<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Md. Moznu Sarkar | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/moznu/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/moznu/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Md. Moznu Sarkar.</description>
	<lastBuildDate>Sun, 14 Jun 2026 09:10:07 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">3ee7f5ffe0531024051ef314aec083b4</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and বিলকিস খানম কাজল are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/215301/</link>
				<pubDate>Thu, 30 May 2024 18:52:06 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e4647bd54690204cfc6b9d9463974767</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and কবি মোঃ সামিদুল ইসলাম are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/213675/</link>
				<pubDate>Thu, 02 May 2024 06:27:42 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f1a398300fc1fae03d606a22f1984ea4</guid>
				<title>বৃত্তে বন্দী জীবন

জীবন হচ্ছে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বৃত্তের সমন্বয়ে গঠিত একটি বড় জটিল বৃত্ত। যে বৃত্তের সূচনা হয় মাতৃগর্ভে শুক্রানু ও ডিম্বানুর মিলনে গঠিত একখন্ড মাংসপিন্ডে পরিনত হওয়ার মাধ্যমে আর পরিসমাপ্তি ঘটে মৃত্যু নামক অদেখা, অচেনা, অদৃশ্য, অস্তিত্বহীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন এক পরাক্রমশালী বহ্নিবৃত্তে প্রবেশের মাধ্যমে। মাতৃবৃত্ত থেকে মৃত্যুবৃত্তের মাঝপথে জীবনকে শিশুবৃত্ত, শৈশববৃত্ত, কৈশোরবৃত্ত, যুববৃত্ত, পরিনতবৃত্ত, বয়স্কবৃত্ত, বার্ধক্যবৃত্ত অথবা প্রাইমারিবৃত্ত, স্কুলবৃত্ত, কলেজবৃত্ত, ভার্সিটিবৃত্ত, চাকুরিবৃত্ত, বৈবাহিকবৃত্ত, সংসারবৃত্ত ইত্যাদি নামক অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বৃত্ত পার হতে হয়। এই বৃত্তগুলো পার হতে গিয়ে অথবা একটি বৃত্ত হতে অন্যবৃত্তে প্রবেশ করতে গিয়ে জীবনকে নানামুখি পাটিগণিত ও বীজগণিতের যোগ, বিয়োগ, গুন, ভাগ এবং ফিজিক্স ও কেমিষ্টির অসংখ্য জটিল সমীকরণ ও ইকুয়েশান মিলাতে হয়। এই যোগ-বিয়োগ, গুন-ভাগ এবং সমীকরণ -ইকুয়েশান মেলাতে গিয়ে কেউ কেউ ব্যর্থ হয়ে একই বৃত্তের মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে আবার কেউ কেউ সফল হয়ে পর্যায়ক্রমে সকল বৃত্ত পার হয়ে যায়। বৃত্তের মধ্যে চলতে থাকা এই সফলতা ও ব্যর্থতার জটিল খেলা জীবনভর চলতে থাকে। মানুষ মাত্রই এই বৃত্তগুলো থেকে সফলভাবে বেরিয়ে আসতে চায় কিন্ত এই বৃত্তগুলো অসংখ্য পারিবারিক, সামাজিক, নৈতিক, আর্থিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়, রাষ্টীয় নিয়ম-কানুন, বিধিবিধান, মুল্যবোধ, দায়িত্ববোধ, মায়াবোধ, ভালোবাসাবোধ, চাহিদাবোধ ইত্যাদি পরিবেশগত অনুষজ্ঞ দিয়ে এমনভাবে গঠিত যা ভেঙ্গে সবার পক্ষে সফলভাবে বেরিয়ে আসা সম্ভব হয় না। অধিকাংশ মানুষই এই বৃত্তগুলোর মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকে আর অল্প কিছু সংখ্যক মানুষই এই গতানুগতিক বৃত্তগুলো থেকে সফলভাবে বেরিয়ে নিজস্ব বৃত্ত তৈরি করে জীবন চালাতে থাকে। আর এই শ্রেনির স্বল্প সংখ্যক মানুষগুলোই সমাজে/পৃথিবীতে নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। যদিও এই শ্রেনির মানুষগুলোকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ ব্যর্থ মানুষগুলো সমাজদ্রোহী, ধর্মদ্রোহী, রাষ্ট্রদোহী, পরিবারদ্রোহী ইত্যাদি বিশেষায়িত নামে সংখ্যালঘু  করে রাখে। তারপরেও মনে হয়-
আহারে জীবন! এই জীবন যদি এই রকম অসংখ্য বৃত্তের সমন্বয়ে গঠিত না হয়ে অসংখ্য সরল রেখার সমন্বয়ে গঠিত হতো তাহলে কতোই না সহজ হতো, কতোই না সুন্দর হতো, কতোই না উপভোগ্য হতো, কতোই না ক্লান্তিহীন হতো, কতোই না বৈচিত্র্যময়  হতো আর যেদিকে মন চায় জীবনবোধের সরলরেখা ধরে হেটে হেটে বড্ড আনন্দচিত্তে জীবনবৃত্তের প্রতিটি বৃত্ত পেরিয়ে সর্বশেষ বৃত্তে প্রবেশ করতে পারতাম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/165024/</link>
				<pubDate>Thu, 20 Oct 2022 09:44:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৃত্তে বন্দী জীবন</p>
<p>জীবন হচ্ছে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বৃত্তের সমন্বয়ে গঠিত একটি বড় জটিল বৃত্ত। যে বৃত্তের সূচনা হয় মাতৃগর্ভে শুক্রানু ও ডিম্বানুর মিলনে গঠিত একখন্ড মাংসপিন্ডে পরিনত হওয়ার মাধ্যমে আর পরিসমাপ্তি ঘটে মৃত্যু নামক অদেখা, অচেনা, অদৃশ্য, অস্তিত্বহীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন এক পরাক্রমশালী বহ্নিবৃত্তে প্রবেশের মাধ্যমে। মাতৃবৃত্ত থ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-165024"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/165024/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">34cd178e5be10fa763b4ae8a5f641d32</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and অনিন্দিতা দেব are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/113028/</link>
				<pubDate>Thu, 19 May 2022 07:27:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d4e3d6647db0a293b29f4b8c75b5fc71</guid>
				<title>ভারসাম্য (Balance)
জীবন নামের এক বিশাল সাগরের মাঝে সাফল্যের রসদ নিয়ে খড়কুটোর মতো ভাসতে থাকা তরীর স্বপ্ন খেয়ালী মাঝির কাছে জীবন মানেই সাগরের উত্তাল  ঢেউ সামলে রসদে ভরপুর তরীটি সাফল্যের বন্দরে নোঙ্গর করার এক তীব্র লড়াই। আর এই লড়াইটিই হচ্ছে ভারসাম&#x200d;্যের লড়াই। যে লড়াইটি অধিকাংশ সাফল্যের ফেরিওয়ালা মানুষের জীবনে  শুরু হয় ভাই-বোনের মধ্যে মাছের মাথা অথবা মুরগির রান অথবা খেলনা ভাগাভাগির মাধ্যমে সেই শৈশব থেকেই, চলতে থাকে জীবন চক্রের বন্ধুর পথ মাড়িয়ে জীবনভর। জীবনের প্রতিটি ধাপেই এই লড়াই আসে ভিন্ন রুপে, ভিন্ন বর্ণে, ভিন্ন আবহে এবং ভিন্ন বৃস্তৃতি নিয়ে  স্বপ্নের ফেরিওয়ালা মানুষদের জীবনের গতিপথকে নিয়ন্ত্রণ করতে, জীবনকে গতিশীল করতে এবং জীবনকে বাস্তবমুখি করতে। এই লড়াইয়ে যে ফেরিওয়ালা যতো বেশি পারদশীতার পরিচয় দিতে পারে, সেই ততোবেশি জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে পারে এবং সমাজের কাছে অপরিহায্য করে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারে। এই লড়াইটি স্বপ্নের ফেরিওয়ালা মানুষগুলোকে শেখায় মানুষ সামাজিক জীব। আর মানুষকে সামাজিক জীবে পরিনত করতে এবং সমাজটিকে সেই সামাজিক জীবের উপযোগী করে গড়ে তুলতে এই লড়াইটি মনে হয় সবার জীবনে সবসময় সর্বক্ষেত্রে চলতে থাকার প্রয়োজন আছে বৈকি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/96171/</link>
				<pubDate>Mon, 07 Feb 2022 05:51:59 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভারসাম্য (Balance)<br />
জীবন নামের এক বিশাল সাগরের মাঝে সাফল্যের রসদ নিয়ে খড়কুটোর মতো ভাসতে থাকা তরীর স্বপ্ন খেয়ালী মাঝির কাছে জীবন মানেই সাগরের উত্তাল  ঢেউ সামলে রসদে ভরপুর তরীটি সাফল্যের বন্দরে নোঙ্গর করার এক তীব্র লড়াই। আর এই লড়াইটিই হচ্ছে ভারসাম&#x200d;্যের লড়াই। যে লড়াইটি অধিকাংশ সাফল্যের ফেরিওয়ালা মানুষের জীবনে  শুরু হয় ভাই-বোনের মধ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-96171"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/96171/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8dcd6454fef3d5857df79fe59d9d7833</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and Fahim Hasan are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/94048/</link>
				<pubDate>Thu, 27 Jan 2022 12:00:32 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0cc088764734d28acb7b3bf783670ce0</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and সাইফুন নেসা সীমা। are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/93659/</link>
				<pubDate>Tue, 25 Jan 2022 19:05:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">78571a180766b5c2e44cb36b6c72e636</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and হাসনাত সৌরভ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/91763/</link>
				<pubDate>Wed, 19 Jan 2022 10:38:01 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">87dc31d01cd370bfa98170e5dc8a7571</guid>
				<title>আত্মোপলব্ধি-
মনে হয় মহাকাল ধরে ডুবে আছি আমার আমিতে। অথচ সমাজের অনেকে এই আমার আমিতে একটু হারাতে চায়, ভাসতে চায় এবং ভাসিয়ে দিতে চায় তাদের মেঘে ঢাকা আকাশটা আমার বিশাল সুনীল আকাশে (তাদের ধারণা)। আমিও আমার আমি থেকে বেরিয়ে তাদের তুমিতে একটু হারাতে চাই, ভাসতে চাই এবং ভাসিয়ে দিতে চাই আমার মেঘে ঢাকা আকাশটাকে তাদের বিশাল সুনীল আকাশে (আমার ধারণা )। বেচে থাকার জন্য এই বিনিময়টি বড্ড প্রয়োজন কিন্তু উভয়ই আটকে আছি এই আমার আমিতে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/91697/</link>
				<pubDate>Wed, 19 Jan 2022 07:43:20 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আত্মোপলব্ধি-<br />
মনে হয় মহাকাল ধরে ডুবে আছি আমার আমিতে। অথচ সমাজের অনেকে এই আমার আমিতে একটু হারাতে চায়, ভাসতে চায় এবং ভাসিয়ে দিতে চায় তাদের মেঘে ঢাকা আকাশটা আমার বিশাল সুনীল আকাশে (তাদের ধারণা)। আমিও আমার আমি থেকে বেরিয়ে তাদের তুমিতে একটু হারাতে চাই, ভাসতে চাই এবং ভাসিয়ে দিতে চাই আমার মেঘে ঢাকা আকাশটাকে তাদের বিশাল সুনীল আকাশে (আমার ধারণা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-91697"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/91697/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">88994e182798e8034108cdbd0f5246c8</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and Redwan Khan are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/91444/</link>
				<pubDate>Tue, 18 Jan 2022 13:46:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7ba55b6da24572d95f55f582febbffe5</guid>
				<title>আমার বিয়ে বাষিকী:

দিনক্ষন মনে নেই তবে কোন এক গোধূলি বিকেলে ঘরোয়া পরিবেশে তার  সাথে আমার প্রথম দেখা। ছোট্ট পারিবারিক আবহে খুব সাদামাটা আটপৌড়ে হয়ে সে এসেছিলে আমার সামনে। প্রথম দেখায় মনে ছুয়ে গিয়েছিল বলবো না তবে তার সাদামাটা ভাব আর মায়াবি মুখশ্রী আমাকে কিঞ্চিৎ আর্কষিত করেছিল বৈকি যা যৌবনের প্রথম ঢেউ উঠা প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। এরপর দুপক্ষের দেখাশোনা এবং চুলচেরা বিশ্লেষণের মাধ&#x200d;্যমে ২০১০ সালে এই দিনে শতাধিক মানুষের সামনে তার বাবা-মা তাদের বড্ড আদরের মেয়েকে সারাজীবন পাশাপাশি রেখে পথ চলার আইনি, ধর্মীয়, সামাজিক ও মৌখিক প্রতিশ্রুতি নিয়ে তার অপরিচিত দুটো হাত আমার হাতে তুলে দেন। এভাবেই অপরিচিত দুটো হাত ধরে বিয়ে নামক এক দুর্ভেদ&#x200d;্য জীবন নগরীতে প্রবেশ। হাজারো অলিগলির সমন্বয়ে গঠিত যে মায়াবী নগরীর প্রতিটি অলিগলি বড্ড অমসৃণ, অজানা ও অচেনা। যে অজানাকে জানা এবং অচেনাকে চেনার জন&#x200d;্য প্রতিদিনই নতুন এক স্বপ্ন, নতুন এক প্রত&#x200d;্যাশা, নতুন এক প্রাপ্তি, নতুন এক কম্পোমাইজ, নতুন এক দায়িত্ব, হাজারো প্রশ্ন, হাজারো চাহিদা নিয়ে উদশ্বাসে নগরীর অলিগলিতে ছুটে চলা। এ চলার যেন শেষ নেই।বড্ড রহস্যভরা একটি গলি দেখা শেষ হতে না হতেই আর একটি গলি আবিষ্কারের নেশায় ছুটে চলা। এই ছুটে চলতে গিয়ে কখনো দুজনে পাশাপাশি হেটেছি, কখনো পিছনে পড়েছি আবার কখনো সামনে চলে গিয়েছি। যখনো দুজনে পাশাপাশি হেটেছি তখন নগরীর সবকিছুই বড্ড বর্ণিল মনে হয়েছে, ভালোলাগায় ভেসে গিয়েছি, খুব কাছাকাছি এসেছি, পরিচিত হয়েছি, ঘনিষ্ঠ হয়েছি, উষ্ণ হয়েছি, ফলশ্রুতিতে দু থেকে চারে পরিনত হয়েছি। যখন সামনে বা পিছনে হেটেছি তখনি এ নগরীর প্রতিটি অলিগলি, ইটপাথর, কারুকার্য, সৌন্দর্য নিজের কাছে বড্ড বেমানান, গুরুত্বহীন, বিরক্তিকর ও অপরিচিত মনে হয়েছে। এতোগুলো বছর পেরিয়ে  এসে বিশেষ এইদিনে বিধাতার কাছে প্রত্যাশা তিনি যেন আমাদের কাউকে  সামনে অথবা পিছনে না ফেলে দুজনকে পাশাপাশি সুস্থ্য রেখে জীবনের অবশিষ্ট সময় ধরে মায়াবি এ নগরীর অলিগলি চেনা, জানা এবং আবিস্কারের তৌফিক দান করেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/91038/</link>
				<pubDate>Mon, 17 Jan 2022 05:27:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমার বিয়ে বাষিকী:</p>
<p>দিনক্ষন মনে নেই তবে কোন এক গোধূলি বিকেলে ঘরোয়া পরিবেশে তার  সাথে আমার প্রথম দেখা। ছোট্ট পারিবারিক আবহে খুব সাদামাটা আটপৌড়ে হয়ে সে এসেছিলে আমার সামনে। প্রথম দেখায় মনে ছুয়ে গিয়েছিল বলবো না তবে তার সাদামাটা ভাব আর মায়াবি মুখশ্রী আমাকে কিঞ্চিৎ আর্কষিত করেছিল বৈকি যা যৌবনের প্রথম ঢেউ উঠা প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-91038"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/91038/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3ecc2947c2d62b2c4c928968efc501cf</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and Nayeem Islam are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/87323/</link>
				<pubDate>Fri, 07 Jan 2022 09:45:44 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">75039ccebc4eb104f9668ebbce26e744</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and Ami Tubelight Bolchi are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/78558/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Dec 2021 00:45:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">da15d1e21e5154f6d4cbef861ebfc28b</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and Mahmuda Sultana are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/78533/</link>
				<pubDate>Mon, 20 Dec 2021 17:24:12 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a8fa263103d66e3edbd18aa10ede1208</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and Showrav Ghosh are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/76983/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Dec 2021 01:42:53 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d35a9db0575eb18361c97086fbc6286d</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and Fazilatun Nesa are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/76132/</link>
				<pubDate>Sat, 18 Dec 2021 03:31:05 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">108a0fcf33bbf47e2896512a0df0b4aa</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and ISMAT JAHAN LIPI are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/76077/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Dec 2021 15:49:50 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7a0abae871c21514526132da378bccd5</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and Kishor Kanok are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/76020/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Dec 2021 13:57:20 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">66100a20abe594c82d1d8b4258c26701</guid>
				<title>স্বাধীনতা অর্জন বনাম মুরাদ টাকলা

স্বাধীনতার ৫০বছর পার করলাম আজ আমরা। স্বাধীনতা পরবর্তী এই ৫০ বছরে দেশে অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানকেও আমরা পেছনে ফেলেছি বিশেষ করে গড় আয় ও গড় আয়ু সূচকে। এ সময়ের মধ্যে আমাদের মাথাপিছু গড় আয় ৯৪ ডলার থেকে ২৫৫৪ ডলারে উন্নীত হয়েছে, মানুষের গড় আয়ু ৪৬.৫ বছর থেকে ৭২.৮ বছরে উন্নীত হয়েছে, খাদ্যশস্য উৎপাদন ১.২০ কোটি টন থেকে ৪.২৫ কোটি টনে উন্নীত হয়েছে, রাজস্ব ১৫৬৬গুণ বেড়েছে, রপ্তানী ১১১গুণ বেড়েছে, কলকারখানার সংখ্যা মাত্র ৩১৩টি থেকে ৪৬,২৯১টিতে উন্নীত হয়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২.৫% থেকে ৫.৪৭% উন্নীত হয়েছে, বাজেটের আকার ৭৮৬ কোটি থেকে ৬,০৩,৬৮১কোটিতে উন্নীত হয়েছে, বৈদেশিক সাহায্য নিভরতা কমেছে এবং দারিদ্র্যের হার ৮৯% থেকে ২০% এ নেমে এসেছে।
তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে আখ্যায়িত একটি স্বাধীন দেশে ৫০ বছরে এ যে অজন সত্যই অবিশ্বাস্য কিন্তু এতো অজনের পরেও কেন জানি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে মনে হয় আমাদের দেশে যদি মুরাদ টাকলাদের মতো তথাকথিত ভদ্রলোক, বিশ্বাসঘাতক, ক্ষমতালোভী, ক্ষমতার অপব্যবহারকারী, অথলোভী, নারীলোভী, আইনের ভোক্ষকদের জন্ম না হতো তবে এ অজন হয়তো আরও অনেক গুণ বেশি হতো। ১৯৭১ সাল থেকে বিশেষ করে ১৯৭৫ পরবতী থেকে আজ অবদি দেশে অসংখ্যক এইসব মুরাদ টাকলাদের জন্ম হয়েছে এবং তাদের দ্বারা বর্ণিত সকল অজনের গতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে, শ্লোত হয়েছে। পক্ষান্তরে মুরাদ টাকলাদের নিজেদের অজন দীঘায়িত হয়েছে, দুনিয়ারী বালাখানা হিসাবে পরিচিত ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সিংঙ্গাপুর, দুবাই, মালেশিয়াতে বাড়ি-গাড়ি হয়েছে, সুইচ ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা জমা হয়েছে। স্বাধীনতা পরবতী যতো মুরাদ টাকলার জন্ম হয়েছে সকল টাকলারাই দেশে সকল অপকম করে বর্নিত বালাখানাগুলোতে গিয়ে আয়েশী জীবন যাপন করেছে এবং করছে। যদি এই সময়ের আলোচিত মুরাদ টাকলার মতো এসব বালাখানাগুলোতে অতিতের টাকলাদের আশ্রয় না দিতো এবং দেশে তার পরিবারও যদি তাকে জায়গা না দিতো তাহলে হয়তো এই সব মুরাদ টাকলাদের দেশে জন্মই হতো না। আর এই সব মুরাদ টাকলাদের জন্ম না হলে দেশে এতো আয়ের বৈষম্য থাকতো না, গণতন্দ্র ভুলণ্ঠিত হতো না, মানবাধিকার নিবাসিত হতো না, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যাদুঘরে শোভা পাওয়ার মতো হতো না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেখা সোনার বাংলা সোনার বাংলা হিসাবেই বিশ্বের দরবারে মাথা উচ্চু করে দাড়িয়ে যেতো। তাই স্বাধীনতার এই ৫০তম বিজয় দিবসে আমরা দৃঢ় প্রত্যয় নিতে পারি কাজে কর্মে, চিন্তা -চেতনায়, মননে আমি নিজে মুরাদ টাকলাদের মতো হবো না এবং পরিবারের কেউ মুরাদ টাকলাদের মতো হতে চাইলে তাকে পরিবার থেকে সাপোট দিবো না। কেননা পরিবার থেকে কেউ যদি সাপোট না পায়, পরিবার যদি তাকে আশ্রয় না দেয়, নিজের দেশসহ অন্যান্য দেশ যদি আশ্রয় না দেয় তাহলে আমাদের দেশে এসব মুরাদ টাকলাদের জন্মই হবে না। 
শুভ বিজয় দিবস। লাখো শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। 
মজনু সরকার, 
উপ-ব্যবস্থাপক, পিকেএসএফ
১৬ ডিসেম্বর, ২০২১।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/75581/</link>
				<pubDate>Thu, 16 Dec 2021 16:37:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বাধীনতা অর্জন বনাম মুরাদ টাকলা</p>
<p>স্বাধীনতার ৫০বছর পার করলাম আজ আমরা। স্বাধীনতা পরবর্তী এই ৫০ বছরে দেশে অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানকেও আমরা পেছনে ফেলেছি বিশেষ করে গড় আয় ও গড় আয়ু সূচকে। এ সময়ের মধ্যে আমাদের মাথাপিছু গড় আয় ৯৪ ডলার থেকে ২৫৫৪ ডলারে উন্নীত হয়েছে, মানুষের গড় আয়ু ৪৬.৫&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-75581"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/75581/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9867266f999fd2ff8ad142b763f9241c</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and Umme Tabassum Taiyeba are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/75051/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Dec 2021 12:36:35 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">39f842598f87fa22fde4266760cb81fe</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and Munif Muhtasim are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/74307/</link>
				<pubDate>Tue, 14 Dec 2021 04:48:35 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7238e5245feaa42e43ac848ae3f07231</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and Rehana Akter are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/74208/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Dec 2021 19:26:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">72f62b5c89e9ef808d418828f2325960</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and Rehana Akter are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/74084/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Dec 2021 16:54:50 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9c365d8f01d7fe25d1bbc6872f16332e</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and Jubayer Al Mahmud are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/74015/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Dec 2021 13:48:09 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5e5725942ad64925ea6f96f154586571</guid>
				<title>এক মধ্য দুপুরের অপেক্ষায়:

সে এসেছিল অনিন্দ্য সুন্দরী এক অষ্টাদশী হয়ে আমাদের জীবনে। তার প্রেমে হাবুডুবু খায়নি এমন মানুষ আমাদের প্রজন্মে ছিল বড্ড বিরল। সে সপ্তাহন্তে সাদাকালো অথবা রঙ্গিন আলোয় আলোকিত হয়ে আসতো আমাদের কাছে। সময় দিতো মাত্র কয়েক ঘন্টা। এই কয়েক ঘন্টা তার সঙ্গে কাটানোর জন্য 168ঘন্টা অথবা 10,080মিনিট অথবা 60,4800 সেকেন্ড আমাদের অপেক্ষা করতে হতো। এই অপেক্ষার সময় কতোটা দীর্ঘ, কতোটা উৎকণ্ঠার, কতোটা আবেগের ছিল সেটা তার প্রেমে মজে থাকা আমাদের প্রজন্মের প্রেমিকদের কাছে জিগ্যেস করলে উত্তর পাওয়া যাবে। সে আমাদের কাছে আসতো মায়াবী চেহারার শাবানা হয়ে,  আসতো গালে টোল পড়া ববিতা হয়ে, আসতো মায়াবী চাহনির কবোরী হয়ে, আসতো কোমর দুলানো নতুন হয়ে অথবা সে আসতো শংখনীল সাপ অঞ্জু হয়ে, সে আসতো মিষ্টি মেয়ে শাবনূর অথবা মৌসুমী হয়ে।
সে আসতো কখনো টারজান হয়ে কখনো রবিনহুড, আবার কখনো দীপু নাম্বার টু হয়ে; সে আসতো কখনো হঠাৎ বৃষ্টি হয়ে আবার কখনো কেয়ামত থেকে কেয়ামত হয়ে; সে আসতো সুজন সখি অথবা পদ্মা নদীর মাঝি হয়ে অথবা হাঙ্গর নদীর গ্রেনেড হয়ে; সে আসতো আগুনের পরশমণি অথবা শংখনীল কারাগার হয়ে; সে আসতো বিয়ের ফুল অথবা স্বপ্নের ঠিকানা হয়ে; সে আসতো জীবন থেকে নেয়া অথবা ওরা এগারো জন হয়ে।
সে কখনো আসতো বঙ্গবন্ধুর রক্তে আগুন জ্বলা জ্বালাময়ী ভাষণ হয়ে কখনো শহীদুল্লাহ আর মুনির চৌধুরীর নতুন দেখা ভোর হয়ে; সে আসতো জসিম উদ্দীনের নকশি কাথার মাঠ হয়ে অথবা কবি নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা হয়ে ; সে আসতো রক্তের কালিতে লেখা সাত শ্রেষ্ঠ বীর বেশে অথবা সুরের পাখি আব্বাস/আব্দুল আলীম/আব্দুল হাদীর দরদ ভরাকণ্ঠে গান হয়ে; সে আসতো জয়নুল আবেদীন আর এসএম সুলতানের রংতুলির আচড় হয়ে: সে আসতো লাক্ষ শহীদের রক্তে ভেজা লাল সবুজের পতাকা অথবা ভাষা শহীদের রক্তে রাঙ্গানো জাগ্রত শহীদ মিনার হয়ে।
এভাবেই সে আসতো আমাদের জীবনে নানা রং, নানা রুপে, নানা গন্ধে, নানা আবহে। সে আসতো সপ্তাহের একদিনের এক মধ্য দুপুরে এক বিকেলের জন্য। আর তার নানান রং, রুপ, রস, গন্ধে, আমাদের ভিজিয়ে দিয়ে যেতো। তার আবেগ এবং ভালোবাসায় আমরা সিক্ত হয়ে সপ্তাহ পার করে পরের সপ্তাহের  ঐ মধ্য দুপুরটির জন্য অপেক্ষা করতাম।
সে আসতো গ্রামের কথিত ভদ্র পল্লিতে। ডাক্তার, সরকার আর দত্ত পাড়াতেই ছিল তার বাস।  নিম্ম ও মধ্যবিত্ত পল্লিতে তার যাতায়াত ছিল না বললেই চলে। আমি ছিলাম সেই পল্লির বাসিন্দা। তাই তাকে দেখার জন্য, তার সানিধ্য পাওয়ার জন্য সপ্তাহন্তে একবার ডাক্তার, সরকার ও দত্ত পাড়াতে যেতে হতো। প্রায় সময়ই মেঝে, চাটাই, পাটিতে বসে তাকে দেখা হতো। অনেক সময় ঐসব জায়গাতেও স্থান হতো না। তখন দরজার চিপা দিয়ে, জানালার ফাঁক গলিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকে তাকে দেখেছি। এরপরেরও তার প্রতি একটি দূনিবার টান ছিল, যা আমাকে বার বার তার কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যেত। 
সে নাকি এখনো আসে ঐ ভদ্র পল্লীতে। সাদাকালো আর রঙ্গিন বেশে নয় ডিজিটাল রুপে, সপ্তাহে একদিনের কিছু মুহুর্তের জন নয় প্রতিদিন প্রতি মুহুর্তের জন্য। শাবানা, ববিতা, কবোরী হয়ে নয় আঞ্জেলিনা জোলি, কেট উইন্সলেট, কারিনা, কাটরিনা, আনুশকা, আলিয়া বেশে। আর নিন্ম পল্লীতেও নাকি সে আসে অপু, মাহি, পরীমনি হয়ে। তবে তার রুপ, জৌলস, যৌবনের ভাটা পড়ায় আর বিদেশি এবং ভারতীয় সুন্দরীদের অনুপ্রবেশে এখন আর ভদ্র পল্লীতেও নাকি সে শোভা পায় না। নিন্ম পল্লীই নাকি তার একমাত্র ভরসা।
আমি আর এখন তার প্রেমিক নয়। সময়ের পরিবর্তন ও ব্যস্ততার বেড়াজালে তাকে আর দেখা হয় না, তার রুপও এখন আর আমাকে আগের মতো টানে না। তবে তার আসার সময় সেই মধ্যদুপুরটা আমাকে এখনো ভীষনভাবে টানে। ডাক্তার, সরকার পাড়ার পুরনো জানালাগুলোও আমাকে টানে। এখনো শুক্রবারের ঐ মধ্যদুপুরটাকে ভীষণভাবে মিস করি। আপনিও কি আমার মতো মিস করেন?????

মজনু সরকার, উপ-ব্যবস্থাপক, পিকেএসএফ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/73966/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Dec 2021 09:00:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এক মধ্য দুপুরের অপেক্ষায়:</p>
<p>সে এসেছিল অনিন্দ্য সুন্দরী এক অষ্টাদশী হয়ে আমাদের জীবনে। তার প্রেমে হাবুডুবু খায়নি এমন মানুষ আমাদের প্রজন্মে ছিল বড্ড বিরল। সে সপ্তাহন্তে সাদাকালো অথবা রঙ্গিন আলোয় আলোকিত হয়ে আসতো আমাদের কাছে। সময় দিতো মাত্র কয়েক ঘন্টা। এই কয়েক ঘন্টা তার সঙ্গে কাটানোর জন্য 168ঘন্টা অথবা 10,080মিনিট অথবা 60,4800 সেকেন্ড আমাদে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-73966"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/73966/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5b9e30102bbc126e0be26e6454b19ca2</guid>
				<title>বুদ্ধিবৃত্তিক দুনীতি:
তাকে দেখা যায় না, ছোয়া যায় না কিন্তু তার ক্ষতটা অনুভব করা যায়। আর এই ক্ষতই অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সার্বিক উন্নয়নের অন্যতম প্রদান অন্তরায়। আর মানুষের ভিতর এই ক্ষত জন্মগতভাবে সৃষ্টি হয়ে আসে না, পারিবারিক সংস্কৃতি, আর্থসামাজিক অবস্থা, রাজনৈতিক চাপ, অব্যবস্থাপনা, সুসংস্কৃতির অভাব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা অভাব, সুশাসনের অভাব, আইনি দূর্বলতা, বিচারহীন সংস্কৃতি, সিস্টেম লস, সহজে দ্রুত বড়লোক হওয়ার লিপ্সা ইত্যাদির কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে।
রাজনৈতিক প্রীতি, স্বজনপ্রীতি, ধমীয় প্রীতি, এলাকা প্রীতি, কোটা প্রীতি, ব&#x200d;্যক্তিগত অন্ধ প্রীতি, তৈল&#x200d; প্রীতি ইত্যাদি কারনে সুস্থ স্থাভাবিক জ্ঞানে অর্থের বিনিময় ছাড়া বুদ্ধি চর্চার মাধ্যমে অযোগ্য ব্যক্তিকে চাকুরি দেয়া, কাজ দেয়া, গুরুত্বপূর্ণ পদে নিযুক্ত করা, প্রমোশন দেয়া, রাষ্ট্রীয় সুযোগ -সুবিধার পথ তৈরি করে দেয়া, কাছে ফাকি দেয়ার মতো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যে Unaddressed বুদ্ধিবৃত্তিক যে দূনীতি হয় সেটা বরাবরই unseen থেকে গেছে এবং যাচ্ছে অথচ লোকচোখুর আড়ালে থাকা এই দূনীতির কারনে আমাদের রাষ্ট্র যন্ত্রের, সরকারি -বেসরকারি সেক্টরে যে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে সেগুলো পরিমাপ করা খুবই জরুরি।
একসময় দেশের অপরিকল্পিত জনসংখ্যা বৃদ্ধিকে ‘এক নম্বর জাতীয় সমস্যা’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও বতমানে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে এক নম্বর জাতীয় সমস্যা হিসাবে দুর্নীতিকে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ আথিক দূনীতির কারণে প্রতিবছর কমপক্ষে ১৮ হাজার কোটি টাকা মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) যোগ হতে পারছে না। এই হিসাব অবশ্য রক্ষণশীলভাবে করা। জিডিপির চলতি মূল্যকে ভিত্তি ধরে হিসাব করলে বছরে অঙ্কটা দাঁড়াবে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, এ আর্থিক দুর্নীতি যদি ৫০ শতাংশও কমিয়ে আনা যেত, তাহলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অন্তত ২ থেকে ২.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারত। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক গবেষণা তথ্যমতে -স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুলিশ, বিচার বিভাগে  সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে যে অর্থের দুর্নীতি হয়, তার পরিমাণ জিডিপির ২.৫ শতাংশের মতো হবে। আর সরকারি বড় বড় কেনাকাটায় যোগসাজশের মাধ্যমে যে দুর্নীতি হয়, তার পরিমাণ হবে জিডিপির ৩ শতাংশের মতো। অর্থাৎ সব মিলিয়ে দুর্নীতির আকার দাঁড়াবে জিডিপির ৫ শতাংশ।
বর্ণিত আথিক দূনীতির কারণে যে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে তা দেখা যায় এবং এটি প্রতিরোধে দেশে বিভিন্ন ব্যবস্থাও রয়েছে কিন্ত অপ্রর্দশিত ও অলিখিত  বুদ্ধিবৃত্তিক দূনীতির কারণে রাষ্টযন্ত্রের যে ক্ষয়-ক্ষতি হচ্ছে তা দেখা যায় না এবং তা বন্ধের কার্যকরি কোন পথও জানা্ নেই অথচ এর রয়েছে সদূর প্রসারিত ভয়ানক প্রভাব এবং এর ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান আথিক দূনীতির চেয়ে কোন অংশে কম নয়। তাই আর্থিক দুর্নীতি রোধের পাশাপাশি বুদ্ধিবৃত্তিক দূনীতির রোধের কাযকরি পদক্ষেপ নিতে হবে তাহলে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে, কর্মসংস্থান গতিশীল হবে, দারিদ্র্য এবং বৈষম্য কমবে।
মজনু সরকার
উপ-ব্যবস্থাপক, পিকেএসএফ
৮ ডিসেম্বর, ২০২১।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/72895/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Dec 2021 05:18:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বুদ্ধিবৃত্তিক দুনীতি:<br />
তাকে দেখা যায় না, ছোয়া যায় না কিন্তু তার ক্ষতটা অনুভব করা যায়। আর এই ক্ষতই অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সার্বিক উন্নয়নের অন্যতম প্রদান অন্তরায়। আর মানুষের ভিতর এই ক্ষত জন্মগতভাবে সৃষ্টি হয়ে আসে না, পারিবারিক সংস্কৃতি, আর্থসামাজিক অবস্থা, রাজনৈতিক চাপ, অব্যবস্থাপনা, সুসংস্কৃতির অভাব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা অ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-72895"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/72895/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6cce65ae6db95fe6356ad12a537db6fe</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar and আব্দুল্লাহ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/44927/</link>
				<pubDate>Mon, 18 Oct 2021 08:52:39 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">268490bfff6f38736cda1346a0ac111a</guid>
				<title>বৃষ্টি তুমি আসো সবার জীবনে -  একপশলা হয়ে নয় ঝুম অথবা মুসলধারে। তুমি ভিজিয়ে দাও সবাইকে তোমার শীতলতায়। তুমি আসো ধর্মান্ধদের জীবনে সুস্থ্য্ ধমীয় চিন্তার বিকাশ ঘটাতে, তুমি আসো রাজনীতিবিদদের জীবনে সুস্থ্য্ রাজনৈতিক চর্চায় বাধ্য করতে। 

তুমি আসো অভাবী মানুষটার জীবনে স্বচ্ছলতা নিয়ে, তুমি আসো ব্যথ প্রেমিক/প্রেমিকার জীবনে নতুন প্রেমিক/প্রেমিকা হয়ে, তুমি আসো ডিভোর্সী মানুষটি জীবনে নতুন একটি মানুষ হয়ে, তুমি আসো অসুখী দম্পতির জীবনে সুখের বার্তা নিয়ে, তৃমি আসো সন্তান না হওয়া দম্পতিদের জীবনে একটি সন্তান হয়ে, তুমি আসো অন্ধকারে ডুবে থাকা মানুষটার আলো হয়ে, তুমি আসো বাবা অথবা মা হারানো সন্তানের কাছেও বটবৃক্ষের মতো ছায়া হয়ে, তুমি আসো মাদকাসক্ত মানুষটির কাছে মাদক নিরাময় কেন্দ্র হয়ে।

তৃমি আসো বিসন্ন মুখগুলোতে হাসির বন্যা নিয়ে, তুমি আসো বেকার ছেলে-মেয়েটার কাছে একটা চাকরি হয়ে, তুমি আসো হসপিটালের বেডে শুয়ে থাকা মৃত্যুর প্রহরগোনা মানুষটার কাছে  সুস্থ হওয়ার দাওয়াই নিয়ে, তুমি আসো সুখি মানুষটিও কাছে তার সুখের গল্প শুনতে। 
তুমি আসো অফিসের কাঠ খটটা বসটারও জীবনে, তুমি আসো তার কাছে একজন বাধ্য অনুগত সহকর্মী হয়ে তার মনের অব্যক্ত কথাগুলো মনোমুগ্ধের মতো শুনতে, তুমি আসো অফিসের সবচেয়ে ব্যস্ত লোকটারও কাছে তাকে একটু রিলিপ দিতে। 

তুমি আসো অন্নহীনদের কাছে অন্ন হয়ে, তুমি আসো বস্ত্রহীনদের কাছে বস্ত্র হয়ে, তুমি আসো বাসস্থানহীনদের কাছে বাসস্থান নিয়ে। তুমি আসো পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ মানুষটির কাছে স্বাধীনতার বার্তা নিয়ে, তুমি আসো গনতন্ত্রে নুয়ে পড়া দেশে গনতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে। 

তুমি আসো সবার জীবনে নানান গন্ধে, নানান বর্ণে, নানান রুপে। এসে ধুয়ে মুছে দিয়ে যাও সবার মনে জমে থাকা অথবা ধুলোয় মরিচা পড়া না বলা কস্টগুলো যেমনটি তুমি মাঝে মাঝে করো ধরিত্রিকে। তুমি আসো আমারও জীবনে। তোমার শীতলতায় ভিজতে চাই এবং খুব বেশি ভিজতে চাই। তুমি এসে ভিজিয়ে দিয়ে যাও।

মজনু সরকার
১৪ই অক্টোবর, ২০২১।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/43442/</link>
				<pubDate>Thu, 14 Oct 2021 03:51:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৃষ্টি তুমি আসো সবার জীবনে &#8211;  একপশলা হয়ে নয় ঝুম অথবা মুসলধারে। তুমি ভিজিয়ে দাও সবাইকে তোমার শীতলতায়। তুমি আসো ধর্মান্ধদের জীবনে সুস্থ্য্ ধমীয় চিন্তার বিকাশ ঘটাতে, তুমি আসো রাজনীতিবিদদের জীবনে সুস্থ্য্ রাজনৈতিক চর্চায় বাধ্য করতে। </p>
<p>তুমি আসো অভাবী মানুষটার জীবনে স্বচ্ছলতা নিয়ে, তুমি আসো ব্যথ প্রেমিক/প্রেমিকার জীবনে নতুন প্রেমিক/প্রেমিক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-43442"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/43442/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d19662d9d2f8f56f6f54ceac666cc1ed</guid>
				<title>বিবর্তনের ২০বছর। 
জীবনচক্রে সময় গড়িয়েছে বিশ বছর। বিশ বছর পর আজ মনে হচ্ছে এই সময়ে তেমন কিছু্ই পরিবর্তন হয়নি, হয়েছে শুধু মন, মানসিকতা, দায়িত্ববোধ, সক্ষমতা আর শারীরিক অবয়বের কিছু পরিবর্তন। এই পরিবর্তনগুলো নিয়ে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে প্রথম সময়টাতে যে সময়টা ফেলে এসেছি বড্ড অযত্নে, অবহেলা আর অনাদরে। আপনারও কি ইচ্ছে করে আমার মতো নিষ্ঠর এই বর্তমান সময়টাকে পিছনে ঠেলে অতীতে ফিরে যেতে?
মজনু সরকার।
১২ অক্টোবর, ২০২১।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/42787/</link>
				<pubDate>Tue, 12 Oct 2021 07:17:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিবর্তনের ২০বছর।<br />
জীবনচক্রে সময় গড়িয়েছে বিশ বছর। বিশ বছর পর আজ মনে হচ্ছে এই সময়ে তেমন কিছু্ই পরিবর্তন হয়নি, হয়েছে শুধু মন, মানসিকতা, দায়িত্ববোধ, সক্ষমতা আর শারীরিক অবয়বের কিছু পরিবর্তন। এই পরিবর্তনগুলো নিয়ে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে প্রথম সময়টাতে যে সময়টা ফেলে এসেছি বড্ড অযত্নে, অবহেলা আর অনাদরে। আপনারও কি ইচ্ছে করে আমার মতো নিষ্ঠর এই বর্তমান সময়ট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-42787"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/42787/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>8</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7a5aca4f4c79b8cebb75171b5fdcd0bf</guid>
				<title>নিশ্চয়তা:
আবহমান কাল ধরেই বাল্য বিবাহ আমাদের সমাজে একটি মারাত্বক সামজিকব্যধি হিসাবে লেপ্টে থেকে গ্রাম হতে শহর, দরিদ্র হতে মধ্যবিত্ত, হিন্দু হতে মুসলিম প্রায় প্রতিটি সমাজ ব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে দিচ্ছে। স্বাধীনতার ৫০বছরে পার হলেও কাগজ কলমে সমাজে তার ক্রমহ্রাসমান হার পরিলক্ষিত হলেও বাস্তবে আজও আমাদের সমাজে বিশেষ করে গ্রামে এবং শহরের দরিদ্র পরিবারগুলোতে তার সরব উপস্থিতি লক্ষ করা যাচ্ছে। 

বাল্য বিবাহ বাংলাদেশে ১৯২৯ সাল থেকে অবৈধ হলেও বিশ্বের বাল্যবিয়ে প্রবণ শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম স্থানে। আর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে। দেশে বাল্যবিয়ের প্রবণতা ১৯৭০ সালের তুলনায় ৯০ শতাংশেরও বেশি কমলেও এখনো দেশে এই হার অনেক বেশি (৫১%) । এটি এই দেশকে ৩ কোটি ৮০ লাখ ‘শিশুকনের’ দেশে পরিণত করেছে, যাদের বিয়ে হয়েছে তাদের ১৮তম জন্মদিনের আগেই। আবার এদের মধ্যে ১ কোটি ৩০ লাখ নারীর বিয়ে হয়েছে তাদের বয়স ১৫ বছর হওয়ার আগেই। এ দেশে ৮০ শতাংশ গরিব পরিবারের মধ্যে বাল্যবিবাহ হয় এবং ধনীদের মধ্যে এই সংখ্যা ৫৩ শতাংশ। এছাড়া গ্রাম-শহরের মধ্যে বাল্যবিবাহের অনুপাত ৭০:৫৩।

তার সরব উপস্থিতে বলি হয়ে হাজার হাজার কিশোরী অকালে স্কুল থেকে ঝরে পড়ছে, পরিবার নামক একটি জেলখানায় বন্দি হয়ে যাচ্ছে, নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছে, অকালে মৃত্যু বরণ করছে। তার কারণেই সমাজে ডিভোসি মায়ের সংখ্যা, শিশু মৃত্যুহার, গর্ভবতী মায়ের মৃত্যুহার, অপুষ্ট বাচ্চা জন্ম দেয়ার হার ক্রমান্নয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং মানুষের কোয়ালিটি লাইফ নষ্ট হচ্ছে, যা এসডিজি (SDG) অজনেরও একটি শক্তিশালী অন্তরায় হয়ে দাড়িয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে বাল্যবিয়ে বন্ধে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাল্যবিয়ে বন্ধের জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য বাল্যবিয়ে বন্ধের হারে অগ্রগতি গত দশকের তুলনায় কমপক্ষে ৮ গুণ এবং এসডিজির লক্ষ্য পূরণের জন্য ১৭ গুণ দ্রুততর করতে হবে। বিবাহিত প্রতি ১০ জনের মধ্যে প্রতি ৫জন ১৮ বছরের আগে ও প্রতি ৮জন ২০ বছরের আগে সন্তান জন্ম দেয়। ১৮ বছরের নিচে মেয়েদের অপরিণত সন্তান জন্মদান বা কম ওজনের সন্তান জন্মদানের সম্ভাবনা ৩৫-৫৫% এবং এ বয়সী মায়েদের মাধ্যমে জন্ম নেয়া শিশু মৃত্যুর হার ৬০% পর্ন্ত হতে পারে। বাংলাদেশে নবজাতকের মৃত্যুর প্রধান তিনটি কারণের একটি বাল্যবিবাহ৷ এছাড়া বাল্যবিবাহ গর্ভবতী নারীদের মৃত্যুর একটি অন্যতম কারণ। ১৫-১৯ বছর বয়সী গর্ভবতী নারীদের মাতৃমৃত্যুর সম্ভাবনা ২০ বছর বয়সী গর্ভবতী নারীদের তুলনায় দ্বিগুণ। আর ১৫ বছরের কম বয়সী নারীদের ক্ষেত্রে মাতৃমৃত্যুর সম্ভাবনা ৫-৭ গুন বেশি। জীবন থেকে নেয়া সংশ্লিষ্ট ছোট্ট দুটি ঘটনা তুলে ধরলাম-

প্রথম ঘটনা (২০০৫-৬): আমি তখন ভাসিটিতে মাস্টাসে পড়ি। এ সময় কোন এক ছুটিতে বাড়িতে এসে শূনলাম গ্রামের ১২-১৩বছর বয়সী গ্রাম্য এক বোনের বিয়ে দিচ্ছে তার পরিবার। আমি বিয়েটা বন্ধ করার জন্য মেয়ের বাবা-মাকে বাল্যবিবাহের ভালো-মন্দ সবই বুঝালাম। পাশাপাশি আইনি ভয়ও দেখালাম। তারা সবই বুঝলো এবং আমাকে বল মেয়েকে এখন বিয়ে দিবে না। এরপর রাতে আমার মা আমাকে ডেকে বললো বাবা তুমি নাকি অমুকের মেয়েকে বিয়ে দিতে দিচ্ছো না। আমি মাকে সব ঘটনা খুলে বললাম তিনি আমার সাথে একমত হয়ে খুব শান্ত কন্ঠে বললো বাবা তুমি কি পারবে মেয়েটার বাবা-মাকে এতোটুকু নিশ্চয়তা দিতে যে এই ছেলেটা চলে গেলে মেয়েটির বয়স ১৮ বছর হওয়ার পর অপর একটি ভালো ছেলের সাথে তার বিয়ে হবে, এতো দিন মেয়েটি চারিত্রিকভাবে ভালো থাকবে আর ডাঙ্গা দরজা-জানালার ফাক গলিয়ে আসা শিয়ালের হুকাহুয়া ডাক শোনা, বিছানায় শুয়ে ছোসনা দেখা, টিনের চালে রিমঝিম বৃষ্টির শব্দ শোনা অনিরাপদ -অভাবী দোচালা টিনের ঘরে মেয়েটিকে নিয়ে তার বাবা-মা নিশ্চিতে ঘুমাতে পারবে?? আমি কিন্তু সেই নিশ্চয়তাটা দিতে পারেনি বলেই বিয়েটা আটকাতে পারিনি।

দ্বিতীয় ঘটনা (২০১৭-১৮): বছর ৪-৫আগে গ্রামের ১৩-১৪বছর বয়সী আমার এক চাচাতো বোনের বিয়ে হয়। আমার বাবা একজন জন প্রতিনিধি এবং স্থানীয় সরকারের আইনী প্রতিনিধি হওয়া সত্বেও বিয়েটা আটকাতে পারিনি বলে পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে আমার বাসায় চলে এসেছিল। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন আফসোস আমি নিজে অনেক বাল্যবিবাহ ঠেকিয়েছি কিন্তু নিজের ভাতিজির বিয়েটা বন্ধ করতে পারলাম না কারণ আমার ভাই আমাকে বলে ভাই দেখ আমার মেয়েটা বড় হয়ে গেছে (বয়স ১৩-১৪ বছর হবে), টিভি দেখে দেখে পরিপক্ক হয়ে গেছে, আর মোবাইলের কারণে পাড়ার উঠতি বয়সী ছেলেদের সাথে মেশার চেষ্টা করছে। না জানি কখন মেয়েটা পরিবারের মুখে চুনকালি দিয়ে একটি অপরিপক্ক হাত ধরে চলে যায় আর আমাদের মান-ইজ্জত ধুলোর সাথে মিশে যায়। এ রকম ঘটনা গ্রামে অহরহ ঘটছে। তুমি হয়ত জোর করে অথবা আইনী ভয় দেখিয়ে আমার মেয়েটার বিয়ে ডাঙ্গতে পারবা কিন্তু আইন কি আমার মেয়ে কোনো ছেলের হাত ধরে চলে গেলে সেটা বন্ধ করতে পারবে?? আমার বাবা কিন্তু আমার চাচাকে এই নিশ্চয়তাটা দিতে পারেনি বলেই বিয়েটা আটকাতে পারিনি।

উপরের পরিসংখ্যানগুলো আমাদের বলে দিচ্ছে উন্নয়নের কোন জায়গায় আমরা আছি এবং বাস্তবভিত্তিক ঘটনা দুটি আমাদের বলে দিচ্ছে সামাজিক নিরাপত্তায় আমাদের কতোটা গভীরে কাজ করতে হবে। শুধু আইন প্রয়োগ করেই বাল্যবিবাহ নামক সামাজিক ব্যধিটি আমাদের সমাজ থেকে দুর করা যাবে না, এর জন্য প্রয়োজন সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি পযায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সমাজ থেকে এই অলিখিত অনিশ্চয়তার  জায়গায় নিশ্চয়তার বেষ্টনি সৃষ্টিতে কাজ করা। 
মজনু সরকার
১০ই অক্টোবর, ২০২১</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/42214/</link>
				<pubDate>Sun, 10 Oct 2021 10:39:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিশ্চয়তা:<br />
আবহমান কাল ধরেই বাল্য বিবাহ আমাদের সমাজে একটি মারাত্বক সামজিকব্যধি হিসাবে লেপ্টে থেকে গ্রাম হতে শহর, দরিদ্র হতে মধ্যবিত্ত, হিন্দু হতে মুসলিম প্রায় প্রতিটি সমাজ ব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে দিচ্ছে। স্বাধীনতার ৫০বছরে পার হলেও কাগজ কলমে সমাজে তার ক্রমহ্রাসমান হার পরিলক্ষিত হলেও বাস্তবে আজও আমাদের সমাজে বিশেষ করে গ্রামে এব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-42214"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/42214/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">217ee4dec774b01091c8bee5bcf2083c</guid>
				<title>অভাববোধ:
ছোট বেলা থেকে এখন অবদি জীবনের প্রতিটি বাঁকে বাঁকে মনের বাড়ির অরক্ষিত দরজায় একজন অজানা অচেনা অস্তিত্বহীন মানুষ প্রায়শই কড়া নাড়তো। বাস্তবে তার উপস্থিতি না থাকলেও জীবনের প্রতিটি বাঁকে বাঁকে মনের বাতায়নে তার অভাববোধের জানান দিয়ে গেছে, এখনো যাচ্ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে জীবনের গতিপথ অনুযায়ী অদৃ্শ্য মানুষটির কাছ থেকে প্রাপ্ত চাহিদার পরিবতন হয়েছে, চাহিদার বৈচিত্র্য়য়ন এসেছে কিন্তু জীবনে এ অদৃশ্য মানুষটির অভাববোধের পরিবর্তন হয়নি বরংচো দিন দিন তার অভাববোধ বেড়েই চলছে, ইদানিং যেন আরও বেশি করে তার অভাববোধটি অনুভব করছি।

যখন প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম তখন স্কুলেই হোক আর বাড়িতেই হোক বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করা টাই ছিল মুখ্য আর পড়াশোনা ছিল গৌণ। পড়াশোনাটা করতাম শুধুমাত্র বাবা-মার বকুনি আর শিক্ষকদের বেতের ভয়ে। এই সময়টাতে যখন বাবা-মা খুব বকুনি দিত, চাহিদা মতো বাবা-মার কাছ থেকে আবদারকৃত জিনিসগুলো পেতাম না, খেলাধুলার উপকরন না থাকায় বন্ধুরা খেলাধুলায় নিতো না, স্কুলের টিচাররা পড়া না পাড়ার কারনে মারতো তখন মনটা সাদা বেদনায় ভরে যেত। তখনকার সে ছোট্ট মনের অব্যক্ত সাদা কষ্টগুলো সাদা মেঘের ভেলায় ভাসিয়ে দেয়ার জন্য একজনকে খুজতাম। এই খুজে না পাওয়া থেকেই বোধ হয় আমার ভিতরে এই অস্তিত্বহীন মানুষটির জন্ম এবং আমার সাথে তার পথচলা শুরু।

প্রাইমারী ছেড়ে যখন হাইস্কুল ও কলেজে আসলাম তখন পড়াশোনাটি হয়ে গেল মুখ্য আর লেখাধুলাটি হয়ে গেল গৌণ। পড়াশোনার পাশাপাশি জীবনে যোগ হতে থাকলো বিপরীত লিঙ্গের ছোট ছোট লাল, নীল প্রজাপতিদের সাথে বন্ধুত্ব করা অসম প্রতিযোগিতা। এ বয়স থেকেই মনে হয় লাল-নীল প্রজাপতিদের প্রতি ভালোলাগা-ভালোবাসার জন্ম হয়ে থাকে। সময়ের সাথে সাথে জীবনে পড়াশনার চাপ, প্রজাপ্রতিদের সাথে বন্ধুত্ব করার অসম প্রতিযোগিতার চাপ, প্রত্যাশার চাপ ক্রমশই বৃদ্ধি পেতেই থাকে, যা আমার সরল মনটিকে নীল কষ্টে ভরিয়ে দিত। এই নীল কষ্টগুলো নীল মেঘের ভেলায় ভাসিয়ে দেয়ার জন্য এ সময়টিতেও একটি মানুষের ভীষন অভাববোধ করেছি।

কলেজ পেরিয়ে যখন ইউনিভার্সিটিতে গেলাম তখন পড়াশোনাটি হয়ে গেল মুখ্য আর লেখাধুলাটি চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেল জীবন থেকে। এখানে এসে দেখলাম স্কুল –কলেজে দেখা ছোট ছোট প্রজাপ্রতিগুলো পাখনা মেলে স্বপ্নের ডানায় ভর করে পুরো ক্যাম্পস দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, মুগ্ধতার বৃষ্টি ছড়িয়ে একে অপরকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে। কেউ কার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে যাচ্ছে, কেউ নীল বেদনা নিয়ে একে অপরকে ছেড়ে যাচ্ছে, কেউ আবার ভবিষ্যতের তাজমহল বানাচ্ছে। এখানেও যোগ্যতা ও পছন্দের অভাবে প্রজাপতি ধরার প্রতিযোগিতায় নামতে পারিনি। এই যে প্রজাপ্রতি না ধরার একটি নীল কষ্ট, পড়াশনা নামক ইদুর-বিড়াল দৌড়ের প্রতিযোগিতার চাপ, আথিক দৈন্যতার চাপ, পারিবারিক মূল্যবোধের চাপ, ধমীয় মূল্যবোধের চাপ, রাজনৈতিক মতাদর্শের চাপ, মিশ্র সংস্কৃতির চাপ এবং পড়াশোনা শেষে ভালো চাকুরি পাওয়ার চাপ আমাকে ভীষনভাবে লাল কস্টে জজরিত করে ফেলতো। এই লাল কষ্টগুলো লাল মেঘের ভেলায় ভাসিয়ে দেয়ার জন্য এ সময়টাতেও একজন মানুষের ভীষন অভাববোধ করেছি।

ইউনিভাসিটি পেরিয়ে চাকুরি জীবনে আসলাম। এখানে এসে ফেস করতে থাকলাম কাজের চাপ, প্রযুক্তির চাপ, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সময়মতো কাজ ডেলিভারি দেয়ার চাপ, ভালো অফিসার হওয়ার চাপ, প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রাপ্তির চাপ, সময়মতো অফিসে আসার চাপ, নীতি-নৈতিকতার চাপ, সৎ থাকার চাপ, ভালো এসিআর প্রাপ্তির চাপ, সম্মান রক্ষার চাপ, পরাফরমেন্সের চাপ এবং চাকুরির নিরাপত্তহীনতার চাপ। এই নানামুখি চাপে প্রায়ই পরিবারের কথা, বন্ধু-বান্ধবের কথা, আত্বীয় সজনের কথা ভুলতে বসেছি। এ এক অদ্ভত জীবন। যে জীবনে কাউকে বিশ্বাস করাটাই দুরুহ। সবাই যেন একে অপরের প্রতিযোগি। খুব ইচ্ছে করে এ চাপযুক্ত জীবন থেকে বেরিয়ে মুক্ত পাখির ডানায় ভর করে চাপহীন পৃথিবীর কোন এক প্রান্তরে চলে যেতে এবং কোন এক পাল তোলা নৌকায় বসে ঝিরিঝিরি বাতাসে গা এলিয়ে একটি বিশ্বস্থ হাত ধরে বুকের গহীনে জমানো চাপগুলো শেয়ার করতে। এই জীবনেও এমনটি একটি বিশ্বস্থ হাতের অভাববোধ করছি।

ইউনিভার্সিটি জীবন শেষ করে চাকুরি জীবনের শুরুর দিকেই কোন এক গোধূলি বিকেলে ঘরোয়া পরিবেশে পারিবারিকভাবে খুব সাদামাটা আটপৌড়ে এক ষোড়শীর হাতে হাতে রেখে সুখে দুখে একসাথে চলবো প্রতিশ্রুতি দিয়ে অজানা অচেনা এক জীবনে প্রবেশ করলাম। যে জীবনের প্রতিটি গলিই ছিল নতুন, যা প্রতি নিয়ত রং বদলায়, কখনো কালো, কখনো লাল, কখনো সাদা, কখনো আবার নীল। প্রতিদিন নতুন রুপে, নতুন গন্ধে, নতুন আবহে আসে। এই জীবনের সাথে তাল মিলে চলতে গিয়ে কখনো সুখে ভেলায় ভাসতে থাকি আবার কখনো অব্যক্ত চাপা কষ্ট নিয়ে ঘুরে বেড়াই। এ যেন বড্ড রহস্যে ভরপুর এক দুর্ভেদ্য জীবন। যে জীবনে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নেই। প্রতিদিনও নতুন প্রশ্ন আর সেই প্রশ্নের উত্তর খোজার নিরন্তন চেষ্টা। এই উত্তর খোজার জন্যেও একটি বিশ্বস্থ হাত, উদার মন, চওড়া কাধওয়ালা একজন optimistic মানুষের অভাববোধ করছি।

জীবনের প্রতি বাঁকেই বাবা-মাকে বন্ধু হিসেবে পেয়েছি, জীবনের গতিপথ অনুযায়ী কিছু অসম্ভব ভালো বন্ধু পেয়েছি, বড় ভাই পেয়েছি, বন্ধুবৎসল সহকমীসহ চাকুরি পেয়েছি, বউ-বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে একটি সুন্দর সংসার পেয়েছি, যারা প্রতি নিয়তই আমাকে প্রয়োজনানুযায়ী সাপোট, উৎসাহ এবং সাহস দিয়ে গেছে এবং দিয়ে যাচ্ছে। এতো প্রাপ্তির পরেও অবচেতন মন জীবনের প্রতিটি বাঁকেই একজন মানুষের অভাববোধ করে এসেছে।

এই যে আমার ভিতরে একজন অস্তিত্বহীন মানুষের অভাববোধে তাড়না সারা জীবন আমাকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে এটি কি স্বাভাবিক?? যদি স্বাভাবিক হয় তবে আপনার ভিতরেও কি এই ধরনের অভাববোধ কাজ করে? আর যদি স্বাভাবিক না হয় তবে কেন এমন হয় বলতে পারবেন আমাকে??
মজনু সরকার
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/41573/</link>
				<pubDate>Fri, 08 Oct 2021 05:15:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অভাববোধ:<br />
ছোট বেলা থেকে এখন অবদি জীবনের প্রতিটি বাঁকে বাঁকে মনের বাড়ির অরক্ষিত দরজায় একজন অজানা অচেনা অস্তিত্বহীন মানুষ প্রায়শই কড়া নাড়তো। বাস্তবে তার উপস্থিতি না থাকলেও জীবনের প্রতিটি বাঁকে বাঁকে মনের বাতায়নে তার অভাববোধের জানান দিয়ে গেছে, এখনো যাচ্ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে জীবনের গতিপথ অনুযায়ী অদৃ্শ্য মানুষটির কাছ থেকে প্রাপ্ত চাহিদার পরিবতন হয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-41573"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/41573/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">49f05b5a456fcd2210107238b0f0da96</guid>
				<title>Md. Moznu Sarkar changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/41265/</link>
				<pubDate>Thu, 07 Oct 2021 06:58:25 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1e85fe38a3bde8610cf9b3ad9b524f5c</guid>
				<title>নিরাপত্তাহীনতা:
নিরাপত্তাহীনতার চাদরে মোড়ানো যেন এ শহর, এ শহরের জীবন, জীবিকা এবং পথচলা। প্রায় ৩০৫.৪৭ বগ কিমি আয়তনের এই শহরের প্রতিটি ইট, পাথর, অলি-গলির দিকে তাকালে মনে হয় সে যেন নিজেই বড্ড নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে। ইট-পাথরের বাড়িগুলো অসহায়ের মতো দাড়িয়ে নিরাপত্তাহীনতার হাতছানি দিচ্ছে, কখন যেন ভুমিকম্পে ধসে পড়বে, বৈদ্যুতিক গোলযোগের আগুনে ঝলসে যাবে অথবা ধাতব মেটেরিয়াল/গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাবে। এক গবেষণায় দেখা যায়- ঢাকায় ৭ মাত্রার ভুমিকম্প হলে ৭২ হাজার ভবন ধসে পড়বে এবং প্রায় ১-২ লাখ লোকের প্রাণহানি ঘটবে। গত এক বছরে দেশে ১৬টি ভবন ধসের ঘটনার মধ্যে ১০টি ঘটেছে এ শহরে এবং এ শহরে অন্তত সাড়ে ১১ হাজার বহুতল ভবন অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি রয়েছে। শুধু এই দুটি পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে বুঝা যায়- রুগ্ন এ শহরের বিল্ডিংগুলো এবং এই বিল্ডিংগুলোতে বসবাসকারী মানুষগুলো কতটা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে বসবাস করছে। 
প্রায় ২ কোটি মানুষের এ শহরের মানুষগুলোর দিকে তাকালে বাহির থেকে তাদের পরীমণির মতো দেখতে মনে হলেও আসলে কড়া মেকাপে ডেকে রাখা সুন্দর মুখশ্রীর অন্তরালে একটি মলিন মুখ, যে মুখটা প্রাণখুলে হাসতে জানে না আর জানলেও সে হাসিতে প্রাণ নেই। জীবনের প্রতিটি পরতে পরতে নিরাপত্তাহীনতা যেন কাল নাগেনী সাপ হয়ে ঘাপটি মেরে বসে আছে ছোবল মারার জন্য। কখন কার জীবনে ছোবল মেরে সুন্দর স্বপ্নময় জীবনটাকে তছনছ করে দেয়, তার কোন নিশ্চয়তা নেই। প্রতিদিন এ শহরে অসংখ্য খুন, নারী নিযাতন, শিশু অপহরণ, ধষণ, তালাকের মতো ঘটনা ঘটে। ডিএমপিতে গত পাঁচ বছরে খুনের মামলা হয়েছে ১,২০০টি, নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে ৭,২৩১টি, ধর্ষণের মামলা হয়েছে ১,৪৪৩টি এবং শিশু নির্যাতনের মামলা হয়েছে ৮৪৯টি। এ শহরে প্রতিদিন ৩৯টি তালাকের ঘটনা ঘটে। করোনা, ডেঙ্গু, টাইফয়েড, জন্ডিস যেন এ জীবনের নিত্যসঙ্গী। প্রতিদিন গড়ে এ শহরে প্রায় ২৪০ মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে। করোনায় আক্রান্ত রোগীর মধ্য়ে ৩৩.৩৭% এবং মোট মৃত্যুর ৩৮.৪০% হয়েছে যাদুর এ শহরে। এই ছোট ছোট পরিসংখ্যান আমাদের বলে দেয় এই শহরের জীবন কতোটা অনিরাপদ এবং প্রতিনিয়ত কতোটা নিরাপত্তাহীনতা ভূগছে।

জীবিকার বড় উৎস এ শহরের মোট কর্মপ্রবাহের প্রায় অর্ধেকই গৃহস্থালি অথবা অপরিকল্পিত শ্রমজীবী হিসাবে কর্মরত আছেন। শত শত কোটি টাকার মালিক শত কোটিপতিদের এই শহরে এখনো প্রায় ১৫% মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করে। প্রতি বছর এ শহরের কাজের সন্ধানে গ্রাম থেকে ৫ লাখ মানুষ আসে যাদের শতকরা ৯০ ভাগই দরিদ্র৷ এখন ঢাকা শহরের ৪০ ভাগ মানুষ বস্তিতে বসবাস করেন৷ করোনায় চাকুরি হারানোর প্রায় ১০.৫০ লক্ষ মানুষের মধ্যে প্রায় ৪২% মানুষের বসবাস এ শহরে। এই পরিসংখ্যানগুলোর আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় জীবিকায় বড় অবদান রাখা এ শহর এখনো জীবিকা সৃষ্টিতে কতোটা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ।
এ শহরের পথচলাও বড্ড অমসৃণ যেন আঁকাবাঁকা কাদায় মাখানো গ্রামীণ মেঠো পথ। এই পথের প্রতিটি বাকে বাঁকে ছিনতাই, সড়ক দুঘটনা, কিশোর গ্যাংদের উৎপাত, চাদাবাজি, ম্যানহলে পড়ে যাওয়ার ভয়, লিফটে আটকে পড়ার ভয়, হাসপাতালে অপেশাদার ডাক্তারদের হাতে মারা পড়ার ভয়, রিক্সায় চলার সময় পিছন থেকে গাড়ির ধাক্কা খাওয়ার ভয়, ফূটপাতে হাটার সময় মোটর সাইকেল গায়ে উঠিয়ে দেয়ার ভয় প্রতিনিয়ত আমাদের পথচলার গতিকে থামিয়ে দিচ্ছে। এ শহরে ১০% ম্যানহলের ঢাকনা নেই। গত ছয় মাসে ৫৭০টি ছিনতাইয়ের মামলা হয়েছে, বছরে ৩০৯টি সড়ক দূঘটনা, ১১৫টি তৈরিপোশাক কারখানায় এবং ৫২৬টি শিল্প কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে এ শহরে। এ শহরে ৭৮টি কিশোর গ্যাংয়ের ২ হাজারের বেশি সদস্য রয়েছে, যাদের হাতে গত ১৫ বছরে ১১৫টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এই পরিসংখ্যানগুলো আমাদের এ শহরের পথচলা কতোটা নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে তা প্রতিনিয়ত মনে করিয়ে দিচ্ছে। 
বড্ড মায়া, যাদুর এ শহরটার প্রতি আমার। আমিও এ শহরে বাসিন্দা হিসাবে এই নিরাপত্তাহীনতার বাহিরে নই। প্রতিনিয়ত এ শহরে পরিবারসহ আমার বসবাস, জীবন, জীবিকা এবং পথচলা নিয়ে এক অবিশ্বাস্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগি।এই নিরাপত্তহীনতা থেকে বের হওয়ার কি কোন পথ আছে?? আমার মতো আপনিও কি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন মায়াবী এ শহরে????
মজনু সরকার,
২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২১।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/41198/</link>
				<pubDate>Thu, 07 Oct 2021 05:41:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>নিরাপত্তাহীনতা:<br />
নিরাপত্তাহীনতার চাদরে মোড়ানো যেন এ শহর, এ শহরের জীবন, জীবিকা এবং পথচলা। প্রায় ৩০৫.৪৭ বগ কিমি আয়তনের এই শহরের প্রতিটি ইট, পাথর, অলি-গলির দিকে তাকালে মনে হয় সে যেন নিজেই বড্ড নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে। ইট-পাথরের বাড়িগুলো অসহায়ের মতো দাড়িয়ে নিরাপত্তাহীনতার হাতছানি দিচ্ছে, কখন যেন ভুমিকম্পে ধসে পড়বে, বৈদ্যুতিক গোলযোগের আগুনে ঝলসে যাবে অথব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-41198"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/41198/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>