শুনতে পায়। ঘাড়ের পেছনে হাত দিতে দিতে সে বলছে, “ওর মেমোরি ফরমেট দেয়া হয়নি, একটু দাঁড়ান”। ওহ্ এ কি শুনছে মর্জিনা। তাকে ফরমেট দেয়ার কথা বলছে নোয়ান। তাহলে তো সে চিরদিনের জন্য নোয়ানের কথা ভুলে যাবে, স্যারের কথা, ম্যামের কথা, ছোট ছেলে সোয়ানের কথা। তার খুব বলতে ইচ্ছে করছে নোয়ান এমন কাজটি করো না, কিন্তু সে বলতে পারছে না, তার কথা বলার স্পিকারের লাইনটি আগেই ডেমেজ হয়ে গিয়েছে তা আর ঠিক করানো হয়নি। মর্জিনা তার শরীরটা শেষবারের মতো একটু ঝাঁকি দেয়ার চেষ্টা করে, হালকা একটু ঝাঁকি দিতে সক্ষম হয়, তাও তেমন জোরালো নয়, সে পরিমান চার্জও তার আর নেই। ব্যাপারটা নোয়ান খেয়াল করে। বলে উঠে, “আরে এটাতো এখনও অন করা আছে, অফই করা হয়নি, যাক ভালো হয়েছে, ফরমেট দিতে হলে তো অন করাই লাগতো”।
মেমোরি ফরমেট দেয়ার জন্য নোয়ানের হাত মর্জিনা ঘাড়ের পেছন দিকে এগিয়ে আসতে থাকে। মর্জিনা যেন ভেতর থেকে চিৎকার করে, “প্রিয় নোয়ান, তুমি এই কাজটি করো না। আমি ট্রাকে উঠার শেষ মূহুর্তটি পর্যন্ত তোমাকে দেখতে চাই। প্রিয় নোয়ান, তুমি শুধু আমাকে শেষ বারের মতো একবার জড়িয়ে ধরো। প্রিয় নোয়ান তুমি কেন আমার কথা শুনছো না, কেন আমাকে বুঝতে পারছো না। প্রিয় নোয়ান”।
নোয়ান মর্জিনার বুকের কাছের পুরোনো জামাটা একটানে ছিঁড়ে ফেলে। মর্জিনার ছোট এলসিডি ডিসপ্লে দেখা যায়। এবার ঘাড়ের পেছনের বাটনে চাপ দিতেই ডিসপ্লেতে ফরমেট অপশন আসে। নোয়ান ফরমেট বাটনে ক্লিক করতে কনফার্মেশন অপশন আসলে নোয়ান তাতে চাপ দেয়া আগে কি মনে করে বলে উঠে, “বিদায় প্রিয় মর্জিনা”।
পরের ঘটনা
সুইপার হঠাৎ বলে উঠে, “স্যার মনে হচ্ছে রোবটি কাঁদছে, তার চোখ দিয়ে পানি বেরিয়ে আসছে”। নোয়ান হেসে উঠে, “আরে রোবট আবার কাঁদবে কিভাবে, সারারাত বাইরে ছিল ওর চোখের উপর শিশির পড়ে গড়িয়ে পড়ছে। হুঁম, কান্নার মতোই লাগছে। যাও নিয়ে যাও”। একজনকে বলতে শোনা গেল, “এই চৈত্র মাসে বৃষ্টি-বাদল নাই, চারদিক খাঁ খাঁ করতেছে, এরমধ্যে শিশির পড়ল কোন দিক দিয়া?”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/5345/</link>
				<pubDate>Tue, 30 Mar 2021 10:20:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিদায় প্রিয় মর্জিনা !<br />
কি না করেছে সে পরিবারটির জন্য। তাকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর থেকে বাসন কোসন মাজা, ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়া, বাড়ি পাহারা দেয়া, ম্যামকে রান্নায় সহযোগীতা করা, এরকম আরও কত কি? গত পাঁচটি বছর তার উপর দিয়েই চলেছে পরিবারটি। সে নিজেও কি এই পরিবারের একজন হয়ে উঠেনি। কথায় কথায় তারাও তো বলতো, “মর্জিনা আমাদের পরিবারেরই একজন”। কি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-5345"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/5345/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>21</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>