<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | পংকজ প্রিয়ম | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/pankajpriyom/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/pankajpriyom/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for পংকজ প্রিয়ম.</description>
	<lastBuildDate>Tue, 09 Jun 2026 18:00:48 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">35b9ffa242faae8c146daab8d7843749</guid>
				<title>প্রাণের বন্ধু
.............................পংকজ প্রিয়ম

চৈতন্যবোধের ত্রিশূল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে
বছরের পর বছর ধরেই—
সযতনে ধারন করা সময়ে ৷

নিশিদিনের সঙ্গী আমার—
আমার সুখ দুঃখের অংশীদার ;
সে আমার জন্য স্বপ্ন দেখে
আমায় বাঁচিয়ে রাখে ৷

আমার সুখে ওর আন্দোলিত হয় অঙ্গ
আমার কষ্টে অসীম নিঃসঙ্গতায়—
নির্ঘুম দাঁড়িয়ে রয় ৷

প্রতিদিন কথা হয়—সকল বিষয়ে
সে আমার কবিতাও মন দিয়ে শোনে ৷
এক অন্য অনুভূতি, শিহরিত হই
এমন আপনজন আর কেউ নাই !

ও আমায় শিক্ষা দেয়—উঁচু হয়ে দাঁড়াবার
এ বন্ধু আমায় শিখিয়েছে, ধৈর্য্যশীলতার মন্ত্র
কিভাবে সব কষ্ট দূরে ঠেলতে হয় ৷

ওর গল্পও আছে, বলে আমায়—
সূর্য হ্নৎপিন্ডে না ধরার কষ্ট ,
দাবদাহে পুড়ে যাওয়া বিরুদ্ধে যুদ্ধ
আবার অবেলায় ভিজিয়ে দেয়া বৃষ্টি ৷
ঝড় উপড়ে ফেলতে চায়
সে সময়ে ঝড়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষনা ৷
স্বাধীনভাবে গান গাইবার না পারলেও
তবে ও পাখির কিচির মিচির আর 
কোকিলের গান শুনে যায় ৷

ও আমাকে প্রায়শই বলে—
মানুষের মতো বিশ্বাস ঘাতক আর
অকৃতজ্ঞ কেউ নেই ৷

ও আর কেউই নয়—
দৃষ্টির গোচরে বেড়ে ওঠা
আমার প্রাণের বন্ধু, বেঁচে থাকার প্রেরণা
প্রিয় সেই বৃক্ষ ৷
-----------------------------------------------------------------
প রি চি তি

লেখক : কবি ও গল্পকার। শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন ৷ সম্পাদনা করছেন-&#039;পলিমাটি&#039;।
প্রকাশিত একক গ্রন্থ দুইটি ও যৌথগ্রন্থ- পঞ্চাশের বেশি ৷ 
মেইল : paulpankaj864@gmail.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/253264/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Jun 2026 18:15:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রাণের বন্ধু<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;..পংকজ প্রিয়ম</p>
<p>চৈতন্যবোধের ত্রিশূল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে<br />
বছরের পর বছর ধরেই—<br />
সযতনে ধারন করা সময়ে ৷</p>
<p>নিশিদিনের সঙ্গী আমার—<br />
আমার সুখ দুঃখের অংশীদার ;<br />
সে আমার জন্য স্বপ্ন দেখে<br />
আমায় বাঁচিয়ে রাখে ৷</p>
<p>আমার সুখে ওর আন্দোলিত হয় অঙ্গ<br />
আমার কষ্টে অসীম নিঃসঙ্গতায়—<br />
নির্ঘুম দাঁড়িয়ে রয় ৷</p>
<p>প্রতিদিন কথা হয়—&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-253264"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/253264/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9baaa4cfe100ad5955d8c6b7d48d8209</guid>
				<title>ফিরে আসুক রবিনহুড ইফেক্ট
........................................পংকজ প্রিয়ম

পৃথিবীর ধ্বংসের জন্য এলিয়েন এর
দরকার নেই ৷
আমাদের আছে মানুষরূপী অনেক এলিয়েন ৷

যাদের আলোচনায় থাকে—
নিউক্লিয়ার ফিশন চেইন থিওরি ;
পারমানবিক বোমা ও হাইড্রোজেন বোমা ৷
ক্যাসল ব্রাভেট, আইভি কিং, বি—৮৩
জার বম্বা, স্ট্যাটাজ—সিক্স, বি—৫৩
হাইপারসনিক মিসাইল, সাবমেরিন
পারমানবিক ইলেক্ট্রন ম্যাগনেটিক বোমা
আরও কত কি !

এই এলিয়েনগন—
বোমা বানানোর প্রতিযোগিতায় মাতে
এদের হর্তাকর্তাদের কৌশলী পদক্ষেপে
বাড়ে অনিশ্চয়তা, বাড়ে পৃথিবীর উদ্বেগ ৷

এদের স্বপ্নই—
নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট ও
কাল্পনিক গেম, মারনের গেম ;
সামরিক শক্তি আগ্রাসন,কাঁটাতার ৷

এদের জন্যই—
হয় কার্বন দূষণ, নষ্ট হয় শক্তি ভারসাম্য ;
তৈরি হয় অস্থিতিশীলতা, নিউক্লিয়া হেম
নষ্ট হয় বাস্তুসংস্থান
হয় বৈশ্বিক নিউক্লিয় খাদ্য অভাব ও দুর্ভিক্ষ ৷

এদেরকে অনুরোধ—
নির্বাপিত হোক—স্নায়ুযুদ্ধ অগ্নিতাপ
ছেড়ে দাও—স্বীয় ধ্বংস দামামা ;
সকল জাতীয় আত্মহত্যা ৷

ফিরে আসুক—আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূলনীতি
ব্যালেন্স অব পাওয়ার থিওরি ,
আলোচনায় আসুক— শক্তির নিত্যতা সূত্র ;
স্ট্রিং থিওরি ও বেঁচে থাকার অভিযোজন ৷

এখনো আছে সময়
ভাবনার —
কতটুকু ক্ষতি করেছিলো
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে লিটলবয় ৷

ভুলে যাও—
বর্ণবাদ আর কাঁটাতার ,
প্রকৃতির মতো হও
প্রকৃতি সবার জন্য একরূপ ৷

ফিরুক শান্তির শক্তি
ফিরেই আসুক —রবিনহুড ইফেক্ট ৷
-----------------------------------------------------------------
প রি চি তি

লেখক : কবি ও গল্পকার। শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন ৷ সম্পাদনা করছেন-&#039;পলিমাটি&#039;।
প্রকাশিত একক গ্রন্থ দুইটি ও যৌথগ্রন্থ- পঞ্চাশের বেশি ৷ 
মেইল : paulpankaj864@gmail.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252980/</link>
				<pubDate>Wed, 03 Jun 2026 17:54:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফিরে আসুক রবিনহুড ইফেক্ট<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;.পংকজ প্রিয়ম</p>
<p>পৃথিবীর ধ্বংসের জন্য এলিয়েন এর<br />
দরকার নেই ৷<br />
আমাদের আছে মানুষরূপী অনেক এলিয়েন ৷</p>
<p>যাদের আলোচনায় থাকে—<br />
নিউক্লিয়ার ফিশন চেইন থিওরি ;<br />
পারমানবিক বোমা ও হাইড্রোজেন বোমা ৷<br />
ক্যাসল ব্রাভেট, আইভি কিং, বি—৮৩<br />
জার বম্বা, স্ট্যাটাজ—সিক্স, বি—৫৩<br />
হাইপারসনিক মিসাইল, সাবমেরিন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252980"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252980/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">413871baf7536fa70e7928afcb0f5a91</guid>
				<title>কবিতা&#x25fe;নজরুলের নামে
—————————পংকজ প্রিয়ম

তোমার কণ্ঠে বজ্র ছিল, নাকি শুদ্ধ কোন ছায়ানট—
নাকি ছিলো রক্তাক্ত খেয়া, বয়ে এনেছিল এক নতুন শব্দ।
&quot;আমি চিরবিদ্রোহী&quot;, বলেছিলে—
সেই উচ্চারণ এখন হারিয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগে..

ছন্দ আর তালের মাঝে মুছে যায় 
এক দুঃস্বপ্নের বঙ্গোপসাগর,
তোমার কলমে যে শিকল ভাঙতো—
আজ সে কলম চুপ, নিঃশব্দে শুয়ে থাকে পিডিএফ ফাইলে।

তবুও তুমি, নজরুল, একটি অ্যালগরিদম ভাঙার মতন,
প্রটোকলের বাইরে দাঁড়িয়ে গেয়ে যাও—
&quot;মোরা এক বৃন্তে দুটি কুসুম&quot;
কিন্তু হৃদয়টা তো এখন কৃত্রিম প্লাস্টিকের মতো।

তুমি কি এখনো শুনতে পাও—
কারখানার মেয়েটি কেমন কাঁপে ‘লেট ফাইন’-এর তাড়নায়?
তোমার বিদ্রোহ কি তাকে ছুঁয়েছে?
নাকি সেটি শুধু আবৃত্তিতে  আর দেয়ালচিত্রে জীবিত?

আমরা তোমার ছায়া আঁকি,
স্মৃতিচারণার ডিজিটাল ফ্রেমে,
কিন্তু তুমিই তো বলেছিলে,
&quot;আমি কবি, আমি বেঁচে থাকি জনতার প্রাণে—
 শুধু কাগজে নয়।&quot;

এই শূন্য যুগে,
যেখানে শব্দও সন্দেহের অধীন,
তুমি এখনো ঝড় তুলে যাও,
তথ্য ও নিস্তব্ধতার মাঝে,
একটি অসমাপ্ত কবিতার মতো।

তোমাকে স্মরণ করি, নজরুল,
কারণ বিদ্রোহ এখনো দরকার,
আর প্রেম—
তা তো প্রতিদিনই বিপ্লব।
..............................................................
প রি চি তি

লেখক : কবি ও গল্পকার। শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন ৷ সম্পাদনা করছেন-&#039;পলিমাটি&#039;।
প্রকাশিত একক গ্রন্থ দুইটি ও যৌথগ্রন্থ- পঞ্চাশের বেশি ৷ 
মেইল : paulpankaj864@gmail.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251426/</link>
				<pubDate>Mon, 25 May 2026 17:54:49 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা&#x25fe;নজরুলের নামে<br />
—————————পংকজ প্রিয়ম</p>
<p>তোমার কণ্ঠে বজ্র ছিল, নাকি শুদ্ধ কোন ছায়ানট—<br />
নাকি ছিলো রক্তাক্ত খেয়া, বয়ে এনেছিল এক নতুন শব্দ।<br />
&#8220;আমি চিরবিদ্রোহী&#8221;, বলেছিলে—<br />
সেই উচ্চারণ এখন হারিয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগে..</p>
<p>ছন্দ আর তালের মাঝে মুছে যায়<br />
এক দুঃস্বপ্নের বঙ্গোপসাগর,<br />
তোমার কলমে যে শিকল ভাঙতো—<br />
আজ সে কলম চুপ, নিঃশব্দে শুয়ে থাকে পিডিএফ ফা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-251426"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/251426/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">045c174f4c0c027638509a81f8a35bce</guid>
				<title>কবিতা &#x25fe;বিদ্রোহের জন্মদিন

আজও আকাশে বাজে সেই অগ্নিবীণার সুর,
আজও অন্যায়ের বুকে তুমি ঝড়ের মতো দুর্বার।
হে কাজী নজরুল ইসলাম,
তোমার কবিতায় এখনো জেগে ওঠে ঘুমন্ত প্রতিবাদ।

তুমি শুধু কবি নও,
তুমি ক্ষুধার বিরুদ্ধে উচ্চারিত প্রথম বজ্রধ্বনি,
তুমি প্রেমের ভিতরে বিদ্রোহ,
আর বিদ্রোহের ভিতরে মানবতার দীপশিখা।

আজকের এই বিভক্ত পৃথিবীতেও
তোমার গান শেখায় সাম্যের ভাষা,
মানুষের চেয়ে বড় কোনো ধর্ম নেই—
এই সত্য আজও তোমার কলমেই সবচেয়ে উজ্জ্বল।

তোমার শব্দে ছিল রণতূর্য,
আবার ছিল শিশিরভেজা প্রেমের কোমলতা।
এক হাতে বাঁশি, অন্য হাতে আগুন—
এইভাবেই তুমি হয়ে উঠেছিলে অনন্ত বাংলা।

জন্মদিনে তোমায় জানাই গভীর শ্রদ্ধা,
হে চিরবিদ্রোহী, চিরতারুণ্যের কবি—
যতদিন অন্যায় থাকবে পৃথিবীতে ততদিন
প্রতিটি প্রতিবাদে বেঁচে থাকবে তোমার নাম।
...............….............................................
© পংকজ প্রিয়ম
মানিকগঞ্জ &#124; ২৪.০৫.২০২৬ খ্রি.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250997/</link>
				<pubDate>Sun, 24 May 2026 17:43:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা &#x25fe;বিদ্রোহের জন্মদিন</p>
<p>আজও আকাশে বাজে সেই অগ্নিবীণার সুর,<br />
আজও অন্যায়ের বুকে তুমি ঝড়ের মতো দুর্বার।<br />
হে কাজী নজরুল ইসলাম,<br />
তোমার কবিতায় এখনো জেগে ওঠে ঘুমন্ত প্রতিবাদ।</p>
<p>তুমি শুধু কবি নও,<br />
তুমি ক্ষুধার বিরুদ্ধে উচ্চারিত প্রথম বজ্রধ্বনি,<br />
তুমি প্রেমের ভিতরে বিদ্রোহ,<br />
আর বিদ্রোহের ভিতরে মানবতার দীপশিখা।</p>
<p>আজকের এই বিভক্ত পৃথিবীতেও<br />
তোম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250997"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250997/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">72f0890122c5eb9f6e16660b64648818</guid>
				<title>কবিতা &#x25fe;মায়ের কোল
--------------------------পংকজ প্রিয়ম

স্বর্গ নয়, স্বপ্ন নয়—
একটি কোমল হাতের ছোঁয়ায়
জেগে ওঠে আকাশজোড়া শান্তি,
সেই তো আমার মা।

ধুলোভরা পৃথিবীটাও
তার স্নেহে ধুয়ে যায় প্রতিদিন,
জীবন যুদ্ধে ক্লান্ত প্রাণ
ফিরে চায় শুধু মায়ের কোল।

অভিশপ্ত এই যুগে—
যেখানে রাগ, হিংসা, বিভাজন,
সেইখানে একমাত্র মা—
ধৈর্য্যর দীপ্ত প্রতিমা হয়ে দাঁড়ায়।

জন্মভূমির বুকে মায়ের মুখ,
একটি ভাষা, একটি বিশ্বাস—
শুধু ভালবাসা দিয়ে গড়া
একটুখানি পরম আশ্রয়।

এসো আমরা ফিরিয়ে দিই
এই ধরণীকে মাতৃরূপে—
যেখানে কেউ পর নয়,
শুধু মায়ার বন্ধনে জড়িয়ে সবাইকে।

[ মা দিবসে জগতের সকল &#039;মা&#039; কে প্রণাম ]
__________________________________________
প রি চি তি

লেখক : কবি ও গল্পকার। শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন ৷ সম্পাদনা করছেন-&#039;পলিমাটি&#039;।
প্রকাশিত একক গ্রন্থ দুইটি ও যৌথগ্রন্থ- পঞ্চাশের বেশি ৷ 
মেইল : paulpankaj864@gmail.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247274/</link>
				<pubDate>Sun, 10 May 2026 15:47:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা &#x25fe;মায়ের কোল<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;পংকজ প্রিয়ম</p>
<p>স্বর্গ নয়, স্বপ্ন নয়—<br />
একটি কোমল হাতের ছোঁয়ায়<br />
জেগে ওঠে আকাশজোড়া শান্তি,<br />
সেই তো আমার মা।</p>
<p>ধুলোভরা পৃথিবীটাও<br />
তার স্নেহে ধুয়ে যায় প্রতিদিন,<br />
জীবন যুদ্ধে ক্লান্ত প্রাণ<br />
ফিরে চায় শুধু মায়ের কোল।</p>
<p>অভিশপ্ত এই যুগে—<br />
যেখানে রাগ, হিংসা, বিভাজন,<br />
সেইখানে একমাত্র মা—<br />
ধৈর্য্য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247274"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247274/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">720db14d7f767f4fbe906caa3c900364</guid>
				<title>শত বর্ষ পেরিয়ে আজও
------------------------পংকজ প্রিয়ম

শত বর্ষ পেরিয়ে আজও
বাংলার আকাশ জুড়ে,
রবীন্দ্রনাথ বেঁচে আছেন
কবিতার সুরে সুরে।

জোড়াসাঁকোর উঠোন জুড়ে
স্বপ্নের ছিল শুরু,
শব্দ দিয়ে গড়েছিলেন তিনি
এক অনন্ত কল্পতরু।

নদীর জলে, শিউলি ফুলে,
বর্ষার মেঘের ভাঁজে,
রবির লেখা আজও যেন
বাংলা হৃদয় সাজে।

গীতাঞ্জলির পাতার ভেতর
মানবতার গান,
তারই কলম শিখিয়েছে
ভালোবাসার মান।

চোখের বালি, শেষের কবিতা,
বলাকা ডানা মেলে,
তার শব্দেরা আজও নীরব
অশ্রু হয়ে খেলে।

তিনি শুধু কবি শিল্পী তো নন,
একটা বাংলার প্রাণ,
দুঃখের রাতে আশার প্রদীপ,
ভোরের প্রথম গান।

বিশ্বকবির চরণতলে
রইলো শ্রদ্ধা ভরা,
রবীন্দ্রনাথ মানে এখনো
বাংলা হৃদয় জোড়া।
_______________________________
প রি চি তি

লেখক : কবি ও গল্পকার। শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন ৷ সম্পাদনা করছেন-&#039;পলিমাটি&#039;।
প্রকাশিত একক গ্রন্থ দুইটি ও যৌথগ্রন্থ- পঞ্চাশের বেশি ৷ 
মেইল : paulpankaj864@gmail.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247203/</link>
				<pubDate>Sun, 10 May 2026 02:14:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শত বর্ষ পেরিয়ে আজও<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;পংকজ প্রিয়ম</p>
<p>শত বর্ষ পেরিয়ে আজও<br />
বাংলার আকাশ জুড়ে,<br />
রবীন্দ্রনাথ বেঁচে আছেন<br />
কবিতার সুরে সুরে।</p>
<p>জোড়াসাঁকোর উঠোন জুড়ে<br />
স্বপ্নের ছিল শুরু,<br />
শব্দ দিয়ে গড়েছিলেন তিনি<br />
এক অনন্ত কল্পতরু।</p>
<p>নদীর জলে, শিউলি ফুলে,<br />
বর্ষার মেঘের ভাঁজে,<br />
রবির লেখা আজও যেন<br />
বাংলা হ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247203"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247203/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">11057f242c219904ebcd9873a7d54dce</guid>
				<title>“আলো যার স্বরে, রেখা যার স্পর্শে”
-----------------------------------পংকজ প্রিয়ম

১
তুমি এসেছিলে সময়ের সেরা হয়ে
শুধু কাগজের পাতার লেখক হয়ে নয়,
তুমি এসেছিলে সময়ের মতো,
শব্দ হয়ে ওঠার আগেই যার নিজস্ব ছন্দ আছে।

২
তোমার কলমে বাংলা পেয়েছিল প্রথম আয়না,
যেখানে নিজেকে দেখে—
ভাষা, প্রেম, প্রতিবাদ, প্রকৃতি,
সব একত্রে দাঁড়ায়:
একটি আকাশের নিচে।

৩
তুমি গানকে শিখিয়েছিলে,
কীভাবে নিঃশব্দতাও সুর হতে পারে।
একটি পল্লব দুললেই—
তোমার “আমারো পরাণ যেন” বাজে,
সেই পল্লব আর গান আলাদা নয় তখন।

৪
তুমি চিত্র এঁকেছিলে—
বর্ণ নয়, রেখার মধ্যে আত্মা খুঁজে;
আমরা এখনো রঙ খুঁজি রেখার গভীরে,
আর বারবার দেখি:
তোমার না বলা কথারা ক্যানভাসে হাঁটে।

৫
তুমি নাট্যকার, তুমি সম্পাদক,
তুমি শিক্ষার বুনন-কারিগর,
তুমি ছিলে সেই কবি—
যিনি বিদ্যালয় বানালেন বৃক্ষের নিচে,
আর বললেন—
&quot;জ্ঞান যদি আকাশ হয়, তার শিকড় হতে হবে মাটিতে।&quot;

৬
আমরা যখন এখনও সাহিত্যে &quot;মানুষ&quot; খুঁজি,
তোমার গল্প, কবিতা, চিঠি—
সব আমাদের চালিয়ে নেয়,
যেন আলোর ভেতর দিয়ে ছায়া বোঝার পথ।

৭
রবীন্দ্র,তোমাকে কোনো একটি ধারায় বাঁধা যায় না—
তুমি ছড়িয়ে গেছো,
গানের কমলে, নাটকের গদ্যে,
বাউলের চোখে, নগরীর ঘ্রাণে,
একটি জাতির হৃদয়ে তুমি
চিরকালের শিল্প।

৮
তোমার জন্মদিনে শুধু ফুল নয়,ধূপ নয়,
আমি বলি একটি শব্দ,
যেটি তুমি শিখিয়েছিলে—
&#039;সত্য&#039;।
সেই সত্যেই তুমি বেঁচে আছো—
কাগজের অতীত হয়ে,
কালের দীর্ঘতম আগামী হয়ে ৷
____________________________________________
প রি চি তি

লেখক : কবি ও গল্পকার। শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন ৷ সম্পাদনা করছেন-&#039;পলিমাটি&#039;।
প্রকাশিত একক গ্রন্থ দুইটি ও যৌথগ্রন্থ- পঞ্চাশের বেশি ৷ 
মেইল : paulpankaj864@gmail.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247191/</link>
				<pubDate>Sat, 09 May 2026 16:35:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“আলো যার স্বরে, রেখা যার স্পর্শে”<br />
&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;পংকজ প্রিয়ম</p>
<p>১<br />
তুমি এসেছিলে সময়ের সেরা হয়ে<br />
শুধু কাগজের পাতার লেখক হয়ে নয়,<br />
তুমি এসেছিলে সময়ের মতো,<br />
শব্দ হয়ে ওঠার আগেই যার নিজস্ব ছন্দ আছে।</p>
<p>২<br />
তোমার কলমে বাংলা পেয়েছিল প্রথম আয়না,<br />
যেখানে নিজেকে দেখে—<br />
ভাষা, প্রেম, প্রতিবাদ, প্রকৃতি,<br />
সব একত্রে দাঁড়ায়:&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247191"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247191/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4fd27b328fb60ef3526a0c68aae6e14a</guid>
				<title>বিশ্বকবি
~~~~~~~~~~~~~পংকজ প্রিয়ম

জোড়াসাঁকোর সুপ্রসিদ্ধ ঠাকুর পরিবারে
২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দে,
আবির্ভাব এক নবজাতকের,তার জন্যই—
মাতলেন সবাই আশীর্বাদে ।

সেদিন বোঝেনি কেউই এই খোকাবাবুই
দূর করে সকলই সংশয়,
বীরপুরুষের বেশে সাহিত্যে লাগাম ধরে
একদিন করবে তো বিশ্বজয় !

কবিতা-গল্প, ভ্রমণকাহিনী, নাটক-প্রবন্ধ
উপন্যাস আরো লিখলেন গান,
লিখলেন যেমন,তেমনি আঁকলেন,গাইলেন—
পৃথিবীর মানুষের জয়গান ।

কত দিবস,কত বিনিদ্র রজনী কেটেছে
কুঠিবাড়ি ও এরই আশেপাশে,
মানুষের কল্যাণ ভাবনায়, ভালোবাসায়
ছুটলেন কবি দূর পরবাসে ।

কথার মায়াজালে ফুটিয়ে তুললেন কত—
শত চরিত্র, কত বাস্তবতাই !
হৈমন্তী,ফটিক, উপেন,আনন্দী,নিরুপমা
বোষ্টমী,কাদম্বিনী,কুমু,বলাই ।

গীতাঞ্জলির জন্য ১৯১৩ সালে,নোবেল—
পেলেন; সুইডিশ একাডেমি থেকে,
এশীয়দের মধ্যে প্রথম নোবেল প্রাপ্তিতে
বাঙালি গর্ব বাড়লো দিকে দিকে।

গড়লেন বিশ্বভারতী,শান্তিনিকেতন আরো
মানুষের জন্য কত আয়োজন !
জাতীয় সংগীত, উৎসব, ফ্যাশনসহ—
বিশ্বের জন্য ভাবলেন আমরণ ৷

১৩৪৮ বঙ্গাব্দে ২২ শ্রাবণ চলে গেলেন
ক্ষয়শীল পৃথিবীর মায়া ছেড়ে,
যতদিন থাকবে বাঙালি তথা বিশ্ববাসী
 মহান শ্রদ্ধা জানাবে বারেবারে।

(গুরুর জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানাই ৷ ছড়াটি লিখেছিলাম ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে আমার &quot; নিঃসঙ্গতার মেঘমালা &quot; কাব্যগ্রন্থের জন্য । গুরুকে নিয়ে লিখার প্রথম দুঃসাহস ছিল এটি ৷ ছিল কাঁচা হাতের লিখা ৷)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247105/</link>
				<pubDate>Fri, 08 May 2026 16:28:46 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বিশ্বকবি<br />
~~~~~~~~~~~~~পংকজ প্রিয়ম</p>
<p>জোড়াসাঁকোর সুপ্রসিদ্ধ ঠাকুর পরিবারে<br />
২৫ বৈশাখ ১২৬৮ বঙ্গাব্দে,<br />
আবির্ভাব এক নবজাতকের,তার জন্যই—<br />
মাতলেন সবাই আশীর্বাদে ।</p>
<p>সেদিন বোঝেনি কেউই এই খোকাবাবুই<br />
দূর করে সকলই সংশয়,<br />
বীরপুরুষের বেশে সাহিত্যে লাগাম ধরে<br />
একদিন করবে তো বিশ্বজয় !</p>
<p>কবিতা-গল্প, ভ্রমণকাহিনী, নাটক-প্রবন্ধ<br />
উপন্যাস আরো লিখলেন গান,<br />
লিখলেন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247105"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247105/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6a5ca19ffcd35b58fc56e37c7b8cadfb</guid>
				<title>ফুটুক এবার পারিজাত ফুল
.....................পংকজ প্রিয়ম

শত বছরের কুসংস্কার আর
হিংস্র প্রবৃত্তিগুলো মাথাচাড়া দেয় ;
নিউরনে ছেয়ে যায় আগাছার মতোই 
আর প্রতিনিয়ত করোনার মতো ছড়ায় ৷

অসময়ের সূর্যাস্ত
অন্ধকারের গ্রাসে সৃজনশীলতা,
মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ে জমে টকশো !

অন্ধকারে নিমজ্জিত হই
তুমি আর আমি
আক্রান্ত হয় পৃথিবী ৷

সংস্কারের আশায় দিন গুনি
দূর হোক হাজার আগাছা,
দূর হোক হিংস্র প্রবৃত্তি ৷

সূর্যালোকের হীরক ছোঁয়ায়
আলোক বিকিরনে বর্ষিত হোক
শান্তিজল আর প্রেমময় হোক ধরা ৷
ফুটুক এবার পারিজাত ফুল,
চোখে ভাসুক সুন্দরেরই গান ৷
_____________________________________________

প রি চি তি

লেখক : কবি ও গল্পকার। শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন ৷ সম্পাদনা করছেন-&#039;পলিমাটি&#039;।
প্রকাশিত একক গ্রন্থ দুইটি ও যৌথগ্রন্থ- পঞ্চাশের বেশি ৷ 
মেইল : paulpankaj864@gmail.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246923/</link>
				<pubDate>Wed, 06 May 2026 17:54:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফুটুক এবার পারিজাত ফুল<br />
&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;&#8230;পংকজ প্রিয়ম</p>
<p>শত বছরের কুসংস্কার আর<br />
হিংস্র প্রবৃত্তিগুলো মাথাচাড়া দেয় ;<br />
নিউরনে ছেয়ে যায় আগাছার মতোই<br />
আর প্রতিনিয়ত করোনার মতো ছড়ায় ৷</p>
<p>অসময়ের সূর্যাস্ত<br />
অন্ধকারের গ্রাসে সৃজনশীলতা,<br />
মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ে জমে টকশো !</p>
<p>অন্ধকারে নিমজ্জিত হই<br />
তুমি আর আমি<br />
আক্রান্ত হয় পৃথিবী ৷</p>
<p>সংস্কারের আশায় দিন গুন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246923"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246923/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">659408a185094f4bfe041be877d72a35</guid>
				<title>&#124;&#124; শিবের গাজন • নীল পূজা • চড়ক উৎসব &#124;&#124;

বাংলার মাটিতে শিব কখনো দূরের দেবতা নন। শিব এখানে কৈলাসের নির্জন ধ্যানী মহাদেব হয়ে থাকেন না—তিনি হয়ে ওঠেন আমাদের উঠোনের মানুষ। ধুলোমাখা পায়ের, ভুঁড়িওয়ালা, একটু রসিক, কখনো অভিমানী, আবার গভীর মমতায় ভরা এক গৃহস্থ পুরুষ। এই সহজ, মানবিক শিবই বাংলার লোকজ বিশ্বাসে সবচেয়ে আপন।

চৈত্রের শেষপ্রান্তে, যখন রোদে ফেটে যায় জমিন, বাতাসে ধুলো উড়ে, তখনই গ্রামবাংলা জেগে ওঠে গাজনের ঢাকের তালে। গাজন, নীল পূজা আর চড়ক—এগুলো আলাদা কোনো উৎসব নয়, বরং একই স্রোতের তিনটি ঢেউ। এখানে ধর্ম মানে কেবল আচার নয়; এখানে আছে শরীরের কষ্ট, মনের আর্তি, আর অদৃশ্যের প্রতি এক গভীর সমর্পণ।
গাজন যেন মানুষের ভেতরের জমে থাকা সব শব্দের বিস্ফোরণ। কেউ বলেন শব্দটি ‘গর্জন’ থেকে এসেছে—ভক্তদের সম্মিলিত আর্তধ্বনি থেকে। আবার কেউ বলেন, ‘গা’ মানে গ্রাম, ‘জন’ মানে মানুষ—অর্থাৎ মানুষের নিজের উৎসব। সত্যি বলতে, দুটোই ঠিক। কারণ গাজন একদিকে আর্তনাদ, অন্যদিকে উৎসব।

এই কদিনের জন্য সাধারণ মানুষ হয়ে ওঠেন সন্ন্যাসী। সংসার ফেলে তারা তুলে নেন ব্রত—নিরামিষ আহার, মাটিতে শোয়া, নিরবচ্ছিন্ন নামজপ। তাদের চোখে তখন এক ধরনের স্থিরতা থাকে, যেন তারা নিজের ভেতরে অন্য এক দরজা খুলে ফেলেছেন। এই সন্ন্যাসীদের নেতৃত্ব দেন ‘মূল সন্ন্যাসী’, কিন্তু আসলে তারা সবাই এক—কোনো জাত নেই, কোনো ভেদ নেই। এই সাম্যই গাজনের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক।

গাজনের আরেকটা রূপ আছে—সঙ। এখানে শিব হাসেন, রাগ করেন, পার্বতীর সাথে খুনসুটি করেন, কখনো মাঠে নেমে চাষও করেন। এই শিবকে ভয় লাগে না, বরং ভালো লাগে। তাকে নিয়ে মজা করা যায়, আবার অভিমানও করা যায়। দেবতা আর মানুষ—দুটোর মাঝখানে এক অদ্ভুত সেতু গড়ে ওঠে।

এরই ভেতর নীরবে এসে পড়ে নীল ষষ্ঠী। এই দিনটা মায়েদের। সারাদিন উপবাস করে তারা সন্তানের মঙ্গল কামনা করেন। বিকেলের আলো একটু নরম হলে সন্ন্যাসীরা গান গাইতে গাইতে পাড়ায় ঢোকেন। মায়েরা তাদের হাতে তুলে দেন তেল আর সিঁদুর—একটা নিঃশব্দ প্রার্থনা যেন হাত বদল করে নেয়। সন্ধ্যায় শিবলিঙ্গে জল পড়ে, প্রদীপ জ্বলে, আর মায়ের চোখে এক ধরনের নিশ্চিন্ত অশ্রু ঝিলমিল করে। এখানে ধর্মের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে ভালোবাসা—সন্তানের জন্য এক নিঃশর্ত আকুতি।

তারপর আসে চূড়ান্ত মুহূর্ত—চড়ক পূজা। মাঠের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকে উঁচু চড়কগাছ, যেন আকাশ ছুঁতে চাওয়া কোনো প্রাচীন প্রতীক। সন্ন্যাসীরা শরীরকে অতিক্রম করার চেষ্টা করেন—কেউ পিঠে বড়শি গেঁথে ঝুলে পড়েন, কেউ বাণফোঁড়া করেন। বাইরে থেকে দেখলে তা কষ্টের, কিন্তু তাদের চোখে তখন এক ধরনের তন্ময়তা থাকে—যেন শরীর আর মন আলাদা হয়ে গেছে।

এই চড়ক কেবল ভক্তির প্রকাশ নয়, এটি প্রাচীন কৃষিজীবী জীবনেরও প্রতিধ্বনি। সূর্যের ঘূর্ণন, ঋতুর পরিবর্তন, বৃষ্টির অপেক্ষা—সবকিছু মিশে আছে এর ভেতরে। শিব এখানে ধ্বংসের নয়, উর্বরতার দেবতা; শেষের ভেতর থেকেই শুরু খোঁজার প্রতীক।

উৎসব শেষে সন্ন্যাসীরা আবার সাধারণ জীবনে ফিরে যান। গলায় থাকা উত্তরীয় খুলে যায়, কিন্তু ভেতরের অভিজ্ঞতা থেকে যায়। গাজন, নীল পূজা, চড়ক—এসব শেষ হয়ে যায় না, বরং থেকে যায় মানুষের স্মৃতিতে, বিশ্বাসে, আর জীবনযাপনের গভীরে।

এইসব উৎসব আসলে আমাদের শেখায়—দেবতা দূরে নন। তিনি মানুষের ভেতরেই আছেন, কষ্টে, আনন্দে, প্রার্থনায়, আর ভালোবাসায়। বাংলার শিব তাই মন্দিরে যতটা, তার চেয়েও বেশি মানুষের ভেতরে বেঁচে আছেন।

...........................................................................

প রি চি তি

লেখক : কবি ও গল্পকার। শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন ৷ সম্পাদনা করছেন-&#039;পলিমাটি&#039;।
প্রকাশিত একক গ্রন্থ দুইটি ও যৌথগ্রন্থ- পঞ্চাশের বেশি ৷ মেইল : paulpankaj864@gmail.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244573/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 15:40:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>|| শিবের গাজন • নীল পূজা • চড়ক উৎসব ||</p>
<p>বাংলার মাটিতে শিব কখনো দূরের দেবতা নন। শিব এখানে কৈলাসের নির্জন ধ্যানী মহাদেব হয়ে থাকেন না—তিনি হয়ে ওঠেন আমাদের উঠোনের মানুষ। ধুলোমাখা পায়ের, ভুঁড়িওয়ালা, একটু রসিক, কখনো অভিমানী, আবার গভীর মমতায় ভরা এক গৃহস্থ পুরুষ। এই সহজ, মানবিক শিবই বাংলার লোকজ বিশ্বাসে সবচেয়ে আপন।</p>
<p>চৈত্রের শেষপ্রান্তে, যখন রোদে ফেট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244573"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244573/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">242e42132c5f567ace468951caac2858</guid>
				<title>ভাইরালের ভাইরাস 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কয়েকদিন ধরে দেখলাম—না, ঠিক “দেখলাম না&quot;…বাকরুদ্ধ হয়ে রইলাম! কিছুতেই মনোযোগ দিতে পারছিলাম না। তবুও বৃথা বাক্যব্যয়...

একটা জীবন্ত কুকুর। ভয়ে কাঁপছে। চোখে অসহায়তার জল। তাকে পুকুরের পানিতে বেঁধে রাখা হয়েছে—ঠিক এমনভাবে, যেন তার বাঁচার কোনো সুযোগই না থাকে। সামনে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে কুমির। আর চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলো? কেউ হাসছে, কেউ চিৎকার করে উল্লাস করছে, আর বেশিরভাগই মোবাইল তুলে ভিডিও করছে—একটা “ভাইরাল” মুহূর্ত ধরার জন্য। এই দৃশ্যটা মনে করিয়ে দেয় এতে শুধু কুকুরটার মৃত্যু নয়, এটা আমাদের মানবিকতার মৃত্যু। অথচ এই কুকুরটাও মায়া ভরা চোখে অপেক্ষায় ছিল, কেউ তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসবে। সত্য হলো এই-কেউই আসেনি।

আমরা কোথায় এসে দাঁড়িয়েছি? একটা প্রাণীকে মৃত্যুর মুখে ফেলে দিয়ে, আমরা সেটার “কনটেন্ট” বানাচ্ছি! অন্যের যন্ত্রণা দেখে যারা আনন্দ পায়, তারা অসুস্থ—এটা শুধু বইয়ের কথা না, বাস্তব সত্য। কিন্তু আরও ভয়ংকর হচ্ছে, যারা চুপ করে দেখে, যারা শেয়ার করে, যারা হাসে—তারা এই নিষ্ঠুরতাকে স্বাভাবিক করে তুলছে।

আজকে একটা কুকুর। কাল হয়তো একটা মানুষ। তারপর একদিন—আমাদের ভেতরের শেষ ভালোবাসাটুকুও মরে যাবে। আমরা কি এখন এমন এক সমাজে বাস করছি, যেখানে সহানুভূতির চেয়ে “ভিউ” বেশি গুরুত্বপূর্ণ? যেখানে সাহায্যের হাত বাড়ানোর আগে আমরা ক্যামেরা অন করি?

একটা সময় ছিল—মানুষ বিপদে পড়লে, অপরিচিত হলেও আশেপাশের মানুষ ছুটে যেত। এখন? আমরা দাঁড়িয়ে থাকি। দেখি। রেকর্ড করি। আপলোড করি। তারপর কমেন্টে লিখি—“কী ভয়ংকর!”
আসলে ভয়ংকরটা ভিডিও না, ভয়ংকরটা আমরা।

“ভাইরাল” এখন একটা ভাইরাস—যা ধীরে ধীরে আমাদের অনুভূতিকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। আমরা যত বেশি দেখি, তত কম অনুভব করি। একসময় হয়তো কোনো কষ্টই আর আমাদের ছুঁতে পারবে না।

কিন্তু এখনও সময় আছে। আমরা চাইলে বদলাতে পারি, বদলে যেতে পারি—একটা শেয়ার কম করে, একটা প্রতিবাদ বেশি করে। একটা ভিডিও না তুলে, একটা জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করে।

&#x1f534; প্রাণীর ওপর নির্যাতন কোনো বিনোদন নয়—এটা সরাসরি অপরাধ। 
&#x1f534; এই ধরনের ভিডিও দেখলে শেয়ার করবেন না, রিপোর্ট করুন।
&#x1f534; আশেপাশে এমন কিছু ঘটলে চুপ থাকবেন না—প্রতিবাদ করুন। 
&#x1f534; আপনার সন্তান, আপনার বন্ধু, আপনার চারপাশের মানুষকে শেখান—সহানুভূতি হারানো মানে মানুষ হওয়া হারানো।

মনে রাখবেন—
মানবিকতা একদিনে হারিয়ে যায় না, এটা হারায় একটু একটু করে…যখন আমরা চুপ থাকি, যখন আমরা দেখি, যখন আমরা কিছুই করি না। আজ যদি আমরা না থামি, তাহলে কাল এই নিষ্ঠুরতাই হবে স্বাভাবিক। নিষ্ঠুরতাই হবে বিকারগ্রস্ত বিনোদন।

তাই অমার্জিত, সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য ছাপরি মার্কা ভাইরাল হওয়ার আগে, মানুষ হওয়া জরুরি।
...........................................................................

প রি চি তি

লেখক : কবি ও গল্পকার। শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন ৷ সম্পাদনা করছেন-&#039;পলিমাটি&#039;।
প্রকাশিত একক গ্রন্থ দুইটি ও যৌথগ্রন্থ- পঞ্চাশের বেশি ৷ মেইল : paulpankaj864@gmail.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244379/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Apr 2026 12:21:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভাইরালের ভাইরাস </p>
<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কয়েকদিন ধরে দেখলাম—না, ঠিক “দেখলাম না&#8221;…বাকরুদ্ধ হয়ে রইলাম! কিছুতেই মনোযোগ দিতে পারছিলাম না। তবুও বৃথা বাক্যব্যয়&#8230;</p>
<p>একটা জীবন্ত কুকুর। ভয়ে কাঁপছে। চোখে অসহায়তার জল। তাকে পুকুরের পানিতে বেঁধে রাখা হয়েছে—ঠিক এমনভাবে, যেন তার বাঁচার কোনো সুযোগই না থাকে। সামনে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে কুমির। আর চারপাশে দাঁড়ি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244379"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244379/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1037fbb9056313169ead0dce217fd28d</guid>
				<title>আর্টেমিস: নামের ভেতরে লুকানো ইতিহাস ও প্রতীক

মানুষ যখন মহাকাশে পা রাখে, সেটা শুধু প্রযুক্তির জয় নয়—এটা হাজার বছরের কল্পনা, ভয়, বিশ্বাস আর গল্পেরও এক দীর্ঘ যাত্রার ফল।

এই কারণেই NASA তাদের নতুন চন্দ্রাভিযানের নাম রাখে Artemis—যেটা কেবল একটি নাম নয়, বরং একটি প্রতীকী ঘোষণা। গ্রিক পুরাণে Apollo এবং Artemis ভাই-বোন। অ্যাপোলো সূর্যের দেবতা, আলো ও জ্ঞানের প্রতীক। আর Artemis হলেন চাঁদের দেবী—নীরবতা, অন্ধকার, আর রহস্যের প্রতিনিধি। এই দুই সত্তা একে অপরের পরিপূরক—যেমন দিন ও রাত, আলো ও ছায়া।

&#x1f537; অ্যাপোলো থেকে আর্টেমিস: এক ধারাবাহিক যাত্রা
১৯৬০–৭০-এর দশকে Apollo Program মানুষের প্রথম চন্দ্রযাত্রার সূচনা করে। Apollo 11 Moon Landing ছিল সেই ইতিহাসের শিখর—যেখানে মানুষ প্রথমবার চাঁদের মাটিতে পা রাখে। অ্যাপোলো ১১ ছিল প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশ অভিযান, যা ১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই উৎক্ষেপিত হয়েছিল এবং ২০ জুলাই চাঁদে অবতরণ করে, যেখানে নীল আর্মস্ট্রং প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদে পা রাখেন, এরপর বাজ অলড্রিনও চাঁদে নামেন, আর মাইকেল কলিন্স কমান্ড মডিউলে থেকে চাঁদকে প্রদক্ষিণ করেন; এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল চাঁদে মানুষ পাঠানো ও নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা, যা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। 
অ্যাপোলো নামটা ছিল একদম যথার্থ—কারণ সেটা ছিল অজানার অন্ধকারে আলোর সন্ধান।

Artemis Program শুধু আবার চাঁদে যাওয়ার পরিকল্পনা নয়—এটা সেখানে থাকা, শেখা, আর ভবিষ্যতে মঙ্গলগ্রহে যাওয়ার প্রস্তুতি। অ্যাপোলো যেখানে শুরু করেছিল, আর্টেমিস সেখানে গিয়ে গল্পটা সম্পূর্ণ করতে চায়।

&#x1f537; আর্টেমিস: নারী শক্তি ও নতুন বার্তা

আর্টেমিস কেবল চাঁদের দেবীই নন, তিনি স্বাধীনতা, শক্তি আর নারীত্বের প্রতীক। এই কারণে নাসা ঘোষণা করেছে—এই মিশনের মাধ্যমে প্রথম নারী এবং প্রথম সকল বর্ণের মানুষ চাঁদে পা রাখবেন। এটা শুধু বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি নয়, বরং একটি সামাজিক বার্তাও—মহাকাশ এখন সবার।

&#x1f537; ওরিয়ন: যাত্রার বাহন, গল্পের সঙ্গী 

এই মিশনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো Orion spacecraft। ওরিয়ন নামটি এসেছে আকাশের বিখ্যাত নক্ষত্রমণ্ডল থেকে—যাকে আমরা বাংলায় কালপুরুষ বলি। গ্রিক পুরাণে Orion ছিলেন এক অসাধারণ শিকারি, যার সাথে আর্টেমিসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের গল্প প্রচলিত আছে। কিছু কাহিনিতে বলা হয়, তারা বন্ধু, কোথাও আবার এক গভীর, জটিল সম্পর্কের ইঙ্গিত মেলে।
এই সম্পর্কের মধ্যেই আছে এক ধরনের অভিযান, আকর্ষণ আর ট্র্যাজেডি—যা মহাকাশ অভিযানের ঝুঁকি আর রোমাঞ্চের সঙ্গে অদ্ভুতভাবে মিলে যায়।

&#x1f537; বিজ্ঞান ও পুরাণ: এক অদ্ভুত সেতুবন্ধন

শেষ পর্যন্ত এই নামগুলো কেবল অলংকার নয়।
অ্যাপোলো, আর্টেমিস, ওরিয়ন—এই তিনটি নাম একসাথে একটি গল্প বলে:
অতীতের সাফল্য (Apollo)
বর্তমানের প্রত্যাবর্তন (Artemis)
আর ভবিষ্যতের পথচলা (Orion)

বিজ্ঞান যতই এগিয়ে যাক, মানুষ তার গল্প বলা বন্ধ করে না। মহাকাশের অজানাকে বোঝার চেষ্টা করতে গিয়েও আমরা ফিরে যাই হাজার বছরের পুরনো কল্পনায়—কারণ সেখানেই প্রথমবার মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করেছিল, “ওখানে কী আছে?”
আর সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই—আজও মানুষ চাঁদের পথে। 

............................................................................

প রি চি তি

লেখক : কবি ও গল্পকার। শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন ৷ সম্পাদনা করছেন-&#039;পলিমাটি&#039;।
প্রকাশিত একক গ্রন্থ দুইটি ও যৌথগ্রন্থ- পঞ্চাশের বেশি ৷ 
মেইল : paulpankaj864@gmail</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244218/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 14:26:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আর্টেমিস: নামের ভেতরে লুকানো ইতিহাস ও প্রতীক</p>
<p>মানুষ যখন মহাকাশে পা রাখে, সেটা শুধু প্রযুক্তির জয় নয়—এটা হাজার বছরের কল্পনা, ভয়, বিশ্বাস আর গল্পেরও এক দীর্ঘ যাত্রার ফল।</p>
<p>এই কারণেই NASA তাদের নতুন চন্দ্রাভিযানের নাম রাখে Artemis—যেটা কেবল একটি নাম নয়, বরং একটি প্রতীকী ঘোষণা। গ্রিক পুরাণে Apollo এবং Artemis ভাই-বোন। অ্যাপোলো সূর্য&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244218"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244218/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">08f3e489682f3f311c3385e901702b0b</guid>
				<title>পংকজ প্রিয়ম and ভাস্কর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241719/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 15:59:05 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b9776c60abe947c7a5ae0990bf0860b4</guid>
				<title>পংকজ প্রিয়ম and Prithula Zaman are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241582/</link>
				<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 04:05:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ff60dbfddb2540361eefc11e7b0efb4d</guid>
				<title>&#x1f534; Brain Betrayal: নিজের মস্তিষ্কই যখন শত্রু

​রেললাইনের দুর্ঘটনাগুলো বাইরে থেকে দেখলে অবিশ্বাস্য লাগে—“এত বড় ট্রেন, তাও মানুষ টের পেল না?” কিন্তু সত্যিটা অনেক বেশি কঠিন। এখানে কোনো ভূত বা রহস্য নেই, আছে আমাদের নিজের মস্তিষ্কের সীমাবদ্ধতা। বিজ্ঞানের ভাষায় এটি কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার ফল—যেগুলো একসাথে কাজ করলে মানুষ সত্যিই বিপদ বুঝতে ব্যর্থ হয়।

​&#x25fe; ১. Inattentional Blindness — চোখ খোলা, তবুও দেখা না

​মানুষের মস্তিষ্ক একসাথে সবকিছু প্রক্রিয়া করতে পারে না। যখন কেউ ফোনে কথা বলে, গান শোনে বা গভীর চিন্তায় মগ্ন থাকে, তখন মস্তিষ্ক গুরুত্বপূর্ণ কিছু জিনিস ফিল্টার করে দেয়। এই অবস্থায় সামনে ট্রেন থাকলেও সেটা “দেখা” হয় না। মনোযোগ না থাকলে চোখের সামনে থাকা বিশাল বস্তুও মস্তিষ্ক অদৃশ্য করে দিতে পারে।

​&#x25fe; ২. Acoustic Shadow — শব্দ থেকেও প্রতারণা

​বাতাসের গতি, দিক এবং আশপাশের শব্দ মিলিয়ে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়, যেখানে ট্রেনের শব্দ সামনে পৌঁছাতে দেরি হয় বা বিকৃত হয়ে যায়। একে বলা হয় Acoustic Shadow। ফলে ট্রেন খুব কাছাকাছি চলে আসলেও মানুষ ভাবে—“এখনো সময় আছে।” ট্রেনের শব্দ দূর থেকে যত জোরে শোনা যায়, অনেক সময় খুব কাছ থেকে ততটা তীব্র মনে হয় না।

​&#x25fe; ৩. Looming Detector Failure — দূরত্ব ও গতির ভুল হিসাব

​আমাদের চোখ ও মস্তিষ্ক মিলে কোনো বস্তুর গতি ও দূরত্ব বিচার করে। কিন্তু সোজা রেললাইনে আসা ট্রেনের ক্ষেত্রে এই সিস্টেমটা ভুল করে। দূরের ট্রেন ছোট দেখায়, তাই মনে হয় ধীরে আসছে। কিন্তু ট্রেনের গতি এত বেশি যে কয়েক সেকেন্ডেই সেটা কাছে চলে আসে। এই গাণিতিক ভুল বিচারকেই বলা হয় Looming Detector Failure।

​&#x25fe; ৪. Auditory Masking — প্রয়োজনীয় শব্দ বাদ দেওয়া

​কানে হেডফোন না থাকলেও অনেক সময় বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ বা চারপাশের কোলাহলের কারণে মস্তিষ্ক ট্রেনের নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সির শব্দকে &#039;নয়েজ&#039; হিসেবে গণ্য করে ছেঁটে ফেলে। একে Auditory Masking বলা হয়। এর ফলে মস্তিষ্ক বিপদের সংকেতটিকে গুরুত্বহীন মনে করে গুরুত্ব দেয় না।

​&#x25fe; ৫. Normalcy Bias — &quot;আমার সাথে এমন হবে না&quot; প্রবণতা

​যখন কেউ প্রতিদিন একই রেললাইন দিয়ে যাতায়াত করে এবং কোনো বিপদ দেখে না, তখন মস্তিষ্ক একটি কাল্পনিক &#039;নিরাপত্তা বলয়&#039; তৈরি করে নেয়। একে বলা হয় Normalcy Bias। তখন সামনে বিপদ দেখলেও মস্তিষ্ক সেটাকে অস্বীকার করে, কারণ তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা বলছে—“এখানে তো কখনও কিছু হয় না।” এই অতি-আত্মবিশ্বাসই কাল হয়ে দাঁড়ায়।

​&#x25fe; ৬. Social Proof — অন্যকে দেখে ভুল সিদ্ধান্ত

​যখন একসাথে কয়েকজন মানুষ লাইন পার হয়, তখন একটি মানসিক প্রবণতা কাজ করে—“ওরা যাচ্ছে, মানে নিশ্চয়ই নিরাপদ।” এটাকে বলা হয় Social Proof। একজন ঝুঁকি নিলে বাকিরাও সেই ঝুঁকিকে স্বাভাবিক ধরে নেয়। ফলাফল—একসাথে অনেক মানুষ ট্র্যাজেডির শিকার হয়।

​&#x25fe; ৭. Brain Betrayal — নিজের মস্তিষ্কের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা
​সবশেষে, এই ঘটনাগুলোর সারমর্ম একটাই—আমাদের নিজের মস্তিষ্কই আমাদের ভুল পথে নিয়ে যায়।
​চোখ দেখে না (Inattentional Blindness)
​কান ঠিকমতো শোনে না (Acoustic Shadow / Masking)
​দূরত্ব ভুল বোঝে (Looming Detector Failure)
​অভিজ্ঞতা ভুল দেয় (Normalcy Bias)
​অন্যকে দেখে ভুল সিদ্ধান্ত নেয় (Social Proof)
​এই সম্মিলিত ব্যর্থতাকেই সহজভাবে বলা যায়—Brain Betrayal।

​&#x1f6d1; তাহলে সমাধান কী?

​এই সমস্যার সমাধানও পুরোপুরি সচেতনতা ও বিজ্ঞানসম্মত অভ্যাসের ওপর নির্ভরশীল:

&#x1f539;​মস্তিষ্ককে &quot;জাগানো&quot;: রেললাইন পার হওয়ার আগে সচেতনভাবে দু’দিক ঘাড় ঘুরিয়ে দেখা

&#x1f538;​ইন্দ্রিয়ের পূর্ণ ব্যবহার: হেডফোন বা ফোন ব্যবহার পুরোপুরি এড়িয়ে চলা যাতে কান ও চোখ সজাগ থাকে।

&#x1f539;​ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত: অন্যকে দেখে বা ভিড়ের সাথে তাল মিলিয়ে লাইন পার না হওয়া।

&#x1f538;​নিরাপদ বিকল্প: সর্বদা ওভারব্রিজ বা আন্ডারপাস ব্যবহার করার মানসিকতা তৈরি করা।

​&#x2b55; শেষ কথা
​রেললাইনের দুর্ঘটনা কোনো রহস্য নয়, এটা এক কঠিন মনস্তাত্ত্বিক বাস্তবতা। এক সেকেন্ডের অসতর্কতা আর মস্তিষ্কের একটি ছোট প্রক্রিয়াজাতকরণ ভুল—এই দুইয়ের মিলেই ঘটে যায় বড় ট্র্যাজেডি। সতর্কতা এখানে শুধু একটি অভ্যাস নয়, এটি জীবন বাঁচানোর একমাত্র বিজ্ঞান।

................................................................
প রি চি তি

লেখক : কবি ও গল্পকার। শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন ৷ সম্পাদনা করছেন-&#039;পলিমাটি&#039;। প্রকাশিত একক গ্রন্থ দুইটি ও যৌথগ্রন্থ- পঞ্চাশের বেশি ৷ 
মেইল : paulpankaj864@gmail.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/241560/</link>
				<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 18:23:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f534; Brain Betrayal: নিজের মস্তিষ্কই যখন শত্রু</p>
<p>​রেললাইনের দুর্ঘটনাগুলো বাইরে থেকে দেখলে অবিশ্বাস্য লাগে—“এত বড় ট্রেন, তাও মানুষ টের পেল না?” কিন্তু সত্যিটা অনেক বেশি কঠিন। এখানে কোনো ভূত বা রহস্য নেই, আছে আমাদের নিজের মস্তিষ্কের সীমাবদ্ধতা। বিজ্ঞানের ভাষায় এটি কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার ফল—যেগুলো একসাথে কাজ করলে মানুষ সত্যিই বিপদ বুঝতে ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-241560"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/241560/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0ed56a0f08c62e465f33393eda2b8204</guid>
				<title>স্বপ্নের স্বাধীনতাকে আমরা কতটা ধারন করেছি? 


১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ—একটি অবিস্মরণীয় দিন , যা কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা নয়, বরং এক গভীর আর্তনাদের প্রতিধ্বনি। তার আগের রাত, পঁচিশে মার্চ, ইতিহাসে শুধু “কালরাত” নামেই চিহ্নিত নয়; এটি ছিল মানবিকতার এক কঠিন পরীক্ষার সময়। চারপাশে যখন আগুন, আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তা ছড়িয়ে পড়ছিল, তখনই অদৃশ্যভাবে গড়ে উঠছিল এক অদম্য সংকল্প—বেঁচে থাকার, মুক্ত হওয়ার, নিজের পরিচয় ফিরে পাওয়ার।
সেই রাতের ভার আজও বাতাসে মিশে আছে, যদিও আমরা তা সবসময় টের পাই না। কারণ সময় আমাদের অনেক কিছু ভুলতে শেখায়, অনেক কিছুকে দূরের গল্পে পরিণত করে। কিন্তু প্রশ্নটা এখানেই—আমরা কি সত্যিই ভুলে যেতে পারি? নাকি আমরা শুধু অনুভব করার দায় এড়িয়ে যাই?

আজ স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর, আমরা এক ভিন্ন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে। প্রযুক্তি, উন্নয়ন, নাগরিক জীবনের ব্যস্ততা, রাজনৈতিক টানপোড়ন ও অস্থিরতা, এক শ্রেণীর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে না জানা, দেশপ্রেমকে ধারণ না করা। সবকিছু আমাদের চারপাশকে বদলে দিয়েছে। কিন্তু এই পরিবর্তনের ভিড়ে, সেই ভয় আর স্বপ্নের সহাবস্থানকে আমরা কতটা মনে রাখি? একটি জাতির জন্ম কখনোই সহজ বা নিঃশব্দ নয়। সেখানে থাকে দ্বন্দ্ব, রক্ত, অশ্রু—আর একই সঙ্গে থাকে এক অদম্য আশার আলো।

আমরা হয়তো আজ নিরাপদ ঘরে বসে সেই সময়ের কথা বলি, লিখি, স্মরণ করি। কিন্তু সেই মানুষগুলো, যারা সেই রাত পার করেছিল, তাদের কাছে স্বাধীনতা কোনো বিমূর্ত ধারণা ছিল না—এটি ছিল প্রতিটি শ্বাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক বাস্তব সংগ্রাম। তাদের ভয় ছিল বাস্তব, তাদের স্বপ্নও ততটাই বাস্তব।
এই জায়গাটাতেই আমাদের আত্মসমালোচনার দরকার আছে। আমরা কি সত্যিই আমাদের বোধের জানালাগুলো খুলেছি? নাকি আমরা শুধু আনুষ্ঠানিকতা পালন করছি? পতাকা উত্তোলন, স্লোগান, সামাজিক মাধ্যমে আবেগ—এসবের বাইরে গিয়ে আমরা কতটা অনুভব করি, কতটা বুঝতে চাই?

স্বাধীনতা কেবল একটি অর্জন নয়; এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এটি প্রতিদিনের চর্চা, প্রতিদিনের দায়বদ্ধতা। যে চেতনা থেকে একটি জাতির জন্ম হয়েছিল, সেই চেতনা ধরে রাখা, লালন করা—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

হয়তো আমরা সেই সময়ের তীব্রতা পুরোপুরি অনুভব করতে পারব না। কিন্তু আমরা চেষ্টা করতে পারি—শুনতে, জানতে, প্রশ্ন করতে। কারণ প্রশ্নহীন স্মৃতি একসময় নিস্তেজ হয়ে যায়, আর নিস্তেজ স্মৃতি কখনোই একটি জাতিকে জীবন্ত রাখতে পারে না।
তাই, আজ প্রয়োজন শুধু স্মরণ নয়, উপলব্ধি। শুধু ইতিহাস জানা নয়, ইতিহাসকে নিজের ভেতরে ধারণ করা। কারণ একটি দেশের সত্যিকারের স্বাধীনতা তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তার মানুষ সেই স্বাধীনতার মূল্য বুঝতে পারে—গভীরভাবে, নিরন্তরভাবে।
..................................................
প রি চি তি
কবি ও গল্পকার। শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন ৷ সম্পাদনা করছেন-&#039;পলিমাটি&#039;।
প্রকাশিত একক গ্রন্থ দুইটি ও যৌথগ্রন্থ- পঞ্চাশের বেশি ৷ মেইল : paulpankaj864@gmail.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240980/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Mar 2026 13:58:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বপ্নের স্বাধীনতাকে আমরা কতটা ধারন করেছি? </p>
<p>১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ—একটি অবিস্মরণীয় দিন , যা কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা নয়, বরং এক গভীর আর্তনাদের প্রতিধ্বনি। তার আগের রাত, পঁচিশে মার্চ, ইতিহাসে শুধু “কালরাত” নামেই চিহ্নিত নয়; এটি ছিল মানবিকতার এক কঠিন পরীক্ষার সময়। চারপাশে যখন আগুন, আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তা ছড়িয়ে পড়ছিল, তখনই অদৃশ্যভাবে গড়ে উঠছিল এ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-240980"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/240980/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">52c2d79a5fe293d7cb73808a89c27d4f</guid>
				<title>পংকজ প্রিয়ম changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/240953/</link>
				<pubDate>Thu, 26 Mar 2026 13:00:47 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>