<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | MD Sumsuzzaman Sumon | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/sumon12004055/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/sumon12004055/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for MD Sumsuzzaman Sumon.</description>
	<lastBuildDate>Wed, 05 Aug 2026 22:41:29 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">4d9968f68ab30663233f0fe06d75dbb2</guid>
				<title>গল্পঃ পুনর্জন্ম 
অনেকদিন পর খুব কাছের একজন মানুষের কাছ থেকে একটি কল পেল নির্জন। সে আশাও করে নি। কল ধরার আগেই কল কেটে গেল। আবার কল আসল,
নির্জন কল ধরেই বলল, ভুল করে কল করলে নাকি? তুমি তো কল করার মত মেয়ে না। 
অপর পাশ থেকে একটি মেয়েলি কণ্ঠ ভেসে উঠল, আমার নাম্বার এখনও ডিলিট কর নি?
না। 
কেন?
ভাবলাম যে থাক। তুমি নাই বা থাকলে, তোমার নাম্বারই থাক। 
অন্য কাউকে এখনও ভালবাসতে পার নি না এখনও?
তুমি আমাকে খুব ভালো করেই চেন। হঠাৎ কি মনে করে?
কিছু কথা বলার জন্য। 
বল।
আমার উপর কি এখনও তোমার ক্ষোভ, রাগ আছে? 
জানাটা কি খুব জরুরি? কিছু কথা না জানায় ভালো। দেখলাম সেদিন বিয়ের রিসেপ্সন করলে। অনেক সুন্দর লাগছিল তোমাকে। তোমাদের দুই জনের জুটি খুব মানিয়েছে। 
খোঁটা দিচ্ছ?
সে অধিকার কি আমার আছে?
তুমি একটুও পরিবর্তন হও নি। আগের মতনই আছো। 
সময় পরিবর্তন হয়েছে মাত্র। মানুষটা সেই আগের মতই আছে। 
আমার উপর অনেক রাগ করে আছো তাই না? 
রাগ থাকাটা কি স্বাভাবিক না?
পরের জন্মে তুমি আমার হয়ে এসো। তোমার সব রাগ আমি মুছে দেব।
পরের জন্মে তুমি আমার হয়ে এসো। আমিও তোমাকে ছেড়ে দিয়ে বুঝিয়ে দিব,  প্রিয়জন হারানোর কষ্ট কতটা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/219554/</link>
				<pubDate>Thu, 22 Aug 2024 09:55:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্পঃ পুনর্জন্ম<br />
অনেকদিন পর খুব কাছের একজন মানুষের কাছ থেকে একটি কল পেল নির্জন। সে আশাও করে নি। কল ধরার আগেই কল কেটে গেল। আবার কল আসল,<br />
নির্জন কল ধরেই বলল, ভুল করে কল করলে নাকি? তুমি তো কল করার মত মেয়ে না।<br />
অপর পাশ থেকে একটি মেয়েলি কণ্ঠ ভেসে উঠল, আমার নাম্বার এখনও ডিলিট কর নি?<br />
না।<br />
কেন?<br />
ভাবলাম যে থাক। তুমি নাই বা থাকলে, তোমার নাম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-219554"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/219554/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">09d47d1b433fc47e50806b3d1f402b14</guid>
				<title>গল্পঃ স্পর্শ
সিয়ামের খুব কাছের বন্ধু সুমন। ছোটবেলা থেকে এক সাথে বেড়ে ওঠা। সুখে দুঃখে একে অন্যকে যতটুকু পারা যায় সাথে থাকা। পড়াশুনার জন্য দুইজন দেশের দুই প্রান্তে। যখন কোন ছুটি চলে, তখন দেখা সাক্ষাত হয়। এমনি একদিন দুইজনে বসে গল্প করছিল। সুমন কিছুদিন আগে তার প্রায় ৩ বছরের সম্পর্কের ইতি টেনেছে। গল্পের একসময় গিয়ের সুমনের অনেক পুরনো একজন বান্ধবী, তিবাত যোগ দেয় তাদের সাথ। 
তিবাত সুমনকে কিছু কথা জিজ্ঞেস করে বসে, যেগুলো আসলেই জিজ্ঞেস করা উচিত হয় নি। তিবাত পরক্ষনেই তা বুঝতে পারে। একজন মানুষ যখন কাউকে ছেড়ে চলে যায় তখন তার সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞেস না করাটা উত্তম কাজ। 
তিবাত জিজ্ঞেস করে, কিরে কি খবর তোর? কোন খোঁজ খবর নেস না। মিথিলা ছেড়ে চলে গেসে বলে তুই আমার সাথেও কথা বলা বন্ধ করে দিবি? এইটা তো হতে পারে না। 
সিয়াম তিবাতকে ইশারায় চুপ করতে বলল, আর কিছু বলিস না। এমনিতেই ও অনেক ঝামেলার মধ্যে আছে। বাদ দে। 
তিবাত বলল, না আমি তো বাদ দিব না। সব ওর দোষ। আমার কথা শোনে নি কেন ও? মানলাম যে কোন কারনে চলে গেছে, তাই বলে আমার সাথে কেন কথা বলা বন্ধ করবে? আমি কি ক্ষতি করছি? ফোন দিলে ফোন ধরে না। মেসেজ করি। সিন করে রিপ্লাই দেয় না। এসব কি ধরনের ব্যাবহার। সুমন তুই তো এমন ছিলি না। আমার খুব রাগ হচ্ছে যে তুই শুধুমাত্র একটা মেয়ের জন্য সবার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিছিস। আমি তোর বোনের মত। আমার সাথে শেয়ার কর।  
সুমন বলল, আরে না আমার কিছু হই নি। আমি ঠিক আছি। কয়েকদিন একটু সমস্যা হচ্ছিল এখন ঠিক আছে।  
মিথিলার কি অবস্থা? কোথায় বিয়ে করছে? 
সিয়াম বলল, ও কেমন করে জানবে? 
তিবাত সাথে সাথে বলল, তুমি ওকে চেনই নি এখনও, তোমার কি মনে হয় ও মিথিলার খোঁজ নেয় নি? 
সুমন বলল, বাদ দে না প্লিজ। 
বাদ দিব। আমাকে শুধু একটা কথা বল, তোদের মধ্যে কি এমন ঝামেলা হল যার কারনে তোদের এই অবস্থা?
আমার কি অধিকার অন্য একটা মেয়ের সম্পর্কে মন্তব্য করার। 
সুমন আমার দিকে তাকা। যা হয়েছে ভুলে যা। তোর ভালবাসা কি এতই সস্তা? আমি একটা মেয়ে হয়ে বলতিছি মেয়েরা ভালো না। কিছু বেতিক্রম ছাড়া কোন মেয়ে ভালো ছেলে চায় না। ওরা জানেই না ছেলেদের ভালবাসা কি। পুরুষের ভালবাসা পাওয়াও সাধনার বিষয়। দেহ-দানের পরেই যে নারী বলে পুরুসের ভালবাসা পেয়েছি, সে নির্বোধ ছাড়া কিছুই নয়। পুরুষের বিশ্বাস ছুঁয়েই দেহ ছুঁতে হয়। একটা কথা মনে রাখবি একটা মেয়ে শুধু মাত্র মায়ের চরিত্রেই সব থেকে সুন্দর।

Md Sumsuzzaman Sumon</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/219553/</link>
				<pubDate>Thu, 22 Aug 2024 09:54:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্পঃ স্পর্শ<br />
সিয়ামের খুব কাছের বন্ধু সুমন। ছোটবেলা থেকে এক সাথে বেড়ে ওঠা। সুখে দুঃখে একে অন্যকে যতটুকু পারা যায় সাথে থাকা। পড়াশুনার জন্য দুইজন দেশের দুই প্রান্তে। যখন কোন ছুটি চলে, তখন দেখা সাক্ষাত হয়। এমনি একদিন দুইজনে বসে গল্প করছিল। সুমন কিছুদিন আগে তার প্রায় ৩ বছরের সম্পর্কের ইতি টেনেছে। গল্পের একসময় গিয়ের সুমনের অনেক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-219553"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/219553/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ca674d8433e1c99063e1c7c4aec8b198</guid>
				<title>গল্পঃ নিশি 
জীবনে এমন কিছু পরিস্থিতি আসে যখন মনে হয় সবকিছু ছেড়ে চলে যাই। আমি কেন এখানে পরে আছি। কি দরকার এখানে থাকার? আমি কি চাইলে অন্য কোথাও থাকতে পারতাম না? আপনার চারপাশে সবকিছু ঠিক মতই চলছে। কিন্তু আপনার কাছে মনে হচ্ছে কোন কিছুই ঠিকভাবে চলছে না। আপনার মনের  মধ্যে সবসময় চলতে থাকে, আমি আমার মধ্যে নাই। আমার যেখানে থাকার কথা ছিল সেখানে আমি নাই। যার আমার সাথে থাকার কথা, সে আমার থেকে অনেক দূরে। 

আপনি হইত ভুলে গেছেন, আপনি কে? প্রত্যেকটা শিশু অসাধারন প্রতিভার সাথেই জন্মগ্রহন করে। কিন্তু তাদের সফটওয়্যারে যে পেঁচ লাগানো হয়, সেটা হয় পরিবারে অথবা স্কুল, কলেজে। 
সুমনকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও? অন্য সব বাচ্চাদের মত সে ডাক্তার কিংবা ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় নি। সে সেদিন বলেছিল, আমি  নিজেকে এমন একটা অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই  যেন সবার মুখে মুখে তার নাম থাকে। আমি কাউকে না চিনি কোন সমস্যা নেই, কিন্তু মানুষ যেন আমাকে  চেনে। তার শিক্ষক তাকে জিজ্ঞেস করেছিল, তাহলে তুমি নিজেকে কোন অবস্থানে দেখতে চাও? কোন অভিনেতা, ফুটবলার বা ক্রিকেটার, রাজনীতিবিদ? কি হতে চাও? 

সে সেদিন বলেছিল, আমি লেখক হতে চাই। প্রচুর গল্প লিখতে চাই। ছোট বাচ্চাদের জন্য গল্প লিখতে চাই। তারা যেন নিজেদের মনের ভাব প্রকাশ করার মত সাহস পায়, সে বিষয়ে গল্প লিখতে চাই। আমার মত তারা যেন বাবা মার ভয়ে নিজেদের স্বপ্নকে কখনো মেরে না ফেলে। 
সেসময় সুমনের বয়স যদিও কম ছিল কিন্তু তার কথার মধ্যে অনেক গাম্ভীর্য লুকিয়ে ছিল, লুকিয়ে ছিল অনেক অপ্রকাশিত সত্য। 

সুমন ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। সে যত বড় হতে থাকে ততবেশি সীমাবদ্ধতার মধ্যে পরতে থাকে। যেখানে সবাই বাইরে ঘুরে বেরাচ্ছে, আড্ডা দিচ্ছে বন্ধুদের সাথে, সেখানে সুমন রুমে বসে পড়াশুনা করছে। কিছু করার নাই। সুমনেরও মাঝে মধ্যে অনেক রাগ হয়। কেন সে সবসময় রুমের চার দেয়ালের মধ্যে বন্দি হয়ে থাকবে। তারও তো ইচ্ছা করে সবার সাথে বাইরে গিয়ে একটু আড্ডা দিতে। তার এক শিক্ষক ছিলেন, আজম স্যার। স্যার তাকে বলেছিলেন,তোমার মত অবস্থার মধ্যে দিয়ে আমিও একসময় আসছি। আমি তখন গ্রামে থাকতাম। আমি রুমে বসে পড়াশুনা করছি, আর সে সময় আমার একবন্ধু জানালার সামনে একটা খোলা জায়গা আছে সেখানে গ্রামের আর সবার সাথে গুটি খেলছে। আমারও খুব ইচ্ছা করত ওদের সাথে খেলতে। কিন্তু যখন আজকে নিজেকে এই অবস্থানে দেখি তখন মনে হয়, বাবা মা ঠিকই করেছিল সেদিন আমাকে বাইরে না যেতে দিয়ে। সেই বন্ধু এখনো গ্রামে বসে জমি চাষবাস করে খাচ্ছে। আর আমি এইখানে শিক্ষকতা করছি। আরও একটা গল্প শুনাই, শোন। আমার পরিচিত একজন ছিলেন, তিনি বলেছিলেন, ছোটবেলায় আমি খুব একটা বাসা থেকে বের হতে পারতাম না, সবসময় বাসার মধ্যে থাকতাম। বাবা মা চোখে চোখে রাখত। আর এখন আমি নিজের দেশে ভালো মত কয়েকটা দিন থাকার সুযোগই পাই না। কোন না কোন দেশে যেতে হয়। 

সুমনের তখন মনে হয়েছিল, কিছু কিছু সময় বাধ্যবাধকতার মধ্যে থাকা ভালো। তবে সব সময় না। বাবা মা কখনই তার সন্তানের অমঙ্গল চান না। নিজের জীবন দিয়ে দিবেন কিন্তু নিজের সন্তানের কোন ক্ষতি হতে দিবেন না। 

সুমন কলেজ পাশ করে গেল। এরপর তার বাবা মা তাকে যেকোনো দুইটি রাস্তার মধ্যে একটি রাস্তা বেঁচে নিতে বলল। হয় ইঞ্জিনিয়ার নাহয় ডাক্তার। কারন বাংলাদেশে এই দুইটির উপরে আর কারো ভাত নাই। সে তার বাবাকে বলেছিল, সে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হতে চায় না। সে লেখক হতে চায়। সে ঢাবি তে বাংলা নিয়ে পরতে চায়। কিন্তু তার বাবা তাকে বলেছিল, লেখক হয়ে কি করবি? লেখকের ভাত নাই। কোন ঠিক ঠিকানা নাই। নিজে চলবে কি, আরেক জনকে খাওয়াবে কি? 
সুমন তাদের কথা মত ভর্তি পরীক্ষা দিল। চান্সও পেয়ে গেল। কিন্তু সে তার এই চান্স নিয়ে কখনই সন্তুষ্ট ছিল না। সে চেয়েছিল, নিজের স্বপ্ন পূরণ না হোক। বাবা মার স্বপ্ন যেন পূরণ করতে পারে। সে ভেবে ছিল আরও উপরের কোন মেডিকেলে তার রোল আসবে। 

মেডিকেলে ক্লাস শুরু হয়ে গেল। সবকিছুই মোটামুটি ভালো মত চলছিল। কিন্তু তার মন ভালো ছিল না। একবার ছুটিতে বাসায় গিয়েছিল সে। রাতে খাওয়ার সময় তার বাবা কে বলেছিল, আমি মনে হয় সব থেকে খারাপ অবস্থানে আছি আব্বু। আমার আর যারা বন্ধু আছে তারা সবাই অনেক ভালো ভালো ভার্সিটি, মেডিকেলে ভর্তি হইছে। আর আমি এখানে পরে আছি। 
তার বাবা তাকে বলেছিল, কিসব চিন্তা করিস বাবা। কার রিজিক কোন জায়গায় লেখা আছে, কেউ জানে না, একমাত্র আল্লাহ ছাড়া।

তোমরা খুশি তো? 

অবশ্যয় অনেক খুশি। দোয়া করি অনেক বড় হবি। ডাক্তার হয়ে দেশ দশের সেবা করবি। 

মনের মধ্যে যখন একবার কমপ্লিকেশন তৈরি হয়ে যায় তখন সেটা কখনো ঠিক হই না। সুমনেরও কখনো সেটা ঠিক হয় নি।

মেডিকেল কলেজে ওঠার পর সবার মধ্যেই প্রেমের বাতাস নাড়া দেয়। সুমনের জীবনেও এসেছিল একবার। মেয়েটার নাম ছিল নিশি। অনেক লক্ষ্মী একটা মেয়ে। সুমন তাকে খুব পছন্দ করত। তার সাথে কথা বলার জন্য সবসময় পাগল হয়ে থাকতো। সারাক্ষন তার একটা ম্যাসেজের জন্য অপেক্ষা করে থাকতো। নিশিও তার সাথে ভালো মত কথা বলত। সে খুব ভালো করেই জানত সুমন তাকে অনেক ভালোবাসে।। কিন্তু সুমন সবসময় দ্বিধার মধ্যে থাকতো এই ভেবে যে নিশি তাকে কি আদেও পছন্দ করে কি না। তার মধ্যে অনেক কিছু চলছিল তখন। সে নিশির মধ্যে এতটাই ডুবে থাকতো যে ঠিক মত পড়াশুনাও করত না। 

একদিন কথা প্রসঙ্গে নিশিকে বলেছিল, তোমার মনের মধ্যে আমাকে নিয়ে কি চলছে সেটা আমার জানা দরকার। 

বুঝি নি। ভালো করে বল। 

দেখো, আমি প্রচণ্ড উচ্চাভিলাষী একটা মানুষ। অনেক বড় বড় স্বপ্ন আছে আমার। কিন্তু আমি তোমার মধ্যে এত টাই ডুবে গেছি যে আর অন্য কোন কাজ করতে পারছি না। তুমি আমাকে নিয়ে কি ভাব সেটা আমার জানা দরকার। আমার জন্য তোমার মনের মধ্যে আদেও কোন অনুভুতি আছে কিনা সেটা আমার জানতে হবে। আমি না আর এই চাপ নিতে পারছি না। 

দেখো আমি এসব নিয়ে ভাবতে চাই না। 

কেন? 

আমার ভালো লাগে না এসব চিন্তা করতে। 

ঠিক আছে। বুঝলাম। 

কি বুঝলে? 

আমার যা বোঝার দরকার, বুঝে গেছি। 

সেদিন সে খুব কষ্ট পেয়েছিল। এরপর সে নিজেকে শান্ত করেছিল এই বলে যে, সঠিক সময়ে ভুল মানুষের সাথের আমাদের পরিচয় হয়, আর ভুলে সময়ে সঠিক মানুষের সাথে। এরপর থেকে সে নিশির সাথে কথা বলা কমিয়ে দেয়। একটা সময় গিয়ে একেবারে কথা বলা বন্ধ হয়ে যায়। 
সুমনেরও তখন মনে হয়েছিল মেডিকেলে থাকা তার পক্ষে আর সম্ভব না। সে রুট পরিবর্তন করবে। তার বাবা মাকে জানায়, সে মেডিকেলে আর পরবে না। তখন তার বাবা মা তার উপরে অনেক রাগ করেছিল। শেষে তার মা তাকে বলে, আচ্ছা তুমি শুধু এমবিবিএস পাশ করে আসো। তারপর তুমি কোন দিকে যাবা তোমার ইচ্ছা। তখন তোমাকে আর আমরা কিছু বলব না। সুমন মেনে নেই। মাঝে মধ্যে গল্প লেখে। তারপর বই লেখা শুরু হয়ে করে। 

নিশির সাথে সুমনের কথা বলা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। নিশির সাথে সামনা সামনি দেখা হলেও কখনো কথা হত না। তার বন্ধুরাও তাকে জিজ্ঞেস করে, নিশির সাথে কথা বলিস না কেন? তোদের মধ্যে আবার কি হল? সুমন বলেছিল, নিশি আমাকে পছন্দ করে না। সে আমাকে কখনো তার জীবনে আসতে দিবে না। তাহলে কেন আমি তাকে নিয়ে ভাববো? ভাবার কোন যুক্তি আছে? সে আমাকে কখনো নিজের প্রয়োজন ছাড়া কোন কথা বলে নি। কখনো জিজ্ঞেস করে নি আমি কেমন আছি। আমি ঠিক আছি কি না। সবসময় আমিই তাকে সবকিছু জিজ্ঞেস করতাম, তার খোঁজ খবর নিতাম। আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি বন্ধু, আমার থেকে বেশি কেউ তাকে ভালবাসতে পারবে না। 

তাহলে তার সাথে কথা বলিস না কেন? 

এমনি। 

এমনি কোন উত্তর হল? 

কারন তো বলবি। 

বলছি। আমি যাই থাক। 

ঠিক আছে। সাবধানে যা। ঢাকা কবে যাবি? 

পরশু। 

প্রকাশনীর সাথে সব কথা হইছে? 

হুম। 

কত টাকা চাইছে? 

২০ হাজার। ২০০ কপি বই ছাপায় দিবে। 

টাকা সব জোগাড় করছিস? 

হুম। 

ওকে। সাবধানে যাস। 

আচ্ছা। ভালো থাক। 

সুমন ঢাকা গিয়ে তার বই এর কাজ সেরে আসলো। আসার কিছুদিন পর, একদিন হটাঠ রাত ৩ টার সময় তার ফোন বেজে ওঠে। সে অনেক ভয় পেয়ে গেছিল। রাতে ৩ টার সময় কেউ প্রয়োজন ছাড়া কল দেয় না। সে ফোনের দিকে তাকাতেই দেখতে পেল, নিশি তাকে কল করেছে। কল ধরবে কি ধরবে না, এই ভাবতে ভাবতে কল কেটে গেল। আবার নিশির কল আসলো। এইবার সে কল ধরল। ধরে বলল, তুমি এখনো ঘুমাও নি? 

ঘুম থেকে উঠলাম। পরব এখন। 

ওহ। তুমি তো আবার অনেক ভোরে উঠে পড়াশুনা কর। হটাঠ কি মনে করে ফোন করলা? 

তুমি ঘুমাও নি এখনো? 

ঘুমাব একটু পরে। কাজ করছিলাম। 

কি কাজ? 

ভাইয়ার থিসিস চলতিছে। সেজন্য ভাইয়ার কাছে আসছিলাম। কাজ করার জন্য। 

আর্কিটেকচারের কাজ করতে তোমার ভালো লাগে? 

হুম। অনেক ভালো লাগে। ক্রাফট নিয়ে কাজ করতে কার না ভালো লাগে। 

আচ্ছা। বলছিলাম যে কালকে আমার সাথে একটু দেখা করতে পারবা? 

কালকে আমি ক্যাম্পাসে থাকব না। দেখা করতে হলে ভার্সিটি আসতে হবে। 

আচ্ছা আমি বিকালে আসব। 

আচ্ছা আসো। 

পরেরদিন নিশি সুমনের সাথে দেখা করতে চলে যায়। পাশাপাশি দুইজন বসে আছে। কেউ কোন কথা বলছে না। নীরবতা কাটানোর জন্য সুমন বলল, কিছু বলছ না যে? কি হইছে? রাতে ঘুমাও না নাকি? চোখের নিচে কালি পরে গেছে।

ঘুম খুব কম হচ্ছে ইদানিং। 

ঠিক মত ঘুমাতে হবে। ঘুম শরীরের জন্য খুব জরুরি। 

আচ্ছা ঠিক মত ঘুমাব। 

আবার নীরবতা। নিশি সুমনের দিকে তাকিয়ে বলল, তুমি কি আমার উপর রাগ করে আছো? 
নাহ। রাগ করব কেন? রাগ করার মত কোন কাজ করছ কি? 

আমার সাথে ইদানিং আর কথা বল না। 

কি কথা বলব বল? কোন কিছু বলার কি বাকি আছে? 

তুমি কি অন্য কারো সাথে সম্পর্কে জড়ায়ে গেছ? 

না রে সোনা। সেই সাহস কখনো হয় নি। 

তোমার কথার মধ্যে থেকে সোনা শব্দটা এখনো গেল না। তবে আমার খুব ভালো লাগে, যখন তুমি 
কথার মধ্যে এই শব্দটা বল। 

যা বলার জন্য আসছ সেটা বল। 

সেটাই তো বলতিছি। 

বুঝলাম না। 

তুমি আমাকে তোমার সাথে নিবা? 

হটাঠ কি হল তোমার। সেদিন তো বলছিলা তুমি এসব নিয়ে ভাবতে চাও না। 

সেদিনের পর থেকে আমি এক মুহূর্তের জন্যও তোমাকে ভুলে থাকতে পারি নি। 

তাহলে এত দেরি করলে কেন? 

কথা বলব বলব করে বলা হয়ে ওঠে নি। 

আমি যদি অন্য কারো প্রেমে পরে যাইতাম, তখন কি হত? 

আমি তাহলে আগে তোমাকে ঠিক মত সাইজ করতাম, তারপর ওই মেয়ের মুখ ভাঙ্গে দিতাম। 
ভালোবাসো আমাকে? 

হুম। অনেক। অনেক বেশি ভালবাসি। তোমার থেকে বেশি। 

সময় সেটা বলে দিবে। কখনো ছেড়ে যাবা না তো? 

ছেড়ে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। তোমার কাঁধে একটু মাথা রাখি প্লিজ? 

অবশ্যয়।

নিশি সুমনের কাঁধে মাথা রাখল। রেখে বলল, বাবু আমাকে কখনো ছেড়ে যেও না প্লিজ। আমি খুব কষ্ট পাব। 

আমি তোমাকে কখনো ছেড়ে যাব না সোনা। 

সুমন পড়াশুনা শেষ করে লেখালেখির দিকে মনোযোগ দেয়। আর মাঝে মধ্যে দুই একটা অপারেশন করে। আর তার স্ত্রী নিশি শিশু ডাক্তার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে। 
সবসময় কপালে সুখ থাকে না। কিছু কিছু সময় সুখের সাথে দুঃখও চলে আসে, সুমন নিশির সংসার খুব ভালো মত চলছিল। দুইজনের মধ্যে ভালবাসা অটুট ছিল। কিন্তু স্বামী স্ত্রী যখন বাবা মা হিসেবে নিজেকে অধিষ্ঠিত  করতে পারে না তখন মনে হয় সব কিছু থেকেও কিছু নেই। কার জন্য করতিছি এসব কিছু। 

নিশি যখন জানতে পারে সে কখনো মা হতে পারবে না। তখন তার মনে হচ্ছিল যেন পায়ের নিছে থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। রাতে নিশি শুয়ে আছে। সুমন নিশির পেটে মাথা রেখে বলল, আমি কি তোমার জন্য যথেষ্ট না? বাচ্চা কেন লাগবে? নিশি তখন কান্না করে দেয়। সুমন নিশিকে বুকের মধ্যে নিয়ে মাথায় হাত বুলাতে থাকে। নিজেও চোখের পানি ধরে রাখতে পারে না।

Md Sumsuzzaman Sumon</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/219551/</link>
				<pubDate>Thu, 22 Aug 2024 09:47:52 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্পঃ নিশি<br />
জীবনে এমন কিছু পরিস্থিতি আসে যখন মনে হয় সবকিছু ছেড়ে চলে যাই। আমি কেন এখানে পরে আছি। কি দরকার এখানে থাকার? আমি কি চাইলে অন্য কোথাও থাকতে পারতাম না? আপনার চারপাশে সবকিছু ঠিক মতই চলছে। কিন্তু আপনার কাছে মনে হচ্ছে কোন কিছুই ঠিকভাবে চলছে না। আপনার মনের  মধ্যে সবসময় চলতে থাকে, আমি আমার মধ্যে নাই। আমার যেখানে থাকার কথা ছিল সেখানে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-219551"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/219551/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b4c49c6b6a2e51171918c4dd0ea2d318</guid>
				<title>গল্পঃ সাইকো 
একটু দূরেই নির্জনের স্টুডেন্ট ফারহান যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। বুকে, পেটে সজোরে লাথি মারা হয়েছে। মারার সাথে সাথে সে মেঝেতে লুটিয়ে পরে। 
ফারহান নির্জনের স্টুডেন্ট। তাকে বাসায় গিয়ে পড়ায়। নির্জন মেডিকেলের স্টুডেন্ট। ৩য় বর্ষ। নির্জন বলতে গেলে একজন সাইকো। ফেসবুক থেকে সে এই টিউশন টা পায়। মোটামুটি ২ মাস সে খুব ভালভাবে ফারহানকে পড়ায়। তারপর আজকে………
ফারহানের বাসায় যাওয়ার পর কলিংবেল বাজালে ফারহান দরজা খুলে দিল। নির্জন ভিতরে ঢুকল। পড়ার টেবিলে  বসার পর জিজ্ঞেস করল, বাসায় আর কেউ নাই? 
না ভাইয়া। আব্বু আম্মু একটু মার্কেটে গেছে। 
ওহ আচ্ছা। কখন গেছে? 
আপনি আসার একটু আগে। 
তাহলে তো মোটামুটি অনেক দেড়ি হবে। মাস তো পার হল। বেতনের কথা বলতে বলছিলাম, বলছো?
জি ভাইয়া। আব্বু কালকে দিবে বলছে। 
আচ্ছা ঠিক আছে। বই বের কর। কি কি আজকে রুটিনে? 
ভাইয়া কেমিস্ট্রি, বায়োলজি। 
বায়োলজি বের করো। 
জি ভাইয়া। আজকে নার্ভাস সিস্টেম পরানোর কথা। 
আচ্ছা। ঠিক আছে শোন। আমাদের পুরো শরীর জুড়ে নিউরন আছে। নিউরন মুলত দুইটি কাজ করে। প্রথমত সে উদ্দিপনা বহন করে ব্রেইনে নিয়ে যায়। তারপর আবার ব্রেইন থেকে আবার সেই অঙ্গে উদ্দিপনা নিয়ে আশে। একটা সংবেদী, আরেকটা চেষ্টীয়। ধর আমি তোমাকে তোমার পেটে আঘাত করলাম। সেই উদ্দিপনা তোমার ব্রেইনে চলে যাবে। তারপর সেখান থেকে আরেকটা উদ্দিপনা পেটে আসবে। তখন তুমি বেথা অনুভব করবা। আর যদি ব্রেইন তাকে কেটে দেয়া হয় তাহলে কিন্তু আর বেথা অনুভব হবে না। আচ্ছা তুমি দাড়াও। 
ফারহান দাঁড়ানোর সাথে সাথে নির্জন তার পেটে প্রচণ্ড জোরে লাথি মারল। তারপর তার বুকে ঘুষি মারল। ফারহান মেঝেতে পরে গিয়ে যন্ত্রণায় চিৎকার দিয়ে উঠল। সে ফারহানকে জিজ্ঞেস করল,
বেথা পাচ্ছো? 
ফারহান কোন কথা বলতে পারে না। সে বেথায় কুঁকড়াচ্ছে। 
নির্জন তাকে মেঝে থেকে উঠিয়ে চেয়ারে বসিয়ে দিল। তারপর রান্না ঘরে গেলো। গিয়ে ধারালো চাকু, আর মাংস কাটা চাপাতি নিয়ে আসলো। নির্জনের হাতে এগুলো দেখে সে আরও ভয় পেয়ে গেলো। তার গলা শুকিয়ে যাচ্ছে। চিৎকার করার চেষ্টা করছে কিন্তু গলা দিয়ে কোন আওয়াজ বের হচ্ছে না। 
ফারহানের এই অবস্থা দেখে সে হেসে উঠলো। ফারহান উঠে দৌড়াতে চাইলো। কিন্তু তার আগেই নির্জন চাপাতি দিয়ে তার পায়ে আঘাত করল। ফারহান পরে গেলো। ধারালো ছুরি দিয়ে ফারহানের দুই পায়ের রগ কেটে দিল। 
এরপর তাকে আবার চেয়ারে বসালো। এরপর তার ডান হাতের আঙ্গুল গুলো টেবিলের উপর রাখলো। চাপাতি দিয়ে একটা একটা করে সব গুলো আঙ্গুল কেটে ফেলল। ফারহান বেথায় যন্ত্রণায় কুঁকড়ে গেলো। চিৎকার করতে যেন না পারে সেজন্য ফারহানের মুখে কাপড় গুজে দেয়। শক্ত করে তার মুখ বেঁধে দেয়। নির্জন তার পকেট থেকে রুমাল বের করল। একটা আঙ্গুল রুমালে মুড়ে নিয়ে পকেটে রেখে দিল। 
সে ধারালো ছুরি ফারহানের চোখের মধ্যে গেঁথে দিল। মুখের মধ্যে গুঁজে থাকা কাপড় বের করল। হাত দিয়ে জিহ্বা বের করে ছুরি দিয়ে কেটে দিল। ফারহান হাত ছুটাছুটি করছে। নির্জনের বিরক্ত লাগছিল। সেজন্য হাতের রগ কেটে দেয়। পুরো মেঝে রক্তে লালা হয়ে যায়। এরপর তার গলাটা একটু উঁচু করে ধরে খুব ধীরে সুস্থে ছুরি চালায়। গলগল করে রক্ত পরতে থাকে। বুক চিরে আর হৃদপিণ্ড বের করে। বের করে দেখে কোনটা কোন ধমনি, শিরা, হার্ট চেম্বার। নির্জন মনে মনে ভাবে, নাহ আজকে একটু তাড়াতাড়ি হয়ে গেলো। মজা পেলাম না। তারপর সে সেখান থেকে বেরিয়ে গেলো। 
বাসায় যাওয়ার পর আঙ্গুল একটা কাঁচের পাত্রে ফরমালিনের মধ্যে ডুবিয়ে সোকেজে রেখে দেয়। গুনে দেখে ৪৭ টি আঙ্গুল তার সংগ্রহে আছে। এরপর টিভি চালু করে। খবরের চ্যানেল চালু করে। হেড লাইন আসছে, আরেকটি নৃশংস খুন। 
রাতে সে বসে বসে ফেসবুকে টিউশন গ্রুপ খুলনা তে পোস্ট দেখতে থাকে। একটা পোস্টে লেখা দেখে,   দ্বাদশ শ্রেণির স্টুডেন্ট পরানোর জন্য একজন মেডিকেল পড়ুয়া টিচার লাগবে। 
সে পোস্টে কমেন্ট করে, 
Interested
3rd year, khulan medical college.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/109787/</link>
				<pubDate>Thu, 12 May 2022 04:03:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্পঃ সাইকো<br />
একটু দূরেই নির্জনের স্টুডেন্ট ফারহান যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। বুকে, পেটে সজোরে লাথি মারা হয়েছে। মারার সাথে সাথে সে মেঝেতে লুটিয়ে পরে।<br />
ফারহান নির্জনের স্টুডেন্ট। তাকে বাসায় গিয়ে পড়ায়। নির্জন মেডিকেলের স্টুডেন্ট। ৩য় বর্ষ। নির্জন বলতে গেলে একজন সাইকো। ফেসবুক থেকে সে এই টিউশন টা পায়। মোটামুটি ২ মাস সে খুব ভালভাবে ফারহানকে পড়ায়। তারপর আজকে…&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-109787"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/109787/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7a0518dcdaf5395ebd066ecbf94db5f6</guid>
				<title>গল্পঃ চিৎকার 
শিহাব গলা কাটা মুরগীর মত ছটফট করছে। তার দুই চোখ তুলে নেওয়া হয়েছে। মুখে পাথর দিয়ে ইচ্ছা মত থেঁতলানো হয়েছে। একটা একটা করে হাতের সবগুল নখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। পুরুষাঙ্গে এমন ভাবে আঘাত করা হয়েছে যে যদি বেঁচেও যায় তাহলে কোনোদিন বাবা হতে পারবে না। পা শরীর থেকে আলাদা করা হয়েছে। সে প্রচণ্ড চিৎকার করতিছে। কিন্তু শোনার কেউ নাই। তাকে এমন জায়গায় নিয়ে আশা হয়েছে যে আশে পাশে কোন বসতি নাই। সে যত জোরে চিৎকার করছে নির্জন তত জোরে তার মুখে আঘাত করছে। শিহাব তাকে বলছে, প্লিজ আমাকে আর কষ্ট দিও না। আমাকে মেরে ফেলো প্লিজ। 
নির্জন বলল, সেও তোকে অনেক অনুরুধ করছিল। কিন্তু তোরা তাকে ছাড়িস নি। তোর সাথের সবাইকে এইখানে নিয়ে এসে ধীরে ধীরে যন্ত্রণা দিয়ে দিয়ে মেরে ফেলছি। পাশের ঘরেই তাদের রেখে দিছি। লাশ হয়ে পরে আছে। 
আমাকে ছেড়ে দাও নাহলে মেরে ফেলো। আমি আর যন্ত্রণা নিতে পারছি না। প্লিজ আমাকে মেরে ফেলো। 
কেবল তো শুরু। দাড়া আরও কি কি করি। 
নির্জন ধারাল ছুড়ি দিয়ে তার শরীরের চামড়া ছিলতে থাকে। তারপর সেখানে লবন লাগিয়ে দেই। শিহাব গলা ফাটিয়ে চিৎকার করতে থাকে। তার চিৎকার শুনতে ভালো লাগছিল না। সেজন্য সে শিহাবের জিহ্বা কেটে দেয়। তার হাতের শীরা কেটে দেই। মেঝে রক্তে ভেসে যায়। তার গলায় ছুড়ি ধরে বলে, যা তোকে তোর বন্ধুদের কাছে পাঠিয়ে দিলাম। সে খুব ধীরে সুস্থে তার গলায় ছুড়ি চালিয়ে দেই। কিছু সময়ের জন্য হাত পা ছোটাছুটি করে। একসময় নিস্তব্ধ হয়ে যায়। আর নির্জনের কাজও শেষ হয়ে যায়। 
এরপর সে পুরো বাড়িতে কেরোসিন ঢেলে দেয়। গ্যাসের দুইটা সিলিন্ডারের পাইপ খুলে দিয়ে বাইরে চলে যায়। এরপর আগুন লাগিয়ে দেই। পুরো বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পরে। সিলিন্ডার ফেটে যায়। সে বাইরে দাড়িয়ে থেকে উপভোগ করতে থাকে। 
[ নির্জন এতোটা নিষ্ঠুর কোন দিন ছিল না। সে একজন ডাক্তার। মানুষ বাঁচানো তার কাজ। সে তার ওয়াইফ, নীলিমাকে প্রচণ্ড ভালোবাসে। একজন মানুষকে যতটুকু ভালবাসা সম্ভব ঠিক ততটুকু ভালবাসে। এমন দিন খুব কম গেছে যেদিন নীলিমা তার সাথে ছিল না। এমন কি নীলিমা তার বাবার বাসায় গেলেও তাকে রাতের মধ্যে আবার বাসায় নিয়ে আশে যত রাতই হোক না কেন। 
নীলিমার যখন মাসিক চলে তখন সে তাকে কোন কাজ করতে দিত না। সে বাসার সব কাজ করত। রান্না থেকে শুরু করে ঘর ঝাড়ু দেয়া, ঘর মোছা, কাপড় ধুয়ে দেয়া সব করত। নীলিমা যখনই তাকে সাহায্য করতে চাইত, নির্জন তাকে ধমক দিত। বলত, যাও তো এখান থেকে। দেখছ না আমি কাজ করতিছি। তোমাকে কে আসতে বলছে। যাও তো বিশ্রাম কর। নীলিমা তখন তাকে জড়িয়ে ধরে বলত, আমার জামাইটা এত ভালো কেন? অন্য কেউ হলে কখনই এসব করত না। 
থাক হইছে। আর পাম দিতে হবে না। 
পাম কই দিলাম বাবু। সত্যি বলতিছি তুমি আমার সাথে খুশি কিনা জানি না। কিন্তু আমি তোমাকে আমার জীবনে পেয়ে ধন্য। আমি অনেক খুশি। 
আমিও অনেক খুশি রে। আমি তোমাকে ভালোমত সময় দিতে পারি না। সবসময় হাসপাতাল, ক্লিনিকে থাকি। তোমাকে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যেতে পারি না। 
চুপ। তুমি আমাকে যতটুকু সময় দাও আমার মনে হয় আমার জীবনের সব থেকে সুন্দর মুহূর্ত। 
অনেক হইছে। এখন আপনি যান। বিশ্রাম করেন। আমি রান্নাটা শেষ করি। 
নির্জনের অনেক রাগ। কিন্তু যখনই নীলিমার কাছে যায় তখন আর রেগে থাকতে পারে না। মাঝে মাঝে নীলিমা ইচ্ছা করে তাকে রাগিয়ে দেই। তখন নীলিমা তার কাছে গিয়ে বলে, ওলে আমার বাচ্চাটা রাগ করছে? 
দূরে যাও। আমাকে টাচ করবা না। আর আমি বাচ্চা? 
বাচ্চাই তো। তুমি আমার লক্ষ্মী বাচ্চা। এত রাগ করলে হয়? 
আমার সাথে কথা বলবা না। 
তোমার পছন্দের খাবার রান্না করছি। 
আমি খাব না। 
কি রান্না করছি শুনবা না? 
না। 
সত্যি?
কি রান্না করছো? 
এইবার লাইনে আসছ। তোমার পছন্দের বিরিয়ানি। 
তুমি খুব খারাপ। কই ভাবলাম আজকে রেগে মেগে ফায়ার হয়ে থাকব। ইচ্ছা মত তোমাকে কথা শুনাবো। 
আমাকে কথা শুনাবা? এত সাহস? 
হইছে এইবার তুমি আবার রাগ কর না। 
হুম। ঠিক আছে রাগ করব না। 
অনেক সুন্দর খুনসুটিতেই দিন যাচ্ছিল। একদিন নীলিমা একটা কাজে বাসা থেকে বের হয়। নির্জন থেকে হাসপাতালে। বাসা থেকে বের হওয়ার পর শিহাব সাথে তার বন্ধুরা নীলিমাকে রাস্তা থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। খুব দ্রুত আকস্মিক ঘটনার জন্য সে কিছু করতে পারে নি। চিৎকার করতে পারে নি। তার আগেই তাকে অজ্ঞান করা হয়। নির্জন যখন নীলিমাকে কোথাও খুজে পেল না তখন সে পুলিশে ডাইরি করল। নির্জন মানসিকভাবে খুব ভেঙ্গে পরে। ২ দিন পর, নির্জন যখন হাসপাতালে ডিউটি করছিল তখন একটা লাশ আশে। সে যখন লাশ দেখে তখন সে দেখে তার ওয়াইফ একটা সাদা কাপড়ে মোড়ানো। নির্জন খুব শক্ত। তার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে কিন্তু তার গলা একদম কঠিন। সে জিজ্ঞেস করল, কিভাবে কি হল? যারা তাকে নিয়ে আসছিল তারা বলল, রাতে কারা যেন তাকে রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে চলে যায়। 
ময়নাতদন্ত করা হল। নীলিমাকে অসংখ্য বার রেপ করা হয়েছে। তার সারা শরীর জখম করা হয়েছে। হাতের নখ তোলা হয়েছে। যৌনাজ্ঞে অনেক আঘাত করা হয়েছে। খুব কষ্ট দিয়ে তাকে মেরে ফেলা হয়েছে। নির্জন ভেঙ্গে পরার মত ছেলে না। তারপরেও সে খুব বাজে ভাবে ভেঙ্গে পরে। পুলিশ অনেক দিন সময় নিয়ে শিহাব, তার দলবলদের ধরে। কিন্তু ছাড়া পেয়ে যায়। কারণ উপরে মামা খালু বসে আছে। পুলিশ তাদের কি করবে। নির্জন ঠিক করে নেই সে এত সহজে তাদের ছাড় দিবে না। তাদের এক এক করে সবাইকে খুজে বের করে। অনেক প্ল্যানিং করে। আর আজকে সে তার কাজ শেষ করল। তাদের এক এক করে সবাইকে অসম্ভব রকম যন্ত্রণা দিয়ে মেরে ফেলেছে। নির্জনের প্রতিশোধ নেয়া এখনও শেষ হয় নি। তাদের মাথার উপরে যে মামা খালু বসে আছে তাদের খুজে বের করে  তাদেরও এইভাবে শেষ করতে হবে। নির্জন আবার বেরিয়ে পরে তার পরবর্তী শিকারের জন্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/109185/</link>
				<pubDate>Tue, 10 May 2022 09:55:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্পঃ চিৎকার<br />
শিহাব গলা কাটা মুরগীর মত ছটফট করছে। তার দুই চোখ তুলে নেওয়া হয়েছে। মুখে পাথর দিয়ে ইচ্ছা মত থেঁতলানো হয়েছে। একটা একটা করে হাতের সবগুল নখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। পুরুষাঙ্গে এমন ভাবে আঘাত করা হয়েছে যে যদি বেঁচেও যায় তাহলে কোনোদিন বাবা হতে পারবে না। পা শরীর থেকে আলাদা করা হয়েছে। সে প্রচণ্ড চিৎকার করতিছে। কিন্তু শোনার কেউ নাই। তাকে এমন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-109185"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/109185/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cc82081824bfbb3ebd4de2aa99e379ee</guid>
				<title>MD Sumsuzzaman Sumon changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/108700/</link>
				<pubDate>Mon, 09 May 2022 10:56:10 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8cae513fbed2d84a3beca0d13a2615b7</guid>
				<title>গল্পঃ ৬ অক্টোবর। 
সবাই যখন নিজেদের মত করে জীবন গুছিয়ে নিয়েছে তখন নির্জন পরে আছে সেই ১৩ বছর আগের ঘটনাতেই। অনেক বন্ধু বান্ধবিদের বিয়ে হয়ে গেছে। অনেকের আবার বাচ্চা আছে। সব বন্ধু বান্ধবিরা মিলে ঠিক করল সবাই দেখা করবে। একটা অনুষ্ঠান করবে। পুনর্মিলন অনুষ্ঠান। নির্জনের ওই ঘটনার পর থেকে সে সবার থেকে একটু দূরে দুরেই থাকে। কারো সাথে তেমন কোন যোগাযোগ রাখে নি। তার এক বন্ধু, সাকিন, তাকে জানায় যে ৬ অক্টোবর একটা পুনর্মিলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হইছে। ৬ তারিখে আবার নির্জনের জন্মদিন। 
যথারীতি ৬ তারিখে সবাই সময় মত চলে আশে। সবাই অনেক খুশি। প্রায় ১৩ বছর পর সবাই আবার এক সাথে। আবার কবে দেখা হবে কেউ জানে না। নির্জনের সাথে মোটামুটি সবার সম্পর্ক ছিল। কিন্তু কয়েকজনের সাথে একটু বেশি। তাদের মধ্যে সাকিন, আসিফ, হৃদয়, আরমান, বৃষ্টি, নাবিলা। এদের সাথে অনেক ভালও সম্পর্ক ছিল। 
যখন দেখল নির্জন আশে নি, তখন সবাই বলাবলি করছিল, নির্জন কোথায়, ওকে কি জানানো হয়নি? সাকিন বলল, আমি তো ওকে জানাইছি। আসবে হইত। দেরি হতে পারে। 
পাশ থেকে বৃষ্টি বলল, ছেলেটা একদম নিশ্চুপ হয়ে গেলো। আমাদের সাথে যখন ছিল তখন অনেক হাসিখুসি ছিল, আমাদের পুরা গ্রুপ টাকে সে একাই মাতাই নিয়ে বেড়াতো। আর এখন তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। 
আরমান বলল, ওর সাথে যা হইছে সেটা যদি অন্য কারো সাথে হত তাহলে সে এত দিনে সুইসাইড করতো। ও যে এখনো কিভাবে ঠিক আছে আমি অবাক হয়ে যায়। 
নাবিলা বলল, ওকে একটা ফোন করে দেখনা কত দূরে আছে। আসবে কি না? 
আসিফ বলল, আমি ফোন করছিলাম। কাছাকাছি আছে। আসতিছে। তোরা কি ভুলে গেছিস? আজকে কয় তারিখ, আজকে কি? 
সাকিন বলল, আজকে ৬ অক্টোবর। নির্জনের জন্মদিন। আর ওই ঘটনাও। 
আরমান বলল, ভুলেও ওকে ওই বেপারে কেউ কিছু জিজ্ঞেস করবি না। 
সবাই বলল, ঠিক আছে। 
নির্জন কিছুক্ষণ পর চলে আসলো। নির্জনকে দেখে অনেকেই চিনতে পারে নি। যারা তার সাথে প্রায় যোগাযোগে থাকে তারাই শুধু চিনতে পারে। নির্জনের চুল, দাড়ি অনেক বড় হয়ে গেছে। অনেক বয়স্ক লাগতিছে। মনে হচ্ছে কেউ যেন ভিতর থেকে সব যৌবনরস শুষে নিছে। 
সবাই বলল, কি খবর সুমন, কেমন আছিস? তোকে তো চেনাই যাচ্ছে না। 
ভালো আছি। তোরা কেমন আছিস? 
আমরা সবাই ভালো আছি। কি অবস্থা ভাই তোর। তোকে খুঁজে পাওয়া যায় না। কই থাকিস? আর কি অবস্থা তোর এ? চুল দাড়ি সব বড় রাখছিস। 
একটু মুচকি হেসে বলল, আল্লাহ যেমন রাখছে, তেমনই আছি। 
আমরা ভাবছিলাম তুই হইত আসবি না। খুবই ভালো লাগতিছে, তুই আসছিস। আমরা অনেক খুশি। বাসার সবাই কেমন আছে? 
আলহামদুলিল্লাহ্‌ সবাই ভালো আছে। সবাই আসছে? 
হুম সবাই আসছে। 
ও আসছে? 
কার কথা বলতিছিস? 
ওহ সরি। আমার কি যে হইছে? ভুলতে পারতিছি না। 
যা হইছে ভুলে যা বন্ধু। 
It’s been 13 long years, I still can’t forget her. কোন ভাবেই পারতিছি না। { নির্জনের চোখ দিয়ে তখন পানি পরছিল} 
সবাই নির্জনের কাছে এসে বলল, কিছু মনে না করলে একটা কথা জিজ্ঞেস করব। 
হুম বল। 
আমরা তোর কাছ থেকে পুরা ঘটনা শুনতে চাই। সবাই বলে তুই ওকে মেরে ফেলছিস। আমরা বিশ্বাস করি না এটা। তোর মুখ থেকে শুনতে চাই। বল প্লিজ। 
আসিফ বলল, আমি মানা করছিলাম তোদের। এই বিষয় নিয়ে কোন কথা হবে না। তারপরও কেন? 
নির্জন আসিফকে থামিয়ে দিয়ে বলল, শুনবি?
হুম শুনবো। আমরা শুনতে চাই। 
ঠিক আছে শোন তাহলে, শুরু থেকে বলি, 
“ জীবনে চলার পথে অনেক মেয়ে দেখছি, কিন্তু কাউকে দেখে মনে হয় নি এদের কারো সাথে সারাজীবন চলা সম্ভব। কিন্তু নীলিমা ছিল একদম অন্য রকম। তাকে দেখলে মনে হত আমি তার সাথে সারাজীবন কাটাতে পারব। প্রথম প্রথম তার সাথে এমনি বন্ধুর মত কথা বলতাম। একসময় গিয়ে তাকে সবকিছু বলে দেয়। আমি কখনো ভাবিনি যে সে আমার কোথায় সাড়া দিবে। তারপর আমাদের দুইজনের একসাথে পথচলা শুরু হল। ও আমাকে প্রচণ্ড বেশি ভালবাসত। আমার খেয়াল রাখত একদম আমার মায়ের মত। আমি যখন তার সাথে থাকতাম তখন মনে হত, আমি যেন আমার মায়ের কাছে আছি। আমাকে খুবই আগলে রাখত। আমি তাকে মাঝে মধ্যেই বলতাম, তুমি আমাকে এত ভালবাস কেন? আমাকে এত আগলে রাখ কেন? তোমার জীবনে আরও ভালো কেউ আসতে পারত। সে আমাকে বলত, হইত আসত। কিন্তু তোমার মত কেউ আসত না। নির্জন একটা কথা বলি? আমাকে যেন কখনও ছেড়ে যাবা না। আমার মৃত্যুর শেষ সময় পর্যন্ত আমি তোমাকে আমার পাশে চাই। আমার মৃত্যুর যেন তোমার হাতেই হয়। আমি বলতাম, কি সব বল এগুলা? পাগলের মত কথা বল। সে বলে, আমি পাগলের মত কথা বলি নি নির্জন। আমি যদি তোমার হাতে মরি তাহলে অনেক শান্তি পাব। 
আমার কিছু হলেই সে অনেক কান্না কাটি করতো। একবার পরে গিয়ে আমার হাতে সামান্য একটু কেটে গেছিল। সেজন্য তার কি কান্না? আমি যখন বাসা থেকে কোন কাজে বের হতাম তখন সে আমার সাথে থাকত। আমি মাঝে মাঝেই বলতাম, আমার সাথে সবসময় থাক কেন? সে বলত, তোমার উপর আমার কোন ভরসা নাই। আবার কি জানি কি করে বসবা। নিজের তো একটুকুও যত্ন নাও না। আমি তাকে ধমক দিয়ে বলছিলাম, আমার সাথে আইভাবে সব জায়গায় যাওয়া যাবে না। সে আমার ধমকে কান্না করে দেয়, আর আমেকে জড়িয়ে ধরে বলে, আমি যতদিন বেঁচে আছি ততদিন তোমার সাথে আইভাবেই থাকি প্লিজ? আমি তাকে আর না করতে পারি নি। সব কিছু খুব ভালমত চলতিছিল। সে বাসায় যাবে। তার আব্বু আম্মু তাকে নিয়ে যাবে। বাসায় যাওয়ার আগের দিন আমাকে বিকেলে ডেকে বলল, আমি কয়েকদিনের জন্য বাসায় যাব। তোমাকে এখানে একা রেখে যাব না ভাবতিছি। তোমাকে কোন বিশ্বাস নাই। নিজের কোন খেয়াল রাখবা না, আমাকে শুধু মিথ্যা কথা বলবা। আমি বললাম, তোমার মাথা ছুঁয়ে বললাম, আমি তোমার সব কথা শুনবো। তুমি যা যা বলবা তাই তাই করব। সে আমাকে বলল, যা বললা মনে থাকে যেন। 
সে পরদিন তার বাবা মার সাথে চলে গেলো। সে যে বাসে যাচ্ছিল সেই বাসটা মারাত্মক ভাবে এক্সিডেন্ট করে। তার বাবা মা মারা যায়। সেও খুব খারাপ ভাবে আহত হয়। আমার মনে হচ্ছিল, আমার পুরো পৃথিবী অন্ধকার হয়ে গেছে। প্রায় ৬ দিন তার কোন জ্ঞান ছিল না। তারপর যখনই তার জ্ঞান ফিরছিল তখনি সে চিৎকার করতিছিল। তার খুব বেথা হচ্ছিল। সে বেথা নিতে পারছিল না। আমিও তার চিৎকার জড়িত কান্না নিতে পারছিলাম না। সেজন্য তাকে সব সময় ঘুম পারিয়ে রাখা হত। 
৬ অক্টোবর। আমি তার পাশে বসে আছি। সে আমাকে কাছে ডাকল। আমাকে বলল, বাবু মাফ করে দিও প্লিজ। তোমার সাথে সারাজীবন থাকতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পারলাম কই? যখনই আমার ঘুম ভেঙ্গে যাচ্ছে তখনই প্রচণ্ড বেথা হচ্ছে। আমি আর বেথা নিতে পারছিনা বাবু। আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। 
আমি বললাম, আমি তোমাকে এই কষ্ট থেকে মুক্ত করে দেই? আমি আমার পুরো জীবনে এত বেশি কাউকে ভালবাসি নি। 
সে মুচকি হেসে বলল, আমি খুব খুশি হব। আমাকে এই কষ্ট থেকে মুক্ত করে দাও প্লিজ। আমি তোমাকে বলছিলাম, আমার মৃত্যু যেন তোমার হাতেই হয়। তোমার হাতে যদি আমি মরে যায় তাহলে আমি অনেক শান্তি পাব। 
আমি তার স্যালাইন এর মধ্যে টক্সিন পুশ করে দেই। 
একজন বলল, তার মানে তুই নীলিমাকে………..
বিনা কোন কিছু অনুভব করে, বিনা কোন চোখের পলক ফেলে, সে আমার সামনে জীবন্ত লাশ হয়ে পরে ছিল। আর যখনই কিছু সময়ের জন্য তার জ্ঞান ফিরছিল, সবাই জানে সে কি রকম বেথার মধ্যে দিয়ে, কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। সেই কষ্টের মদ্ধেও সে আমাকে বার বার বলছিল, আমি যেন আমার নিজের যত্ন নেই, নিজের খেয়াল রাখি। কারন সেও জানত সে আর কোন দিন আমার খেয়াল রাখতে পারবে না। আমি যখন তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আমি তোমাকে এই কষ্ট থেকে মুক্ত করে দিব? সে আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসছিল। তার চোখ বন্ধ হয়ে আসছিল, শ্বাস চলছিল না। আমি তার পাশে দাড়িয়ে তাকে দেখছিলাম। আর তখন আমার অনুভব করলাম, আসলে ভালবাসার শেষ মঞ্জিল মৃত্যু। I KILLED HER OUT OF LOVE.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/108699/</link>
				<pubDate>Mon, 09 May 2022 10:51:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্পঃ ৬ অক্টোবর।<br />
সবাই যখন নিজেদের মত করে জীবন গুছিয়ে নিয়েছে তখন নির্জন পরে আছে সেই ১৩ বছর আগের ঘটনাতেই। অনেক বন্ধু বান্ধবিদের বিয়ে হয়ে গেছে। অনেকের আবার বাচ্চা আছে। সব বন্ধু বান্ধবিরা মিলে ঠিক করল সবাই দেখা করবে। একটা অনুষ্ঠান করবে। পুনর্মিলন অনুষ্ঠান। নির্জনের ওই ঘটনার পর থেকে সে সবার থেকে একটু দূরে দুরেই থাকে। কারো সাথে তেমন কোন যোগাযোগ রাখ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-108699"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/108699/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>