Profile Photo

মো.সালমানুর রহমান দুর্জয় (MSR DURJOY)Offline

  • DURJOY123@
  • ★ বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আমার স্বরচিত একটি কবিতা। 😩😥

    এত ক্রান্তি ক্ষণ?
    ———————-
    ★ মোঃ সালমানুর রহমান দুর্জয়★

    ওহে ধারতীবাসী কর তবে কর্ণপাত,
    কালে কালে কতজন চাহিছে মোরে করিতে কৃপাণাঘাত ।

    আমি যোগমায়া সরলীনী,
    কভু আবির্ভাব ঘটেছে মোর
    রূপ তব মহা বিনাশীনী।

    মম লক্ষ আত্নজের রক্ত,
    করিছে মোর বক্ষ শক্ত।

    মো ধ্বংসাত্মক রূপে বিনাশ করিছি মোর অরি,
    তারা বড় অত্যাচারি।

    আমিই তো সেই ভারত মাতার চারু দুহিতা বঙ্গ,
    সলিলে সিক্ত যাহার অঙ্গ।

    মোর শিশির ভেজা কেশ
    চোখে আছে পাস্তা তন্দ্রাবেশ।

    মোর বক্ষ ক্ষিতিতে ব্যাঘ্র ছাপ,
    অত্যাচারীর পদাঘাতে ছড়ায় তাহার তাপ।

    মম ঘুঙুর তব পুথির বাঁধনী
    আজি পরিপার্শ্বে;
    ছিড়িয়া পুঁথি পড়ে ছড়াইয়া গেল তাহার ধ্বনি।

    মোর শিঞ্জিনী ধ্বনির তরঙ্গ,
    জনম দিল শত বিহঙ্গ।

    সতত তাহার কলতানে
    অশ্রুবারি গড়িয়ে পড়ে,
    বড় সুখের অভিমানে।

    হে বঙ্গা তোমার আজি এত ভৈরবী রূপ,

    কভু আমফান, সিডর, আইলা
    তেজে পুড়িয়া দিয়াছ শাকপাতা নাইলা।

    কী দিয়া আহার করিব মোরা?
    এই রুদ্রশ্রীতে ও মা মমতা মাখা
    ভাষায় বলে-

    বাছা! কাঁদিসনে তোরা।

    বিশাখা, জ্যৈাষ্ঠার তাপময়ী গ্রীষ্ম
    এত তাপ তোমার কখনোই ছিল না
    , এভাবে করে দেয় মোদের নিঃস্ব?

    এই তাপে ঝঙ্গার বরফ গলিয়া
    পূর্ণ হয় বঙ্গপো

    তাহার নীরে ভিজিয়া যাইবে কী তোমার আঁচল?

    মাটি ফাটিয়া টানিয়া গিয়াছ,
    তোমার তৃষ্ণা মিটানো দুগ্ধ
    কীভাবে হইবে তোমার লতাপাতা স্নিগ্ধ?

    এত পরিবর্তন?
    কেন স্থির হচ্ছে ঋতুর আবর্তন।

    কেন ক্রমধারা নেই আজ
    কেন পড়িবে শীতলতায় ও মেঘের তাজ।

    মা বলে, বারিধারায় মম তৃশায় কাতর দিল্ ( দিল্ অর্থ হৃদয় বোঝানো হয়েছে)
    অদ্য বোঝাইবার তরে নাহি বুঝি পাহিলাম বিল্ (বিল্ অর্থ অবকাশ / সময় বোঝানো হয়েছে)

    হে! কপটচারীনী-

    কত মমতায় স্নেহের আধলে বাঁধিয়াছি,
    তোর কোলে মোর ধাম
    কেন রাক্ষসীবেশে টানিয়া নেশ নিজ মাম। ( মাম মানে পানি বোঝানো হয়েছে। বাচ্চারা এ শব্দটি বেশি ব্যবহার করে)

    মোদের চির চিরায়িত বিজন নগর তব কত বিচিত্র প্রাণ
    নাহি বুঝি বাজিল আর তাহাদের গান।

    আজ অপূর্ণ সুন্দরী
    হায়!আফসোস! বড় ক্রন্দনে মরি

    অতিশয় মন্থনে উঠিত কালকূট বিষ
    বহুযন্ত্রের যাঁতাকলে আজি অমলসমীর হইল কৃষ (. কৃষ মানে কালো বা দূষিত অর্থে ব্যবহৃত করা হয়েছে)

    হে! বৎস শ্রবণ কর মোরে-
    আজি মো হইলাম হতশ্রী,
    ভাবিয়া দেখ উত্তর নাহি দূরে।

    মোর এত ক্রান্তিক্ষণ
    ঘটাইছে তোমাদেরই মন।

    কেন মোর মুখশ্রী
    হইল আজি এত বিশ্রী।

    অটবির পত্রশ্রেণি কেন কাটিছ এত?
    পারিবে কি সইতে তাহার গ্লানি।
    রুখ! রুখ! রুখ
    নচেৎ কল্যকারে পাবি বড় দুঃখ।

    1 Share
    14
    9 Comments
Skip to toolbar