Profile Photo

Md. Nur Alam (এইচ. এম নুর আলম)Offline

  • nuralam
  • হ্যাকিং সম্পর্কে জানুন

    ‘হ্যাকিং’ শেখা মানে এই নয় যে আপনি হ্যাকার হবেন, বরং আপনার মোবাইল, কম্পিউটার, কোম্পানির কম্পিউটার, ওয়েবসাইট যদি হ্যাকিংয়ের শিকার হয় তাহলে সেখান থেকে বাঁচিয়ে নিবেন। হ্যাকিং জানা থাকলে আপনি হ্যাকিং প্রতারণার শিকার হবেন না। বরং আপনি সব সময় নিরাপদ থাকতে পারবেন এবং আপনার মোবাইল, কম্পিউটারকে “সেফটি’’ তে রাখতে পারবেন। যাই হোক আমরা এখন ‘হ্যাকিং’ সংক্রান্ত আলোচনা করি।

    হ্যাকিং শব্দটা কীভাবে এলো?
    জানা যায়, ১৯৫০ থেকে ১৯৬০ এর দশকে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) এর ইঞ্জিনিয়াররা প্রথম হ্যাকিং শব্দটির প্রচলন করেন। এটি মূলত শুরু করা হয় মেইনফ্রেম কম্পিউটারের কোডিং ভাঙার জন্য এবং মজা করার জন্য। পরবর্তী সময়ে নীতিহীন হ্যাকাররা অসাধু উপায় অবলম্বন কনে ফোন হ্যাকিং এবং পরবর্তীকালে সব ধরণের ডিভাইস হ্যাকিং করা শুরু করে। বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি। যেটাতে নড়ে চড়ে উড়ে পুরো বাংলাদেশ।

    হ্যাকিং কী এবং এর প্রকারভেদ
    হ্যাকিং মানেই যে অপরাধ বা জঘন্য কিছু সেটা নয়। বরং অনুমতি ছাড়া অনুপ্রবেশ করে কারো ডেটা চুরি, অর্থ চাওয়া এবং মানুষকে বিপদে ফেরাই অপরাধ। বলা হয়, হ্যাকিং এমন প্রক্রিয়া যেখানে তথ্য বা ফাইল চুরি বা পরিবর্তন করার জন্য কেউ কোন বৈধ অনুমতি ছাড়া কোন কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা। English & Bengali Online Dictionary & Grammar এ বলা আছে, ‘হ্যাক’ মানে কাটা বা কোপানো। এছাড়াও বিনা অনুমতিতে কোন সুরক্ষিত কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ বা ব্যবহার করা। হ্যাকারদের চিন্হ সাধারণত ‘টুপি’ । এই ভিন্ন ধরণের টুপি পরার উপর ভিত্তি করে তাদেরকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

    ১। সাদা টুপি হ্যাকার
    ২। কালো টুপি হ্যকার
    ৩। ধূসর টুপি হ্যাকার।

    সাদা টুপি হ্যাকার: আগেই বলা হয়েছে সব হ্যাকাররাই খারাপ নয়। সাদা টুপির হ্যাকাররা মূলত নৈতিক হ্যাকার। এরা অপরের ক্ষতি করেনা। একজন সাদা টুপির হ্যাকার বিভিন্ন হ্যাকিংয়ের শিকার থেকে কম্পিউটার সিস্টেমকে রক্ষা করে এবং তার মালিককে হ্যাকিংকৃত বিষয়ে তথ্য জানায়।

    কালো টুপির হ্যাকার: এরাই মূলত আসল হ্যাকার নামে পরিচিত। হ্যাকার বলতে সাধারণত কালো টুপির হ্যাকারদেরকেই বেশি বোঝানো হয়।

    ধূসর টুপির হ্যাকার: এরা অনৈতিক। এদের নৈতিকতা সম্পর্কে অপরিস্কার। এদেরকে ‘দু-মুখো’ সাপও বলা হয়। এরা কোন সিস্টেমের ত্রুটি বের কওে তার মালিককে জানাতেও পারে আবার নিজের স্বার্থে ব্যবহারও করতে পারে। এছাড়াও বিশেষ কিছু হ্যাকার রয়েছে।

    অতএব, হ্যাকিং থেকে বাঁচতে অবশ্যই আপনাকে এ বিষয়ে জানতে হবে।

    14
    22 Comments
Skip to toolbar