<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Tapan Debbarma | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/tanu48/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/tanu48/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Tapan Debbarma.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 19 Jun 2026 13:55:54 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">39eb3d3879b30287159a0ef6da3f870a</guid>
				<title>বৈপ্লবিক নবযুগে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিকাশে ব্যাতিক্রম কেন?

শিক্ষা যেমন সংস্কৃতির উপর নিবিড়ভাবে নির্ভরশীল তেমনি সংস্কৃতির ভুমিকাটাও খুব বেশী কম না শিক্ষার ভিত্তি মজবুদ ও প্রসার করনের ক্ষেত্রে।  শিক্ষা মুলতঃ হাতেখড়ি ঘটে পরিবার থেকে আর মনস্তাত্ত্বিক পরিপক্বতার ধারাবাহিকতায় শিক্ষার গঠনমূলক চারিত্রিক ও জ্ঞান মূলক বৈশিষ্ট যোগ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। 
অন্যদিকে সাংস্কৃতিক পরিকাঠামোর সাথে একটি মানব সত্তা পরিচিত হয় পারিবারিক তথা মা-বাবার সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের ভেতর থেকে। 
যুগের সাথে পরিবর্তন আবশ্যক শিক্ষা ও সংস্কৃতি।
আর সেটা নবযুগে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে কতটুকু খাপ খাইয়ে উর্ধ্বগামী হচ্ছে? 

বর্তমানে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব চলছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বা ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভল্যুশনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে বিশ্বের সব উন্নত দেশ। আসন্ন এই বিপ্লবের মাধ্যমে সবাই নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থান আরো দৃঢ় করে তোলার পরিকল্পনা করছে। এই বিপ্লব মূলত প্রযুক্তির বিপ্লব, যা পৃথিবীর মানুষের জীবনকে নিয়ে যেতে চায় এক ধাপেই শতবর্ষ এগিয়ে।

তথ্যপ্রযুক্তির ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলশ্রুতিতে সামাজিক / সাংস্কৃতিক ও শিক্ষার ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে।  পৃথিবী নাকি আজ হাতের মুঠোয়!!  প্রযুক্তিগত নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক চর্চায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আজ বিশ্ব মানচিত্রের সর্বত্র লক্ষ্য করা যায়।

বৈপ্লবিক নবযুগে শিক্ষা ও সাংস্কৃতি সাম্রাজ্যবাদীর প্রতিফলনকে নির্দেশ করে চলছে।  ভারতীয় উপমহাদেশের দু&#039;শ বছরের বৃটিশ কলোনিয়াল শুধু কি অর্থনৈতিক আগ্রাসন বা উপনিবেশিক দখলদারির কাঠামোয় সীমাবদ্ধ ছিল!! বলতে গেলে না; কারন শিক্ষা ও সাংস্কৃতিকর আমূল পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও ( তথাকথিত সভ্যকরণ) ওই কলোনিয়াল প্রথার প্রভাব যেখানে এখনো বিদ্যমান। যেখানে শার্ট, প্যান্ট, কোর্ট, টাই পরিধানের সিস্টেম ইউরোপিয়ানদের ফলো করা হচ্ছে,  অফিস আদালতে এখনো সেকেলে বৃটিশ আইন ও পদ্ধতি প্রচলিত,  কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের উপনিবেশিক প্রভাব বা পশ্চিমা বন্দনা এখনো চলছে। তাই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের কল্যাণে নির্মিত বৈপ্লবিক কাঠামো এখন একটা সমাজে ও দেশে প্রকট প্রভাবিত হয়ে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পটভূমির আমূল-পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

বস্তুগত ও অবস্তুগত সংস্কৃতির নবযুগে ক্রমাগতভাবে প্রতিটি মানব সত্তাই উপযোগ লাভ করছে শিক্ষা ও সাংস্কৃতির অধিকার আদায়ে। তবে প্রশ্ন, সেগুলো কতটুকু ভিন্ন রংয়ের সংস্কৃতিতে যথাযথরূপে সংস্পর্শে বা চর্চা লাভ করছে? সেটির উত্তর নিহিত আছে শিক্ষা অর্জনের অধিকার ও সামর্থে এবং সাংস্কৃতিক চর্চার উপায়ে। আর কতটুকু সুফল পাচ্ছে একটি মধ্যেম আয়ের দেশ বাংলাদেশের প্রান্তিক অংশগুলোর সমাজ ব্যবস্থায় বা শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ব্যবস্থায়?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/212696/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Apr 2024 17:04:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৈপ্লবিক নবযুগে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিকাশে ব্যাতিক্রম কেন?</p>
<p>শিক্ষা যেমন সংস্কৃতির উপর নিবিড়ভাবে নির্ভরশীল তেমনি সংস্কৃতির ভুমিকাটাও খুব বেশী কম না শিক্ষার ভিত্তি মজবুদ ও প্রসার করনের ক্ষেত্রে।  শিক্ষা মুলতঃ হাতেখড়ি ঘটে পরিবার থেকে আর মনস্তাত্ত্বিক পরিপক্বতার ধারাবাহিকতায় শিক্ষার গঠনমূলক চারিত্রিক ও জ্ঞান মূলক বৈশিষ্ট যোগ করে শি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-212696"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/212696/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9c6d59c66be4992d1ed6c3dcec351666</guid>
				<title>নিজেকে পরিচর্যা করুন।  নিজের খেয়াল রাখুন। খেয়াল খুশিমত  নিজেকে এত বিলিয়ে দিবেন না কারন  সুযোগ বুঝে মানুষ আপনাকে ব্যবহার করছে! সেটা নিশ্চয় আপনার জানার কথা। বরং আগামীকালের জন্য নিজেকে তৈরি করুন। এতে আপনার দিকে তাকিয়ে থাকা আপন মানুষ গুলো অন্তত খুশি হবে। শান্তিতে থাকবে। তার মানে এই না যে নিজের  স্বাধীনতাকে রাশ টেনে ধরতে বলছি  কেননা আপনি বুজেন আপনার স্বাধীনতা অসীম মাপের। আপনার বিচরন দেশের গন্ডিকে পেরিয়ে।  নিজের অবস্থান যখন মজবুতভাবেই তৈরি করেছেন সেখানে আপাদমস্তক বিবেকহীনরা আপনাকে গিলে ফেলতে চাইছে সেদিকে খেয়াল রাখতে বলছি। এটা ত জানেন বিবেক হীন মানুষ এতই কুকর্মা যে আপনার প্রগতিশীল চেতনাকে নষ্টের বীজ বুনে পুরো সাজানো বিবেকটাকে ধ্বংসের দারপ্রান্তে নিয়ে যাবে। সুতরাং সাধু সাবধান। 

নিঃসন্দেহে একটা কথা মনে রাখতে পারেন! অকর্মা মানুষরা আপনাকে পরাধীনতার শিকলে বাঁধতে চাইছ। হ্যা এটাই স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি আর চরম মানষিক যন্ত্রণা  আপনার মধ্যে প্রয়োগ করাতে চাচ্ছে। যাতে আপনাকে পিছু টানের গন্ডিতে বেঁধে রাখতে পারে। 

আপনাকে আমি এ কথাগুলো এম্নিতেই বলছিনা বা আমার মধ্যে কোন স্বার্থ লুকায়িত নেই। যেটা আপনি নিজেও পরখ করতে পারেন। মরনশীল এ জীবনে আপনাকে ঘিরে থাকা মানুষগুলো কটতা আপনার জন্য মরিয়া সেটা আপনি জানবেন না। কারন যেদিন আপনার প্রস্থান সেদিন এরাই মায়া কান্নার অভিনয়টা দেখাবে। যা ঐ পাড় থেকে নিজের বিলিয়ে দেওয়ার যথার্ততা বুজবেন। এমনকি আফসোস করবেন। খুব কম সময়ের এ দুনিয়ায় মানুষ বাঁচে তাঁর সফলকাম স্বার্থেই। সুতরাং আপনিই শুধু ব্যতিক্রম। তাই লক্ষ রাখুন জীবদ্দশায় আপনার সাথে কে,  আর সামনে- পেছনেই বা আবার কে।

আপনাকে ধ্বংসের পায়তারা চলছে। তবে ভয় নেই,  কারন অনেক ধ্বংস যজ্ঞ অতিক্রম করেই আজকেই এই অবস্থানে আপনি। আপনার পাকাপোক্ত অবস্থান কেউই কোনোদিন নড়বড়ে করতে পারবেনা।  তবুও বলছি সাবধান।  কারন ওরা সংখ্যায় বেশি। আপনাকে নিয়ে মুখরোচক অনেক গল্প গুজব সৃস্টি করাটা তাদের কাছে খুব সহজ। জীবন যুদ্ধে যারা আপনার পাশে ছিলনা, কিন্তু সেই যুদ্ধে জয়ী আপনি এখন হাজারো শুভাকাঙ্ক্ষীর হাত নাড়া দেখেন। কতই না আপন মনে হয় আসলেই কি তাই? এমনতোহতে পারে আপনাকে টেনে হিঁচড়ে তাদের দলে ভেড়াতে চাইছে। তাই সময়ের দাবী  সাবধান হোন।

আমি কে,  আপনাকে এত জ্ঞান দিচ্ছি! স্পর্ধা দেখাচ্ছি না, শুধু এই টুকুই বলি জীবনটার কঠিন ধাপ পেড়িয়ে আজকের আপনি। লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য যে মানুষ আপনাকে দিনের পর দিন ধৈর্য সহকারে  সহযোগিতা করেছে,  তাদেরকেই কিনা আপনি চাকচিক্য অধুনা নামধারী লোকদের কবলে পড়ে  ভুলতে বসেছেন।  না আমি বলছিনা যে আপনি আপনার পরিবারের প্রিয়দের  ভূলতে বসেছেন!  শুধু মনে করিয়ে দিচ্ছি, ভুলে যাবেন না।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/212690/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Apr 2024 17:01:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিজেকে পরিচর্যা করুন।  নিজের খেয়াল রাখুন। খেয়াল খুশিমত  নিজেকে এত বিলিয়ে দিবেন না কারন  সুযোগ বুঝে মানুষ আপনাকে ব্যবহার করছে! সেটা নিশ্চয় আপনার জানার কথা। বরং আগামীকালের জন্য নিজেকে তৈরি করুন। এতে আপনার দিকে তাকিয়ে থাকা আপন মানুষ গুলো অন্তত খুশি হবে। শান্তিতে থাকবে। তার মানে এই না যে নিজের  স্বাধীনতাকে রাশ টেনে ধরতে বলছি  কেননা আপনি বুজেন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-212690"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/212690/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5a3968ec46e420bec0478c120fec2d80</guid>
				<title>এই মিষ্টি সকালে তোমাদেরকে নয় তুমাকে বলতেছি, যখন তুমি গতরাতে গুমোতে যাচ্ছিলে ঠিক তখন  তোমার মাঝে যে শূন্যতা অনুভব হয়েছিল সেটার কারন কি তুমি এখন ভাবছ! এত উদিগ্ন হয়ো না। এগুলো তুমার অতীত থেকে নয়, আর অতীত নিয়ে উদিগ্নতা মোটেই ভাল না। বরং সত্যতা উপলব্ধি করতে শেখ,  যে সত্যের সম্মুখিন হয়ে তুমি আমি এখনো বেঁচে আছি, আর সেই সত্যতেই দাড়িয়ে তোমার আগামি। না আমি তোমার সুখে হানা দিচ্ছি না! আর তুমি যে সুখে আছ সেটা আমি না আমার সুখে থাকাটার সাথে তুলনা করেই সেটা বুঝে নিয়ছি। এটাই বলছি তোমার শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছিল তোমাকে ঘিরে থাকা আবহের জন্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/212688/</link>
				<pubDate>Fri, 19 Apr 2024 17:00:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এই মিষ্টি সকালে তোমাদেরকে নয় তুমাকে বলতেছি, যখন তুমি গতরাতে গুমোতে যাচ্ছিলে ঠিক তখন  তোমার মাঝে যে শূন্যতা অনুভব হয়েছিল সেটার কারন কি তুমি এখন ভাবছ! এত উদিগ্ন হয়ো না। এগুলো তুমার অতীত থেকে নয়, আর অতীত নিয়ে উদিগ্নতা মোটেই ভাল না। বরং সত্যতা উপলব্ধি করতে শেখ,  যে সত্যের সম্মুখিন হয়ে তুমি আমি এখনো বেঁচে আছি, আর সেই সত্যতেই দাড়িয়ে তোমার আগামি। না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-212688"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/212688/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a830ebca15aa823c2f5004d7c52a4ce2</guid>
				<title>Tapan Debbarma and Mizan Rahman, Editor: Dainik Journal Asia are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/116780/</link>
				<pubDate>Mon, 30 May 2022 11:24:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">38967189fcb67b1a0c09a05ed78293f6</guid>
				<title>Tapan Debbarma and কলমে পৃথিবী are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/54780/</link>
				<pubDate>Wed, 10 Nov 2021 17:29:55 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3ea0f652a37c364716547307dd7ed754</guid>
				<title>সার শূন্য জীবন টেনে হিঁচড়ে কতো দিন আর চলা যায়!
চারদিকে ঘুটঘুটে কালো অন্ধকার। আর কতোটা পথ পাড়ি দিলে ফুটবে ভোরের আলো! ক্লান্ত পথিক তৃষ্ণায় বুকে  হাহাকার; কোথাও জল নেই এক ফোটাও।  দীর্ঘ পথের মাঝে থাকছে আরো বাঁধা,  বিপত্তিও লেগে থাকে সর্বক্ষণ। কোন মোহের কারণে ছুটে চলা! পথিক তবুও পথ হারায় না,  না জেনে তো আর ছুটে চলা না! তবে কি সেই আশা? 

অদ্ভুদ  এই পথিকের সন্ধানে নেমেছে কজন ছোকরা। সব কিছু শুনে নিয়ে,  বনে বাধারে খুজে বেড়ায় তারা। সাথে আছে কিছু শুঁকনো খাবার, আর পর্যাপ্ত জল। খুজে বেড়ায় তছনছ করে, হন্যহয়ে, খুজে পেতে তো হবেই। কারণ দরকার যে খুব করে পথিকের সাথে। তাঁর অভিজ্ঞতার যে খুব প্রয়োজন এই দিব্যলোকের নতুন পথিকদের জন্য।

আলো ফুটে।  কিন্তু পথিকের দেখা আর নাই। হয়তো গভীর অরণ্যে এখনো সে। হয়তো ঘুরপাক খাচ্ছে তাঁর পথ চলা। জনাকীর্ণ বা লোকারণ্যই হয়তো সে ত্যাগ করেছে। তবে কি ছোকরা গুলো পথিককে আর খুজেই পাবে না। পথিক তুমি জগত সংসার ত্যাগী!  কেন এমন পথ বেছে নিলে!

সাজের বাতি জ্বালাতে যখন কুসুমুতিরা শেষ করে। পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীর কুলকুল ধ্বনি ঝিঁঝি পোকার ছন্দে মিশে যায়, ঠিক তখনি মাছ শিকারীর জালে আটকা পড়ে কোনো এক পথিকের।  হায়রে পথিকের জীবন!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/47165/</link>
				<pubDate>Sat, 23 Oct 2021 09:25:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সার শূন্য জীবন টেনে হিঁচড়ে কতো দিন আর চলা যায়!<br />
চারদিকে ঘুটঘুটে কালো অন্ধকার। আর কতোটা পথ পাড়ি দিলে ফুটবে ভোরের আলো! ক্লান্ত পথিক তৃষ্ণায় বুকে  হাহাকার; কোথাও জল নেই এক ফোটাও।  দীর্ঘ পথের মাঝে থাকছে আরো বাঁধা,  বিপত্তিও লেগে থাকে সর্বক্ষণ। কোন মোহের কারণে ছুটে চলা! পথিক তবুও পথ হারায় না,  না জেনে তো আর ছুটে চলা না! তবে কি সেই আশা?&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-47165"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/47165/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">12e4095057edd0bc0dde0de67c29e54b</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/46628/</link>
				<pubDate>Thu, 21 Oct 2021 16:45:32 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ed5fb00e2f603876ebb9988bc15041ae</guid>
				<title>মনের কোনে ক্ষোভ জমে আছে। তবে কার প্রতি এ ক্ষোভ সেটা জানাচ্ছি না। কারণ জমানো ক্ষোভটাকে এখন উপভোগে পরিনত করে ফেলছি। মানুষ চেয়ে পায়নি এমন নজির এখনো নেই বললেই চলে। যদি আপনার চাওয়াতে কোনো চাহিদার আস্ফালন না থাকে। কেননা অনেকের  চাওয়া  যখন পূরণ হয় তন্মধ্যে সে চাওয়াটা বিস্তৃতি লাভ করে যা মৌলিক চাওয়ার সাথে তালগোল পাকিয়ে ফেলে,  যা পরবর্তীতে চাওয়ার আকাংখা আরো তিব্র হয়।

ক্ষোভ কখনো চেপে রাখতে নেই। উগরে ফেলুন। সে যেই হোক না কেন। তবে যার প্রতি ক্ষোভ সেটা যেন আদিষ্ট ব্যাক্তিই বুজবে সেভাবে উল্লেখ করুন। সেটা যেন অন্যকে আঘাত করে নয়, সে দিকটাও খেয়াল রাখবেন।  কারন একজনের প্রতি যে তীক্ষ্ণ কথা সেটা অন্য কেউও ধরে বসে থাকতে পারে। তাই, স্পষ্ট ভাসি হোন, আর কপট ভাসিই হোন আপনার কাজ বা কথা যার জন্যে সেটা ঠিক তাকেই বুঝান।শুনান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/46627/</link>
				<pubDate>Thu, 21 Oct 2021 16:44:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনের কোনে ক্ষোভ জমে আছে। তবে কার প্রতি এ ক্ষোভ সেটা জানাচ্ছি না। কারণ জমানো ক্ষোভটাকে এখন উপভোগে পরিনত করে ফেলছি। মানুষ চেয়ে পায়নি এমন নজির এখনো নেই বললেই চলে। যদি আপনার চাওয়াতে কোনো চাহিদার আস্ফালন না থাকে। কেননা অনেকের  চাওয়া  যখন পূরণ হয় তন্মধ্যে সে চাওয়াটা বিস্তৃতি লাভ করে যা মৌলিক চাওয়ার সাথে তালগোল পাকিয়ে ফেলে,  যা পরবর্তীতে চাওয়ার আকাং&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-46627"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/46627/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8271783dab420a8491e460468c022eac</guid>
				<title>মনুষ্যত্ব একটি অস্থিতিশীল চর্চা। একটু কমবেশি হলেই এটির বিচ্যুতি ঘটে। কিন্তু মনুষ্যত্ব গঠন করতে সবাইকেই কমবেশি কাঠখোট্টা পোহাতে হয়। অনেকে গভীর ভাবে চর্চার মধ্য দিয়ে মনুষ্যত্ব অর্জন করে। 

এই অর্জনের পেছনে সবচে বেশি অবদান  থাকে পারিবারিক শিক্ষা। অতঃপর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার অবদান। ছোটবেলা থেকে বেড়ে উঠতে পারিপার্শ্বিক আবহের অবদানও মনুষ্যত্ব গঠনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

মনুষ্যত্বের সাথে বিবেকের নিবিড় সংযোগ রয়ছে। দুটি জিনিসই একে অন্যের সাথে পরিপূরক।  অর্থাৎ মনুষ্যত্ব বিহীন বিবেক যেমন অকেজো তেমনি বিবেক বিবর্জিত মনুষ্যত্বও অপরিপক্ক। তবে এর যেকোনো একটি চর্চার সাথে অন্যটিরও প্রসিদ্ধ লাভ হয়। 

নাগরিক সমাজে আমরা অহরহ মনুষ্যত্ব হীন লোকের সম্মুখীন হই এবং বিবেক হীন লোকেরও অভাব দেখিনা। এসব লোকদের কারনেই এই পৃথিবীতে   সঠিক পথের দিশারীরা কোনঠাসা হয়ে আছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/45817/</link>
				<pubDate>Tue, 19 Oct 2021 13:20:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনুষ্যত্ব একটি অস্থিতিশীল চর্চা। একটু কমবেশি হলেই এটির বিচ্যুতি ঘটে। কিন্তু মনুষ্যত্ব গঠন করতে সবাইকেই কমবেশি কাঠখোট্টা পোহাতে হয়। অনেকে গভীর ভাবে চর্চার মধ্য দিয়ে মনুষ্যত্ব অর্জন করে। </p>
<p>এই অর্জনের পেছনে সবচে বেশি অবদান  থাকে পারিবারিক শিক্ষা। অতঃপর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার অবদান। ছোটবেলা থেকে বেড়ে উঠতে পারিপার্শ্বিক আবহের অবদানও মনুষ্যত্ব গঠনে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-45817"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/45817/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2bf9521823d3f087444d7e85083a60ed</guid>
				<title>Tapan Debbarma and Fahim Hasan are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/41455/</link>
				<pubDate>Thu, 07 Oct 2021 17:55:04 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">02c1a542c5b06c2dbfcb6756cffa3f84</guid>
				<title>মনের কোনে ক্ষোভ জমে আছে। তবে কার প্রতি এ ক্ষোভ সেটা জানাচ্ছি না। কারণ জমানো ক্ষোভটাকে এখন উপভোগে পরিনত করে ফেলছি। মানুষ চেয়ে পায়নি এমন নজির এখনো নেই বললেই চলে। যদি আপনার চাওয়াতে কোনো চাহিদার আস্ফালন না থাকে। কেননা অনেকের  চাওয়া  যখন পূরণ হয় তন্মধ্যে সে চাওয়াটা বিস্তৃতি লাভ করে যা মৌলিক চাওয়ার সাথে তালগোল পাকিয়ে ফেলে,  যা পরবর্তীতে চাওয়ার আকাংখা আরো তিব্র হয়।

ক্ষোভ কখনো চেপে রাখতে নেই। উগরে ফেলুন। সে যেই হোক না কেন। তবে যার প্রতি ক্ষোভ সেটা যেন আদিষ্ট ব্যাক্তিই বুজবে সেভাবে উল্লেখ করুন। সেটা যেন অন্যকে আঘাত করে নয়, সে দিকটাও খেয়াল রাখবেন।  কারন একজনের প্রতি যে তীক্ষ্ণ কথা সেটা অন্য কেউও ধরে বসে থাকতে পারে। তাই, স্পষ্ট ভাসি হোন, আর কপট ভাসিই হোন আপনার কাজ বা কথা যার জন্যে সেটা ঠিক তাকেই বুঝান।শুনান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/41379/</link>
				<pubDate>Thu, 07 Oct 2021 12:21:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনের কোনে ক্ষোভ জমে আছে। তবে কার প্রতি এ ক্ষোভ সেটা জানাচ্ছি না। কারণ জমানো ক্ষোভটাকে এখন উপভোগে পরিনত করে ফেলছি। মানুষ চেয়ে পায়নি এমন নজির এখনো নেই বললেই চলে। যদি আপনার চাওয়াতে কোনো চাহিদার আস্ফালন না থাকে। কেননা অনেকের  চাওয়া  যখন পূরণ হয় তন্মধ্যে সে চাওয়াটা বিস্তৃতি লাভ করে যা মৌলিক চাওয়ার সাথে তালগোল পাকিয়ে ফেলে,  যা পরবর্তীতে চাওয়ার আকাং&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-41379"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/41379/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">491a2b89c22bc3042ed98e8b730ccc87</guid>
				<title>Tapan Debbarma and তাছনীম বিন আহসান are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/41366/</link>
				<pubDate>Thu, 07 Oct 2021 11:35:31 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">235d8d11cab9c21da1b82f4004bd2399</guid>
				<title>Tapan Debbarma and Umme Tabassum Taiyeba are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/40474/</link>
				<pubDate>Mon, 04 Oct 2021 13:24:01 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4ed3aceafff9ae1382684ce615d9ecae</guid>
				<title>Tapan Debbarma and Rejwana Khan are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39413/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Sep 2021 10:43:54 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">766f4631bb220d5f3ce6f6ceef5c385d</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39369/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Sep 2021 08:21:11 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b31291d2558ba49df945be5b69dd5fe4</guid>
				<title>Tapan Debbarma changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39359/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Sep 2021 08:18:25 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">97f2280ae2f129a5b0dcdd85863f4ad1</guid>
				<title>একজন তরুণ কবি ও সমকালীন লেখকের একান্ত সাক্ষাৎকার


&#062;একজন তরুন কবি ও সমকালীন লেখক হিসেবে আপনার পথচলার শুরুটা কেমন ছিল?

&#062;প্রতিটা মানুষের জীবনের মত আমার পথ শুরুটা আরো আট দশটা জীবনের শুরুর মতোই। দৈন্যতা ছিল। আমি উপলব্ধি করি, যখন অনেক বাধা আসে তখন কখনোই নিজেকে উত্তজনায় ভাসাইতাম না। কিছু ধৈর্য্য খরচ করলেই যে বাধার অতিক্রম করা সম্ভব সেটা আমি বিশ্বাস করতাম যা এখনো আমি আমার মধ্যে লালন করি। এটা ঠিক কারো জীবনেই মসৃন পথ তৈরি করা ছিলনা, নদী যেমন আঁকাবাকা চলে প্রাকৃতিক নিয়মে ঠিক তেমনি আঁকাবাকা প্রতিটি মানুষের জীবন । নদীর সাথে জীবনের এজন্য তুলনা করছি যে, মানুষের জীবনের যেমন গল্প থাকে ঠিক তেমনি নদীরও থাকে অনেক গল্প, কালান্তরের অনেক হাসি-কাঁন্না,  সুখ-দুঃখের সাক্ষী বহমান নদী। আমার কাছে নদী ও জীবন মিশে একাকার। 

&#062;আপনি দুঃখবোধের কথা বলছিলেন!  কিন্তু জীবনের সাথে দুঃখবোধ অতি সাধারণ বলে আপনার মতো আরো অনেক সমকালীন কবি লেখকরা বলেন, সেক্ষেত্র আপনার কাছে এই দুঃখবোধের নির্দিষ্ট কোনো অভিব্যক্তি আসলে কি!

&#062;দেখুন একজন কবি একজন মানুষও বটে। হাসি ঠাট্টা-তামাশা,  সুখ-দুঃখের অতল স্পর্শ সবি অন্য সব মানুষের মতই। একটা কথা বলি, প্রত্যেকটা মানুষের জীবনের দর্শন ইউনিক। কারোরই কারোর সাথে মিলবে না। এই যেমন ধরুন, আপনার জীবন দর্শন আপনার অভিব্যক্তিতে উল্লেখ পায়, কিন্তু আমার অভিব্যক্তিতে সেটা ভিন্ন, সেটা নিশ্চয় আপনি বুঝতে পারছেন। আর আমার কাছে দুঃখবোধ জিনিসটা ঐরকম যেটা আমি আমার কবিতা গুলোতে প্রকাশ করি। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনাচার যখন আমার সাথে ঘটে  ঠিক তখনই আমার আশা আকাঙ্খা গুলো ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়,  নতুন করে সৃষ্টি হয় স্বপ্ন,  আশা এমনকি নতুন করে ভাললাগা। এমন না যে আমি পরাজয়কে অস্বীকার করি, সেটা ভাবলে ভুল হবে। কারন পরাজয়ের মাঝেও আমি সুখবোধ খুজে পাই, যেখানে দুঃখবোধ কাজ করার কথা। তাই বলে জীবনের সকল ব্যাথাকেও আমি দুঃখের সাথে মিশাই না কারন দুঃখবোধ এমনি এক জিনিস সেটা মানুষকে এমনকি নিজেকে নতুন উদ্যোমে জাগিয়ে তুলতে কাজ করে।

&#062;একজন তরুণ কবি হিসেবে সামাজিক প্রতিচিত্র আপনার কবিতায় প্রকাশ পায়।  বিশেষ করে সমাজের অনাচার যারা চর্চা করেন তাদেরকে সমাজের ক্ষত চিহ্নিত করে আপনি সোচ্চার হোন। এক্ষেত্রে আপনি কতটা উদ্বেলিত হোন বা সমাজের ভিত্তিটাই কি বলে মনে করেন?

&#062;দেখুন অনাচার যে বা যারাই চর্চা করেন তারা কিছুটা নিজেদের প্রভাবশালী বলে দাবি করেন। এমনকি নিজেদের প্রতিষ্ঠিত ভাবেন। এগুলা তাদের স্বঘোষিত শ্রেষ্ঠত্বের দাবি। অর্থের দাম্ভিকতায় যেকোনো নিকৃষ্টতর কাজ করতে তাদের মনে  বাঁধে না! সমাজ নিয়ে আমার বেশি কথা বলার মত ইচ্ছে নেই। কারন অনেক গুনীজনরা এ ব্যপারে অনেক কিছুই উল্লেখ করার মত বলে গেছেন,  লিখে গেছেন। তবে এটা বলতে পারি সমাজের ভিত্তি হচ্ছে সমাজের মানুষ। অনেক সময় আমরা মানুষের জয় উদযাপন করতে দেখি, উত্তাল জনতার স্রোত দেখি, জনতার রায় দেখি।  আমি মনে করি এগুলাই হচ্ছে সমাজের ভিত্তি। ঠিক জনতার জয়-জয়কার যখন তখনি অনাচারীদের বিধায় ঘন্টা বাজে। আসলে সমাজটা স্বয়ংক্রিয় ভাবেই সামাজিক ক্ষত ব্যভিচারী- অনাচারীদের হাত থেকে সারিয়ে তোলে।

&#062;গত ফেব্রুয়ারী অমর একুশে বইমেলায় আপনার একটি কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছিল।&quot; তোমাদের নামে কবিতা &quot; শিরোনামে।  সে কবিতার বইয়ে ভূমি খেকোদের নিয়ে একটি কবিতা ছিল। সেটার পটভূমি নিয়ে যদি একটু বলতেন!

&#062;আমার কাছে চিরসবুজ, চির শান্তির দেশ প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। এ বাংলার গ্রামীন আবহ, মফস্বলের কথা, শহুরে ঢং কিংবা নাগরিক জীবন আমাকে শিখিয়েছে কিভাবে ভালবাসতে হয় দেশকে। এমনকি জীবনকে। ঐ যে বললাম,  সামাজিক ক্ষত! হ্যাঁ অনেকেই আছেন ভূমি কে তছরুপ করে চলছে। এতে সমাজের,  দেশের ক্ষতি না দেখে শুধু মাত্র নিজেদের পকেট ভারি করার জন্য ভূমির প্রতি আক্রোশ চালাচ্ছে সেই প্রেক্ষিতেই কবিতাটি লিখেছি।

&#062;আপনর দৃষ্টিকোণ দিয়ে শিল্প-সাহিত্য চর্চা সম্পর্কে জানতে চাই!

&#062;দেখুন শিল্প-সাহিত্য একটি জাতির এমন একটি উপাদান যা অগ্রসরমান প্রত্যেকটি জাতির জন্যেই গুরুত্বপূর্ণ। যার যত সমৃদ্ধ শিল্প-সাহিত্য তার তত বিকশিত জ্ঞান ভান্ডার। আমারা এমন একটি যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছি যে, সেখানে শিল্প-সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানের মিশেল। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই সোসাল মিডিয়া ভিত্তিক সাহিত্য চর্চা করছে সেগুলোর পক্ষে আমি নয়। না, আপনাকে এর বিরোধী হতে বলছিনা, বলছি শিল্প-সাহিত্য চর্চার মোক্ষম জায়গা হচ্ছে বই পড়া। পাশাপশি সোসাল মিডিয়া চলুক। বই পড়াকে অবমূল্যায়ন করে একটি জাতি তথা দেশ কখনো শিল্প-সাহিত্যে এগুতে পারবে না। আর দেশীয় ঐতিহ্য সমৃদ্ধ শিল্প সাংস্কৃতিক চর্চার দিকে মনোনিবেশ করতে বর্তমান প্রজন্মকে বলতে চাই, আপনার উদ্যেগেই সমৃদ্ধ হবে আমাদের শিল্প- সাহিত্যের চর্চা। সুতরাং বসে থাকলে চলবেনা। সময়ের দাবী সময় থাকতে পালন করতে হবে। (চলবে)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/39320/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Sep 2021 06:49:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একজন তরুণ কবি ও সমকালীন লেখকের একান্ত সাক্ষাৎকার</p>
<p>&gt;একজন তরুন কবি ও সমকালীন লেখক হিসেবে আপনার পথচলার শুরুটা কেমন ছিল?</p>
<p>&gt;প্রতিটা মানুষের জীবনের মত আমার পথ শুরুটা আরো আট দশটা জীবনের শুরুর মতোই। দৈন্যতা ছিল। আমি উপলব্ধি করি, যখন অনেক বাধা আসে তখন কখনোই নিজেকে উত্তজনায় ভাসাইতাম না। কিছু ধৈর্য্য খরচ করলেই যে বাধার অতিক্রম করা সম্ভব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-39320"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/39320/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bffaae1a70aea91886cc179703d06be1</guid>
				<title>আপনার মন কত বিচিত্র বিচিত্র তার চাওয়া!  কখনো এমন সমস্যায় পড়ড়েছেন যে আপনি মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না? না তার মানে এই নয় যে সবার মন সমান। ব্যক্তি ভেদে সকলের মনটাই ভিন্ন ভিন্ন। মনটা চায় কখনো কাঁদতে,  কখনো হাসতে, কখনো দুঃখ বোধ করতে, কখনোবা হেসে খেলে সময়টা পার করে দিতে। 

আপনি করছেন এক, মনটা চাইছে অন্যটা করতে। আপনি হাসছেন অথচ মনে কষ্টবোধ।  আপনি একজনের সাথে মিশছেন অথচ মনটা চাইছে তাকে দূরে সরিয়ে দিতে। যখন আপনি একাকিত্বে ভোগেন তখন মন চায় কোথাও ঘুরে আসতে, অথচ আপনি সেটা করছেন না কারন আপনার মনটাই আপনাকে নিষেধ করছে। 

আবার অনেক সময় মনের কথাগুলো অকপটে বলতে ইচ্ছে করে কিন্তু সেটা আপনি করতে পারেন না কারন মনই আপনাকে বাঁধা দিবে। চাইলে মনে মনে গান করতে পারেন, মনে মনে কাউকে ভালবাসতে পারেন, মনে মনে পরিকল্পনা করতে পারেন কিন্তু প্রকাশ করতে পারেন না! কেন এমনটা হয় সেটা মনই বলে দেয়, মনটাই জাজ করে আপনার কি রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার। মিলিয়ে দেখুন,  আপনি এই মুহূর্তে মনে মনে কি ভাবছেন! অথচ সেটা প্রকাশ করতে সংকোচ বোধ করছেন। না এটা করতে পারবেন,  মুখ ফুটে মনের কথাগুলো বলেই ফেলেছন। তবে পরক্ষণেই আপনি মনে মনে ভাবছেন,  না কথাটা না বললেও চলত! আফসোস!  আপনি এত আফসোস করেন কেন!  হ্যা এইটাই আপনার সমস্যা, যেটা ভাবছেন সেটা হলো এই সমস্যা নিজে থেকেই সমাধান করতে পারবেন। কিন্তু কখনো কি সমাধান পেয়েছেন? 

মনের নাকি রোগ ও আছে।  মনোরোগ। বিশাল বিশাল মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে পারেন যদি মনে করেন আপনার মনে রোগ আছে। এতেও সংকোচ কেননা আপনি যেটা করেছেন তা মন থেকেই করেছেন।  কথায় বলে, যা হয় ভালোর জন্যেই হয়।  মানে মনের দিক দিয়ে আপনি সুস্থ। সুস্থ সবল মন নিয়ে অনেক মনীষীরা অনেক আদেশ উপদেশ দিয়ে গেছেন, দিয়েও যাচ্ছেন। ওইসব কিছু মেনে নিতেও সমস্যা হচ্ছে না। তবুও আপনার মন বলছে অন্য কথা, আর মুখ ফুটে বলছেন আরেক কথা। আসলে মন একটা ক্রিটিকাল ডিসঅর্ডার,  যেটা কখনোই মুখ ফুটিয়ে বলা কথার সাথে মিলে না। আর মিলে গেলে সেটারও মধ্যে খটকা থেকে যায়। সেটা মনটাই বলে।

মনেরজোর,  মনে খটকা, মনযোগ, মনমালিন্য, মনস্থির কতই অভিব্যক্তি মনকে নিয়ে। অদৃশ্য এই মন নাকি নেওয়া দেওয়াও করা যায়। অথচ অনেক মন নেওয়া দেওয়া দীর্ঘ দিন পরেও মনটাই বলে দেয় ঘটনাতে ভুল আছে। মন বলছে ছাড়াছাড়ি হোক। হ্যা এটাই আমার মনটাও বলে।  মন থাকতে আপনি অন্যের মনকে কিভাবে জয় করবেন সেটা আপনার মনটাই বলবে। মন কি বলে সেটা বলে দেখুন সেটা যদি আপনি যাকে বলছেন সে মনে মনে বলবে ঠিক বলছেন তাহলে আপনাদের মধ্যে মনের মিল আছে।

মুখ ফুটে মনের কথা বলুন।  কেউ এতে অখুশি হতে পারে,  তবে এতে আপনার মনে শান্তি জিনিসটা চলে আসবে। যে শান্তিটা আপনি এতদিন ধরে খুজছেন।  আর মনের কথাটা মনেই গোপন রেখেছেন, তাহলে অন্যের খুশি দেখবেন কিন্তু তার মনে খটকা ঠিকই দিবেন। কারন তারতো মন আছে। মনকে শান্তনা দিন। 
মন খুলে হাসুন, কথা বলুন।  অন্যের মনকে বুঝুন।  কারন মন কখনো মিথ্যা বলেনা। তবুও বলি মন খুবই বিচিত্র। হোক বিচিত্র সমস্যা নাই, আপনার মন বলে কথা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/37472/</link>
				<pubDate>Wed, 22 Sep 2021 09:38:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আপনার মন কত বিচিত্র বিচিত্র তার চাওয়া!  কখনো এমন সমস্যায় পড়ড়েছেন যে আপনি মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না? না তার মানে এই নয় যে সবার মন সমান। ব্যক্তি ভেদে সকলের মনটাই ভিন্ন ভিন্ন। মনটা চায় কখনো কাঁদতে,  কখনো হাসতে, কখনো দুঃখ বোধ করতে, কখনোবা হেসে খেলে সময়টা পার করে দিতে। </p>
<p>আপনি করছেন এক, মনটা চাইছে অন্যটা করতে। আপনি হাসছেন অথচ মনে কষ্টবোধ।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-37472"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/37472/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">87cf3d019034a0d6620883d4a07959e8</guid>
				<title>অন্তর দোহনে পুড়ছে দেবলোক।

জীবনটাকে বিনোদিত করুন। নিঃস্বার্থভাবে পরিচালিত করুন। ব্যাবসায়ীক মনোভাব পরিহার করুন। নিশ্চিত জিতে যাবেন।

অনেক কাছে আসা দূরে সরে যাওয়ার জন্যই।

পছন্দ করা একটি অপরিসীম অভিব্যক্তি। ত্যাগ করা হৃদয়ে রক্ত ক্ষরন সমপর্যায়ের।

মানুষ যতই পিশাচের মত আচরণ করুক ; দিন শেষে সে অনুশোচনায় ভুগবেই। একটা সময় সেটা নরক যন্ত্রনায় পরিনত হবেই।

বিরক্ত হলে মন যা চায় তাই করুন।  রাখঢাক না করে চলে যান। মনের মধ্যে চাপ নিবেন না। কারন মনে চাপ নেওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক।

আপনি কি খন্ড খন্ড করে চান নাকি বিস্তারিতভাবে চান! আমার কাছে বিস্তারিত জানতে চাওয়া সহজ আর আপনার জন্য খন্ড খন্ড করে বুজা সহজ। সময়োপযোগী কোনটা??

আমি কারো উপর বিরক্ত নই। তবে আপনি কেন আমার উপর বিরক্ত হবেন! আমি কেনইবা অন্যদের চেয়ে  বেশি বিরক্তির পাত্র! আমিত আর অন্যগ্রহের এলিয়েন না যে অন্যরকম থাকি! নাকি?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/37119/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Sep 2021 18:08:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অন্তর দোহনে পুড়ছে দেবলোক।</p>
<p>জীবনটাকে বিনোদিত করুন। নিঃস্বার্থভাবে পরিচালিত করুন। ব্যাবসায়ীক মনোভাব পরিহার করুন। নিশ্চিত জিতে যাবেন।</p>
<p>অনেক কাছে আসা দূরে সরে যাওয়ার জন্যই।</p>
<p>পছন্দ করা একটি অপরিসীম অভিব্যক্তি। ত্যাগ করা হৃদয়ে রক্ত ক্ষরন সমপর্যায়ের।</p>
<p>মানুষ যতই পিশাচের মত আচরণ করুক ; দিন শেষে সে অনুশোচনায় ভুগবেই। একটা সময় সেটা নরক যন্ত্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-37119"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/37119/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bcfd6e50362c0b587300f8ab930bebf2</guid>
				<title>জীর্ণ কবিতা
...................

মন মাতাতে মনকে শুধাই,  
এ কেমন পাপিরাজ্জি!
তবে এক্ষুনি কেন নয়, 
রাত জাগানিয়া সাথী। 

অন্য কালে,  অন্য জীবন;
মধুর মত,  সর্ব কালীন  সর্বনাশী!

উঠোন জুড়ে আছে এখনো
শিশু কাল, 
মাতিয়ে রাখে চোখ বুজলেই!

যেখানে কৈশোর, 
সেখানে ভালবাসার উদ্দাম 
সেখানেই থাকে এই বর্তমান।

চিহ্ন গুলো এঁটে আছে,
নিদারুন সব গল্পে
অকারনে সব কবিতায়!

নষ্ট সব নষ্ট!
বদলে গেছে মন
বদলে যায় দিন।

টুং টাং শব্দ
আবার শুনুন!
আবেগে ভাসতে
চাইবে মন।

দিন ফুরোলে 
আসে চাপা কান্নার রাত!
রাত ফুরোলে
নতুন সূর্যের হাসি!

জীর্ণতা করেছে জয় মুখে হাসি
ঠিক কথা বলে দেখি
রাজ্যের দেরি।

২০/০৯/২০২১</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/36930/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Sep 2021 04:49:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীর্ণ কবিতা<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.</p>
<p>মন মাতাতে মনকে শুধাই,<br />
এ কেমন পাপিরাজ্জি!<br />
তবে এক্ষুনি কেন নয়,<br />
রাত জাগানিয়া সাথী। </p>
<p>অন্য কালে,  অন্য জীবন;<br />
মধুর মত,  সর্ব কালীন  সর্বনাশী!</p>
<p>উঠোন জুড়ে আছে এখনো<br />
শিশু কাল,<br />
মাতিয়ে রাখে চোখ বুজলেই!</p>
<p>যেখানে কৈশোর,<br />
সেখানে ভালবাসার উদ্দাম<br />
সেখানেই থাকে এই বর্তমান।</p>
<p>চিহ্ন গুলো এঁটে আছে,<br />
নিদারুন সব গল্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-36930"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/36930/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0e0ed15d510c1c74bb2767974016d88e</guid>
				<title>দাদাজানকে মনে পড়ে 
সালটা ছিল ২০১২, ফেব্রুয়ারী মাস। ফ্রানচাইজিজ ভিত্তিক ক্রিকেট লীগ  বিপিএল এর প্রথম আসরের মাঝামাঝি সময়। অলক কাপালির ফর্ম তখন তুঙ্গে ছিল। ব্যাট চালালেই কিছুনা কিছু ঘটত ডবলস,  চার নাহয় ওভার বাউন্ডারি। ক্লিনিকের রিসিপশনে বসে টিভিতে একাকি খেলা দেখছিলাম।  সাউন্ড মিউট করা ছিল।  রিসিপশনের মেয়েটি আরো আট দশটা রিশিপশনিস্ট মেয়েদের মতই। একটু চঞ্চল টাইপের।  রংঢং ভালো।  কিছুক্ষণ হলো বসে আছি,একটু আগে অসুস্থ দাদাকে কেবল একটা কেবিনের বন্দোবস্ত করে আসছি, সাথে করে যারা এসেছেন তারাই সব কিছু হ্যান্ডেল করছেন এই মুহূর্তে।  সুতরাং আমার ঝামেলা নাই। 
দোতলায় ছিল ক্লিনিকটি। দোতলা থেকে নামতাম চা-টা খাওয়ার জন্য। দুপুরের সময় লাঞ্চের ও সময় তখন। আমার ফোন বাজলো,  হ্যা উপরে আসতেছি।  ক্লিনিকের সাথে সকল রকমের ফরমাল চুক্তি পত্র করা শেষ, কিছুক্ষণের মধ্যেই ডাক্তার আসবে রোগীকে দেখবেন। কয়েকজন লাঞ্চের জন্য বেরিয়ে গেল বাকি আমরা কেবিনে অপেক্ষায় আছি ডাক্তারের!  ডাক্তার এসে অনেকগুলো টেষ্ট করতে দিল।  এবার পালা টেষ্টের জন্য বিভিন্ন রুমে নিয়ে যাওয়া!
রিপোর্ট দেখে ডাক্তার বলল, রোগীর সেরেব্রাল ম্যালেরিয়া ধরা পড়েছে। এই সমস্যা নাকি খুব রেয়ার। মৃত্যুর সম্ভাবনাই বেশি। আমরা কেউই বিচলিত নই। মৃত্যু শয্যাশায়ী রোগীর সাথে আমিই রয়ে গেলাম,  বাকিরা সবাই বাড়িতে ফিরে গেল। কেবিনে শুধু মৃত্যু শয্যাশায়ী দাদা আর আমি।  এভাবেই ঘুমিয়ে না ঘুমিয়ে কাটল পুরো একটি রাত। পরেরদিন সকালে দু একজন আসল রোগীর সাথে দেখা করতে কিন্তু সবাই আবার ফিরেও গেল।
ঐদিনগুলোর তৃতীয় দিন। ডাক্তার আরো একটা টেস্ট করতে দিলো। রোগীর সাথে শুধু আমিই। ক্লিনিকে কোনো ট্রলি ছিলনা। কাউন্টারে অনেক চেয়েছি,  দেয়নি। যাহোক সেদিন দাদাকে কোলে পাঞ্জা করে কেবিন থেকে টেষ্ট রুমে নিয়ে গেলাম, যথারীতি টেষ্টও হয়েছে একইভাবে কেবিনে ফিরি। দাদার সাথে কথা বলার মত অবস্থা নেই, যন্ত্রনায় কাতর কোন কথাই ভালভাবে বলতে পারত না। তবে দীর্ঘ নিঃশ্বাস নিত। আমি ভাবতে বাধ্য ৯০ বছরের এই লোকটা আমাকেই কি যেন বলতে চাইত। কিসের যেন আকুতি। দাদার চোখে জল, আমি যদিও সইতে পারি অনায়াসে। বড্ড বেশি ভালবাসত আমাকে। 
সপ্তাহ খানেকের মধ্যে দাদী সহ অনেকেই আসে ক্লিনিকে। দাদাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। সবাই কেমন জানি দুঃখের সাগরে ভাসসে। আর হবেনা!  বাড়িতেই নিয়ে যেতে হবে। এদিকে ডাক্তার ও একই সিদ্ধান্ত দিল।
ঠিক ৩০ দিন পর দাদা আমাদেরকে ছেড়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়। আমি তখন চট্টগ্রামে।  খবর শুনে ছুটে যাই বাড়িতে। দাদাকে শেষ বারের মত দেখতে। যেতে যেতে ভাবি, এই পৃথিবীর সব কিছুই মায়া। সব কিছু ছেড়ে চলে যেতে হবে সবাইকে।  এই নিয়তিকে মেনে নিয়েই সেদিন শ্মশানের স্ফুলিঙ্গে শুইয়ে দিয়ে স্বর্গ বাসী করলাম দাদাকে। 
অনেক বেশি মিস করি দাদা তোমাকে। যেখানেই থাক ভাল থেকো। আর আমাদের জন্য অনেক আশীর্বাদ করো।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/36666/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Sep 2021 05:10:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দাদাজানকে মনে পড়ে<br />
সালটা ছিল ২০১২, ফেব্রুয়ারী মাস। ফ্রানচাইজিজ ভিত্তিক ক্রিকেট লীগ  বিপিএল এর প্রথম আসরের মাঝামাঝি সময়। অলক কাপালির ফর্ম তখন তুঙ্গে ছিল। ব্যাট চালালেই কিছুনা কিছু ঘটত ডবলস,  চার নাহয় ওভার বাউন্ডারি। ক্লিনিকের রিসিপশনে বসে টিভিতে একাকি খেলা দেখছিলাম।  সাউন্ড মিউট করা ছিল।  রিসিপশনের মেয়েটি আরো আট দশটা রিশিপশনিস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-36666"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/36666/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ec19a2d8f217ea5b7e11def3a1f37fca</guid>
				<title>Tapan Debbarma and Sharbanam Gupta are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/36664/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Sep 2021 05:01:53 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">be8b0a2e1002ec132935cf41fd88d6f2</guid>
				<title>Tapan Debbarma and AdabenTatali are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/36663/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Sep 2021 05:01:45 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>