-
দৃষ্টি (গল্পের অংশ বিশেষ)
মো: মাঈনউদ্দিনএমনি একটি গ্রামিন গেরুয়া-সোনালী রংয়ের রাস্তার উপরদিয়া নিলীমা বাহির হইলো। চাদনীরাত বাগানের হালকা অন্ধকারের দিকে তাকাইলে মনেহয় চাদের আলো আর অন্ধকার জোরাজুরি করিয়া রস্তাহইতে অন্ধকারকে জোর করিয়া ঢেলিয়া বাগানের সাথে চেপে রেখেছে আর তারি ফাকদিয়া নিলীমা হাটিয়া হাটিয়া জাইতেছে আর কিছু কিছু জায়গায় অন্ধকার আলোকে চাপিয়া রাখিয়াছে যার ছায়া নিলীমার গায়ে পরিতেছে। বহুবছর আগে আসিলেও এই গায়ের কয়েকজনের বাড়ি নিলীো চিনিত আর সেই সময়ের মতই রাস্তাঘাট অপবির্তীত রহিয়াছে তাই খুব সহজেই শাহজল কাকার বাড়ি পৌছিল। শাহাজল কাকা নাই সে মারাগিয়াছে আট দশ বছর হইলো কাকা ছাড়া আর কেউ নিলিমাকে চিনিতোনা। জিনু, রিনা, রিঙ্কু কেউ তাকে চিনেনা তবে পোশাক আসাক আর চেহারা দেখিয়া বুঝিয়াছিল যে সে হাওলাদার বাড়ির কেউ কারন এইরকম সম্ভ্রান্ত ছাপ এই গায়ে তাহাদের ছাড়া আর কারো ভিতরে পাওয়া যায়না। তরিঘরি করিয়া ঘড় হইতে চেয়ার আনিয়া দিল, সোকেস হইতে ফ্যান নামাইয়া দিল, আর সকলেই আর সকলেই অশ্চর্য ও ভিত হইয়া নানান রকম কয়ারি মূলক প্রশ্ন করিতে লাগিল। নিলিমা বিষয়টা বুঝিয়া তাহার পরিচয়ের সকল বৃত্তান্ত বলিল। অবশেষে সবাই চিনিয়া তাহার প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা আরো বহুগুনে বারিয়া গেল। খাবার দাবার অনেক কিছুর আয়োজন হইলো। অবশেষে এক এক করিয়া নিলিমা শাহাজল কাকুর বৌর কাছে এলাকার একশত জন মানুষের বৃত্তান্ত জানিল। আর কথাচ্ছলে অনুভবের ছলে কাহাকে যেন বুকের পিঞ্জরে ঢাকিয়া বিক্ষিপ্ত নয়নে তাহাকে দেখিবার চায় তাহার বৃত্তান্ত জানিবার চায়। কিন্তু নিলীমার এই গভির ইঙ্গিত বুঝিবার মত কেউ এখানে ছিলনা। অবশেষে জাইবার কালে চেক্কির মা বলিল অনেকের কথাইতো জানলেন রহমানের কথাদি জিগাইলেননা। নিলীমা অবাক হইলো সাথে রোমাঞ্চিতও হইলো পাশে ডাকিয়া নিয়া বলিল আপনি কেমনে জানেন দাদু। বিশ বছর আগে আমি শুধু একদিনের জন্য এই বাড়িতে আসিয়া ছিলাম আরতো আসিনাই। শুধু একটি বারের জন্য ওর সাথে আমার পরিচয় হইয়া ছিল ওকে আমি দেখেছিলাম আরতো দেখিনাই। ওকে আমি কিছু বলিনাই আমাকেও ও কিছু বলেনাই তাহলে আপনি কিভাবে বুঝলেন। ভালোবাসায় ভরা টইটুম্বুর ভারি আর আবেগপুর্ন কাদো কাদো গলায় জিজ্ঞাসা করে ও এখন কোথায়? ব্যকুলের মত একের পর এক ওর বৃত্তান্ত জানিতে চায়। বিশ্বাষ করেন এই বিষটি বছর আমি ওকে দেখিনাই কিন্তু ওর ঐদৃষ্টিখানি এতটা স্পষ্ট দেখিতে পাই ওর চোখের কোথায় কোন শিরাগুলো কিভাবে দেখেছিলাম তা মাইক্রোসস্পোপের মত বিবর্ধিত স্পষ্ট ক্রিষ্টাল ক্লিয়ার দেখতে পাচ্ছি। আমার পঞ্চিইদ্রিয় অবগুন্ঠিত করিয়া রহমানের হৃদয়ভারাবনত দৃষ্টিখানি সকল কালেরকিট হইতে ওভালের মত সংরক্ষিত ও পবিত্র রাখিয়াছে আমাকে। আমার চোখে ও আমাকে পাইয়াছেকিনা জানিনা কিন্তু ওর চোখে আমি আমাকে পাইয়াছিলাম। আমি ওর চোখে আমার মৃত্যু দেখেছি আমার সারাজীবনের সুখ দেখেছি, স্বগের অমরত্ক দেখেছি। ওর সহজ স্বরল অমল মনের তৃপ্তি আমি পেতেচাই, এই একটি দৃষ্টিতে ও আমার মাঝে যা খুজেছিল আমি ওকে তার সব দিতেচাই।
(সংখেপিত)3 Comments
Friends
রাহুল চন্দ্র দাস
@rahulchandradas13011994gmail-com
আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির
@anwar-parvez-nur-shishir
আব্দুল মজিদ মারুফ
@abdulmojid
মোঃ আরিফুল ইসলাম
@ammouriful
স্মৃতি রানী রত্না
@srratna1990
Shahana-Shirin-Sultana
@shahana-shirin-sultana
Shibly Ahmed Mozumder
@shiblyahmedmozumder
মালিহা নামলাহ
@malihanamlah
Tasmeen laila
@tasmeen-laila86


কবি আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই