<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | অন্তু | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/md-baitul-amin/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/md-baitul-amin/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for অন্তু.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 09 Jun 2026 02:09:26 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">d926abecd1eef0f94ff51078759d12c7</guid>
				<title>অন্তু and Mahu Mahbub are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/189551/</link>
				<pubDate>Sat, 14 Jan 2023 23:32:21 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d60fd4adc5174d75a8b9a79bdadbe159</guid>
				<title>অন্তু and Md. Deloar Hossen are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39176/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Sep 2021 14:04:03 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1a98ffe9bc0ab2a71a7cf9fa18972a5f</guid>
				<title>সব নিরাশ মানুষের চাওয়া কি? সব সুখি মানুষগুলোর হতাশা কোথায়? মানুষ প্রাণী কিন্তু বুদ্ধি বিবেচনা নিয়ে গড়ে ওঠা বিশাল এক সমুদ্রের মত। যেমনটা ধরায় যাক না মানুষের ব্রেইন , মানুষের মাথা টায় বা কত বড়? তার মধ্যেই আমাদের এই ব্রেইন এর তিনটি ভাগ। তাদের মধ্যে সমঝোতার জন্য রয়েছে মিড ব্রেইন। আজকাল যেমনটা আমরা আমাদের সব কিছু সমাধানের জন্য একজন বিচারক ডেকে আনি তেমন। কেনয় বা আমরা আমাদের সমস্যাগুলো নিজেরা সমাধান করতে পারি না? নিজের জন্য চিন্তা নাকি  হতাশা থেকে। এসব উত্তর জানতে চাওয়া পাগলামি। কিন্তু পাগলামি আমার অন্তরে সুখের কাঠি একদম হ্যারি পটারের জাদুর কাঠির মত। সব নিরাশ মানুষ সুখ কে তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে চাই, কিন্তু সুখ তাদের সাথে থাকতে চায় না কারণ তারা হতাশায় অভ্যস্ত। আর সুখি মানুষগুলো লোভে লোভে হতাশাই ছায়ায় ভই পেয়ে চলে। কত নিয়ম সমাজে- যার টাকা নাই তার সাথে সঙ্গ দিয়ে ভবিষ্যৎ তোমার ডার্ক তুমি তখন গুড ফর নাথিং। বাবা মা চায় কি? সন্তান খুব ভালো একটা ভবিষ্যৎ অর্জন করুক। কিন্তু কীভাবে? তারা চেপে যাই হাজার রকম নীতি, কত রকম মিনতি। মেয়েরা অনেক অসহায় তায় তো? মোটেও না, তারা আবেগি। মেয়েদের জন্য কত-কত সংঘ, মহিলা পরিষদ এছাড়া সরকারের কত কর্মসূচী। এদিকে অনেক ছেলে তাদের পেলায় পিষ্ট হয়ে বেকার হয়ে হন্য। অবশেষে ভালবাসার মানুষ কেও হারিয়ে হই উনবিংশ অর্থাৎ জীবনটা বেজোড় হয়ে যায়। জোড় হয়ে সরল অঙ্ক কষবার মানুসিকতা বিনষ্ট হয় নীরব রাতে। 
আসলে কি জানেনঃ নারীদের নারী গোষ্ঠীই ছোটো করে ফেলেছে। সাধারণ নারীদের সাহস গুলো তারা সন্দহে পুঁজি করেছে। কিন্তু নারী তুমি কি জানো সবায় স্বার্থপর। তবে তোমরা মহান! মা হবার অসীম সাহস তোমরা বয়ে নিয়ে বেরাতে পারো। তবে তুমি হাজারটা হায়নার মাঝে একাই  একজন সিংহি।
 হতাশ নিরাশ আমাদের প্রতিদিনকার একটু প্রেরণা। হতাশা না থাকলে সামনের দিনগুলোতে সুখের সন্ধানে মানুষ নিজের বিবেককে শিক্ষা দিত না। তবে আফসোস! আজ শিক্ষা না টাকায় তোমার চরিত্রের সার্টিফিকেট প্রদান করে সমাজে। কি হবে যদি একজন মাতাল একজন মাদ্রাসার হুজুরের বন্ধু হয় , কি হবে যদি একটি গরীব মেধাবি ছেলের বিয়ে বড়োলোক ঘড়ের মেয়ের সাথে হয়ে যায়, কি হবে যদি নারী নির্যাতন আইনের ব্যবহার কমে যেত, অথবা পুরুষ নির্যাতন কোন আইন প্রণয়ন হতো মন্ত্রীসভাই। সুবোধ ফিরে আসুক বৃষ্টি হয়ে এই ক্ষয়ে যাওয়া সমাজে।
 ফিরবে তবে কীভাবে ফিরবে তা কি কারো জানা আছে? আহা মানুষ সারাদিন শুধু বলে চলে শান্তি নেই মনে। কিন্তু আল্লাহ্‌ তা আলা নিজেয় বলেছেন “ তুমি তোমার জান জীবনকে অবহেলা কর না”। কিন্তু আমরা তায়তো করে যাচ্ছি। হতাশা থেকে অভাব আর সেই অভাব থেকে লোভ আর লোভ থেকে ক্ষতি। হয়তো সেই লোভের বলি হল যুবায়ের ফারাযি নামের সাত বছরের ছোট্ট জানটার। সে মসজিদে গিয়েছিলো হতাশা যেন তার চার পাশের লোক গুলোকে নিরাশ না করে, বাবা মার শান্তি চাইতে কিন্তু মানুষের লোভ তার বাবা মা কে আজ অশান্তিতে ফেলে রেখে ভেসে দিলো সাগরে। এই দুনিয়ায় জানের প্রাণের কোনও গ্যারান্টি নেই। মসজিদে বিস্ফোরণ , সত্রস্ত্র বাহিনীর বাঘাল কে গুলি করে হত্যা যিনি কিনা ৫ সেকেন্ডে ৮ টা গুলি করতে পারতেন , কিন্তু আফসোস তিনিয় তো রক্ষা পেলেন না। মানুষ তাহলে তোমার হতাশাটা কোথাই? কীসের এতো শিক্ষার বড়ায় তোমার? কেনয়বা তোমার হাত শিকল বন্দী। এই সমাজে আমরা বন্দী। কেমন বন্দী জানেন ; গৃহবন্দী, বাক বন্দী, নিজের আবেগ থেকে বন্দী। এই শিকল ছিরবে না কারণ আমরা রাজ্যনীতিতে যেতে অধিকার পোষণ করতে বড়য় আবেগি , ভীত, সন্ত্রস্ত। আবারো আশা করি সুবোধ ফিরবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/33005/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Sep 2021 05:05:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সব নিরাশ মানুষের চাওয়া কি? সব সুখি মানুষগুলোর হতাশা কোথায়? মানুষ প্রাণী কিন্তু বুদ্ধি বিবেচনা নিয়ে গড়ে ওঠা বিশাল এক সমুদ্রের মত। যেমনটা ধরায় যাক না মানুষের ব্রেইন , মানুষের মাথা টায় বা কত বড়? তার মধ্যেই আমাদের এই ব্রেইন এর তিনটি ভাগ। তাদের মধ্যে সমঝোতার জন্য রয়েছে মিড ব্রেইন। আজকাল যেমনটা আমরা আমাদের সব কিছু সমাধানের জন্য একজন বিচারক ডে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-33005"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/33005/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">53040e2afb4ad7bd3e403cb8d3973adb</guid>
				<title>স্বল্পদৈর্ঘ্য

ফুরত করেই ফুসরত যায় ফুরে
হাতের মধ্যে হিজিবিজি এঁকে,
মন কেনো হঠাৎ মোচড় মারে,
মনের কি পেট আছে? 
মনের কি পেট খারাপ হয়?
কি যানি বাপু ।
সব যেনো দেখি স্বল্প-দৈর্ঘ্যের টিভিতে,
আকাশের মেঘ গুলোও স্বল্পদৈর্ঘ্য
তাই আজ মনের মধ্য যে প্রেম সেটাও স্বল্প গল্প।
না যানি কবে আসবে দীর্ঘ দৈর্ঘ্য
সেটাও শেষ মেশ হয়তো ফুরোবে 
জীবন টা কিন্তু স্বল্পদৈর্ঘ্য,
তবে আমি তুমি কেনো যে মরি দীর্ঘ সল্পে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/31550/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Sep 2021 18:15:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বল্পদৈর্ঘ্য</p>
<p>ফুরত করেই ফুসরত যায় ফুরে<br />
হাতের মধ্যে হিজিবিজি এঁকে,<br />
মন কেনো হঠাৎ মোচড় মারে,<br />
মনের কি পেট আছে?<br />
মনের কি পেট খারাপ হয়?<br />
কি যানি বাপু ।<br />
সব যেনো দেখি স্বল্প-দৈর্ঘ্যের টিভিতে,<br />
আকাশের মেঘ গুলোও স্বল্পদৈর্ঘ্য<br />
তাই আজ মনের মধ্য যে প্রেম সেটাও স্বল্প গল্প।<br />
না যানি কবে আসবে দীর্ঘ দৈর্ঘ্য<br />
সেটাও শেষ মেশ হয়তো ফুরোবে<br />
জ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-31550"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/31550/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9c2c3049f0f4ea04c3e332071c982864</guid>
				<title>মনো-গ্রাফিক

এখন আমার বয়স ২৩। এত সূক্ষ্ম ভাবে মনে রাখার একটা কারণ আছে বটে। আগামী সেপ্টেম্বরে আমার জন্মদিন। আর এখন চলছে আগস্ট তাই খুব বেশি দেরি নেই। জন্মদিন কার না ভালো লাগে? আমারও ভালোলাগে তাই মনে রেখেছি। আসলে এই যে বয়সের পরিবর্তন আবার চিন্তা ভাবনার পরিবর্তন সবকিছু যেন নির্দিষ্ট সময় মেনে আসে। তারা যেন কোনো বাধাই মানতে চায় না। যেমন স্কুল জীবনের পাঠ্যপুস্তকে প্রধান দু&#039;টি বিষয় ছিল বাংলা ও ইংরেজি। ঠিক বয়স যেভাবে বেড়েছে এ দুটো বিষয়ও তাদের রূপ পরিবর্তন করেছে। প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে যখন উচ্চমাধ্যমিকে পদার্পণ করা হয় তখন এ দুটো বিষয়ের পরিবর্তন লক্ষণীয় হয়ে ওঠে। 
ছেলেবেলা:
ছেলেবেলাটা মূলত একটা বিশাল ফাঁকা বিশাল সমুদ্রের মতো। যে সমুদ্রে নেই কোন মাছ নেই কোন জলজ উদ্ভিদ। শুধু পানি আর পানি। একজন মানুষও প্রাপ্তবয়স্ক/প্রাপ্তবয়স্কা না হওয়া পর্যন্ত এরকম সমুদ্রেই বিচরণ করে। আস্তে আস্তে সে সমুদ্রে মাছের আহরণ হয়। আবার সেই মাছের খাদ্য হিসেবে জমে ওঠে জলজ উদ্ভিদ। ছোটবেলায় মায়ের মুখের বুলি শুনে শিখেছি জীবনের প্রথম শব্দ &quot;মা&quot;। তবে অনেকে আবার &quot;বাবা&quot; বুলি দিয়ে কথা বলা শুরু করেছে। আমার মায়ের থেকে শোনা আমার প্রথম বুলি মা দিয়েই শুরু হয়েছিল। যে শব্দগুলো আজ আমি লিখছি সেটাও আবার অন্য কোন সমুদ্র থেকে আসা। ঠিক এভাবেই আমরা আমাদের ফাঁকা সমুদ্রে মাছের আগমন ঘটে এখানে মাছ বলতে কথা বলাকেই বুঝানো হয়েছে। যখন একটু বয়স বাড়লো সাথে সাথে জানার আগ্রহটাও বেড়ে গেল। যেমনটি সমুদ্রে মাছ আছে কিন্তু মাছের খাদ্যের প্রয়োজন। সে খাদ্য কি? জলজ উদ্ভিদ যাকে আমি জ্ঞান আহরণের আগ্রহের সাথে তুলনা করছি। তখন আমাদের বিদ্যার সাগরে উদ্ভিদের জন্য বীজ আনতে যেতে হয় যেমনটি আমরা বিদ্যালয়ে যায়। সেখান থেকেই আমাদের জলজ উদ্ভিদের আগমন ঘটানো হয় নিজ সমুদ্রে। এই গানগুলোকে কথা খাদ্য হিসেবে সঞ্চালন করেছি আমরাই। কিভাবে যদি উত্তর উত্তর চাওয়া হয় তাহলে উত্তর হবে বিদ্যালয় থেকে। আরো ভেবেছি যত বড় হব ততই সমুদ্রে খাদ্যের মানে জ্ঞানের আগমন ঘটাবো। আর এই জ্ঞানগুলো খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করবে আমাদের &quot;বিবেক&quot;। তখন বিবেকে অনেক অনেক উক্তি জমা হয়। তার মধ্যে একটি শব্দকে বিবেক খুব বিশেষ ভাবে গ্রহণ করে। তা হল সততা। আস্তে আস্তে নদীর মতো করে বাক্য ধ্বনি শব্দ গড়ে ওঠে। যাদের পানিগুলো অবশেষে জ্ঞানসমুদ্রে প্রবাহিত হয়। 
মধ্যবেলা:
একটু ছোট থেকে বয়সটা যখন একটু গড়ালো তখন পদার্পন করলাম মধ্য বেলায়। এ বেলায় সবথেকে মজার ব্যাপারটা হলো সবাই এসে জানতে চাই &quot; বড় হয়ে কি হতে চাও বাবা!&quot; হাহাহাহা.....
আমি উত্তর করতাম আমি পাইলট হব। জানি না অন্যরা কি উত্তর দিত তবে আমাদের যুগে এই পেশাটা একটু ভাব বহন করত। &quot;পাইলট&quot; নামটাই যেন একটা আভিজাত্যের ছোঁয়া বহন করে। তবে কিছুদিন কি হব বাবা &#039; প্রশ্নের উত্তরটা বদলে গেল। তখন ইচ্ছা হত গাড়ির ড্রাইভার হব। তখন আমি হয়তো ক্লাস ফরে হবো। তখন আমার নানুবাড়ি ছিল ঈশ্বরদী। আমার নানু ঈশ্বরদী জংশনে এসপি ছিলেন। তাই আমার পৈতৃক নিবাস বগুড়া থেকে ঈশ্বরদী যাওয়াটা চাট্টিখানি কথা ছিল না। তাই বাবা অনেক সময় রেন্ট-এ-কার থেকে গাড়ি ভাড়া করতে। তখন আমার একটা সিট সব সময় ফিক্স থাকতো। সেটা হলো চালকের পাশের সিট। গিয়ার চেঞ্জ, স্টিয়ারিং ঘোরানো, ইনডিকেটরের টিকটিক শব্দ সব যেন আমাকে একটা চ্যালেঞ্জিং মুহূর্তে নিয়ে যেত। আমি ড্রাইভার কাকুর পাশে বসে খুব মনোযোগ সহকারে এসব দেখতাম। মনে হতো লোকটার কাজ কতইনা কঠিন। কঠিন কাজে সবার কাছে নায়ক হবার একটা চান্স থাকে। তাই আমিও হবো তখন সিনেমা দ্বারা প্রভাবিত ছিলাম। তবে মানুষ সামাজিক জীব। সমাজ দ্বারায় আমরা আমাদের চিন্তা ভাবনা গুলো নির্বাচন করি। যেমন আমরা সাধারণত সাদা চামড়া দেখলে বেশি আকৃষ্ট হয়। কিন্তু সাদা চামড়ার দেশের মানুষের আবার আমাদের মতো কালো শ্যামলা বাদামী রঙের চামড়া পছন্দের। এখানে তাদের সমাজব্যবস্থাটা তাদেরকে সে অনুপাতে ভাবতে শিখিয়েছে। তাই আমিও সামাজিক জীব। আশেপাশে যখন দেখলাম ড্রাইভের পেশাটা নিম্ন শ্রেণীর মানুষের মধ্যে বেশি। সমাজতো আমাকে শিক্ষা দিয়েছে আমাদের শ্রেণী বিভাগ রয়েছে। যাহ তখন বিবেক দ্বারা বুঝিনি এখন যতটানা বুঝি। আমার ইচ্ছারও নতুন ঘটে গেলো। তখন মাথায় আসলো উচ্চ শ্রেণীর মানুষেরা কি করে। তারা নিজের গাড়ি নিজেই চালায়। তাই আমিও ভাবলাম আমার সাথে এটাই যায়। 
তিন নম্বর বেলাটা নিয়ে কিছু লিখবো না। কারণ এ বেলায় সব ভুলকে ভুল জেনেও বাস্তবতা নামক উপাধি দিয়ে চেপে যেতে হয়। 
__________
আমার এই আলোচনার সারাংশ এইযে আমরা মানুষ সেই ছোটকাল থেকেই পরিবর্তন হয়ে আসছি। জ্ঞান বাড়ছে, বুদ্ধি আরও ধারালো হচ্ছে। অনেক কিছু শিখছি আর সেসব ফিল্টার করেন নিজের ব্যক্তিত্বটাকে গঠন করছি। তেমনি মানুষের সপ্নেও পরিবর্তন আসে। মাঝে মাঝে সেই স্বপ্নকে অবস্থার সাথে মানিয়ে নিতে হয় আবার অবস্থার বিপরীতে প্রয়োজনে ভ্যানিশও করে দিতে হয়। তারপর আবার স্বপ্ন বুনতে হয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/31549/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Sep 2021 18:13:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনো-গ্রাফিক</p>
<p>এখন আমার বয়স ২৩। এত সূক্ষ্ম ভাবে মনে রাখার একটা কারণ আছে বটে। আগামী সেপ্টেম্বরে আমার জন্মদিন। আর এখন চলছে আগস্ট তাই খুব বেশি দেরি নেই। জন্মদিন কার না ভালো লাগে? আমারও ভালোলাগে তাই মনে রেখেছি। আসলে এই যে বয়সের পরিবর্তন আবার চিন্তা ভাবনার পরিবর্তন সবকিছু যেন নির্দিষ্ট সময় মেনে আসে। তারা যেন কোনো বাধাই মানতে চায় না। যেমন স্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-31549"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/31549/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aab76c146cfbbf2e5e207bcf577c1cd8</guid>
				<title>অন্তু and Omore Faruk Raul are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/31546/</link>
				<pubDate>Sat, 04 Sep 2021 17:36:26 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">90f6298aca896144f92723aae2097bec</guid>
				<title>অন্তু and সাইফুন নেসা সীমা। are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/31268/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Sep 2021 23:46:40 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e194c32ac57882847b5205002283cd46</guid>
				<title>#আবারো গল্প
পৃথিবীতে প্রেম মানুষের এমন এক ধরনের অনুভূতি যার মধ্যে নেগেটিভ ও পজিটিভ দুটোয় বিদ্যমান। প্রেম নামক এই অনুভূতি একটা ব্যাধি মানুষিক দৃষ্টি থেকে। মানুষিক সকল সমস্যার উদ্ভবও বলা চলে প্রেমকে। একজন পুরুষ/নারী স্বাভাবিক ভাবেই তার অপজিট জেন্ডার দ্বারা আকর্ষিত হতে পারে। এটা নিয়ম নাকি, অবধারিত তা আমার সঠিক জানা নেই। তবে প্রেম ব্যাধি আপনাকে ছাড়লেও আপনি প্রেম ব্যাধি থেকে মুক্তি সহজে পাবেন না। আবারো আপনি সে ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে চাবেন। দিন শেষ ঘড়ে ফিরে কে না চায় একটু আদর একটু কথা ঝেড়ে হালকা নিজেকে। হালকা করা। প্রেম কি আসলেই মানুষিক সমস্যার উদ্ভব নাকি মানুষ নিজেই প্রেম কে মানুষিক ব্যাধি হতে বাধ্য করেছে? মনের ক্ষুদা থেকে প্রেমের উৎপত্তি। মন চায় তার জমানো কথা গুলো অন্য একটা মনের মধ্যে সঞ্চার করতে, সে মনের রিএকশন কি হবে তা জানতে। এই আগ্রহ থেকে প্রেম সঞ্চার করে মন। অনেকাংশে আপনার ব্যক্তিত্বটার অপসারণ হয়। একটা মানুষ দ্বারা অনবরত আপনি অবহেলিত হচ্ছেন তারপরেও আপনি তার কাছে যাচ্ছেন, কেনো? আপনার মন ক্ষুধার্ত। ক্ষুদা এতটাই অহসায় বস্তু নাকি জীব। যে মানুষ জীবনে একবার প্রেম করেছে সে বার বার প্রেম করতে চাইবে। কারণটা এমন একজনকে আপনি দীর্ঘ সময় যাবত পাশে পেয়েছেন। সবসময় তার একটা অনুভুতি দ্বারা আপনি আবিষ্ট ছিলেন। সে মানুষটা হটাৎ একদিন আপনার জীবন থেকে চলে গেলো। তখন তাকে ভুলে যাওয়াটা হবে আপনার মুক্ষম কাজ। না ভুলতে পারলে ভুলবার মত কাউকে আবার খুঁজে বের করতে হবে আপনার। কারণ মনের ক্ষুদা&#039; কে নীরব করতে হবে।
 ডিপ্রেশন অনেক প্রকার কিন্তু প্রেম পোকার কামড়ে প্রধান ডিপ্রেশন ঘটে। ঘটমান সকল চাহিদার থেকে মনের চাহিদা সব থেকে বড়। যখন আপনি আপনার ব্যক্তিত্ব হারাবেন তখন আপনি আপনার আদর্শ থেকেও সরে যাবেন। মানুষ কি পারবে দু নৌকায় পা দিয়ে নদী পার হতে। বর্তমান পেক্ষাপটে আপনার জীবনটা হলো নদীর মত আর নৌকা দুটো হলো একটি হলো প্রেম আরেকটি হলো আদর্শ। সমাজ আমাদের ভাবতে শিখিয়েছে , কোনটি মন্দ কোনটি ভালো। সমাজ সেট করে দিয়েছে। প্রেম জিনিসটি হয়তো কিছু কাল আগেও এত প্রকাশ্য ছিলো না এখননা যতখানি। একটা মনকে মানুষ বেশী ব্যালান্স করতে পারে না। একটা সময় ব্যালেন্সকারীর দম ফুরিয়ে যায়। তখন সবকিছু থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন মনে হতে থাকে। প্রেম মানে যে শুধু খারাপ তা কিন্তু নয়। কিছু প্রেম আমাদের লক্ষ্য পৌঁছাতে প্রেরণার যোগান দেয়। কিন্তু আত্ম প্রাধান্য নামে একটি জিনিস আমাদের অনেকের ব্যক্তিত্বে বিদ্যমান। সেটিই প্রেম আর লক্ষ্য অর্জনে দুজন মানুষের মধ্যে বেরিকেট হয়ে দাঁড়ায়। এটি দমন খুব দুষ্প্রাপ্য। আজ সমাজে আদর্শের খুব অভাব। কারণ প্রেম জিনিসটির সঙ্গা আমরা বদলে ফেলেছি। বাঙ্গালী জাতি এই ভালোবাসার অনুভূতির জন্য বিশ্ব জুড়ে সমাদৃত। ওয়েস্টার্ন সংস্কৃতিতে ভালোবাসা নামক অনুভূতি টার একটা ইতি চিন্তা থাকে। কারো সাথে বছরের পর বছর কাটানো তাদের কাছে খুব কঠিন মনে হয়। একটা সময় আমরা তাদের বিয়ে গুলোকে কন্ত্রাকচুয়াল অথবা নির্দিষ্ট মেয়াদের বিয়ে বলে থাকতাম। কিন্তু আজ আমরা কোথায় দাড়িয়ে আছি একবার ভেবেছি। কাওকে যদি প্রশ্ন করা হয় প্রেম কেন করে তাহলে সোজা একটা উত্তর আসবে দেহের ক্ষুদা মিটানোর জন্য। হতবাক হতে হয় যাদের কিনা মূল লক্ষ্য দেহ তারা আদর্শ প্রেম কি জিনিস কিভাবে বুঝবে।
&#x270d;&#xfe0f;অন্তু</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/31122/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Sep 2021 13:52:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23আব" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#আব</a>ারো গল্প<br />
পৃথিবীতে প্রেম মানুষের এমন এক ধরনের অনুভূতি যার মধ্যে নেগেটিভ ও পজিটিভ দুটোয় বিদ্যমান। প্রেম নামক এই অনুভূতি একটা ব্যাধি মানুষিক দৃষ্টি থেকে। মানুষিক সকল সমস্যার উদ্ভবও বলা চলে প্রেমকে। একজন পুরুষ/নারী স্বাভাবিক ভাবেই তার অপজিট জেন্ডার দ্বারা আকর্ষিত হতে পারে। এটা নিয়ম নাকি, অবধারিত তা আমার সঠিক জানা নেই। তবে প্রেম ব্যাধি আপন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-31122"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/31122/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d6012aa597f10ca53f95a0083b32277e</guid>
				<title>শেষ হয়েও যা অশেষ
তার নাম কি দিবে তুমি; আমরণ? 
এ যেনো নিয়তির আমন্ত্রণ,
জীবন যেখানে মুক্ত প্রাচীন নাট্য মঞ্চ।
কবিতার নিয়ম আমি জানিনা, 
যেটুকু জানি - তা শুধু ভুল জন্মের অসারতা।
বিরতিহীন জীবনে কত কিছু থেকেই বা বিরত 
তবুও কি তোমার অপার ঘরে নান্দনিক আলো?
আলো আর নেই,
আলোর বাতিতে কেরোসিনের অভাব বেধেছে, 
যন্ত্রকল গুলো কিচ্ মিচ্ করছে; 
কে যেনো ডাকছে আর বলছে -
এ তোমার ভুল জন্ম। 
&#x270d;&#xfe0f;অন্তু 
&quot; ভুল জন্মের মতো&quot;
১১ জুলাই ,২০২১, রাত ৩:১৮</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/31115/</link>
				<pubDate>Fri, 03 Sep 2021 13:42:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শেষ হয়েও যা অশেষ<br />
তার নাম কি দিবে তুমি; আমরণ?<br />
এ যেনো নিয়তির আমন্ত্রণ,<br />
জীবন যেখানে মুক্ত প্রাচীন নাট্য মঞ্চ।<br />
কবিতার নিয়ম আমি জানিনা,<br />
যেটুকু জানি &#8211; তা শুধু ভুল জন্মের অসারতা।<br />
বিরতিহীন জীবনে কত কিছু থেকেই বা বিরত<br />
তবুও কি তোমার অপার ঘরে নান্দনিক আলো?<br />
আলো আর নেই,<br />
আলোর বাতিতে কেরোসিনের অভাব বেধেছে,<br />
যন্ত্রকল গুলো কিচ্ ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-31115"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/31115/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f7583de8e16545107dc7e90fcd85c33d</guid>
				<title>অন্তু and Sharmin kulsum are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/30883/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Sep 2021 17:55:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bac52e945db69f3b9dc518ea04f3b618</guid>
				<title>অন্তু and কে,এম, আশিকুল আলম রিজন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/30832/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Sep 2021 17:07:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b07d1335171c16df65deb84ef8c775e5</guid>
				<title>অন্তু and নুসরাত জাহান অর্পি are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/30814/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Sep 2021 16:31:53 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4fd1c59f072846158c5977265aa92e3f</guid>
				<title>আমি কিন্তু সামাজিক বিজ্ঞান লিখতে বসিনি। উন্নত শ্রমিকশ্রেণীর কথা বলতে বসেছি। যে দেশে না আছে কোন পলিটিক্যাল আদর্শ না আছে ধোঁয়াশা হীন স্বাধীনতার ইতিহাস। স্বাধীনতার ইতিহাস একেক রাজনৈতিক দল এক এক রকম ভাবে তুলে ধরেছে। ইতিহাসে আজকের যে আদর্শ পরশু সে কালপ্রিট হয়ে যাচ্ছে। ব্যাপারগুলো খুব কনফিউজ জড়ানো তাই না? হয়তো হবে। এখন তো ক্ষমতার হরিণ চাই বলে ভাই তার নিজের ভাইকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। যে বাঙালির ভ্রাতৃত্ব সর্বপ্রথম ছিল, যে বাঙালির আত্মিক মায়া ছিল দৈবিক শক্তি ন্যায় তারা যেনো প্রায় বিলুপ্ত। মনে হচ্ছে বিলুপ্ত হওয়া প্রাণীগুলোর মতই,  এসব রাজনীতি , কূটনীতি তাদের প্রতিনিয়ত শিকার করছে।  ক্ষমতা যেনো সেবার বাহক নয় এখন ,উল্টো শোষকের হাতিয়ার। এইযে এত অর্ধমর্ণ সেবক তাদের বেড়ে উঠার কারণটা কি? এই ক্ষেত্রে অনেকের অনেক কনসেপ্ট আসবে। তবে সবার ওপরে যাহ আসবে তা হল সমাজের গাফিলতি। তবে একটু ভাবুন শুধু কি সমাজ দায়ী? নাকি শিক্ষারও একটা প্রভাব আছে?
 
প্রথমে আসা যাক আমাদের মৌলিক চাহিদা গুলোর দিকে। আমাদের মোট পাঁচটি মৌলিক চাহিদা। তবে আরো একটা বিষয় আছে যেটার ব্যাপারে আমরা খুব কম অবগত তা হলো মৌলিক অধিকার। এখন হয়তো মনে হবেই দুটো একই জিনিস কিন্তু আসলে সেটা না।  মৌলিক চাহিদা: সাধারণত মৌলিক চাহিদা হচ্ছে এমন কিছু বিষয় যা জীবনধারণের জন্য মানুষের অবশ্যই প্রয়োজনীয়। বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫ তে মৌলিক চাহিদা সম্পর্কে বলা হয়েছে। মৌলিক চাহিদা সময়ের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, বাসস্থান, চিকিৎসা ও চিত্তবিনোদন।  এছাড়াও কর্মের অধিকার, বিশ্রাম লাভের অধিকার, বৃদ্ধ শিশু বিধবাদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা ইত্যাদি। 
মৌলিক অধিকার: প্রথমেই বুঝতে হবে অধিকার আর চাহিদা এক জিনিস নয়। বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিয়ে বলা আছে। সংবিধানের এই অধ্যায়ের ২৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোন আইন করা যাবে না। আর তা যদি করা হয়, তাহলে তা বাতিল হবে। সবগুলো অধিকার নিয়ে আমি বলবো না তবে একটা পয়েন্ট নিয়েই আলোচনা করতে চাই। সেটি হল &quot; বৈষম্য করা যাবে না এবং সমান সুযোগ&quot;।
এখন যদি আমি মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে থেকে শিক্ষাকে বের করে আমি আর এদিক থেকে বৈষম্য করা যাবে না এবং সমান সুযোগ এই পয়েন্টটা কে যোগ করি তাহলে কি হবে? তাহলে প্রথমে আসবে দেশের ভঙ্গ শিক্ষা ব্যবস্থা। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কথায় আসা যাক মূলত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কথাই বলা যায়। যখন ঢাকা চট্টগ্রাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ অধিভুক্ত কলেজের তদারকি করতে গিয়ে অভ্যন্তরীণ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় বাড়তি চাপ ছিল। সেই চাপ কমাতে অধিভুক্ত কলেজগুলোর মানোন্নয়ন লক্ষ্যে ১৯৯২ সালের একুশে অক্টোবর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। তারা কি চাপ কমাতে পেরেছি কিনা এই নিয়ে স্বাভাবিক একটা সন্দেহ থেকেই যায়। তবে এমনটা হবার জন্য শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক বৈষম্য এসেছে। আর যদি মান উন্নয়ন হয়েই থাকে তাহলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর সনদপত্র এতো ছোটো করে মাপা হয় কেন? উপরন্তু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে এতো তফাৎ কেন? যেখানে সংবিধানে লিখা আছে শিক্ষা সবার জন্য সমান। তাহলে এখানে সমতা কোথাই? বিবিএ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক রকম সিলেবাসে পড়ান হয় আবার পাবলিকে আলাদা। তাহলে মিল কোথাই হইলো? মান উন্নয়ন কোথাই? অধিকাংশ দিকেই অমিল দেখা যাচ্ছে। তবে আমি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে হেয় করছি না। তবে দেশের সিংহভাগ ছাত্র-ছাত্রী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশের মোট ৫৮  টি  পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অন্তর্ভুক্ত কলেজ সংখ্যা ৮৫৭ টি ,  যেখানে  স্নাতক  পড়ানো হয়। আর ১৪৫ টি কলেজে স্নাতকোত্তর পড়ানো হয়। ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যার দিক থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়।  যার ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা চার লক্ষ বিশ হাজারের অধিক।  দিনকে দিন সে সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাহলে এই বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। কারণ দেশে পর্যাপ্ত বেকার উপস্থিত।তখন আপনি এই সিংহভাগ ছাত্র ছাত্রীর ভবিষ্যৎ নিয়ে কী বলবেন? তারা আসলে দেশের জন্য কি সম্পদ নাকি বোঝা অথবা তাদের তৈরি করবার দায়িত্ব কাদের ছিল? যেখানে বিগত বিশ বছরে বাংলাদেশের বেকারত্বের হার বেড়েছে ৫.৪ শতাংশ।  ২০১০ সালে যার হার ছিল ৪.৫ শতাংশ।  মূলত  এই বিশাল ছাত্র গোষ্ঠী হল বাংলাদেশের উন্নত শ্রমিক।  আমরা কি শ্রমিকের সংজ্ঞা কি  জানি? “যে ব্যক্তি তার যোগ্যতা ও কাজের উপযোগী হয়ে কোন অর্থ উর্পাযনের কাজে নিয়োজিত থাকেন তাকে শ্রমিক বলা হয়। শ্রমিক মূলত তার শ্রম বিক্রয় করেন তার জন্য এক পক্ষেকে তার উপযুক্ত মূল্য পরিশোধ করতে হয়।” কতোজন তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পেয়েছে?  বাংলাদেশের অধিকাংশ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ছাত্রী উঠে আসে।  তবে এখানেও সফলতার গল্প আছে একেবারেই যে নেই তা আমি বলছি না। চেষ্টা ও শ্রম  যদি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায় তাহলে সম্ভব। কিন্তু  এসব সফলতার পরিসংখ্যানিক হার খুবই কম।  এদিকে আবার সমাজের একটা চাপ এসব ছাত্রছাত্রীকে সবসময় তাড়া করে। কারণ পূর্ব শিক্ষিত মানুষগুলো মান উন্নত শিক্ষা পায় নাই।
দেশের এই সিংহভাগ ছাত্র-ছাত্রীর যদি  উন্নত মানের শিক্ষা প্রদান করা হতো তাহলে দেশে এত বেকারত্ব ও বৈষম্য থাকতো না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটা সুস্থ সমাজ পাওয়া যেত। মূলত যে-দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় এত বৈষম্য ও অনিহা সেখানে সবার অধিকার রক্ষা করা বড়ই কঠিন। শিকড় থেকে উন্নতি না করতে পারলে মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো মেইনটেন করা কখনও সম্ভব না।যারা নিজে নিজে লড়ে আপন অবস্থান এর উন্নতি করছে তারা শুধু নিজেরটাই  নিয়ে ব্যস্ত আছে কিন্তু এই সমাজটা সকলকে নিয়ে গঠিত। 

&#039; উন্নত শ্রমিক &#039;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/30724/</link>
				<pubDate>Thu, 02 Sep 2021 09:11:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি কিন্তু সামাজিক বিজ্ঞান লিখতে বসিনি। উন্নত শ্রমিকশ্রেণীর কথা বলতে বসেছি। যে দেশে না আছে কোন পলিটিক্যাল আদর্শ না আছে ধোঁয়াশা হীন স্বাধীনতার ইতিহাস। স্বাধীনতার ইতিহাস একেক রাজনৈতিক দল এক এক রকম ভাবে তুলে ধরেছে। ইতিহাসে আজকের যে আদর্শ পরশু সে কালপ্রিট হয়ে যাচ্ছে। ব্যাপারগুলো খুব কনফিউজ জড়ানো তাই না? হয়তো হবে। এখন তো ক্ষমতার হরিণ চাই বল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-30724"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/30724/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">628d22513fcd9c4b9e1a8eb8ac5300ec</guid>
				<title>ব্যতীত স্বপ্ন তুমিতো অপূর্ণ
 ব্যতীত তুমি আমিই তো স্বপ্নশূন্য,
 বাক্স ভর্তি মিথ্যা ভয়,
 জানি ভাঙ্গাবেনা এখন আর কেউ।

দীর্ঘ শত ঘটিকা করলাম খরচ: 
ভয়কে বুঝিয়ে হয়তো শান্ত সমর্পণ 
পরিশেষে জানতে পারলাম ভয় ‘বিদ্রোহী’ আলাপন! 
বিদ্রোহী তো অনাবৃষ্য!.... 

কোনো দৈবশক্তি আমার-তো নেই,
তবে তোমার শান্ত নিরুত্তাপ প্রেম;
যেন বড্ড ভয়ের কারণ- 
আর সেই ভয়ের পেরেক বিঁধেছে আমার মনে, 
কলিজা শূন্য রক্তে ভয়ের পজিটিভ চিন্তাই।

এই ভয় তো তুমিই
এই ভয় তো আমিই
নিজের প্রতি ভয় বাড়ছে,
শীতল সন্ধ্যা আরও ঘনিয়ে উঠছে
বাতি নিভে যাচ্ছে অবয়বে !
মস্ত চিন্তা - 
কবে হবে সম্পূর্ণ একটা দায়।

জীবন যেখানে অচেনা বন্দুক,
যার কার্তুজ মনে ভুজ ভুজ
মরবে আবার নিজেও ফুটে মারা পরবে
সুন্দরতম কোন ফাগুনে,
বড়ই স্বার্থপর আমার ঘৃণাগুলো
নাগালের বাহিরে তার অন্তিম কর্মগুলো।

আগস্ট ৮, ২০২১, রাত ১১ টা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/30535/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Sep 2021 16:44:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ব্যতীত স্বপ্ন তুমিতো অপূর্ণ<br />
 ব্যতীত তুমি আমিই তো স্বপ্নশূন্য,<br />
 বাক্স ভর্তি মিথ্যা ভয়,<br />
 জানি ভাঙ্গাবেনা এখন আর কেউ।</p>
<p>দীর্ঘ শত ঘটিকা করলাম খরচ:<br />
ভয়কে বুঝিয়ে হয়তো শান্ত সমর্পণ<br />
পরিশেষে জানতে পারলাম ভয় ‘বিদ্রোহী’ আলাপন!<br />
বিদ্রোহী তো অনাবৃষ্য!&#8230;. </p>
<p>কোনো দৈবশক্তি আমার-তো নেই,<br />
তবে তোমার শান্ত নিরুত্তাপ প্রেম;<br />
যেন বড্ড ভয়ের কারণ-<br />
আর সেই&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-30535"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/30535/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">093b6ba8f5f41ed1d203a6a4da955ce8</guid>
				<title>অন্তু changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29688/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 18:19:30 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9668c4a06cde20dd43fd95581becaf87</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29687/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 18:18:50 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e25c019fcda3baacf19e86f2125f6095</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29686/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 18:18:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e50bd2dd8f90ee4e52b4e6d5f281d83f</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29685/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 18:18:03 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8bfbf8c521d4eb88425e5b3462ba3417</guid>
				<title>আজ বাদে কাল মৃত্যু। কথা সত্য, তবে আমরা ম্যাক্সিমাম সময় সেটাই ভুলে যাই। নিজেদের স্বাভাবিক স্বভাব কে বদলে অন্যভাবে নিজেকে গড়তে চাই। আসলে পরিবর্তনকে আমরা বুঝতে পারিই বা কিভাবে? যদি পৃথিবীতে ঋতু পরিবর্তন না হতো তাহলে কি আমরা বুঝতাম সময় এগিয়ে যাচ্ছে অথবা পরিবর্তন হচ্ছে? যদি সূর্য উঠে আর ডুবে নাইবা যেত তাহলে কি ঘড়ির প্রয়োজন ছিল? তাই মেনে নিতে হবে আমাদের পরিবর্তন আমাদের প্রাকৃতিক নিয়ম। যখন ছোট ছিলাম মনে হতো সময় কেন তাড়াতাড়ি যায় না, কেনইবা আমি তারাতারি বড় হয় না! কারণ তখন আমি ছোটবেলার শাসন, বাঁধন থেকে মুক্ত হতে চাইতাম। আপনার মা বাবার অবাধ্যও কেউ কেউ হতে চায়। যখন সময় এর গতিতে আমাদের পরিবর্তন হয়, when we will stand on 41 or 41+ তখন মনে হয় সময় কেন ধীরে যায় না।  &quot; সময় যাস না ফুরিয়ে, তোর সাথে আমার এখনও অনেক গপ্পো বাকি ভাই রে&quot;। 
রেশনাল নিড ,  সাবস্টেন্সশিয়াল নিড তখন অতীব প্রয়োজনীয় হয়ে যায়। সময়, ঋতু, সপ্তাহের নাম সবকিছুই তো মানুষের তৈরি। তাও কেন আমরা তাকে পরিবর্তন করতে পারিনা? সব সময় &#039; সময়গুলো&#039; আমাদের পরিবর্তন এনে দিচ্ছে। ডিজায়ার, হাহাকার- শব্দগুলো টাইম বেস্ ডিমান্ড। উদাহরণ দেওয়া যাক একটা - আমরা যখন কোন প্রশ্নের উত্তর লিখি, ঠিক তখন কি আমরা সেই প্রশ্নের ইনফিনিট উত্তর দিয়? নাকি আমরা জানি কতটুকু উত্তর লিখলে প্রশ্নের জন্য যথার্থ হবে। আমরা বুঝতে পারি প্রশ্নকারীর ডিজায়ার কতটুকু বা সে কতটুকু তে স্যাটিসফাই হবে। ঠিক জীবনটাও একটা প্রশ্ন আমাদের কাছে যার উত্তর দাড়ি, কমা অথবা ফুলস্টপ হীন। যদি এভাবে মনে করতাম জীবনকে আজকের জন্যই সর্বোত্তম উত্তর দিতে হবে কারণ আগামী দিনে আমার জীবনের ফুলস্টপ হয়ে যেতে পারে। হাহাকার, অভাব অথবা ডেজায়ার সবকিছুই ভবিষ্যৎ কেন্দ্রিক। যদি শব্দগুলো বর্তমান কেন্দ্রিক করে ফেলতাম তাহলে অনেকাংশে কষ্ট কম হয়ে যেত। যে ভালোবাসাগুলো আগামীর জন্য বাঁচতে চাই, তাদের আজকেই অবসান হওয়ার মত চান্স থেকে যায়।&quot;
&#x270d;&#xfe0f; Antu
&#039; let people die &#039;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/29682/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Aug 2021 18:12:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> আজ বাদে কাল মৃত্যু। কথা সত্য, তবে আমরা ম্যাক্সিমাম সময় সেটাই ভুলে যাই। নিজেদের স্বাভাবিক স্বভাব কে বদলে অন্যভাবে নিজেকে গড়তে চাই। আসলে পরিবর্তনকে আমরা বুঝতে পারিই বা কিভাবে? যদি পৃথিবীতে ঋতু পরিবর্তন না হতো তাহলে কি আমরা বুঝতাম সময় এগিয়ে যাচ্ছে অথবা পরিবর্তন হচ্ছে? যদি সূর্য উঠে আর ডুবে নাইবা যেত তাহলে কি ঘড়ির প্রয়োজন ছিল? তাই ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-29682"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/29682/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0553ef77d3538fd7562d01ff1d38c05e</guid>
				<title>“ রুশো, এই রুশো “ রুশোর মা খুব ভোরে এসে দরজাই করাঘাত করলো। কিন্তু রুশো এখনও সকাল হয়েছে তা মেনে নিতে নারাজ। “ আহা আম্মু ঘুমোতে দাও তো, কেবল মাত্র ৭ টা সাম্থিং”। 
তোকে এতো সকালে তোলার ইচ্ছা ছিল নারে, কিন্তু একটা দুঃসংবাদ আছে বাবা। রুশো ভাবলো কী আর হবে হয়ত উদ্ধার করে আনা চড়ুই পাখির ছানা  তার পোষা বিড়াল মিনি খেয়ে ফেলেছে। “ “তোর সুমন ভাই কাল রাতে মারা গিয়েছে রে , একটু উঠে পাশের বাড়িতে গিয়ে সবার সাথে একটু দেখা করে আই, তোর বাবা সেখানেই আছে” হাল্কা তবে জটিল-মিশ্র অনুভুতিতে  রুশোর মা বলে  গেলেন। খুব সম্ভবত রুশোর শরীরে একটা স্পিরিচ্যুয়াল ঝাকুনি লাগলো।  সেই ঝাকুনিটা না বেশী ভারী, আবার না বেশী হালকা। সুমন ভাই ব্যক্তিটা খুব বড় কিছু নয়,  তবে আজ যখন তাঁর নামের পাশে মৃত শব্দটির ব্যাবহার করতে হবে  রুশো ভাবলো ঠিক কথাটা ভেবেই তাঁর শরীরে ঝাঁকুনিটা  সঞ্চার হয়েছিল। 
সুমন রুশোদের সামনের বাসাই থাকে। সুমনের বয়স প্রায় রুশোর থেকে ২০-২২ বছর বেশী। সুমনের মৃত্যু খুব স্বাভাবিক ছিল না। দিন কতক আগে সুমন তার মানুষিক অবস্থা হারিয়ে ফেলেছিল। সব সময় কারো না কারো সাথে কথা বলতো। কাল্পনিক চরিত্র হবে হয়তো। আবার ফ্রেগোলি ডেল্যুশন (Fregoli delusion) হতে পারে। ‘ফ্রেগোলি ডেল্যুশন’ বা ‘দ্য ডেল্যুশন অব ডাবলস্’ এমন এক ব্যাধি যেটাতে আক্রান্ত হলে রোগী সবসময় কল্পনা করতে থাকে যে, তার আশেপাশে মুখোশধারী সব মানুষেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাকে অনুসরণ করছে। নিজের কোন উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি বা একই ব্যক্তি মুখোশ, মেকাপ এবং পোশাক বদলে নিজের চেহারা পরিবর্তনের মাধ্যমে তাকে অনবরত অনুসরণ করছে।এই সিনড্রোমটির কথা প্রথম আলোচনায় আসে ১৯৭২ সালে। সেসময় এক কিশোরী মেয়ের দেখা পাওয়া যায়্ যে কল্পনা করত, সে যে থিয়েটারে নাটক দেখতে যায় সেখানকার দু’জন অভিনেতা তার পরিচিত বিভিন্ন ব্যক্তির বেশ ধরে তাকে প্রতিনিয়ত অনুসরণ করছে কোন উদ্দেশ্য হাসিলের অভিপ্রায়ে।অ্যানিমেশন মুভি “অ্যানোমালিসা”তে এ রোগের আংশিক কিছুটা উপস্থাপন রয়েছে। কিন্তু অবাক করা ব্যাপার ছিল সুমন অন্যান্য অবস্থায় একদম স্বাভাবিক। তাকে দেখলে বুঝাই যেত না তার এমন মানুষিক সমস্যা আছে। রুশো কখনও তাকে নিয়ে এতো ভাবত না। কারণ মানুষটা খুব স্বাভাবিক ভাবেই বাজার-ঘাঁট করতো। ইভেন কারও সাথে সে কখনো খারাপ ব্যবহার করেনি অবধি। রুশো শুয়ে শুয়ে আরও ভাবছে এই মানুষটা দোকানে যখন যেত তখন তার মনেই হতো না সুমন ভাইয়ের এমন সমস্যা। অন্য সকলে বলতো সুমনের ভাইয়ের সাথে জীন ছিল। বিশ্বাস করতেও হল, কারণ এসব তো আর নিছক কিছু নাই। এমনি সাইন্স  আজ পর্যন্ত  এই  ব্যাপারগুলোর খোলাসা করতে পারেনি। 
 যাইহোক রুশো তার দিনের সব কাজ একে একে সেরে ফেললো। লাশ বাড়িতে যাবার হাবিট আবার রুশোর ছিল না। তাই সে মনে মনে ভেবেই নিলো সুমন ভাইয়ের জানাজা ইসারের পরেই হয়তো হবে। কারণ সুমন মারা গিয়েছিলো পাবনা পাগলা গারদে। রুশো আবার ভাবে মানুষটা খুব অদ্ভুত ভাবেই হারিয়ে গিয়েছিলো নাকি সে কখনো জানতে চাই নি মানুষটা কোথাই? তাজ্জবের ব্যাপার এলাকাই কেও জানতো না সুমনকে পাগলা গারদে পাঠানো হয়েছে। রুশোর মনে হালকা সাসপেন্স জাগল “ তাহলে কি হলিউডের মুভির মতো সুমন ভাইয়ের ওপর কোন পরীক্ষা চালানো হয়েছে , যার ফলে সুমন ভাইয়ের অক্কা পাওয়া। যাহ্‌ এসব আবার বাংলাদেশে হবে নাকি কি সব ভাবি। “  কিছু দিন আগেই রুশো আবার লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও অভিনীত শাটার আইল্যান্ড মুভি দেখে একটু কন্সাশ হয়েছিলো। অবশেষে রুশো জানাজাই গেলো। কিন্তু তখন অবধি রুশো সুমনের মুখ বিবর দেখে নি। দেখতে ইচ্ছাও হচ্ছিলো না। একে একে সুমনের সব গুরুজন কথা বলছে। কাতারে দাঁড়ানো সারি সারি মুসল্লি। সামনে সুমনের খাটনি। সাদা কাফনের কাপরে জোরানো সুমনের লাশ। অপরে কালেমা লেখা একখানা জায়নামাজের মতো বস্ত্র। রুশো আবারও ভাবতে লাগলো 
একজন মানুষ যখন আখিরাতের পথে যাত্রা করে তখন সে বাক্তিটি হয়ে যায় এলাকাই কেন্দ্র। হি ইস নান বাট এ ফ্যাক্ট সাবজেক্ট অফ পিপলস গসিপ। তার জীবিত থাকা কালিন সকল আচরণ বিচরণ সব কিছু নিয়ে মানুষে কথা বলে, আফসোস করে, ফাঁকা জাইগা নিয়ে ভাবে তার অভাবের কারণ ভাবে, তার অতীত নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলে। এ যেন এক সামাজিক মিথস্ক্রিয়া।  খুব অবাক লাগে একটু আগে যে মানুষটা কারো বাবা,  কারো ভাই,  কারো সন্তান  এবং নানাবিধ সম্পর্কে মরলে জড়ানো ছিল সে মানুষটা ফুট করে যেন কোথায় উড়ে গেল।  তার কাপড়,  তার ঘর,  তার ফেলে যাওয়া টাকা-পয়সা  এসব জীবিতই থেকে গেল মাঝখান থেকে মানুষটা উবে গেল।  ঠিক যেমন কাপড়  ধোয়ার পরে  রোদ্দুরে শুকাতে দেওয়া হয় তার মত তার দেহ খান পড়ে থাকে। একটু পর হুজুর তার বক্তব্য শুরু করলেন
“  এই পরিবারের সাথে আমার সম্পর্ক একটু অন্যরকম।  আপনারা সবাই জানেন মাইয়াতের বাবা উনি হলেন আমাদের এই অনুষ্ঠানের সম্মানিত সভাপতি।  একজন বাবাই জানে তার সন্তানকে হারানোর বেদনা। যুগে যুগে বহু নবী বহু সাহাবী তাদের সন্তানকে ক্ষয়েছেন। মহান রাব্বুল আলামিনের মায়ার ভান্ডার  বিশাল বড় যার একটা সিকি তিনি আমাদের মাঝে দিয়েছেন। তাতেই আমাদের  এতো মায়া এতো মহব্বত। ভাইরা আজ কজন আমরা সেই আল্লাহ তায়ালার নেয়ামতের কথা চিন্তা করি।  চিরদিন কেউ দুনিয়ায় থাকবনা।  সবাইকে একটা না একটা সময় যেতেই হবে।  কিন্তু সে পথ খুব সহজ না।  এ দুনিয়া আখিরাতের শস্যক্ষেত্র।  এখানে যেমন কর্ম আখিরাতে তেমন ফল।  আজ মানুষ দুনিয়া নিয়ে এত ভক্ত যে তারা দিনের ভক্ত হতে অনেক অনেক দূরে।  আল্লাহ সেই বিচারের দিন সবাইকে জিজ্ঞেস করবে 
‘হে বান্দা আমি তোমাকে জ্ঞান দিয়েছিলাম আমি তোমাকে বিবেক দিয়েছিলাম কিন্তু তুমি সেই জ্ঞান বিবেক দিয়ে আমাকে ভাবো নি ,  মানুষের উপকারের কথা তুমি ভাবো নি,   ভেবেছ নিজের আরাম-আয়েশের কথা।  তাই আজ তোমার বাসস্থান হবে জাহান্নাম”। তাই ভাই সকল সবাই একটু দ্বীনের পথে আসি। সবাইকে অশ্লীল কাজ কারবার থেকে বিরত রাখি,  ভাইয়ে ভাইয়ে হানাহানি বন্ধ করি।  একটু পরেই এই মাইয়াতকে গভীর অন্ধকার কবরে রেখে তিন মুঠো মাটি দিয়ে সকলে তার নিজ নিজ জায়গায় চলে  যাইবো।  কোথায় থাকব আমার টাকা আমার গাড়ি আমার বাড়ি আমার সন্তান? কেউ ৩ হাতে কবরে সাথী হইবো না।  সাথী হইবো কি? ইবাদত। তাই ভাই যতক্ষণ জীবিত আছি  আখেরাতের জন্য কিছু  গোছাইয়া লই। “ এর পরেও মাওলানা সাহেব আরও কথা বললেন। কিছু মানুষের বিরক্তির ভাব জেগে উঠলো কারণ এই জগতে তাদের অনেক কাজ। এটা মাত্র একটা রিচুয়াল। তেমন কিছু না মানুষকে বলা যাবে আমি তার জানাজাই ছিলাম তো। রুশো ভাবতে লাগলো ধর্মের কথা গুলো কিন্তু মন্দ নয়।  সব ধর্মে প্রায় একই কথা।  আর সেটা হল নির্দিষ্ট সৃষ্টিকর্তার আদেশ পালন করা তাঁর ইবাদত করা।  সকল ধর্মের কথাই সমান যেমন  শান্তি,  মানুষের সাথে সুসম্পর্ক,  একে অপরকে সাহায্য করা,  ঝগড়া-বিবাদ অশান্তি করা।  সকল ধরনের নীতি কোথায় সকল ধর্মের উল্লেখ।  কোন  ধর্মে অবিবেচক কিছু বলা হয়নি।  ধর্মে ধর্মে এত রেষারেষি কেন?  আবার মানুষ অ্যাথেইস্ট ইবা হয় কেন?  ধর্মত শৃংখলার কথা বলে।  শৃংখল জীবন যাপনে উদ্বুদ্ধ করে।  কথায় আছে শৃঙ্খলাহীন মানুষ পশুর সমতুল্য।  অপরাধী নাস্তিকেরা কেন তাদের প্রিয়জনদের সাথে সহমরণে অথবা কফিনে যায় না কেন?  তারা যখন সৃষ্টিকর্তাকেই বিশ্বাস করে না তাহলে কেনইবা মৃত্যুকে বিশ্বাস করে?  গ্রীক মিথলজিতে মানুষের জীবনটা এরকম ভাবে দেওয়া আছে -  মানুষের জীবন গাছের মত ছিল।  আকাশ থেকে বীজ বর্ষিত হতো সেখানে থেকেই তাদের বেড়ে ওঠা।  সেখানে এটা ছিল না শারীরিক মিলন এসবের কারণে একটা মানুষের জন্ম হয়। সকল ধরনের মোটিভেশনাল স্পিকারাই তো বলে  জীবনের উদ্দেশ্য রাখা উচিত।  কিন্তু সে  উদ্দেশ্য মূলে কি থাকে?  অবশ্যই পুরস্কার  সেটা হতে পারে উন্নত জীবনযাপন, অনেক টাকা পয়সা অথবা অনেক খ্যাতি  ইত্যাদি।  ঠিক  ধর্মে পুরস্কারের কোথাই বলেছে। ভালো কাজের জন্য জান্নাত আর খারাপ কাজের জন্য জাহান্নাম। যারা ধর্মে বিশ্বাস করতে চায় না তারা মূলত অহংকারী।  বিকজ দে নেভার অবিড বায় সামঅয়ান।  কিন্তু এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে অহংকারী শব্দটি নেগেটিভ।  যার আত্মিক অর্থ ঈর্ষা,  ধ্বংস ,  মানবিক অবক্ষয়। “ Life is a waiting game. It doesn&#039;t matter what you do or what you did, you can take nothing but your good deeds and humanity. We are all waiting for death.&quot; সুমন ভাই আজ বড্ড বেশী একা।  সবাই তাকে মাটির নিচে রেখে ফিরলাম।  যে যার আস্তাবলে  অধিষ্ঠিত  হলাম।  আর কখনোও সে মানুষটাকে নিয়ে  ভাববো না , কখনো ঘরের পিছনের জানালা খুলে দেখবো না তার কাল্পনিক  বাক্য আলাপ।  এ যেন বিদায় সূচনা সম্ভাষণ। 

&quot; বিদায়ী সূচনা&quot; 
&#x270d;&#xfe0f;অন্তু 
&quot;৮ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/19984/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Jul 2021 05:06:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“ রুশো, এই রুশো “ রুশোর মা খুব ভোরে এসে দরজাই করাঘাত করলো। কিন্তু রুশো এখনও সকাল হয়েছে তা মেনে নিতে নারাজ। “ আহা আম্মু ঘুমোতে দাও তো, কেবল মাত্র ৭ টা সাম্থিং”।<br />
তোকে এতো সকালে তোলার ইচ্ছা ছিল নারে, কিন্তু একটা দুঃসংবাদ আছে বাবা। রুশো ভাবলো কী আর হবে হয়ত উদ্ধার করে আনা চড়ুই পাখির ছানা  তার পোষা বিড়াল মিনি খেয়ে ফেলেছে। “ “তোর সুমন ভাই ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-19984"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/19984/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ba79def64926c7d437125156f2976e43</guid>
				<title>মূলধনের বেকারিতে বিকেছে কি?
নারীর সস্তা ক্ষুদ্র কান্না,
নাকি নিত্যচাপের প্যাকেট মোড়ানো ভদ্রতা?
দেহে দেহে দাসত্বের ছাপ
ক্যাপিটালের নির্মাণাধীন ছায়ায়।
নেয় কিছু; বাকি আছে রাজনৈতিক সব ইস্যু!
ভালোবাসা আছে নাকি তাও বিকিয়েছো নর্দমায়,
হোটেলের বেডে তোমার নীল বীর্য্য কথা কবে কি তোমার ভালোবাসার? 
আহা সন্ধ্যার কবি ফিরেছে 
খালি হাতে , প্যান্ট ভর্তি ব্যর্থতা নিয়ে। 
সকলেই আজ রাজনৈতিক দাস,
মেনে নাও দাসত্ব।

&quot;অবচেতন&quot;
১০ জুলাই, ২০২১। ১:৪৮ রাত , বগুড়া।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/19439/</link>
				<pubDate>Sat, 10 Jul 2021 06:33:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মূলধনের বেকারিতে বিকেছে কি?<br />
নারীর সস্তা ক্ষুদ্র কান্না,<br />
নাকি নিত্যচাপের প্যাকেট মোড়ানো ভদ্রতা?<br />
দেহে দেহে দাসত্বের ছাপ<br />
ক্যাপিটালের নির্মাণাধীন ছায়ায়।<br />
নেয় কিছু; বাকি আছে রাজনৈতিক সব ইস্যু!<br />
ভালোবাসা আছে নাকি তাও বিকিয়েছো নর্দমায়,<br />
হোটেলের বেডে তোমার নীল বীর্য্য কথা কবে কি তোমার ভালোবাসার?<br />
আহা সন্ধ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-19439"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/19439/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f559d8cbde0cbcd8e4862d5bdc7911e0</guid>
				<title>অন্তু and অভিমানী মন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/19431/</link>
				<pubDate>Sat, 10 Jul 2021 06:30:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f559d8cbde0cbcd8e4862d5bdc7911e0</guid>
				<title>অন্তু and Neel tripura are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/19430/</link>
				<pubDate>Sat, 10 Jul 2021 06:30:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f559d8cbde0cbcd8e4862d5bdc7911e0</guid>
				<title>অন্তু and Drako Shajib are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/19429/</link>
				<pubDate>Sat, 10 Jul 2021 06:30:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f559d8cbde0cbcd8e4862d5bdc7911e0</guid>
				<title>অন্তু and চাঁদ সদাগর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/19428/</link>
				<pubDate>Sat, 10 Jul 2021 06:30:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>