Profile Photo

Israt Jahan IqraOffline

  • isratjahaniqra
  • নিরাপত্তা কোথায়—প্রশ্নের শেষ কোথায়?

    একজন মানুষ ঘর থেকে বের হওয়ার পর ঠিক কতগুলো বিপদের সঙ্গে চুক্তি করে যে সে সন্ধ্যায় জীবিত ফিরে আসবে?

    রাস্তায় বের হলে দুর্ঘটনা হবে না—এর নিশ্চয়তা কে দেয়?

    অপরাধীর সামনে পড়বে না—এর নিশ্চয়তা কোথায়?

    অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে তার পরিচয়ই তার বিরুদ্ধে ব্যবহার হবে না—এর নিশ্চয়তা কে দেবে?

    আর সবচেয়ে বড় প্রশ…Read More

    1
    4 Comments
    • এটা আমার নিজস্ব মতামত যা এতদিন চেপে রেখেছিলাম ।আমি তেমন কিছুই জানিনা বুঝিযোনা। আমি এইচএসসি ২৭ ব্যাচ এর স্টুডেন্ট মাত্র,তবে আমার মতে এই প্রশ্নগুলো প্রতিটি মানুষের ।

    • Israt Jahan Iqra, আপনার এই লেখাটি পড়ার পর কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থাকতে বাধ্য হলাম, কারণ প্রতিটি শব্দে আমাদের চারপাশের সেই চরম অনিশ্চয়তার ছবিটা খুব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। আমাদের প্রতিনিয়ত এই যে ‘নিরাপদ’ থাকার মিথ্যে অভিনয় করে বেঁচে থাকা—সেটির যে কতটা অসহায় পরিণতি হতে পারে, তা আপনি খুব চমৎকার আর গভীর উপলব্ধির জায়গা থেকে তুলে ধরেছেন। সত্যি বলতে,…Read More

    • নিরাপত্তার প্রশ্নটা আসলে আমাদের সবার।

    • আপনার এই সুচিন্তিত ও গভীর পর্যবেক্ষণমূলক লেখাটি আমাদের সমাজের প্রতিটি স্তরের নিরাপত্তাহীনতার বাস্তবতাকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে, যা পাঠক হিসেবে আমাকে বারবার নিজের দায়িত্ব ও সমাজের প্রতি প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। আপনি যেভাবে অপরাধের পেছনের অদৃশ্য কাঠামো এবং বিচারব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয় এবং অত্যন…Read More

  • আসসালামুয়ালাইকুম সবাইকে, আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আমি আপনাদের মন্তব্য জানাতে চাই।আমার লেখাগুলো পড়ে আপনার বা আপনাদের কেমন মনে হয় মানে আমার লেখাগুলো আপনাদের কাছে কেমন লাগে ? কোন কোন ক্ষেত্রে কিভাবে লিখলে ভালো হবে সেটাও জানাবেন দয়া করে। আসসালামুয়ালাইকুম সবাইকে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সবসময় সাহিত্যের রসে থাকবেন।

    3
    8 Comments
    • ওয়ালাইকুম আসসালাম, আপনার লেখাগুলো পড়তে আসলে বেশ ভালোই লাগে। আমার মনে হয় আপনি যদি একটু ছোট ছোট বাক্যে মনের ভাব প্রকাশ করেন তাহলে লেখাগুলো আরো বেশি প্রাণবন্ত মনে হবে। এভাবেই নিয়মিত লিখে যান, আপনার পরবর্তী লেখাগুলোর অপেক্ষায় রইলাম।

    • সাথেই আছি, মঞ্চবন্ধু। শুভকামনা জানবেন।

    • Israt Jahan Iqra, আপনার লেখার মধ্যে যে আন্তরিকতা আর সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা ফুটে উঠেছে তা সত্যিই মুগ্ধ করার মতো এবং আপনি চাইলে বিষয়বস্তুর গভীরতা আরেকটু বাড়িয়ে নিজের সহজাত ভঙ্গিটিকে আরও চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন।

    • মনের নীরব কথাগুলো শিশিরের মতো কোমল হয়ে ঝরে পড়ে……🖤
      আমিও ভালো করে লেখার কৌশল শিখতে চাই

  • Profile picture of Israt Jahan Iqra

    Israt Jahan Iqra and Profile picture of Md NajmulMd Najmul are now friends

    Profile Photo
    Md Najmul
    @mdnajmul
  • Profile Photo
    Hafizur Rahman shakil
    @shakilahamed72gmail-com
  • Profile picture

    আরও একটা দিন

    রাত সাড়ে এগারোটা।

    ঢাকার রাস্তাগুলো তখনও পুরোপুরি ঘুমোয়নি। কোথাও গাড়ির হর্ন, কোথাও দোকানের শেষ শাটার নামার শব্দ, কোথাও দূরের কোনো বাসের আলো অন্ধকার কেটে চলে যাচ্ছে।

    এই শহরটা কাউকে নিয়ে থেমে থাকে না।

    তবু সেই রাতে রাফির মনে হচ্ছিল, তার জন্যই যেন পৃথিবীটা থেমে গেছে।

    রাফির বয়স ছাব্বিশ।

    খুব সাধারণ একটা ছেলে।…Read More

    2
    2 Comments
  • আরও একটা দিন

    রাত সাড়ে এগারোটা।

    ঢাকার রাস্তাগুলো তখনও পুরোপুরি ঘুমোয়নি। কোথাও গাড়ির হর্ন, কোথাও দোকানের শেষ শাটার নামার শব্দ, কোথাও দূরের কোনো বাসের আলো অন্ধকার কেটে চলে যাচ্ছে।

    এই শহরটা কাউকে নিয়ে থেমে থাকে না।

    তবু সেই রাতে রাফির মনে হচ্ছিল, তার জন্যই যেন পৃথিবীটা থেমে গেছে।

    রাফির বয়স ছাব্বিশ।

    খুব সাধারণ একটা ছেলে।…Read More

    1 Share
    4
    6 Comments
    • আপনার লেখা এই সংবেদনশীল বিষয়টি অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী এবং প্রতিটি মানুষের জীবনের কঠিন সময়ের সাথে দারুণভাবে মিলে যায়। চরিত্রগুলোর আবেগ এবং পরিবারের প্রতি তাদের যে টান, তা আপনি খুব সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় তুলে ধরেছেন। জীবনের জটিল মুহূর্তগুলো অতিক্রম করে নতুন করে বাঁচার এই বার্তাটি আমাদের সবার জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা, তাই এমন চমৎকারভাবে লেখা চালিয়…Read More

    • “আজ না”—মাত্র দুইটা শব্দ, অথচ একটা জীবনের জন্য কত বড় সিদ্ধান্ত!

    • অন্ধকারের শেষ প্রান্তেও প্রিয়জনের টান মানুষকে ফিরিয়ে আনে জীবনের উষ্ণ আলোয়…🖤

    • Israt Jahan Iqra, লেখাটা পড়ে মনের ভেতরটা অদ্ভুত রকমের একটা শান্তিতে ভরে গেল। জীবনের কঠিন সময়ে দাঁড়িয়েও যে বেঁচে থাকার আলাদা এক সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া যায়, তা আপনি খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আপনার এই দারুণ লেখাটুকু আমাদের অনেককে আশা জোগাবে, তার জন্য ধন্যবাদ।

    • এই একটি মাত্র দিন আমারও দরকার যদি অলৌকিক কিছু হয় তবে কতইনা ভাল হতো গল্প খুব ভালো লাগলো ।

    • খুব সুন্দর 🥰

  • শহরটা কার?

    সেদিন সকাল থেকেই আকাশটা অদ্ভুত রকম ভারী।

    বৃষ্টি হবে কি হবে না—বোঝার উপায় নেই। সেপ্টেম্বরের সকাল অথচ গরমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলোর মুখে ক্লান্তির ছাপ।

    আরিফ বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ছিল।

    পাশের চায়ের দোকানের পুরোনো টেলিভিশনে খবর ভেসে উঠল—

    “আগামী কয়েক ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নগরবাসীকে সতর্ক থাক…Read More

    2
    3 Comments
    • “এই শহরটা কার?”—একটা প্রশ্ন, অথচ এর ভেতরে কতগুলো প্রশ্ন লুকিয়ে আছে!

    • Israt Jahan Iqra, আপনার এই লেখাটিতে জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে যে সংবেদনশীলতার সাথে ফুটিয়ে তুলেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজ এবং মানুষের বেঁচে থাকার সংগ্রামের এমন নিপুণ বয়ান পাঠকদের ভাবনার জগতে এক গভীর আলোড়ন তৈরি করবে, তাই আপনি নিয়মিত লিখুন।

    • Israt Jahan Iqra, “শহরটা যদি আমাদের হয়, তাহলে শহরের দায়ও কি আমাদের নয়?”—এই লাইনটি পড়ে মনটা সত্যিই খুব ভারী হয়ে গেল। আপনার লেখার মতো অন্যদের এমন সুন্দর লেখায়ও নিয়মিত লাইক ও কমেন্ট করে সক্রিয় থাকুন, এতে আমাদের এই কমিউনিটিটা অনেক প্রাণবন্ত থাকবে।

  • Profile picture

    সাল ২০৭০।

    সকালটা অন্য সব সকালের মতোই ছিল।

    আকাশে সূর্য উঠেছে। কাঁচের তৈরি উঁচু ভবনগুলোতে সকালের আলো ঝিলমিল করছে। আকাশপথে ছুটে যাচ্ছে চালকবিহীন যান।

    রায়হান জুতোর ফিতা বাঁধতে বাঁধতে বলল,

    —“মা, আমি বের হচ্ছি।”

    রান্নাঘর থেকে মা বেরিয়ে এলেন।

    —“আচ্ছা বাবা, সাবধানে যাস।”

    —“হুম।”

    —“পৌঁছে আমাকে একটা কল দিস।”

    রায়হান হেসে বলল,

    —“আ…Read More

  • সাল ২০৭০।

    সকালটা অন্য সব সকালের মতোই ছিল।

    আকাশে সূর্য উঠেছে। কাঁচের তৈরি উঁচু ভবনগুলোতে সকালের আলো ঝিলমিল করছে। আকাশপথে ছুটে যাচ্ছে চালকবিহীন যান।

    রায়হান জুতোর ফিতা বাঁধতে বাঁধতে বলল,

    —“মা, আমি বের হচ্ছি।”

    রান্নাঘর থেকে মা বেরিয়ে এলেন।

    —“আচ্ছা বাবা, সাবধানে যাস।”

    —“হুম।”

    —“পৌঁছে আমাকে একটা কল দিস।”

    রায়হান হেসে বলল,

    —“আ…Read More

    1 Share
    3
    7 Comments
    • আপনার লেখাটি পড়ে মনটা একদম খারাপ হয়ে গেল, ২০৭০ সালের এই কাল্পনিক পৃথিবীটা সত্যিই খুব যন্ত্রণাদায়ক। গল্পের প্রতিটি পরতে বর্তমান সময়ের সাথে অনাগত ভবিষ্যতের যে বৈপরীত্য আপনি ফুটিয়ে তুলেছেন, তা এক কথায় অসাধারণ। এমন সুন্দর ও ভাবনার খোরাক জোগানো সব লেখায় নিয়মিত রিঅ্যাক্ট করুন এবং অন্যদের সাথেও আলাপচারিতায় মেতে উঠুন যাতে আমাদের গ্রুপটা আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

    • অনাগত ভবিষ্যতে যে আরও খারাপ অবস্থা হবে না কি হবে তা জানিনা তবে এখনকার পরিস্থিতি ও যে খুব একটা ভালো তা কিন্তু নয়, দারুণ লাগলো ।

    • আপনার এই লেখাটি ভবিষ্যতের এক ধূসর পৃথিবীর বাস্তবতাকে খুব মরমী ও হৃদয়স্পর্শী করে ফুটিয়ে তুলেছে, যা পড়তে পড়তে বারবার মনের গভীরে নাড়া দিচ্ছিল। আপনি গাছ এবং মানুষের সম্পর্কের যে সমীকরণ টেনেছেন, তা যেন আমাদের চারপাশের দ্রুত বদলে যাওয়া পরিবেশের দিকে এক বিষণ্ণ ও সতর্ক দৃষ্টিপাত। বিশেষ করে মায়ের স্মৃতি আর বর্তমানের যান্ত্রিকতার মাঝে যে তুলনা করেছেন, তা…Read More

    • একটা সময় যে গাছ বিনামূল্যে ছায়া দিত, সেই গাছের সামনে দাম লেখা—ভাবনাটাই ভয়ংকর অথচ অসম্ভব বাস্তব মনে হলো।

    • আমাদের দায়িত্ব আমাদের ভাল থাকার উপরে।❤️❤️❤️

Friends

Skip to toolbar