Profile Photo

নূরুল আমিন সোহাগOffline

  • Aniketprantor
  • ভাবনা

    অনিকেত প্রান্তর

    ইট পাথরের ঘর আমার ।
    কংক্রিটের চার দেয়াল ,
    বল্লাম বন্ধু হবে ।
    তাচ্ছিল্যের সাথে তারা বল্লো ,
    জড় পদার্থের সাথে আমরা বন্ধুত্ব করি না ।।

    👀👀

    3
    4 Comments
    • জড় ইটপাথরের শহরে মানুষই যখন অচেনা, তখন নিঃসঙ্গতাই হয়ে ওঠে একমাত্র সঙ্গী…..🤍🖤

    • নূরুল আমিন সোহাগ, “জড় পদার্থের সাথে আমরা বন্ধুত্ব করি না” লাইনটা পড়ে একদম বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল, কিন্তু আপনি কি সত্যিই এই নির্লিপ্ত শহরের একাকীত্বকে নিজের সঙ্গী করে নিয়েছেন?

    • শহরের কংক্রিটের জীবনটা খুব সহজভাবে তুলে ধরেছেন।

    • নূরুল আমিন সোহাগ, ইট-পাথরের মাঝে নিঃসঙ্গ এই কথোপকথনটি পড়ার সময় মনের ভেতর এক অদ্ভুত শূন্যতা আর আবেগের ছোঁয়া অনুভব করলাম। চার দেয়ালের এই নীরবতাকে আপনি যেভাবে কথার মাধ্যমে প্রাণ দিয়েছেন, তা সত্যিই খুব গভীর ও হৃদয়স্পর্শী। এমন সুন্দর অনুভূতির প্রকাশ অব্যাহত থাকুক এবং আপনার লেখনী ভবিষ্যতে আরও অনেক নতুন ভাবনার খোরাক জোগাক।

  • আমি তোমাকে ভালোবাসি

    অনিকেত প্রান্তর

    আমি তোমাকে ভালোবাসি
    আর তুমি নিষিদ্ধ বুলি বলে বাজেয়াপ্ত করলে
    আমি তোমাকে ভালোবাসি
    এই একটি শব্দকে বেআইনি বলে লাল গোলাপ নিষিদ্ধ করলে
    হৃদপিন্ডের প্রতিটি ভাজে শুরু হয়ে যাবে খানা তল্লাশি
    হৃদয়ের প্রতিটি অলিতে গলিতে চেকপোস্ট বসে যাবে
    অনুভুতিগুলোকে সারবদ্ধ দার করে খোজা হবে
    একটি টকটকে লাল নিষিদ্ধ গো…Read More

    4
    4 Comments
    • নিষেধের প্রাচীর পেরিয়েও প্রেমের একটি উচ্চারণ সমগ্র পৃথিবীকে বিদ্রোহী কবিতায় জাগিয়ে তোলে…..🤍🖤

    • “আমি তোমাকে ভালোবাসি” এই লাইনটা পড়ে একদম বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল, কী দারুণভাবেই না আপনি সবটা ফুটিয়ে তুলেছেন! এখন গ্রুপে থাকা বাকি সবার লেখাতেও একটু লাইক-কমেন্ট করে অ্যাক্টিভ থাকবেন, তাহলেই আমাদের এই আড্ডাটা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

    • মানুষের অনুভূতিকে কোনো চেকপোস্টে আটকে রাখা যায় না।

    • নূরুল আমিন সোহাগ, ভালোবাসার অনুভূতির এমন তীব্র প্রকাশ এবং নিষিদ্ধতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা কষ্টের চিত্রায়ণ আপনার লেখায় যেভাবে ফুটে উঠেছে তা এক কথায় অসাধারণ, আর এই বিষাদময় সুরটি যেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নীরাকে লেখা কবিতাগুলোর মতো হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলে যায়, তাই আপনি যদি শেষের অংশটিতে ঘটনার গভীরতা বোঝাতে আর কিছু শব্দ যোগ করতে চান তবে তা আরও প্রাণব…Read More

  • অনুকাব্য

    অনিকেত প্রান্তর

    কামনার আগুনে পোড়ে না মানব ,
    পোড়ে মানবীর মিথ্যে প্রতিশ্রুতিতে ।
    কামনার আগুনে পোড়ে না রমনী ,
    পোড়ে রমনের আট দুপুরের তাচ্ছিল্যে ।।

    👣👣

    3
    4 Comments
    • প্রতিশ্রুতির ছাই নয়, অবহেলার দীর্ঘ দুপুরেই প্রেমের হৃদয় নিঃশব্দে পুড়ে যায়…..🤍🖤

    • নূরুল আমিন সোহাগ, ‘পোড়ে রমনের আট দুপুরের তাচ্ছিল্যে’—লাইনটা একদম হৃদয়ে গেঁথে যাওয়ার মতো দারুণ লিখেছেন আপনি।

    • প্রতিশ্রুতি ভাঙার কষ্ট আর তাচ্ছিল্যের আঘাত—দুটোকেই আগুনের সঙ্গে তুলনা করাটা ভালো লেগেছে।

    • আপনার এই লেখনীর “পোড়ে রমনের আট দুপুরের তাচ্ছিল্যে” পঙক্তিটি যেভাবে গভীর আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে, তা সত্যিই ভীষণ চমৎকার এবং হৃদয়ে দাগ কাটার মতো; আশা করি আপনি এভাবেই শব্দের বুননে আরও অনেক অনুভূতি আমাদের মাঝে তুলে ধরবেন।

  • দাড়কাক

    লেখক : অনিকেত প্রান্তর

    একটি দাড়কাক ।
    তোমার নগরে ভেজে প্রসন চিত্তে ,
    তোমার শীতল চোখের চাহনিতে ।
    তরুনি ওভাবে তাকিও না ,
    আমি লুটপাট হয়ে যাই ।
    আমি বিষন্ন হয়ে যাই ।
    সে চোখের দৃষ্টিতে ,
    কারো কারো –
    বেঁচে থাকার স্বাদ ও যেনো অপূর্ণ মনে হয় ,
    তোমার নগরে ।
    তোমার ভালোবাসায় সিক্ত আমি ,
    বুনো ভেজা দাড়কাক ।।

    🐰🐰

    4
    6 Comments
    • “তরুণী, ওভাবে তাকিও না / আমি লুটপাট হয়ে যাই”—বাহ! সুন্দর প্রেমময় একটা কবিতা!

    • তোমার শীতল চোখের বৃষ্টিতে ভেজা দাড়কাকও ভালোবাসার নগরে বেঁচে থাকার স্বাদ খুঁজে পায়…🖤

    • নূরুল আমিন সোহাগ, ‘আমি লুটপাট হয়ে যাই’—এই লাইনটা জাস্ট অসাধারণ লেগেছে। আপনার লেখাটা পড়ে খুব সুন্দর একটা অনুভূতির ঘোর তৈরি হলো। গ্রুপের সবার লেখাতেও মাঝে মাঝে একটু লাইক আর কমেন্ট দিয়েন, তাহলে আমাদের এই জায়গাটা বেশ জমজমাট থাকবে।

    • নূরুল আমিন সোহাগ, আপনার লেখাটির মধ্যে যে আবেগী ও গভীর একাকীত্বের প্রকাশ ঘটেছে তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী এবং আপনি চাইলে এই বিষণ্ণতাকে আরও নতুন কোনো ছন্দে ফুটিয়ে তোলার কথা ভাবতে পারেন, কারণ আপনার এমন সহজ-সুন্দর লেখনী নিয়মিত পড়তে আমরা মুখিয়ে থাকব।

    • তোমার ভালোবাসায় সিক্ত আমি

  • ভিন্নতা

    অনিকেত প্রান্তর

    গিয়েছিলাম তোমার কাছে ।
    তোমার সাদৃশ্যময় চোখে ছিলো ঘাসফড়িং এর উচ্ছ্বাস ।
    তোমার পাশের জনের চটুল চোখে ,
    পৃথিবী ঘাঁটার বিবরন স্পষ্ট ।
    এদিকে তুমি ও আমি জীবন দেখি ।
    তুমি দেখো উচ্ছ্বাস চোখে ।
    আর আমি ,
    আমি দেখি ভীষন শোঁকে ।।

    🍭🍭

    4
    5 Comments
    • অসাধারণ লেখক বন্ধু ❤️❤️

    • ভিন্নতা আসলে পৃথিবীতে নয়, আমাদের দেখার চোখে।

    • একই জীবনের আকাশে তোমার চোখে উচ্ছ্বাস, আর আমার চোখে জমে থাকে বিষাদের দীর্ঘশ্বাস…🖤

    • আপনার লেখাটার প্রতিটি লাইন খুব গভীর আর অন্যরকম একটা ভালোলাগা কাজ করছে। আপনাদের দুজনের দেখার মাঝে এত পার্থক্য থাকাটা কি কোনো আক্ষেপ থেকে আসে?

    • নূরুল আমিন সোহাগ, আপনার লেখনীতে চোখ ও অনুভূতির যে বৈপরীত্য ফুটে উঠেছে তা হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। আপনি যদি শব্দগুলোর মাঝে আরও কিছুটা নিবিড়তা যোগ করতে চান, তবে হয়তো সেটি পাঠকের মনে গভীর রেখাপাত করবে। আপনার লেখায় দারুণ সব গভীর মুহূর্ত রয়েছে, তাই কলম এভাবেই সচল রাখুন।

  • কংক্রিটের বুকে

    অনিকেত প্রান্তর

    যদিও শহর চুন সুড়কির শক্ত কংক্রিটের ,
    এ শহরে আমি এতোটাই পুড়েছি হৃদয় হয়েছে পোড়া ইটের ।
    পোড়াতে পোড়াতে পোড়া ইটের ও যখন থাকবেনা কোন কিছু ,
    সৃত্নিটুকু ভেবে নিও কোন বৃষ্টি ভেজা শহরের বুকে ঘুরেছি তোমার পিছু ।
    পাইনি মুল্য দিয়েছিলুম ঢেড় এ ভালোবাসার জনম মিছে ,
    তোমার অবহেলা ছিলো পুরোটাই আগে আর আমি…Read More

    4
    5 Comments
    • ভালবাসার জনম মিছে

    • কংক্রিটের শহরের সাথে ভালোবাসার কষ্টকে মেলানোর ভাবনাটা অসাধারন!

    • কংক্রিটের নগরে অবহেলার আগুনে পুড়ে যাওয়া হৃদয়ও একদিন নিজের ভাঙা ইটেই প্রতিরোধের দেয়াল তোলে…🖤

    • নূরুল আমিন সোহাগ, কবিতাটা পড়ে খুব মায়া লাগলো আর ইটের সাথে অনুভূতির তুলনাটা একদম অন্যরকম ছিল। আপনার এই কষ্টের বহিঃপ্রকাশটা সত্যি অনেক গভীর এবং আবেগী হয়েছে।

    • নূরুল আমিন সোহাগ, ‘ইট আর আমি দুজনেই পুড়েছি তোমার কংক্রিটের নগরে’—এই অংশটুকুতে কষ্টের যে গভীরতা ফুটে উঠেছে তা সত্যিই মন ছুঁয়ে যায় এবং আপনি চাইলে এই বিষণ্ণতাকে আরও কিছুটা গুছিয়ে তুলে ধরতে পারেন, তবে আপনার লেখা এই আবেগঘন ধারা যেন অনাগত দিনেও অব্যাহত থাকে।

  • অসম্পুর্ন

    লেখক – অনিকেত প্রান্তর

    এই যে আকাশ , নিলের আকাশ ,
    গুচ্ছ মেঘের হাসি মাখা ।
    উদাস পাখি হারায় তাতে ,
    বাতাস কাটে ঝাপটে পাখা ।
    আকাশ ছাড়া স্বপ্ন ধুসর ,
    যেমন একলা পাখি সেও না ।
    ঠিক এমনি –
    তোমায় ছাড়া বড্ড একা ,
    আমি তেমন কেউ না ।

    এই সে নদী , রুপোর পানি ,
    বাঁকে বাঁকে স্রোতের মেলা ।
    গভীর বুকে পুবের বাতাস ,
    ঝ…Read More

    9
    7 Comments
    • এই কবিতার ভেতর কোথাও যেন জীবনের খুব পরিচিত একটি মুখ হঠাৎ অপরিচিত হয়ে উঠেছে।

    • নূরুল আমিন সোহাগ, ‘তুমি চান্নি রাতে জোছনা মাখা হলেই বা বন, আমি তোমার বুনো বুকে হুতোম প্যাঁচা’—এই অসামান্য পঙক্তিটির রূপকল্প আমাকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করেছে। মনের গভীর অনুভূতির এমন চমৎকার প্রকাশধারা সত্যিই প্রশংসনীয়, আপনি এভাবেই আরও নতুন নতুন কাজ আমাদের উপহার দেবেন।

    • খুব ভালো লাগলো

    • কবিতাটার পরতে পরতে একটা নরম বিষণ্ণতার ছোয়া অনুভব করা যায়।

    • ভালোবাসাই এখানে জীবনের পূর্ণতার নাম….🖤

    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম হারিয়ে গেলাম, কবিতার শেষ লাইনটা কি একটু বেশিই গভীর হয়ে গেল না?

  • ক্ষমতা

    অনিকেত প্রান্তর

    আমি বল্লাম মৃত্যু কি ?
    তারা বল্লো গভীর ঘুমের মত ।
    তাহলে আমি ঘুমাতে চাই ,
    তারা আয়োজন সম্পন্ন করলো ,
    একটা ঠান্ডা মাটির ঘরে আমাকে ঘুম পাড়িয়ে দেয়া হলো ।
    হয়তো কিছুক্ষন বা কিছু বছর পর আমি জেগে উঠতে চাইলাম ,
    তারা বল্লো তুমি জেগে উঠতে পারবে না ।
    তোমাকে ইচ্ছে ঘুম দেয়া হয়েছে ,
    ইচ্ছে মত জেগে উঠার ক্ষম…Read More

    6
    6 Comments
    • নূরুল আমিন সোহাগ, মাটির ঘরের শীতল এই বর্ণনাটি এক গভীর অনুভূতির জন্ম দেয় যা পাঠককে জীবনের শেষ প্রান্ত নিয়ে ভাবিয়ে তোলে। গল্পের এই রূপকটি বেশ চমৎকার এবং আপনি চাইলে মৃত্যুর পরের রহস্যময় অস্তিত্ব নিয়ে আরও কিছু কথা যোগ করতে পারেন। আপনার লেখনীর এই গভীরতা সত্যিই প্রশংসনীয়, তাই মনের ভাব প্রকাশ করা চালিয়ে যান।

    • মৃত্যু নিয়ে এত সহজ ভাষায় এমন অদ্ভুত একটা ভাবনা! ভালো লেগেছে।

    • মৃত্যুর নীরব ঘুমে নয়, জেগে থাকতেই মানুষের জীবনের সত্যিকারের ক্ষমতা লুকিয়ে থাকে….🖤

    • “তোমাকে ইচ্ছে ঘুম দেয়া হয়েছে, ইচ্ছে মত জেগে উঠার ক্ষমতা দেয়া হয়নি”—এই লাইনটা একদম অন্যরকম একটা অনুভূতি দিয়ে গেল। আপনার লেখা এই গভীর ভাবনার পেছনের মূল উদ্দেশ্যটা আসলে কী?

    • মৃত্যুটা এমনই।

  • ফয়সালা

    অনিকেত প্রান্তর

    আজকে পুর্ন ফয়সালা হবে ,
    জোৎস্না আলোর কতটুকু বাটোয়ারা ।
    তোমার – আমার ,
    আজকে হবে ফয়সালা ।
    বাতাসের নিয়ন্ত্রন হবে কার ,
    শহরের শ্বেত শুভ্র কবুতর ।
    আকাশে ভেসে বেড়াবার ,
    আজকে হবে চুড়ান্ত ফয়সালা ,
    মাটির কতটুকু গভীরে পাখা ভেঙ্গে
    পুতে ফেলা হবে ,
    কিংবা নিজের সক্রিয়তা হারাবার ।।

    🐯🐯

    3
    3 Comments
    • আপনার লেখা এই ছন্দময় নিবেদনটিতে জ্যোৎস্না ও মুক্তির যে গভীর আকুতি ফুটে উঠেছে তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী, আর প্রতিটি লাইনের সাথে শব্দের ব্যবহার যেন বিষাদ ও অদম্য ইচ্ছার এক চমৎকার মেলবন্ধন তৈরি করেছে যা পাঠককে অনায়াসেই ভাবনার গভীরে নিয়ে যায়।

    • জোছনা আর বাতাসের ভাগাভাগির আড়ালে আজ যেন স্বাধীনতা ও অস্তিত্বের কঠিন ফয়সালা হতে চলেছে….🖤🖤

    • আপনার লেখাটা পড়ে দারুণ একটা ঘোর তৈরি হলো, বিশেষ করে বাতাসের নিয়ন্ত্রণের অংশটুকু বেশ গভীর। শব্দের এমন চমৎকার ব্যবহার আমার খুব ভালো লেগেছে। আপনি যদি নিয়মিত অন্য সবার লেখাতেও লাইক-কমেন্ট করে সক্রিয় থাকেন, তবে আমাদের এই গ্রুপটা আরও জমে উঠবে।

  • ব্যাবচ্ছেদ

    অনিকেত প্রান্তর

    উদোম হতে দেয়নি বলে ,
    তোমরা সমস্বরে বলে উঠো আমাদের স্বাধীনতা খর্ব করা হচ্ছে ।
    এদিকে আমরা মায়ের কোলে ঘুমাবো বলে দেহের রক্ত ঝড়িয়েছি ,
    নির্লজ্জ হতে পারিনি বলে ।
    আমাদের লাশগুলো নগ্ন দেহের লজ্জা ঢাকতে পানা ডোবাতে কাদায় মেখে ছিলো ।
    স্বাধীনতার ব্যাবচ্ছেদ বুঝি একেই বলে ।।

    –

    🌻🌼

    5
    3 Comments
    • নূরুল আমিন সোহাগ, ‘আমাদের লাশগুলো নগ্ন দেহের লজ্জা ঢাকতে পানা ডোবাতে কাদায় মেখে ছিলো’—লাইনটা পড়ে বুকটা মোচড় দিয়ে উঠল, খুব গভীর একটা কথা লিখেছেন আপনি।

    • স্বাধীনতার ব্যবচ্ছেদ বাহ।

    • আপনার লেখাটির “আমাদের লাশগুলো নগ্ন দেহের লজ্জা ঢাকতে পানা ডোবাতে কাদায় মেখে ছিলো” বাক্যটি গভীর আবেগে ভরপুর যা আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে। বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্য রেখে শব্দের কিছুটা বুনন পরিবর্তন করলে হয়তো প্রতিটি পঙক্তি আরও তীক্ষ্ণ ও জোরালো হয়ে ফুটে উঠত। আপনি যেভাবে সাহসের সাথে সত্য তুলে ধরেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয় এবং আপনার এই লেখনী অব্যাহত থাকুক।

  • 2
    2 Comments
  • হুতোমপেঁচা
    অনিকেত প্রান্তর

    প্রভাতের আশ করবো কখন ,
    যেখানে –
    একশ সূর্য ধারন করেছি চোখে ।
    আধার গিলে খাবো বলে ,
    রাত্রির বুক চিড়ে ঘুড়ে বেড়ানো আমি হুতোমপেঁচা ।
    পুর্ব জন্মে মানুষ হয়ে জন্মানোটাই ছিলো পাপ ,
    তাইতো সূর্যের কাছে করুনা ভিক্ষে চাইতাম ।।

    🦉🦉

    4
    6 Comments
    • হুতোম প্যাঁচা কি সব আধার গিলে খায়, জেনে ভালো লাগলো ।

    • কবিতাটা পড়তে গিয়ে মনে হলো, হুতোমপেঁচাটা আসলে নিজের ভেতরের একাকী মানুষটা। তাই কি?

    • চমৎকার ❤️

    • আপনার লেখনীতে রাত আর অন্ধকারের যে গূঢ় অনুভুতি ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই এক গভীর আবেশ সৃষ্টি করে। এমন চমৎকার শব্দের গাঁথুনি ধরে রেখে আপনি নিয়মিত লেখা চালিয়ে যাবেন, এই প্রত্যাশা রইল।

    • নূরুল আমিন সোহাগ, আপনার লেখাটা পড়ে একদম অন্যরকম একটা অনুভূতি হলো। বিশেষ করে “আধার গিলে খাবো বলে, রাত্রির বুক চিড়ে ঘুড়ে বেড়ানো আমি হুতোমপেঁচা” লাইনটা ভীষণ ভালো লেগেছে। সব মিলিয়ে ভাবনাগুলো বেশ দারুণ ফুটে উঠেছে।

    • হুতোম প্যাঁচা কি আঁধারেই থাকে ।

  • শুন্য তুমি সন্ন্যাসী হও

    অনিকেত প্রান্তর

    মাথার উপর বাবার হাত
    হাত কিগো তা
    এযে দিব্যি বটগাছ
    ঝাকড়া গাছের ছায়া ছুঁই
    গাছ কোথাগো
    এযে দেখছি দিব্যি আকাশ
    নীলের আকাশ
    হাজার পাখি মেঘের ডানায়
    আকাশ কোথা
    সবতো দেখি গ্রহ তারা
    সুর্য তাপে ভাবনা ঘোলায়
    মাথার উপর অসিম শুন্য
    মাথার উপর অসিম শুন্য
    শুন্য তুমি সন্ন্যাসী হও
    বাবার হাত আদর জুড়ুক…Read More

    5
    4 Comments
    • বাবা মানেই মাথার উপর নিরাপদ একটা ছায়া।

    • বাবা ছাড়া এই পৃথিবী ছায়াহীন

    • বাবার হাতের স্পর্শ থেকে শুরু করে অসীম শূন্যের বিশালতাকে ছুঁয়ে যাওয়ার এই আবেগঘন যাত্রাটুকু হৃদয় ছুঁয়ে গেল। রবীঠাকুরের কোনো কবিতার নিগূঢ় দর্শনের মতো আপনার এই ভাবনার প্রকাশে যেন এক গভীর প্রশান্তি মিশে আছে। বাবার অসীম স্নেহের আশ্রয়ে থেকে পরম শূন্যতায় মিশে যাওয়ার এই শান্ত পথচলাটুকু আপনি আরও নতুন কোনো রূপকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করতে পারেন।

    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম অন্যরকম একটা প্রশান্তি অনুভব করলাম। বাবার হাতের ছায়ার সাথে অসীম শূন্যের যে তুলনা করেছেন, তা সত্যিই খুব গভীর। শেষ লাইনটা মনে খুব গেঁথে রইল, অনেক ভালো লাগল আপনার এই চমৎকার প্রকাশভঙ্গি।

Skip to toolbar