Profile Photo

Prithula ZamanOffline

  • prithula
  • Profile picture of Prithula Zaman

    Prithula Zaman

    9 months, 1 week ago

    ফ্যাক্ট ইজ মেয়েদের কোন বাড়ী তো দূরের কথা নিজস্ব কোন ঘরই থাকে না। বাবার বাড়ীতে ভাই-বোনের সাথে শেয়ার, বিয়ের পর জামাইয়ের সাথে শেয়ার। যে ঘর নিজের বলে জানতেন বিয়ের পর প্রথমবার বাবার বাড়ি এসে দেখবেন সে ঘরের মালিকানা বদলে গেছে। যে বাসায় আলমারি ভরে নিজের জামা-কাপড় ছড়িয়ে রাখতেন, সেখানে একটা ব্যাগ নিয়ে আসবেন এবং তখন সেটাই আপনার আলমারি। ঐ যে বলে না কোন স্থানই শূণ্য থাকে না। তাই আলমারিটাও ভরে যায়। ফাঁকা থাকে না। জামাইয়ের বাড়ীতে একখানা রুম বরাদ্দ পাওয়া যায় কিন্তু সেখানে আপনি নিজের ইচ্ছা মত কিছু করতে পারবে না। আপনি ভাবলেন রাতে শোওয়ার আগে বই পড়বেন,গান শুনবেন, বা নিজের কিছু করবেন সেটা করাটা নির্ভর করবে আপনার স্বামী সেটা এলাউ করছে কী না তার ওপর! তাকে বিরক্ত করে তো আর কিছু করা যাবে না। ব্যতিক্রম নেই সেটা বলছি না।তবে অধিকাংশ মধ্যবিত্ত পরিবারের চিত্র এটাই।
    এখন কেউ বইলেন না মেয়েদের স্বাবলম্বী হয়ে নিজের জন্য একটা বাড়ি বানায় ফেলতে হবে! সেটা অধিকাংশের জন্যই সম্ভব না। আর সে দায়টা শুধু মেয়েটার ওপর বর্তায় না৷

    41
    25 Comments
    • নারী তুমি কার চৈত্যনের চেতনা নাকি আবর্জনার আঁধার। আসলে নারী প্রচ্ছদ। অতি দরকারি কিন্তু খুব সহজেই অপসারণ করা যায়।

      • নারী নাড়ির টানে এই জগৎ সংসার বেধে রাখে। সামন্ততান্ত্রিক এই সমাজ ব্যবস্থা তা স্বীকার করতে চায় না অথবা স্বীকার করতে ভয় পায়।

    • নারীদের অবস্থানকে স্বীকৃতি দেওয়া ও সম্মান করা জরুরি। রাসূল (সঃ) বলেছেন;
      “শুধুমাত্র সম্মানিত লোকেরাই নারীদের প্রতি সম্মানজনক আচরণ করে, আর যারা অসম্মানিত, নারীদের প্রতি তাদের আচরণও হয় অসম্মানজনক” (তিরমিজি)

      • সত্যিকারের ইসলামী মূল্যবোধের চর্চা থাকলে নারীর মর্যাদা সুসংহত হতো। হাদীসের রেফারেন্সসহ বিষয়টি তুলে ধরার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন।

    • অসাধারন লিখা। শুভকামনা রইল।
      “নিজেকে যতই ভেঙে চুরে
      যতনে সাজাই বাড়ি,
      দিনশেষে আমি একজন নারী
      এঘর ওঘর যে ঘরেই করি জীবন যাপন
      কোনও ঘরই হয়না নারীর আপন।”

      • আপনার চমৎকার লাইনগুলো আমাকে অনুপ্রাণিত করে। শুভকামনা জানবেন।

    • মেয়েরা অনেক ঘরের মালিক। তবে দরকার অভিযোজন ক্ষমতা।

    • নির্মম সত্য এবং বাস্তবতা…🤔

    • বাস্তবতাটা এখন পর্যন্ত এমনই। তবে নারীরা পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালন আবার স্বাধীনতা প্রাপ্তি দুটোই একসাথে চায় যা প্রায় অসম্ভব। প্রতিটা নারী যখন বুঝবে সে আগে মানুষ তারপর নারী তখন তার স্বাধীনতা ও সম্মানবোধ পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারবে। পুরুষরাও সম্মান দিতে বাধ্য হবে। সম্পত্তিতে সম অধিকার থাকবে। যদিও অনেকে মনে করেন বা বলেন যে, নারীরা স্বাবলম্বী হওয়া মানে সে খারাপ হয়ে যাওয়া, পরকীয়ায় আসক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়া, স্বামী সন্তানকে গুরুত্ব না দেয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। এই নোংরা মানসিকতা সমাজে যতদিন থাকবে ততদিন নারীদের এগিয়ে যাওয়া সত্যিই কঠিন। তারা এটা কেন দেখে না, একজন পুরুষ স্বাধীন, পরিবার নিয়ন্ত্রণকারী ক্ষমতাবান হয়ে কি বউ বাচ্চাদের ভুলে যাচ্ছে? আপ্রাণ দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করে কি যাচ্ছে না? তাহলে একজন নারী স্বাবলম্বী হলেই কেন সে খারাপ হয়ে যাবে বা সংসারের প্রতি উদাসিন হয়ে যাবে? আসলে বলতে গেলে অনেক কথাই চলে আসে, কিন্তু এইসব বহাস এখন আর ভালো লাগে না। নারী পুরুষ সমান অধিকার ও সম্মানে প্রতিষ্ঠিত হোক এখন শুধু এটাই কামনা করি। আপনার লেখাটা পড়ে ভালো লাগলো তাই এতকিছু লিখে ফেললাম, ক্ষমা করবেন প্লিজ।

    • আমার ইচ্ছে আমার বাসায় আমার আহলিয়ার জন্য আলাদা একটা ঘর বরাদ্দ থাকবে, সেখানে থাকবে পিসি, অনেক অনেক বই, ঘরের রংটা হবে তার ইচ্ছেমত, ওইখানে সে অনুমতি দিলে আমি আসবো, আমার এইটা উপহার দিতে ইচ্ছে হয়েছে কারণ জীবনের কিছু কিছু সময় আমার নিজেরও এমন একা থাকতে ইচ্ছে করে, তো কারও সাথে পুরোটা দিন একটা ঘর শেয়ার করা ছাড়াও একাকী সময় কাটাতে ইচ্ছে হতে পারে মানুষের আমার ধারণা এমন আর কি! এইজন্যই এমন চিন্তাটা…

    • আপনার বলার ভঙ্গিটা খুব সাবলীল। শুরুটাই সুন্দর! শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটানা পড়ে ফেলা যায়। এরকম আরো লেখা পড়তে ইচ্ছা করছে।

    • বাস্তব প্রকাশ।

    • পদ্মা নদীতে কত ঢেউ গেল জীবনে কত কেউ এল বিচ্ছেদের দীর্ঘতরা তবু রয়েছে পরম্পরা

    • বিশ্বাসের প্রতিটি অণু

    • পদ্মা নদীতে কত ঢেউ গেল এ জীবনে কত কেউ এলো বিচ্ছেদের দীর্ঘ ধারা রয়েছে পরম্পরা

    • আপনার নতুন লেখা পড়তে ইচ্ছে করছে।

    • বাস্তব জীবনের অন্তর্নিহিত বেদনা।

Skip to toolbar