Profile Photo

মামুনর রশীদ রাজুOffline

  • mamunorrashidrazzu
  • ফিফা সেঞ্চুরি ফ্যান ট্রফি ও নতুন দুশ্চিন্তা

    জুরিখের ফিফা হেডকোয়ার্টারে বইসা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো যখন দামি চুরুটে টান দিতেছিলেন, তখন তার মাথায় একটা খটকা লাগল। তিনি ভাবিলেন—দুনিয়ার তাবৎ ক্লাব আর খেলোয়াড়রা তো গোল দিয়াই কোটি কোটি টাকা কামাইতেছে। কিন্তু যারা রাইত জাইগা, না খাইয়া, টিভির সামনে চিল্লাইয়া গলা ফাটায় আর ইন্টারনেটে যুদ্…Read More

    1
    1 Comment
  • ট্রেন নিষ্পাপ?
    ~~~~~~~~
    লোহার বুকের গহীন খাঁজে
    কীসের অত ক্ষোভ?
    ট্রেনের মগজে লুকিয়ে কি থাকে
    রক্ত চোষার লোভ?
    কালো চাকার ওই তাণ্ডব নাচে
    লাইন ভিজে যায় শোকে,
    অসংখ্য প্রাণ গুঁড়িয়ে দিয়ে সে
    কী আনন্দ দেখে চোখে!
    হুইসেল যেন পৈশাচিক এক
    ভয়ঙ্কর উল্লাস,
    গতির মোহে অন্ধ ধাতুর
    প্রাণহীন এক শ্বাস।
    নাকি ওটা কোনো নেশা নয় তার—
    কে…Read More

    4
    5 Comments
    • মামুনর রশীদ রাজু, আপনার লেখাটিতে ‘হুইসেল যেন পৈশাচিক এক ভয়ঙ্কর উল্লাস’—এই অংশটুকু পড়ে শিহরিত হয়েছি এবং নির্লিপ্ত লোহার কাঠামোর মাঝে মানুষের অনুভূতির এমন গভীর ব্যবচ্ছেদ সত্যিই অসাধারণ, তাই আপনি এভাবেই নতুন নতুন ভাবনা নিয়ে লিখে যান।

    • ব্যঙ্গের আড়ালে এক ভয়াবহ সামাজিক বাস্তবতা তুলে ধরেছেন

    • মামুনর রশীদ রাজু, আপনার কবিতার ‘গতির মোহে অন্ধ ধাতুর প্রাণহীন এক শ্বাস’ লাইনটি সত্যিই অনেক গভীর এবং দারুণ লেগেছে। আপনি সময় পেলে অন্যদের লেখাতেও লাইক-কমেন্ট করে আমাদের এই গ্রুপটাকে আরেকটু সরগরম রাখার চেষ্টা করবেন।

    • কিসের মাসুল গুনে ঝরে যায় কত ফুল লাইনটির ভেতর এক ভয়াবহ কস্ট লুকিয়ে আছে ।

    • মনের মত একটা কবিতা!

  • ‘নারী বন্ধু’

    প্রাকৃতিকভাবেই শক্তি পরীক্ষায় জয়ী আমি পুরুষ যখন শিকারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম গহীন থেকে গহীন জঙ্গলে; নারী, তখন তুমি কোথায় ছিলে?

    যখন তুমি-আমি সভ্যতার সেই আদিতে, তখন গুহা বা ঘর ছেড়ে কতই বা দূরে যেতে তুমি। হয়তো ফল-ফুল-লতা কুড়াতে কিংবা আগুন জ্বালানোর চেষ্টায় শুকনো কাঠের খোঁজে সময় কাটাতে। আর আমি ছুটে যাওয়া শিকারের পেছন…Read More

    4
    7 Comments
    • আপনার এই লেখায় “তুমি নিজেই একটা বাড়ি” কথাটি সত্যিই খুব গভীর এবং মন ছুঁয়ে যাওয়া একটি উপলব্ধির প্রকাশ। সংসারের প্রতিটি খুঁটিনাটি আপনি যেভাবে এক একটা নিপুণ ছন্দে তুলে ধরেছেন, তা পাঠকদের ভাবনার এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। আপনার এই অনবদ্য চিন্তাধারার প্রকাশ যেন সবসময় জারি থাকে, আপনার কলম আরও অনেক সুন্দর সৃষ্টি উপহার দিক।

    • খুব ভালো লাগল আপনার লেখাটা – লেখার ধরণ, বক্তব্য আর শব্দে শব্দে আবেগ বুনে দেওয়া। জি হ্যাঁ – সেদিন দেখলাম, শিশু জন্মদান আর লালন পালনের জন্যেই নারীকে কিছুটা ধীর গতিতে চলতে হয়েছে – যদিও আদিমকালে শক্তি সামর্থ্যে পুরুষদের চেয়ে কম ছিল না তারা। আবার এই থিতু হয়ে বসার কারণেই – নারীর হাতে চাষাবাদের শুরু (এমনকি হয়ত পশুপালনও)। চাষাবাদের শুরু না হলে তো…Read More

      • ঠিক বলেছেন বন্ধু ভাস্কর, বাস্তবে আদিম সমাজে শ্রমবিভাজন এতটা সরলরৈখিক ছিল না বলেই অনেক গবেষণা নির্দেশ করে। এই ঐতিহাসিক অনুমানের উপর ভিত্তি করে যে যুক্তির কাঠামো তৈরি হয়েছে, তা একটা নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি মাত্র।

    • সংসার সুখের হয় রমনীর গুনে একথা অনেক আগে থেকেই প্রচলিত ।

    • মামুনর রশীদ রাজু, আপনার লেখাটা পড়ে খুব অন্যরকম এক অনুভূতি হলো। নারীদের নিয়ে এমন চিন্তাগুলো আমাদের সমাজ নিয়ে নতুন করে ভাবতে শেখায়, আপনি কি মনে করেন আমাদের এই মানসিকতা বদলানো খুব জরুরি?

    • ভালো লেগেছে আপনার লেখাটি। আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন গ্রহণ করুন।

  • ### নোটবুকে ‘৫ আগস্ট ২৪’

    সেদিন সকাল থেকেই স্তব্ধ চারপাশ,
    হাতে গোনা কয়েকজন পথে—
    যাঁরা কোনোমতে ঘরে টিকে থাকতে পারেন না;
    বলছি এক মফস্বলি অভিজ্ঞতার কথা।

    ‘পানি লাগবে কারো পানি?’
    সেই করুণ ধ্বনি বুকে নিয়ে
    ঘরবন্দী নারী, শিশু আর সজ্জন
    অপেক্ষায় রাষ্ট্রপ্রধানের—
    জাতীয় মাধ্যমে কিছু বলবেন তিনি।

    চিহ্নিত কালো মানুষের মিছিলে উলঙ্গ অস্ত্র;
    ভদ…Read More

    3
    4 Comments
    • সেদিন চারদিকে থমথমে ভাব ছিল, কত কষ্ট হয়েছে মানুষের ।

    • আপনার লেখা পড়তে পড়তে নিজের সেই দিনের অভিজ্ঞতার কথা মনে করলাম।

    • মামুনর রশীদ রাজু, আপনার লেখায় সেই দিনের অস্থিরতা আর চোখের দেখা দৃশ্যগুলো খুব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। পড়ার সময় মনে হচ্ছিল আমি নিজেও যেন সেই উত্তাল মুহূর্তের সাক্ষী হচ্ছি। এমন সংবেদনশীল অভিজ্ঞতার বয়ান শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

    • আপনার লেখনীতে ‘উত্তাপে চামড়া ঝলসানোর ভয়ে ছটফট করে জমাট ভিড়’ অংশটি যেন মুহূর্তের ভয় ও অস্থিরতাকে চোখের সামনে জীবন্ত করে তুলেছে। প্রতিটি লাইনের বুনন এতোটাই গভীর যে, একজন পাঠক হিসেবে যুদ্ধের সেই বিভীষিকা আর পরিস্থিতির রূঢ় বাস্তবতাকে স্পষ্টভাবে অনুভব করা যায়। এমন শক্তিশালী ও সাহসিক অনুভূতির প্রকাশ আপনার লেখাকে অনেক উঁচুতে নিয়ে গেছে, তাই নিয়…Read More

Skip to toolbar