Profile Photo

তিতা ফুলOffline

  • nadia1
  • “ প্রয়োজন বোধ করিনি।”

    আবরারের এমন কথা যেন ছোটখাটো একটা বিস্ফোরণ ঘটায় ড্রয়িংরুমে। ততক্ষনে সেখানে এসে উপস্থিত হয়েছেন রাবেয়া বেগমও। হতভম্ভ হয়ে তাকিয়ে থাকেন তিনিও। যেই আবরার কিনা জীবনে কোনোদিন বড় ভাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে একটা প্রতিবাদ করেনি, সে কিনা আজ এভাবে কথা বলছে তার সাথে! আশ্চর্যের বিষয় বৈকি!

    “ তুই আমার সাথে এভাবে কথা বল…Read More

  • এত বছরের সংসার ফেলে চলে যেতে হয় সেদিন খাদিজা বেগমকে। চোখ ভরে কান্না আসে তার। মা কে হারিয়ে শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই তার শেষ স্মৃতিটুকুও হারিয়ে ফেলেন যে! ইন্তিহা মেয়েটার জন্য খারাপ লাগছে খুব। রাবেয়া তো আগে থেকেই দেখতে পারতো না তাকে। আবরারও তো থাকে না সবসময় বাড়িতে। নিশ্চয়ই কথা শুনায় খুব।

    কেটে গেছে বেশ কিছু দিন। রাবেয়…Read More

    3
    4 Comments
    • ভালোবাসার সাহসে ইন্তিহা ও আবরার কঠিন সংসার ছেড়ে নতুন আশ্রয়ের স্বপ্ন বুনল…🖤

    • গল্পের আবরার আর ইন্তিহার এই মিষ্টি মুহূর্তগুলো পড়ে খুব ভালো লাগল, বেশ সুন্দর করে পরিস্থিতিটা ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। গ্রুপের বাকি সদস্যদের লেখায়ও নিয়মিত লাইক ও কমেন্ট করে সক্রিয় থাকুন, তাতে সবার উৎসাহ বাড়বে।

    • তিতা ফুল, সম্পর্কের টানাপোড়েন আর শেষমেশ প্রিয় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে মানবিক ছবি আপনি এঁকেছেন, তা সত্যিই হৃদয়ে দাগ কাটার মতো। সংসারের অন্দরমহলের ছোটখাটো তিক্ততা পেরিয়ে আত্মসম্মান নিয়ে নতুন করে পথ চলার এই সাহসী সিদ্ধান্ত এবং আপনাদের কথোপকথনের সহজ-সরল ভঙ্গিটি আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। দারুণ লিখেছেন, সামনের দিনগুলোতে এভাবেই জীবনের গল্পগু…Read More

    • সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন ।

  • “আপনি কি আর ঠিক হবেন না?”

    “কি করলাম আমি আবার?”

    অবাক নেত্রে চায় আবরার। অবশ্য অবাক-টবাক কিছুই না, অভিনয় করছে সে।বউটাকে জ্বালাতে প্রচুর ভালো লাগে কিনা! কটমট চোখে একবার তাকিয়ে চোখ সরিয়ে নেয় ইন্তিহা। লোকটার সাথে আর পারা গেলো না। সারাক্ষন ওর পিছনেই লেগে থাকে।

    সেদিনের পর কেটে গেছে অনেকগুলো মাস। মৃত আসমা বেগমের শোক ভুলতে বসেছে…Read More

    4
    13 Comments
    • গল্পের ভিতরের রহস্যটা জানতে খুব ইচ্ছে করছে, অপেক্ষায় রইলাম ।

    • আইসিইউতে মায়ের টিপসই নেওয়ার ব্যাপারটা জানার পর থেকেই গল্পের রহস্য ঘণীভুত হলো। পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম

    • সম্পত্তির লোভে ভাঙা পরিবারে আবরার-ইন্তিহার হাসি যেন আসন্ন ঝড়ের মাঝেও বেঁচে থাকা শেষ উষ্ণতা…🖤

    • গল্পটা দারুণভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, প্রতিটি চরিত্র বেশ জীবন্ত মনে হচ্ছে। ইন্তিহা আর আবরারের খুনসুটির মাঝেও যে পারিবারিক অশান্তির আঁচ পাচ্ছি, সেটা বেশ রহস্যময়। পরবর্তী পর্বে কী হতে যাচ্ছে তা জানার জন্য বেশ অপেক্ষায় থাকলাম!

    • সেদিনের পর কেটে গেছে অনেকগুলো মাস। মৃত আসমা বেগমের শোক ভুলতে বসেছে…

    • আপনার এই লেখনীটি পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতা এবং মানবিক টানাপোড়েনের এক দারুণ প্রতিফলন, বিশেষ করে “এ বাড়িতে যে একটা বড়সড় ঝড় আসতে চলেছে, সে ব্যাপারে তো সন্দেহ নেই কোন” বাক্যটি গল্পের আবহকে অত্যন্ত জীবন্ত করে তুলেছে। সম্পর্কের গভীরতা আর ছোটখাটো অভিমানগুলোর মাধ্যমে আপনি চরিত্রের যে সংঘাত ফুটিয়ে তুলেছেন, তা বাস্তব জীবনের নাটকীয় পরিস্থিতির…Read More

  • Profile Photo
    Fazilatun Nesa
    @fazilatun-nesa
  • Profile Photo
    Masfi K
    @masfi-mohammad
  • লা’শ নিয়ে আসতে আসতে মাগরিবের সময় হয়ে যায়। এদিকে আবরারদের আত্মীয় স্বজন সবাই চলে এসেছে প্রায়। অনেকে আসার পথে আছে এখনো। বাড়িতে মানুষ অনেক। পাড়া প্রতিবেশী থেকে শুরু করে চেনা অচেনা অনেক মানুষের আনাগোনা।
    খাদিজা বেগম অজ্ঞান হয়েছেন দুইবার। মাথায় তেল মালিশ করা হচ্ছে উনার। এদিকে আসমা বেগমকে গোসল করানো হচ্ছে মাত্র। এশারের পর জানাজা হবে।সারাদিন কিছুই…Read More

    6
    3 Comments
    • মানুষের জীবনের সবচেয়ে গভীর ও কঠিন আবেগগুলোকে আপনি খুব সুন্দর এবং মমতাভরা শব্দে ফুটিয়ে তুলেছেন, বিশেষ করে শোকের মুহূর্তে একে অপরের পাশে থাকার দৃশ্যটি আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। এমন সংবেদনশীল বিষয়গুলো আরও বিস্তারিতভাবে লিখে যাওয়ার চেষ্টা করবেন, কারণ আপনার লেখার ভঙ্গি পাঠককে এক ধরনের অদ্ভুত প্রশান্তি দেয়।

    • শোকের দৃশ্যগুলো খুবই হৃদয়ছোঁয়া 😣😣

    • যত কস্ট হোক খেতে হবেই এটাই বাস্তবতা।

  • “ মেয়েটা বুদ্ধিমতী, তবে বেয়াদব। আমরা আসার সময় সালামও দিলো না!”

    ঠিক এই কথাটাই বলা হয়েছিলো আমার ব্যাপারে। আমি আসলে বুঝতে পারছিলাম না, যারা বিদায়ের সময় পাত্রীর কাছ থেকে সালাম না পেয়ে পেছনে গিবত করতে পারে, তারা পরবর্তীতে কি করবে?

    যাই হোক, কথা আর আগায়নি সেখানে। আমার আর চিন্তার কারন ছিল না। তবে দিনে দিনে তাদের পছন্দ, পাত্র নির্বাচন দেখে আমি কথ…Read More

    4
    8 Comments
    • তিতা ফুল, আপনি আপনার জীবনের কঠিন কিছু সত্য খুব সাবলীলভাবে তুলে ধরেছেন, বিশেষ করে “নিজের পছন্দের লেভেল কমিয়ে আনি আরও” এই অংশটি মানুষের মনের অসহায়ত্বকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। প্রতিটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নিজের বিশ্বাস ধরে রাখার চেষ্টা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য, আপনি এভাবেই লেখনী চালিয়ে যান।

    • মেডিকেলে চান্স না পাওয়ার পর পরিবারের কথার ধরন বদলে যাওয়াটা পড়ে খুব খারাপ লাগলো😥😥

    • আপনার লেখাটা পড়ে মনের ভেতর খুব খারাপ লাগা কাজ করছে, বিশেষ করে এই লাইনটি খুব গভীর ছিল— “কেন আমি তাদের সব কথাকে সিরিয়াস ভাবে নিচ্ছিলাম? কেন এতোটা বিশ্বাসের সাথে পান করেছিলাম মিথ্যা আশার বিষ!”। পরিবার ও সমাজের এই দ্বিমুখী আচরণ যে কতটা মানসিকভাবে বিধ্বস্ত করতে পারে, তা আপনার লেখায় খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। সামনের পর্বগুলোর অপেক্ষায় রইলাম, আপনি অন…Read More

    • স্বপ্নের বিসর্জনেও পাওয়া যায় না প্রকৃত শান্তি শুধু বদলে যায় প্রত্যাশার মাপকাঠি…..🤍🖤

  • “ আপনি কোনোদিন ছেড়ে যাবেন না আমাকে।”

    “ যাবো না!”

    “ ভুল বুঝবেন না কখনো।”

    “ বুঝবো না!”

    “ ওয়াদা করুন?”

    “করলাম। শান্ত হও এবার।”

    ইন্তিহা তবুও শান্ত হতে পারে না। আবরার ওর মাথাটা নিজের বুকে চেপে বসে আছে। হোটেলে এসে পৌঁছেছে আধ ঘণ্টাও হয়নি এখনো। তখন ট্রেনের মধ্যে কিছু একটা হয়েছে মেয়েটার। তার পর থেকে এ…Read More

    6
    8 Comments
    • তিতা ফুল, গল্পটা পড়ে বুকটা একদম ভার হয়ে গেল। এমন কঠিন সময়েও আবরারের পাশে ইন্তিহার এই অটুট ভরসা আর মমতা দেখে খুব মায়া লাগছে। হসপিটালের পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে ইন্তিহার কি খুব কষ্ট হচ্ছিল?

    • খুব হৃদয়স্পর্শী আর বাস্তব একটা পর্ব। পরের অংশের অপেক্ষায় রইলাম।

    • প্রিয় লেখক, আপনার এই রচনায় ইন্তিহা ও আবরারের মধ্যকার পারস্পরিক নির্ভরতা এবং টানাপোড়েনের মুহূর্তগুলো খুব গভীর ও হৃদয়স্পর্শী হয়ে ফুটে উঠেছে। আপনারা যারা এই প্ল্যাটফর্মে লিখছেন, তাদের প্রত্যেকের লেখার প্রতি একটু সদয় নজর রেখে নিয়মিত লাইক ও কমেন্টের মাধ্যমে একে অপরকে উৎসাহিত করলে আমাদের এই বাগানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

    • গল্পটা অনেক জীবন্ত লাগলো পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম😊

    • অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে যন্ত্রণা আহ বড়ই কস্ট।

  • আগে ভাবতাম, বিবাহ উপযুক্ত অবস্থায়, যখন অহরহ পাত্রপক্ষ দেখতে আসে, বিয়ের কথাবার্তা চলে, এইসময়টা একটা মেয়ের সবচেয়ে সুন্দর সময়। পড়াশুনার চাপ নেই, ঘরে কোন কাজ করতে হয় না হয়তো, আবার নতুন নতুন সব অনুভূতির সাথে পরিচিত হতে থাকে। ইসস, কবে যে আমারও এমন সময় আসবে! কবে যে আমিও এতো সুন্দর একটা সময় পার করবো!

    পরিবারের মানুষগুলো তখন হয়তো…Read More

    6
    11 Comments
    • অসাধারণ হয়েছে।সম্পূর্ণ বাস্তবধর্মী।আমার জীবনে কিছুটা মিল খুজে পাই।

      • মনে করি এদেশে গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়েদের মনের কথা এসব!

    • চাপিয়ে দেওয়া স্বপ্নই একদিন হয়ে ওঠে সবচেয়ে একা থাকার কারণ…..🖤

    • তিতা ফুল, আপনি অনেক গভীর আবেগ দিয়ে “স্বপ্নটা যদিও আমার নিজের ছিল না, জোর করে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছিলো মনের ভেতর” লাইনটি যেভাবে তুলে ধরেছেন, তা সত্যিই যেকোনো মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ের জীবনের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে।

    • মেয়েটার আর্ট করার শখটা এমনে থামায়া দেওয়ার জায়গাটায় কষ্ট লাগলো খুব
      পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম লেখা চালায়া যান

    • ভালো লাগল বেশ। আপনার এই গল্পে এসে লেখার ধরণ একেবারে বদলে গেল আগের সিরিজ থেকে। এই স্টাইল চেইঞ্জ করতে পারাটা খুব প্রশংসনীয়। বলতেই হবে শক্তিসালী লেখনীর অধিকারী আপনি। ২ স্টাইলই ভালো লাগছে। এই সিরিজটাও পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম।

    • আপনার লেখাটি খুব গভীর এবং আবেগী, যা এক মুহূর্তেই পাঠকের মনে ছাপ ফেলে যায়। আপনি আপনার মনের অব্যক্ত কথাগুলো যেভাবে সাজিয়ে তুলেছেন, তা সত্যিই দারুণ এবং এই লেখাটি চালিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাকে অনেক শুভকামনা রইল।

    • গল্পটা দারুণ লাগলো পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম ।

  • “মুড নেই, এখন বলতে পারবো না!”

    আবরারের নির্লিপ্ততায় বাকহারা হয় মেয়েটা। এসব কি ধরনের মজা? তাই বলে এমন একটা ব্যাপার নিয়ে মজা করবে লোকটা?তিনি কি জানেন, কি নিয়ে কথা বলছেন, সেটা ওর কাছে কতোটা গুরুত্বপূর্ণ!
    আবরার উঠে চলে যেতে নিলে হাত টেনে ধরে মেয়েটা। হাতের দিকে একবার তাকিয়ে সরাসরি ওর চোখে চোখ রাখে লোকটা।ভ্রু উঁচিয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘…Read More

    4
    5 Comments
    • ছোট্ট এক দাগেই দুলে ওঠে মন, স্বপ্ন আর বাস্তবের সীমারেখা মিলিয়ে যায়…..🤍

    • তিতা ফুল, ইন্তিহা আর আবরারের খুনসুটি ভরা সম্পর্কটা পড়তে সত্যি খুব ভালো লাগলো। আপনার গল্পের বর্ণনাগুলো এতোটাই জীবন্ত যে মনে হচ্ছিলো চোখের সামনে সবটা ঘটছে। একদম শেষ দিকে এসে যে সাসপেন্স তৈরি করলেন, তাতে পরের পর্বের জন্য অনেক আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করবো।

    • আবরার লোকটা যেমন পাজি, তেমনই কেয়ারিং! বউকে জ্বালাতন করার কৌশলগুলো দারুণ। আর ইন্তিহার এই অবুঝ অভিমান আর কৌতূহল গল্পটাকে বড্ড মায়াবী রূপ দিয়েছে।

    • আপনার লেখা এই অংশটিতে সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং মান-অভিমানের যে সহজ-সুন্দর চিত্র ফুটে উঠেছে, তা বেশ উপভোগ্য এবং পাঠকদের মনে কৌতুহল জাগিয়ে রাখার মতো। বিশেষ করে ‘পৃথিবীর সব মেয়েরাই সুন্দরী, তবে আমার চোখে তো আর না!’—আবরারের এই একটি বাক্য সত্যিই চমৎকার, যা চরিত্রটির ব্যক্তিত্ব ও ইন্তিহার প্রতি তার ভালোবাসাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। প্রতিটি মুহ…Read More

  • “আপনি একটা অসভ্য!”

    “ আরে আরে চলে যাচ্ছো কেনো? খাবারটা শেষ তো করে যাও।”

    ফেরে না মেয়েটা। এমন দুষ্টু বর থাকলে শান্তি আছে কোনো? রান্নাঘরের কাছে এসে বুকে হাত রেখে হাঁপাতে থাকে সে। চাপা হাসিতে লাল হয় অবয়ব। তবে পাশ থেকে কারো হাসির শব্দে মুছে যায় সে হাসি।

    “কি? কেমন চলছে দিনকাল, হুম হুম? সব ঠিকঠাক তো? নাকি…!”

    মেঝো জা’য়…Read More

    6
    7 Comments
    • দাম্পত্যের সবচেয়ে সুন্দর প্রেমগুলো হয়তো ‘ভালোবাসি’ শব্দে নয়—এক প্লেট ভাত ভাগ করে খাওয়ানো, অসুস্থ রাতে মাথায় পানি ঢালা আর নীরবে পাশে বসে থাকার মধ্যে লুকিয়ে থাকে। গল্পটি মন ছুয়ে যাচ্ছে।

    • তিতা ফুল, আবরার যেভাবে ইন্তিহাকে খাইয়ে দিচ্ছে সেটা পড়ে মনটা একদম ভরে গেল, আর এই লাইনটা তো দারুণ— ‘আবরারের থেকে চোখ লুকাতে চাইলেও পারে না লুকাতে।’

    • আপনার লেখনীর গভীরতা এবং চমৎকার সব আবেগঘন মুহূর্তগুলো আমাকে মুগ্ধ করেছে, বিশেষ করে “কেনো এতো পুড়াচ্ছে অন্তর?” বাক্যটি ভীষণ ভালো লেগেছে। চরিত্রগুলোর মধ্যকার মায়া এবং যত্নবান হওয়ার এই চিত্রায়নগুলো সত্যিই হৃদয়স্পর্শী। এই সুন্দর ধারা বজায় রেখে আপনি নিশ্চিন্তে আপনার গল্পটি সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পারেন।

    • খুবই ভালো লাগলো আশা করি আগামী পর্ব আরও মজাদার হবে সেই অপেক্ষায় রইলাম।

    • অভিমান আর আদরের এই লুকোচুরিতেই বেড়ে ওঠে ভালোবাসা
      প্রতিটি নীরব যত্নে গড়ে ওঠে বিশ্বাসের নতুন এক ভাষা।…..🤍🖤

  • “প্রেমে পড়েছো বুঝি?”

    আবরারের এমন প্রশ্নে থতমত খায় মেয়েটা।এ আবার কেমন প্রশ্ন?ভালো হবে না এই ছেলে। কাকে ভালো বলছিলো ও এতক্ষন! এ তো আস্ত একটা পাজি।এদিকে ওর থেকে কোন জবাব না পেয়ে হাসি আরো গাঢ় হয় তার। মেয়েটাকে লজ্জায় ফেলতে ভালোই লাগে বেশ।জানে এখন আর কোন কথা বলবে না বউ তার।তাই নিজে থেকেই প্রশ্ন করে ফের,

    “কি ম্যাডাম? কোন দুনিয়ায় হারিয়ে…Read More

    7
    5 Comments
    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম মুগ্ধ হয়ে গেলাম, আবরার আর ইন্তিহার খুনসুটিগুলো যেন বাস্তব জীবনের কোনো গল্পের মতো মনে হচ্ছে!

    • লেখাপড়া, চাকুরি – এইসব বাস্তবিক বিষয় আশয়ের গভীরে দিয়েও বয়ে চলেছে মানবিক ভালোবাসা। বেশ ভালো লাগল।

    • খুনসুটির আড়ালে দায়িত্ব, অভিমানের আড়ালে ভালোবাসা—ইন্তিহা ও আবরারের সম্পর্কটি ধীরে ধীরে দারুণ মায়াময় হয়ে উঠছে।

  • “কে কি বলেছে তোমায়?”

    আবরারকে অমন রেগে থাকতে দেখে ঘাবড়ে যায় ইন্তিহা। লোকটা কি জানে কিছু? ওর থেকে কোন প্রতিউত্তর না পেয়ে আবরার রান্নাঘরের দিকে যেতে নিলে তড়িঘড়ি গিয়ে থামায় লোকটাকে। অযথা বিষয়টা বাড়তে দেয়া যায় না।

    “আপনি রুমে আসুন, কিছু হয়নি।”

    “কিছু না হলে কান্না কেন করছিলে তুমি? আমি বেঁচে থাকতে এই বাড়িতে কেউ তোমাকে অসম্মা…Read More

    5
    4 Comments
    • যত্ন যখন ভাষা হয়ে ওঠে, ভালোবাসা তখন আর লুকিয়ে থাকে না।

    • তিতা ফুল, আপনি চমৎকার মায়ার বুনন আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম অনুভূতির এক অনন্য চিত্রপট ফুটিয়ে তুলেছেন, যেখানে ইন্তিহার মনের দ্বন্দ্ব আর আবরারের নিঃশব্দ যত্নের মুহূর্তগুলো হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করে যায়। প্রতিটি সংলাপের আড়ালে যে মানসিক টানাপোড়েন আপনি তুলে ধরেছেন, তা যে কোনো পাঠকের হৃদয়ে অনুরণন তুলবে; আর সেই সাথে সংসারের ছোট ছোট ঘটনার মধ্যে দিয়ে জীব…Read More

  • “ স্বামীর জন্য খুব চিন্তা হচ্ছিলো বুঝি বউ?”

    গম্ভীর পুরুষালী কণ্ঠস্বরে চমকে পেছনে ফিরে ইন্তিহা। আবরারকে এভাবে আশা করেনি একদমই সে। এই লোকটা এমন কেন? হুটহাট এমনভাবে এসে দাঁড়াবে না, কবে যেন ভয় পেয়েই পটল তুলে মেয়েটা।খানিক রাগ লাগছে বৈ কি। তবে ওর কিছু বলার আগেই পুনরায় শব্দের ঝংকার তুলে অধৈর্য পুরুষটি।

    “ এভাবেই দাড় করিয়ে রাখবে নাকি সারারাত? স্…Read More

    4
    8 Comments
    • দাম্পত্য জীবনের খুনসুটি আর মান-অভিমানের চমৎকার এই বয়ানটি পড়ার সময় ইন্তিহা ও আবরারের মিষ্টি সম্পর্কের টানাপোড়েনগুলো খুব জীবন্ত হয়ে ধরা দিয়েছে, তাই আপনার লেখনীর এই সাবলীল ভঙ্গি ও আবেগের বহিঃপ্রকাশ সত্যিই মুগ্ধ করার মতো।

    • শাশুড়ির চরিত্রটা এত মমতাময়ী! পড়ে ভালো লাগলো।

    • দাম্পত্যের লুকোচুরি মিষ্টি প্রেম, হালকা অভিমান আর বাইরের জগতের কঠিন বাস্তবতার এক অনবদ্য মিশেল এই চমৎকার গল্পাংশটি। একদিকে আবরারের নাটকীয় আচরণ ও ইন্তিহার ভেতরে গড়ে ওঠা গভীর অনুভূতির সুবিন্যস্ত রূপ, আর অন্যদিকে পরিবারের সূক্ষ্ম মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন—সব মিলিয়ে পাঠককে সম্পর্কের গভীরতার এক দারুণ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।

      • অনেক ধন্যবাদ পাশে থাকার জন্য। আপনাদের গঠনমূলক মন্তব্যগুলো আমাকে লিখার অনুপ্রেরনা দেয়।

    • PASTED

      ঠাট্টার আড়ালেও লুকিয়ে থাকে যত্ন, সেই তো আসল ভালোবাসার ভাষা…..🤍

    • তিতা ফুল, লেখাটা পড়তে পড়তে একদম হারিয়ে গিয়েছিলাম, বিশেষ করে আবরারের ‘আমাকে কি আজকে একটু বেশিই সুন্দর লাগছে?’—এই অংশটা পড়ে তো হাসিই আটকাতে পারলাম না। আপনার বর্ণনা ভঙ্গিটা এত চমৎকার যে মনে হচ্ছিল সিনেমার দৃশ্য চোখের সামনে দেখছি। ইন্তিহার মতো এমন শান্ত আর আবরারের মতো পাজি চরিত্রের কেমিস্ট্রিটা আপনি দারুণ ফুটিয়ে তুলেছেন। পরের পর্বে আবরার কি তার…Read More

  • “এই চা কে বানিয়েছে?”

    আবরারের মুখভঙ্গী দেখে ভয় পেয়ে যায় মেয়েটা। চা তো ঠিকঠাকই বানালো, খারাপ হওয়ার কথা না।

    “খুব বেশি খারাপ হয়েছে নাকি?”

    “নিজেই খেয়ে দেখো! “

    যদিও ও চা তেমন পছন্দ করে না, তবুও আবরারের কথা শুনে কাপ তুলে নেয়।

    “ভালোই তো হয়েছে, চিনি, লবন সবকিছু ঠিকঠাক।”

    আবরার সাথে সাথে চায়ের কাপটা তুলে। ওর দিকে তাকিয়ে চুমুক…Read More

    2
    4 Comments
    • এই চা কে বানিয়েছে?

    • তিতা ফুল, ইন্তিহা আর আবরারের খুনসুটিগুলো পড়তে বেশ ভালোই লাগছে। এমন মিষ্টি একটা গল্পের শেষ পর্যায়ে আবরারের এই সারপ্রাইজ এন্ট্রি নিয়ে আপনার পরবর্তী পর্বে ঠিক কী টুইস্ট আছে বলুন তো?

    • আপনার উপস্থাপিত এই রচনাটি বেশ চমৎকার এবং এর চরিত্রগুলোর মধ্যকার খুনসুটি ও কথোপকথন পাঠক হিসেবে আমাকে মুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে ইন্তিহা ও আবরারের মধ্যকার আবেগপ্রবণ মুহূর্তগুলো এবং তাদের লুকোচুরি করার ধরণ খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। এমন সুন্দর একটি গল্পের ধারা আপনি অনায়াসেই অব্যাহত রাখতে পারেন, যা আমাদের মতো পাঠকদের জন্য অনেক আনন্দের খোরাক জোগাবে।

  • “ তোমার হাতে কি ওটা দেখি তো?”

    পেছন থেকে অমন গম্ভীর কণ্ঠস্বরে কেঁপে উঠে মেয়েটার সর্বাঙ্গ। দ্রুত ওড়নার নিচে লুকিয়ে ফেলে ডায়েরিখানা। চোখমুখ খিঁচে বন্ধ করে ফেলে তৎক্ষণাৎ।মানে, এই লোকটার কি কোন সময়জ্ঞান নেই নাকি, এখনি আসতে হবে, আশ্চর্য! ইন্তিহা পেছনে ফিরে না, যেভাবে ছিল সেভাবেই দাঁড়িয়ে থাকে। এদিকে আবরার বুঝে যায়, মেয়েটা নিশ্চয়ই ওর কাছে থেকে কিছু…Read More

    4
    9 Comments
    • আপনার লেখাটা এত মিষ্টি আর ইন্তিহা-আবরারের খুনসুটিগুলো পড়তে খুব ভালো লাগছিল, এখন বলেন তো পরবর্তী পর্বে কি চায়ে লবন ছিল যে আবরারের মুখ এমন হয়ে গেল?

    • আবরার-ইন্তিহার এই খুনসুটি পড়তে এত মজা লাগে!

    • তিতা ফুল, আপনি চমৎকার একটি পরিবেশ তৈরি করেছেন যেখানে চরিত্র দুটির মধ্যকার খুনসুটি আর খুনসুটিমাখা মিষ্টি টানটি দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। আপনার বর্ণনায় ইন্তিহার অভিমান আর আবরারের দুষ্টুমির যে মিশেল দেখছি, তা সামনের দিনগুলোতে আপনাদের লেখনীকে আরও অনেক বেশি জীবন্ত করে তুলবে বলে আমার বিশ্বাস।

    • মিষ্টি অনুভূতিগুলো পড়তে ভালোই লাগছে বন্ধু! আবরার ইন্তিহার কেমিস্ট্রি আরো জমে উঠবে নিশ্চয়ই?

  • Profile Photo
    Ashik Mokami
    @ashikmokami
  • Load More Posts

Friends

Profile Photo
Md.Mohsin Ali
@fivertrading007gmail-com
Profile Photo
Redowan Hussain
@redowanhussain
Profile Photo
নৈশান
@noishan
Profile Photo
Hashem Molla
@hashemmolla
Profile Photo
Kazi Mahabubur Rahman
@kazimahabuburrahman
Profile Photo
mithila jannat
@mithilajannat
Profile Photo
Sk Sagor
@sksagor
Profile Photo
Md. Ashraful Alam
@md-ashrafulalam
Profile Photo
Fazilatun Nesa
@fazilatun-nesa
Skip to toolbar