<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Nahar moyna | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/moyna/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/moyna/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Nahar moyna.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 21 Jul 2026 23:01:22 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">d417e86f0b78f249393aef7923166d7a</guid>
				<title>★★প্রিয় সন্তান, ★★
নাহার সুলতানা ময়না 

তুমি পৃথিবীতে আসবে সেই অপেক্ষায়, 
আমি প্রতি সেকেন্ড প্রতি মিনিট 
কাটিয়ে দিয়েছি অসহনীয় যন্ত্রণায়। 
কষ্ট গুলো নির্ধারিত ছিলো মেনেছি মহা খুশিতে, 
ভূমিষ্ট হলে এ ধরায় এলে 
প্রতিটি রাত নির্ঘুম তোমার নিঃশ্বাস গুনে গুনে 
একটিবারও দেয়নি চোখের পলক ফেলিতে। 
যখন হামাগুড়ি দিলে একপা দু পা হাটতে শিখলে, 
আমি পিছু ছাড়িনি 
কখন ব্যাথা পাও পরে গিয়ে বে খেয়ালে। 
রং ধনুর সাত রঙে সেরা রং খুঁজেছি 
কোন রঙে তোমাকে মানায়,
লাল সবুজ, নীল বেগুনি  নাকি সাদায়? 
তোমার খাবার, তোমার পোশাক 
তোমার খুশি তোমার আনন্দ তোমার ভালো থাকা, 
আমার ধ্যান আমার জ্ঞান শুধু এটাই
বেলা শেষে তোমায় ভালো রাখা। 
আমার শেষ নিঃশ্বাস তোমার গুনতে হবেনা। 
আমার কাফন তোমায় বেছে আনতে হবে না। 
আমার দাফন তোমায় করতে হবেনা। 
প্রার্থনা রেখো তুমি ভালো আছো 
এটা যেন দেখে যেতে পারি 
সুখে আছো যেনে যেন মরি। 
আদোও আদোও স্বরে প্রথম মা বলে ডেকেছো,
সেদিনই আমার সব ঋণের ভার চুকে দিয়েছো। 

         ★★★★★★ মা ★★★★★★</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/257038/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Jul 2026 16:10:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>★★প্রিয় সন্তান, ★★<br />
নাহার সুলতানা ময়না </p>
<p>তুমি পৃথিবীতে আসবে সেই অপেক্ষায়,<br />
আমি প্রতি সেকেন্ড প্রতি মিনিট<br />
কাটিয়ে দিয়েছি অসহনীয় যন্ত্রণায়।<br />
কষ্ট গুলো নির্ধারিত ছিলো মেনেছি মহা খুশিতে,<br />
ভূমিষ্ট হলে এ ধরায় এলে<br />
প্রতিটি রাত নির্ঘুম তোমার নিঃশ্বাস গুনে গুনে<br />
একটিবারও দেয়নি চোখের পলক ফেলিতে।<br />
যখন হামাগুড়ি দিলে একপা দু পা হাটতে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-257038"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/257038/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">77897555c938a5eaf7715886592ea99f</guid>
				<title>অন্তিম ছায়া, 
নাহার সুলতানা ময়না। 
অনুভূতির স্থান গুলো যখন শুন্য হয়ে যায় 
বেঁচে থাকার প্রত্যাশাটা ও বোধ করি ফুরায়। 
তাই জীবনে নেই কোন যোগ বিয়োগ 
ভাঙ্গা গড়ার খেয়ালে সহস্র বার নিজেকে হারিয়ে 
ভগ্নাংশে ভাগ করেছি সকল অভিযোগ। 
পুনঃ জন্মেও রবেনা ফেরার তাগিদ 
পৃথিবীর হিসেব নিকেশ কষা শেষ,
সম্পর্কের মায়ার বাঁধন চিহ্ন করে 
পারি দিবো অনন্তে রেখে স্মৃতির রেশ। 
মৃত্তিকার নিতম্বে অস্তিত্ব রেখে পতিত, 
হবে তিমির আধার চতুর্পাশ 
নীল গগন থাকবেনা তারায় খচিত। 
পথের ধুলোয় পদ চিহ্ন গুলো মুছে যাবে, 
না ফোটা ফুল গুলো ভোরের আলোয় পরে রবে। 
গেয়ে যাবে নিশুতি রাতের গান,
বেজে যাবে করুন সুরের আহবান। 
প্রাপ্তিটুকু গুঁজে মৃত্তিকার নিতম্বে 
জন্মাবেনা নতুন বোধের অবতারণা, 
গ্যালারিতে পিক রয়ে যাবে নিয়ে  সান্তনা। 
জীবনের ক্যানভাসে কেউ আচর কাটবেনা, 
সাদাই রয়ে যাবে রঙে আর ছু্ঁই বেনা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256882/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Jul 2026 08:51:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অন্তিম ছায়া,<br />
নাহার সুলতানা ময়না।<br />
অনুভূতির স্থান গুলো যখন শুন্য হয়ে যায়<br />
বেঁচে থাকার প্রত্যাশাটা ও বোধ করি ফুরায়।<br />
তাই জীবনে নেই কোন যোগ বিয়োগ<br />
ভাঙ্গা গড়ার খেয়ালে সহস্র বার নিজেকে হারিয়ে<br />
ভগ্নাংশে ভাগ করেছি সকল অভিযোগ।<br />
পুনঃ জন্মেও রবেনা ফেরার তাগিদ<br />
পৃথিবীর হিসেব নিকেশ কষা শেষ,<br />
সম্পর্কের মায়ার বাঁধন চিহ্ন করে<br />
পারি দিবো অনন্তে রেখে স্ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256882"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256882/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">17f8c48cac12ea42d24f8f32e70430d9</guid>
				<title>ইচ্ছের অপমৃত্যু 
নাহার সুলতানা ময়না 
কৈশোরে আহলাদ করা হয়ে উঠেনি 
ঘরকন্নায় প্রথম বা শেষ ছিলাম না বলে, 
শৈশবে নৈপুণ্য প্রদর্শন করা হয়নি
সহোদর রক্ষণাবেক্ষণের ছলে। 
যৌবনে উল্লাস করতে পারিনি ধর্মের নিয়মানুবর্তিতা, পারিপার্শ্বিক সংস্কার, 
পারিবারিক শাসন নামে নিপীড়ন, 
তার পর শশুর অলয়, নাথ,অপত্য মায়ার বাঁধন। 
সময়ের চক্র বেধে বয়ঃক্রম, আয়ুষ্কাল 
ভাবলাম এখন বুঝি ইচ্ছে পুরণের সময় 
কালের বর্ধমানে কখন যে বার্ধক্য দ্বার প্রান্তে 
এসে সজোরে কড়া নাড়তে শুরু করছে
বুজার ফুরসতই হয়নি, 
বলিরেখা বরাট কুঁচকানো ললাটে নীল টিপ 
ঝুলে যাওয়া কপোলে সখের লাল তীল 
বড্ড বেমানান লাগে আগে কেন যে দেয়নি। 
কলেবর ভাঁজে ভাঁজে রন্ধ্রে রন্ধ্রে 
একাধিক বিকার নির্দ্বিধায় অনুমতি বিহীন 
অট্টালিকা ঘরে তুলেছে 
  এখন ইচ্ছে, আহলাদ, উল্লাস রুপ নিয়েছে 
প্রতিনিয়ত প্রতি বেলায় নিয়ক করে 
গরল নাশক, নিবারক, প্রতিষেধক। 
একদিন যে সুযোগের অপেক্ষায় প্রহর গুনতাম
 জলপ্রপাত, সমুদ্র,  মেগালয়, পাহাড়, 
সবাই মিলে দেখতে যাওয়ার। 
সে এখন এক চিকিৎসা লয় থেকে আরেক চিকিৎসা লয়, 
শারীরিক অবস্থা রোগ নির্ণয়। 
পরিক্ষা নিরিক্ষার ফলাফল 
অবশেষে লিখিত ব্যবস্থা পনা ধরিয়ে দেওয়া হাতে,
 একটু বেঁচে থাকার তাগিদে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/256881/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Jul 2026 08:50:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ইচ্ছের অপমৃত্যু<br />
নাহার সুলতানা ময়না<br />
কৈশোরে আহলাদ করা হয়ে উঠেনি<br />
ঘরকন্নায় প্রথম বা শেষ ছিলাম না বলে,<br />
শৈশবে নৈপুণ্য প্রদর্শন করা হয়নি<br />
সহোদর রক্ষণাবেক্ষণের ছলে।<br />
যৌবনে উল্লাস করতে পারিনি ধর্মের নিয়মানুবর্তিতা, পারিপার্শ্বিক সংস্কার,<br />
পারিবারিক শাসন নামে নিপীড়ন,<br />
তার পর শশুর অলয়, নাথ,অপত্য মায়ার বাঁধন।<br />
সময়ের চক্র বেধে বয়ঃক্রম, আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-256881"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/256881/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">564ee8bb194b6606e10ce9fcb120392c</guid>
				<title>Nahar moyna and অসীম রহমান are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251159/</link>
				<pubDate>Mon, 25 May 2026 06:39:22 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">155d55b223c4afc47f25fc05dd77dbe6</guid>
				<title>Nahar moyna and Jannatul Ferdausi are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251157/</link>
				<pubDate>Mon, 25 May 2026 06:35:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fe0ab7dbbdcd02b7bc58d6c5e4bdeacf</guid>
				<title>কাজল কন্যা 

নাহার সুলতানা ময়না 

তোমার ঐ নীল কাজল টানা টানা হরিণীর দুটি নিষ্পাপ চোখের দিকে তাকিয়ে, 
আজন্ম কালের ধ্যানমগ্ন ঋষির তপস্যা যেন 
এক পলকে যাবে হারিয়ে। 
হাজার বছরের অন্তহীন ভালোবাসার আহবান যেন
ঐ নীল নীলাভ চোখের চাহনিতে, 
বর স্বাধ জাগে ঐ নীলের গভীরতায় তলিয়ে যেতে। 
মনের না বলা ভাষা গুলো কলিতেই ফুটে উঠে,
যেন ঐ গোলাপ পাপড়ি  বাঁকা দুটি ঠোঁটে। 
ঐ আবির বিহীন গোলাপি ঠোঁটের এক ফালি হাসি,
উম্মাদ হয়ে যেন  আমৃত্যুকাল  ভালোবাসি। 
ঐ কপালের নীল টিপ যেন সৌভাগ্যের  নিশানা,
খোঁজ দেয়, যে পথ ছিলো অজানা। 
আর ঐ মায়াবী মুখচ্ছবি, ভূমন্ডলকে একাগ্র চিত্তে 
 বারংবার আকর্ষিত করে, 
সমগ্র বিশ্বময় যেন নিদারুণ শুভ্রতায় ছড়িয়ে পরে।
ঐ কন্ঠ স্বর,হৃদয়ের উদারতা, কেবলি কাছে টানে, 
হৃদপিণ্ড বিদ্ধ হয় অদৃশ্য মায়াবানে। 
এক নিদারুণ বাস্তব সত্যের উপমা তুমি, 
তোমার অন্ত গহ্বরে মিশে যেতে চাই আমি। 
কারো জীবনে তুমি নিভু নিভু প্রদীপের 
এক চিলতে আশার আলো, 
তোমার উষ্ণ ছোঁয়ায় সকল আঁধার ফুরালো। 
তুমি উৎস কবিতা লিখার, 
তুমি ছন্দ আমার কবিতার। 
শিল্পের ক্যানভাসে আকাঁ রং তুলির আঁচড়ে
যে সার্থক ছবি সে তোমার, 
তুমি এক মাত্র পাওয়া, হাজারো না পাওয়ার। 
তুমি অজস্র প্রেমের বিরহের অশ্রু জল,
আবার তুমি কারো চোখে আনন্দের নীল কাজল। 
তুমি ৪০ কোটি স্পার্মের সাথে যুদ্ধে জয়ী সেই নারী 
বিশ্বের কাছে হয়েছো অনন্য, 
যে তোমাকে পেয়েছে তার পুনঃ জন্ম অব্দি ধন্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251145/</link>
				<pubDate>Mon, 25 May 2026 06:22:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কাজল কন্যা </p>
<p>নাহার সুলতানা ময়না </p>
<p>তোমার ঐ নীল কাজল টানা টানা হরিণীর দুটি নিষ্পাপ চোখের দিকে তাকিয়ে,<br />
আজন্ম কালের ধ্যানমগ্ন ঋষির তপস্যা যেন<br />
এক পলকে যাবে হারিয়ে।<br />
হাজার বছরের অন্তহীন ভালোবাসার আহবান যেন<br />
ঐ নীল নীলাভ চোখের চাহনিতে,<br />
বর স্বাধ জাগে ঐ নীলের গভীরতায় তলিয়ে যেতে।<br />
মনের না বলা ভাষা গুলো কলিতেই ফুটে উঠে,<br />
যেন ঐ গোলাপ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-251145"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/251145/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">858934ecc9314cea3b07596967523474</guid>
				<title>Nahar moyna changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251140/</link>
				<pubDate>Mon, 25 May 2026 06:04:00 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">db596adc2eb194e47aeb5b30f665794b</guid>
				<title>অন্তরে তরঙ্গ 

নাহার সুলতানা ময়না 
 আমি দুবলা চরে আমার নাম লিখে এসেছি 
হালকা একটা ডেউয়ের ঝাপটা এসে 
নামটা হয়তো মুছে দিবে, 
আমি ক্ষনিকের জন্য সমুদ্রের কাছ থেকে 
চর টা কে ক্রয় করেছি, নাম লিখবো পা ভেজাবো 
আনন্দ টা একান্তই আমার সেটা আমারি রবে। 
ইচ্ছে করছিলো আজন্ম কালের জন্য 
সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ গুলোকে নিজের করে নিবো, 
কিন্তু পারিনি সাধ্য যে সীমিত 
এতো সৌখিনতা এতো বিলাসিতা কোথায় পাবো।?
পুনরায় কিছুটা ক্ষণের জন্য উচ্ছলতাকে ক্রয় করেছি জন্মান্তরের অশ্রুর বিনিময়ে, 
স্বপ্ন ছিলো হাঁটু জলে নেমে ঝাপটে ধরবো
ঢেউয়ের ঝুটি সময়ে অসময়ে। 
বালুকাবেলায় হেঁটে হেঁটে বহু দূর হেটেছি, 
নুনা জলে ভেসে ভেসে কখনও স্বপ্ন ছুয়েছি। 
মেঘমালা কখনও উপচে পরেছে আমায় গায়,
এক অনাবিল অনুভূতি, উষ্ণ ছোঁয়ায়।
উপরে নীল আকাশ পূর্ণযৌবনা চাঁদ 
তারায় তারায় খচিত মায়াবী রাত। 
সাগরে অথৈজলে জলযানে ভেসে ভেসে 
আমি  হৃদয়ের উল্লাস চেয়ে নিয়েছি 
কয়েকটা দিনের জন্য, 
বাতাসে সুরের ধ্বনি প্রকৃতির নির্মল নির্জাস 
আমি বিমোহিত, আমি প্লাবিত, আমি ধন্য। 
আমার অর্বাচীনতা, আমার মলিনতা 
সমুদ্রের নুনা জলে বিক্রি করে এসেছি 
তাই আজ  আনন্দ উল্লাসে মন ভাসিয়েছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251060/</link>
				<pubDate>Sun, 24 May 2026 19:02:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অন্তরে তরঙ্গ </p>
<p>নাহার সুলতানা ময়না<br />
 আমি দুবলা চরে আমার নাম লিখে এসেছি<br />
হালকা একটা ডেউয়ের ঝাপটা এসে<br />
নামটা হয়তো মুছে দিবে,<br />
আমি ক্ষনিকের জন্য সমুদ্রের কাছ থেকে<br />
চর টা কে ক্রয় করেছি, নাম লিখবো পা ভেজাবো<br />
আনন্দ টা একান্তই আমার সেটা আমারি রবে।<br />
ইচ্ছে করছিলো আজন্ম কালের জন্য<br />
সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ গুলোকে নিজের করে নিবো,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-251060"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/251060/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3d4eb29320ab80d85f802e94f67cd0df</guid>
				<title>নিঃশব্দে কান্না। 

নাহার সুলতানা ময়না। 

ধার করা হৃৎস্পন্দন টা হঠাৎ ই না জানিয়ে 
কোন এক অযাচিত  মুহূর্তে থেমে যাবে, 
না বোঝানো অভিমান, নিরব কান্না 
সবি যে অস্পষ্টই হয়ে রবে। 
অনাকাঙ্ক্ষিত আকাঙ্ক্ষার পিছনে ছুটতে ছুটতে 
সামনে কেবলই সীমাহীন দূরত্বের বিশাল ফাঁকা, 
এক অস্তিত্বহীন অভিশপ্ত মায়া গড়া শূন্যতা 
হাত বাড়ালেই বিলীন সর্বশেষ সেই একা। 
অশ্রুহীন কপোল গড়িয়ে না পড়া নিঃশব্দে 
কান্না শুনতে চাও? 
তোমাদের ভাবনার বাহিরে যখনি রই, 
খবর হীন খুঁজ হীন তখনি হই। 
বর্ণহীন ফাগুন, কলরব হীন বিহঙ্গের কূজন
ডেওহীন সাগর, প্লাবন হীন ধারা, 
বে রঙিন পৃথিবী, চাঁদ হীন আকাশ,
জোস্ না হীন তিমির রাত, খচিত হীন ধ্রুব তাঁরা। 
ছন্দ হীন লিখা গন্ধ হীন ফুল 
পূর্ণতা হীন আমি শুদ্ধ হীন ভুল। 
আমি হীন বিষন্ন  প্রহর, জীবনের অবসর। 
শুনতে পেলে নিঃশব্দে কান্না?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251054/</link>
				<pubDate>Sun, 24 May 2026 18:54:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিঃশব্দে কান্না। </p>
<p>নাহার সুলতানা ময়না। </p>
<p>ধার করা হৃৎস্পন্দন টা হঠাৎ ই না জানিয়ে<br />
কোন এক অযাচিত  মুহূর্তে থেমে যাবে,<br />
না বোঝানো অভিমান, নিরব কান্না<br />
সবি যে অস্পষ্টই হয়ে রবে।<br />
অনাকাঙ্ক্ষিত আকাঙ্ক্ষার পিছনে ছুটতে ছুটতে<br />
সামনে কেবলই সীমাহীন দূরত্বের বিশাল ফাঁকা,<br />
এক অস্তিত্বহীন অভিশপ্ত মায়া গড়া শূন্যতা<br />
হাত বাড়ালেই বিলীন সর্বশেষ সেই একা।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-251054"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/251054/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">28f465fa9e35d1b06cd6412702329a03</guid>
				<title>হায়রে নারী 
নাহার সুলতানা ময়না 
কেন জানি জীবনের এক পর্যায়ে এসে
আজ যেন বারে বারে  মনে হয়, 
নারীর মনের কষ্ট গুলো 
নারীর বক্ষে লিপিবদ্ধ হয়ে রয়। 
যাকে অবহেলা আর প্রবঞ্চনায়
 ভরিয়ে দিয়েছে আজন্মকাল, 
তবুও নারী হেরে যায়নি জাগিয়ে তুলেছে 
রাতের আধার কাটিয়ে জন্ম দিয়েছে 
 সুন্দর, সতেজ, স্বচ্ছ, একটি নতুন সকাল। 
নারীরা চীরকালই উপেক্ষিত, 
সকল কিছুর উর্ধ্বে উঠেও সকলের জন্য 
ভালোবাসা রেখে দেয় গচ্ছিত। 
কখনও এমন কিছু কথা 
হৃদয়ে বিসর্জনের সুর বেজে উঠে, 
ভাসিয়ে নিয়ে যায় অথৈ সাগরে 
খড়কুটোর মতো ভাসতে ভাসতে এসে থামে
কোন এক জীবনের কিনারায় 
তার পরেও নারীর হৃদয়ে কমল ফোটে। 
নারী আর  অবাঞ্চিত নয় 
ধুমরে মুচরে ঘোরে দাড়িয়েছে পৃথিবীকে সাক্ষী রেখে
জোস্নার সব কলংক অঙ্গে মেখে হৃদয়কে করেছে পুলকিত, 
সকল জীর্ণতা সরিয়ে আজ বিশ্ব কে করেছে পুঞ্জবিত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231361/</link>
				<pubDate>Wed, 16 Jul 2025 17:45:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হায়রে নারী<br />
নাহার সুলতানা ময়না<br />
কেন জানি জীবনের এক পর্যায়ে এসে<br />
আজ যেন বারে বারে  মনে হয়,<br />
নারীর মনের কষ্ট গুলো<br />
নারীর বক্ষে লিপিবদ্ধ হয়ে রয়।<br />
যাকে অবহেলা আর প্রবঞ্চনায়<br />
 ভরিয়ে দিয়েছে আজন্মকাল,<br />
তবুও নারী হেরে যায়নি জাগিয়ে তুলেছে<br />
রাতের আধার কাটিয়ে জন্ম দিয়েছে<br />
 সুন্দর, সতেজ, স্বচ্ছ, একটি নতুন সকাল।<br />
নারীরা চীরকালই উপেক্ষিত,<br />
সকল ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231361"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231361/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">2c20638016794f5b7cf10dbb1f2f1c65</guid>
				<title>হৃদয় হীন 
নাহার সুলতানা ময়না 
তোমার ভালোবাসা একটা দুর্বোধ্য দুঃস্বপ্ন 
তোমার ঐ পোশাক ঢাকা দেহের নীচে 
হৃদয় নেই আছে কেবলি পাথরের স্তুপ, 
তোমার দেহে, তোমার চোখে 
প্রচন্ড খোদা  প্রচন্ড লোভ।
অন্ধ বিশ্বাসে আমি বুঝতে পারিনি 
এই নাও আজ বুকের বুতাম খুলে দিলাম
তীব্র ঘৃনায় ভরে দাও আমার সর্বাঙ্গ। 
এই নাও ললাট এগিয়ে দিলাম
তোমার ঐ পিপাসিত অধরের তুলিতে 
একে দাও কলঙ্কের আল্পনা। 
এই নাও বক্ষ ছিড়ে ফেলো হৃদয় 
সঞ্চার করো ভালোবাসা, 
এই নাও নগ্ন দেহ উপভোগ করো
মিঠাও লালসা। 
এই নাও একটি সজীব জীবন 
লুণ্ঠিত করো গ্রাস করো 
তোমার বিপুল ঘৃণার আগুনে 
আমি ভস্ম হয়ে যাচ্ছি। 
আর কি চাও? 
বিরহের তীব্র শোকে আমি কাতর 
জীবনে প্রতিটি মুহুর্তে পেতাত্তা ডাকছে
রক্ত চাই রক্ত চাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231331/</link>
				<pubDate>Tue, 15 Jul 2025 20:07:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হৃদয় হীন<br />
নাহার সুলতানা ময়না<br />
তোমার ভালোবাসা একটা দুর্বোধ্য দুঃস্বপ্ন<br />
তোমার ঐ পোশাক ঢাকা দেহের নীচে<br />
হৃদয় নেই আছে কেবলি পাথরের স্তুপ,<br />
তোমার দেহে, তোমার চোখে<br />
প্রচন্ড খোদা  প্রচন্ড লোভ।<br />
অন্ধ বিশ্বাসে আমি বুঝতে পারিনি<br />
এই নাও আজ বুকের বুতাম খুলে দিলাম<br />
তীব্র ঘৃনায় ভরে দাও আমার সর্বাঙ্গ।<br />
এই নাও ললাট এগিয়ে দিলাম<br />
তোমার ঐ পিপাসি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231331"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231331/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7fef1725b95cb9843c3e875f622722da</guid>
				<title>আমি হীন 
নাহার সুলতানা ময়না। 
আমি হীন প্রহর গুলো কতটা কাঁদাবে, 
সে হয়তো আজ জানি না তবে হা 
এটা ভুল ওটা করা ঠিক হয়নি 
বলে আমার উপর যে অর্পিত নেতিবাচক বাক্য 
উত্থাপন করা হয়েছিলো তার ঠিক অনুতাপ হবে। 
যে অনিহা গুলো পোষণ করে রাখা হয়েছে 
সেটাই একদিন প্রতি পৃষ্ঠা, উল্টে পাল্টে দাড়ি, কমা 
টেনে টেনে বিচরণ করবে নিখুঁত ভাবে
সে আমি নিশ্চিত আমি বিহীন সেটাই হবে, 
সে স্পষ্ট অস্পষ্ট যাই  হোক না কেন 
মরন ব্যধি কেও হার মানাবে। 
আজ যে পাশটায় আমি বেমানান 
সেই জায়গাটায় এক দিন শুন্যতায় হবে বিরাজ
সেদিন রবো আমি হীন, 
আমার উপস্থিতি, আমার কথোপকথন 
আজ রস না জোগালে ও আমিহী একদিন 
বেদনার করুন সুর বেজে যাবে বাদ্যযন্ত্র বিহীন।
আমার মনের বলা যে ভাষা আজ কালির আঁচড়ে 
পাতায় পাতায় নিপুণ ভাবে আঁকা 
আজ দৃষ্টি এড়িয়ে গেলেও আমি হীন 
প্রতিটি লাইন হবে মিশরের পিরামিড 
আমার অনুভূতি আমার ভালো লাগা মন্দ লাগা
ইচ্ছা, অনিচ্ছা গুলো আমি হীন হবে 
তাজ মহলের খোদাইকৃত মুল্যবান পাথর। 
তখন থাকবো গোরস্তানের সমাধীতে 
মাটির অতলে তলিয়ে যাবে আমার  নিথর দেহ,
রাহাজানি, চীৎকার করুণ আর্তনাদ 
শুনার থাকবেনা কেহ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231182/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Jul 2025 18:56:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি হীন<br />
নাহার সুলতানা ময়না।<br />
আমি হীন প্রহর গুলো কতটা কাঁদাবে,<br />
সে হয়তো আজ জানি না তবে হা<br />
এটা ভুল ওটা করা ঠিক হয়নি<br />
বলে আমার উপর যে অর্পিত নেতিবাচক বাক্য<br />
উত্থাপন করা হয়েছিলো তার ঠিক অনুতাপ হবে।<br />
যে অনিহা গুলো পোষণ করে রাখা হয়েছে<br />
সেটাই একদিন প্রতি পৃষ্ঠা, উল্টে পাল্টে দাড়ি, কমা<br />
টেনে টেনে বিচরণ করবে নিখুঁত ভাবে<br />
সে আমি নিশ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231182"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231182/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1ee2867c835d50ea62fab080dfafd3b3</guid>
				<title>পথ চলার অনেক  বছর 

নাহার সুলতানা ময়না 
যৌবনের প্রারম্ভে নব রুপে নতুন সাজে 
নব উদ্যমে গিয়েছিলাম তোমার দ্বারে তোমার হয়ে 
ছিলো চেহারার চাকচিক্যের বহর মেঘ কালো 
 দীঘল কেশ কোমড় পেড়িয়ে পা ছু্ই ছুঁই, 
বাড়ি জুরে আনন্দ উল্লাসে ছিলো হই হই রই রই। 
এপারার ও পারার বড় ছোট কত লোক 
আমার রুপ লাবণ্যে প্রসংশায় পঞ্চমুখ।
সে সময় পেরিয়ে গেছে ভালো লাগা খারাপ লাগা
দুটোই ছিলো সমান বরাবর কখনও সরে যাওয়া 
আবার কখনও ফিরে পাওয়া। 
এরি মাঝে মিলে মিশে আগত প্রজন্ম 
শত ব্যাস্ততায় কেটে গেছে যুগের পর যুগ
বার্ধক্যের শুরু জীর্ণ শীর্ণ রুগ্ন দেহ, মেসতার দাগ
চোখের নীচে ঘোর অমাবশ্যা নেই রুপের লাবণ্য 
নেই দীগল কালো চুল  সাদা রং হয় হয়, 
সর্বাঙ্গে ব্যাথা মনে শুধু মৃত্যুর ভয়। 
কিন্তু তুমি এখনও সেই প্রথম দিবসের 
প্রথম প্রহরের মতোই আগলে রেখেছো 
যেন আমার  এবড়ো থেবড়ো মুখ মন্ডল
বয়সের ছাপ যেন তোমাকে স্পর্শই করেনা 
আর আমার এই বেঁচে থাকাটাই যেন 
তোমার গোটা একটা শান্তির পৃথিবী 
আমি আজ সত্যিই স্বীকার করছি 
তুমি আমার জীবনে অনিবার্য 
যেটা তুমি শুনতে চেয়েছো এতোটা বছর গোপনে
আড়ালে কিন্তু আমি বলিনি বলা হয়ে উঠনি 
সেটা আজ বলতে বাঁধা নেই জনসম্মুখে 
আমি চিৎকার করে বলছি আমি কৃতজ্ঞ 
তোমার কাছে আমি সন্তুষ্ট, 
যা দিয়েছো যা পেয়েছি তা পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231180/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Jul 2025 18:52:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পথ চলার অনেক  বছর </p>
<p>নাহার সুলতানা ময়না<br />
যৌবনের প্রারম্ভে নব রুপে নতুন সাজে<br />
নব উদ্যমে গিয়েছিলাম তোমার দ্বারে তোমার হয়ে<br />
ছিলো চেহারার চাকচিক্যের বহর মেঘ কালো<br />
 দীঘল কেশ কোমড় পেড়িয়ে পা ছু্ই ছুঁই,<br />
বাড়ি জুরে আনন্দ উল্লাসে ছিলো হই হই রই রই।<br />
এপারার ও পারার বড় ছোট কত লোক<br />
আমার রুপ লাবণ্যে প্রসংশায় পঞ্চমুখ।<br />
সে সময় পেরিয়ে গেছে ভালো লাগা খারাপ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231180"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231180/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">873beb91741dcb02d111ebf4a6c92d77</guid>
				<title>★★ নারী  চন্দ্রাবতী

নাহার সুলতানা ময়না।

বাংলার আদি কবি নারী চন্দ্রাবতী,
দেখনি কি রুপ শুনেছি ছিলো গুনবতী।
বিবরণ দিয়া শেষ করা যাবেনা,
পিতা মনসামঙ্গলের বিখ্যাত কবি
দ্বীজবংশী দাস,মাতা সুলচনা।
কিশোরগঞ্জের ফুলেশ্বরী নদীর তীরে ,
ষোড়শ শতকে জন্মে ছিলো কাচারিয়া বাজার গ্রামের কোন এক নীড়ে।
অসংখ্য লোকগীতির রচয়িতা,
আজও সাহিত্যে অমর হয়ে আছে
মলুয়া ,দস্যু, অমর প্রেম গাঁথা ।
বাল্যকালে পরলেন তিনি বাল্যবন্ধু ,
সহপাঠী জয়ানন্দের প্রেমে ,
একি স্কুলে পড়া লিখা থাকতো একি গ্রামে।
বংশীদাস কন্যার মনোভাব জেনে
বিবাহ বন্ধনের নিলো উদ্যোগ,
লগ্ন যখন ঘনিয়ে বিষাদের কালো ছায়া
জীবনে নেমে এলো দুর্ভোগ।
মুসলিম নারী কমলার প্রেমে পড়ে
বিয়ে করে জয়ানন্দ হলো ধর্মান্তরিত,
প্রিয়জনকে না পাওয়ার ব্যথায়
নিজ গৃহে মন্দিরে শিবের আরাধনায়
কাব্য চর্চায় ব্যস্ত রেখে বরন করলো কুমারীত্ব।
নিজের ভুল বুঝতে পেরে জয়ানন্দ
অনুশোচনায় অনুতাপে হলো জর্জরিত ।
অনুতপ্ত হৃদয়ে ক্ষমা চাইতে যখন এলেন
অজস্র ঘৃণায় ফিরিয়ে দিয়ে চন্দ্রাবতী
শিব মন্দিরের কপাট বন্ধ করে দিলেন।
দেওয়ালের গায়ে লিখা শৈশবের সঙ্গি
যৌবনের সাথী ক্ষমা সূচক চরণে ছিলো পরিতাপ,
বিদায় নিয়ে জয়ানন্দ নদীতে দিলো  ঝাঁপ ।
লিখা গুলি মুছার জন্য চন্দ্রাবতী
যখন গেলো জল আনিতে,
চেয়ে দেখে জয়ানন্দের মৃত দেহ ভাসছে নদীতে ।
সাথীকে হারিয়ে চলে গেলো বাঁচার ইচ্ছা
অবশেষে জীবন বিসর্জন দিলেন সেচ্ছায়।
অসময়ে চলে যাওয়ায় রামায়ণ রচনা
রইলো অসমাপ্ত,
কলিকাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের পুঁথি মালায়
আজও আছে তা সংরক্ষিত ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230841/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Jun 2025 21:11:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>★★ নারী  চন্দ্রাবতী</p>
<p>নাহার সুলতানা ময়না।</p>
<p>বাংলার আদি কবি নারী চন্দ্রাবতী,<br />
দেখনি কি রুপ শুনেছি ছিলো গুনবতী।<br />
বিবরণ দিয়া শেষ করা যাবেনা,<br />
পিতা মনসামঙ্গলের বিখ্যাত কবি<br />
দ্বীজবংশী দাস,মাতা সুলচনা।<br />
কিশোরগঞ্জের ফুলেশ্বরী নদীর তীরে ,<br />
ষোড়শ শতকে জন্মে ছিলো কাচারিয়া বাজার গ্রামের কোন এক নীড়ে।<br />
অসংখ্য লোকগীতির রচয়িতা,<br />
আজও সাহিত্যে অমর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-230841"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/230841/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b7cb7f541a17be8570bb70a64176d297</guid>
				<title>★★ নারী নয় মানুষ ★★★
 নাহার সুলতানা ময়না। 
পরজন্ম যদি বলে  সত্যি কিছু থাকে 
তাহলে বলতাম নারী নয় 
একজন মানুষ হয়ে জন্ম নিতে। 
নারী মনেই এই করা যাবেনা 
সেই করা যাবেনা বলে ব্যস্ত থাকা, 
হাজারটা না এর ঝুড়ি সাজিয়ে রাখা। 
নারী মানে সেই জাহেলিয়া যুগ থেকে 
পর্যায়ক্রমে চলে আসা দাসত্ব প্রথা 
যা আজও নির্মূল হয়নি নারীর আদীম সত্বা।
নারীর নিজস্ব রুপ নেই যখন যে পাত্রে 
তখন সেই রুপ ধারন করছে, 
তাইতো নারী আজও পদদলিত হচ্ছে।
নিষ্পেষিত হচ্ছে হাজারো  কোমল প্রাণ, 
স্বাধীন দেশে পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ 
জানি না নারী গাইবে কবে স্বাধীনতার গান
আজও আসবে কি সেই দিন?? 
যেই দিন নারী মানেই হবে শ্রদ্ধায় নতশীর। 
নারী মানেই হবে বিশ্বাস, চিন্তা, চেতনা, 
নারী মানেই হবে স্বাধীনতার প্রতিটা শ্লোগান 
প্রতিটা অসহায় মানুষের অস্তিত্ব। 
নারী মানেই স্বাধীনতার আরেক নাম
মুক্ত বিহঙ্গের মতো ডানা মেলে 
উন্মুক্ত আকাশে উড়ে যাওয়া,
নারী মানেই দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ প্রান্তরে 
দু&#039;হাত বাড়িয়ে নিঃশ্বাস নেওয়া। 
নারী কোন পণ্য নয় 
শোষিত সমাজে শুধু ভোগের সামগ্রী হয়ে 
বেচে থাকার নাম নারী নয়, 
নারী শুধু কারো স্ত্রী কারো বোন কারো মা 
অন্যের পরিচয় বহন করে বেঁচে থাকা নয়। 
নারী মানে গোটা একটা পৃথিবী 
মানুষকে মানুষ রুপে গড়ার কারিগর। 
নারী মানেই রাষ্ট্র চালানোর একতরফা দাবী নয়, নারী চায় একটা নিজস্ব পরিচয়। 
চায় একটু সম্মানের সাথে বেঁচে থাকা 
নারী নয় একটা মানুষ হিসেবে 
বেঁচে থাকার একটু অধিকার।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230823/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Jun 2025 09:27:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>★★ নারী নয় মানুষ ★★★<br />
 নাহার সুলতানা ময়না।<br />
পরজন্ম যদি বলে  সত্যি কিছু থাকে<br />
তাহলে বলতাম নারী নয়<br />
একজন মানুষ হয়ে জন্ম নিতে।<br />
নারী মনেই এই করা যাবেনা<br />
সেই করা যাবেনা বলে ব্যস্ত থাকা,<br />
হাজারটা না এর ঝুড়ি সাজিয়ে রাখা।<br />
নারী মানে সেই জাহেলিয়া যুগ থেকে<br />
পর্যায়ক্রমে চলে আসা দাসত্ব প্রথা<br />
যা আজও নির্মূল হয়নি নারীর আদীম সত্বা।<br />
নারীর নিজস্ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-230823"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/230823/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5853cfe3a15deeaf948b659b075c339d</guid>
				<title>দুই যুবকের গজব প্রেম**

নিশাত আর জায়েন :- পশাপাশি গ্রামে বাস করে, দুজনে সুদর্শন। দুজনেই ডিগ্রিতে পড়ে।
নিশাত : বাবা মৃত, মা অন্ধ, ছোট ভাই জন্ম থেকে বিকলাঙ্গ। একটুকরো জমি আর বসত বাড়ি টা আছে, ওই সংসারে নিশাতই একমাত্র ভরসা। নিশাতের ছোট থেকেই খুব সখ বড়লোক হওয়ার। তাই ধনী মেয়েদের পিছনে ঘুর ঘুর করে পটিয়ে বিয়ে করে ধনী হবে।
    অন্যদিকে জায়েন:- এক বোন  খুব আদরের, মা নেই বাবা কেন্সারের রুগি। ভিটা বাড়ি কিছুই নেই, এক জজ সাহেবের বাড়ি তে বাবা কাজ করার সুত্রে ওখানেই থাকে। 
  ছোট বোন ইয়ান  সুন্দরী খুবভালোবাসে।
জীয়ানের ছোট থেকে ইচ্ছে সে অনেক সম্পদ শালী হবে। দারিদ্রতার কষাঘাতে জীবনটা জর জর। অভাবের সাথে যুদ্ধকরতে করতে আজ সে ক্লান্ত। জীবনে সুখ কেনা চায়।
      জায়েনের বোন ইয়ান, নিশাত কে খব পছন্দ করে মনেমনে ভালোবাসে, কিন্তু দরীদ্র হওয়ায় নিশাত তাকে ফিরিয়ে দেয়।
সুন্দরী হয়েও নিশাতের মনে ঠাই পেলনা।
জজ সাহেবের মেমে * মম* জায়েনকে পছন্দ করে, সেই দেখে নিশাত জলে পুরে শেষ অনেক কৌশলে মম এর মন থেকে সরিয়ে দিলো।
এই নিয়ে নিশাত ও জায়েনের মাঝে শুরু হলো চরম শত্রুতা।
জায়েন ও নিশাত দুজনেয় ফেইসবুক আইডি খুলল। প্রফাইক পিকদিলো মেয়ে সেঝে। বর লোকের মেয়ের পরিচয়। কেউ কাউকে চিনানা।
জিয়ান এর নাম দিলো * জানো আর নিশাতের নাম দিলো * নিশো।
ওরা দুজন কে এতো ভালো বেসে ফেলল একজনকে ছাড়া অন্যজন বাচতেই পারবেনা ওরা মেেয়ে সেজে কথা বলে দেখা করেনা একিবারে বিয়ের দিন দেখা করবে।
দুজনের প্রেম গভির হলো, চলছে অনেক দিন। কথায়কথায় নিশাত বুঝতে পারে ও কোন বড় লোকের ছেলে। তাই ভাবল বিদেশ গিয়ে সার্জারি করে মেয়ে হয়ে যাবে পরে বড় লোকের বউ হয়ে মহা সুখে দিন কাটাবে। কিন্তু সেতো অনেক টাকা লাগবে, কোথায় পাবে।
মনে পড়ল ইয়ানের কথা ওকে প্রেমের ফাদে ফেলে বিক্রি করে দিলো সেই টাকা দিয়ে সে সার্জারি  করল মেয়ে হয়ে গেলো
অন্যদিকে জিয়ান ও বুজতে পারল ও যাকে ভালোবাসে সে একটা বড় লোকের ছেলে। একি ভাবনা ওর মাথায় এলো টাকা লাগবে বিদেশ গিয়ে সার্জারি করে মেয়ে হতে। বড়লোকের বউ হয়ে সুখে দিন কাটাবে।
তাই সে নিশাতের মায়ের অন্দ্ধত্যের সুযোগ নিয়ে ছলে বলে সব লিখিয়ে নিয়ে বিক্রি করে বিদেশে চলে যায় সার্জারী করে সেও মেয়ে হলো। তিন মাস পরে দেশে এলো দুজনে দেখা করতে সেই পাহাড়ে গেলো
যখন সামনা সমনি হলো তখন ওদের মাথার উপর বাজ পড়ল। একি সর্বনাশ করলো ওরা। ফিরে যাওয়ার পথ বন্দ্ধ।শেষ দাপ, ★দুই যুবকের গজব প্রেম  ★

তিন মাস পর যখন পাহাড়ে দুইজন দেখা করতে এলো সামনা সামনি এসে দেখে ওরা দুজন, পৃথিবীটা ওদের মাথায় এসে পরল,ওদের লোভের কারনে দুজনেরই সব শেষ সর্ব শান্ত হয়ে গেলো নিজেূের স্হানে ফেরার কোন পথ রইলোনা, রাগে খোবো দুজনেই পাহাড় থেকে লাফ দিয়ে আত্নহত্যা করলো। লোভে পাপ পাপে মৃত্যু।
তাই অনোরুধ করব ফেইক আইডি খুলে কারো জীবন যেন ওদের মতো না হয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230822/</link>
				<pubDate>Mon, 30 Jun 2025 09:25:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দুই যুবকের গজব প্রেম**</p>
<p>নিশাত আর জায়েন :- পশাপাশি গ্রামে বাস করে, দুজনে সুদর্শন। দুজনেই ডিগ্রিতে পড়ে।<br />
নিশাত : বাবা মৃত, মা অন্ধ, ছোট ভাই জন্ম থেকে বিকলাঙ্গ। একটুকরো জমি আর বসত বাড়ি টা আছে, ওই সংসারে নিশাতই একমাত্র ভরসা। নিশাতের ছোট থেকেই খুব সখ বড়লোক হওয়ার। তাই ধনী মেয়েদের পিছনে ঘুর ঘুর করে পটিয়ে বিয়ে করে ধনী হবে।<br />
    অন্যদিকে জায়েন:- এক ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-230822"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/230822/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">55b498c8f9f57fae418955733b2eba58</guid>
				<title>Nahar moyna changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230791/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Jun 2025 17:33:13 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ac39266f3aa62728ff8a62dfd71dded1</guid>
				<title>***** তোমাকে ছোঁয়ার অপরাধে ****
                            ★★ চিঠি ★★
    নাহার সুলতানা ময়না।
&quot;মম&quot; মেধাবী, সুন্দরি,ও উচ্চবিত্ত পরিবারের একমাত্র আদরের দূলালী অন্ধের জষ্ঠি বলাও চলে।
        কলেজে যাওয়া আসার পথে প্রতি দিন একটা ছেলে ওর দিকে তাকিয়ে থাকে।
ওর অসস্থি লাগে। পিছন দিকে একটা ছেলে পাচায় থাবা দিয়ে পালিয়ে যায়, মম ফিরে তাকিয়ে দেখে সেই ছেলেটা, এগিয়ে গিয়ে থপাস করে কসিয়ে একটা থাপ্পর মেরে ফিরে আসে।
ছেলের নাম &quot;সাজু &quot; কালো কুৎচিত নিতান্তই দরিদ্র পরিবারের ছেলে। মার খেয়ে হজম করে যায় নিঃশব্দে। গরিবের আত্নসম্মান বোধ থাকতে নেই। মনে মনে মম কে অনেক ভালোবাসে। এক পলক দেখার আশায় রাস্তায় চাতক পাখির মতো তাকিয়ে থাকে কখন আসবে। মমর সৌন্দর্য দূু্র থেকে উপভোগ করা যায়, কিন্তু কাছে আসার আগেই ঝলসে যায়।
কিন্ত অবাধ্য মন দেখার আসায় পর দিন এসে দাড়ায়,কলেজ ছুটি অজস্র লোকের ভিরে বকাটে ছেলেরা মমর উড়না টেনে দৌড় দেওয়ার সময় সাজুর হাতে আটকে যায় উড়না, ফিরে তাকিয়ে দেখে সেই কুৎসিত ছেলেটা, 
 হাতে জুতা খুলে পাবলিক সহ ওকে বেদম গন ধূলাই দেয়। সাজু চিৎকার করে বলছে আমি কিছু করিনি, কিন্তু  কেহ তার কথা শুনেনি। 
পর দিন মমর বাবার দল বলেরা এসে সাজুর গলা টিপে অনেক মারদর ঘর ভাংচুর করে চলে যায়, গরিবের চিৎকার কেউ শুনেনা। 
মম কে ভালোবাসে এই কথাটা বলার সাহস নেই, কিন্ত মম ওকে ভুল বুঝতেছে, ওর ভুল ভাঙ্গাতে হবে, এই ভেবে   একটা চিঠিতে সব লিখে নিয়ে যায় মমর বাসায়, ওকে দেখে রাগে সবাই আগুন হয়ে আছে, ঘার ধাক্কা দিয়ে মারতে মারতে বের করে দেয়,  ওর কথা কেউ শুনেনি  এমন মার মারল একি বারে হাসপাতালে, 
 থেকে তিন মাস পর ফিরলো বাসায়, পড়া লিখা করতে পারনি এদিকে পরিক্ষা  কি লিখবে। 

আজ এইচ এস সি ফাইনাল পরিক্ষা, কলেজে এলো সীটে বসলো ঘার ফিরে তাকাতেই দেখলো  পাশের সীটে মম, এতো আনন্দ তার চোখে মুখে যেন আকাশের চাদঁ ওর কাছে ছোঁয়া অপেক্ষায়।

প্রশ্ন হাতে পেলো কিন্ত কিছুই মনে পরছে না,
এতো দিন পড়া হয়নি, মমকে ইশারায় ডাকছে মম লিখছে ফিরে তাকানোর সময় নেই।
সাজু একটু কাছে এসে ছুঁয়ে ছুঁয়ে ইশারা দিচ্ছে, নুংরা ইঙ্গিত ভেবে চীৎকার দিলো, স্যার এসে ওকে বের করে দিলো মার দোর করে। সাজুকে কলেজ থেকে বহিষ্কার করে দিলো। বাড়িতে জায়গা হলোনা সাজুর, সব সত্যঘটনা লিখে একটা চিঠি আবার মমর কাছে নিয়ে যাচ্ছিলো,
 এমন সময় মমকে রাস্তায় পেলো,  হাত বাড়িয়ে দিতে গেলো চিঠি, 
কত গুলো ছেলে এসে মমকে তুলি নিয়ে যাচ্ছিলো সাজু, মমর সম্মান বাচাতে ঝাপিয়ে পরল, অনেক ক্ষণ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, এক পর্যায়ে  ছিটকে পড়ল মম,কোথাও একটা ধাক্কা লেগে  অন্ধ হয়ে গেলো। আর এদিকে সাজু ছুরির আঘাতে মৃত্যর দিকে ঢলে পরল।
এক মাস পর চোখ খুল্ল মম তাকিয়ে দেখে হাসপাতালে। ওর মনে পরল সাজুর কথা, জানতে চাইল,সাজু কেমন আছে কোথায় আছে? মমর মা হাতে একটা নীল খামে মোড়ানো 
 একটা চিঠি দিলো মমর হাতে। 

★ প্রেয়সী মম ★
লিপির প্রারম্ভে আমার এই অভিপ্রায় টুকু অপ্রত্যাশিত ভাবে তোমার কাছে  এই লিখা। 
দুর থেকে শুধু  ভালো লাগাটাই উপভোগ করতাম, এটাও কেড়ে নিলে চেয়ে থাকার অপরাধে। গরীবের, কুৎসিত ছেলে বলে তোমাকে ভালোলাগার পরিণতি এই হলো, দুঃখ নেই আজ হলেও তুমি জানবে সেদিন আমি নই অন্য কেউ থাবা দিয়ে ছিলো।তোমার ওড়না টা বখাটেদের হাত থেকে কেড়ে নিয়েছিলাম তোমাকে আবৃত দেখবো বলে। 
    তার প্রতিদানে তোমার বাবার লোকেরা গলা টিপে কথা বলার শক্তি কেড়ে নিলো। 
সুস্থ হয়ে পরিক্ষার হলে পড়ার সুযোগ হয়নি, কিছুই কমন পড়েনি,। ডাকার অক্ষমতায় ছুঁয়ে ছুঁয়ে ইশারায় বলছিলাম খাতাটা দেখাও। 
    আর তোমাকে ছোঁয়ার অপরাধে আজ চলে গেলাম নাফেরার দেশে। না চোখের জল নয় দুটি চোখ দিয়ে গেলাম এটাই তোমার শাস্তি তোমাকে ছুঁয়ে রইলাম। 
         ইতি, তোমার হিতৈষী * সাজু -★
থপাস করে পড়ে গেলো হায় কি করলাম না বুঝে। 
বাবা কে কথা দিয়েছিলো কারো প্রেমে পড়বেনা 
কিন্তু এটা কথা দেয়নি যে কারো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেনা। 
সাজুর বাবা মার হাত ধরে চলে গেলো সাজুর শুন্যতায়। 
প্রতি দিন একটা চিঠি লিখে রেখে আসে কবরে
★ সাজু,  আমি ভালোবাসি তোমায় মরনের পরে তোমারি হবো আর এখনও তোমারি রইলাম। তোমার মম★</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/230633/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Jun 2025 06:52:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>***** তোমাকে ছোঁয়ার অপরাধে ****<br />
                            ★★ চিঠি ★★<br />
    নাহার সুলতানা ময়না।<br />
&#8220;মম&#8221; মেধাবী, সুন্দরি,ও উচ্চবিত্ত পরিবারের একমাত্র আদরের দূলালী অন্ধের জষ্ঠি বলাও চলে।<br />
        কলেজে যাওয়া আসার পথে প্রতি দিন একটা ছেলে ওর দিকে তাকিয়ে থাকে।<br />
ওর অসস্থি লাগে। পিছন দিকে একটা ছেলে পাচায় থাবা দিয়ে পালিয়ে যায়, মম ফিরে তাকিয়ে দেখে সেই ছেলেটা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-230633"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/230633/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3b609ec5350a1156c5d093646a59f9ba</guid>
				<title>★★এক মর্মান্তিক ভ্রমণ কাহিনী ★★
নাহার সুলতানা ময়না
কিছু কিছু মুহূর্ত আছে যা হৃদয়ের ফ্রেমে আজন্ম কাল বন্দী থাকে।
তেমনি একটা ভ্রমণ আমার জীবনে এসেছিলো। যা থেকে আজও বের হয়ে আসতে পারিনি, হৃদয়ের গভীরে ক্ষতের সৃষ্টি করে।
একদিন হঠাৎ কল এলো হেরে সেনু  কেমন আছিস?
সলাম দিলাম, বললাম ভালো আছি, তুমি কেমন আছো?
বড় ভাই বলল ভালো আছি,
সেনু:- ভাই এই সময় কল দিলে যে কিছু বলবে?
বড় ভাই: হুম, তোর বর কোথায়রে?
সেনু: বাইরে গেলো, কেন কিছু হয়েছে?
বড় ভাই: আচ্ছা শুন আজ রাতে আমার বিয়ে, হটাৎই সিদ্ধান্ত হয়ে গেলো, তোর বরকে চলে আসতে বলবি। আচ্ছা আমি কল দিয়ে বলে দিচ্ছি ওকে।
সেনু: আমি অবাক, যার বিয়ে নিয়ে এতো কল্পনা জল্পনা, যার গায়ে হলুদ নিয়ে এতো ভাবনা ছিলো,
ছেলেরা পড়বে হলুদ পান্জাবী, মেয়েরা পড়বে লাল হলুদে কম্বিনেশন শাড়ী। বড়ীর সামনে পুকুর তার উপর গায়ে হলুদের  মনোমুগ্ধকর স্টেজ সাজানো  হবে।

আমরা যাবো মেয়ের বাড়ী গায়ে হলুদের তত্ত্ব,  মাছ,মিষ্টি আর মেয়ের যাবতীয় সাজার উপকরন নিয়ে, ওরা আসবে
অনেক খাওয়া দাওয়া আনন্দ, উল্লাস, মুভমেন্ট বুঝে বুঝে বাজবে গান, নাচ হবে মেহদি হবে কত কি ভাবনা,
সব নস্যাৎ করে দিয়ে হঠাৎ বলে বসলো আজ বিয়ে, এটা একটা কথা হলো?
মনটা ভার হয়ে গেলো, আমি কি তাহলে স্বপ্ন দেখছি? নিজেকে একটা চিমটি কাটি না এটা বাস্তব ।
সাহেবকে বললাম ওনিতো শুনে রেগে আগুন, রাতে বিয়ে এখন বলছে এটা কি যাবার জন্য বলা নাকি দুষ ফুরানো?
না যাবনা, যাবার জন্য হলে আগেই বলতো।
সাহেবের মনটা খুব ভারাক্রান্ত হয়ে গেলো, মনে মনে কি যেন ভাবছে  আর বির বির করছে।
সাহেব যায়নি, ওদের বিয়ে হয়ে গেছে, বড় দুলাভাই, ছোট দুলাভাই ওরা গেলো ফিরে এসে সেই প্রশংসা বউকে নিয়ে, শুনতে ভালোই লাগছে, দেখার আগ্রহ টা প্রবল মনে অভিমানের পাহাড় জমেছে, তাই মুখ ফোটে বলিনি।
ভাই বুঝতে পারলো আমাদের মন ভালো নেই, তাই সিদ্ধান্ত নিলো আমাদের সবাইকে নিয়ে বরিশাল যাবে, তার শশুড়বাড়ি, মহা খুশি সবাই বেড়াতে যাবো, এতো দুর কখনও ভ্রমণ করা হয়ে উঠেনি।

দেখতে দেখতে সেই কাংখিত দিন  এসে গেলো। আমার পরিবার, বড় আপা ও ছোট আপার পরিবার, ছোট আপার মেয়ের পরিক্ষা ছিলো তাই আমাদের সাথে যেতে পারেনি। ছোট ভাই ও তার পরিবার বড় ভাবী ও তার দুই মেয়ে, সবাই রেডি।
গাড়ি এলো সবাই উঠলাম, তখন বেলা ১ টা বাজে,
আল্লাহর নাম নিয়ে গাড়ী ছাড়লো কটিয়াদি পর্যন্ত আসতেই ছোট ভাই গাড়ি থামালো, ওর শশুড়বাড়ি ওখান থেকে কতগুলো কাঁঠাল নিলো, কিছুটা সময় কাটলো এখানে।
আবার যাত্রা শুরু গাজীপুরের কাছাকাছি আসতেই, ছোট ভাইয়ের ছেলে মাহিন বলে উঠলো, আব্বু পলিথিন লাগবে বমি বমি ভাব, ব্যাগের ভেতর পলিথিন  বের করার উপায় নেই, অন্য ব্যাগের নীচে পরে গেছে।
তাই গাড়ি থামালো, পলিথিন কিনলো।
আবার যাত্রা শুরু  গাজীপুরে যেতেই গাড়ী চাকা নষ্ট হয়ে গেলো, সবাই নামলাম একটা নিরিবিলি জায়গা, চার দিকটা ঘন ঘাসে আবৃত, প্রচন্ড রোদে দারুণ শীতল হাওয়া আসছে, সামনে একটা মসজিদ ওখান থেকে পানি নিলাম হাত, পা ধৌত করলাম, পরিবেশ টা এতো সুন্দর লাগছিলো কিছুক্ষণ হাটলাম, বেশ ভালো লাগছে, রোদ আর হাওয়া কেমন একটা ভাব জমেছে, কয়েকটা সেলফি নিলাম, ওদের মিতালীর সাক্ষী হয়ে
প্রায় ঘন্টা খানেক লেগে গেলো, চাকা লাগানো হলো, গাড়ীতে সবাই উঠলাম, আবার যাত্রা শুরু হলো, বেশ কিছুটা পথ যেতেই মাহিন বমি করে সর্বনাশ করে ফেলে,
মাহিনের আম্মুর নতুন দামী শাড়ীটা বমিতে নষ্ট হয়ে গেলো বড় দুলাভাইয়ের এতো সুন্দর দামী জুতোতেও বমি পড়লো, কমপ্লিট সেট পড়েছিলো ওটাতে বমি পড়লো বড় ভাবীর শাড়ীতেও ছিটেফোটা পড়লো।
সামনে একটা পুকুরছিলো ওখানে গাড়ি থামালো।
পুকুর থেকে পানি নিয়ে সব পরিষ্কার করছে,
কতগুলো হাঁস ঝাঁক বেঁধে পানিতে ভেসে বেড়াচ্ছে, একটু দূরে দুটো রাজা হাঁস ঠোঁটে ঠোঁটে ঘষে ওদের মনের ভাব প্রকাশ করছে। মনে হচ্ছে ওরা যেন আর জনমের হংস মিথুন, পুর্ব জনম থেকে ভেসে বেড়াচ্ছে, বাড়ী ফেরার কোন তাড়া নেই। কয়েকটা পিক তুললাম ওদের প্রেমের সাক্ষী হয়ে, আপ্লুোড দিবো।
এখানেও অনেকটা সময় লেগে গেলো, বড় দুলাভাই বেচারর জুতো গুলো ভিজে কেমন যেন  হয়ে গেছে।
যাক আবার যাত্রা শুরু হলো, ঢাকার কাছাকাছি আসতেই বড় ভাইয়ের মেয়ে গুলির বমি বমি ভাব হচ্ছে, এক সময় পলিথিনে বমি করলো, কারো গায়ে পড়েনি, বাঁচা গেলো বাবা।
ওদের আসলে  গাড়ীতে এডজাস্ট হয়না।
থামালো গাড়ী বাচ্চাদের পেট খালি কিছু খাবার কিনতে হবে,
একটা কনফেকশনারি দোকান সব জিনিসই মুটামুটি পাওয়া যায়, ভিতরে গেলাম খাবারের জিনিস গুলো পেকিং করছে, দোকানদার লোকটা দেখতে এমন অদ্ভুত চেহারার, যেন একটা হুতুম পেঁচা এসে ঘারের উপর বসেছে, এতো বিশ্রী দেখতে কি বলবো। যাক সেটাতো আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন , নিজেদের হাতে ক্ষমতা থাকলে ছেলেরা হতো শাহরুখ খান আর সব মেয়েরা হতো মাধুরী, কারিনা, কারিশমা। 
লোকটা আমায় দেখে কেমন দাঁত কিলিয়ে হাসছে। দাঁত গুলো যেন তরমুজের বিচি, জীবনে ব্রাশ করেছে বলে মনে হয় না। জাম ছাড়া আঁখ বোধহয় খায়নি কোনদিন।
কেমন করে তাকিয়ে আছে যেন জীবনে মেয়ে মানুষ দেখেনি। খুব বিরক্ত লাগছে তারাহুরা করে গাড়িতে উঠে গেলাম।
আবার যাত্রা শুরু ঢাকা পৌঁছাতে পৌঁছাতে রাত ৮ প্রায় বেঁজে গেলো, এতো জ্যাম রাস্তায় গাড়িটা এগুতেই পারছেনা ।
এমন সময় ভাই কল দিলো এখনও সদর ঘাটে এসে পৌঁছাসনি?
সারে আটটায় লঞ্চ ছেড়ে দিবে, ভাই আর বড় আপার মেয়ে ওরা ঢাকাতেই থাকে, তাই আগেই লঞ্চে বসেছিলো।
লঞ্চের দুতলা কেবিন পুরুটাই নেওয়া হয়েছে সময় মতো না পৌঁছাতে পারলে সর্বনাশ।
কিন্তু কি করবো একটু এগুতেই জ্যাম। মাত্র ২০ মিনিট সময় বাকী সবাই টেনশনে পরে গেলাম।
কি যে একটা বাজে অবস্থার মাঝে পড়েছি। শীতের রাতেও ঘামছি।
ছোট ভাই বলল, এখান থেকে সদর ঘাট ৫ মিনিটের রাস্তা। যে যানজট  ১০টা বাজলেও পৌঁছাতে পারবোনা, চলুন পায়ে হেঁটে চলে যাই, তাহলেই সম্ভব কাছাকাছি খুব একটা দুর নয়।
সবাই তারাহুরা করে নামতে গিয়ে আমার ব্যাগ টা ছিড়ে গেলো আমি হাত দিয়ে ধরে দিলাম দৌড় বড় দুলাভাই নামতে গিয়ে গাড়িতে একজুতা আটকে গেলো, এক পায়ে জুতা এক পা খালি দৌড়, বড় আপা বিছানা থেকে নামতেই লাগে ১০ মিনিট ওহ আহ করতে করতে, আর সেই আপাও ব্যাগ নিয়ে দৌড়, কেহ রিকশায় কেউ হেঁটে যে যেভাবে পারছে। আমার পায়ে ব্যথা করছে এতো হাঁটছি তবুও সদর ঘাট পৌঁছাতে পারছিনা এতো দূরে লাগছে।
একটা রিকশা নিলাম, চাচা তারাতারি চলেন সময় কম।
রিকশা ওয়ালা চাচা বৃদ্ধ, আর কোন রিকশা তখন ছিলোনা, তাই বৃদ্ধ চাচার রিকশায় উঠলাম।
চাচার পা চলেতো চলেনা, কি হলো চাচা এতো আস্তে চালাচ্ছেন কেন?
চাচা বলল মাগো আমার শীীরটা ভালো না, কিন্তু কি করবো পেট তো চালাতে হবে।
চাচা আপনার কোন সন্তান নেই?
মাগো আমার এক ছেলে, ২ মেয়ে, মেয়েদের বিয়ে দিয়ে ফেলেছি। ছেলেকে অনেক কষ্ট করে রিকশা চালিয়ে বি এ পাশ করাইছি, কিন্তু কোন চাকরি হয়না। তাই জমি জামা বেঁচে  ছেলেকে বিদেশ পাঠাইছি। টাকা পয়সা ভালোই কামাইছে গাজীপুরে একটা ২ তলা বাড়ি করেছে। বিয়ে করেছে নাতীও হয়ছে।

আমি হার্টের রুগী রিং পড়াতে হবে ছেলের বাড়ীতে গেলাম, বৌমা বলল এখানে কেন আসছেন যান যান।
ছেলেকে কল দিলাম ছেলে বলল, আমি কি করবো।
তার পর মোবাইল থেকে ছেলের নাম্বারটা ডিলিট করে ফেলেছি, আর ভুলে গেছি, ওরা আমার কেউ হয়।
কথা বলতে এসে গেছি সদর ঘাট। লঞ্চ পারাবাত ১১ তে উঠলাম, এসে শুনি ৯ টায় ছাড়বে লঞ্চ।
ভাই হাতে ৩০ মিনিট রেখে আমাদের তাগাদা করে গেছে একটু পর পর।
বাঙালি তো ৮ টায় বললে ৯ টায়ও পৌঁছাতে পারেনা, তাই এমন করলো।
মাইক্রো, রিকশা, হাঁটা সবশেষে এসে উঠলাম লঞ্চে।
সারাদিন কিশোরগঞ্জ টু ঢাকা ভ্রমণ করে ক্লান্ত।
লঞ্চের ভিতর এতো সুন্দর আলিশান ব্যবস্থা যেন একটা রাজ বাড়ী। হাত মুখ ধৌত করলাম, কাপড় চেঞ্জ করলাম।
প্রচন্ড মাথা ব্যাথা করছে।
ভাই বলল এক কাপ চা চলবে?
বললাম মন্দনা হয়ে যাক ক্লান্তি দূর হবে, একটা নাপা + খেলাম। একটু ঘুমিয়ে নিলাম।
ঘন্টা খানেক পর উঠলাম আরাম লাগছে, লঞ্চের ভিতরেই ডাইনিং সবাই মিলে বুনা খিচুড়ি আর গরুর মাংস, সাথে ঝাল মুরগী, আর চাটনি ও আছে। ভাগ্নিটা রান্না করে নিয়ে এসেছে সবার জন্য, সবাই মিলে আনন্দ করে খেলাম।
খাওয়া শেষ যার যার ভাবে রেস্ট নিচ্ছে। কেউ ঘুমাচ্ছে, কেউ মোবাইল টিপছে কেউ আবার টিভি দেখছে।
আমি চুপচাপ, রাত ১২ টা প্রায়, ঠান্ডা টা ক্রমশই বাড়ছে,
ভিতরের রুমে আমি বড় আপা ও ছোট আপা ডুকলাম।

হা হায় এতো ফল, অনেক প্রকার মিষ্ট,    এতো খাবারের আয়টেম। পেট ভর্তি খেতে পারছিনা, একটা কমলা খেলাম।
কিছুক্ষণ গল্প করি, পরে আপারা ঘুমিয়ে পড়ে, রাত ২ টা বাজে আমার ঘুম আসছে না, সবাই গভীর গুমে মগ্ন।
পৃথিবীটা কেমন যেন নিস্তব্ধ, আমার খুব ইচ্ছে করছে বাহিরে যেতে একটু ঘুরে দেখতে, কয়েকজন কে বললাম উঠো চলো ঘুরে দেখি গভীর রাতের প্রকৃতি  কেউ উঠলোনা।
ঘুমতো আছে প্রতি দিনই আজ না হয় ঘুমালামনা, রাত জেগে কাটিয়ে দিবো,  বাহির হলাম কেমন ভয়ানক নিরব, গা ছম ছম করছে নিরবতায় ছেয়ে আছে,পৃথিব,   আস্তে  আস্তে এগুচ্ছি ভয় ভয় করছে যাবো নাকি রুমেই থাকবো ভাবছি, আবার সাহস নিয়ে এগুচ্ছি, লঞ্চ টা অনেক বড় এক মাথা থেকে আরেক মাথা অস্পষ্ট।
দূরের  শেষ মাতায় কি যেন একটা ভয়ঙ্কর কিছু দেখা যাচ্ছে , একটু একটু আলো ছায়াটাই বেশী, আবার দূয়েক ফুটা বৃষ্টি ও পড়ছে, আকাশ টা মেঘে ঢাকা  চাঁদ টা মেঘ কেটে বেরুতে পারছেনা, তাই বুঝতে পারছিনা ওটা কি?
মাঝে মাঝে নড়াচড়া ও দেখা যায়, মনে হয় ভূত পেরত হবে, নাকি কোন চোর ডাকাত না বাবা যাবনা ভয় করছে।
যদি আমাকে মেরে ফেলে? কিন্তু ভীষণ কৌতূহল হচ্ছে।
পা টিপে টিপে এগুচ্ছি এমন সময় পিছনে হাত ধরে কেউ টান মারলো, আমি চিৎকার দিয়ে উঠি।
সবাই জেগে যায় পিছন ফিরে দেখি আমার সাহেব। বাইরে কেন গুমিয়ে পড়ো। সবাই আমাকে বকে, পড়ে আবার সবাই ঘুমিয়ে পড়ে, কিন্ত আমার মনে সেই কৌতূহল আমি দেখবো ওটা কি, যদি জিন ভুত হয়, ছোট বেলা থেকে ইচ্ছে ওদের সাথে বন্ধুত্ব করার।
আল্লাহর নাম নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি, যখন ছায়াটা পড়ে, বড় দানবের মতো দেখা যায়, দুহাত মেলানো বিশাল ভয় করছে, কাউকে ডাকবো? মনের কোনে প্রশ্ন জাগছে কি করবো, না বাবা কাউকে ডাকলে ওলটো নিজেই বকা খাবো,

দেখি যা হয় হবে ধীরে ধীরে সামনের দিকে যাচ্ছি মনে মনে আল্লাহর নাম জপছি।
অনেকটায় কাছাকাছি গেলাম এতো মিষ্টি একটা ফারফিউমের গন্ধ, চার দিক  যেন মুখরিত হয়ে গেছে, বুঝলাম এটা কোন পরী হবে, আমি তো ছোট বেলা থেকে অনেক গল্প শুনেছি, লাল পরী নীল পরীদের গল্প, পরীরাতো ভালো হয়, আজ বাস্তবে আমার সামনে কি মজাইনা হবে, সকালে যখন সবাইকে বলবো এই পরীর গল্প, তখন সবাই আফসোস করবে।
আরেকটু কাছে গেলাম, না এটা তো পরী নয়, হবে হয়তো পুরুষ ভুত, বাবা পালাই শুনেছি সুন্দরী মেয়েদের কে উড়িয়ে নিয়ে যায় পুরুষ ভুতেরা, পিছু হাটতে শুরু করলাম। কিন্তু মনটা যে বরই অবুঝ কৌতূহলটা যে থেকে যাচ্ছে, না তীরে এসে তরী ডুবালে চলবেনা, যা আছে কপালে আমি আজ দেখবোই।
তখন চোখ বন্ধ করে একদম কাছে চলে এলাম, চেয়ে দেখি টাইটানিক মুডে দাড়িয়ে আছে একটা যুবক, দুহাত মেলে আকাশের দিকে তাকিয়ে  নিঃশ্বাস নিচ্ছে।
রংটা শ্যামলা আবার কালো বলাও চলে, নাকি রাতের আঁধারে এতো কালো লাগছে বুঝতে পারছিনা। কিন্তু তার চেহারাটা মাশাল্লাহ, এতো সুন্দর হতে পারে আমার জানা ছিলোনা। যেন বিধাতার সেরা আশির্বাদ।
কি করে জানবো যখন থেকে পুরুষ মানুষ জিনিস টা বুঝতে শিখেছি তখন থেকেই আমাকে পুরো দখল করে আছে আমার সাহেব, তাইতো অন্য কোন পুরুষ আমার জীবনে আসার সুযোগ পায়নি।
আর ভবিষ্যত এমন ভাবে কোন যুবক কে তাকিয়ে দেখবো সেটাও ভাবিনি। এতো স্মার্ট, ইং করা পেন্টটা এ্যাস কালার  আর শার্ট টা মেরুন কালার হবে হয়তো এতো বুঝা যায়না, তবে অসাধারণ লাগছে, জীবনে এই প্রথম সাহেব ছাড়া কাউকে এতো ভালো লেগেছে।
ভদ্র লোক ফিরেও তাকাচ্ছে না, অজান্তেই চাইছি আমাকে দেখুক ফিরে, কিন্তু না ওনি সেই আকাশের দিকেই তাকিয়ে, মনে হচ্ছে চোখ দিয়ে আকাশ টা গিলে খাচ্ছে।

আরে বাবা একটু তাকানা এদিকে, আমি দেখতে এতোটাও বাজে না যে চোখ বন্ধ হয়ে যাবে। প্লিজ একটু তাকাও, না তাকাচ্ছে না।
আমি হাটছি এদিক সেদিক আর ফিরে ফিরে দেখছে, না তাও তাকাচ্ছে না, একসময় আমার পা একটা জায়গায় লেগে, পরে গিয়ে ব্যথা পেয়ে ইস করে বসে পড়ি নীচে।
তখন ভদ্র লোক নীচে নেমে এসে বলে ম্যাম ব্যাথা পেয়েছেন?
এতো সুন্দর আওয়াজ, আমি থ মেরে চোখে চোখ রেখে চেয়ে আছি  যেন একজনমে চোখের পলক পড়ছে না।
আমার পা টা টেনে বের করলো, তার হাতের স্পর্শে কি এক অদৃশ্য কারিশমা  যেন নিমেষেই সব ব্যথা উদাও। দারুণ এক ভালোলাগা কাজ করছে সর্বাঙ্গে।
ভদ্র বলল হেলো কিছু বলুন চোখের সামনে আঙুল দিয়ে তুরি মেরে, আমি চমকে উঠি, বললাম না ব্যথা নেই, ভদ্র লোকের বাম হাতে ২ টা আঙুল বেশী।
প্রচন্ড ইচ্ছে করছে ভদ্র লোকের সাথে কথা বলতে, কিন্তু আমাকে যদি বাঁচাল মহিলা ভেবে বসে।
চলে যাবো?  ইস ওনি যদি নিজ থেকে কথা বলতো কত ভালোই না হতো,
কিছুক্ষণ নিরবতার পর ওনি বলে উঠলেন, আপনি কোথায় থেকে এসেছেন?
আমি বললাম, কিশোরগঞ্জ আপনি?
ওনি বলল সিলেট থেকে।
আমার নাম সৈয়দ ওয়েস রেজা আপনার?
আমি সেনু,
ওয়েস: বাহ চমৎকার নাম আপনার দেখতেও বেশ সুন্দরী স্মার্ট।
ওনার মুখে আমার প্রশংসা শুনে বেশ ভালো লাগছে।
সেনু: আপনিও কিন্তু চমৎকার সুদর্শন পুরুষ, আচ্ছা আমরা কি  এক সাথে কথা বলে  কিছুটা সময় কাটাতে পারি?
ওয়েস: কেন নয় নিশ্চয়ই, ভালোই হলো একজন সাথী পেলাম।
দুজনে একসাথে মুখোমুখি বসলাম।
ওয়েস: আপনি কি গান পারেন?
সেনু: না, তবে আমি কবিতা পাড়ি।
ওয়েস: তাহলে শুনান।
সেনু:- ওকে, এটা আমার স্বরচিত,

প্রথম দর্শনেই তোমার প্রেমে পড়ে গেলাম,

এই মন এই প্রেম আজ অজান্তে তোমাকে দিলাম।

            গ্রহণ করবে তুমি  আমায় শ্রদ্ধা ভরে,
হাত বাড়িয়ে দিবে হৃদয় উজার করে।
আজ এই মুহূর্তে ক্ষণিকের পরিচয়ে,
যদি বলি অনেকটাই ভালোবেসে ফেলেছি
নিবে কি বুকে টেনে নিঃসংকোচে নির্ভয়ে।
রাত ফুরোলে দিনের আলোয়
ভুলে  যাবে কি এই আমাকে?
ক্ষণিকের তরে এসে হৃদয় টা কেড়ে নিলে
হৃদয়ের দ্বার আজ উন্মুক্ত করে দিলাম
আমি ভালোবাসি,  ভালোবাসি তোমাকে।

থেমে গেলাম তৎখনাৎ আর কিছু আসছেনা মাথায়। বানিয়ে বানিয়ে কতটুকু বলা যায়।
ওয়েস: বাহ দারুণ তো, এতো সুন্দর কবিতা, নিজেই রচয়িতা নিজেই আবৃত্তি কার, অসাধারণ প্রতিভা আপনার। কত গুলি লিখেছেন?
সেনু: কি যে বলেন, এই লিখার জন্য কত বকা খেতে হয়, ভাই বলে ভন্ডামী, সাহেব বলে নাস্তিক,  ছেলে মেয়ে বলে বর্তমান সমাজে এগুলো অচল, আরো কত কি ছাই পাস লিখা বন্ধ করো, মন খারাপ হয় লিখা বন্ধ করে দেই,
আবার কখনও কখনও লিখি আবল তাবল। লিখেছি শতেক হবে।
ওয়েস: ওয়াও অসাধারণ,  না প্লিজ আপনি লিখা বন্ধ করবেন না, লিখে যান এক দিন দেখবেন অনেক গুণগ্রাহী হবে আপনার।
আপনার লিখা পড়ার অপেক্ষায় থাকবে অনেক, ওদেরকে ঠকাবেন না। আপনাকে একদিন মুল্যায়ন করবে এই সমাজ, তখন আমার কথা মিলিয়ে নিয়েন।
সেনু: কি যে বলেন, এমনও হয় নাকি কখনও? যদি কখনো এমন দিন আসে পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখি মানুষ হবো আমি।
আচ্ছা বাদ দেন অনেক গুণগান হয়েছে আমার, এখন আপনার পালা।
ওয়েসঃ আমার তো আর আপনার মতো এতো প্রতিভা নেই, তবে টুকটাক গান করি,যাকে বলে বাতরুম সিঙ্গার।
তবে যদি এতো রাতে হেরে গলায় গান করি ভূত পেত্নীরা চলে আসে তাহলে সামলাতে পারবেন?
সেনু: হা হা হা আপনিতো ভারী মজার লোক, যার কথা বলার স্বর এতো সুন্দর, তার গানের কন্ঠ যে কত মধুর হবে যে বলতে হবেনা, শুরু করুন প্লিজ।

ওয়েস: ওকে আপনার সাথে কথায় পারা যাবেনা।
আমি বুঝতে পারছি, গান শুরু করি।
** এই রাত তোমার আমার শুধু দুজনার………………….।
গানের প্রতিটি লাইন, সুর হৃদয় ছুঁয়ে গেলো, এতো সুন্দর কন্ঠ  মনে মনে ভাবছে, তুমি আরে আগে কেন এলেনা? সংসার সীমার গন্ডীর বাহিরে এতো সুখ লুকিয়ে ছিলো, সেটা আজ এখানে না এলে বুঝতেই পারতাম না।
গান শেষ অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে আছি, যেনো হারিয়ে গেছি অন্য জগতে, হাত হাত রেখে যেন অনন্তের পথে হাটছি, আজ রাত যেন শেষ না হয়।
হৃদয়ের দ্বার খুলে গেছে অজানা অচেনা এক যুবকের দর্শনে।
সেনু: এতো সুন্দর গান করেন আপনি, ভাষায় প্রকাশের উর্ধ্বে। আচ্ছা জানা হলোনাতো আপনি কি করেন,? কে কে আছে আপনার?
ওয়েস:আমি সিলেট চা বাগানের ম্যানেজার। মাজে মধ্যে গান করি দেশ বিদেশে। ছোট খাটো ব্যবসা ও আছে। বিয়ে করেছিলাম ভালো বেসে,মাকে দেখার কেউ ছিলোনা,
আমার স্ত্রী কে মায়ের কাছে থাকতে বলেছিলাম, সে পি, এস, ডি, করতে চলে যায় জার্মান, ওখানেই সেটেল হয়ে যায়, আমাকে নিতে চেয়েছে অনেকবার, কিন্তু মা কে ছেড়ে, যাওয়া হয়ে উঠেনি, এখন সে অন্য কারো সন্তানের মা, আমি রয়ে গেলাম সিলেটে, এখন মাকেও হারালাম,
দুই ভাই এক বোন।
বড় ভাই আমেরিকা  ভাবী বাচ্ছা সহ ওখানেই সেটেল।
বোন, লন্ডন সেটেল। মা নেই বাবা রিটায়ার্ড করেছেন পুলিশ কমিশনার ছিলেন,  বাবাকে দেখা শুনা করার জন্য পুনরায় বিয়ে করায় চাচারা    ২য় স্ত্রী নিয়ে সিলেটই থাকেন।
ভদ্র মহিলা ভালোই দেখাশুনা করেন বাবার,
আমাদের ও খু্জ খবর ভালোই রাখেন।
এবার আপনার কথা বলুন?
সেনু: এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে সুখি পরিবার। দুজনের মাঝে অনেক কথা হলো বিনিময়। ভিষণ ভালো কাটছে সময়।
ওয়েস: আমাদের পরিচয় হলো কথা বলতে বলতে একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠেছে এতক্ষণে মনে হয় আমার।
আচ্ছা বলুনতো কি নাম দেওয়া যায় এই সম্পর্কের?
ক্ষণিকের পরিচয়ে দীর্ঘ দিনের বন্ধু হবো, কেমন হয় তাহলে?
সেনু : কেন নয়, এখন থেকে আমরা ভালো বন্ধু, আমাদের মাঝে কোন চাওয়া পাওয়া থাকবে না, লোভ লালসার স্বীকার হবোনা, একটা পবিত্র সম্পর্ক থাকবে আমাদের মাঝে।
আজকের পর কোন দিন দেখা হবে কিনা জানিনা, সম্পর্ক টিকে থাকবে শুধু বিশ্বাসে, তুমি  আবার বিয়ে করলে মেয়ে হলে আমার ছেলে বউ করে নিয়ে আসবো।
তখন আমাদের আরেকটা পরিচয় হবে বিয়াই, বিয়ান, হা হা কি মজা হবে তাইনা,?
ভীষন হাসলো আর বলল, যদি ২ টাই ছেলে হয় তখন?
তোমার আরেকটা মেয়ে হতে হবে আমার ছেলে হবার সংবাদ পেয়ে।
সেনু: কি যে বলো তখন তো আমি বুড়ি হয়ে যাবো, কখন যে কথায় কথায়, দুজন দুজনকে তুমি বলে ফেললাম বুঝতেই পারিনি। চলো একটা সেলফি হয়ে যাক আজ রাতের আঁধারে সাক্ষী হয়ে থাকবে।
সেলফি নেওয়া হলো, মোবাইল নাম্বার নেওয়া হলো , যেখানেই থাকি মোবাইলে কথা হবে।
জানিনা এই সমাজে একটা মহিলা ও একটা যুবকের সম্পর্ক কে পরক্রিয়া  নাম দেয় কিনা? লোকের কথায় কি আসে যায়?  আমরাতো কোন পাপ করছিনা, বন্ধুত্বের সম্পর্ক পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পর্ক।
ওয়েস: আপনার ফেসবুক আইডি?
সেনু: ও হে এখনি রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছি।
ওয়েস: আচ্ছা মোবাইল টা দিন আমি এখনি দেখছি।
এতো কুয়াশা ছিলো রাস্তা নির্নয় করা কঠিন, মোবাইল টা হাতে নিতেই আরেকটা লঞ্চ এসে ধাক্কা খায় সাথে সাথে  কিনারায় বসে থাকা ওয়েস নামের মানুষ টা মোবাইল টা হাতেই ছিলো পানিতে পড়ে যায় ধপাস করে, আমি চীৎকার দিয়ে হাত বাড়ালাম কিন্তু ছুঁতে পাড়লাম না। আমি কাঁদতে থাকি, আর লোক ডাকতে থাকি, ইন্জিনের শব্দে আমার ডাক কেউ শুনেনি, অনেক দুর চলে গেলো।

অন্য কারো কোন ক্ষতি হয়নি। আমি আর   ওয়াসের কোন খুঁজ  পাইনি।
এদিকে ভোর হয়ে এলো আমি বসে বসে কাঁদছি,
এমন একজন বন্ধু হয়ে জীবনে এসেছিলো, তাকে ক্ষণিকের জন্য পেয়ে হারিয়ে ফেললাম।
সবাই উঠে গেছে বরিশাল ঘাটে পৌঁছে গেছি, ডাকছে নামতে হবে রুমে এলাম, কিছুই ভালো লাগছেনা, ভ্রমণের আনন্দটাই যেন মাটি হয়ে গেলো।
লঞ্চ থেকে নেমে আবার গাড়িতে এতো সুন্দর চারপাশটা ধান খ্যাত , ছোট, বড় নদী,   কোথাও  যেন শুনেছিলাম,
** ধান, নদী, খাল
তিনে মিলে বরিশাল ★
সত্যি অসাধারন, রাস্তা ঘাট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, চার পাশের পকৃতি এতো সুন্দর  মনটা ভালো নেই তাই উপলব্ধি করতে পারছিনা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কে।
ভাবীদের বাসায় এলাম * বনলতা * নাম ওদের বাড়ীর। ২ তলায় উঠলাম বেশ পরিপাটি, অনেক প্রকার খাবার ডাইনিংয়ে, চেঞ্জ করে হাত পা ধৌত করে খেতে বসলাম।
প্রতিটা রান্নাই অসাধারণ,পায়েস টা এতো টেস্ট কি বলবো মুখে লেগেই থাকে।

আর বড় বড় পাতলা সিরায় পন্জের মতো মিস্টি গুলোই সেই রকম। তার পর রেস্ট নিলাম, ভাবনায় শুধু ওয়েস একমিনিটের জন্য ও ভুলতে পারছিনা।
দুপুরে আবার অনেক প্রকার খাবার, ভাবীর মা এতো কর্মট সারাক্ষণ কাজ করেই যাচ্ছে, ভাবীও বেশ কর্মট,ওখান কার সবাইকে দেখছি বেশ কর্মট, মানুষ ও ভালো, কেন যে মানুষ বরিশাইল্লা খেতার গাট্টি বলে,
সেটাই বুঝিনা।
অনেক জায়গায় ঘুরাঘুরি  করলাম,  দূর্গা সাগর দেখতে  গেলাম,  দেখলাম
দুর্গা সাগরের একটা কাহিনী শুনলাম,
সত্য মিথ্যা জানিনা, ওখানে খনন করার পর পানি উঠেনা
দূর্গা রানী যখন মাঝখানে গেলো তখন পানি উঠে তলিয়ে যায় রানী মারা যায়, সেই থেকে এর নাম দুর্গা সাগর।
সবচেয়ে বড় মসজিদ বাগে জামে আমান, নাকি জামে আমান মসজিদ।  এতোটা মনে নেই, তবে দারুণ  সুন্দর, আরো অনেক গুলো দর্শনীয় জায়গা দেখলাম ঘুড়ে।
ভালোই লাগছে তার পরেও মনটা পড়ে আছে, লঞ্চের সেই করুন মুহূর্ত টার দিকে।
৩ দিন থেকে চলে এলাম, লঞ্চে  উঠলাম অনেক খুঁজি ওয়েস কে  পাইনি,  সময়টা যেন ফুরাচ্ছে না, সবাই লুডু খেলছে, আমার প্রিয় খেলা লুডু মন বসছে না, তাও বসলাম লুডু আমার মারাত্মক নেশা না করতে পারিনা।
আমি আর ছোট ভাইটা এক পক্ষ ভাবী আর ভাগ্নীটা আরেক পক্ষ। ওরা বার বার হেরে যায় পরে রাগে ভাবী লুডু ছিড়ে ফেলে খেলা শেষ , পৌঁছে গেলাম ঢাকায়।
কয়েক দিন থেকে চলে আসি কিশোরগঞ্জ, কাউকে কিছু বলতে পারিনি, মনে মনে কষ্ট পেতাম। এইভাবে কেটে গেলো দশ বছর।

হঠাৎ দশ বছর পর ,
বড় আপার দেবর মারা যায়, আপা বলছে চল অষ্টগ্রাম যাই, আপার দেবর আমাকে খুব আদর করতো।
সাহেবকে বললাম চলো যাই, ওনি যাবেনা আমাকেও যেতে দিবেনা, অনেক রিকোয়েস্ট করে রাজি করালাম। ওনি যায়নি আমি আর আপা যাবো।
বাস দিয়ে কুলিয়ার চর গেলাম ওখান থেকে লঞ্চে উঠলাম, বাহাদুরপুর একটা ঘাটে যখন লঞ্চ থামালো, তখন একটা বৃদ্ধ লোক মুখ ভর্তি দাড়ি গোঁফ, শুধু দূটো গানের লাইন গেয়ে যাচ্ছে বার বার, সেই গান সেই সুর তুমি আজ কত দূরে…….. , দৌড়ে গেলাম চেহারাটা চিনতে পারছিনা, কিন্তু সুরটা বলে দিচ্ছে, সে ওয়েস।
আশে পাশের লোকদের জিগ্যেস করি ওনার কথা ওরা বলে, এখান এক দরিদ্র লোক ওনাকে নদীর কিনারায় ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় কুড়িয়ে পেয়েছ, নিয়ে  এসে কবিরাজি চিকিৎসা করে সুস্থ করেন, কিন্তু ওনি এই দুই লাইন গান ছাড়া কিছুই বলতে পারেনা। প্রতি দিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এখানে বসে থাকে আর দুই লাইন গান করে, মানুষ টাকা পয়সা দেয়, তা দিয়ে পেট চলে।
আমার হঠাৎ মনে পড়লো বরিশাল যাওয়ার সময়, আমি লঞ্চে যখন পায়ে ব্যথা পেয়েছিলাম, ওনি আমার পায়ে হাত দিয়েছিলো তখন ওনার বাম হাতে ২ টা আঙুল বেশী ছিলো, চেয়ে দেখি ওনার ও দুইটা আঙুল বেশী, বুঝতে পারলাম ওনি সেই ওয়েছ।
ওনার পিক তুলি,হর্ন দিচ্ছে লঞ্চ ছেড়ে দিবে, ওঠে এলাম, কি করবো নিরুপায় চলে আসতেই হবে,  আর এই জায়গার ঠিকানা লিখে ওনার নাম, আর বাবার বড় ভাই, বোন, ডিটেইলস লিখে ওনার বাড়ী সিলেট, যত টুকু শুনেছিলাম তা দিয়ে  ফেইসবুকে
সব ফ্রেন্ডদের ম্যানসন করে  একটা পোস্ট দিলাম লঞ্চে বসে।
তিন দিন থাকার পর চলে আসি, আসার সময় ঐখানে যাই, তখন, লোকটা বলে আপা ওনাকে এসে নিয়ে গেছে, বড় গাড়ি দিয়ে ওনার আত্মীয় স্বজন রা, আর এই নাম্বারটা দিয়ে গেছে, আর আমাকে অনেক টাকা দিয়েছে আর বলছে যখন যা লাগে আমি যেন এই নাম্বারে কল দিয়ে বলি, আমাকে নিয়ে যেতে চেয়েছিলো আমি যাইনি।
আপনার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে পাইনি।
সেনু: ওহ ওখানে নেট ছিলোনা তাই তিন দিন ফেইসবুকে ওপেন করা  হয়নি কারেন্ট  ছিলোনা, মোবাইলে চার্জ ও ছিলোনা, নাম্বার টা লিখে নেই।

বাসায় এসেই ফেইসবুকে ওপেন করি, দেখি কমেন্ট বক্সে অনেক অনেক ধন্যবাদ, ও মেসেঞ্জারে মেসেস রিকোয়েস্ট, একসেপ্ট করি। মোবাইল নাম্বার দেওয়া, কল দিলাম।
বড় ভাই রিসিভ করলো। বলল আপনাকে কি বলে ধন্যবাদ দিবো বুঝতে পারছিনা, আমি দেশে এসে অনেক খুঁজি , পেপারে দেই কোন খোঁজ পাইনি, বাবা ওর শুকে মারা যায়। আপনার পোস্ট পেয়ে এসে নিয়ে যাই,
এখন ওকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য  নিয়ে যাবো।
মাঝে মাঝে খু্ঁজ নেই, এখন বিদেশেই আছে আগের মতোই এখনও সেরে উঠেনি, ডাক্তার বলেছে সময় লাগবে সেড়ে উঠতে।
জানিনা সেড়ে ওঠে আমাকে খুঁজবে কিনা, যখন সেড়ে উঠবে হয়তো আমি থাকবো না। ভালো যেন থাকে এই কামনা আমার।
জীবনের এই ভ্রমন আজও হৃদয়ে গাথা আছে এটা ছিলো আমার জীবনের মর্মান্তিক হৃদয় ছোঁয়া  ঐতিহাসিক ভ্রমণ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/211673/</link>
				<pubDate>Mon, 08 Apr 2024 08:34:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>★★এক মর্মান্তিক ভ্রমণ কাহিনী ★★<br />
নাহার সুলতানা ময়না<br />
কিছু কিছু মুহূর্ত আছে যা হৃদয়ের ফ্রেমে আজন্ম কাল বন্দী থাকে।<br />
তেমনি একটা ভ্রমণ আমার জীবনে এসেছিলো। যা থেকে আজও বের হয়ে আসতে পারিনি, হৃদয়ের গভীরে ক্ষতের সৃষ্টি করে।<br />
একদিন হঠাৎ কল এলো হেরে সেনু  কেমন আছিস?<br />
সলাম দিলাম, বললাম ভালো আছি, তুমি কেমন আছো?<br />
বড় ভাই বলল ভালো আছি,<br />
সেনু:- ভাই এই সময় কল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-211673"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/211673/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>