বৃক্ষ’র সাথে হাত মেলাই
একবিন্দু
প্রচলিত সামাজিক আন্তর্জাতিক ব্যবধান’র
ঘোল খেয়েছে
সাবাস দল’র পিপাসুরা
পিপাসার্ত’র তালিকায় ছিল
কেউ কেউ জাতি প্রধান
জ্ঞাতি প্রধান
ধ্যানমগ্নতার প্রয়োজন হয়
বৃক্ষতলায়
পাহাড়’র গুহায়
পর্বত’র চুড়ায়
সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে
সূর্যোদয় দেখতে দেখতে
বাতাস’র ওম কারিগর
মাটিগুলো গালিয়ে দেখে নেয়
পরমাণু বীজ আছে কীনা ওতে
আর কেউ কেউ বুঝতে পারে মাতৃত্ব’র জরায়ু
কান্না
শুধুই জলোচ্ছ্বাস হয়
শুধুই ঘূর্ণিপাক খায়
শুধুই শুধুই খোড়ল হয় গিরিগুহা জুড়ে
ছায়াহীন অন্ধকার
… একবিন্দু অালোর অাশায়
নিশ্চিত
নিশ্চিত সে দোযখে প্রথম হতো
নিশ্চিত সে বেহেস্তে প্রথম হতো
সময় পরিশেষে
অন্ধকার ‘র ভেতর আলোকজ্জ্বল..
সকাল হচ্ছে
সূর্যোদয়ে ঘাসেদের জন্যে মৃদু মৃদু জলরাশি
ছোট খাটো অলিগলি উল্লম্ফন করে রাস্তা
গজিয়ে ওঠে বাদিকে ডানদিকে এঁকে
বেঁকে
রক্ত বেগে বেগে ছুটে যায় রক্তে তাঁর
নেচে ওঠে মুহাম্মদ রাম’র গোপন ছায়ায়
দুগ্ধ ছানা রসমালাঈ…
হনুমান ছিল রাজভোগ’র
আড়ালে
দৃশ্যমান মহীরূহ’র ছায়ায় কৃষক বিশ্রামে
যায়
নিশ্চিত সে বেহেস্তেই প্রথম হতে চায়…
…হয়ে যায়
ফসল কেটে আটি বাঁধার পর
বৃক্ষ’র সাথে হাত মেলাই
বৃক্ষ’র সাথে হাত মেলাই বৃক্ষই বন্ধু
নীরবে সয়ে যায়
বৃক্ষ’র আঙুলে স্পর্শ জাগে
এক দুই তিন হাঁটি হাঁটি পা পা
কদম্ব ফুল’র ডাল কাগজি পাতার সুঘ্রাণ
সে অামার ভালোবাসায় মহিয়ান…
বৃক্ষ প্রেমিক এক হয় একটি মতে
স্বাধীন ভূখণ্ডে
স্বাধীন দাঁড়িয়ে
মানুষ পারি না স্বাধীন থাকতে
যতোই ছেঁটে দেই …বনসাই
আমায় দেয় সুনিশ্বাস
আমায় দেয় সুনিশ্বাস
সাগর …শুধুই সাগর
উড়ে যায় সী বার্ড সাগর’র বুকে যখোন
একাকীর বন্ধু আকাশ নক্ষত্র ফুল
সরলতাই বক্রতাকে চিনে নেয়
আর এইসব রঙ্গীন পাখিগুলো দেখে দেখে দিন কেটে যায়
পদতলে যে মাটি থাকে
পাথর কণা উগ্রে দেয়
ঢেউয়ে ঢেউয়ে সুবিশাল বালিয়াড়ি মিলিয়ে যায়
দূর দূরান্ত থেকে কত কত উঁচুনীচু গল্পে ভরা
প্রকৃতি এনে দেয় বিকৃতি ভোগ’র উপকরণ
মাত্র
ভোগ ভেগে যায়
নক্ষত্র ফুল চেয়ে থাকে মৃত্যর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত
বৈপরীত্ব বাড়ায় শুধুই বৈপরীত্ব বাড়ায়
আসলে সে পাখি নয় কোন পেঁচাও নয়
ভুলে ভালে চলে যায় গভীর রাত্রে
শুয়ে থাকে অনেক’র সাথে
মাতাল বেশ্যা জুয়াড়িদ’র সাথে
অবাক করার মতো কিছু না হলেও নব্য কবি বন্ধু
তৎপর
আগত নতুন নতুন ক্রিয়েটররা কবিতায় ছবি
আঁকায় মন দেয়
বিড়াল’র গলায় ঘণ্টাধ্বনি
ভালোবাসার টানে পৃথিবী নেচে গেয়ে হেঁটে যায়
ডোম’র বাড়ি
পোস্টমর্টেম করে ডাক্তার
…ডোম শুধু কেটেকুটে দেয়
সেলাই করে দেয়
সেলাই’র পূর্বে দেখে নেয়
মগজ’র ভেতর যতটুকু পলি কাদা
ঢুকেছিল
ভালোবাসা মুছে গিয়েছিল
শিৎকার ধ্বনি মুছে দিয়েছিল
নৌকাডুবি …সীমারেখা অথবা বানভাসি
অবাক করার মতো কিছু না হলেও
লকলকে লাউ’র ডগা পুঁই’র ডগা
মিথ্যে অভিমান করেছিল
বিড়াল’র গলায় ঘণ্টাধ্বনি বাজিয়েছিল
জাকজমকপূর্ণ দেহ’র সৌষ্ঠব
ওরা অবশেষে জেনে নিয়েছিল
ভোগ’র আল্পনায় খরচ হয় একটু বেশী
ক্ষতি পুষিয়ে নেয়
অন্য ধ্যান’র মাড়োয়ারি পুতুল
সেজেগুঁজে সান্ধ্য তারাকে করে
অভিবাদন…
![]()