Profile Photo

সাব্বির হোসেন।Offline

  • shadowhunter3d
  • [“জীবনমৃত”]

    ​কতবার ভেঙেছি, কতবার চূর্ণ হয়েছি,
    কেউ তা দেখেনি, কেউ তা রাখেনি মনে।
    হতাশার কালো মেঘে কতবার ডুবেছি,
    মরে গেছি কত সহস্র নির্জন ক্ষণে।
    ​আশাহত বুকে যখন নেমেছে আঁধার,
    স্বপ্নগুলো যখন পুড়ে হয়েছে ছাই—
    সে তো এক মৃত্যু, এক নীরব হাহাকার,
    যার কোনো চিতা কিংবা সমাধি নাই।
    ​প্রতিটি হারানো যুদ্ধে, প্রতিটি ক্ষতে,
    ভেতরের মানুষ…Read More

    5
    3 Comments
    • প্রতিটি ছোট মৃত্যুর ভেতর দিয়ে বেঁচে থাকার এক নিঃশব্দ মহাকাব্য….🖤

    • মানুষ আসলেই জীবনে অনেকবার ভেঙে পড়ে, বারবার মরে আবার বাঁচে। 💔

    • ‘ছোট ছোট মৃত্যু’—এই ভাবনাই পুরো কবিতার প্রাণ

  • [“শেষ চিঠি”]

    অভিমানের আড়ালে বসে আছো তুমি,
    জানালার পাশে বৃষ্টি পড়ছে টুপটাপ।
    আমি চুপ করে চা বানাচ্ছি, দুধটা একটু বেশি দিয়ে,
    যেমন তুমি পছন্দ করো। কিন্তু জানি না,
    এই চা আর ঠান্ডা হওয়ার আগেই তুমি কথা বলবে কি না।
    জীবনটা কী অদ্ভুত, না?
    একদিন হাসতে হাসতে কথা বলি, পরদিন অভিমানের পাহাড় গড়ি।
    ছোট ছোট কথায় কেটে যায় সময়,
    আর সেই কথাগুলোই একদিন…Read More

    2
    2 Comments
  • [“একটু আদর”]

    তোমার একটু আদর পেলে
    হৃদয়টা হঠাৎ শান্ত হয়ে যায়।
    পৃথিবীটা আর তেমন জটিল লাগে না।
    শুধু মনে হয়—এই তো জীবন।

    চোখের কোণে তোমার হাসির আলো পড়লে
    সব পুরোনো দুঃখগুলো চুপ করে যায়।
    বুকের ভেতর একটা নরম উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়ে,
    যেন অনেক অনেক দিন পর বাড়ি ফিরেছি।

    তোমার আঙুল যখন একবার ছুঁয়ে যায়,
    সময়টা থেমে যায় কিছুক্ষণ।
    ইচ্ছে করে হাজার বছর ব…Read More

    4
    5 Comments
  • [“জলপট্টি”]

    এই গ্রামে বৃষ্টি নামলে শুধু মাটি ভেজে না,
    ভিজে যায় পুরনো ঘরের স্যাঁতসেঁতে দেয়াল,
    ভিজে যায় তোমার চোখের কোণে জমে থাকা
    না-বলা কথার অভিমান।

    তুমি দাওয়ায় বসে চাল বাছো,
    আমি দেখি তোমার আঙুল বেয়ে জল গড়ায়,
    যেন প্রতিটা ফোঁটা একেকটা বছর —
    যে বছরগুলো আমরা পাশাপাশি থেকেও
    ছুঁতে পারিনি একে অন্যকে।

    টিনের চাল…Read More

    3
    3 Comments
    • তুমি দাওয়ায় বসে চাল বাছো,
      আমি দেখি তোমার আঙুল বেয়ে জল গড়ায়,

    • পাশাপাশি থেকেও দূরত্ব আর সেই দূরত্ব মুছে দেওয়ার এক টুকরো উষ্ণতা… শব্দের বুনন এক কথায় অসাধারণ!

    • ভাত আর বৃষ্টিতেই প্রেম লুকায়….🤍

  • [“আধখানা কথা”]

    তুমি ছিলে আমার বিকেলের চা,
    ধোঁয়ার সাথে গল্প, আধখানা কথা।
    চিনি কম দিলেও মিষ্টি লাগতো,
    কারণ ঠোঁটে তোমার নাম জড়াতো।

    তারপর এক সন্ধ্যায় ঝড় এলো,
    তুমি ছাতা বন্ধ করে চলে গেলে।
    আমি ভিজলাম—বৃষ্টিতে না,
    তোমার না-থাকায়।

    এখনো রাতে ফোনটা হাতে নিই,
    টাইপ করি, আবার মুছে দিই।
    “কেমন আছো?”—এই লাইনটা…Read More

    2
    2 Comments
    • বিরহের অক্সিজেনে বেঁচে থাকা…..🤍

    • তোমাকে হারাইনি, শুধু পাওয়ার সময়টা ফুরিয়েছে
      আহা কি গভীর!!
      খুবই ভালো লাগল সত্যি
      অসাধারণ।

  • [“কাঁটাহীন ঘড়ি”]

    ঘড়ির কাঁটাটা থেমে গেছে কবে,
    দেয়ালের ছায়া লম্বা হয়ে পড়ে।
    চায়ের কাপে জমে থাকা শেষ চুমুক,
    ঠান্ডা হয়ে গেছে—তোমার ফেরার মতো।

    জানালার গ্রিলে মাথা রেখে দেখি,
    বৃষ্টি আসে, ভিজিয়ে দিয়ে যায় রাস্তা।
    কেউ হেঁটে যায় ছাতা মাথায়,
    আমি ভাবি, ওটা কি তুমি? না, ভুল…

    দরজার কড়া নড়লে বুক কাঁপে,
    পায়ের শব্দে থমকে যায় নিঃশ্বাস।
    বারবার…Read More

    3
    5 Comments
    • কবি সাহেব, অপেক্ষা করেন, দেখেন যদি আসে।

    • জানালার গ্রিলে মাথা রেখে দেখি,
      বৃষ্টি আসে, ভিজিয়ে দিয়ে যায় রাস্তা।

    • ঠান্ডা চায়ে জমে অপেক্ষা….🤍

    • অপেক্ষার যন্ত্রণার একটি সুন্দর কবিতা
      অপেক্ষার এই অনুভূতি এত জীবন্তভাবে ধরেছেন যে পড়তে পড়তে নিজেই যেন সেই ঘরে বসে পড়লাম।
      অসাধারণ লেখা।

    • দরজার কড়া নড়লে বুক কাঁপে,
      পায়ের শব্দে থমকে যায় নিঃশ্বাস।

  • মানুষ চাওয়া থেকে সরে আসে না হঠাৎ করে। প্রতিটি প্রত্যাক্ষান, প্রতিটি অপেক্ষার রাত, প্রতিটি নীরবতা—ধীরে ধীরে একেকটা করে খণ্ডিত করে ফেলে সেই চাওয়ার ইচ্ছাকে।
    যে জিনিস একসময় মনে হতো জীবন-মরণের প্রশ্ন, তা-ই একসময় আর কিছুই মনে হয় না।
    আর ঠিক সেই সময়েই, পুরোনো চাওয়া ফিরে আসে—দ্বিগুণ হয়ে, রক্তিন হয়ে, এমনভাবে যেন কিছুই হয়নি। কিন্তু সময় তো পিছিয়ে যায় ন…Read More

    4
    3 Comments
    • প্রাপ্তির মাঝে বিষণ্ণ প্রতিধ্বনি….🤍

    • মানুষের মনের এই সূক্ষ্ম ও গভীর পরিবর্তনকে
      আপনি খুব চমৎকারভাবে শব্দে রূপ দিয়েছেন
      সুন্দর লিখছেন কবি

    • সময়ের খেলাটাই এমন, বড্ড দেরিতে এসে প্রাপ্তিগুলো ধরা দেয়, যখন সেই প্রাপ্তির উদযাপন করার মতো মনটাই আর বেঁচে থাকে না।

  • কিছু মানুষ চলে যায়।
    তারা চলে যাওয়ার সময় শুধু নিজেকে নিয়ে যায় না, সাথে করে নিয়ে যায় আমাদের একটা বড় অংশ। আর যে ফাঁকা জায়গাটা রেখে যায়, সেটা কখনো পূরণ হয় না। সেই শূন্যতা ধীরে ধীরে হৃদয়ের এক কোণে বাসা বেঁধে থাকে। সময়ের সাথে সাথে সেটা একটা অভ্যাস হয়ে যায়—যেন সেটা না থাকলেই অস্বস্তি লাগে।
    রাতের নিস্তব্ধতায়, জানালা দিয়ে আসা বৃষ্টির শব্দে, পুরোন…Read More

    4
    3 Comments
    • হৃদয়ের গহীনে চিরস্থায়ী শূন্যতা….🤍

    • সময় ক্ষত সারায় না, কেবল সহ্য করার ক্ষমতা বাড়ায়”
      এই জীবনদর্শনটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং বাস্তবসম্মত।
      দারুণ লিখেছেন
      অনন্য সৃষ্টি

    • কেউ চলে গেলে যে শূন্যতা রেখে যায়,
      সেটা আর কখনো পূর্ণ হয় না।
      সেটা শুধু অভ্যস্ত হয়ে যায়।
      আর আমরা অভ্যস্ত হয়ে যাই নিজের অসম্পূর্ণতার সাথে বেঁচে থাকতে।…………………………………পড়ার পর মনের ভেতর এক অদ্ভুত শান্ত নীরবতা নেমে আসে।

  • [“হাসিও তুমি”]

    যদি কখনো মাঝরাতে হঠাৎ আমার কথা মনে পড়ে,
    তাহলে হাসিও একটু।
    চাঁদের আলোয় জানালার পাশে বসে
    নিজেকে একা একা বুঝে নিও।
    যদি কেউ জিজ্ঞেস করে, কেন এমন দূরে সরে গেলে,
    তাহলে বলে দিও—
    সব দোষ আমার।
    আমিই তোমার সুখের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলাম।
    যদি কখনো হাত বাড়াতে ইচ্ছে করে,
    তাহলে জোরে ডেকে উঠো।
    চিৎকার করে বলো—
    দূরে যাও, আর কাছ…Read More

    2
    2 Comments
    • “যদি মিথ্যা বলতে হয় কখনো,
      তাহলে আমার নাম নিয়ে বলো।
      সেই মিথ্যেটাও আমার হয়ে যাক।
      ” এই লাইনগুলো বেশ সুন্দর !

    • লেখাটা পড়ার পর মনে হলো
      কিছু ভালোবাসা কাছে থাকার জন্য না
      দূরে থেকেও কাউকে ভালো রাখার জন্য জন্ম নেয়

  • [“অনন্তের পথে”]

    এইবেলা যখন সন্ধ্যা নামে,
    জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়াই আমি একা,
    তুমি এসো হে অমৃত, এসো নীরবে।
    কতকাল ধরে ছুটে বেড়ালাম এই ধুলার পথে,
    সোনার খাঁচায় বন্দী করে রাখলাম নিজের আত্মাকে।
    যশের ফুল তুলতে গিয়ে ভুলে গেলাম
    তোমার বাগানের সেই অম্লান ফুলটির কথা।
    এখন যখন দেহের তার ছিঁড়ে যায় একে একে,
    তখন শুনতে পাই দূরের সেই বাঁশির সুর—…Read More

    5
    4 Comments
    • এসো নীরবে।

    • অনন্তের পথে এক আধ্যাত্মিক যাত্রা…..🤍

    • জীবনের শেষে এক আলোর সন্ধান

    • ‘যাকে ক্ষমা করিনি, তাকে ক্ষমা করি… যা আঁকড়ে ধরেছিলাম, সব ছেড়ে দিই’—এই লাইনগুলো একদম ভেতরটা নাড়িয়ে দিল।

  • [“সমর্পণ”]

    আমার কপালের উপর দুঃখের যে অক্ষর
    খোদা নিজ হাতে খোদাই করে দিয়েছেন,
    সেই লেখা মুছতে চাই না, মুছবার সাধ্যও নেই আমার।
    আমি তো শুধু মাটির এক কণা, তাঁর নিঃশ্বাসে গড়া
    এক সামান্য বান্দা, তাঁর ইচ্ছার সামনে
    আমার ‘কেন’ বলার কোনো অধিকার নেই।
    চোখের ভিতর ঝড় বয়ে যায় প্রতি রাতে,
    বুকের খাঁচায় আগুন জ্বলে নিঃশব্দে,
    তবু আমি চুপ করে থাকি…Read More

    2
    1 Comment
    • ‘সেদিন বুঝবো— সব দুঃখের পেছনে / কী অপার্থিব সুন্দর একটা পরিকল্পনা লুকিয়ে ছিল’—কবিতার এই শেষাংশটি প্রতিটি রিক্ত ও একলা মনকে বাঁচবার নতুন শক্তি দেবে।

  • [“স্মৃতির ছাই”]

    একদিন সব সইতে হয় বাবু
    চোখের জল গড়িয়ে পড়ে চুপচাপ
    তুমি শুধু জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকো।
    বুকের ভিতরটা কাঁপে,
    যেন অনেক দূরের ঢোল বাজছে
    কেউ শোনে না, শুধু তুমি জানো।

    সইতে হয় সেই ব্যথা,
    যে ব্যথা কাউকে বলা যায় না
    রাতে বালিশ চেপে ধরে থাকো,
    আর চুপ করে কাঁদো।

    না পাওয়ার যে কষ্ট
    সেটা গলায় আটকে থাকে,
    তবু সকালে উঠে চা বানাতে হয়
    হ…Read More

    2
    1 Comment
    • ‘চোখ দুটো চেনা, হাসিটা চেনা; কিন্তু ভিতরের মানুষটা আর নেই’—চেনা মানুষের এই অচেনা রূপ ধারণের চেয়ে বড় কষ্ট আর কিছু হতে পারে না।

  • [“বর্ষার বিরহ”]

    এসো হে বৃষ্টি, এসো অঝোর ধারায়,
    ভাসিয়ে দাও এই শূন্য হৃদয়তট।
    তুমি যে এসেছিলে সেই আষাঢ়ের রাতে,
    যেদিন সে চলে গেল নীরবে, অশ্রুবিহীন।
    মেঘের ছায়ায় ঢেকে দাও আকাশের মুখ,
    আমার চোখের জলে মিশে যাক তোমার জল।
    কোন্‌ দূরের বাতাসে ভেসে আসে তার গান,
    যে গান শুনেছিলাম প্রথম বর্ষণের ছন্দে।
    ওগো প্রিয়তমা, তুমি কোথায় আজ?
    এই বৃষ্টিরই মতো…Read More

    4
    3 Comments
  • [“নিরাভরণ জলরঙের কাব্যে তুমি”]

    তোমার ওই রূপ যেন কোনো শিল্পীর মগ্নচৈতন্যে আঁকা,
    যেখানে রঙের প্রলেপ নয়, বরং স্নিগ্ধতাই এক অনন্য রেখা।
    পার্থিব সাজের কৃত্রিমতা তোমায় ছোঁয়নি বলে—
    তুমি যেন নির্জন হ্রদে ফুটে থাকা এক স্থির জলপদ্ম,
    তোমার ওই প্রসাধনহীন ললাট যেন কোনো
    অপ্রকাশিত কাব্যের সবচেয়ে গভীর শব্দ।
    ​ঠোঁটের কিনারে লেগে থাকে না…Read More

    3
    3 Comments
  • [আঁচলের কান্না।]

    একটা পুরনো বাড়ি,
    ছাদের কার্নিশে জল জমে আছে।
    বৃষ্টি পড়ে, পড়ে,
    কিন্তু ভেতরটা শুকনো।
    বাবা বসে আছে চেয়ারে,
    সিগারেটের ধোঁয়া উঠছে আস্তে আস্তে।
    চোখ দুটো যেন অনেক দূরের কোনো নদী দেখছে,
    যেখানে আর নৌকা চলে না।
    মা রান্নাঘরে চুপচাপ,
    চামচ নাড়ছে, কিন্তু কোনো শব্দ নেই।
    শুধু ঘড়ির টিকটিক।
    ছেলে ফিরেছে অফিস থেকে,
    মুখে হাসি নেই,…Read More

    1
    2 Comments
    • “এই টানাপোড়েনের মাঝে
      একটুকরো বিষাদ বাসা বেঁধেছে।”
      এই লেখাটা পড়ে সত্যিই মনে একটা ভার জমে গেল! এত সুন্দর করে পারিবারিক নিঃসঙ্গতার ছবি এঁকেছেন নিজের বাড়ির কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, আর মনটা ঠিক বাইরের আকাশটার মত গুমট হয়ে উঠেছে কবিবন্ধু!

      • @drako সত্যি বলতে কি, এই কবিতাটা লিখতে গিয়েও আমার মনটা ঠিক এমনই গুমট হয়ে গিয়েছিল। পারিবারিক টানাপোড়েন আর নীরব দূরত্বের কথা লিখতে গেলে নিজের বাড়ির অনেক পুরনো ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। যেখানে সবাই একসাথে থেকেও কেমন যেন আলাদা হয়ে যায়। কোন কথা হয় না, সেই না-বলা কথাগুলোরই একটুকরো প্রকাশ এই কবিতাটি।
        আর হ্যাঁ এত সুন্দর করে অনুভব করার জন্য অনেক ধ…Read More

  • [“ছদ্মবেশী বসন্ত”]

    বসন্ত নয়
    আমার দরজায় প্রথম কড়া নেড়েছিল অবহেলা।
    তখনও চিনিনি তার পায়ের শব্দ।
    ভেবেছিলাম—
    অনেকগুলো বর্ষা শেষ হয়েছে,
    মেঘের ভার নেমে গেছে মাটিতে,
    শরতের সোনালি উষ্ণতা মিশিয়ে
    এলো বুঝি বসন্ত!
    দরজা খুললাম।
    হাওয়ায় ফুলের গন্ধ নেই,
    শুধু একটা চেনা ঠান্ডা স্পর্শ।
    চোখ তুলে দেখি—
    সে দাঁড়িয়ে আছে,
    চুপচাপ, নীরব,…Read More

    5
    7 Comments
    • অবহেলাকে ভালোবাসা হিসেবে দেখার এই দৃষ্টিভঙ্গি অনন্য!
      ছদ্মবেশী বসন্ত আসলে সত্যিকারের সঙ্গী হয়ে উঠেছে আপনার কলমে! প্রতিটি শব্দ যেন নিজের ভেতরের কোনো অচেনা কোণে আলো ফেলে, অসাধারণ লেখা!

    • আপনার এই কবিতাটি বিষণ্ণতার এক অত্যন্ত গভীর ও শৈল্পিক বয়ান। সাধারণত বসন্তকে আমরা প্রেম, নতুনত্ব আর সজীবতার প্রতীক হিসেবে দেখি, কিন্তু আপনি এখানে ‘অবহেলা’-কে এক অনন্য ও চিরস্থায়ী সত্তা হিসেবে চিত্রায়িত করেছেন। কবিতার প্রতিটি পরতে ফুটে উঠেছে এক ধরণের নিঃসঙ্গ কিন্তু ‘আরামের’ আত্মসমর্পণ।

    • আপনার এই কবিতাটি মূলত একাকীত্বের সাথে বন্ধুত্বের গল্প। বসন্তের ছদ্মবেশে আসা অবহেলার এই যে জয়গান, তা কবিতার শেষে এসে পাঠককে এক ধরণের অদ্ভুত প্রশান্তি দেয়—যেন বারবার ধোঁকা খাওয়ার চেয়ে অবহেলার সাথে চিরস্থায়ী বসবাসই শ্রেয়। আপনার কলম থেকে এমন আরও গভীর ভাবনার বহিঃপ্রকাশ প্রত্যাশা করি।

      অসাধারণ এই সৃষ্টিটির জন্য অভিনন্দন! আপনার লেখায় যে পরিমিতিবোধ এবং অ…Read More

    • জীবনের সব ঋতু শেষে যখন অবহেলা সঙ্গী হয়, তখন তাকে বরণ করে নেওয়াই বোধহয় সবচেয়ে বড় লড়াই।

    • সাব্বির হোসেন, অভিনন্দন আপনাকে!

  • Load More Posts
Skip to toolbar