Profile Photo

মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফাOffline

  • muhammadullahbinmostofa
  • আই ডোন্ট হ্যাভ অ্যা প্ল্যান
    — মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা

    আমার কোনো প্ল্যান নেই—
    আমি শুধু দেখি, চারপাশে ধেয়ে আসা অন্ধকারের ছায়া।
    শিশুদের নিষ্পাপ চোখে ভয়,
    মানুষরূপী জানোয়ারদের থাবায়
    হুমকিগ্রস্ত প্রতিটি শৈশব।
    আমাকে একটা প্ল্যান দিন না, ভাই—
    কীভাবে নিরাপদ করব এই ছোট্ট আলোগুলোকে?
    কীভাবে ওদের মুখে আবার ফুটিয়ে তুলব নিশ্চিন্ত হাসি?
    আমার বোনদের, নারীদের আর্তনাদ
    বাতাসে বাতাসে ভারী হয়ে উঠছে।
    ধর্ষণের এই ভয়াবহ মহাযজ্ঞ,
    এই পৈশাচিক উন্মাদনা—
    কীভাবে থামানো যায় একে?
    নারীর সম্মান আর নিরাপত্তার জন্য
    আপনাদের কি কোনো শক্ত প্ল্যান নেই?
    আইনের শাসন কি তবে কেবলই বইয়ের পাতা?
    আইন কেন রুখে দাঁড়ায় না এই অন্যায়ের সামনে?
    আমাকে একটা স্পষ্ট প্ল্যান দিন,
    কীভাবে বন্ধ করা যায় এই খুন, ছিনতাই আর সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য?
    কীভাবে ফিরে আসবে শান্ত ও নিরাপদ কোনো সকাল?
    দেশের তরুণদের হতাশা আমায় কুঁড়ে কুঁড়ে খায়,
    কর্মসংস্থানের এই ঘোর সংকট,
    দিশেহারা হাজারো স্বপ্ন—
    তাদের জন্য কি কোনো সুস্পষ্ট পথ নকশা থাকবে না?
    দেশের এই বিশৃঙ্খলা, অস্থিরতা আর অরাজকতা দেখে
    আমি আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারি না।
    আমার বুক ফেটে যায়, আমার চিন্তারা এলোমেলো হয়ে যায়।
    আমাকে একটি প্ল্যান দিন—
    একটি সঠিক, সত্য ও সাহসী প্ল্যান,
    যা দেখে অন্তত বিশ্বাস করতে পারি,
    সব অন্ধকার পেরিয়ে আমাদের দেশটা আবার শান্ত হবে।

    ১০ অক্টোবর ২০২৬

    2
    4 Comments

মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফা

কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলা সাহিত্য আন্দোলন

নামের মাঝেই যেন মিশে আছে এক গভীর মগ্নতা আর সুদূরপ্রসারী সংকল্প। তাঁর জন্ম সুনামগঞ্জের ছাতকের জল-হাওয়ায়, যেখানে প্রকৃতি আর মানুষের জীবন সমান্তরালে বহমান। সেখান থেকেই তিনি কুড়িয়ে নিয়েছেন শব্দের কারুকাজ, যা আজ বাংলা সাহিত্যে এক ভিন্ন সুর তুলে ধরছে। তিনি কেবল একজন লেখক নন, বরং 'বাংলা সাহিত্য আন্দোলন'-এর রূপকার এবং 'কলমকার' ম্যাগাজিনের সম্পাদক হিসেবে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন সাহিত্যের একনিষ্ঠ সেবায়। তাঁর কলম কখনো শান্ত নদীর মতো বয়ে চলে হৃদয়ের গহীনে, আবার কখনো গর্জে ওঠে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রখর চেতনার মশাল হয়ে। তিনি সেই বিরল ঘরানার শব্দশিল্পী, যিনি শব্দকে সাজান অস্তিত্বের তাগিদে। তাঁর কাছে লেখা মানে শুধু কাগজ ভরানো নয়, বরং প্রতিটি অক্ষর যেন তাঁরই একেকটি নিঃশ্বাস। লেখার মাধ্যমেই তিনি খুঁজে ফেরেন মানুষের জীবনের মানে, প্রেম আর দ্রোহের এক অপূর্ব মেলবন্ধন। মুহাম্মদুল্লাহ বিন মোস্তফার কাছে সাহিত্য হলো সময়ের জীবন্ত দলিল। তাঁর প্রতিটি লেখায় ফুটে ওঠে সমাজ, সংস্কৃতি আর মানুষের আত্মার প্রতিচ্ছবি। তিনি বিশ্বাস করেন, কলমের প্রতিটি আঁচড় একেকটি বিপ্লব আর প্রতিটি পঙ্ক্তি মানুষের মুক্তির একেকটি মন্ত্র। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থগুলো-'বিজয়ের সেই গান' (২০২২), 'ডাক দিয়েছি তোমাকে' (২০২৪) এবং 'আজাদির কবিতা' (২০২৫)-পাঠকের মনে সেই গভীর উপলব্ধিরই জন্ম দেয়।

Skip to toolbar