-
শান্তা লজ (শেষ পর্ব)
– অয়ন আবদুল্লাহ
।।পলিথিনে মোড়ানো একটা শরীর বয়ে নিয়ে যাওয়া যে কি ভয়ানক ঝামেলার কাজ, হাড়ে হাড়ে টের পেলাম। দুজন মিলে অনেক কসরত করে উঠালাম লতার মরা দেহটাকে। হাত পিছলে যাচ্ছে, ঘেমে গলদঘর্ম হচ্ছি আমি। মেইনডোরের কাছে এসে একটা হোচট খেল সুলেমান মিয়া, তারপর পপাত চ…
আমার হাতও ফসকে গেল। লাশটা গিয়ে পড়লো প্রথম ল্যান্ডিং-এ। একটা গালি দিয়ে উঠলো সুলেমান। কাকে, সেটা বোঝা গেল না।
“কি হলো, সুলেমান! ব্যাথা পেলে নাকি?”
“না, বস, ঠিক আছি আমি। শালি কই গড়াইয়া গ্যালো?” সুলেমানের কণ্ঠে কিছুটা আতঙ্ক।
“বেশি দূরে যায়নি। ওঠো।”
সুলেমান উঠে দাঁড়ালো। আমি হাত বাড়াতে গেলে ও দেখেও ধরলো না। দুজন মিলে দাঁড়ালাম লাশের সামনে। ভক করে একটা বাজে গন্ধ আমার নাকে ধাক্কা মারলো। কাত হয়ে আছে লতা। পলিথিন ছিড়ে গিয়ে একটা হাত বেরিয়ে এসেছে। সেটা ভেতরে ঢোকাতে অনেক চেষ্টা করলো সুলেমান, লাভ হলো না। গা গুলিয়ে দেয়া গন্ধটা মাথার মধ্যে ধাক্কা মারছে অনবরত।
“আরেকটা মুড়ান দিমু নাকি, বস?” আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলো সুলেমান।
আমি ঘড়ি দেখলাম। নির্ধারিত শিডিউল থেকে আধ ঘণ্টা পিছিয়ে পড়েছি। মাথা নাড়ালাম, “দেরী হয়ে গেছে, সুলেমান মিয়া। সময় নেই। চলো, এভাবেই উঠাতে হবে এটাকে। এবার একটু সামলে, কেমন?”
আবারো উঠিয়ে নিলাম লতাকে। আরো একবার গলদঘর্ম হলাম আমি। কিন্তু এবার আর কিছুই ঘটলো না। ভ্যানর পেছনে শুইয়ে দিলাম লাশটা। তারপর দুজন উঠে বসলাম ড্রাইভিং সিটে।
হঠাৎ খেয়াল হলো, ঘরের ভেতরটা ভালোমত চেক করে দেখা হয়নি। কোথাও কোনো আলামত ফেলে আসলাম কি না… ধুর, আজ যে কী হয়েছে। সবকিছু গুবলেট হয়ে যাচ্ছে।
“সুলেমান, তুমি বসো। আমি একটু ভেতরটা চেক করে আসি। সমস্যা হবে তোমার?”
“কোন সমস্যা নাই বস। আপনে যান। আমি শালিকে পাহারা দিতেছি।”
এই দুর্যোগের রাতে একলা একটা লাশকে কার থেকে পাহারা দিবে, সেটা বুঝলাম না। তবে কোনো প্রশ্নও করলাম না। গেট পার হয়ে একটু দাঁড়ালাম। বৃষ্টি আরো কমেছে। ঝিরঝির করে পড়ছে এখন। মেঘও পাতলা হয়ে এসেছে। মেঘের গায়ে চাঁদের রূপালী আভাটা বেশ বোঝা যাচ্ছে। বাতাসের শনশনানি এখনও বন্ধ হয়নি। কেমন যেন একটা বিষণ্ণতা পেয়ে বসেছে শান্তা লজকে। ছমছম একটা ভাব জেঁকে বসল আমাকে। কিন্তু দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারি না আমি। যতই ভয় লাগুক, কর্তব্যের খাতিরে আমাকে ভেতরে ঢুকতেই হবে।
ল্যান্ডিং পেরিয়ে উঠে এলাম সদর দরজার সামনে। সেটা হাট করে খোলা। যাবার আগে অবশ্যই এটাকে বন্ধ করে দিয়ে যেতে হবে। আসার সময় ভ্যান থেকে টর্চটা নিয়ে এসেছি। কারণ যাবার সময় সব আলো নিভিয়ে যেতে হবে। টর্চটা জ্বালালাম। সিটিংরুমে ঢুকে খুব সাবধানে প্রত্যেকটা জিনিস খুটিয়ে খুটিয়ে দেখতে লাগলাম। ঠিক আছে- আপন মনেই মাথা ঝাকালাম। এগোলাম রিডিং রুমের দিকে। কিন্তু অর্ধেক পথ যেতেই একটা খুট করে আওয়াজ পেলাম। পই করে আলোটা ঘুরিয়ে নিলাম। আওয়াজটা এসেছে রান্নাঘর থেকে। কেমন যেন একটা শব্দ, ঠিক খুট খুট না- খট খট করে একটা আওয়াজ। কেউ যেন কিছু দিয়ে কাঠের মধ্যে বাড়ি দিচ্ছে।
এগিয়ে গেলাম পায়ে পায়ে। হাতের টর্চটা একহাতে, অন্যহাতে রিভলবার। এই লাইনে শত্রুর অভাব নেই। এমনও হতে পারে, ইস্কান্দারের পেছনে পুলিশের চর লেগে ছিল। একবার মনে হচ্ছে পালিয়ে যাই; আবার মনে হচ্ছে- না, এর একটা দফারফা না করাটা ঠিক হবে না। যদি কোনো টিকটিকি হয়, আজই শালার শেষ দিন।
রান্নাঘরে কোনো দরজা নেই। ওখানে যেতে হলে ডাইনিং রুমটা পার হতে হয়। আমার হাতের টর্চটা একটা চিকন আলো ফেলে আমাকে পথ দেখাচ্ছে। কিন্তু সামনের পুরোটা আলোকিত করতে পারছে না। হঠাৎ ঘাড়ের কাছে ফোঁস ফোঁস করে কে যেন নিঃশ্বাস ফেলল বলে মনে হলো। দাঁড়িয়ে গেলাম, দাঁড়িয়েই রইলাম ওভাবে টানা দশ সেকেণ্ড। মগজের ভেতর থেকে বেজে উঠলো বিপদ-সংকেত। কেউ একজন মনের ভেতর বলে উঠলো, পালিয়ে যা, ব্যাটা। খিচে দৌড় দে…
আলো ফেললাম রান্নাঘরে। কিচ্ছু নেই। চারপাশের দেয়ালে আলো ফেলে দেখলাম। কবাটগুলোও বাদ দিলাম না। সিঙ্কের নিচে, চুলার নিচে, ফ্রিজের পেছনদিকটায়… তন্ন তন্ন করে চেক করলাম। কিচ্ছু না, কেউ নেই এখানে।
পেছনে ফিরতেই মনে হলো যেন একটা কালো ছায়া সরে গেলো বাথরুমের দিকটায়। জুলপি দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে ভয়ের স্রোত। হাত দুটো কাপছে। স্থির হয়ে বসলাম ডাইনিং এর একটা চেয়ারে। মাথাটা ঠাণ্ডা করে রাখা দরকার। বেশি সময় নেয়া যাবে না। ভ্যানে অপেক্ষা করছে সুলেমান মিয়া।
হঠাৎ শাওয়ারে পানি পড়ার আওয়াজ পেলাম আমি। এবং সেটা বাথরুম থেকেই, যেদিকে ছায়াটা সরে গিয়েছিলো। আমি ভয় পেয়েছি- সত্যিই ভয় পেয়েছি। এই একটু আগেও তো এতো আওয়াজ পাইনি! কি যে হচ্ছে, কিছুই বুঝতে পারছি না।
বাথরুমের দিকে এগিয়ে গেলাম। মনে হচ্ছে কে যেন গুণ গুণ করে গান গাইছে ভেতরে। গানের সুরটা পরিচিত মনে হচ্ছে। কিন্তু কিছুতেই মনে পড়ছে না। হঠাৎ চিনতে পারলাম সুরটা। প্রায়ই এই গানটা গাইতো লতা- রবী ঠাকুর না কি যেন নাম, তার লেখা গান।
চাঁদের হাসি বাঁধ ভেঙ্গেছে,
উছলে পড়ে আলো
ও রজনীগন্ধ্যা তোমার গন্ধসুধা ঢালো……
ভয় পেলাম এবার, প্রচণ্ড ভয় পেলাম। ভয়ে হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে গেল আমার। লতার মতোই লাগছে গলাটা, তবে একটু চাপা, আর নাকিস্বর। আমি কী করবো ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। বাথরুমের দরজার কবাটে হাত দিতেই আওয়াজটা থেমে গেল। কে যেন একটা বিরক্তিসূচক আওয়াজ করে গানটা বন্ধ করে দিল্। আমি আস্তে আস্তে দরজাটা ফাঁক করলাম। ভেতরে কেউ নেই, আর শাওয়ারটাও চলছে না। পুরো বাথরুমটাই শুকনো আর খটখটে। ঘাড়ের কাছে কে যেন আবার একটা নিঃশ্বাস ফেললো। পই করে ঘুরে দাঁড়ালাম। কেউ নেই। এখান থেকে সামনের ডাইনিং রুমটা পর্যন্ত বিশাল একটা উপহাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আমার সামনে।
হ্যালুসিনেশন! হ্যাঁ, তাই হবে। এই ঝড়-বৃষ্টির রাতে পুরোনো এক পরিচিতার লাশের দায়িত্ব নিয়েছি, পরিচিত জায়গায়। হ্যালুসিনেশনে বিগড়ে যাচ্ছে তাই মাথাটা।
ড্রয়িংরুমে এসে আমি একটা কাঠের সোফায় বসলাম। মাথাটা একটু খাটানো দরকার।
“শান্ত হও, মাসুম।” নিজেকে নিজেই বলতে লাগলাম। “এখানে তুমি ছাড়া আর কেউ নেই। তুমি একজন ট্রেইনড মাস্তান। এইসব কাজ তোমার কাছে কিছুই না। ভুলে যাও, রিল্যাক্স। যা দেখছো, সবই ভ্রম, সবই মিথ্যে কল্পনা। এগুলোর অস্তিত্ব নেই।”
একটু শান্ত হলো মন। এখন ভয় কিছুটা কম লাগছে। উঠে দাঁড়ালাম। উপরের সব ঘর চেক করে, নিচে নেমে আসলাম আবার। আত্মবিশ্বাস একটু একটু করে ফিরে আসছে। এবার শেষ ঘরটা চেক করতে হবে, শেষবারের মতোন- যেখানে লতাকে হত্যা করে হয়েছে। মনে মনে একটা জোর নিঃশ্বাস নিয়ে এসে ঢুকলাম ঘরটাতে। আগের মতোই আছে ঘরটা। কিছুই পরিবর্তন হয়নি। এগিয়ে গেলাম জানালাটার দিকে। বাইরে তাকালাম। বৃষ্টি শেষ হয়ে গেছে। আকাশে চাঁদ উঠেছে। মেঘগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে দূরে সরে যাচ্ছে। খুব সুন্দর লাগছে দেখতে।
হঠাৎ আবার সেই অনুভূতি। মনে হচ্ছে পিছনে কেউ দাঁড়িয়ে আছে। ঘাড়ের কাছে ফোঁস ফোঁস নিঃশ্বাস ফেলছে কেউ। ঘাড়টা আস্তে আস্তে ঘোরালাম। কেউ নেই। আবার হ্যালুসিনেশনে পেয়ে বসেছে। খুব দ্রুত বের হওয়া দরকার এখান থেকে। আর বেশিক্ষণ থাকলে পাগল হয়ে যেতে হবে।
খাটের তলা থেকে শুরু করে আলমিরা, বুকশেলফ সব সার্চ করলাম। তারপর কাবার্টটা দেখে নিয়ে সিগারেট এশট্রেটা থেকে সব ছাই ফেলে দিয়ে জানালা দিয়ে ছুড়ে দিলাম বাইরে। কোথাও পড়ে ভেঙ্গে গেল- আওয়াজ পেলাম। এরপর শেষবার পুরো ঘরটা দেখে নিয়ে এগিয়ে গেলাম দরজার দিকে।
দরজাটা কি লাগিয়ে দিয়েছিলাম নাকি? কই, না তো! মনে হয় আপনা আপনিই লেগে গেছে। বাতাস এখন ঢুকছে না রুমটাতে। আমি দরজার নবে হাত দিয়ে ঘোরালাম। ঘুরলো ঠিকই, কিন্তু টান দিয়ে দেখলাম খুলছে না। অনেকবার টান দিলাম… নাহহ খুলছেই না কিছুতেই। একরত্তি পরিমাণ ফাক হলো না দরজাটা। যেন ওপাশে বিশাল একটা দানব হাত দিয়ে ধরে রেখেছে পাল্লাটা।
অনেক কসরত করলাম, অনেকভাবে চেষ্টা করলাম। নব ঘুরছে, কিন্তু দরজা খুলছে না। রুমের ভেতরে বাতাস নেই, গুমোট ভাপসা একটা পরিবেশ। ঘেমে গেছি আমি পুরোপুরি। একটা বাজে বোটকা লাশপচা গন্ধ পেলাম। কিন্তু গন্ধটার উৎস খুঁজে পেলাম না। মনে হলো, পুরো রুমেই ছড়িয়ে আছে গন্ধটা। আমি ধাক্কা দিলাম জোরে, গায়ের সর্বশক্তিতে। যারা আমাকে চেনে, তারা জানে এই ধাক্কায় আমি অনায়াসে একটা সেগুন কাঠের দরজাও ভেঙ্গে ফেলতে পারি। কিন্তু, এখন সেটা হচ্ছে না। কিছুতেই পারছি না আমি।
হঠাৎ একটা হাসির শব্দে আমি ঝট করে পেছনে তাকালাম। কিন্তু কাউকে দেখতে পেলাম না। অথচ হাসিটা এই ঘরেই হচ্ছে। মেয়েলি, খিলখিল হাসি। আস্তে আস্তে একটা ছায়া ফুটে উঠল জানালার পাশের দেয়ালে। হাসিটা বাড়ছে, তার সঙ্গে তাল দিয়ে নাচছে ছায়াটার শরীর। আস্তে আস্তে হাসিটা একঘেয়ে একটা কান্নায় রূপ নিলো। বিদঘুটে একটা ব্যাপার। আমি তখন আর আমার মধ্যে নেই। মাথা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। রিভলবারটা বের করে পরপর দুবার গুলি চালালাম ছায়াটা লক্ষ্য করে। ছায়াটা উধাও হয়ে গেল। আমি ধপ করে মাটিতে বসে গেলাম।
মাথাটা ভারী ভারী লাগছে। একটা সময় পর্যন্ত বুঝতেই পারলাম না আমি কোথায় আছি, কী করছি। তারপর খেয়াল হতেই উঠে দাঁড়ালাম। দরজার নব ধরে ঘোরালাম। এবারে কাজ হলো, দরজা খুলে গেল। টলমল করতে করতে আমি ঘরের বাইরে এলাম। ড্রইংরুমে এসে আশপাশটা দেখে নিয়ে সামনে আগালাম। নিজেকে উন্মাদশ্রেণীর একজন মানুষ বলে মনে হচ্ছে। হয় এতক্ষণ যা হয়েছে, সবই সত্যি। আর নাহলে আমি পাগল, বদ্ধ পাগল। কিন্তু না, চিন্তা যেহেতু এখনো গুলিয়ে যায়নি, পাগল হবার সম্ভাবনা নেই।
হঠাৎ মনে হলো, কেউ আমার নাম ধরে ডাকছে। অনেক অনেক দূর থেকে। বলছে, সাহায্য করো, মাসুম। আমাকে সাহায্য করো। বাঁচাও আমাকে এই শয়তানের হাত থেকে।
আবার হ্যালুসিনেশন! নাহহ… আর এখানে থাকবো না আমি। চলে যাবার জন্য পা বাড়িয়েছি, এমন সময় ফোনটা বেজে উঠল। ইস্কান্দার ফোন করেছে। ধরবো কি না ভাবছি। শেষ মুহূর্তে ধরলাম। কানে লাগাতেই ইস্কান্দার বললো, “আপনে কই?”
“আ…আমি শান্তা লজে।” বললাম আমি। গলার মধ্যে মনে হয় ব্যাং ঢুকেছে।
“এই, আপনে কখন গেছেন ঐখানে?”
“কখন মানে? সময় বলেছিলাম না তোমাকে!”
“সরি বস, আমার উপর রাগ কইরেন না। কাজটা খুব তাড়াতাড়ি করতে হইছে। ইমার্জেন্সি দেখা দিছিল শেষ মুহূর্তে। পার্টির হুকুমে আগেই কাজটা সারতে হইলো অন্য লোকরে দিয়া। সে একটু আগে রিপোর্ট দিছে। অল ক্লিয়ার।“
“তোমার মাথা কি খারাপ হয়ে গেল, ইস্কান্দার! আমি শান্তা লজে আছি। সুলেমান আছে বাইরে, ভ্যানে। ভ্যানের ভিতরে আছে লতার লাশ। আমি কাজ শেষ করে ফোন দিচ্ছি, অপেক্ষা করো।”
“বস…!!” ওপাশে ইস্কান্দারের অবাক কণ্ঠস্বর। সুলেমান তো আমার সঙ্গে। এইটা কি বলেন আপনি? আপনি শিওর শান্তা লজে আছেন?”
“কি বলছো, ইস্কান্দার!”
“সত্য কইতাছি বস। বিশ্বাস করেন। আপনার ফোনে বহুবার ট্রাই করছি, কল হয়, কিন্তু আপনি ধরেন না। আমি ভাবলাম, থাক টেকা নিছি আগে কাজ সারি পরে……”
ইস্কান্দারের কথা আমার কানে আর ঢুকছে না। মাথাটা আবার ভার ভার লাগছে। ভাবনাগুলো এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। গোল পাকিয়ে যাচ্ছে সবকিছু। দ্বিধা আর আতঙ্কে অসাড় হয়ে আসছে হাত পা।
এতক্ষণ ধরে আমি শান্তা লজে করেছিটা কী? বাইরের ভ্যানে কে বসে আছে? আর যেই ছায়াটা আমার কাঁধের পেছনে এখন ফোঁস ফোঁস দীর্ঘশ্বাস ফেলছে সেটা আসলে কী?
কে যেন আবার গানটা গাইছে-
চাঁদের হাসি বাঁধ ভেঙ্গেছে, উছলে পড়ে আলো……8 Comments
Friends
Iqbal-Ahmad
@iqbal-ahmad
প্রদীপ্ত লুব্ধক
@shawon-sarkar
Balai-Karmokar
@balai-karmokar
কাব্য রঙ
@mahbuba-hasin
Unaysah-Jannat
@unaysah-jannat
Al-Haj-Abdur-Rouf
@al-haj-abdur-rouf
Ilmu-Jahan
@ilmu-jahan
Shubha-Jit-Datta
@shubha-jit-datta
সাদিক আহমদ সিয়াম
@sdik-5



সুন্দর দীত্তঘ আখ্যান রচনার জন্য অভিনন্দন। ভালোথেকো। আরো লেখা পড়তে চাই।