-
“বড়োদেশের বড়ো পাসপোর্ট”
গাঁয়ের মিষ্টি দিঘীর জলে,
দেখেছিলাম তোমার প্রতিচ্ছবি।
পিছন ফিরে পেলাম,
আমার চারপাশে পুরো খালি।
আপনারে বিনা খবরে,
কবে যেনো হারিয়ে ফেলেছি।
হাতটি তোমার ধরতে গিয়ে,
ভয়ে ভয়ে মরি।
পাছে যদি ভাবো আমার,
লজ্জার ঝুড়ি খালি!
তোমার দেখা পেতে গিয়ে,
হাজার ছুঁতোর পায়ে ধরি।
পালিয়ে যাই আবার তুমি,
ধরে ফেলো যদি!
এমনি করেই দিন কেটে যায়,
হয়না গল্প-কথা।
হঠাৎ শুনি পেলে তুমি ,
বিশাল দেশের ভিসা।
দৌড়ে গেলাম বলতে তোমায়,
মনের সকল ব্যথা।
পেলামনা তো সেই সুযোগ,
গেলে আমায় ফেলে একা।
ভাবি আমি হয়তো পরবে,
মনে আমার কথা।
সেদিন আমায় লিখবে চিঠি,
দিয়ে হৃদয় গাঁথা।
ভাবনা খানা মনে রেখে,
বেড়ে গেলাম বড়ো।
পাড়া-পড়শি আমার চিন্তায়,
হয় যে মরো মরো।
ছেলে-পেলেরা আমায় দেখে,
নিত্যই গীটারে সুর তোলে।
আমার মন যে কেবল,
তোমার প্রেমের মালা জপে।
এমনি করেই আমি বাজারে,
বিশাল চাকরি ছুঁয়ে ফেলি।
তাই না শুনে বিষম খেয়ে,
ছুটে বিয়ের বহু পালকী।
মনে মনে তখন ও কেবল,
তোমায় আমি ডাকি।
হঠাৎ শুনি এবার তুমি,
আসবে নিজের বাড়ি।
পেলাম যেনো হাতের মাঝে,
চাঁদের শীতল ছবি।
এলে যখন তুমি!
জমলো হাজার লোকের সারি!
ভির ঠেলে পা বাড়িয়ে,
গেলাম তোমার কাছাকাছি।
শুনতে পেলাম চুপিসারে,
সেই দেশেতে বসেছো বিয়ের পিঁড়ি।
বড়ো দেশের বড়ো পাসপোর্টে,
নিজের নাম লেখাতে গিয়ে।
মুখ লুকিয়ে গাঁয়ের লোকে,
করছিলো বলাবলি।
একি হলো আমার মনে!
নিজেরে দেই গালি।
একটা লোভী মানুষেরে,
দিলাম হৃদয় খানি।
ভুলে গেলে হয়েছিলো শুরু,
দুষ্টু প্রেমের খুঁনসুটি।
হয়তো পেলাম দিনের শেষে,
শূন্য আকাশ রাজি।
এক্কাদোক্কা খেলতে গিয়ে,
কাঁদিলাম দিবা-নিশি।
এর চেয়ে ঢেড় ভালো,
নির্লোভ গরীব চাষী।
হোকনা দেরী তবুও আজ,
গেলাম স্বাদের ঘুমের বাড়ি।
এখন বাবা-মায়ের খুশির মাঝেই,
আপন খুশি খুঁজি।“রুবা”
5 Comments
Friends
Ekhtiar Uddin
@ekhtiar2003
মো. আবু মোহাদ্দেস
@mohaddesh1967
Md Rizwan Shuvo
@md-rizwan-ullah-shuvo
Abrar Jahin Ratul
@abrar123
অর্পিতা ঐশ্বর্য
@orpita-oyshorjo
Abul Hasan Tuhen
@abulhasantuhen
শোয়েব ইবনে শাহীন
@abir-shoaib
পি.কে. সরকার
@pksarker
Santo Chowdhury
@santo-chowdhury


এগিয়ে যান।ছন্দবৃত্ত বা অক্ষরবৃত্তে লিখতে চেষ্টা করবেন প্রিয় কবি। শ্রুতি মধুর হবে।