<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Niaz Aziz Dip | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/niazdip/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/niazdip/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Niaz Aziz Dip.</description>
	<lastBuildDate>Wed, 10 Jun 2026 13:18:35 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">b3918950e119674b6efdd8fced9d2218</guid>
				<title>সবুজ অভিমান

&quot;এই অভিমান,
ধানপাতার ক্ষত —
রোদে পোড়া ঘাস —
জৈব নালিশ।

আমাকে মুক্ত করো তুমি আকাশ;
তরুছায়া —
মেঘ —
ধানের প্রাচুর্য —
কৃষকের গোলায়।

আমাকে মুক্ত করো
মুদ্রায় — দামে — অংকে;
আমাকে সরল করো কৃষকমনে —

শুদ্ধ পাল্লায় শিখি —
ধানশিল্প।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235221/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 08:28:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সবুজ অভিমান</p>
<p>&#8220;এই অভিমান,<br />
ধানপাতার ক্ষত —<br />
রোদে পোড়া ঘাস —<br />
জৈব নালিশ।</p>
<p>আমাকে মুক্ত করো তুমি আকাশ;<br />
তরুছায়া —<br />
মেঘ —<br />
ধানের প্রাচুর্য —<br />
কৃষকের গোলায়।</p>
<p>আমাকে মুক্ত করো<br />
মুদ্রায় — দামে — অংকে;<br />
আমাকে সরল করো কৃষকমনে —</p>
<p>শুদ্ধ পাল্লায় শিখি —<br />
ধানশিল্প।&#8221;</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">92c6990641f09f8a5b83eeeca1dc8d32</guid>
				<title>জ্যামিতিক মুক্তি

বৃত্ত থেকে জ্যামিতিক মুক্তি পেতে—
নিজের সাথেই হচ্ছে কথা।
একফোঁটা বিন্দু
বৃত্তকে টেনে হিচড়ে
সমান্তরাল রাখতে চাইছে।

জীবনের এক বৃত্তাকাল ঘুরে এসে—
পরিসীমা মেলানোর চেষ্টা করছি।
শূন্যের পেটে বসে আমি ভাবছি—
ভাবতে ভাবতে আবার ঘুরে আসে সেই বৃত্তাকাল।
এখন মনকে জ্যামিতি দিয়ে সমাধান করি—
কোন পরিমাপ মেলে না
মন-মাপা স্কেলে।

দৃশ্য ও পৃষ্ঠার বাইরে
গাছগুলো সমান্তরাল থেকে যাচ্ছে।

জীবনের এই লম্বদূরত্ব অতিক্রম করে
চিত্র আঁকলাম—
মনের কোণে কোণে
বৃত্তের চারপাশে
দারুণ করে রাখলাম একাধিক আমি।

বাহিরে শূন্যতা,
ভেতরে একাধিক আমি—
তাদের বৃত্তের ভেতর মুখ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235220/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 08:26:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জ্যামিতিক মুক্তি</p>
<p>বৃত্ত থেকে জ্যামিতিক মুক্তি পেতে—<br />
নিজের সাথেই হচ্ছে কথা।<br />
একফোঁটা বিন্দু<br />
বৃত্তকে টেনে হিচড়ে<br />
সমান্তরাল রাখতে চাইছে।</p>
<p>জীবনের এক বৃত্তাকাল ঘুরে এসে—<br />
পরিসীমা মেলানোর চেষ্টা করছি।<br />
শূন্যের পেটে বসে আমি ভাবছি—<br />
ভাবতে ভাবতে আবার ঘুরে আসে সেই বৃত্তাকাল।<br />
এখন মনকে জ্যামিতি দিয়ে সমাধান করি—<br />
কোন পরিমাপ মেলে না<br />
মন-মাপা স্কেল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-235220"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/235220/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f669eff45442966ce1a0b53ac3815ca0</guid>
				<title>মানুষের সমুদ্রে

অনেকটা সময় পেরিয়ে এলো,
অনেক শীতযাপন শেষে।
অবশিষ্ট ঝরাপাতার ভিড় ঠেলে
প্রতিদিন আমি যে মানুষের সমুদ্রে হাঁটি,
সেখানে কোন পরিচিত মুখ দেখিনা।

তবুও আমি এপাশ-ওপাশ তাকাই,
ভিড়ের আড়ালে তুমি যদি কখনো বেড়িয়ে আসো।
খুব অদ্ভুত হবে সেই মুহূর্তটা—
এই কংক্রিটের শহরে,
এতো মুখোশের বিমূর্ততার আড়ালে
তুমি যদি ভেসে ওঠো—
অলীক বলবে লোকে।

তাতে আমার বয়েই যাবে—
তোমাকে দেখার আনন্দ
এই শহরের উন্নয়নের চেয়েও খাঁটি।
কিন্তু তোমাকে তো পাই না!
রিকশায়, বাসে, মেট্রোস্টেশনে,
কমলাপুরে, পুরান ঢাকার জৌলুশে।

আচ্ছা, একটা হারিয়ে যাওয়া মানুষের খোঁজে
আমার মতো রোজ এই মেট্রোপলিসে
কত নতুন মানুষ আসে—
তোমার ধারণা আছে?
থাকবেই বা কী করে?
তোমার শহর তো সেই কবেই সমুদ্রে গ্যাছে।

একবার পাহাড়ে গিয়ে নদীর
দুঃখ বলে এসেছিলে, মনে আছে?
সেইবার ঝিরিগুলো কোন প্রতিশব্দ তুলেনি—
শুধু তুমি অযথাই প্রতিবাদ হয়ে
ফিরে এলে সমতলে।

সে যাই হোক,
এই জনসমুদ্রে আমি
একটি কাগজের তরী হয়ে সাঁতার কাটছি,
রোজ অর্থের হিসাবে।

তোমাকে বহুবার ভুলে যাবো বলে
এই শহরের সীমানা দীর্ঘ হচ্ছে,
আর আমার ভেতর দীর্ঘ হচ্ছে
তোমার চলে যাওয়া পায়ের চিহ্ন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235219/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 08:21:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানুষের সমুদ্রে</p>
<p>অনেকটা সময় পেরিয়ে এলো,<br />
অনেক শীতযাপন শেষে।<br />
অবশিষ্ট ঝরাপাতার ভিড় ঠেলে<br />
প্রতিদিন আমি যে মানুষের সমুদ্রে হাঁটি,<br />
সেখানে কোন পরিচিত মুখ দেখিনা।</p>
<p>তবুও আমি এপাশ-ওপাশ তাকাই,<br />
ভিড়ের আড়ালে তুমি যদি কখনো বেড়িয়ে আসো।<br />
খুব অদ্ভুত হবে সেই মুহূর্তটা—<br />
এই কংক্রিটের শহরে,<br />
এতো মুখোশের বিমূর্ততার আড়ালে<br />
তুমি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-235219"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/235219/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fab57e5e69e2bf62d0bfe64062cf6ab2</guid>
				<title>Niaz Aziz Dip changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235218/</link>
				<pubDate>Sat, 08 Nov 2025 08:17:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">337debb394dfbe3a50a0167bf0c17f1c</guid>
				<title>১.★বর্ণনা★

&#124;&quot;তোমার স্তনের কাছাকাছি

তাকাতেই উড়ে গেল একঝাঁক সাদা পায়রা

পালকের বর্ণনা নিয়ে

আর শীতের খোলসে জড়ো হয়ে গেল আমার সমস্ত আকুল হাত

তোমাকে স্পর্শ করতে না পারার অপরাধে অভিযুক্ত এই শীত

খসে পরলো বীর্যভূমিতে

আমার নরম বিছানায়&#124;&quot;


২.★মাংস-নিদ্রায় রেখে আসি এক জ্যান্ত রাঁধুনিকে★

&#124;পরস্পর লাল-ধোঁয়া 
ঠোঁটে চুমুর রেশ ধরে বেরিয়ে আসছে ঘুমের গন্ধ।

চোখে নির্জনতাজুড়ে কুহুকের দল
তবুও কোথাও করাতের গর্জন বেজে ওঠে কোন এক বনের ভিতর। 
মহুয়ার চিরন্তন সন্ধ্যাগুলো ঝুলে থাকে 
বাঁদুরের মত কোন স্বপ্নের ডালে—

বীর্যের বাগানে এক জ্যান্ত রাঁধুনি
তার খোপার চুল খুলে নির্বিকারভাবে 
বাতাসে ভেসে আসছে রন্ধনকালীন শ্রমশিল্প।

অথচ চোখের উজ্জ্বল তারাগুলো খেয়ে ফেলে 
যে মাংসাশী অতীত তার নির্মম প্লেটে 
আমাকে রেখে নিদ্রা হনন করছে কয়েকটা কাঁটাচামচ।

অবশেষে আমাকে চূলায় চড়িয়ে মাছের মত 
মচমচে ভাজা হচ্ছে যোনির একাগ্রতায়। 

আমাদের যৌথ শামুক জীবনে কোন ধানের গন্ধ নেই
পড়ে আছে কেবল মাংসরেণু আর বাষ্পীভূত স্তন&#124;

৩.★কবিতা ছদ্মনাম★

পোড়া বনে 
হৃদয় ক্ষনে 
চিরে খায় 
ফিঙে ঠোঁট—
(আমার) 
শরীরজুড়ে 
শীতপোকা
আর 
মনের ভিতর
রাতের কুয়াশা 
উড়ছে তারা—

হৃদয়ে পেকে 
নুয়ে থাকে 
লাল সূর্যফল;
সেই আলোতে 
পোড়ে পাখি 
মগজে মগজে
বিছানো ঘাসে  
রক্তফুল ফোটে—
স্মৃতির গন্ধ 
আজকাল
অকপটে জ্বলে 
কাগুজে ডানায় 
বক্রতা আঁকে 
কবিতা ছদ্মনামে—

ছায়াসমগ্র
নিংড়ে দেখি 
ফিঙে ঠোঁট 
ছন্দ শেখায়
আমাকে—

বনে বনে
পাতার কঙ্কাল
আগুন 
মগজের 
গোপন দৃশ্যে—

স্মৃতি ছবিঘর
শুকনো হয়ে
ঝুলে আছে 
মাংসলবৃক্ষে—

অথচ 
অদৃষ্টের চাঁদ
আর
রক্তফুল গুচ্ছ 
খেয়ে ফেলে 
একান্তে; আমাকে—

©নিয়াজ আজিজ দ্বীপ</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/207450/</link>
				<pubDate>Thu, 23 Nov 2023 19:08:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>১.★বর্ণনা★</p>
<p>|&#8221;তোমার স্তনের কাছাকাছি</p>
<p>তাকাতেই উড়ে গেল একঝাঁক সাদা পায়রা</p>
<p>পালকের বর্ণনা নিয়ে</p>
<p>আর শীতের খোলসে জড়ো হয়ে গেল আমার সমস্ত আকুল হাত</p>
<p>তোমাকে স্পর্শ করতে না পারার অপরাধে অভিযুক্ত এই শীত</p>
<p>খসে পরলো বীর্যভূমিতে</p>
<p>আমার নরম বিছানায়|&#8221;</p>
<p>২.★মাংস-নিদ্রায় রেখে আসি এক জ্যান্ত রাঁধুনিকে★</p>
<p>|পরস্পর লাল-ধোঁয়া<br />
ঠোঁটে চুমু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-207450"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/207450/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9aa3ba014b828b68993bec05615e4fd7</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/207449/</link>
				<pubDate>Thu, 23 Nov 2023 19:04:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6c29411caef4a25be71e055b7dedca71</guid>
				<title>কবিতা ছদ্মনাম 

পোড়া বনে 
হৃদয় ক্ষনে 
চিরে খায় 
ফিঙে ঠোঁট—
(আমার) 
শরীরজুড়ে 
শীতপোকা
আর 
মনের ভিতর
রাতের কুয়াশা 
উড়ছে তারা—

হৃদয়ে পেকে 
নুয়ে থাকে 
লাল সূর্যফল;
সেই আলোতে 
পোড়ে পাখি 
মগজে মগজে
বিছানো ঘাসে  
রক্তফুল ফোটে—
স্মৃতির গন্ধ 
আজকাল
অকপটে জ্বলে 
কাগুজে ডানায় 
বক্রতা আঁকে 
কবিতা ছদ্মনামে—

ছায়াসমগ্র
নিংড়ে দেখি 
ফিঙে ঠোঁট 
ছন্দ শেখায়
আমাকে—

বনে বনে
পাতার কঙ্কাল
আগুন 
মগজের 
গোপন দৃশ্যে—

স্মৃতি ছবিঘর
শুকনো হয়ে
ঝুলে আছে 
মাংসলবৃক্ষে—

অথচ 
অদৃষ্টের চাঁদ
আর
রক্তফুল গুচ্ছ 
খেয়ে ফেলে 
একান্তে; আমাকে—</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190906/</link>
				<pubDate>Wed, 25 Jan 2023 16:57:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা ছদ্মনাম </p>
<p>পোড়া বনে<br />
হৃদয় ক্ষনে<br />
চিরে খায়<br />
ফিঙে ঠোঁট—<br />
(আমার)<br />
শরীরজুড়ে<br />
শীতপোকা<br />
আর<br />
মনের ভিতর<br />
রাতের কুয়াশা<br />
উড়ছে তারা—</p>
<p>হৃদয়ে পেকে<br />
নুয়ে থাকে<br />
লাল সূর্যফল;<br />
সেই আলোতে<br />
পোড়ে পাখি<br />
মগজে মগজে<br />
বিছানো ঘাসে<br />
রক্তফুল ফোটে—<br />
স্মৃতির গন্ধ<br />
আজকাল<br />
অকপটে জ্বলে<br />
কাগুজে ডানায়<br />
বক্রতা আঁকে<br />
কবিতা ছদ্মনামে—</p>
<p>ছায়াসমগ্র<br />
নিংড়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-190906"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/190906/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">54e5c912276783e9f72862c73a39bb3a</guid>
				<title>কবিতা ছদ্মনাম 

পোড়া বনে 
হৃদয় ক্ষনে 
চিরে খায় 
ফিঙে ঠোঁট—
(আমার) 
শরীরজুড়ে 
শীতপোকা
আর 
মনের ভিতর
রাতের কুয়াশা 
উড়ছে তারা—

হৃদয়ে পেকে 
নুয়ে থাকে 
লাল সূর্যফল;
সেই আলোতে 
পোড়ে পাখি 
মগজে মগজে
বিছানো ঘাসে  
রক্তফুল ফোটে—
স্মৃতির গন্ধ 
আজকাল
অকপটে জ্বলে 
কাগুজে ডানায় 
বক্রতা আঁকে 
কবিতা ছদ্মনামে—

ছায়াসমগ্র
নিংড়ে দেখি 
ফিঙে ঠোঁট 
ছন্দ শেখায়
আমাকে—

বনে বনে
পাতার কঙ্কাল
আগুন 
মগজের 
গোপন দৃশ্যে—

স্মৃতি ছবিঘর
শুকনো হয়ে
ঝুলে আছে 
মাংসলবৃক্ষে—

অথচ 
অদৃষ্টের চাঁদ
আর
রক্তফুল গুচ্ছ 
খেয়ে ফেলে 
একান্তে; আমাকে—কবিতা ছদ্মনাম 

পোড়া বনে 
হৃদয় ক্ষনে 
চিরে খায় 
ফিঙে ঠোঁট—
(আমার) 
শরীরজুড়ে 
শীতপোকা
আর 
মনের ভিতর
রাতের কুয়াশা 
উড়ছে তারা—

হৃদয়ে পেকে 
নুয়ে থাকে 
লাল সূর্যফল;
সেই আলোতে 
পোড়ে পাখি 
মগজে মগজে
বিছানো ঘাসে  
রক্তফুল ফোটে—
স্মৃতির গন্ধ 
আজকাল
অকপটে জ্বলে 
কাগুজে ডানায় 
বক্রতা আঁকে 
কবিতা ছদ্মনামে—

ছায়াসমগ্র
নিংড়ে দেখি 
ফিঙে ঠোঁট 
ছন্দ শেখায়
আমাকে—

বনে বনে
পাতার কঙ্কাল
আগুন 
মগজের 
গোপন দৃশ্যে—

স্মৃতি ছবিঘর
শুকনো হয়ে
ঝুলে আছে 
মাংসলবৃক্ষে—

অথচ 
অদৃষ্টের চাঁদ
আর
রক্তফুল গুচ্ছ 
খেয়ে ফেলে 
একান্তে; আমাকে—</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/190743/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Jan 2023 16:28:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা ছদ্মনাম </p>
<p>পোড়া বনে<br />
হৃদয় ক্ষনে<br />
চিরে খায়<br />
ফিঙে ঠোঁট—<br />
(আমার)<br />
শরীরজুড়ে<br />
শীতপোকা<br />
আর<br />
মনের ভিতর<br />
রাতের কুয়াশা<br />
উড়ছে তারা—</p>
<p>হৃদয়ে পেকে<br />
নুয়ে থাকে<br />
লাল সূর্যফল;<br />
সেই আলোতে<br />
পোড়ে পাখি<br />
মগজে মগজে<br />
বিছানো ঘাসে<br />
রক্তফুল ফোটে—<br />
স্মৃতির গন্ধ<br />
আজকাল<br />
অকপটে জ্বলে<br />
কাগুজে ডানায়<br />
বক্রতা আঁকে<br />
কবিতা ছদ্মনামে—</p>
<p>ছায়াসমগ্র<br />
নিংড়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-190743"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/190743/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b1d2cfd45fcbc057557ba5cb714affb6</guid>
				<title>২১টি  #কবিতা 

নিয়াজ আজিজ দ্বীপ 

১.মাংসরেণু

&quot;মাংসে’ও বুঝি ফুল ফোটে—
তা’নাহলে বেল বাজিয়ে যে রিক্সাটা যাচ্ছিল—

কেন গন্ধ ছড়াচ্ছিল?

পারফিউম?
নাকি ঘাম আর মাংসের রেণু ।

ধুর শালা!এই বসন্তে নাকে কেমন যৌবন লেগে আছে ;
ভ্রমর মন
আর চারপাশে আকুতি ভরা রোদ।

দ্বন্দ্বে পড়ে গেলাম বোধের রক্তথোকায়।

চিন্তার কোন ডালের বোটায়
মগজের সচেতন ইন্দ্রিয় ভাঁজে।

এই যে, দেয়াল দেয়া— তোমার আমার আলাদা সংসার;
স্তরে স্তরে কংক্রিটহৃদয়। অবশিষ্ট যৌক্তিক কয়েন নেই পকেটে।

আত্মকেন্দ্রিক শূন্যতা
অথচ স্বপ্নের পাখিরা ডানা নিয়ে ফিরে গেছে মহুয়া বনে।
বাদুড় হয়ে ফিরবে নিশ্চিত!

তবুও আমরা একে অপরকে কামনা করছি প্লেটোনিক ইশারায়।

নিক্রপলিস কাঁচের প্রতিফলন চোখে —

আমাদের অনিশ্চিত ঘুম ভেঙে যায়
কর্পোরেট বিছানায়&#124;&quot;

২.ধানপদ্য

&quot;ধান ক্ষেতের ইঁদুর আমি।
ধান ক্ষেতের বিড়াল তুমি।

দুজনেই নাদুস নুদুস ক্ষেত আমাদের বাড়ি।

ধানের রাজ্যে আমি শ্রমিক তুমি শিকারী।

খোলস ছারিয়ে ধান মারিয়ে মহা সুখেই থাকি।

মাঝে মাঝে বাড়তি সুখে তোমার পেটে আঁটি।

তুমি লম্বা ঢেকুর ছাড়ো
আমার বার-বি-কিউ-এর পর&#124;&quot;

৩.পোড়া খড়বন

&quot;ধানপাতার ও’পারে কাঁটাতার।

চাল ও খই।

বিকেল বয়ে গেলো—
চাতালে সেদ্ধধান;
ধানের গন্ধ
শালিকের দম
ঝুলছে চোখে।

ধানপাতার ভেতরে বন
সবুজ ও সোনালী
পুড়ছে চোখে।

সেই আলো রোদের নখে শালিক।

খড়ের ভঙ্গুর মন।ইস্পাত কলা।

মনের বাহিরে
আগুনের পা’বেয়ে মন;
মনে জ্বলছে মন।

সেই ধোঁয়ামেঘ
ধানপাতার ফুসফুস।

পোড়া পালকের ঘ্রাণ।
খসা মাংসে রোদের লালা।
কংক্রিট হাসি।

মাছের হৃদয়ে নদীশিকার
বরশি ও কল।

শালিকের চোখে পোড়ামাটি।

শুখনো খড়বন।

চিরহরিৎ বৃক্ষের চিৎকার।
পাখিদের আত্মার গান।
ধূসর পেঁচার বনভূমি।

বৃক্ষের কঙ্কাল;
কয়লাকাঠ
হীরক খনি&#124;&quot;

৪.একই রকম 

&quot;​জীবন এক স্মৃতির বয়ান ;

মানুষ জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি এই স্মৃতি পিঠে বহন করে 

চলে যায় 

অন্য আরেক স্মৃতির জাদুঘরে —

যতদিন বেঁচে থাকে ;

এই স্মৃতিকে হৃদয় কবর দিয়ে রাখে। 

মাঝে মাঝে খোশমেজাজে —

দু-একটি স্মৃতি ;

স্মৃতিপাখি হয়ে উড়ে যায় ডানায়—

পালকে দিয়ে থাকে স্মৃতি বয়ান ;

অন্য স্মৃতিমানুষের বুকপকেটে।&quot;

৫.মধ্য দুপুর

&quot;এই মধ্যবয়সী দুপুরে প্রেমটাই ছিল রোদ—

আর তুমি হেঁটে যাচ্ছ তোমার সূর্যপুর।

যেখানে আলো এসে হাত ধরেছে পাতাগুলোর সূক্ষ্ম আঙ্গুল।

যেন অলীকের শুভ্রতায় তুমিও এক পাতাগাছ 

আর আমি সেই উদ্বাস্তু পথিক।

মধ্যদুপুরে ক্লান্ত আমার সমস্ত চামড়াগুলো ছায়ার পিঠে পুড়ছে আজো অপ্রেমিকের মতো। &quot;

৬.ঈশ্বর হৃদপিণ্ড 

&quot;পলিথিন ভর্তি আকাশ 

উড়ে যাচ্ছে সমুদ্রে;

সাদা পায়রার ডানায় মেঘছানা গুলো—

পেয়ারাবন ছেড়ে বেরিয়ে আসছে আমাদের ভাসমান তারাপটে।

নীহারিকা রেখাপথ আলোঘর নিয়ে;

সূর্যসূত্রে গাঁথা তোমাদের মুক্তোদানা অগণিত পৃথিবীর কঙ্কাল এখন—

ফুরিয়ে যায় সময়ের খাল হ&#039;য়ে ব্ল্যাকহোলে গিয়ে।

সূর্যের ঘুমাতে যাওয়ার সময় হলে শীতল স্নায়ুযুদ্ধে চাঁদ হারিয়ে ফেলে আলোক দেবতা।

সুপার সাইক্লোন মহামারী তাবিজে যায়না বাঁধা।

ধর্মজ্ঞান ফুরিয়ে গেলে পৃথিবীর পরাজয় নিয়ে বেজে ওঠে সাইরেন।

নক্ষত্রের ওপারে নক্ষত্রে;

সূর্যের ওপারে সূর্যে;

কক্ষপথের ওপারে কক্ষপথে;

ফুরিয়ে আসে সময়ের ধারণা।

সময় এখানে শূন্যের জ্যোতি দ্বিগুণ দিয়ে

জ্যামিতির পিরামিডে 

ত্রিভুজ কোণে যায় আটকে।

সময় কোন ঈশ্বর হৃদপিণ্ড।&quot;

৭.

লেজকাটা পাখি

&quot;বয়সটা আন্দাজ করতে পারছিনা

তবে একটা লেজকাটা পাখি ছিলো

শৈশবে

অনেক পুরাতন কথা হঠাৎ মরে গেলো

পাখিটি।&quot;

৮.নিঃসঙ্গতা

&quot;নিমফুলের মতো মেরুন সন্ধ্যা নিয়ে আমি ঝরে যেতে দেখেছি আমায়—

বাতাসের চোখে আমি কখন যেন চ্যুতিরেখা;

পাঁপরি হয়ে দেখেছি মৃত্যুর নিঃসঙ্গতাকে।

মৃত্যুর চেয়ে গোপন কোন নিঃসঙ্গতা নেই আমার&#124;&quot;

৯.কফিনে শহর

&quot;এই নিঃসঙ্গ শহরে— বৃষ্টি আসে বেদনার পিরামিডের প্রতিকোণে;
মেঘগুলো কফিন ধরে আত্মায় ভেসে বেড়ায়—নীল বৃত্তের বিন্দু কোথাও আকাশে ফুল ফোটায়।

লালহরিণ চোখে —
শব’দেহের নীরব বরফঘরে ;পাখির নীড়ে পালকে ফুটে মশা’দের ডিম-বদ্ধজলাশয়ে ভ্রূণ বেরিয়ে আসে জীবন্ত অসুখের ব্যথায়।

কবরে ঘেরা সীমানার উৎসবের নতুন প্রাচীর ঘিরে ঘাসের শক্তবেড়া—
ধেয়ে আসে আগুনের চাবুক হৃদয়ের প্রতিঘাতে সময়ের লালা চাটে রোগা কুকুর।

প্রতি রাতে অশরীরীর চেতনায়;বাস্তবতার কুড়াল কোপাই শাণিত মগজের শেকড়ে।

প্রশস্ত আকাশের ডানা ছেড়ে আমরা ধরে আছি জানালার গ্রিল ;দূরে আছি তবুও—
বেঁচে আছি আমাদের অজান্তে মৃত্যু’কে নিয়ে।

যেনো জন্মই মৃত্যুর একমাত্র উপায়;
উড়ে যাচ্ছে ডানা মেলে চিল বাতাসে ভর দিয়ে আত্মার সংবেদনায়।

মহাবিশ্ব থেকে খসে পরা কোন উজ্জলপাথর পৃথিবীর প্রাচীরে আঘাত হবার আগেই নিভে গেল সূর্যের হৃদপিণ্ড তখন—
আমরা অন্ধ হয়ে’ও মহাবিশ্বকে দেখে ফেলি কল্পনার অন্তরে —স্বপ্নদুয়ার খুলে।

কোন তেজস্ক্রিয় স্বপ্ন আমাদের যুদ্ধের ময়দানে ছড়িয়ে দিচ্ছে নিষ্ক্রিয় ভালোবাসা ;
ভাইরাস লড়ছে ময়দানে ;মানুষ বন্দী হচ্ছে ঘরে ;

যেনো তারা নিজেদের ঘরের বাহুডোরে তৈরি করেছে নিজেদেরই চিড়িয়াখানা;
নিজেদেরই দেখছে হাততালি দিচ্ছে এবং একে অপরকে উপহাস করে বাদাম ছুড়ে মারছে&#124;&quot;

১০.শব্দের শোক

&quot;আমি শব্দ আঁকি—
সুন্দর একটা মসৃণ শব্দ।একদম সাদা ক্যানভাস সংক্ষিপ্ত আলোয়।

কেউ শব্দ করে।কেউ শব্দ লিখে।কেউ শব্দ বানায়।কেউ শব্দ বলে।

আমি শব্দ আঁকি—
লাইনের পর লাইন রেখা আর রেখা টানে অনুপাত।

আমার বাবা দেশের চাষা।চাষবাস তার শিল্প।তবে প্রকৃত দামে তিনি শুধু—
চাষা বলে অনেক শব্দ পতন হতো তার।

যেমন;
ধানের শব্দ
খড়ের শব্দ
দামের শব্দ
ঘামের শব্দ।

আমার মা তিনি মস্তলেখক।কিছু না আঁকলেও সন্তানদের না খেয়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার শব্দছবিটা বিছিয়ে রাখতেন দুয়ারে। বাবা দুয়ারে পা’রেখে শব্দটা অনুভব করে নিতেন।

মাঝে মাঝে শহর থেকে বাসায় বড় মামা আসলে আমাকে আদর করে
টাকা দিয়ে শব্দ বানিয়ে দিতেন।

আমি সেই শব্দ নিয়ে খেলা করতাম
উড়ে যেতাম আরো শব্দ ধরার ইচ্ছায়
একসময় শব্দটা ভেঙ্গে যেতো।

বাবা একদিন হঠাৎ একশব্দ তুলে শহরে গেলেন
দূরে বহু দূরে শব্দের সমান দূরে
ফিরে আসেনি।

আমি মাঝে মাঝেই সেই শব্দটা মাটিতে

আঁকবো বলে

আমাদের দূরত্বের মাঝের শব্দটা খুঁজি&#124;&quot;

১১.গতানুগতিক

&quot;প্রত্যেক দিন একই রকম কাটে—

বারান্দায় দাঁড়িয়ে
কিংবা
জানালার পাশে হাত রেখে—

ইদানিং আস্ত ভোর খেয়ে নিচ্ছে ঘুম—

প্রকৃত ঘুমে যাচ্ছে কতো মানুষ
হাসপাতালে —মর্গে—চিতায় লম্বা ঘুমের লাইন
এতো ঘুম
শহরে কে ছড়ালো
মহামারি
প্রযুক্তি কারবারি।

সে যেই দিক
দিয়েছে কেউ—

বরং একলা ঘরে
চড়াই ডাকে

রোদ গ্রিলের ছায়া মাখে—দুপুর গড়ায় শালিক গানে;
আধখাওয়া সিগারেট ঠোঁটে রেখে—

পার করি বিকেল—

সন্ধ্যা নামে
সূর্যের মুখে
রাত এক —সাদাকাক
ঘুমের পরে
ডাকতে পারে—
স্বপ্নে।&quot;

১২.অবশিষ্ট মায়া

“আপেল বীজের মিহি গুড়ো গুলো সিগারেট দিয়ে ভরে গ্যাছে মগজে
হৃদয়ের প্রজাপতি ধোঁয়া গুলো উড়ে গ্যাছে প্রতি জয়েন্ট রোলে
অভিনব পাতাগুলো শুকিয়ে ক্ষার

কৌশলে ঝরে গ্যালো অরক্ষিত সম্পর্কগুলো
যেন একটি গাছ প্রেমে পড়ে ধরেছিল কয়েকটি পাখিকে।
তারাও সংসার শেষে উড়ে গ্যালো
এমন পাতা ঝরা দিনে দেখে মনে হলো চিহ্নটুকুই নীড়;
অবশিষ্ট মানুষের মায়া।”

১৩.
কাব্যগল্প

&quot;মেঘ ছিড়ে বৃষ্টি উড়ে উড়ে আমার বাড়ি আসে—
এসে বসে উঠানে ঝরে; মেঘ-বৃষ্টির পরিবার।
তবুও -বধূ সেজে জলের ঘোমটা মাথা’য় করে
আমার বুকে টুপটাপ শব্দ বানায়—
গুঁড়িগুঁড়ি ছিটে ফোটা আনন্দে;
আমার মৃত্তিকামন জুড়ে সোঁদাগন্ধে ভরে যৌথশামুক বেলা—
সুপারিফুলে সাদা শৈশব- কৈশোর -যৌবন-কামুক হলুদ-ব্যাঙ্গের পিঠে চরে;
অনন্ত-বর্ষার আহবানে ;
আবহমান ধান ক্ষেত জুড়ে —
আমরা সংসার করি ;
বৃষ্টি ও ধান বুনার উৎসবে&#124;&quot;

১৪.টুথপেস্ট

&quot;​তুমি আমার মুখের ভেতরের বাসি ব্যাকটেরিয়াগুলো;

তাইতো ব্রাশ করিনা দু’সপ্তাহ হলো।

তুমি আমার দাঁতের গোড়ায় আটকে থাকা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খাদ্যাংশ —
যার —পচা গন্ধ প্যারিসের সবচেয়ে সুগন্ধি পারফিউম;
যার —গলে যাওয়া লালাগুলো,
প্রেমিকার জিভে প্রেরিত শ্রেষ্ঠ উর্বর;
উন্মাদকলা&#124;&quot;

১৫.শব্দছবি

&quot;তোমার ঠোঁটের পাশে বসে আছি

—

আমি শব্দমাত্র কবি

অর্থমাত্র নেই—

ভাবনামাত্র;

রক্তফল পেকে লাল—

বসন্ত পারে নিভে যাওয়া সূর্য

তখন ডুবে—

সন্ধ্যা ক্যানভাস।

আমি আঁকিবুকি আকাশে পলাশবন।

ঝরা পাতার গাছ—

হলুদচাষ ও মৌমাছি—

কোদাল কাঁধে চাষী—

শব্দতুলিতে নারী—

যৌবনে পাওয়া নদী।

পাতাঝরা দিনে হেঁটে যাওয়া ছোটযমুনা।

কৌশলে লেপানো ঘর

মৃত্তিকাফুলে বউ ও বর।

কৃষাণীকুলা তিনমুখাচূলা

আড়ানীতে ভেজাশাড়ি।

বিদীর্ণ নির্বিকার শালিকের কলকল

বাঁশবন ও চড়ুই—

বিকেলের গুপ্ত পাখিদের ছিটানো খই।

এসব শব্দছবি।

শামুকের খোলস চিরে রেখাপাত হওয়া খড়বন

পথের জ্যামিতি—

সময়ের অনুপাতে খয়েরী ঘড়ি।

কামুক রেখাপথে-
হরিণের আমলকী কুড়িয়ে খাবো —

নক্ষত্রের লাল মাংস&#124;&quot;

১৬.সবুজ অভিমান

&quot;এই অভিমান, ধানপাতার ক্ষত —
রোদে পোড়া ঘাস- জৈব নালিশ।
আমাকে মুক্ত করো তুমি আকাশ;
তরুছায়া- মেঘ ধানের প্রাচুর্য-
কৃষকের গোলায়।
আমাকে মুক্ত করো মুদ্রায়- দামে- অংকে;
আমাকে সরল করো কৃষকমনে-
শুদ্ধ পাল্লায় শিখি-
ধানশিল্প।&quot;

১৭.খুনী চাঁদ

&quot;আমি জানি, সেই রাতের পর তোমার ঠিকানার
পরিবর্তন হয়েছে।

যেমন, নীল কাগজে লাল বর্ণ গুলো
বিষাদ ময় লাগে।

আমি অগনিত অপেক্ষায় থেকেছি —
তারা’দের খোলসে লুকিয়ে কিছু মুক্তো —-

চাঁদের কঙ্কাল;
সমান্তরালে তুমি খুনী চাঁদ।&quot;

১৮.দহন

&quot;আকাশের হৃদয়ে আমি এক নির্বিকার পাখি;
দিক হারিয়েছি,
হারিয়েছি আমার পালকের রোদ।

তবুও উড়ে চলি বিষাদের লাল মেঘ বেয়ে।

কখনো দূরবর্তী নদীকে দেখে
ভাবি তৃষ্ণার বেগে আমার প্রেমিকা।&quot;

১৯.বর্ণনা

&#124;&quot;তোমার স্তনের কাছাকাছি

তাকাতেই উড়ে গেল একঝাঁক সাদা পায়রা

পালকের বর্ণনা নিয়ে

আর শীতের খোলসে জড়ো হয়ে গেল আমার সমস্ত আকুল হাত

তোমাকে স্পর্শ করতে না পারার অপরাধে অভিযুক্ত এই শীত

খসে পরলো বীর্যভূমিতে

আমার নরম বিছানায়&#124;&quot;

২০.ঋতু

&#124;&quot;ঋতু নিয়ে যে মেয়েটি ফুল ফোটাতে চায়—

তার বুকের কৈটোয় একটা ভ্রমর দীর্ঘ বেড়ে ওঠে।

ভ্রমরের মনের ভেতরে-ও আরো একটা ফুলের আকুতি
জাগতে পারে!

মেয়েটি এখন কি করবে?

কৈটোর মুখ খুলে দিবে।

নাকি অপেক্ষায় থাকবে আরো একটা ঋতু।

ফুলের পাশে গিয়ে দাঁড়ালে
পুরুষ মূলতো ভ্রমর হয়ে যায়&#124;&quot;

২১.সাঁকো

&#124;&quot;মাথার ভেতর ছোট্ট একটা সাঁকো—
আর হৃদয় দিয়ে বয়ে যাচ্ছে সবুজনদী।

কাঁচ ভাঙ্গা সময় গুলো স্মৃতি কুড়িয়ে রেখেছে। 

শহরের বিষন্ন বাতাসে উড়ে যাওয়া বেলুন—
মনে হচ্ছে ঘোর জ্বরে মুখ শুকিয়ে—
প্রিয় হাতের আদর এতোটা 
অবহেলার ছায়া বারান্দায়।

রোদ শুকিয়ে বর্ষা নামে—
সন্ধ্যায় ঘরে ফিরতে চাওয় পাখি সব ভিজতে যাওয়া স্বপ্নের রাতে।

দূরে আকাশে লাল চাঁদ—
একটি দুটি বাঁদুর—
হামাগুড়ি দিয়ে জারুল গাছটার ছায়া;
খুব ভয়ে ভয়ে কাঁপছে সেটা।

একশো ঘোড়ার ধূলোমেঘ—
মেরুন তারা গুলো জ্বলছে&#124;&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/27959/</link>
				<pubDate>Tue, 24 Aug 2021 13:35:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>২১টি  <a href="https://toulot.com/my_bprs_activity_stream/?s=%23কব" class="youzify-hashtag" target="_self" rel="nofollow ugc">#কব</a>িতা </p>
<p>নিয়াজ আজিজ দ্বীপ </p>
<p>১.মাংসরেণু</p>
<p>&#8220;মাংসে’ও বুঝি ফুল ফোটে—<br />
তা’নাহলে বেল বাজিয়ে যে রিক্সাটা যাচ্ছিল—</p>
<p>কেন গন্ধ ছড়াচ্ছিল?</p>
<p>পারফিউম?<br />
নাকি ঘাম আর মাংসের রেণু ।</p>
<p>ধুর শালা!এই বসন্তে নাকে কেমন যৌবন লেগে আছে ;<br />
ভ্রমর মন<br />
আর চারপাশে আকুতি ভরা রোদ।</p>
<p>দ্বন্দ্বে পড়ে গেলাম বোধের রক্তথোকায়।</p>
<p>চিন্তার কোন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-27959"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/27959/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ea60bcc1acd10c8261aca2399b15de3b</guid>
				<title>দহন

&#124;আকাশের হৃদয়ে আমি এক নির্বিকার পাখি—
দিক হারিয়েছি;
হারিয়েছি আমার পালকের রোদ।

তবুও উড়ে চলি বিষাদের লাল মেঘ বেয়ে
কখনো দূরবর্তী নদীকে দেখে ভাবি তৃষ্ণার বেগে আমার প্রেমিকা&#124;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20627/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Jul 2021 21:58:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দহন</p>
<p>|আকাশের হৃদয়ে আমি এক নির্বিকার পাখি—<br />
দিক হারিয়েছি;<br />
হারিয়েছি আমার পালকের রোদ।</p>
<p>তবুও উড়ে চলি বিষাদের লাল মেঘ বেয়ে<br />
কখনো দূরবর্তী নদীকে দেখে ভাবি তৃষ্ণার বেগে আমার প্রেমিকা|</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e7a798172652bd1649364ec0eea59c80</guid>
				<title>কফিনে শহর

&#124;এই নিঃসঙ্গ শহরে— বৃষ্টি আসে বেদনার পিরামিডের প্রতিকোণে;
মেঘগুলো কফিন ধরে আত্মায় ভেসে বেড়ায়—নীল বৃত্তের বিন্দু কোথাও আকাশে ফুল ফোটায়।

লালহরিণ চোখে —
শব&#039;দেহের নীরব বরফঘরে ;পাখির নীড়ে পালকে ফুটে মশা&#039;দের ডিম-বদ্ধজলাশয়ে ভ্রূণ বেরিয়ে আসে জীবন্ত অসুখের ব্যথায়। 

কবরে ঘেরা সীমানার উৎসবের নতুন প্রাচীর  ঘিরে ঘাসের শক্তবেড়া—
ধেয়ে আসে আগুনের চাবুক হৃদয়ের প্রতিঘাতে সময়ের লালা চাটে রোগা কুকুর। 

প্রতি রাতে অশরীরীর চেতনায়;বাস্তবতার কুড়াল কোপাই শাণিত মগজের শেকড়ে।

প্রশস্ত আকাশের ডানা ছেড়ে আমরা ধরে আছি জানালার গ্রিল ;দূরে আছি তবুও—
বেঁচে আছি আমাদের অজান্তে মৃত্যু&#039;কে নিয়ে।

যেনো জন্মই মৃত্যুর একমাত্র উপায়;
উড়ে যাচ্ছে ডানা মেলে চিল বাতাসে ভর দিয়ে আত্মার সংবেদনায়।

মহাবিশ্ব থেকে খসে পরা কোন উজ্জলপাথর পৃথিবীর প্রাচীরে আঘাত হবার আগেই নিভে গেল সূর্যের হৃদপিণ্ড তখন—
আমরা অন্ধ হয়ে&#039;ও মহাবিশ্বকে দেখে ফেলি কল্পনার অন্তরে —স্বপ্নদুয়ার খুলে।

কোন তেজস্ক্রিয় স্বপ্ন আমাদের যুদ্ধের ময়দানে ছড়িয়ে দিচ্ছে নিষ্ক্রিয় ভালোবাসা ;
ভাইরাস লড়ছে ময়দানে ;মানুষ বন্দী হচ্ছে ঘরে ;

যেনো তারা নিজেদের ঘরের বাহুডোরে তৈরি করেছে নিজেদেরই চিড়িয়াখানা;
নিজেদেরই দেখছে হাততালি দিচ্ছে এবং একে অপরকে উপহাস করে বাদাম ছুড়ে মারছে&#124;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20625/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Jul 2021 21:42:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কফিনে শহর</p>
<p>|এই নিঃসঙ্গ শহরে— বৃষ্টি আসে বেদনার পিরামিডের প্রতিকোণে;<br />
মেঘগুলো কফিন ধরে আত্মায় ভেসে বেড়ায়—নীল বৃত্তের বিন্দু কোথাও আকাশে ফুল ফোটায়।</p>
<p>লালহরিণ চোখে —<br />
শব&#8217;দেহের নীরব বরফঘরে ;পাখির নীড়ে পালকে ফুটে মশা&#8217;দের ডিম-বদ্ধজলাশয়ে ভ্রূণ বেরিয়ে আসে জীবন্ত অসুখের ব্যথায়। </p>
<p>কবরে ঘেরা সীমানার উৎসবের নতুন প্রাচীর  ঘিরে ঘাসের শক্তবেড়া—<br />
ধেয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-20625"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/20625/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8e59ebcce108fd5f5b1b1eb9653f8bd7</guid>
				<title>শব্দের শোক

&#124;আমি শব্দ আঁকি—
সুন্দর একটা মসৃণ শব্দ।একদম সাদা ক্যানভাস সংক্ষিপ্ত আলোয়।

কেউ শব্দ করে।কেউ শব্দ লিখে।কেউ শব্দ বানায়।কেউ শব্দ বলে।

আমি শব্দ আঁকি—
লাইনের পর লাইন রেখা আর রেখা টানে অনুপাত। 

আমার বাবা দেশের চাষা।চাষবাস তার শিল্প।তবে প্রকৃত দামে তিনি শুধু—
চাষা বলে অনেক শব্দ পতন হতো তার।

যেমন;
ধানের শব্দ
খড়ের শব্দ
দামের শব্দ
ঘামের শব্দ।

আমার মা তিনি মস্তলেখক।কিছু না আঁকলেও সন্তানদের না খেয়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার শব্দছবিটা বিছিয়ে রাখতেন দুয়ারে। বাবা দুয়ারে পা&#039;রেখে শব্দটা অনুভব করে নিতেন।

মাঝে মাঝে শহর থেকে বাসায় বড় মামা আসলে আমাকে আদর করে
টাকা দিয়ে শব্দ বানিয়ে দিতেন।

আমি সেই শব্দ নিয়ে খেলা করতাম
উড়ে যেতাম আরো শব্দ ধরার ইচ্ছায়
একসময় শব্দটা ভেঙ্গে যেতো।

বাবা একদিন হঠাৎ একশব্দ তুলে শহরে গেলেন
দূরে বহু দূরে শব্দের সমান দূরে
ফিরে আসেনি।

আমি মাঝে মাঝেই সেই শব্দটা মাটিতে 

আঁকবো বলে

আমাদের দূরত্বের মাঝের শব্দটা খুঁজি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20624/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Jul 2021 21:33:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শব্দের শোক</p>
<p>|আমি শব্দ আঁকি—<br />
সুন্দর একটা মসৃণ শব্দ।একদম সাদা ক্যানভাস সংক্ষিপ্ত আলোয়।</p>
<p>কেউ শব্দ করে।কেউ শব্দ লিখে।কেউ শব্দ বানায়।কেউ শব্দ বলে।</p>
<p>আমি শব্দ আঁকি—<br />
লাইনের পর লাইন রেখা আর রেখা টানে অনুপাত। </p>
<p>আমার বাবা দেশের চাষা।চাষবাস তার শিল্প।তবে প্রকৃত দামে তিনি শুধু—<br />
চাষা বলে অনেক শব্দ পতন হতো তার।</p>
<p>যেমন;<br />
ধানের শ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-20624"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/20624/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5cda699f743226a9faebb1b62badcf43</guid>
				<title>জলফড়িং

আমি জলের গভীরে জন্ম নেওয়া ফড়িং;যার রূপান্তর বুঝতে হলে তোমাকে বুঝতে হবে এককোষী জলজীবন।
  আমাকে অবহেলা তুমি করতে পারো।
বরং তুমি সমগ্র পৃথিবীর বাস্তুসংস্থান— প্রত্যেক জীবনের অন্তর্ভেদী কোরাস কে অবহেলা করতে পারো।

এসব তোমার একান্ত বিপ্লব অথবা অহংকার হতে পারে। আমি ঘাসের হৃদয় থেকে মুক্তি নিয়ে তোমাদের প্লাস্টিক হৃদয়ের অংশ নাও হতে পারি। এখানে আমার স্বাধীনতা। এই ফড়িং জীবনের স্বাধীনতা।

আমিই দুর্দান্ত এই আকাশ নভোচারী।

যার ডানায় লেখা পৃথিবীর ইতিহাস।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20242/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Jul 2021 15:03:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জলফড়িং</p>
<p>আমি জলের গভীরে জন্ম নেওয়া ফড়িং;যার রূপান্তর বুঝতে হলে তোমাকে বুঝতে হবে এককোষী জলজীবন।<br />
  আমাকে অবহেলা তুমি করতে পারো।<br />
বরং তুমি সমগ্র পৃথিবীর বাস্তুসংস্থান— প্রত্যেক জীবনের অন্তর্ভেদী কোরাস কে অবহেলা করতে পারো।</p>
<p>এসব তোমার একান্ত বিপ্লব অথবা অহংকার হতে পারে। আমি ঘাসের হৃদয় থেকে মুক্তি নিয়ে তোমাদের প্লাস্টিক হৃদয়ের অংশ নাও হতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-20242"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/20242/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">56ae84cbe431d86b80571ae3efd5d51e</guid>
				<title>গতানুগতিক

প্রত্যেক দিন একই রকম কাটে—

বারান্দায় দাঁড়িয়ে
কিংবা
জানালার পাশে হাত রেখে—

ইদানিং আস্ত ভোর খেয়ে নিচ্ছে ঘুম—

প্রকৃত ঘুমে যাচ্ছে কতো মানুষ
হাসপাতালে —মর্গে—চিতায় লম্বা ঘুমের লাইন
এতো ঘুম
শহরে কে ছড়ালো
মহামারি
প্রযুক্তি কারবারি।

সে যেই দিক
দিয়েছে কেউ—

বরং একলা ঘরে
চড়াই ডাকে

রোদ গ্রিলের ছায়া মাখে—দুপুর গড়ায় শালিক গানে;
আধখাওয়া সিগারেট ঠোঁটে রেখে—

পার করি বিকেল—

সন্ধ্যা নামে
সূর্যের মুখে
রাত এক —সাদাকাক
ঘুমের পরে
ডাকতে পারে—
স্বপ্নে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/20228/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Jul 2021 14:01:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গতানুগতিক</p>
<p>প্রত্যেক দিন একই রকম কাটে—</p>
<p>বারান্দায় দাঁড়িয়ে<br />
কিংবা<br />
জানালার পাশে হাত রেখে—</p>
<p>ইদানিং আস্ত ভোর খেয়ে নিচ্ছে ঘুম—</p>
<p>প্রকৃত ঘুমে যাচ্ছে কতো মানুষ<br />
হাসপাতালে —মর্গে—চিতায় লম্বা ঘুমের লাইন<br />
এতো ঘুম<br />
শহরে কে ছড়ালো<br />
মহামারি<br />
প্রযুক্তি কারবারি।</p>
<p>সে যেই দিক<br />
দিয়েছে কেউ—</p>
<p>বরং একলা ঘরে<br />
চড়াই ডাকে</p>
<p>রোদ গ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-20228"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/20228/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2093df1d62aa8ae2ae821debbef040b7</guid>
				<title>ধাতব একটি পায়রার হৃদয় খসে উড়ে যাচ্ছে উজ্জ্বল তবুও হালকা রঙের —
একগুচ্ছ পালক।

উড়ে যেতে যেতে পৃথিবীর মেরুন সন্ধ্যা পেরিয়ে কফিনের ডানায় মেঘের গোলাপি আস্তরণ—
মহুয়া বনে ঝুলে আছে সময়ের বাদুড়।তাকে নমুনা করে নিয়ে যাও রাসায়নিক ল্যাবে।
 
ভেবে দেখো প্রযুক্তির কালো প্রজাতির বানর—
একটি সুপার ভাইরাস তোমাদের চতুর্থ বিপ্লবকে নিয়ে যেতে পারে কিনা ;

পৃথিবীর দুয়ার খুলে মহাবিশ্বের নতুন অর্থনৈতিক মানদণ্ডের কারাদন্ডে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/19713/</link>
				<pubDate>Sat, 10 Jul 2021 21:39:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধাতব একটি পায়রার হৃদয় খসে উড়ে যাচ্ছে উজ্জ্বল তবুও হালকা রঙের —<br />
একগুচ্ছ পালক।</p>
<p>উড়ে যেতে যেতে পৃথিবীর মেরুন সন্ধ্যা পেরিয়ে কফিনের ডানায় মেঘের গোলাপি আস্তরণ—<br />
মহুয়া বনে ঝুলে আছে সময়ের বাদুড়।তাকে নমুনা করে নিয়ে যাও রাসায়নিক ল্যাবে।</p>
<p>ভেবে দেখো প্রযুক্তির কালো প্রজাতির বানর—<br />
একটি সুপার ভাইরাস তোমাদের চতুর্থ বিপ্লবকে নিয়ে যেতে প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-19713"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/19713/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3378a6cb3c24b628518745b55599e03f</guid>
				<title>অন্ধ আস্তরণ 

&#124;আমরা মূলত অন্ধ হয়ে
উড়ে বেড়াচ্ছি—

শুক্র থেকে নেমে পৃথিবীতে ফিরে আসা 

একাধিক তরঙ্গের মতো—

নিকট ঘেঁষে বিস্তীর্ণ উল্কাপতন—
সুপার স্প্রেডার। 

আমাদের দিকে ধেয়ে আসা গ্রহণ

মহাকাশ আবর্জনা—

আমাদের হৃদয়মন্ডল
আমাদের স্মৃতিকঙ্কাল—

সূর্যচক্রে মেঘের একটি অস্বচ্ছ আস্তরণ —

সময় দিয়ে মোড়ানো
নিরেট কৃষ্ণবিবর&#124;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/19712/</link>
				<pubDate>Sat, 10 Jul 2021 20:27:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অন্ধ আস্তরণ </p>
<p>|আমরা মূলত অন্ধ হয়ে<br />
উড়ে বেড়াচ্ছি—</p>
<p>শুক্র থেকে নেমে পৃথিবীতে ফিরে আসা </p>
<p>একাধিক তরঙ্গের মতো—</p>
<p>নিকট ঘেঁষে বিস্তীর্ণ উল্কাপতন—<br />
সুপার স্প্রেডার। </p>
<p>আমাদের দিকে ধেয়ে আসা গ্রহণ</p>
<p>মহাকাশ আবর্জনা—</p>
<p>আমাদের হৃদয়মন্ডল<br />
আমাদের স্মৃতিকঙ্কাল—</p>
<p>সূর্যচক্রে মেঘের একটি অস্বচ্ছ আস্তরণ —</p>
<p>সময় দিয়ে মোড়ানো<br />
নিরেট কৃষ্ণবিবর|</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b16dab86be6bb36f5e14d21d47dee0cb</guid>
				<title>মাংসরেণু

&#124;মাংসে’ও বুঝি ফুল ফোটে—
তা’নাহলে বেল বাজিয়ে যে রিক্সাটা যাচ্ছিল—

কেন গন্ধ ছড়াচ্ছিল?

পারফিউম?
নাকি ঘাম আর মাংসের রেণু ।

ধুর শালা!এই বসন্তে নাকে কেমন যৌবন লেগে আছে ;
ভ্রমর মন
আর চারপাশে আকুতি ভরা রোদ।

দ্বন্দ্বে পড়ে গেলাম বোধের রক্তথোকায়।

চিন্তার কোন ডালের বোটায়
মগজের সচেতন ইন্দ্রিয় ভাঁজে।

এই যে, দেয়াল দেয়া— তোমার আমার আলাদা সংসার;
স্তরে স্তরে কংক্রিটহৃদয়। অবশিষ্ট যৌক্তিক কয়েন নেই পকেটে।

আত্মকেন্দ্রিক শূন্যতা
অথচ স্বপ্নের পাখিরা ডানা নিয়ে ফিরে গেছে মহুয়া বনে।
বাদুড় হয়ে ফিরবে নিশ্চিত!

তবুও আমরা একে অপরকে কামনা করছি প্লেটোনিক ইশারায়।

নিক্রপলিস কাঁচের প্রতিফলন চোখে —

আমাদের অনিশ্চিত ঘুম ভেঙে যায়
কর্পোরেট বিছানায়&#124;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/19558/</link>
				<pubDate>Sat, 10 Jul 2021 11:54:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাংসরেণু</p>
<p>|মাংসে’ও বুঝি ফুল ফোটে—<br />
তা’নাহলে বেল বাজিয়ে যে রিক্সাটা যাচ্ছিল—</p>
<p>কেন গন্ধ ছড়াচ্ছিল?</p>
<p>পারফিউম?<br />
নাকি ঘাম আর মাংসের রেণু ।</p>
<p>ধুর শালা!এই বসন্তে নাকে কেমন যৌবন লেগে আছে ;<br />
ভ্রমর মন<br />
আর চারপাশে আকুতি ভরা রোদ।</p>
<p>দ্বন্দ্বে পড়ে গেলাম বোধের রক্তথোকায়।</p>
<p>চিন্তার কোন ডালের বোটায়<br />
মগজের সচেতন ইন্দ্রিয় ভাঁজে।</p>
<p>এই যে, দেয়াল দেয়া&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-19558"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/19558/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7d00d20b7b7b8655e2defb7e50db6cf2</guid>
				<title>লিরিক 

&#124;              খোলা চিঠি
               ছেড়া খাম।

               গোটা হাতে 
               তোমার নাম।

                চেনা রং 
                প্রিয় শাড়ি।

                সাদা খাতা
                আমি খালি।

                সাদা পাখি
                তোমার ঠোঁট। 

                আমার গ্রাম 
              
                তামারোদ।

                কেনা টাকায় 
                দামি ঘড়ি
                তোমার সময়
                বাহাদুরি। 

                খোলা চুল 
                খোলা হাওয়া।

                 ছেড়া ধান 
                 নতুন জামা।

                 এই টুকুই নিতে মানা

                 তুমি রাখো 
                 আমি যাই।

                 ঐ দিকে ঘর পালায়
                 বাড়ির ঠিকানায়।

                 তুমি আসো
                 তুমি থাকো।

                 নিয়ে দুপুর 
                 নিয়ে সুদূর।

                 খোলা কথা 
                 খোলা গান
                 জড়াও কিছু চারাধান।

                এই বিকেল
                এই বেলা

                 সূর্য গিলে
                নদী&#039;র খেলা।

                দেখি পাখি
                দেখি ভোর
                সবকিছুই আলতো ঘোর।

                চিকন সুতোয় 
                  হাওয়াবল।

                তোমার যতো
                কাঁচের দল।

                খোলা চোখে 
                আমি কাড়ি।

                  ধূসর বেলুন
                  মিহি মিছিল।

তোমার হাতভর্তি খালি&#039;পা—
আমার হামাগুরি খাওয়া আঙুল&#124;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/19473/</link>
				<pubDate>Sat, 10 Jul 2021 08:05:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>লিরিক </p>
<p>|              খোলা চিঠি<br />
               ছেড়া খাম।</p>
<p>               গোটা হাতে<br />
               তোমার নাম।</p>
<p>                চেনা রং<br />
                প্রিয় শাড়ি।</p>
<p>                সাদা খাতা<br />
                আমি খালি।</p>
<p>                সাদা পাখি<br />
                তোমার ঠোঁট। </p>
<p>                আমার গ্রাম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-19473"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/19473/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">371a2ac919c367aac938d56092486369</guid>
				<title>তোমায় ভেবেছি ফুল বকুল
বিকেল বেলার পাখি
তুলে ধর আঁখি।

এই নিদারুণ সন্ধি
করো মোরে বন্দি
তোমার কোলেই ফুলের জড়াজড়ি
আলোর ছড়াছড়ি 
তুলে ধর আঁখি।

দেখো এই হৃদয়পট
খাঁখাঁ রোদে পোড়া।

বেদনা বিধুর হিয়া
হয়তো তুমি অন্য
প্রেমের হাতে মশগুল 
হয়তো তুমি অন্য
প্রেমিকের হৃদয়বানী
তবুও এটুকুই জানি।

তুমি এই সন্ধি
গুটি গুটি খালি পায়ে
আমার আশার ঘর
আমার বর্ষ বরণ
অনন্য কোন প্রেমিকা। 

যাকে ভোলা যায় না
ভুলে থাকা যায় না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/19363/</link>
				<pubDate>Fri, 09 Jul 2021 19:02:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোমায় ভেবেছি ফুল বকুল<br />
বিকেল বেলার পাখি<br />
তুলে ধর আঁখি।</p>
<p>এই নিদারুণ সন্ধি<br />
করো মোরে বন্দি<br />
তোমার কোলেই ফুলের জড়াজড়ি<br />
আলোর ছড়াছড়ি<br />
তুলে ধর আঁখি।</p>
<p>দেখো এই হৃদয়পট<br />
খাঁখাঁ রোদে পোড়া।</p>
<p>বেদনা বিধুর হিয়া<br />
হয়তো তুমি অন্য<br />
প্রেমের হাতে মশগুল<br />
হয়তো তুমি অন্য<br />
প্রেমিকের হৃদয়বানী<br />
তবুও এটুকুই জানি।</p>
<p>তুমি এই সন্ধি<br />
গুটি গুটি খালি পায়ে<br />
আমার আশার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-19363"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/19363/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9f63448df07d879c62ab438e4bb6800b</guid>
				<title>★রেখা★

 A poetic fiction 

রেখা—,আমাদের কথা হয়ে ছিলো চাঁদ নিয়ে—

তোমাকে অদ্ভুত ভাবে আবিষ্কার করি যেদিন—
সেদিন সকালটা ছিলো নরম রোদের।

সারাটা দুপুর পেরিয়ে বিকেল হলো— সন্ধ্যা এসে গড়ালো জোছনা রাতে— ঠিক সেদিন রাতে আকাশে আস্ত একটা চাঁদ ফুটে ছিলো।

অহেতুক অস্থিরতায় আমার কাটছিলো হৃদয়—
তখন ভাবছিলাম বসে মুঠোফোনের পাশে—
প্রথম কথাটি তোমাকে ঠিক কি বলি?

বিশেষ কিছু তাতে যদি তোমার মন না গড়ায়—
কি শব্দ হতে পারে?তোমার হৃদয় কান পেতে আছে যেই শব্দের অপেক্ষায়—
নিয়ত এই নীল সামাজিক মাধ্যমে এতো মুখ এতো মুখোশের আড়ালে আমরা কখনো মুখোমুখি হতে পারবো!

রেখা,এমনকি কখনো আমরা হতে পারবো একটি সদ্য অলিখিত কবিতা।

রেখা,এমন কোন কথার অনুবাদে আমি সহজ হবো তোমার —এতো রং এতো আলোড়ন আমার জলমুখটা কখনো ধুয়ে দিবে—
তোমার এই নীল সামাজিক রং কি কখনো ঠিকঠাক আমাকে চিনে নিবে—বলো?

রেখা,কেমন জানি খুব তোমার হবার প্রবল ইচ্ছায় হৃদয় মরিয়া হয়ে আছে—
আমি তোমার লক্ষ্যে গমন করছি অনেক স্বপ্ন নিয়ে আকাশে দেখছি তুমি আমার দুচোখে জোছনা ছড়াচ্ছো।

এই আবিষ্কার আমার —এই পূর্ণতা আমি হারাতে দিবোনা কখনো ।

রেখা,তোমাকে আমি আমার হৃদয়ে যপেছি আমার হৃদয়ের জিকিরে তোমার হৃদয় মশগুল হবেই একদিন —
এতো প্রবল বিশ্বাস প্রার্থনা সৃষ্টিকর্তাও শুনতে পান—তুমিও নিশ্চয়ই পাবে।

রেখা,জানালায় বসে আমার মতো তুমিও আজ বুঝি চাঁদ দেখছো—তোমার স্বাধীন মনের আকাশে আজ কি একটু মেঘ করেছে?
এই অবিশ্বাস্য রাতে আমার মন সাদা আলোর দড়ি ধরে তোমার মনের জানালায় উঁকি দিতে চাইছে—
এই বিশ্বাস তোমার কড়া না&#039;রবেই—এই বিশ্বাস তোমার হৃদয়ে কথা ছড়াবেই— আমরা মুখোমুখি দাঁড়াবো—

এমন একটা সাহস নিয়ে মুঠোফোনে চাপি;

(আজ চাঁদের মন খারাপ)
তুমি উত্তর দাওঃ(হুম,চাঁদের মন অনেক খারাপ)

আমরা কথায় কথায় দুজনার কাছাকাছি এসে দাঁড়াই—চাঁদ নিয়ে তুমুল কাব্য করি—আমার মনের আকাশে ভরা জোছনা আর তুমুল জোড়ার বইতে থাকে—রাতের কালো আকাশটা যেন আলোর অনুবাদে ছড়িয়ে দেয় আমার গুমোট ঘরে আলো।

রেখা,এখনো আকাশে চাঁদ উঠে—ভোরের পরে ডুবে যায়—সূর্য খুলে সকাল আসে—
কিন্তু আমার আর আকাশে তাকাবার অবকাশ ইচ্ছে কোনটাই মেলেনা।মনের আলোটায় ফাটল ধরে। 

এই শহরে উঁচু উঁচু দালানে আকাশটা ভরে গেছে—
সময় ইদানিং একদম কুমির — কেউ ভালো নেই —তুমি কেমন আছো জানতেও চাইনা আর?মহা অসুখে মন ও শহর দুটোই ভরে গেছে—এখন—দেশ—প্রেম—রাজনীতি—রাষ্ট্রনীতি—চাহিদা—যোগান কিছুর ঠিক নেই।

রোদের পর রোদ পেরিয়ে জীবনের দুপুর দিয়ে কোন সুদিন হাওয়া বয়না—এমনকি তোমার মতো এ শহর থেকে হারিয়ে যাচ্ছে নদী—সবুজে ভরা গাছের সারি।

রেখা,এই কংক্রিট পোড়া শহরে তুমিই ছিলে আমার একান্ত বন—রোজ রোদে পুড়ে তাপদহন সহ্য করে সারি সারি জ্যাম-গাড়ি পার হয়ে যখন একটু নিস্তার আর শান্তি পাবার জন্য তোমার বনের গহীনে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতাম—আমি নই এই পুরো শহরটাই জুড়িয়ে যেতো।

এই সমান্য ভালো সময়টুকুও আজ আর নেই—এই শহর ভরে উঠছে প্রচন্ড যন্ত্রণায়।
তুমি চলে যাবার পর থেকেই সংকট—গাছ পালাও কমে গেছে—শহর জুড়ে বয়ে যায় গরম বাতাস—ফুসফুসে দম নেই—অত্যাধিক মিথেন বিষাক্ত কার্বন— বাতাসে ধূলিকণায় আমার মন এভাবে রোজ জব্দ হয়ে বাড়ি ফিরে;

ফিরে শুধু আমি তোমার ছায়া নিংড়ে— তোমার বনের পাখি-পাতার রং খুব অসহায় ভাবে মিস করি।

রেখা,এইসব ভাবানার দিন শেষ—আমরা সকলে ফুরিয়ে আসছি আমাদের অত্যাধিক কল্যানে—ধ্যানে—হৃদয়ে বিষ পিঁপড়া রেখে।

শুধু এ কংক্রিট শহরে দীর্ঘ হচ্ছে আমাদের দীর্ঘশ্বাস।

রেখা,আকাশে কিমাকার মেঘদল দেখে তুমি হয়তো জানালার পাশে বসে ভাবছো —এই শহর আজ টুুপটাপ জলে ভিজে যাবে—পাখিরা নিরাপদ রেলিং-এ-বসে নিজেদের গুটিয়ে নিবে কৌশলে ভেজা পালক।

আমিও এক পলাতক মানুষপাখি—
আকাশে কিমাকার মেঘদল দেখে ভাবি —তোমার শহরে আমিও ঠিক সহজ জলের মতোই 
ভেতরে ভেতরে একা একা ভিজি।

তবে,পাখিদের মতো আমার কোন নিরাপদ শাখা নেই;
নেই শক্ত হাতের মুঠোয় হাত—ভিজে যাবার পর লুকাবার জন্য উষ্ণ নরমবুক—
কোন ব্যক্তিগত হৃদয়।

রেখা,আমাদের রাস্তাটা অনেক সরে এসেছে—
এখন আমরা দু&#039;জনেই আলাদা আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি—তোমার ছাদ থেকে যেমন এখন আর আমার ঘর দেখা যায় না—
শূন্য খানটাতে হয়েছে বহুতল ফ্ল্যাটবাড়ি—তেমনি আমার জানালা থেকেও তোমার ঘর মুছে গেছে।

রেখা,একি বাতাসকে ছুঁয়ে ফেলা আমাদের কথাগুলো সমস্ত  নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে এখন অন্য মাধ্যমে হয়েছে অতীত—আমাদের রাস্তাটা অনেক দুমরে মোচকে আছে এখন—
আমার রাস্তা যেমন তোমার ঘরের দিক মুখ তুলে আছে—ঠিক তোমার ঘর তেমনি মুখ ফিরিয়ে নিয়ে আছে অন্য রাস্তার দিকে।

রেখা,আমরা কেউ কাউকে আটকাই না —আমরা কেউ কাউকে বলিনা একটা করে রাত কতো সহজ—
আমরা কেবল মুখলুকিয়ে ভেতরে ভেতরে মুখোমুখি হই—
চুপ করে থাকি কথার নিষেধে—
মানুষের আসা চলে যাওয়া রাস্তাগুলো ফিকে হয়ে আমাদের দেখে।

রেখা,তুমি আমার বুক বরাবর উঠে দাঁড়াও—আমার বুকে খুঁড়ে খুঁড়ে তোমার জন্য কবর তৈরী করো—এই শোক হোক ভালোবাসার প্রতীক—এর চেয়ে বেশি তুমি আমাকে ভালোবাসতে পারোনা—এর চেয়ে বেশি আমি তোমাকে ভালোবাসতে পারিনা।

আমাদের বুকে আমাদের শ্রেষ্ঠ কবর হবার পর আমরা আর কেউ কাউকেই ভালোবাসতে পারিনা।

রেখা,এইসব বায়বীয় ঘটনা—এখানে তোমার অক্ষুণ্ন অস্তিত্বের মাটিতে কোন অস্তিত্ব নেই—তবে বুকের কবরে একটা নয়নতারা ফুটেছে—সেও গত জন্মের সকালে তোমাকে বুকে না পেয়ে জেগে থাকতে পারেনি—

আসলে আমরা কেউ কাউকেই বুকে রেখে চিরকাল জেগে থাকতে পারিনা—পারি শুধু বুকে করে বয়ে নিয়ে বেড়াতে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/16086/</link>
				<pubDate>Tue, 29 Jun 2021 10:17:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>★রেখা★</p>
<p> A poetic fiction </p>
<p>রেখা—,আমাদের কথা হয়ে ছিলো চাঁদ নিয়ে—</p>
<p>তোমাকে অদ্ভুত ভাবে আবিষ্কার করি যেদিন—<br />
সেদিন সকালটা ছিলো নরম রোদের।</p>
<p>সারাটা দুপুর পেরিয়ে বিকেল হলো— সন্ধ্যা এসে গড়ালো জোছনা রাতে— ঠিক সেদিন রাতে আকাশে আস্ত একটা চাঁদ ফুটে ছিলো।</p>
<p>অহেতুক অস্থিরতায় আমার কাটছিলো হৃদয়—<br />
তখন ভাবছিলাম বসে মুঠোফোনের পাশে—<br />
প্রথম কথাটি তোমাকে ঠিক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-16086"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/16086/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>