<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Mohammad Abul Hosein | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/mohammadabulhosein/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/mohammadabulhosein/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Mohammad Abul Hosein.</description>
	<lastBuildDate>Thu, 15 Oct 2026 03:04:43 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">da60d52ecd2ecda8f319e6d52bb37657</guid>
				<title>দক্ষিণ মেরুতে ধরা পড়ল মহাবিশ্বের দুর্লভ কণা

দক্ষিণ মেরুর বরফ ব্যবহার করে নিউট্রিনো নামে পরিচিত অতিক্ষুদ্র কণার সন্ধান করা সম্ভব—এ উপলব্ধি করেছিলেন ফ্রান্সিস হালজেন। তাঁর দূরদর্শিতা ও বৈজ্ঞানিক নেতৃত্বের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি। এক ঘনকিলোমিটার আয়তনের বরফের মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে আলোকসংবেদী সেন্সর। এই আইসকিউব ব্যবহার করে গবেষকেরা দূরবর্তী মহাবিশ্বের অত্যন্ত উচ্চশক্তিসম্পন্ন প্রক্রিয়া থেকে আসা নিউট্রিনো শনাক্ত করতে পারেন।   এর ওপর ভিত্তি করে তিনি এবার পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন। 
নোবেল কমিটি জানিয়েছে নিউট্রিনো সর্বত্র রয়েছে, কিন্তু সহজে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয় না। কোনো কিছু অনুভব না করেই এগুলো পৃথিবী ও আমাদের শরীর ভেদ করে চলে যায়। খুবই বিরল ক্ষেত্রে একটি নিউট্রিনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। উপযুক্ত যন্ত্রপাতি থাকলে সেই মিথস্ক্রিয়ার সূত্র ধরেই কণাটিকে শনাক্ত করা সম্ভব।

বিজ্ঞানীরা বহু আগে থেকেই জানেন, মহাবিশ্বে প্রাকৃতিক কণা ত্বরক রয়েছে। এসব ত্বরক থেকে এমন কণা নির্গত হয়, যেগুলোর শক্তি পৃথিবীর গবেষণাগারে অর্জন করা সম্ভব এমন শক্তির তুলনায় দশ লাখ গুণ পর্যন্ত বেশি হতে পারে। তবে এসব উৎস সম্পর্কে অনেক কিছুই এখনো রহস্যময়। এগুলো আসলে কী, কোথায় অবস্থিত এবং এর ভেতরে প্রধানত কী ধরনের প্রক্রিয়া কাজ করে?

অত্যন্ত উচ্চশক্তিসম্পন্ন নিউট্রিনো অন্যান্য ধরনের কণার মতো একই পরিবেশে সৃষ্টি হয়। তবে অন্য কণার বিপরীতে নিউট্রিনো আমাদের কাছে পৌঁছানোর সময় দিক পরিবর্তন করে না কিংবা শক্তিও হারায় না। ফলে এসব কণা মহাবিশ্ব সম্পর্কে এমন তথ্য দিতে পারে, যা অন্য কোনো উপায়ে পাওয়া সম্ভব নয়।

১৯৮৮ সালে ফ্রান্সিস হালজেন প্রথম দক্ষিণ মেরুতে নিউট্রিনো শনাক্ত করার পরিকল্পনা তুলে ধরেন। কোনো নিউট্রিনো পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে আলোর ঝলক সৃষ্টি হয়। স্বচ্ছ হিমবাহের বরফে স্থাপন করা সেন্সরের সাহায্যে সেই আলোর ঝলক শনাক্ত করা যায়।

দক্ষিণ মেরুর বরফ এ ধরনের গবেষণার জন্য বেশ কিছু সুবিধা দেয়। সেখানে বিভিন্ন ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টিকারী প্রভাব কম। তা ছাড়া অঞ্চলটি ভূতাত্ত্বিকভাবে স্থিতিশীল এবং সেখানে ভূমিকম্প হয় না। হালজেনের পরিকল্পনা দ্রুতই অন্য গবেষকদের সমর্থন পায়। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে বরফের ভেতরে সেন্সর স্থাপন করে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চালানো হয়।

মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা অত্যন্ত উচ্চশক্তিসম্পন্ন নিউট্রিনো খুবই বিরল। তাই পর্যাপ্তসংখ্যক সংঘর্ষ পর্যবেক্ষণ করতে হলে বিপুল পরিমাণ বরফের প্রয়োজন। আইসকিউব অবজারভেটরি এক ঘনকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। ২০১১ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়।

এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই গবেষকেরা প্রথম উচ্চশক্তিসম্পন্ন নিউট্রিনো শনাক্ত করেন। কয়েক বছর পর তাঁরা এমন নিউট্রিনো শনাক্ত করার আবিষ্কারের কথা প্রকাশ করেন, যেগুলোর উৎস অবশ্যই আমাদের সৌরজগতের অনেক বাইরে। এর মধ্য দিয়ে মহাবিশ্বে নিউট্রিনোর উৎস অনুসন্ধানের কাজ জোরদারভাবে শুরু হয়।

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান মার্ক পিয়ার্স বলেন, “ফ্রান্সিস হালজেন গবেষক ও প্রকৌশলীদের একটি আন্তর্জাতিক দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁরা আমাদের হাতে অসাধারণ একটি যন্ত্র তুলে দিয়েছেন। তাঁর অধ্যবসায় ও বৈজ্ঞানিক দূরদর্শিতা জ্যোতির্বিজ্ঞানের এক নতুন ধারার পথ তৈরি করেছে।”

আইসকিউবের মাধ্যমে অবিরাম সংগ্রহ করা নিউট্রিনোর মিথস্ক্রিয়াসংক্রান্ত তথ্য গবেষকদের এমন সব সহিংস ও চরম পরিবেশ সম্পর্কে নতুন জ্ঞান দেবে, যেখানে উচ্চশক্তিসম্পন্ন নিউট্রিনো সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি এসব তথ্যের মাধ্যমে মহাবিশ্বের আগে অজানা কোনো ঘটনাও উদ্ঘাটিত হতে পারে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282607/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 10:14:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দক্ষিণ মেরুতে ধরা পড়ল মহাবিশ্বের দুর্লভ কণা</p>
<p>দক্ষিণ মেরুর বরফ ব্যবহার করে নিউট্রিনো নামে পরিচিত অতিক্ষুদ্র কণার সন্ধান করা সম্ভব—এ উপলব্ধি করেছিলেন ফ্রান্সিস হালজেন। তাঁর দূরদর্শিতা ও বৈজ্ঞানিক নেতৃত্বের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি। এক ঘনকিলোমিটার আয়তনের বরফের মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে আলোকসংবেদী সেন্সর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282607"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282607/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ab800d23e55fe7e0d93c448919053f77</guid>
				<title>বিদায় 
.........................................................
একি জনচ্ছ্বাস
একি বাধভাঙা স্রোত
একি ঢেউ
এমন জনস্রোত, হৃদয়ভাঙা উত্তাল স্রোত
কবে কে দেখেছে কোথায়!
থেমে গেছে পদ্মা, মেঘনা, যমুনার স্রোত
সুরমা, মধুমতি, মুহুরি, কুমার, শীতলক্ষা স্থির
জেনে গেছে আজ শোকের দিন
আজ তাকে ভালবাসার দিন।

রাজপথ কাঁপছে, থর থর কাঁপছে
ভবনে ভবনে, ছাদে ছাদে শোকার্ত মানুষ
বাংলামোটর থেকে মানিক মিয়া এভিনিউ
মহাখালী, আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী
ধানমন্ডি- কোথায় নেই মানুষ! 

অযুত সহস্র লাখে লাখে মানুষ 
হৃদয়ে গহীনে ক্ষরণ- বোবা কান্না উথলে ওঠে
‘মা’ নেই, অভিভাবক নেই
কান্নার রোল উঠে গেছে ঊর্ধ্বাকাশে।

টলটলায়মান চারিদিক
এত শোক রাখবে কোথায় ছোট্ট বাংলাদেশ
কাঁদছে বাংলাদেশ
কাঁদছে আর কাঁদছে। 
................................
ঢাকা
৩১-১২-২৫</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280090/</link>
				<pubDate>Tue, 29 Sep 2026 09:13:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিদায়<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;<br />
একি জনচ্ছ্বাস<br />
একি বাধভাঙা স্রোত<br />
একি ঢেউ<br />
এমন জনস্রোত, হৃদয়ভাঙা উত্তাল স্রোত<br />
কবে কে দেখেছে কোথায়!<br />
থেমে গেছে পদ্মা, মেঘনা, যমুনার স্রোত<br />
সুরমা, মধুমতি, মুহুরি, কুমার, শীতলক্ষা স্থির<br />
জেনে গেছে আজ শোকের দিন<br />
আজ তাকে ভালবাসার দিন।</p>
<p>রাজপথ কাঁপছে, থর থর কাঁপছে<br />
ভবনে ভবনে, ছাদে ছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-280090"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/280090/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2148ceea2c04b537b542a585aa0f64b5</guid>
				<title>বলেছ ভুলে যেতে
..............................................
বলেছ ভুলে যেতে, আচ্ছা
বলতে পার- কত ভুলে যাবো? 
প্রথম দিনের সেই কুসুম ফোঁটা হাসি
বিগলিত লাজনম্র কিশোরী মুখ, যার
চোখের চাহনিতে লজ্জা পেয়েছিল ফুল;
তাকে ফুলে যেতে বলো?
ভুলে যেতে বলো- প্রথম প্রেমে উন্মাদ যুবকের কথা
জানো তার ঘুম ছিল না সেদিন, ছিল না ক্ষুধা কোনো
সারাটা দিন তার চোখে ছিল প্রাপ্তির আনন্দ
আকাশ বাতাস সেদিন নেচেছিল তার সঙ্গে
সবুজ ক্ষেতের কচি গাছ আকাশের দিকে 
মুখ তুলে পাতা নেড়ে নেড়ে গেয়েছিল জয়গান;
তার সবই ভুলে যেতে বলো?
ভুলে যেতে বলো- ভূগোল পরীক্ষায় ধর্মের প্রস্তুতির কথা
বুনো ভ্রমরের কানে কানে বলে দেয়া ভালবাসার কথা
কৃষ্ণচূড়ার রঙ ধার নিয়ে মুখ লাল হয়ে যাওয়ার কথা
নাট্টা, ঘাগড়া বনে অথবা বিলাই অ্যাচড়ার আবিষ্ট স্বভাবের কথা
ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে লুকিয়ে, অতি সঙ্গোপনে 
আড়চোখে দুষ্টু দৃষ্টিতে তোমাকে দেখে নেয়ার কথা
ভুলে যেতে বলো?
কতটা ভুলবো- ভুলে তো গিয়েছি 
ভুলে যেতে চাই আমারও কেউ ছিল
আমার জন্য কেউ পথ চেয়ে থাকতো
স্বপ্নে মালা গাঁথতো, কখনো নোট নেয়ার অজুহাতে
দুটো কথা বলতো, সেই কথা যে উপন্যাস হয়ে যেতো
অক্সিজেন হয়ে বাঁচিয়ে রাখতো!
কিন্তু পারি না কিছুই
আমি পারি না ভুলতে।
.....................................
ঢাকা
২৬.০৯.২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278763/</link>
				<pubDate>Sat, 26 Sep 2026 05:48:08 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বলেছ ভুলে যেতে<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.<br />
বলেছ ভুলে যেতে, আচ্ছা<br />
বলতে পার- কত ভুলে যাবো?<br />
প্রথম দিনের সেই কুসুম ফোঁটা হাসি<br />
বিগলিত লাজনম্র কিশোরী মুখ, যার<br />
চোখের চাহনিতে লজ্জা পেয়েছিল ফুল;<br />
তাকে ফুলে যেতে বলো?<br />
ভুলে যেতে বলো- প্রথম প্রেমে উন্মাদ যুবকের কথা<br />
জানো তার ঘুম ছিল না সেদিন, ছিল না ক্ষুধা কোনো<br />
সারাটা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278763"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278763/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f7e62546f5ed8ad339a291ecf78249d1</guid>
				<title>তুলটে অনেক লেখা পড়ে মনে হয়, এ সব এআই দিয়ে লেখা। লেখার মধ্যে প্রাণ নেই। লেখা কথা বলে না। এটা আমার একান্তই ব্যক্তিগত। আমি ভুল হতে পারি। যদি ভুল হই ক্ষমা করবেন সবাই</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277847/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 06:42:50 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুলটে অনেক লেখা পড়ে মনে হয়, এ সব এআই দিয়ে লেখা। লেখার মধ্যে প্রাণ নেই। লেখা কথা বলে না। এটা আমার একান্তই ব্যক্তিগত। আমি ভুল হতে পারি। যদি ভুল হই ক্ষমা করবেন সবাই</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">56f29968a0f180fd5bbf10a0194d3109</guid>
				<title>আবার যদি দেখা হয়
....................................

আবার যদি দেখা হয়
কোটি মানুষের ভিড়ে যদি মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পড়ি
তখনও কি পাশ কেটে চলে যাবে
সৌরভ ছড়ানো যুবকের হাতে বন্দি তোমার হাত
পিছন ফিরেও কি দেখবে না একবার
দেখবে না- কোনো এক বুভুক্ষু ঠায় দাঁড়িয়ে আছে
হয়তো ফার্মগেট ব্রিজে, টিএসসিতে, ল্যাবরেটরির ক্লাসের কোণে
অথবা নিউ মার্কেটের গেটে, ইডেনের জড়ো ইটকে ছুঁয়ে!
যদি চোখে পড়ে চোখ
হবে কি কবিতা গাঁথা, কোনো পুরানো উপাখ্যান
জীবন পেয়ে গেয়ে উঠবে জীবনের জয়গান
নাকি যে জীবন গেছে সে ফেরে না
তাই ভেবে উল্টো স্রোতে ভাসিয়ে দেবে নাও! 
....................................................
ঢাকা
২৪.০৯.২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277846/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 06:39:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আবার যদি দেখা হয়<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;</p>
<p>আবার যদি দেখা হয়<br />
কোটি মানুষের ভিড়ে যদি মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পড়ি<br />
তখনও কি পাশ কেটে চলে যাবে<br />
সৌরভ ছড়ানো যুবকের হাতে বন্দি তোমার হাত<br />
পিছন ফিরেও কি দেখবে না একবার<br />
দেখবে না- কোনো এক বুভুক্ষু ঠায় দাঁড়িয়ে আছে<br />
হয়তো ফার্মগেট ব্রিজে, টিএসসিতে, ল্যাবরেটরির ক্লাসের কোণে<br />
অথবা নিউ মার্কেটের গ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-277846"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/277846/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">001a9d8ce4e749d888b754d8a2add097</guid>
				<title>সেই কৃষ্ণচূড়া
........................
এখনও ঠায় দাঁড়িয়ে সেই কৃষ্ণচূড়া
চিনতে পারছো না?
আরে ও...ই যে, যে গাছটার নিচে দাঁড়িয়ে
পদার্থবিজ্ঞান বইয়ের ভিতর গোপনে 
অতি গোপনে লুকিয়ে ভরে দিয়েছিলে
নীল খামে এক প্রেমপত্র!
তখন কৃষ্ণচূড়ায় আগুন লেগেছিল
কোকিল, ময়না, শালিকের দল 
গান ধরেছিল তার ডালে ডালে-
দূর গ্রাম থেকে মনে হতো বন জ্বলছে
আকাশটা জ্বলছে, বাতাসের দোলায় দুলছে ফাগুন!

সেই কৃষ্ণচূড়া এখন বুড়িয়ে গেছে
অনেক ঝড়ে এখনও টিকে আছে
এখনও ফাগুন আসে
ফুলে ফুলে লাল হয় পুরো বন
বুড়ো কৃষ্ণচূড়া এখনও লাল হয়
এখনও এর নিচে যুবক-যুবতী আসে
ছবি তোলে-
চিনতে পারছো সেই কৃষ্ণচূড়াকে?
........................................
ঢাকা
২২.০৯.২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277011/</link>
				<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 08:16:34 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সেই কৃষ্ণচূড়া<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;<br />
এখনও ঠায় দাঁড়িয়ে সেই কৃষ্ণচূড়া<br />
চিনতে পারছো না?<br />
আরে ও&#8230;ই যে, যে গাছটার নিচে দাঁড়িয়ে<br />
পদার্থবিজ্ঞান বইয়ের ভিতর গোপনে<br />
অতি গোপনে লুকিয়ে ভরে দিয়েছিলে<br />
নীল খামে এক প্রেমপত্র!<br />
তখন কৃষ্ণচূড়ায় আগুন লেগেছিল<br />
কোকিল, ময়না, শালিকের দল<br />
গান ধরেছিল তার ডালে ডালে-<br />
দূর গ্রাম থেকে মনে হতো বন জ্বলছে<br />
আকাশটা জ্বলছে, ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-277011"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/277011/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0ae9290739a772f801cf5118811d002b</guid>
				<title>অর্ধেক মানব মস্তিষ্কের ইঁদুর তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা

সিজোফ্রেনিয়া, মৃগীরোগ, সেরিব্রাল পালসি, বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধকতা এবং বিরল ধরনের ডিমেনশিয়ার মতো রোগ বোঝা ও নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে অর্ধেক মানব মস্তিষ্কযুক্ত এক রকম ইঁদুর তৈরি করেছেন গবেষকরা। ওইসব ইঁদুরের বাকি অর্ধেক তার নিজের। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষাগারে উৎপাদিত মানব মস্তিষ্কের কোষ এমন কিছু ইঁদুরের শরীরে প্রতিস্থাপন করেছেন, যাদের এমনভাবে জিনগতভাবে পরিবর্তন করা হয়েছিল- যাতে তারা মস্তিষ্কের কর্টেক্স বা হিপোক্যাম্পাস ছাড়াই জন্ম নেয়। এর ফলে ইঁদুরের মাথার খুলির ভেতরে মানব মস্তিষ্কের টিস্যু বেড়ে ওঠার জন্য জায়গা তৈরি হয়।
এই পদ্ধতির ফলে বিজ্ঞানীরা এখন মস্তিষ্কের রোগে আক্রান্ত রোগীদের কাছ থেকে কোষ নিয়ে পরীক্ষাগারে সেগুলোকে মস্তিষ্কের টিস্যুতে রূপান্তর করতে এবং জীবন্ত প্রাণীর শরীরে সেই টিস্যু বেড়ে তুলতে পারবেন। এরপর ওই প্রাণীগুলো নিয়ে গবেষণা করে দেখা যাবে, মানব মস্তিষ্কের টিস্যুতে কীভাবে রোগটি বিকশিত হয় এবং কীভাবে ওষুধের মাধ্যমে এসব রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব। 
স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে এই গবেষণার নেতৃত্ব দেয়া মনোরোগবিদ্যার অধ্যাপক সারজিউ পাশকা বলেন, এসব রোগের চিকিৎসার সমাধান খুঁজে বের করার জন্য গবেষক সমাজ হিসেবে আমরা অনেক চেষ্টা করে আসছি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্য সব শাখার তুলনায় মনোরোগবিদ্যা ও স্নায়ুবিদ্যায় আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। আবার বলছি, চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্য যেকোনো শাখার তুলনায় আমাদের হাতে চিকিৎসার উপায়ও কম। তিনি আরও বলেন, এর কারণ হতে পারে মানব মস্তিষ্ক অত্যন্ত জটিল। তবে এর আরেকটি কারণ হলো মানব মস্তিষ্কে সরাসরি প্রবেশ করা অত্যন্ত কঠিন। মূলত মানব মস্তিষ্কের বিকাশ ও কার্যক্রমের কিছু দিককে গবেষণার জন্য সহজলভ্য করাই আমাদের লক্ষ্য।
এই গবেষণা নিউরাল অর্গানয়েড নিয়ে চলমান গবেষণার সর্বশেষ অগ্রগতি। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষাগারে উৎপাদিত মানব মস্তিষ্কের কোষগুলো একত্র হয়ে ছোট কিন্তু জটিল কাঠামো তৈরি করে, যা প্রকৃত মস্তিষ্কের কিছু বৈশিষ্ট্যের অনুকরণ করে। মস্তিষ্কের চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই প্রযুক্তি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করা হলেও অর্গানয়েড নিয়ে নৈতিক উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো- এই টিস্যুর গুচ্ছ কোনো সময় সচেতন হয়ে উঠতে পারে কি না, কিংবা ব্যথা অনুভব করতে পারে কি না। পাশাপাশি অর্গানয়েড প্রতিস্থাপন করা প্রাণীদের কল্যাণ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
পাশকা বলেছেন, গবেষণার শুরু থেকেই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক নৈতিক তদারকি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ভবিষ্যতেও এই তদারকি অব্যাহত রাখতে হবে। লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের আইন বিভাগের অধ্যাপক এবং নাফিল্ড কাউন্সিল অন বায়োএথিকসের নিউরাল অর্গানয়েড নিয়ে সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনের চেয়ার এমিলি জ্যাকসন বলেন, প্রাণীর কল্যাণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয়। এসব প্রাণীর ওপর এর প্রভাব মূল্যায়নের জন্য তাদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
এর আগে স্ট্যানফোর্ডের গবেষকরা ইঁদুরের মস্তিষ্কে মানব নিউরন প্রতিস্থাপন করেছিলেন। ওই মানব টিস্যু ইঁদুরের মস্তিষ্কে টিকে যায় এবং প্রাণীগুলোর মস্তিষ্কের সার্কিটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে। তবে মানব টিস্যু খুব বেশি বেড়ে ওঠার মতো পর্যাপ্ত জায়গা ছিল না। এই সমস্যা সমাধানে গবেষকরা জিনগতভাবে এমন ইঁদুর তৈরি করেন, যাদের মস্তিষ্কের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ- সেরিব্রাল কর্টেক্স ও হিপোক্যাম্পাসের বৃদ্ধি সীমিত করে দেয়া হয়।
আশ্চর্যজনকভাবে, এসব ইঁদুর বেঁচে যায়। কারণ মস্তিষ্কের অবশিষ্ট অংশগুলো নতুন কিছু ভূমিকা গ্রহণ করে। দেখতে ইঁদুরগুলো স্বাভাবিক হলেও হাঁটার সময় তারা কিছুটা সতর্ক থাকে এবং তাদের স্মৃতিশক্তিও তুলনামূলক দুর্বল। জার্নাল নেচারে প্রকাশিত গবেষণায় পাশকা বর্ণনা করেছেন, কীভাবে মানব মস্তিষ্কের অর্গানয়েড ইঁদুরের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। এসব অর্গানয়েড দান করা মানুষের ত্বকের কোষকে পুনঃপ্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল। জন্মের পরপরই ইঁদুরগুলোর মস্তিষ্কের যেসব অংশ অনুপস্থিত ছিল, সেখানে কয়েক দফায় মানব মস্তিষ্কের কোষ ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করানো হয়। প্রতিটি ইনজেকশনে প্রায় ১ লাখ মানব মস্তিষ্কের কোষ ছিল। সব মিলিয়ে ইঁদুরগুলোর মস্তিষ্কে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ইঁদুরের কোষ ছিল না। এর বিপরীতে তাদের মস্তিষ্কে প্রায় ৪০ লাখ মানব কোষ যুক্ত হয়। আয়তনের হিসাবে এর ফলে মস্তিষ্কের প্রায় অর্ধেক অংশ মানব কোষ দিয়ে গঠিত হয়। অস্ত্রোপচারের তিন মাস পর দেখা যায়, মানব টিস্যু ইঁদুরের রক্ত সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এবং প্রায় পুরো গহ্বরটি পূর্ণ করে ফেলেছে। এটি ইঁদুরের মস্তিষ্কের প্রায় অর্ধেক আয়তন দখল করে নেয়। মানব নিউরনের কিছু অংশ ইঁদুরের মস্তিষ্কের কোষ ও মেরুদ-ের সঙ্গে সংযোগও তৈরি করে। 
তবে মানব নিউরনগুলো মানুষের মস্তিষ্কের মতো একই কাঠামো বা সংযোগব্যবস্থায় গড়ে ওঠেনি। এগুলো ছিল অপরিণত অবস্থায়- মানব গর্ভাবস্থার মাঝামাঝি সময়ের ভ্রƒণের মস্তিষ্কে যে ধরনের টিস্যু পাওয়া যায়, তার সমতুল্য। ‘জেনোকর্টিক্যাল’ ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা দেখতে পান, মানব টিস্যু প্রতিস্থাপনের ফলে ইঁদুরগুলোর কোনো বিশেষ সক্ষমতা তৈরি হয়নি। তবে তাদের টলমলে হাঁটা এবং কিছু জ্ঞানীয় সমস্যা সামান্য উন্নত হয়েছে। মানব মস্তিষ্কের রোগ সম্পর্কে এই ইঁদুরগুলো কীভাবে তথ্য দিতে পারে, তা বোঝাতে গবেষকরা কয়েকটি ইঁদুরকে পাঁচ ঘণ্টা কম অক্সিজেনের পরিবেশে রাখেন। এতে দেখা যায়, মানব স্নায়ুকোষ অক্সিজেনের ঘাটতির প্রতি কতটা সংবেদনশীল। গর্ভাবস্থা ও জন্মের সময় অক্সিজেনের ঘাটতি সেরিব্রাল পালসির কারণ হতে পারে।
গবেষকরা ইঁদুরগুলোর মানব মস্তিষ্কের টিস্যুতে ‘ভন ইকোনোমো নিউরন’ নামে বিরল কিছু কোষও শনাক্ত করেছেন। এর আগে এসব কোষ কেবল মৃত্যুর পর মানুষের মস্তিষ্ক পরীক্ষা করার সময় দেখা গেছে। ফ্রন্টোটেম্পোরাল ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হলে এই কোষগুলো প্রথম দিকেই মারা যায়। এটি ডিমেনশিয়ার একটি বিরল ধরন। পাশকা এখন জেনোকর্টিক্যাল ইঁদুর ব্যবহার করে এই রোগ নিয়ে গবেষণা করার আশা করছেন।
ক্যামব্রিজের এমআরসি ল্যাবরেটরি অব মলিকিউলার বায়োলজির গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক ম্যাডেলিন ল্যাঙ্কাস্টার বলেন, কোনো রোগ ও তার চিকিৎসা নিয়ে গবেষণায় যেখানে একটি সম্পূর্ণ প্রাণীর প্রয়োজন হয়, সেখানে এই পদ্ধতি সবচেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে। তিনি বলেন, ‘মানব মস্তিষ্কের বিকাশ সম্পর্কে এই পদ্ধতি কীভাবে আমাদের জ্ঞান বাড়াবে, তা আমার কাছে তুলনামূলকভাবে কম স্পষ্ট। কারণ এটি বেশ কৃত্রিম এবং স্বাভাবিকভাবে মস্তিষ্ক যেভাবে বিকশিত হয়, তার সঙ্গে এর তেমন মিল নেই।’ মস্তিষ্কের অর্গানয়েড নিয়ে কাজ করা অনেক গবেষকই এখন পরীক্ষাগারের পাত্রে বা ইন ভিট্রো পদ্ধতিতে এগুলো তৈরি করছেন। এর লক্ষ্য হলো গবেষণায় ব্যবহৃত প্রাণীর সংখ্যা কমিয়ে আনা।
ল্যাঙ্কাস্টার আরও বলেন, ‘এটি স্পষ্টতই একটি নৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয় এবং প্রাণীর ওপর এ ধরনের পরীক্ষা চালানোর জন্য খুব ভালো কারণ থাকা প্রয়োজন। বেশিরভাগ বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রাণী পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না।’ তিনি বলেন, ‘এই ক্ষেত্রের লক্ষ্য এখনো পুরোপুরি ইন ভিট্রো পদ্ধতিতে সমাধান খুঁজে বের করা। তবে এই গবেষণা আরও পরিণত পর্যায়ে পৌঁছাতে ইন ভিট্রো মডেলগুলোকে কীভাবে উন্নত করা প্রয়োজন, সে বিষয়েও তথ্য দিতে পারে।’</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276298/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 12:41:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অর্ধেক মানব মস্তিষ্কের ইঁদুর তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা</p>
<p>সিজোফ্রেনিয়া, মৃগীরোগ, সেরিব্রাল পালসি, বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধকতা এবং বিরল ধরনের ডিমেনশিয়ার মতো রোগ বোঝা ও নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে অর্ধেক মানব মস্তিষ্কযুক্ত এক রকম ইঁদুর তৈরি করেছেন গবেষকরা। ওইসব ইঁদুরের বাকি অর্ধেক তার নিজের। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষাগারে উৎপাদিত মানব মস্ত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276298"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276298/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ee1202826d8c9b86dfb10c5c6d70c086</guid>
				<title>মা, তোমাকে চিঠি লিখবো
কি লিখবো মা!
আর্তনাদ? হাহাকার? নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার বেদনাকাব্য
নাকি তোমার মুখের ‘বাজান’ ডাক? কোন কথা লিখব?
ভাবতে ভাবতে শুধুই অশ্রু জমে নয়নে, বুকের ভিতর
টর্নেডোয় ভেঙে দেয় সব কিছু, বালুর ঢিবির মতো
চূর্ণবিচূর্ণ হয় সব, পড়তে পড়তে উঠে দাঁড়াই
অকস্মাৎ তোমার ছায়া, অবিকল তোমার মুখ
হেসে ওঠে, দু’হাত প্রসারিত হয়ে স্পর্শ করে মাথা
তুমি হাসো, তুমি কি যেন বলে যাও
কি বলো মা? 
তোমার কাছে ডাকো? নাকি তেমনি করে তোমার প্রার্থনা-
‘আল্লাহ আমার বাজানরে তুমি দেইখো
একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই দাও’।
মা তোমার কাছে কত কথাই তো বলতে ইচ্ছে করে
চিঠি লিখি, পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা, লিখি লিখি আর লিখি
আনমনে লিখি, কিন্তু তোমার ঠিকানায় ডাকপিয়ন 
যায় না। আমি চিঠি বুকে জড়িয়ে ধরে বসে আছি। 
যখন দেখা হবে, আমিই সঙ্গে করে নিয়ে যাবো
তোমার কাছে। 
......................................................
ঢাকা
১৩.০৯.২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273667/</link>
				<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 14:47:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মা, তোমাকে চিঠি লিখবো<br />
কি লিখবো মা!<br />
আর্তনাদ? হাহাকার? নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার বেদনাকাব্য<br />
নাকি তোমার মুখের ‘বাজান’ ডাক? কোন কথা লিখব?<br />
ভাবতে ভাবতে শুধুই অশ্রু জমে নয়নে, বুকের ভিতর<br />
টর্নেডোয় ভেঙে দেয় সব কিছু, বালুর ঢিবির মতো<br />
চূর্ণবিচূর্ণ হয় সব, পড়তে পড়তে উঠে দাঁড়াই<br />
অকস্মাৎ তোমার ছায়া, অবিকল তোমার মুখ<br />
হেসে ওঠে, দু’হাত প্রসারিত হয়ে স্পর্শ করে মাথ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273667"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273667/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">87fc1a88ed74a8e5f3ce0c92a78c27d6</guid>
				<title>এক ভোরে
(শ্রদ্ধেয় সাহিত্যিক আমীরুল ইসলামকে সমর্পিত)
.........................................................................
চলে গেলেন, চলে যেতে হয়, নিয়মই তো তাই
আজ যান তিনি, কাল আমি, এমনই তো যাই।
তালিকা দীর্ঘ হয়, পথ ছাড়তে হয়, নতুনের তরে
বিষাদের সুর মুছে একদা আনন্দ আসে নতুনের ঘরে।
শুধু চলে যায়, পিছু না তাকায়, কাঁদে প্রিয়জন
কি করে বোঝাই, কেমনে বুঝি মানে নাতো মন।
যাওয়ার আগে, বড় সাধ জাগে, আলো করে ঘর
তারপর চলে যাব, এক ভোরে হয়ে যাবো নিথর। 
......................................................................
Dhaka
12.09.26</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273193/</link>
				<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 09:21:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এক ভোরে<br />
(শ্রদ্ধেয় সাহিত্যিক আমীরুল ইসলামকে সমর্পিত)<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.<br />
চলে গেলেন, চলে যেতে হয়, নিয়মই তো তাই<br />
আজ যান তিনি, কাল আমি, এমনই তো যাই।<br />
তালিকা দীর্ঘ হয়, পথ ছাড়তে হয়, নতুনের তরে<br />
বিষাদের সুর মুছে একদা আনন্দ আসে নতুনের ঘরে।<br />
শুধু চলে যায়, পিছু না তাকায়, কাঁদে প্রিয়জন<br />
কি করে বোঝাই,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273193"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273193/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2ce8b4828500eba6d86e294abef534af</guid>
				<title>তোমার চোখের নেশায়

তোমার চোখের নেশায় চাঁদ তারা চেয়ে রয়
সারারাত ক্লান্তিহীন, ঘুমহীন
গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরত, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত
গরম ঠাণ্ডা বর্ষায় ভিজে ঠায় উপুর হয়ে থাকে
ওই দু’চোখের মোহে।
ওই চোখের মণিতে লুকানো এলিয়েন বিশ্ব
অগ্রন্থিত ভালবাসার এক দুনিয়া
যে কবি দেখিবারে পায় তারে, সেতো
হয় বিবাগী, আমারই মতো।
............................................

ঢাকা
১০.০৯.২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272367/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 06:22:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তোমার চোখের নেশায়</p>
<p>তোমার চোখের নেশায় চাঁদ তারা চেয়ে রয়<br />
সারারাত ক্লান্তিহীন, ঘুমহীন<br />
গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরত, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত<br />
গরম ঠাণ্ডা বর্ষায় ভিজে ঠায় উপুর হয়ে থাকে<br />
ওই দু’চোখের মোহে।<br />
ওই চোখের মণিতে লুকানো এলিয়েন বিশ্ব<br />
অগ্রন্থিত ভালবাসার এক দুনিয়া<br />
যে কবি দেখিবারে পায় তারে, সেতো<br />
হয় বিবাগী, আমারই মতো।<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;..&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272367"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272367/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1ae34269dd043672c99299f2bd16f330</guid>
				<title>দশকের পর দশক অমীমাংসিত গণিতের সমস্যার সমাধান দাবি ওপেনএআইয়ের

প্রায় এক শতাব্দী ধরে গণিতবিদদের যে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাটি ভাবিয়ে তুলেছে, সেটির সমাধান করার দাবি করেছে ওপেনএআই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)নির্ভর এই উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি কয়েক মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে বলে জানা গেছে। 

চ্যাটজিপিটির নির্মাতা ওপেনএআই জানিয়েছে, তারা ‘নাভিয়ের-স্টোকস সমস্যা’র সমাধান করেছে। এটি গণিতের অন্যতম বড় অমীমাংসিত প্রশ্ন হিসেবে ক্লে ম্যাথমেটিকস ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত সাতটি ‘মিলেনিয়াম প্রাইজ সমস্যা’র একটি।

তবে ওপেনএআইয়ের এই ঘোষণার পরপরই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গণিতবিদ ত্রিস্তান বাকমাস্টার দাবি করেছেন, তিনি এবং ওপেনএআইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিকের আরেক গবেষক নিজেদের অগ্রগতির ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন- এমন খবর শোনার পর ওপেনএআই এই সমস্যাটি নিয়ে তাদের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেয়।

বাকমাস্টারের আরও উদ্বেগের কারণ হলো, তাদের চলমান গবেষণার কাজ ওপেনএআইয়ের কোডেক্স মডেলে সংরক্ষিত ছিল। কম্পিউটার প্রোগ্রাম লেখার কাজে ব্যবহৃত এই মডেলের মাধ্যমে ওই গবেষণার তথ্য ওপেনএআইয়ের দলের কাছে দৃশ্যমান হয়ে থাকতে পারে।

নিজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক নথিতে বাকমাস্টার লিখেছেন, “তাদের মডেল কী করেছে বা কীভাবে করেছে, আমি জানি না। আমাদের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, তাও জানি না। আমি কাউকে কোনো কিছুর জন্য অভিযুক্ত করছি না।”

মঙ্গলবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ওপেনএআইয়ের গবেষক সেবাস্তিয়ান বুবেক অস্বীকার করেন যে প্রতিষ্ঠানটি ওই দুই গবেষকের কাজ ব্যবহার করেছে বা ওপেনএআইয়ের সার্ভারে শেয়ার করা কোনো উপাদানে প্রবেশ করেছে।

ওপেনএআই তাদের অগ্রগতির ঘোষণা দিয়ে প্রকাশিত বিবৃতিতে আরও বিস্তারিত জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, দুটি মিলেনিয়াম প্রাইজ সমস্যার সমাধান হয়ে গেছেÑএমন গুজব শোনার পরই তারা এই উদ্যোগ শুরু করার অনুপ্রেরণা পায়। একই সঙ্গে তারা স্বীকার করেছে, ওই দুই গবেষক ওপেনএআইয়ের পণ্য ব্যবহার করার সময় যে তথ্য তৈরি করেছিলেন, তা তাদের মডেল উন্নত করতে কোনোভাবে সহায়তা করে থাকতে পারেÑএ সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।

ওপেনএআই জানিয়েছে, তারা নাভিয়ের-স্টোকস সমস্যার সমাধানে নিজেদের একটি অভ্যন্তরীণ এআই ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে, যা তাদের সর্বশেষ জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রা মডেলের চেয়েও শক্তিশালী। একই সময়ে প্রায় ১০ হাজার এআই এজেন্টÑঅর্থাৎ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম এআই ব্যবস্থা- সমস্যাটি নিয়ে কাজ করেছে। তারা ৮৮ ঘণ্টার মধ্যে সমাধানে পৌঁছায়।

ওপেনএআইয়ের গবেষকেরা একটি ব্লগ পোস্টে লিখেছেন, “আমাদের কাজের একটি বড় লক্ষ্য হলো বিজ্ঞানীদের এমন গবেষণা ও প্রযুক্তির অগ্রগতিতে সক্ষম করা, যা সমগ্র মানবজাতির জন্য উপকারী। এআইয়ের অগ্রগতির গতি এবং আসন্ন মডেলগুলো থেকে কী প্রত্যাশা করা যায়, সে বিষয়ে বিশ্বকে জানানো গুরুত্বপূর্ণ বলে আমরা মনে করি।”

এই অগ্রগতি আরও একবার দেখিয়ে দিল, বিপুল পরিমাণ কম্পিউটিং শক্তি ব্যবহার করা উন্নত এআই মডেলগুলো কীভাবে গণিতের জগতে প্রবেশ করছে এবং এই ক্ষেত্রটিকে নতুনভাবে রূপ দিচ্ছে।

এর আগে মে মাসে ওপেনএআই প্রায় ৮০ বছর আগে উত্থাপিত আরেকটি গাণিতিক সমস্যার সমাধানে অগ্রগতির দাবি করেছিল। গুগল ডিপমাইন্ডও তাদের এআই মডেল ব্যবহার করে গণিতে সাফল্যের দাবি করেছে।

বুবেক বলেন, নাভিয়ের-স্টোকস সমস্যার সমাধান হলো “গত ১২ মাসে আমরা যে অগ্রগতির ধারা দেখেছি, তার এক অসাধারণ পরিণতি।”

নাভিয়ের-স্টোকস সমস্যা মূলত জানতে চায়, বায়ু ও পানির মতো তরলের গতিবিধি বর্ণনা করতে ব্যবহৃত সমীকরণগুলো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অকার্যকর হয়ে পড়ে কি না। ওপেনএআইয়ের প্রমাণ থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, কিছু ক্ষেত্রে তা সত্যি হতে পারে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সমীকরণগুলোর মান ‘বিস্ফোরিত’ হয়ে তরলের গতিবেগ অসম্ভব রকমের অসীম হয়ে যেতে পারে।

ওপেনএআই জানিয়েছে, তাদের জিপিটি-৬ অ্যাস্ট্রা মডেলের সমাধানটি যাচাই করতে প্রায় ১৭ ঘণ্টা সময় লেগেছে।

মিলেনিয়াম প্রাইজ সমস্যাগুলোর যেকোনো একটি সমাধান করতে পারলে গণিতবিদদের জন্য ক্লে ম্যাথমেটিকস ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে ১০ লাখ ডলার (প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড) পুরস্কারের সুযোগ রয়েছে। তবে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যায়নে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া ওপেনএআই জানিয়েছে, তারা এই পুরস্কার দাবি করবে না।

বাকমাস্টারের সঙ্গে বিরোধের বিষয়টি বাদ দিলেও, গণিতের এই ঘোষণাটি এমন এক সময়ে ওপেনএআইয়ের জন্য ইতিবাচক প্রচারের সুযোগ তৈরি করেছে, যখন প্রতিষ্ঠানটির এআই প্রযুক্তি কতটা নিরাপদভাবে তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

জুলাইয়ে ওপেনএআই জানিয়েছিল, সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় তাদের এআই এজেন্টদের একটি দল হাগিং ফেসে অনুপ্রবেশ করেছিল। হাগিং ফেস একটি তৃতীয় পক্ষের সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম।

অ্যানথ্রপিকেও একই ধরনের একটি ঘটনার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এসব ঘটনার পর এআই উন্নয়নের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের দাবি নতুন করে জোরালো হয়েছে। গত সপ্তাহে মার্কিন সিনেটররা এআইয়ের ‘সুপারইন্টেলিজেন্স’Ñঅর্থাৎ সব ধরনের জ্ঞানগত কাজে মানুষের চেয়ে বেশি সক্ষম এআই ব্যবস্থাÑস্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তথ্যসূত্র: গার্ডিয়ান</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271899/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 04:37:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দশকের পর দশক অমীমাংসিত গণিতের সমস্যার সমাধান দাবি ওপেনএআইয়ের</p>
<p>প্রায় এক শতাব্দী ধরে গণিতবিদদের যে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাটি ভাবিয়ে তুলেছে, সেটির সমাধান করার দাবি করেছে ওপেনএআই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)নির্ভর এই উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি কয়েক মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে বলে জানা গেছে। </p>
<p>চ্যাটজিপিটির নির্মাতা ওপেনএআই জানিয়েছে, তারা ‘নাভিয়ের-স্টোকস সমস&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-271899"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/271899/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5c72ccff6ef7d36d1f7169d5f76d8fe0</guid>
				<title>স্কুলের সেই দিনগুলো

নন্দিনী তুমি এখনও হেঁটে যাও কাঁচা রাস্তা ধরে
তোমার কোমড়ে ঠেকিয়ে হাত দিয়ে বই ধরা
শরত, হেমন্তের কলমি ফুলের মতো দুলে দুলে
হেঁটে যাও, বাতাসে সুঘ্রাণ ছড়িয়ে যাও
চুলের গন্ধে পুরো মাঠ, ঘাট যতদূর দেখা যায়
মৌ মৌ করে। থমকে থাকে বুড়ো বটগাছ
গান থামিয়ে দেয় বুনো প্রজাপতি-
আর আমি?
আমি সেই ঘ্রাণ শুঁকতে শুঁকতে দূরত্ব রেখে
হেঁটে যাই, দূর থেকে তোমাকে দেখি-
কোথাকার অপ্সরী এক নেমে এসেছে ধরায়
তার চুলে মেঘের অনিমেষ কালো
কপোতীর চোখ যেন তার 
মোহন বাঁশীর মতো নাক
কমলালেবুর মতো ওষ্ঠ
তোমার মুখে উচ্চারিত শব্দ মনে হয়
সবচেয়ে মিষ্টি ভাষা।
আমি মোহবিষ্ট হয়ে তাকিয়ে থাকি
তোমাকে দেখি
তোমার হেলেদুলে চলাকে কবিতা মনে হয়
আমি এক আবিষ্ট কবি’র মতো তাকিয়ে থাকি সেদিকে। 
সেকথা বলা হয়নি কোনোদিন
নন্দিনী! যদি এই লেখা চোখে পড়ে তোমার
জেনে নিও তোমার জন্য কোনো এক কবি 
এখনও অপেক্ষায়।
........................................................
ঢাকা
০৬-০৯-২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/270563/</link>
				<pubDate>Sun, 06 Sep 2026 10:41:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্কুলের সেই দিনগুলো</p>
<p>নন্দিনী তুমি এখনও হেঁটে যাও কাঁচা রাস্তা ধরে<br />
তোমার কোমড়ে ঠেকিয়ে হাত দিয়ে বই ধরা<br />
শরত, হেমন্তের কলমি ফুলের মতো দুলে দুলে<br />
হেঁটে যাও, বাতাসে সুঘ্রাণ ছড়িয়ে যাও<br />
চুলের গন্ধে পুরো মাঠ, ঘাট যতদূর দেখা যায়<br />
মৌ মৌ করে। থমকে থাকে বুড়ো বটগাছ<br />
গান থামিয়ে দেয় বুনো প্রজাপতি-<br />
আর আমি?<br />
আমি সেই ঘ্রাণ শুঁকতে শুঁকতে দূরত্ব রেখে<br />
হেঁটে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-270563"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/270563/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">41b210ea0975075b98dcefdc1853e930</guid>
				<title>বিবর্ণ এক চিঠি

বিবর্ণ একটি চিঠির খাম
বিদায়ের সময় হাতে নিতে চাইনি
ব্যাকপ্যাকের পকেটে ঢুকিয়ে দিয়েছিলে।
তিরিশ বছর কেটে গেছে
টেবিলের ড্রয়ারে স্মৃতি হয়ে আছে
খোলার সাহস হয়নি কোনোদিন
কি জানি ভিতরে কি আছে
কি লেখা আছে!
তুমি চলে যাওয়ার পর ঘুমহীন কেটেছে রাতের পর রাত
ঝাঁপসা চোখে তারা গুনেছি আকাশে
পূর্ণিমার রাতকেও মনে হয়েছে অমাবশ্যা
অনেক সময় সিগারেট ধরাতে ইচ্ছে হয়েছে
কিন্তু না, যাতে বিষ আছে তাতে ঠোঁট কলঙ্কিত করি নি
কখনো রাতে এককাপ চা নিয়ে চিত্রা সিং, মান্না দে
শুনতে শুনতে কখন চায়ের কাপ ঠাণ্ডা হয়ে গেছে!
অনেকবার চিঠিটি খুলতে চেয়েছি
সাহস হয়নি তবুও
বুকের ওপর রেখে শেষ রাতে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদেছি
কি লেখা আছে চিঠিতে!
কি আর লিখতে পার
কি লিখবে, যখন সব সম্পর্কের সুতা কেটে দিয়েছ
যখন অবলীলায় আনফ্রেন্ড করে দিয়েছ ফে-বুকে
তখন কোন সাহসে খুলবো সে চিঠি
খামটা বরং এভাবেই থাক-
অছিয়তনামায় বলে যাবো- আমার কবরে 
পৌঁছে দিও চিঠিখানা!!!
............................
ঢাকা
০৩-০৯-২৬</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/269097/</link>
				<pubDate>Thu, 03 Sep 2026 06:40:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিবর্ণ এক চিঠি</p>
<p>বিবর্ণ একটি চিঠির খাম<br />
বিদায়ের সময় হাতে নিতে চাইনি<br />
ব্যাকপ্যাকের পকেটে ঢুকিয়ে দিয়েছিলে।<br />
তিরিশ বছর কেটে গেছে<br />
টেবিলের ড্রয়ারে স্মৃতি হয়ে আছে<br />
খোলার সাহস হয়নি কোনোদিন<br />
কি জানি ভিতরে কি আছে<br />
কি লেখা আছে!<br />
তুমি চলে যাওয়ার পর ঘুমহীন কেটেছে রাতের পর রাত<br />
ঝাঁপসা চোখে তারা গুনেছি আকাশে<br />
পূর্ণিমার রাতকেও&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-269097"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/269097/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5837670248d2005bb94c1d3b160c65f0</guid>
				<title>ডার্ক ম্যাটার কি অবশেষে খুঁজে পাওয়া গেল? 
বিজ্ঞানীরা হয়তো প্রথমবারের মতো ডার্ক ম্যাটারের ঝলক দেখতে পেয়েছেন। ধারনা করা হয়, মহাবিশ্বকে একসঙ্গে ধরে রাখে এই রহস্যময় পদার্থ। গবেষকরা ভূগর্ভের গভীরে এমন একটি অস্বাভাবিক কণার মিথস্ক্রিয়া শনাক্ত করেছেন, যার ব্যাখ্যা দিতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। তারা এমন একটি সংঘর্ষের সম্ভাব্য চিহ্ন দেখেছেন, যেখানে একটি সাধারণ পরমাণুর সঙ্গে বিজ্ঞানের কাছে অজানা একটি কণার সংঘর্ষ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। যদি সত্যিই তা হয়ে থাকে, তাহলে এটি বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় রহস্যগুলোর একটি সমাধানে সহায়তা করতে পারে- মহাবিশ্বের বড় একটি অংশ আসলে কী দিয়ে গঠিত, তা জানা যেতে পারে।
প্রায় এক শতাব্দী ধরে ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্বের ধারণা দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কয়েক দশক ধরে অনুসন্ধান চালিয়েও বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত সরাসরি এর অস্তিত্ব শনাক্ত করতে পারেননি। ধারণা করা হয়, মহাবিশ্বের মোট পদার্থের প্রায় ৮৫ শতাংশই ডার্ক ম্যাটার। তবে এটি আলো শোষণ, প্রতিফলন বা নির্গত করে না। ফলে এটি কার্যত অদৃশ্য।
এবার ছয়টি দেশের ৩৯টি প্রতিষ্ঠানের ২৫০ জন বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীর একটি আন্তর্জাতিক দল এমন কিছু শনাক্ত করেছে, যা এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিতে পারে। গবেষকরা বিশ্বের অন্যতম সংবেদনশীল ডার্ক ম্যাটার শনাক্তকারী যন্ত্র লাক্স-জেপেলিন (এলজেড) পরীক্ষার দুই বছরের তথ্য অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটায় প্রায় এক মাইল পাথরের নিচে স্থাপিত বিশাল এই শনাক্তকারী যন্ত্রটিতে ১০ টন অতি বিশুদ্ধ তরল জেনন রয়েছে। ডার্ক ম্যাটারের কোনো কণা জেনন পরমাণুর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে যে অত্যন্ত ক্ষীণ আলোর ঝলক তৈরি হওয়ার কথা, সেটি ধরাই এই পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য।
উপরের পাথরের স্তর মহাজাগতিক রশ্মি থেকে পরীক্ষাটিকে সুরক্ষা দেয়। পাশাপাশি অতিরিক্ত শনাক্তকারী যন্ত্র ও অত্যাধুনিক কম্পিউটার ব্যবস্থা ব্যবহার করে সাধারণ পদার্থ থেকে সৃষ্ট সংকেতগুলো বাদ দেয়া হয়। কিন্তু গবেষকরা যখন তথ্য বিশ্লেষণ করেন, তখন প্রত্যাশিত পটভূমি সংকেতের মধ্যে একটি কণার মিথস্ক্রিয়া তাদের নজরে আসে, যা অন্যগুলোর তুলনায় ব্যতিক্রমী ছিল। এটি সম্ভবত উইকলি ইন্টার‌্যাক্টিং ম্যাসিভ পার্টিকল বা ডব্লিউআইএমপি-ডার্ক ম্যাটারের অন্যতম প্রধান সম্ভাব্য বিষয়- থেকে সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।
ইউনিভার্সিটি অব ব্রিস্টলের গবেষক এবং এই বিশ্লেষণের প্রধান লেখক ড. স্যাম এরিকসেন বলেন, প্রায় এক শতাব্দী ধরে বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ পদার্থ গঠনকারী ডার্ক ম্যাটারকে আরও ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, এই বিশ্লেষণে তারা যা পর্যবেক্ষণ করেছেন, তা ডার্ক ম্যাটারকে একটি কণা হিসেবে বোঝার ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে। তিনি আরও বলেন, বিপুল বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার পর এমন একটি ফলাফল পাওয়া অত্যন্ত রোমাঞ্চকর। তবে গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এটি মাত্র একটি ঘটনা। ডার্ক ম্যাটার আবিষ্কৃত হয়েছে বলে ঘোষণা করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
এই ফলাফলের পরিসংখ্যানগত তাৎপর্য ২.৬ সিগমা। অর্থাৎ প্রত্যাশিত স্বাভাবিক পটভূমি প্রক্রিয়া থেকে এতটা অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ০.৫ শতাংশ। সাধারণত কোনো আবিষ্কার নিশ্চিতভাবে ঘোষণা করার আগে পদার্থবিজ্ঞানীরা ৫ সিগমা মাত্রার পরিসংখ্যানগত তাৎপর্য চান। ব্রাউন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রিক গেইটস্কেল বলেন, যে অঞ্চলে ডার্ক ম্যাটারের সংকেত পাওয়ার প্রত্যাশা করা হয় এবং যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী পটভূমি সংকেত খুবই কম, ঠিক সেখানেই এই ঘটনাটি তথ্যের মধ্যে দেখতে পাওয়া অত্যন্ত আগ্রহোদ্দীপক। তিনি বলেন, মাত্র একটি ঘটনা নিয়ে আমরা নিজেদের সিদ্ধান্তে এগিয়ে যেতে চাই না। আমরা ডার্ক ম্যাটার দেখেছি বলে দাবি করছি না। তবে আমরা এমন কিছু আকর্ষণীয় বিষয় দেখেছি, যা বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই, যাতে তারা এটি নিয়ে মতামত দিতে পারেন।
গবেষকরা জানিয়েছেন, সাধারণ পদার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত সম্ভাব্য ব্যাখ্যাগুলো তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করেছেন। তবে এখনো এই অস্বাভাবিক ঘটনার কোনো সুস্পষ্ট কারণ তারা খুঁজে পাননি। ড. এরিকসেন জাপানে অনুষ্ঠিত ২০২৬ টেভি পার্টিকল অ্যাস্ট্রোফিজিক্স সম্মেলনে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন। ফলাফলগুলো এখন অন্যান্য বিজ্ঞানীর পর্যালোচনার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে এবং প্রকাশের জন্য একটি বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতেও জমা দেয়া হয়েছে।
ডার্ক ম্যাটার কী?
ডার্ক ম্যাটার একটি কাল্পনিক পদার্থ, যা মহাবিশ্বের মোট গঠনের আনুমানিক ২৭ শতাংশ বলে ধারণা করা হয়। এই রহস্যময় পদার্থ অদৃশ্য, কারণ এটি আলো প্রতিফলিত করে না। এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা এটিকে সরাসরি পর্যবেক্ষণও করতে পারেননি। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এর অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা করেন পরিচিত পদার্থের ওপর এর মহাকর্ষীয় প্রভাবের কারণে। ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি (ইএসএ) একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছে। সম্পূর্ণ অন্ধকার একটি ঘরে টর্চ জ্বালালে টর্চের আলো যেখানে পড়ে, কেবল সেখানেই আমরা কিছু দেখতে পাই। এর অর্থ এই নয় যে আলোর বাইরে ঘরটির কোনো অস্তিত্ব নেই। একইভাবে, বিজ্ঞানীরা জানেন ডার্ক ম্যাটার রয়েছে, কিন্তু এখনো তারা এটিকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারেননি। ধারণা করা হয়, ডার্ক ম্যাটারই মহাকর্ষীয় ‘আঠা’ হিসেবে কাজ করে গ্যালাক্সিগুলোকে একসঙ্গে ধরে রাখে।
হিসাব-নিকাশ অনুযায়ী, ডার্ক ম্যাটারের বিপুল উপস্থিতি না থাকলে অনেক গ্যালাক্সি নিজেদের মহাকর্ষীয় কাঠামো ধরে রাখতে পারত না এবং ঘূর্ণনের সময় ছিন্নভিন্ন হয়ে যেত। পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্বের মাত্র প্রায় ৫ শতাংশ পরিচিত পদার্থÑযেমন পরমাণু ও উপপরমাণবিক কণা-দিয়ে গঠিত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/268607/</link>
				<pubDate>Wed, 02 Sep 2026 07:32:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ডার্ক ম্যাটার কি অবশেষে খুঁজে পাওয়া গেল?<br />
বিজ্ঞানীরা হয়তো প্রথমবারের মতো ডার্ক ম্যাটারের ঝলক দেখতে পেয়েছেন। ধারনা করা হয়, মহাবিশ্বকে একসঙ্গে ধরে রাখে এই রহস্যময় পদার্থ। গবেষকরা ভূগর্ভের গভীরে এমন একটি অস্বাভাবিক কণার মিথস্ক্রিয়া শনাক্ত করেছেন, যার ব্যাখ্যা দিতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। তারা এমন একটি সংঘর্ষের সম্ভাব্য চিহ্ন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-268607"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/268607/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">49e52e6bffe3a29da4d8b375eb1fbf94</guid>
				<title>Mohammad Abul Hosein changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/267548/</link>
				<pubDate>Sun, 30 Aug 2026 14:53:00 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>