-
মীর্জা গালিব” কাল
থেকে আমি এখনকার
প্রেম পুরুষ ” !
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
মোঃ মনিরুজ্জামান খানস্বপ্ন না দেখেও মীর্জা গালিব” আমার প্রেম পূরুষ!
নারী”র প্রেমে পড়ে নিজে কীভাবে দেউলিয়া শেষ
হতে পারে জলজ্যান্ত সাক্ষর রেখেছিল সরাইখানায়,
সরাইখানা থেকে সরাইখানায় বসে সুরা পান করে
করে সাকী বুকে জড়িয়ে প্রিয়ার শোকাবহের ঘোরে
ঘোর কাটানোর উদাসে তালে তালে বেতাল ঘুরেছে!
আগ্রা’র অলিতে গলিতে গালিব সুরভিত প্রেমে মত্ত যেভাবে থেকেছে,
গালিবের সেই সুরা অন্ধ হৃদয়ে আমি না করেছি পান বিবর্ণ চিত্তে,
না তোমার স্মৃতি লোপে যন্ত্রণাদগ্ধ দুচোখে জলীয় বাষ্প দেখেছি উড়তে!
ফিরিয়ে দেয়া পথ হতে ঘুরপাক খেয়ে না খেয়ে হেঁটেছি
তোমার সদর দুয়ারে,
সে এক বিভিষীকাময় ফুটন্ত কয়লা খনি পা”দুটো
পিছনে টেনে ধরে।
তোমার পরিকল্পিত কুহকী ভালোবাসা বোধের বাইরে এতোটা
কীভাবে ছিল,আমি অবুঝের মতো না বুঝে তুলে
দিয়েছি হৃদয়টা !
গভীরতার যেটুকু সীমা থাকা উচিৎ, সীমালঙ্ঘন করে প্রকটিত হয়েছি আমি।
নিজকে নিশ্চিহ্ন করবার প্রয়াসে প্রাণান্তকর ছুটেছি
তায় হবো কী বিপথগামী ?
ভালবাসা সে এক প্রণয়ের অমর কাব্য,” রব ” ইচ্ছা
করলেই আমাতে মিশিয়ে দিতে পারে তোমার সদিচ্ছা।
প্রচন্ড শব্দে হতে পারে তোমার হৃদয় দিখন্ডিত সেখানে আমি অমলিন,
মানুষের মন নিয়ে হলুদহারা এপিটাফে একা ঘুমিয়ে
চিত্রকর জামান !
মিশ্রবর্ণ থরেবিথরে অপূর্ণতার প্রলেপে শেষকৃত্যের ছবি
নীলকান্তমণি চাঁদ।
ঝরে পড়ে নীল জ্যোৎস্না, অভূতপূর্ব! অলৌকিক!
একটানা নীলের বিষাদ !5 Comments-
মীর্জা আসাদুল্লাহ্ খাঁ গালিব(1797-1869)
উর্দু ভাষার দুরূহতম এবং সুক্ষ্মতম কবি ছিলেন।
তাঁর সময়কালে গালিব”কে বলা যায় আত্মীকেন্দ্রিক কবি। অভিমানী কবি। অহংকারী
কবি। প্রেমের কবি। ঈশ্বরভাবনায় কবি। নিজেকে নিয়ে কৌতুক রসেও শের লিখতে সংকোচ করেননি। ” ঈশ্বর” এর সাথে তাঁর নিদারুণ অভিমান ছিল। এবং তাঁর বেশিরভাগ সময়ই খুব একটা ভাল যায়নি। ভাল যতটুকু
ছিলেন সে শুধু নিজের কবিত্বের দৌলতে।
কিশোর বয়সেই গালিবকে বিয়ে দেয়া হয়ে।
পরে দিল্লীর এক তাওয়াইফ এর প্রেমে পরে।
সেই প্রেমেও আসাদ খাঁ সফল ছিলেন না নিজের উদাসীনতার জন্য। গালিবের এই উদাসীনতা সহ্য করতে না পেরে প্রেমিকার মৃত্যু
হয়। এই তাওয়াইফের মৃত্যুতে গালিব নিজের
উদাসীনতাকেই দায়ী করে। আর সে কারণে
বেশ কিছুদিন নিজেকে উদভ্রান্ত উদাস রেখে বেশ কিছু কবিতা লিখে। আবার কিছু দিন যেতে না যেতেই আগের গালিব। স্বভাবসুলভ
কবির দাম্ভিকতা, সহজ সরল কৌতুকরসবোধে
নিজেকে যাহির করেছেন। মৃত্যুর আগেও গালিব” ” ঈশ্বর” এর সাথে নিজেকে নিয়ে
অনেক অভিমান অভিযোগ করেছেন এবং
এবং নিজের অপকর্মের দোষ স্বীকারপূর্বক
গালিব” বলেছিলেন…. এখন যদি কয়েকদিন
নামাজ সহ পূণের কাজ করলেও পাপের কী
প্রতিবিধান হবে ?
১৮৬৯ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি মৃত্যু এসে সব লাঞ্চনা, সব দৈন্য এবং সব শারীরিক যন্ত্রণার
অবসান ঘটিয়ে গালিব” কে মুক্ত করে।
অশেষ ধন্যবাদ অভিমানী মন। আপনার জন্য
অফুরান শুভকামনা।
Md.Monyruzzaman Khan

Md.Monyruzzaman Khan
- লিখতে ভীষণ ভাল লাগে।কিন্তু কিছুই জানি না।প্রিয় বই লোটা কম্বল! কাশ ও শিমুল ফুল প্রিয়। আরো প্রিয় রঙের হলুদ শর্ষে ফুল। প্রিয় লেখক স্যার হুমায়ুন আহমেদ। চিঠি লেখা আমার প্রিয় মাধ্যম। ভালবাসাবাসিও আমাকে দ্বীপ্ত করে। প্রেম অন্য রকমের আকর্ষণ করে, ব্যাপারটি অজানা। জ্যোৎস্না সবসময়ই আলোকিত রাখে আমাকে।
" বোকা জামান এবং অধরা জলপরীর কাব্যনামা" শিরোনামে একক কাব্যগ্রন্থ বের করার স্বপ্ন দেখছি। আমার লেখা ও সুরে দুটি গান সঙ্গীতা মিউজিক রিলিজ করেছে। গান লিখতে বেশি সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। যদিও লিরিক্স লেখা অনেক জটিল কাজ মনে হয়।
তুলট" পরিবারের সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং অফুরান ভালোবাসা। জয়তু তুলট পরিবার"!
Friends
শায়েরুল ইসলাম
@shaerulislam
Ekhtiar Uddin
@ekhtiar2003
Abu Said Vuia
@shahadatur-rahman-sohel
রিফায়াত নিগার
@refayat-nigar
শরীফ এমদাদ হোসেন
@sharif-emdad-hossain
Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ]
@md-zaker-hayat-khan
Jannatun Nur
@jannatun-nur
আজীমি
@azeemi
AdabenTatali
@adabentatali


উর্দু কবি গালিব ছিলেন মানবতার ফেরিওয়ালা।