<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | BISHU KUMAR BISWAS | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/bishukumarbiswas/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/bishukumarbiswas/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for BISHU KUMAR BISWAS.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 15 Oct 2026 14:02:09 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">314149e8f09a6107648ebe231c03d7c2</guid>
				<title>এক যন্ত্রের মায়া
মা মারা যাওয়ার পর রবিন একাই অনেক কষ্টে ছেলে নীলকে বড় করেছিলেন। মেধাবী নীল উচ্চশিক্ষার জন্য জাপানে যায়। সেখানে পরিচয় হয় জাপানি তরুণী ইউকির সঙ্গে। বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা, তারপর বিয়ে। পড়াশোনা শেষে নীল জাপানের একটি রোবট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠানে চাকরি পায়।
দূরে থাকা বাবার একাকিত্বের কথা ভেবে একদিন স্ত্রীকে নিয়ে দেশে এসে নীল তাঁকে একটি উন্নত AI রোবট উপহার দিলো।
রবিন অবাক হয়ে বললেন, “মানুষের জায়গা কি কখনো একটা যন্ত্র নিতে পারে?”
নীল হেসে বলল, “মানুষের জায়গা নেবে না, বাবা। শুধু তোমার একাকিত্বটা একটু কমাবে।”
জাপানে ফিরে যাওয়ার আগে নীল বাবাকে রোবটটি চালাতে শেখালো। রবিন আদর করে তার নাম রাখলেন ‘আরু’। প্রথমদিকে রোবটটিকে নিয়ে তাঁর কিছুটা অস্বস্তি ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে আরুর সঙ্গে কথা বলতে বলতে তিনি তার সঙ্গ উপভোগ করতে শুরু করলেন। আরু রবিনকে রান্নাবান্নার কাজে সাহায্য করতো, সময়মতো ওষুধ ও পথ্য খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দিতো। রবিনও আরুকে আপনজন ভেবে তার জন্য নিজের হাতে ছোট্ট একটি পোশাক তৈরি করে দিলেন।
একসময় রবিন আরুকে সঙ্গে নিয়ে পাড়ার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যেতে শুরু করলেন। আরুকে পরিবারের সদস্যের মতো ভালোবাসতে শুরু করলেন তিনি।
কিন্তু প্রতিবেশী আকাশ ও তার সহযোগী সুমন বিষয়টি ভালোভাবে নিলো না। তারা আরুকে নিয়ে ঠাট্টা করতো। তাদের ধারণা, একটা যন্ত্রের সঙ্গে মানুষের এমন সম্পর্ক অস্বাভাবিক। ধীরে ধীরে তাদের ক্ষোভ বাড়তে লাগলো। এক রাতে সুযোগ পেয়ে তারা গোপনে আরুর ক্ষতি করে পালিয়ে গেলো।
সকালে রবিন দেখলেন, আরু আর কাজ করছে না। তিনি বারবার তাকে ডাকলেন, কিন্তু কোনো সাড়া পেলেন না। প্রিয় সঙ্গীটির পাশে বসে তিনি হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলেন।
“ও তো কারও কোনো দিন ক্ষতি করেনি! বরং যখন কেউ আমার পাশে ছিল না, তখন ও-ই তো আমার পাশে ছিল!”
আরু মানুষ ছিল না, তার মানুষের মতো অনুভূতিও ছিল না। তবু তার সঙ্গ রবিনের নিঃসঙ্গ জীবনে মায়া আর আনন্দ এনে দিয়েছিল। যন্ত্রের হৃদয় ছিল না, কিন্তু সেই যন্ত্রের জন্যই এক মানুষের হৃদয়ে জন্মেছিল গভীর মায়া।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/284730/</link>
				<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 09:03:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এক যন্ত্রের মায়া<br />
মা মারা যাওয়ার পর রবিন একাই অনেক কষ্টে ছেলে নীলকে বড় করেছিলেন। মেধাবী নীল উচ্চশিক্ষার জন্য জাপানে যায়। সেখানে পরিচয় হয় জাপানি তরুণী ইউকির সঙ্গে। বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা, তারপর বিয়ে। পড়াশোনা শেষে নীল জাপানের একটি রোবট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠানে চাকরি পায়।<br />
দূরে থাকা বাবার একাকিত্বের কথা ভেবে একদিন স্ত্রীকে নিয়ে দ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-284730"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/284730/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3efd52882387afa8e0a7e152c75e350c</guid>
				<title>BISHU KUMAR BISWAS and Sayed Mohammad Farid are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/284559/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 16:07:01 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bf55a5f3ebed864b1ae95e5f96592cad</guid>
				<title>BISHU KUMAR BISWAS and মুহাম্মদ জে.এইচ রপ্পি are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/284546/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 15:49:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f2bdf9d6330eae9bfde0fcfe60bf1c8f</guid>
				<title>BISHU KUMAR BISWAS and মানিকুল ইসলাম মানিক (কবি/সাহিত্যিক) are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/284526/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 14:18:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">53f3c80f16cb5ae6e80fa4d473eba2f1</guid>
				<title>সুন্দরবনের বাঘবিধবারা
সকালের মৃদু রোদে নাবিল ও হৃদয় গাইড সুমনের সঙ্গে নৌকায় করে সুন্দরবন ঘুরছিল। চারদিকে গাছপালার নিস্তব্ধতা, পাখির ডাক আর নদীর শান্ত ঢেউ—সব মিলিয়ে পরিবেশটা ছিল মনোমুগ্ধকর।
হঠাৎ সুমন নৌকাটি একটি গ্রামের ঘাটের কাছে থামালেন। নাবিল দেখল, একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে কয়েকজন নারীকে সেলাই মেশিন দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কেন, তা সে বুঝতে পারল না।
নাবিল জিজ্ঞেস করল, &quot;সুমন ভাই, তাঁদের সেলাই মেশিন দেওয়া হচ্ছে কেন?&quot;
সুমন বললেন, &quot;এই নারীদের স্বামীরা সুন্দরবনে জীবিকার জন্য কাজ করতে গিয়ে বাঘের আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ ছিলেন মৌয়াল, যারা মধু সংগ্রহ করতেন; কেউ ছিলেন জেলে, যারা নদী ও খালে মাছ ধরতেন; আবার কেউ ছিলেন বাওয়ালি, যারা বনজ সম্পদ সংগ্রহ করতেন। স্বামী হারানোর পর এসব নারীকে একাই সন্তান ও পরিবারের দায়িত্ব নিতে হয়েছে। এই নারীদের ‘বাঘবিধবা’ বলা হয়। এই সংস্থাটি তাঁদের বিকল্প জীবিকার সুযোগ করে দিয়ে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করছে।&quot;
এ সময় সেলাই মেশিন হাতে নেওয়া এক নারী তাঁদের কাছে এলেন। তাঁর নাম সাথী।
সাথী বললেন, &quot;কয়েক বছর আগে আমার স্বামী মৌয়াল হিসেবে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। সেখানেই বাঘের আক্রমণের শিকার হয়ে তিনি আর ফিরে আসেননি। সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে আমাকে একাই সংসারের দায়িত্ব নিতে হয়েছে। আগে অন্যের বাড়িতে কাজ করতাম। এখন এই সেলাই মেশিন দিয়ে নিজের ঘরে বসে কাজ করতে পারব।&quot;
তিনি মেশিনটির দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে বললেন, &quot;এই মেশিনটি শুধু একটি মেশিন নয়, এটি আমার নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ। আমরা চাই, মানুষ আমাদের শুধু ‘বাঘবিধবা’ বলে না চিনুক। আমরাও কাজ করতে পারি, সন্তানদের মানুষ করতে পারি এবং নতুন করে জীবন গড়তে পারি।&quot;
নাবিল কিছুক্ষণ নীরব থেকে বলল, &quot;আমরা সুন্দরবনে এসেছিলাম বাঘ দেখতে। আজ দেখলাম, বাঘের আক্রমণে একজনের জীবন শেষ হয়ে গেলেও, তাঁর পরিবারের লড়াই সেখানেই শেষ হয় না।&quot;
নৌকা ধীরে ধীরে আবার বনের দিকে এগিয়ে গেল। পেছনে পড়ে রইল ঘাটটি—আর সেই নারীদের নতুন করে জীবন গড়ার আশার গল্প।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/283904/</link>
				<pubDate>Fri, 09 Oct 2026 20:50:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সুন্দরবনের বাঘবিধবারা<br />
সকালের মৃদু রোদে নাবিল ও হৃদয় গাইড সুমনের সঙ্গে নৌকায় করে সুন্দরবন ঘুরছিল। চারদিকে গাছপালার নিস্তব্ধতা, পাখির ডাক আর নদীর শান্ত ঢেউ—সব মিলিয়ে পরিবেশটা ছিল মনোমুগ্ধকর।<br />
হঠাৎ সুমন নৌকাটি একটি গ্রামের ঘাটের কাছে থামালেন। নাবিল দেখল, একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে কয়েকজন নারীকে সেলাই মেশিন দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কেন,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-283904"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/283904/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>13</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">938d976549da9066d8a1e244bdda4f06</guid>
				<title>কতটা বাঁচলাম?
বিশ্বজুড়ে একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে—১২২ বছর ১৬৩ দিন বয়সী এক বৃদ্ধ আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা বাঁচলেই বিশ্বের সর্বোচ্চ মানবায়ুর রেকর্ড ভেঙে ফেলতে পারবেন। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানবায়ুর রেকর্ড ফরাসি নারী জ্যঁ কালমঁর—১২২ বছর ১৬৪ দিন।
এই খবরের পর এক সাংবাদিক তাঁর সাক্ষাৎকার নিতে এলেন।
—“আর মাত্র ৪৮ ঘন্টা পর আপনি জ্যঁ কালমঁর রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছেন।”
বৃদ্ধ মৃদু হেসে বললেন, — “জীবন কি শুধু কত বছর বাঁচলাম, তার হিসাব?”
সাংবাদিক কিছুটা অবাক হলেন।
বৃদ্ধ জানালার বাইরে তাকিয়ে বললেন, —“মানুষের বয়স যত বাড়ে, পৃথিবীর রূপ, রস আর গন্ধ যেন তার কাছে ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে আসে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নানা রোগ-শোকে ভুগতে ভুগতে অনেক সময় বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষাটাও কমে আসে। অথচ সময় চলে যায়, আর আমরা ভাবি—আরও একটু বাঁচলেই বুঝি জীবন পূর্ণ হবে।”
তিনি একটু থামলেন।
—“ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ মাত্র ৩৭ বছর বেঁচেছিলেন। অথচ তাঁর ছবির রং আজও পৃথিবীকে মুগ্ধ করে। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য একুশ বছরও পূর্ণ করতে পারেননি, কিন্তু তাঁর কবিতা আজও মানুষের মুখে মুখে। ক্ষুদিরাম বসুও খুব অল্প বয়সে চলে গিয়েছিলেন, অথচ তাঁর নাম ইতিহাসে অমর।”
বৃদ্ধ ধীরে বললেন, —“তাঁরা কম সময় পেয়েছিলেন, কিন্তু সেই সময়টুকু দিয়ে পৃথিবীতে নিজেদের দাগ রেখে গেছেন। আর আমি? আমি তো তাঁদের কয়েক গুণ বেশি সময় পেয়েছি।”
সাংবাদিক বললেন, —“তাহলে কি আপনি নিজের জীবনকে ব্যর্থ মনে করেন?”
বৃদ্ধ দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।
—“শুধু দীর্ঘ জীবন পেলেই জীবন বড় হয়—এটা ভুল ধারণা। প্রাণীজগতের গ্রিনল্যান্ড হাঙরের কথাই ধরো—গবেষণায় ধারণা করা হয়, তারা প্রায় ৪০০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে। কিন্তু শুধু দীর্ঘায়ু কি তাদের জীবনকে অর্থপূর্ণ করে?”
সাংবাদিক নীরব।
বৃদ্ধ ধীরে বললেন, —“জীবনের হিসাব বছর দিয়ে নয়, তার প্রভাব দিয়ে করা উচিত।”
ক্যামেরার রেকর্ডিং বন্ধ করলেন সাংবাদিক। আজ তিনি শুধু একজন দীর্ঘজীবী মানুষের সাক্ষাৎকার নেননি; জীবনের অর্থ নিয়ে একটি গভীর শিক্ষা নিয়ে ফিরছেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/281798/</link>
				<pubDate>Sun, 04 Oct 2026 09:33:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কতটা বাঁচলাম?<br />
বিশ্বজুড়ে একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে—১২২ বছর ১৬৩ দিন বয়সী এক বৃদ্ধ আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা বাঁচলেই বিশ্বের সর্বোচ্চ মানবায়ুর রেকর্ড ভেঙে ফেলতে পারবেন। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানবায়ুর রেকর্ড ফরাসি নারী জ্যঁ কালমঁর—১২২ বছর ১৬৪ দিন।<br />
এই খবরের পর এক সাংবাদিক তাঁর সাক্ষাৎকার নিতে এলেন।<br />
—“আর মাত্র ৪৮ ঘন্টা পর আপন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-281798"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/281798/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>12</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bc027aaf5f9582c84b016311bda5643d</guid>
				<title>BISHU KUMAR BISWAS and Jubayer ahmed are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280394/</link>
				<pubDate>Wed, 30 Sep 2026 05:10:03 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0ac13785b411a4c23ae75df65aaf0591</guid>
				<title>চিড়িয়াখানায় প্রথম দেখা
   আরিয়ান আর সাজিদ দুই বন্ধু। তারা বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় পড়তে এসেছে। এক ছুটির দিনে তারা নিউইয়র্কের একটি বড় চিড়িয়াখানায় ঘুরতে গেল।
সিংহ, জিরাফ, পান্ডা—সব দেখার পর হঠাৎ একটি ছোট খাঁচার সামনে এসে তারা থেমে গেল। ভেতরে অদ্ভুত দেখতে একটি প্রাণী ঘুরে বেড়াচ্ছে। চোখের চারপাশে কালো মুখোশের মতো দাগ, শরীরজুড়ে ঘন লোম আর ডোরাকাটা লেজ।
আরিয়ান অবাক হয়ে বললো,
“এটা কী জানোয়ার রে? কুকুর না বিড়াল?”
সাজিদ হেসে বললো,
“আরে না! এটা রাকুন। টিভিতে দেখেছি। আমেরিকার বেশ পরিচিত একটা প্রাণী।”
ঠিক তখনই রাকুনটি একটি আপেল নিয়ে পাশের পানির পাত্রে তার সামনের পাঞ্জা ভিজিয়ে আপেলটি নেড়েচেড়ে দেখতে লাগলো।
আরিয়ান চোখ বড় করে বললো, “দেখ! খাবারটা পানিতে ধুচ্ছে!”
পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক আমেরিকান গাইড তাদের কথা শুনে মুচকি হেসে বললো, “অনেকেই রাকুনকে এভাবে খাবার ধুতে দেখে। তবে বিষয়টা শুধু পরিষ্কার করার জন্য নয়।”
দুই বন্ধু কৌতূহলী হয়ে তার দিকে তাকালো।
গাইড বললো, “রাকুনের সামনের পাঞ্জা খুব সংবেদনশীল। সেখানে অসংখ্য স্নায়ু থাকে। পাঞ্জা ভেজা থাকলে স্পর্শের অনুভূতি আরও ভালোভাবে পেতে পারে। তাই পানিতে খাবার নেড়েচেড়ে সে খাবারের গঠন ও বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে পারে। তবে কখনো কখনো খাবার পরিষ্কার করার জন্যও পানিতে নেয়।”
সাজিদ বললো, “তাহলে ও শুধু খাবার ধুচ্ছে না, হাত দিয়ে যেন পরীক্ষা করছে!”
গাইড হেসে বলল,
“ঠিক তাই।”
রাকুনটি আপেলটি কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে তারপর খেয়ে ফেললো। এরপর সে দুজনের দিকে তাকিয়ে একটু মাথা নাড়ল, যেন বলছে, “বুঝলে তো?”
আরিয়ান হেসে বললো,
“দারুণ! আজ তো রাকুন সম্পর্কে নতুন একটা জিনিস শিখলাম।”
সাজিদ বললো, “হ্যাঁ। এখন থেকে রাকুন দেখলেই মনে হবে—ও শুধু চোখ দিয়ে নয়, হাত দিয়েও পৃথিবীকে চিনে!”
দুই বন্ধু সেদিন চিড়িয়াখানা থেকে ফিরে অনেকক্ষণ রাকুনটির কথা বললো। তাদের জীবনে রাকুন দেখার সেই প্রথম দিনটি হয়ে রইল এক মজার ও শিক্ষামূলক স্মৃতি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280160/</link>
				<pubDate>Tue, 29 Sep 2026 12:42:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>চিড়িয়াখানায় প্রথম দেখা<br />
   আরিয়ান আর সাজিদ দুই বন্ধু। তারা বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় পড়তে এসেছে। এক ছুটির দিনে তারা নিউইয়র্কের একটি বড় চিড়িয়াখানায় ঘুরতে গেল।<br />
সিংহ, জিরাফ, পান্ডা—সব দেখার পর হঠাৎ একটি ছোট খাঁচার সামনে এসে তারা থেমে গেল। ভেতরে অদ্ভুত দেখতে একটি প্রাণী ঘুরে বেড়াচ্ছে। চোখের চারপাশে কালো মুখোশের মতো দাগ, শরীরজুড়ে ঘন লোম আর ডোরাকাটা ল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-280160"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/280160/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">be58cff982440d9869962a6415cf9ce8</guid>
				<title>BISHU KUMAR BISWAS and Syed Farah are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279862/</link>
				<pubDate>Mon, 28 Sep 2026 17:47:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fa0d0839f85d4913d3d302e9e29dac8f</guid>
				<title>আপেলের বিচি
একদিন গ্রামের এক কিশোর ছেলে আয়ান আপেল খেতে খেতে হঠাৎ একটা অদ্ভুত খেয়াল করলো। সে ভাবলো, “এত সুন্দর ফলের ভেতরে এই ছোট ছোট বিচিগুলো ফেলে দিই কেন? হয়তো এগুলোও খেলে শরীরের উপকার হয়।”
সেদিন বাজারে থেকে সে এক ঝুড়ি আপেল কিনে আনলো। বাড়িতে এসে একের পর এক আপেল কেটে বিচিগুলো আলাদা করে রাখতে লাগলো। দুপুরের মধ্যে সে প্রায় দুই-তিনশো বিচি জড়ো করে ফেললো। তারপর সেগুলো ভালো করে চিবিয়ে চিবিয়ে খেয়ে ফেললো। প্রথমে তো কিছুই মনে হলো না। সে খুশি হয়ে বাইরে খেলতে গেল।
কিন্তু সন্ধ্যার দিকে তার শরীরে অদ্ভুত অনুভূতি শুরু হলো। মাথা ঘুরতে লাগল, বমি বমি ভাব হলো। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল, হৃদয় দ্রুত ধুকপুক করছিল। সে বিছানায় শুয়ে পড়লো। মা তাকে দেখে ভয় পেয়ে গেলেন। আয়ান জোর করে বললো, “আমি শুধু আপেলের বিচি খেয়েছি মা”
ডাক্তার এসে পরীক্ষা করে বললেন, “আপেলের বিচিতে অ্যামিগডালিন নামক এক রাসায়নিক পদার্থ থাকে। চিবিয়ে খেলে সেটা পাকস্থলীতে সায়ানাইড তৈরি করে। অল্প বিচি খেলে সমস্যা হয় না, কিন্তু একসঙ্গে অনেকগুলো চিবিয়ে খেলে শরীরে বিষক্রিয়া হতে পারে। মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি, শ্বাসকষ্ট, এমনকি গুরুতর ক্ষেত্রে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা আরও মারাত্মক অবস্থা হতে পারে।”
আয়ানকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা শুরু করা হলো। সৌভাগ্যবশত তার শরীর দ্রুত সেরে উঠলো। ডাক্তার বললেন, “এবার থেকে সাবধান। আপেল খেতে পারো, কিন্তু বিচি চিবিয়ে খাবে না। সাধারণভাবে কয়েকটা বিচি গিলে ফেললেও ক্ষতি হয় না, কারণ সেগুলো অক্ষত অবস্থায় বেরিয়ে যায়। কিন্তু একসঙ্গে অনেকগুলো চিবিয়ে খেলে বিপদ।”
সেদিন থেকে আয়ান আর কখনো আপেলের বিচি খেল না। সে বুঝতে পারল, প্রকৃতির প্রতিটি জিনিসেরই একটা সীমা আছে। অল্পতে সুখ, বেশি হলে বিষ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278072/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 17:13:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আপেলের বিচি<br />
একদিন গ্রামের এক কিশোর ছেলে আয়ান আপেল খেতে খেতে হঠাৎ একটা অদ্ভুত খেয়াল করলো। সে ভাবলো, “এত সুন্দর ফলের ভেতরে এই ছোট ছোট বিচিগুলো ফেলে দিই কেন? হয়তো এগুলোও খেলে শরীরের উপকার হয়।”<br />
সেদিন বাজারে থেকে সে এক ঝুড়ি আপেল কিনে আনলো। বাড়িতে এসে একের পর এক আপেল কেটে বিচিগুলো আলাদা করে রাখতে লাগলো। দুপুরের মধ্যে সে প্রায় দুই-তিনশো বিচি জড়ো ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278072"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278072/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>10</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a4aa6962e265679763feded9a20a5acb</guid>
				<title>BISHU KUMAR BISWAS and অমিত are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272657/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 20:34:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8d6b2e3136208c1c259676be31dd5ee6</guid>
				<title>মনের অদৃশ্য রোগ 
শহরের একটি নামকরা মানসিক চিকিৎসাকেন্দ্র। চেম্বারের দরজার পাশে বড় একটি নামফলকে লেখা—
ডা. রায়ান এমবিবিএস, এফসিপিএস (মনোরোগবিদ্যা), এমডি (মনোরোগবিদ্যা)
অধ্যাপক, মনোরোগবিদ্যা বিভাগ
ন্যাশনাল মেডিকেল ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড হসপিটাল
চেম্বারে বসে আছেন মন্টু মিয়া। 
ডাক্তার রায়ান বললেন,
— আপনার নাম কী?
— মন্টু মিয়া।
— বয়স কত?
— পঞ্চান্ন হইব, ডাক্তার সাব।
— বাড়ি কোথায়?
— মধুপুর গেরামে।
— লেখাপড়া কতদূর করেছেন?
— দুই ক্লাস পর্যন্ত পড়ছিলাম। হেরপর আর পড়ন হয় নাই।
— কী কাজ করেন?
— গেরামে মুদির দোকান চালাই।
— আচ্ছা, কী সমস্যা নিয়ে এসেছেন?
মন্টু মিয়া একটু ইতস্তত করে বললেন,
— হাত ধুই, ডাক্তার সাব।
— কতবার হাত ধোন?
— ওইডা গুনে রাখি নাই। 
— হাত ধোয়ার পর কি মনে হয় হাত পরিষ্কার হয়েছে?
— কিছুক্ষণ মনে হয় হইছে। আবার মনে হয় ভালো কইরা ধুই নাই।
— তখন কী করেন?
— আবার ধুই।
— হাত না ধুলে কী হয়?
— বুকের মইধ্যে ছটপট করে। মনে হয় কোনো বিপদ হইব।
— কী কী জিনিস ধরলে এই অনুভূতি বেশি হয়?
— বাজারের টাকা, দরজার হাতল, দোকানের জিনিস—সব ধরলেই মনে হয় হাতে ময়লা লাগছে।
— পরিবারের কাউকে স্পর্শ করার পরও কি হাত ধোন?
মন্টু মিয়া একটু নিচু স্বরে বললেন,
— হ, ডাক্তার সাব।
— এতে কি আপনার দৈনন্দিন কাজে সমস্যা হচ্ছে?                                   – মেলা ঝামেলা হইতাছে ডাক্তার সাব, দোকানে কাস্টমাররা টাকা দিলেই আমার মনে হয় হাত নোংরা হইয়া গেছে। তখন আর দোকানে বইসা থাকতে পারি না, হাত ধুইতে চইলা যাই। কাস্টমাররা জিগায়, “কী হইছে ?” এইভাবে বারবার হাত ধুইতে যাইতে আইতে দোকানের কামে দেরি হয়, কাস্টমারও বইসা থাকে। দোকান থেইকা বাড়ি যাইতে দেরি হয়। খাওয়ার আগেও কতবার যে হাত ধুই! আমার বউ কয়, হাত ধুইতে ধুইতে হাতটাই বিগড়াইয়া ফেলবা। কিন্তু হাত না ধুইলে মনডা কিচ্ছুতেই শান্ত অয় না।                   
ডাক্তার কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললেন, — মন্টু মিয়া, আপনার ওসিডি অর্থাৎ অবসেসিভ-কমপালসিভ ডিসঅর্ডার হয়েছে।            
মন্টু মিয়া অবাক হয়ে বললেন,– এইডা আবার কী রোগ?                           ডাক্তার বললেন, — সহজ ভাষায় বলি। ওসিডি এমন একটি মানসিক সমস্যা, যেখানে অনিচ্ছাকৃত কিছু চিন্তা, ভয় বা সন্দেহ বারবার মানুষের মনে আসে। এই চিন্তা থেকে অস্বস্তি কমানোর জন্য মানুষ একই কাজ বারবার করতে বাধ্য বোধ করে। আপনার মনে হচ্ছে বারবার হাত পরিষ্কার হয়নি—এটা হলো অবসেশন। আর সেই অস্বস্তি কমাতে বারবার হাত ধোয়া হলো কমপালশন।    
মন্টু মিয়া মাথা নাড়লেন।                     — না ডাক্তার সাব, এইডা কোনো রোগ না। হাত ময়লা হইলে মানুষ হাত ধোয়! 
ডাক্তার শান্তভাবে বললেন,                      — হাত ধোয়া রোগ নয়। কিন্তু হাত পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার পরও যদি বারবার মনে হয় পরিষ্কার হয়নি এবং সেই কারণে আপনার স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়, তখন সেটি চিকিৎসার প্রয়োজন। একটু থেমে ডাক্তার আবার বললেন          
— আর একটা কথা মনে রাখবেন, মন্টু মিয়া। ওসিডি হওয়ার সঙ্গে মানুষের লেখাপড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-গরিব—যে কারও এই সমস্যা হতে পারে। তাই লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই। এই রোগ শুধু বারবার হাত ধোয়ার মধ্যেই হয় এমন নয়। কারও ক্ষেত্রে বারবার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার চিন্তা আসে, কারও ক্ষেত্রে বারবার দরজা-জানালা বন্ধ আছে কি না পরীক্ষা করার তাগিদ হয়, আবার কারও মনে অনিচ্ছাকৃত ভয় বা সন্দেহের চিন্তা বারবার আসতে পারে।         
মন্টু মিয়া নিজের লাল হয়ে যাওয়া হাতের দিকে তাকিয়ে বললেন, 
— তাইলে ডাক্তার সাব, এই রোগ ভালো হইব?     
— অবশ্যই। চিকিৎসা আছে। নিয়মিত থেরাপি, প্রয়োজন হলে ওষুধ এবং নিজের চেষ্টা—সব মিলিয়ে আমরা আপনার সমস্যাটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব।                   মন্টু মিয়া কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, — তাইলে আমি চিকিৎসা করুম। কিন্তু একটা কথা কন ডাক্তার সাব—আগের মতো কি আবার ঠিকঠাক হইতে পারুম?                         ডাক্তার মৃদু হেসে বললেন,                      — অবশ্যই। রোগটা আপনার জীবন চালাবে না; এবার আপনি আপনার জীবন চালাবেন।    
মন্টু মিয়া দরজার দিকে এগিয়ে গেলেন। বের হওয়ার আগে নিজের হাতের দিকে একবার তাকালেন। তারপর বহুদিন পর হাত না ধুয়েই চেম্বার থেকে বেরিয়ে গেলেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271957/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 07:38:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনের অদৃশ্য রোগ<br />
শহরের একটি নামকরা মানসিক চিকিৎসাকেন্দ্র। চেম্বারের দরজার পাশে বড় একটি নামফলকে লেখা—<br />
ডা. রায়ান এমবিবিএস, এফসিপিএস (মনোরোগবিদ্যা), এমডি (মনোরোগবিদ্যা)<br />
অধ্যাপক, মনোরোগবিদ্যা বিভাগ<br />
ন্যাশনাল মেডিকেল ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড হসপিটাল<br />
চেম্বারে বসে আছেন মন্টু মিয়া।<br />
ডাক্তার রায়ান বললেন,<br />
— আপনার নাম কী?<br />
— মন্টু মিয়া।<br />
— বয়স কত?<br />
— পঞ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-271957"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/271957/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f1a08d23559eeee816abd0ff9d04f5db</guid>
				<title>BISHU KUMAR BISWAS and Osman Gani are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271661/</link>
				<pubDate>Tue, 08 Sep 2026 14:01:34 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">07ae856c1cefc6c9991e79b6bd5de026</guid>
				<title>BISHU KUMAR BISWAS changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269547/</link>
				<pubDate>Fri, 04 Sep 2026 07:48:27 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a1e316ba88d8f4102c2aed1ce0804152</guid>
				<title>গানের ক্লাসরুমে
গানের শিক্ষক আকাশ স্যার শুধু শিক্ষক নন, তিনি দেশের একজন স্বনামধন্য ও হাই-প্রোফাইল গানের শিল্পী। বড় মঞ্চে তাঁর গান শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে। নানা পুরস্কারে সমৃদ্ধ তাঁর শিল্পীজীবন। 
  আজ ক্লাসে আছে রিয়া, রাফি, তানিয়া ও সাগর।
আকাশ স্যার: আজ আমরা গানের ইতিহাস, পেশা হিসেবে এর বিকাশ, ধরন ও উপকারিতা নিয়ে কথা বলব।
রিয়া: স্যার, গানের শুরু কবে হয়েছিল?
আকাশ স্যার: বৈজ্ঞানিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা অনুযায়ী, মানুষের সংগীতচর্চা অত্যন্ত প্রাচীন। প্রকৃতি ও পাখির সুর থেকে মানুষ অনুপ্রেরণা নিতো। প্রায় ৪০ হাজার বছর আগের একটি হাড়ের বাঁশি প্রাচীন সংগীতচর্চার প্রমাণ।
রাফি: মানুষ গানকে পেশা হিসেবে কবে নিয়েছিল?
আকাশ স্যার: নির্দিষ্ট সময় বলা কঠিন। তবে প্রাচীনকালেই রাজদরবার ও বিভিন্ন সামাজিক আয়োজনে গায়ক ও বাদ্যযন্ত্রশিল্পীরা কাজ করতেন। পরে সংগীত জীবিকা ও পেশায় পরিণত হয়। আধুনিক যুগে রেডিও, চলচ্চিত্র ও রেকর্ডিং প্রযুক্তির বিকাশে এটি বড় পেশায় পরিণত হয়েছে।
তানিয়া: স্যার, গান কত রকমের?
আকাশ স্যার: গানকে বিভিন্নভাবে ভাগ করা যায়। যেমন—শাস্ত্রীয়, লোকগীতি, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, আধুনিক, দেশাত্মবোধক, ভক্তিগীতি, চলচ্চিত্রের গান, গজল, কাওয়ালি, বাউল, ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, রক, পপ, জ্যাজ ও র&#x200d;্যাপসহ নানা ধরন।
সাগর: গান শুনলে কী উপকার হয়?
আকাশ স্যার: গান আনন্দ দেয়, মানসিক চাপ কমাতে এবং মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তির জন্য উপকারী হতে পারে। দলবদ্ধভাবে গান করলে আত্মবিশ্বাস ও সহযোগিতার মনোভাব বাড়ে।
সাগর: স্যার, আপনার কাছে গান এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?
আকাশ স্যার মৃদু হেসে বললেন, গান আমার জীবনের অংশ। মনে হয়, গান আমার রক্তে মিশে আছে। সুরের প্রতি এই টান যেন রক্তের টান।
আজকের ক্লাস শেষ করার আগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান নিয়ে একটি কবিতা শোনাই—
“কেমন করে গান করো হে গুনী, 
আমি অবাক হয়ে শুনি কেবল শুনি। 
তারি সুরে সুরে বাজে বীণা, আমার প্রাণের মাঝে কোনখানে যেন বাজে।&quot;
স্যারের কণ্ঠে কবিতাটি শুনে ছাত্রছাত্রীরা মুগ্ধ হয়ে গেল। তারা বুঝল, আকাশ স্যারের কাছে গান শুধু পেশা নয়—গান তাঁর ভালোবাসা, পরিচয় ও জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269539/</link>
				<pubDate>Fri, 04 Sep 2026 07:29:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গানের ক্লাসরুমে<br />
গানের শিক্ষক আকাশ স্যার শুধু শিক্ষক নন, তিনি দেশের একজন স্বনামধন্য ও হাই-প্রোফাইল গানের শিল্পী। বড় মঞ্চে তাঁর গান শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে। নানা পুরস্কারে সমৃদ্ধ তাঁর শিল্পীজীবন।<br />
  আজ ক্লাসে আছে রিয়া, রাফি, তানিয়া ও সাগর।<br />
আকাশ স্যার: আজ আমরা গানের ইতিহাস, পেশা হিসেবে এর বিকাশ, ধরন ও উপকারিতা নিয়ে কথা বলব।<br />
রিয়া: স্যার, গানের&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-269539"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/269539/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>15</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>