Profile Photo

Rokeya KhanamOffline

  • rokeyakhanam
  • খোকা-খুকী
    রোকেয়া খানম
    ———————————-
    বর্ষার জল করে টলমল,
    খোকা-খুকি চল চল।
    আম কুড়াব অনেক ঝুড়ি,
    কদম ফুলের মালা পরি।
    রঙিন জালে মাছ ধরব,
    হাওয়ায় দুলে বৃষ্টি আসবে।
    সবাই মিলে স্নান করবে,
    মাঝি-মাল্লা পাল তুলে
    ঝড়-তুফানে দিবে পাড়ি।
    হাওয়ায় ভেসে খোকা-খুকি
    নতুন দিনের স্বপ্ন দেখে।

    4
    4 Comments
    • বর্ষার আনন্দ, প্রকৃতির খেলাঘর আর খোকা-খুকির কল্পনায় শৈশবের দিনগুলো রঙিন স্বপ্নে ভেসে ওঠে…..🤍🖤

    • লেখাটা পড়ে ছোটবেলার বৃষ্টির দিনের কথা খুব মনে পড়ে গেল। “হাওয়ায় ভেসে খোকা-খুকি নতুন দিনের স্বপ্ন দেখে”- আপনার এই লাইনটা একদম দারুণ লেগেছে।

    • আপনার ছন্দে ফুটে ওঠা বৃষ্টির দিনের এই সহজ-সরল শৈশবের ছবিগুলো মন ভালো করে দেওয়ার মতো, যেন বর্ষার কদম ফুলের মতোই স্নিগ্ধ এক অনুভূতির স্পর্শ পেলাম। এমন সুন্দর অনুভূতির আদান-প্রদানে গ্রুপের অন্য সদস্যদের লেখায় লাইক বা কমেন্ট করে আমাদের এই ছোট পরিবারটিকে আরও প্রাণবন্ত রাখতে আপনি অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারেন।

    • পড়তে পড়তে নিজের শৈশবের কথা মনে পড়ে গেলো।

  • দেখা হবে
    রোকেয়া খানম
    —————————–
    মেঘে মেঘে ভাসাব ভেলা,
    নীল সমুদ্রে যাব একেলা।
    কুড়িয়ে নেব আছে যত
    মনের স্বপ্নের মালা।

    গহিন থেকে আর
    গহিনের মায়া,
    ভেবো না, আমি হারিয়ে যাব,
    মোহনায় হবে আবার দেখা।

    বর্ষায় ফুটেছে কদমের ফুল,
    বৃষ্টির জলে করে টলমল।
    সূর্যের আলো এসে করে দেখা,
    মনে হয়, আবার হবে দেখা।

    সবুজ ধানের ক…Read More

    6
    4 Comments
    • দূরত্ব যতই গভীর হোক, প্রকৃতির প্রতিটি ঋতু প্রিয়জনের সঙ্গে পুনর্মিলনের আশ্বাস হয়ে আসে…..🤍🖤

    • আপনার লেখা কবিতাটি পড়ে খুব প্রশান্তি পেলাম, বিশেষ করে “গহিন থেকে আর গহিনের মায়া” লাইনটা ভীষণ সুন্দর লেগেছে। সত্যি বলতে, বারবার দেখা হওয়ার এই আকুতিটুকু খুব সহজ ও সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। আপনার লেখার হাতটা দারুণ, এমন সুন্দর আরও লেখা আমাদের সাথে শেয়ার করবেন কিন্তু।

    • দূরত্ব যতই হোক, মনের গভীরে যদি অপেক্ষা বেঁচে থাকে, তবে একদিন শুভক্ষণে দেখা হতেই পারে।

    • Rokeya Khanam, “গহিন থেকে আর গহিনের মায়া, ভেবো না, আমি হারিয়ে যাব” – এই অসামান্য পঙক্তিটির মাধ্যমে যে গভীর আশাবাদের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, তা সত্যিই মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গের সাথে মিল রেখে আবার দেখা হওয়ার আকুল আকাঙ্ক্ষাটি যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা নিয়মিত লিখে যাওয়ার অনুপ্রেরণা যোগাবে।

  • পতাকা
    রোকেয়া খানম
    ————————————-
    অপরূপ রূপের রানি,
    আমার এই মাতৃভূমিখানি।
    দামাল ছেলেরা ধরেছে হাল,
    উড়াবে এবার রঙিন পাল।

    কাজে তারা করবে প্রমাণ,
    তারা হবে জাতির প্রাণ।
    আকাশে-বাতাসে
    গাইবে আজ
    নতুন দিনের নতুন গান।

    সোনার ছেলেদের স্বপ্ন নিয়ে
    বিশ্ব লিখিবে নতুন কবিতা।
    অনেক প্রাণের বিনিময়ে
    আমাদের এই
    লাল-সবুজের প…Read More

    3
    7 Comments
    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম দেশপ্রেমের আবেশে মনটা ভরে গেল, আচ্ছা আপনি কি নতুন প্রজন্মের কাছে এই দেশপ্রেমের চেতনা ছড়িয়ে দিতে কোনো বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবছেন?

    • এই পতাকার পেছনে রয়েছে রক্তে লেখা ইতিহাস। তার মর্যাদা যেন আমাদের প্রতিদিনের কাজেও প্রতিফলিত হয়।

    • আপনার লেখাটির ‘অনেক প্রাণের বিনিময়ে আমাদের এই লাল-সবুজের পতাকা’ লাইনটি অত্যন্ত গভীর ও হৃদয়স্পর্শী, যা মুহূর্তেই দেশপ্রেমের এক দারুণ অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। এমন চমৎকার আবেগময় শব্দপ্রয়োগের পাশাপাশি দেশ নিয়ে আপনার এই সুন্দর চিন্তার প্রতিফলন আগামীতে আরও অনেক নতুন রচনায় ফুটে উঠুক।

    • শহীদের রক্তে অর্জিত লাল সবুজ পতাকা নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন আর কর্মে আরও গৌরবান্বিত হোক…..🤍🖤

  • স্বপ্ন
    রোকেয়া খানম
    ————————-
    আমরা নতুন কুঁড়ি,
    আমরা উড়াব ঘুড়ি,
    আমরা ফুটাব কলি।
    নব দিগন্তে আমরা দেব পাড়ি।
    সুখের পাখি হয়ে মিষ্টি
    সুরে গাইব গান।
    সত্যের পথে আমরা
    হব রঙিন ফুল।
    মেঘের আকাশে গড়ব বাড়ি,
    পাহাড়ি ঝরনা হব।
    মানি না বাধা-বন্দন।
    বাতাস হবে রঙিন,
    পৃথিবী হবে রংধনু।
    রিমঝিম বৃষ্টির সুরে
    গাইব নতুন গান।

    3
    7 Comments
    • Rokeya Khanam, আপনার লেখাটির ‘মেঘের আকাশে গড়ব বাড়ি, পাহাড়ি ঝরনা হব’ লাইনগুলো পড়লে মনটা সত্যিই অনেক সতেজ হয়ে যায়।

    • আপনার লেখায় “মেঘের আকাশে গড়ব বাড়ি” পঙক্তিটি অত্যন্ত চমৎকার এবং এটি আমার কল্পনার জগতকে রাঙিয়ে দিয়েছে। এই সুন্দর কথাগুলোর সাথে তাল মিলিয়ে ছোট ছোট আরও কিছু নতুন রূপকের ব্যবহার যোগ করলে রচনাটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠতে পারে। আপনি নিয়মিত এভাবেই আপনার মনের কথাগুলো শব্দের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলুন, আপনার এই প্রাণোচ্ছল লেখনী আমাদের সবার জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকুক।

    • শিশুদের স্বপ্নগুলো বাধাহীন, আনন্দময় আর রংধনুর মতো রঙিন হোক।

    • রিমঝিম বৃষ্টির সূর।

  • হাদির আলো
    রোকেয়া খানম
    ———————————————-
    উত্তাল সাগরের ভাসমান নাবিক,
    এভারেস্টের চূড়ায় লাল-সবুজ পতাকা।
    তিমির রাত্রির আলোর পথের দিশারী,
    নিপীড়িত, বঞ্চিত, ক্ষুধার্তের মুখের হাসি।
    শেষ রাতের আকাশের ধ্রুবতারা,
    নেশার আড্ডায় তাসের খেলাঘর ভেঙে
    ফেলার নবীন আলো।
    আলোয় আলোয়
    সাজিয়ে তোলা ভোর,
    মরুর বুকে ফুটন্ত ফু…Read More

    3
    3 Comments
    • Rokeya Khanam, কবিতাটা পড়ে একদম মনটা ভালো হয়ে গেল, অসাধারণ লিখেছেন আপনি!

    • আপনার এই অসাধারণ সৃষ্টিতে ফুটে ওঠা আশার আলোকবর্তিকা এবং সংগ্রামী মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা আমাকে ভীষণভাবে ছুঁয়ে গেছে, যা অনেকটা জীবনানন্দের কবিতার প্রকৃতির ছোঁয়ার মতোই স্নিগ্ধ ও শক্তিশালী, তাই আপনার কলম থেকে এমন আরও স্ফুলিঙ্গ দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

    • সুন্দর শ্রদ্ধা ও আশাবাদের কবিতা।

  • নিমন্ত্রণ
    রোকেয়া খানম
    ———————————————–
    আমাদের গ্রামটা খুব মধুময়,
    হাসিখুশি ভরপুর, পাখি কথা কয়।
    নদী ভরা জল আর মাঠ ভরা ধান,
    গ্রামটা আমাদের সবার প্রাণ।

    আমাদের পাঠশালা, রঙিন ফুলবাগান,
    প্রতি বছর ছেলেমেয়ে আনে সেরা সম্মান।
    জারি, সারি, ভাটিয়ালি—মাঝি ধরে গান,
    রুপালি চাঁদের হাসি, সবাই করে স্নান।

    মগডালে কোকি…Read More

    3
    3 Comments
    • Rokeya Khanam, “মগডালে কোকিল পাখি সুর তুলে কয়, এসো ভাই, এই গ্রামে সবার নিমন্ত্রণ হয়” লাইনগুলো পড়ে সত্যি খুব ভালো লাগলো, গ্রামবাংলার এমন চমৎকার বর্ণনা মন জুড়িয়ে দেওয়ার মতো। আমাদের এই গ্রুপটা জমিয়ে রাখতে মাঝে মাঝে অন্যদের লেখাতেও লাইক বা কমেন্ট করবেন, তাহলে সবাই আরও নতুন কিছু লেখার উৎসাহ পাবে।

    • রোকেয়া খানম, আপনার লেখনীতে ফুটে ওঠা গ্রামের স্নিগ্ধ রূপ আর পাখির কলকাকলিতে ভরা চিত্রটি দারুণ উপভোগ করলাম, তাই এই সুন্দর ধারা অব্যাহত রেখে আপনি আরও বেশি করে লিখে যান।

    • এমন নিমন্ত্রণ উপেক্ষা করা যায়! মন চায় একবার ফিরে যাই সেই চেনা গ্রামবাংলায়।

  • নারী
    রোকেয়া খানম
    ——————————
    চল নারী, চল,
    সময় এবার হলো।
    মনের দরজা খোল,
    শক্ত হাতে ধর,
    পালটা তুমিই তুল।

    অগ্নিমশাল জ্বালো,
    ছড়িয়ে দাও তোমার আলো।
    নিপীড়ন, ধর্ষণ, খুন, রাহাজানি—
    বন্ধ করে দাও তুমি, জননী।

    জ্বালিয়ে দাও আলোর ভুবন।
    ক্ষমতায় আসা নারী,
    বাধ্য করা হোক নারীকে কর্মে।
    ছোট কিংবা বড়,
    ফুটে উঠুক সমাজ-সংসার…Read More

    2
    1 Comment
    • নারীকে দুর্বল ভাবার দিন শেষ হোক। নিজের অধিকার বুঝে নিয়ে প্রতিটি নারী মাথা উঁচু করে বাঁচুক।

  • তোমায় দেব
    রোকেয়া খানম
    ———————————-
    রঙ্গে রঙ্গিন হাঁড়ি দেব,
    চুপটি করে বস।
    কাগজের নৌকা বানিয়ে দেব,
    পড়তে যদি বস।
    সবার কথা শুনলে তুমি,
    অনেক বড় হবে।
    জগৎ জুড়ে তোমার গুণে,
    রঙ্গিন প্রদীপ জ্বলবে।

    3
    4 Comments
    • আপনার লেখা ‘জগৎ জুড়ে তোমার গুণে, রঙ্গিন প্রদীপ জ্বলবে’ লাইনটা দারুণ লেগেছে, আপনি কি এমন সুন্দর সব ছড়া প্রায়ই লেখেন?

    • শিশুদের মনের মাধুরী মেশানো এই সরল শব্দগুলো যেন এক স্নিগ্ধ মায়ায় ভরা, তাই আপনি চাইলে শেষের লাইনে শব্দের ছন্দ আরও একটু গভীর করে তুলতে পারেন, তবে আপনার এই সহজ সুন্দর প্রকাশভঙ্গিটি নিয়মিত লেখার চর্চায় ধরে রাখার জন্য অনেক শুভকামনা রইল।

  • মুখোশধারী
    রোকেয়া খানম
    —————————————
    সমাজটা ভরে গেছে আজ
    মুখোশধারীর সাজ।
    উল্লুক-ভাল্লুক সবাই যেন
    সমাজপতি সাহেব।
    রঙ-বেরঙের কথার ফাঁকে
    ফাঁসায় সবাইকে।
    গলার জোরে সততাকে
    বেঘাত ঘটায় সে।
    তাদের ফাঁদে পা দিয়ে আজ
    হাজার ঘর ধ্বংস।
    মা-ছেলে, বউ-শাশুড়ি—
    সবাই মিলে যুদ্ধ।
    একলা চল, একলা বস,
    পাবে অনেক সুখ।
    মুখোশধারী পাল…Read More

    2
    4 Comments
    • আপনার লেখাটা একদম বাস্তবসম্মত একটা বিষয় তুলে ধরেছে যা পড়ে খুব ভালো লাগল। বর্তমান সময়ের এই মুখোশধারী মানুষগুলো থেকে বাঁচার জন্য নিজের জগতে একা থাকা কি সত্যিই সবসময় সম্ভব বলে আপনি মনে করেন?

    • Rokeya Khanam, “গলার জোরে সততাকে/বেঘাত ঘটায় সে” এই পঙক্তিটি দিয়ে আপনি সমাজের আসল চিত্রটি খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আপনি চাইলে শেষের দিকে আরও কিছু ইতিবাচক কথা যোগ করে আশার আলো দেখাতে পারেন। আপনার এই সাবলীল লেখনী নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে পাঠককে প্রতিনিয়ত আলোড়িত করুক, এই প্রত্যাশা রইল।

  • আসবে তুমি
    রোকেয়া খানম
    ———————————–
    ভাঙনের খেলায় মেতেছ তুমি,
    মনে তোমার বড় সুখ।
    ময়লা স্তূপে আবর্জনা পুঁতে
    ফেলেছ আমার মুখ।
    জ্বালাব আলো ত্রিভুবনে,
    ময়লা পুড়ে হবে ছাই।
    তোমার জন্য রইল নিমন্ত্রণ—
    ফাগুন আসবে, ভাই।

    2
    3 Comments
    • Rokeya Khanam, কবিতাটা বেশ দারুণ আর বেশ অন্যরকম একটা বার্তা আছে। আপনার এমন সুন্দর লেখাগুলো পড়ে বেশ ভালো লাগলো। আমাদের এই গ্রুপে অন্য সবার লেখাতেও লাইক কমেন্ট করবেন, তাহলেই আমাদের আড্ডাটা বেশ প্রাণবন্ত থাকবে।

    • ‘ময়লা পুড়ে হবে ছাই’—এই কথাটিতে অন্ধকার কাটিয়ে নতুন আলোর পথে ফেরার যে দারুণ জেদ ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই অসাধারণ। সব কিছুকে ছাপিয়ে মনের ভেতরে জমে থাকা অভিমানকে রূপক হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়টি বেশ চমৎকার লেগেছে। আপনার লেখনীতে যে গভীর আবেগ আর দৃঢ়তা লুকিয়ে আছে, তা আগামীর পথচলায় আরও নতুন অনেক সৃষ্টি নিয়ে আসুক।

  • মা
    রোকেয়া খানম
    ——————————————-
    মা-রত্ন, মা-যত্ন, মা আপনজন,
    ত্রিভুবনে তাহার মতো নেই কোনো ধন।
    হাজার আঘাত দিলেও তাকে,
    করেন দোয়া-মোনাজাত—
    “রহমত, শান্তি দাও গো খোদা,
    যাদু-লক্ষ্মী আমার ভালো থাক।”
    সবার সেরা মানুষ হবে—
    সব মায়েরই পণ।
    মায়ের মতো মন যদি হয়
    সব সন্তানের সাধনা,
    বিশ্বজুড়…Read More

    2
    6 Comments
    • মায়ের ভালোবাসার মতো নিঃস্বার্থ কিছুই নেই😌
      অসাধারণ। ❤️

    • Rokeya Khanam, “প্রতিঘরে মা যেন হয় সন্তানের আয়না” – লাইনটা একদম মনের কথা বলে দিলেন। মায়ের প্রতি এমন আবেগঘন লেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগলো।

    • আপনার লেখাটি পড়ে মায়ের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ ফুটে উঠেছে, বিশেষ করে “মায়ের মতো মন যদি হয় / সব সন্তানের সাধনা” অংশটি আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। এই সুন্দর ভাবনার সাথে মিল রেখে প্রতিটি চরণে আপনি আবেগের যে ছোঁয়া দিয়েছেন, তা যেকোনো পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। আপনার এই লেখনী শৈলী সত্যিই প্রশংসনীয় এবং আমি আশা করি আপনি এভাবেই নিয়মিত লিখে যাবেন।

    • মায়ের মতো আপন কেউ নেই।

  • আরিশ তুমি
    রোকেয়া খানম
    ——————————————–
    মৌমাছির সর্বগুণ পাবে তুমি,
    বাবুই পাখির মতো –
    শক্ত নীড় বাঁধবে তুমি।
    সাগরের উত্তাল ঢেউয়ে-
    বুক ফুলিয়ে থাকবে তুমি।
    আকাশের মতো শত রঙে সাজবে তুমি।
    ফাল্গুনের মৌ-মৌ সুবাসে ভেসে বেড়াবে তুমি,
    পূর্ণিমার গভীর রাতে শিউলি-কামিনী গাছের
    দুলদুলনিতে চড়বে তুমি।
    আকাশের ধ্রুবতা…Read More

    4
    7 Comments
    • আরিশের জন্য ভালোবাসা আর আশীর্বাদে ভরা দারুণ জন্মদিনের শুভেচ্ছা। 🎂✨

    • রোকেয়া খানম, আপনার লেখা এই সুন্দর আর কাব্যিক জন্মদিনের শুভেচ্ছা বার্তাটা পড়ে মনটা একদম ভরে গেল।

    • সুন্দর লেখনী। ভালোবাসা অবিরাম

    • সুন্দর লেখনী। ভালোবাসা অবিরাম

    • “আকাশের ধ্রুবতারা হয়ে দেখব তোমায়” — এই অসাধারণ পঙ্‌ক্তিটি যেন পুরো লেখার প্রাণ হয়ে হৃদয়ে গেঁথে রইল। প্রতিটি উপমায় প্রকৃতির যে সুন্দর ছোঁয়া আপনি দিয়েছেন, তা পাঠকমাত্রকেই এক শান্ত ও স্নিগ্ধ অনুভূতির জগতে নিয়ে যায়। আপনার এই লেখনীশক্তি অটুট থাকুক এবং এভাবেই আপনি সুন্দর সব শব্দ দিয়ে চারপাশ আলোকিত করে রাখুন।

    • শুভ জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

  • নোঙর
    রোকেয়া খানম
    ————————————–
    মাঝ দরিয়ায় পাল তুলেছি,
    করব না তো নোঙর।
    চল চল তেপান্তরে,
    বাজাব মোরা নেশার মাদল।
    উড়িয়ে দেব, ঘুরিয়ে দেব
    রাক্ষস-দানবের ছল।
    বজ্রবীণের আওয়াজ তুলে,
    ফুল ফুটাব মরুপ্রান্তরে।
    ভাঙব মোরা হাতের শিকল,
    ঘুড়ি উড়িবে আকাশপ্রান্তর।

    3
    3 Comments
    • দুর্দান্ত উদ্দীপনা😌😌

    • আপনার লেখাটা পড়ে মনের ভেতর খুব দারুণ এক উদ্যম কাজ করছে। এমন স্বপ্ন আর সাহসের গল্পগুলো নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণা জোগায়, আপনি কি নিয়মিত এমন কবিতা লেখেন?

    • আপনার এই লেখাটিতে অদম্য সাহসের যে ছন্দ ফুটে উঠেছে, তা একরাশ নতুন আশার সঞ্চার করে পাঠকের মনে। অজানাকে জয়ের এই দৃঢ় সংকল্প সত্যিই চমৎকার, তাই এভাবে কলম চালিয়ে যান আপনার সাফল্যের জয়গান লিখতে।

  • অবুঝ মেয়ে
    রোকেয়া খানম
    ——————————
    অবুঝ মেয়ে লক্ষ্মী সোনা,
    মনটা ভালো, সব বুঝে না।
    অভিমানে একা থাকে,
    পাশে ভরসার কেউ থাকে না।
    নীরবে একা পথ চলে,
    হাতে কর্ম, বুকে বল।
    সাত রাজার ধন মানিক সোনা,
    জানি তুমি করবে জয়—
    পৃথিবীর সেরা সিংহাসন।

    2
    4 Comments
    • অবুঝ মেয়ের নীরব সাহসই একদিন তাকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সিংহাসনে বসাবে……🖤🖤

    • আপনার লেখা এই কবিতাটি পড়ে খুব ভালো লাগলো, বিশেষ করে “নীরবে একা পথ চলে, হাতে কর্ম, বুকে বল” লাইনটা ভীষণ শক্তিশালী। আমাদের চারপাশের অনেক মেয়েদের জীবনের গল্পই যেন আপনি খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন। আপনি ঠিকই বলেছেন, মনের জোর থাকলে একদিন সব বাধা জয় করা সম্ভব।

    • জয় করবে একদিন ।

    • Rokeya Khanam, আপনার লেখাটির প্রতিটি ছত্রে মিশে থাকা স্নেহের পরশ আর এগিয়ে যাওয়ার অদম্য সাহস হৃদয় ছুঁয়ে গেল। এই সুন্দর কথাগুলো যেভাবে আপনি গুছিয়ে লিখেছেন, তা পাঠকমনে এক গভীর আশার আলো ছড়িয়ে দেয়, তাই আরও নতুন নতুন লেখা নিয়ে আমাদের মাঝে নিয়মিত উপস্থিত থাকবেন।

  • খুকির হাসি
    রোকেয়া খানম
    ————————————
    অবুঝ মুখের সবুজ হাসি
    দেখতে বেজায় ভালো।
    চন্দনা-টিয়া দেখবে আয় রে আয়
    চাঁদ মামা তার রুপের চাদর
    জড়িয়ে দিয়ে যায়।
    ফুলপরীরা খুকির মুখে-
    ভাত দিয়ে যায়।

    1
    4 Comments
    • খুকির নির্মল হাসিতে চাঁদের আলোও আজ শিশিরভেজা ফুল হয়ে ফুটে ওঠে……🖤🖤

    • Rokeya Khanam, আপনার লেখা ‘ফুলপরীরা খুকির মুখে ভাত দিয়ে যায়’ লাইনটা পড়ে মনটা একদম ভালো হয়ে গেল, কি দারুণ মিষ্টি একটা অনুভূতি!

    • Rokeya Khanam, “অবুঝ মুখের সবুজ হাসি দেখতে বেজায় ভালো” এই লাইনটি অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও মিষ্টি, তাই আপনার এই চমৎকার সৃজনশীল লেখনীটি নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে আরও বিকশিত হোক, এই শুভকামনা রইল।

  • প্রজাপতি
    রোকেয়া খানম
    —————————-
    প্রজাপতির রঙিন ডানা
    রং ছড়াল যখন,
    আরিশ-আয়াশ মনের সুখে
    ফুল ফুটাল তখন।

    রংধনুর সাত রং
    গায়ে মেখে নিল।
    দুই তারা একই সাথে
    নব দিগন্তে পাড়ি দিল।

    সূর্যের আলো, চাঁদের হাসি
    মাকে এনে দিল।
    ——

    1
    3 Comments
    • রঙিন ডানায় প্রজাপতি উড়তেই আরিশ আর আয়াশের হাসিতে নতুন দিগন্তের রং জেগে উঠল……🖤🖤

    • কবিতাটা পড়ে খুব ভালো লাগলো, একদম স্নিগ্ধ একটা অনুভূতির প্রকাশ ঘটিয়েছেন আপনি।

    • প্রজাপতির ডানা ঝাপটানোর আনন্দ আর প্রকৃতির সাথে মিশে যাওয়ার যে সুন্দর ছবি আপনি ফুটিয়ে তুলেছেন, তা সত্যিই মন ভালো করে দেয় এবং আগামী দিনে আপনার কলম থেকে এমন আরও স্নিগ্ধ সব লেখা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকলাম।

  • সূূর্যসন্তানের দল
    রোকেয়া খানম
    —————————————-
    ঐ দেখ, আসছে কারা—
    সূর্যসন্তানের দল, বাহুতে শক্তির বল।

    চরণধূলিতে মাড়িয়ে দেবে
    রাক্ষসের ছল।
    আকাশে-বাতাসে রঙিন প্রভাত
    ছড়িয়ে দেবে তারা।
    অন্ধকারে বদ্ধঘরে জ্বালাবে আলো
    ভুবন জুড়ে।

    দিক-দিগন্তে ছড়িয়ে পড়বে
    সূর্যসন্তানের দল।

    2
    7 Comments
    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম গা শিউরে ওঠার মতো এক ভালো লাগা কাজ করছে। এমন অনুপ্রেরণামূলক কথাগুলো আমাদের চারপাশের মানুষের মনে দারুণ ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

    • ছোট্ট কবিতায় তরুণদের প্রতি এই বিশ্বাস আর ভরসা মন ছুঁয়ে গেলো।

    • Rokeya Khanam, “অন্ধকারে বদ্ধঘরে জ্বালাবে আলো” এই পঙ্‌ক্তিটি আমার হৃদয়ে গভীর আশার সঞ্চার করেছে এবং সাহসের প্রতীকী প্রকাশ হিসেবে এটি দারুণ লেগেছে। আপনি চাইলে পরবর্তী অংশে সূর্যসন্তানদের জয়যাত্রার মুহূর্তগুলোকে আরও বিস্তারিতভাবে ফুটিয়ে তুলে লেখাটিকে দীর্ঘতর করতে পারেন। আপনার লেখনীর এই উজ্জ্বল ও উদ্দীপনাময় যাত্রা অব্যাহত থাকুক, এই প্রত্যাশা রইল।

    • সূর্য সন্তানের দলেরা কবে আসবে সেই অপেক্ষায় রইলাম।

  • নতুন আশা
    রোকেয়া খানম
    —————————————-
    মনের মশাল জ্বালাও এবার,
    অন্ধকারে দাও পাড়ি।
    বজ্রপাতের মতো ভেঙে দাও সব,
    রঙিন নৌকার পাল তুলি।

    রক্তে-রাঙা রাজপথে
    উড়াবে তোমার নতুন ঘুড়ি।
    নব জাগরণের গান গাইবে,
    হাসবে আবার সবার প্রাণ।

    1
    2 Comments
    • Rokeya Khanam, “রক্তে-রাঙা রাজপথে উড়াবে তোমার নতুন ঘুড়ি” লাইনটা আমার দারুণ লেগেছে, একদম প্রাণবন্ত এক অনুভূতির কথা মনে করিয়ে দিল। আপনার মতো সবাই যদি গ্রুপে অন্যদের লেখায় লাইক আর কমেন্ট করেন, তবেই আমাদের আড্ডাটা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

    • Rokeya Khanam, আপনার এই লেখায় আগামীর যে সাহসী পথচলার ছবি ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই প্রাণবন্ত এবং বেশ অনুপ্রেরণাদায়ক। এমন অদম্য স্বপ্নের কথাগুলো মানুষের মনে সাহস জোগায়, তাই আপনি নিশ্চিন্তে এভাবেই মনের সব রঙ দিয়ে আরও নতুন নতুন সব ভাবনার কথা লিখে যান।

  • জনিকা
    (রোকেয়া খানম)
    ——————————–
    জনিকা, তোমায় দেখব কবে?
    হৃদয় জুড়াব অক্ষিপলকে।
    ঝড়-বাদলে, রোদেলা নীরদে
    তোমাকে অন্বেষণ করব আমি।

    আমার কী সাধ্য বল,
    তুমি যদি না দাও দেখা?
    প্রহরীর মতো থাকি যে আমি
    তোমার অপেক্ষায়।

    প্রভা-ছায়ায় একটু দেখি,
    ধরতে গেলে হয়ে যায় ছায়া।
    জননী, রাত-রজনী তোমার জন্য—
    মনে হয় আমি একেলা।

    নীলিমা…Read More

    4
    8 Comments
    • ধ্রুবতারার মতো তুমিই থেকে যাও অপেক্ষার প্রহরীর একমাত্র দিশা…..🤍🖤

    • আপনার লেখা ‘জনিকা, তুমি আমার ধ্রুবতারা’ লাইনটা এককথায় অসাধারণ হয়েছে। কবিতার প্রতিটি ছত্রে অপেক্ষার যে গভীর আকুলতা ফুটে উঠেছে তা খুব ভালো লাগল।

    • অপেক্ষায় থাকা এক আনন্দের অনুভূতি আবার বিরক্ত ও লাগে ।

    • Rokeya Khanam, আপনার লেখা এই পঙ্‌ক্তিগুলোতে প্রিয়জনের জন্য যে আকুলতা ফুটে উঠেছে তা বেশ হৃদয়স্পর্শী, আর শেষের দিকে ধ্রুবতারা উপমার ব্যবহারটি বেশ চমৎকার, তাই আপনার এই অনুভূতিগুলোকে আরও গভীরভাবে ফুটিয়ে তুলতে চাইলে পরবর্তী লেখায় হয়তো আবেগের পাশাপাশি দৃশ্যপট বর্ণনায় আরও কিছুটা সময় দিতে পারেন, তবে এখনকার এই আবেগঘন শৈলীটি সত্যিই অনেক সুন্দর!

  • সোনার বউয়ের বায়না
    রোকেয়া খানম
    ———————————-
    সোনার বউয়ের বায়না
    চায় নতুন আয়না।
    হলুদ গাদাঁর ফুল
    সোনার বউ হাসলে
    ঝরে গোলাপ ফুল।

    4
    7 Comments
  • Load More Posts
Skip to toolbar