-
অলীক আলাপ
বন্ধু, যুদ্ধে কোন বীরত্ব নেই। ও সব বানানো কথা। যুদ্ধ ক্ষেত্রে মানুষ মানুষকে খুন করে, ধর্ষণ করে অপরিচিত নারীকে, গলা টিপে ধরে শত্রু পক্ষের ছ মাস বয়সী শিশুর গলা- তাকে হত্যা করে। যুদ্ধের শেষে কোন স্বর্গ নেই। যুদ্ধ নিজেই নরক। সে আরেক নরকের দ্বার উন্মোচন করে। সে ভাগ করে দেয় কাঁটাতারে- পিতা থেকে পুত্রকে, মায়ের কাছ থেকে মেয়েকে। যুদ্ধের ময়দানে ক্ষুধা, নৈরাজ্য আর পাশবিকতা। বিশ্বাস করো যে মহান আদর্শের জন্য তুমি যুদ্ধে যাও সেই খুনের ময়দানে তার কোন স্থান নেই। সেখানে সৈনিক শুধু ভাবে আর একটা দিন কিভাবে বেঁচে থাকা যায়। তখন শুধু মৃত্যু থেকে নিজেকে বাঁচানোর কথাই ভাবে সৈনিকের দল। ভাগ্য ভালো হলে রাতের অন্ধকারে মর্টার শেল তোমাকে বিদ্ধ করবে না। তোমার বীরত্ব দেখার জন্য সেখানে কেউ বসে নেই। এটাই চিরন্তন সত্য। যে সব মানুষেরা অবুঝ তরুণদের যুদ্ধে এগিয়ে দেয় তারাই ওই নরকের সবচে বড় সুবিধাভোগী। ওতে ওদের ব্যবসা বাড়ে। আর সৈনিকের দল অনাহারে, অর্ধাহারে দিন পার করে জীবনের জন্য। কারণ তোমার শত্রু বা তুমি- সবাই মৃত্যুকে ঘৃণা করে। তারা বেঁচে থাকতে চায়। যুদ্ধের কোন নীতি নেই, কোন আদর্শ নেই, কোন মহানুভব বীরত্ব নেই। সব মিথ্যে কথা। এগুলো ওই ব্যবসায়িদের শেখানো বুলি। যুদ্ধে সবচে আগে পরাজিত হয় সকল মানবিক মূল্যবোধ। তুমি সেখানে নীতি, নিয়ম, আদর্শ খুঁজতে চাও? যুদ্ধ মাত্রই অমানবিক।
তার চেয়ে আমাদের গানে, কবিতায় গলা মেলাও। জীবনের সংগ্রামকে করো আনন্দদায়ক। একটাই জীবন। তাকে পরাজিত করার কোন অর্থই নেই। তুমি অন্যায়ে প্রতিহিংসাপরায়ন হয়ে ঘৃণা করতে পার। কিন্তু তোমার প্রিয় মানুষেরা তাতে ফিরে আসবে না। এটা তুমি যতো দ্রুত বুঝবে তা তোমার জন্যই ভালো। তোমার প্রিয় মানুসেরা চিরকাল তোমার মধ্যেই জীবিত থাকবে।
আমাদের পৃথিবীর ইতিহাস রক্তের, ঘৃণার এবং প্রতিহিংসার। এবং এই রক্তাক্ত চক্র কখনো থামে না। ঘৃণা থেকে কখনই ভালো কিছু হয় নি, হবেও না। সেজন্যই আমরা ভালোবাসার জয়গান গাই।
4 Comments
Friends
Nadia Rifat ritu
@ritu
Taposh Kumer dey
@taposhkumerdey
হুসেন মোহাম্মদ সারোয়ার সাঈদ
@hm-saroar-saied
রাইসা আনজুম (পর্শি)
@raisaanjumporshi
মো: নাজমুল আখতার
@faith
জান্নাতুল ফেরদাউস
@ferdawsejannatul343gmail-com
সাব্বির হোসেন।
@shadowhunter3d
প্রাপ্তি রোজারিও
@praptirozario
মোঃ মাহফুজুর রহমান
@nnxnsnmfkfkkgmail-com


তুলটের পক্ষ থেকে অজস্র অভিনন্দন! আপনার এই লেখাটি আজ 04 May 2025 তারিখে ‘জনপ্রিয় অবদান’ হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। আজ সারাদিনের জন্য এই লেখাটি লেখকমঞ্চের সকল সদস্যের দেয়ালে (বন্ধু/অবন্ধু নির্বিশেষে) প্রদর্শিত হবে। তুলটে আমাদের সাথে থাকার জন্য এবং এই মঞ্চকে একটি আনন্দদায়ক ও জনপ্রিয় মঞ্চ হিসাবে চালু রাখাতে আপনার এই অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত!