<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Srijon Media | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/srijonmedia/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/srijonmedia/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Srijon Media.</description>
	<lastBuildDate>Fri, 06 Nov 2026 12:56:42 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">c3bb33df568a05fa5581add6ff06bce4</guid>
				<title>অশিক্ষকের ফাঁদে আমাদের শিক্ষা
এম এ রশিদ
চায়ের দোকান, ধানের মাঠ থেকে শুরু করে দেশ-সমাজের সর্বোত্র মানুষের মুখে মুখে একই কথা ঘুরে ফিরছে, স্কুল-কলেজে ক্লাস হয়না। সেজন্যে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায়না। শিক্ষকরা বলছেন, শিক্ষার্থী না থাকলে পড়াবো কাকে? আবার, সরকার বলছে, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাব। এখানে প্রত্যেকের দাবীই আংশিক হলেও সত্য। যার যার অবস্থান থেকে শুধু সমালোচনা না করে সাধ্যমতো দ্বায়ীত্ব পালন করে এই সমস্যা সমাধানে কিছুটা হলেও অবদান রাখা সম্ভব। যেমনঃ 
চায়ের দোকানে বা ধানের মাঠে অযথা সমালোচনা না করে আপনার সমাজে অবস্থিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি আকর্ষণ করুন। শিক্ষকদের দ্বায়ীত্ববান হতে সহায়তা করুন। এটা আপনার নাগরিক কর্তব্য-অধিকার। শিক্ষকগণ কার্যকর শাসন ও অভিভাবকদের সাথে সংশ্লিষ্টতা বাড়াতে পারেন। প্রধানগণ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শ্রেণি কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন। তাহলে ফাঁকিবাজদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারেন। আর সরকার বাহাদুর শিক্ষকদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারেন। এসব প্রচেষ্টা যে একেবারে হয়না তা নয়। কিন্তু তবুও পরিস্থিতির কোন পরিবর্তন হচ্ছে না। তাই এসবের বাইরে আরও অনুসন্ধান প্রয়োজন।

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার ৯৭% বেসরকারি। বেসরকারি মানে unprivileged অথবা underprivileged।  অর্থাৎ, সুবিধাবঞ্চিত বা কম সুবিধাপ্রাপ্ত। আমরা যে ঘোড়াটাকে কম খাওয়াবো, সেটা কম দৌড়াবে, এটাই স্বাভাবিক। কারণ তার সক্ষমতা দিনদিন কম হয়ে যায়। শিক্ষক-শিক্ষার্থী যখন অবহেলিত, তখন তারাও অবহেলা শিখবে। এটা বিচিত্র কিছুনা। তাই দৌড় প্রতিযোগিতায় পাঠানোর আগে ঘোড়াটাকে উত্তমরুপে খাওয়াতে হবে। 

অশিক্ষক দ্বারা নিকৃষ্ঠভাবে আষ্টেপৃষ্টে বাঁধা আমাদের শিক্ষা। তাই শিক্ষার আলো অশিক্ষার অন্ধকারে বিলিন হয়ে যাচ্ছে নিরন্তর। শিক্ষক দেন শিক্ষা, তাহলে অশিক্ষক দেন কি? এখন বলতে চাই অশিক্ষক দ্বারা আমরা কি বোঝাতে চাচ্ছি। 
১। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে পেশাগতভাবে যুক্ত নন, অথচ কোচিং ও প্রাইভেট বাণিজ্য গড়ে তুলেছেন। এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ অশিক্ষক। শিক্ষার্থীদের ক্লাসবিমুখ করার জন্যে এই ধরেণর  অশিক্ষকরা ভিষণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। না পড়ে পাশ করার বিভিন্ন কৌশল যেমনঃ ম্যাজিক পদ্ধতি শেখাচ্ছেন, যা মাছ ধরা চারের মতো কাজ করে। তাদের কয়েকজনকে আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিই। বিচারের দ্বায়ীত্ব আপনাদের।
ক একজন স্বাস্থ্য কর্মি কিন্তু নামকরা প্রাইভেট টিউটর;
খ একজন অর্ধশিক্ষিত পেশাহীন অথচ স্নাতক পর্যন্ত ইংরেজি পড়ান;
গ একজন 
২। এক বিষয়ের বা লেভের শিক্ষক হয়ে যারা অন্য বিষয়ে বা লেভেলে পড়ান, হোক সে ক্লাস অথবা কোচিং বা প্রাইভেট, তারা সংশ্লিষ্ট বিষয় ছাড়া অন্য সকল বিষয়ের অশিক্ষক। ধরা যাক, ক দেশের একজন সেরা বাংলা শিক্ষক। এখন তিনি যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, তিনি ইংরেজি বা অন্য কোন বিষয় পড়াবেন, আমরা বলবো, তিনি অশিক্ষক হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, তিনি নিজ বিষয়ের মহাসমুদ্র পাড়ি দিতে পারলেও, অন্য বিষয়ের কিনারা পার হতে সক্ষম নন। তিনি ভাবতে পারেন, আমি সব জানি। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। তার এমন মনে হবার কারণ হলো, তিনি এই সাগরে কখনো নামেননি। তাই একে অগভীর মনে হচ্ছে। বস্তুত, তারাই শিক্ষার বাণিজ্যিক রুপ দিয়েছে। কারণ, নিজ বিষয়ে বাণিজ্য করা যায়না ছাত্র পাওয়া যায় না। ফলে তারা নিজেদের স্বার্থে শিক্ষার্থীদের মেধা আর ভবিষ্যত নিয়ে ছিনি খেলে যাচ্ছেন। ছোট ক্লাস এক প্রকারে না হয় মানা গেলো।  কিন্তু এইচ এসসি বা স্নাতক স্নাতকের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসে এটা কিভাবে চলতে পারে? এখানে তো বিষয় বিশেষজ্ঞ শিক্ষকরাও হিমসিম খান। তাদেরও নানা ধরণের ট্রেনিং করানো হয়। আর বিষয় শিক্ষাহীন, প্রশিক্ষণহীন এসব অশিক্ষকগন টিকে আছেন শুধুমাত্র ভেল্কিবাজি করে। 
সবচেয়ে বড় ক্ষতি এই যে, তারা কখনো কোন গভীর বিষয়ে পাঠদান করতে সক্ষম না। তাই শিক্ষার্থীদের কাছে এদের পড়া সহজ লাগে। কিন্তু ক্লাসের বিষয় বিশেষজ্ঞ শিক্ষকের পাঠদান তাদের কাছে কঠিন লাগে। কারণ, শিক্ষক প্রয়োজনে গভীর আরও গভীরে প্রবেশ করেন। তাই যারা অশিক্ষকের ফ্যান খেয়ে অভ্যস্ত, তারা শিক্ষকের ভাত, কোরমা পোলাও খেতে রাজি থাকেনা। তাই ক্লাসে উপস্থিতি কমতে থাকে। আজকের সমগ্র বাংলাদেশের শিক্ষা এই প্রাণঘাতি রোগে আক্রান্ত। যার ফল আমরা দেখতে পাচ্ছি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ৯৪% ফেল, আর আন্তর্জাতিক মানদন্ডে আমাদের উচ্চমাধ্যমিক পাস শিক্ষার্থীরা সপ্তম শ্রেণির সমান!!&#x1f602;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282443/</link>
				<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 02:01:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অশিক্ষকের ফাঁদে আমাদের শিক্ষা<br />
এম এ রশিদ<br />
চায়ের দোকান, ধানের মাঠ থেকে শুরু করে দেশ-সমাজের সর্বোত্র মানুষের মুখে মুখে একই কথা ঘুরে ফিরছে, স্কুল-কলেজে ক্লাস হয়না। সেজন্যে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায়না। শিক্ষকরা বলছেন, শিক্ষার্থী না থাকলে পড়াবো কাকে? আবার, সরকার বলছে, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাব। এখানে প্রত্যেকের দাবীই আংশিক হলেও স&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282443"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282443/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9dbee511e2d18c315e4cf9b4503c43ea</guid>
				<title>শিশুদের জন্য ছড়া গান
ফুল, ফুল ও বকুল..
কথা ও সুর: এম এ রশিদ

ফুল, ফুল ও বকুল
ঝরে পড়ো না
তুমি আমি সই হবো
মান করো না।।

তুমি যদি ডালে থাকো
থাকো এতো দূরে
ছোট্ট এ হাত দিয়ে 
ধরব কি করে?
তাই বলি নিচে এসে
ধরা দাও না..
তুমি আমি...।। 

তুমি যদি মালা হও
গলে পরে নেব
তুলতুলে হাত দিয়ে
সোহাগ যে দেব
তাই বলি নিচে এসে 
ধরা দাও না... 
তুমি আমি...।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277976/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 13:25:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শিশুদের জন্য ছড়া গান<br />
ফুল, ফুল ও বকুল..<br />
কথা ও সুর: এম এ রশিদ</p>
<p>ফুল, ফুল ও বকুল<br />
ঝরে পড়ো না<br />
তুমি আমি সই হবো<br />
মান করো না।।</p>
<p>তুমি যদি ডালে থাকো<br />
থাকো এতো দূরে<br />
ছোট্ট এ হাত দিয়ে<br />
ধরব কি করে?<br />
তাই বলি নিচে এসে<br />
ধরা দাও না..<br />
তুমি আমি&#8230;।। </p>
<p>তুমি যদি মালা হও<br />
গলে পরে নেব<br />
তুলতুলে হাত দিয়ে<br />
সোহাগ যে দেব<br />
তাই বলি নিচে এসে<br />
ধরা দাও না&#8230;<br />
তুমি আমি&#8230;।। </p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ad3a7da97aabdf192323571301af86f8</guid>
				<title>ধিক
এম এ রশিদ
২২.০৯.২০২৬

শুনলাম
পাহাড়ি বনে
পড়েছিল নির্জনে
নির্লজ্জ- নৃশংসতায়
নিহত শিশুর নিথর লাশ
যেখানে তোর আজন্ম বাস
রাতের আঁধারে তুই নাকি সেটা
কামড়ে খুবলে ক্ষতবিক্ষত করেছিস
তোর  ঘরে ও তো ছিল তোর মেহমান
কিরে শিয়াল! তুইও কি তবে মানুষের মত
নির্দয়, পাষণ্ড আর অমানুষ পশু হয়ে গেছিস?
তাহলে তোর পাণ্ডিত্য  আজ চিরতরে  ভূলুণ্ঠিত ! 
ধিক! তোকে শতধিক! ধিক! ধিক! তোকে শতধিক!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276913/</link>
				<pubDate>Tue, 22 Sep 2026 05:12:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধিক<br />
এম এ রশিদ<br />
২২.০৯.২০২৬</p>
<p>শুনলাম<br />
পাহাড়ি বনে<br />
পড়েছিল নির্জনে<br />
নির্লজ্জ- নৃশংসতায়<br />
নিহত শিশুর নিথর লাশ<br />
যেখানে তোর আজন্ম বাস<br />
রাতের আঁধারে তুই নাকি সেটা<br />
কামড়ে খুবলে ক্ষতবিক্ষত করেছিস<br />
তোর  ঘরে ও তো ছিল তোর মেহমান<br />
কিরে শিয়াল! তুইও কি তবে মানুষের মত<br />
নির্দয়, পাষণ্ড আর অমানুষ পশু হয়ে গেছিস?<br />
তাহলে তোর পাণ্ডিত্য  আজ চিরতরে  ভূলুণ্ঠ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276913"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276913/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3d456306e014fef08ad76e4b7a2a92dc</guid>
				<title>সভ্য হলো নিখিল ভূবন
— এম এ রশিদ
বিশ্বের মানচিত্রে একটি দেশ বাংলাদেশ। আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। আয়তনে অতি ক্ষুদ্র। তথাপি ক্ষুদ্র নয় এর ইতিহাস-ঐতিহ্য। বরং জগতের অনেক অনেক দেশের চেয়ে অনেক সমৃদ্ধ এর জাতিগত স্বকীয়তা। শুধু বাংলাদেশ নয়, অবিভক্ত ভারতের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধে মুগ্ধ হয়েছে বিশ্বের অনেক দেশের মানুষ। তাই হয়তো আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর গানে লিখেছেন,
“এই দেশেরই ধূলি মেখে এই দেশেরই আচার দেখে
সভ্য হলো নিখিল ভূবন দিব্য পরিপাটি।”
কবির এ কথায় প্রতীয়মান হয় যে, আমাদের সভ্যতা উন্নত এবং স্বকীয় সভ্যতা, যা বিশ্ববাসীর কাছে হয়েছিল সমাদৃত, এমনকি অনুসরণীয়। কিন্তু নানামুখী সমস্যার সম্মুখীন আজ আমাদের সভ্যতা-সংস্কৃতি।
আমাদের মূল্যবোধে এসেছে অভূতপূর্ব সব পরিবর্তন। অনেক আচার-আচরণ দেখে বোঝা ভার হয়ে ওঠে, আসলে আমাদের আদৌ কোনো সামাজিক মূল্যবোধ আছে কি না। বিশেষ করে যুবসমাজের মধ্যে বিরাজমান অপসংস্কৃতি আর অসভ্যতা ভাবিয়ে তোলে সুস্থ বিবেকবান যেকোনো ব্যক্তিকেই।
একজন যুবকের কথা বলি, যার নাম ক বা খ, যে আমাদেরই অতি পরিচিত কেউ। এই যুবকের জন্ম কোনো হিন্দু বা মুসলিম বাঙালি পরিবারে। অথচ বাঙালি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে তার চালচলনের বেশির ভাগই অমিল। তবে যেকোনো পরিবর্তনই কিন্তু খারাপ নয়। ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আশা করি কেউই আপত্তি তুলবে না। তাই উক্ত যুবকের মধ্যে যে সমস্ত নেতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যেতে পারে, আমরা তার কয়েকটি তুলে ধরছি।
এক, প্রকাশ্যে ধূমপান করতে এই যুবক একবারও ভাবে না কে বড় আর কে ছোট। এমনকি পিতা-মাতার সামনেও সে ধূমপান করতে কুণ্ঠাবোধ করে না। কারণ, এটি যেন তার অস্তিত্বের অংশ; জীবনের আস্বাদন; স্মার্টনেস, ইউথ আর ফ্যাশন প্রকাশের অন্যতম বাহন।
দুই, পাশ্চাত্যধাঁচের পোশাক, চুলে জেল মেখে সজারু-কাঁটার ন্যায় খাড়া করা, দাড়ির অর্ধেকটাই লম্বা কলির দখলে, নিচের ঠোঁটের মাঝ বরাবর নুকতা-আকৃতির দাড়ি, হাতে সিঙ্গেল চুড়ি (ইংরেজিতে ব্রেসলেট), কানের ভেতর সেধানো আছে ইয়ারফোন। এছাড়া তার হাতের মোবাইল ফোন নামক যোগাযোগযন্ত্রটি ব্যবহৃত হচ্ছে কোনো তরুণী বা যুবতীকে উত্যক্ত করার কাজে, নতুবা অডিও বা ভিডিও প্লেয়ার হিসেবে এবং তাতে অবিরাম চলছে পপ, রক, ব্যান্ড, হিন্দি বা ইংরেজি গান। তবে এ যন্ত্রটির বেশি সমাদর নানান অশ্লীল স্থির বা সচল ছবি দেখার কাজে।
তিন, মাদক গ্রহণও এই যুবকের রুটিন ওয়ার্কের মধ্যে পড়ে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সে তা করে লোকচক্ষুর অন্তরালে। কারণ অবশ্য সামাজিক মূল্যবোধ নয়, বরং আইনগত জটিলতা। তথাপি আজকাল অনেক এলিট পরিবারে অল্পস্বল্প নেশা গ্রহণকে স্ট্যাটাস হিসেবে গণ্য করা হয়। আর এটি ঘটেছে মূলত তাদের পাশ্চাত্যধাঁচের প্রগতিশীল শিক্ষা এবং ফ্যামিলি হেরিটেজের কল্যাণে।
অতঃপর, স্কুল-কলেজ-পড়ুয়া ছাত্রীদের উত্যক্তকরণে এই যুবকের জুড়ি মেলা ভার। কারণ, অপজিটকে উত্যক্ত করার মধ্যেই সে খুঁজতে চায় প্রকৃত হিরোইজমের অমৃত স্বাদ। আর একে কেন্দ্র করে অ্যাসিড নিক্ষেপ, ধর্ষণ বা খুনের মতো বড় বড় অপরাধ সংঘটনেও তার বুক কাঁপে না। এমনকি তার উৎপীড়ন থেকে নিরাপদ নয় বালিকার অভিভাবকরাও।
নানান অপরাধকর্মে জড়িত এ যুবকের কাছে নেই ন্যায়-অন্যায়ের ভেদাভেদ। সে শুধু জানে ভোগ-বিলাসী অ্যান্টি-হিরো লাইফ, যেখানে সে কারও না, কেউ তার না। তার না আছে অভিভাবক, না আছে অভিভাবকত্ব। সে স্বাধীন, বন্ধু-বন্ধনহীন, স্বেচ্ছাচারী, দায়-দায়িত্বহীন। আজ আমাদের সমাজে এরূপ লাগামহীন যুবকের সংখ্যা সঠিকভাবে নিরূপণ করা সত্যিই কঠিন।
আবার ওয়েস্টার্নাইজড হওয়ার প্রতিযোগিতায় যুবকদের চেয়ে কোনো অংশে পিছিয়ে নেই যুবতীরাও। শহর-গ্রাম নির্বিশেষে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গামী ছাত্রীদের প্রায়ই দেখা যাচ্ছে আঁটসাঁট জিনসের প্যান্ট পরতে। আবার গায়ের জামাটি দৃষ্টিকটু হবার মতো যথেষ্ট টাইট আর খাটো এবং ওড়নাটিও নামমাত্র পরা। আসলে সব কিছুর আড়ালে রয়েছে পশ্চিমা ঢঙে অপজিটের চোখে পড়ার অপচেষ্টা। যদিও এদের কেউ কেউ বিলুপ্তপ্রায় ধর্মীয় সংস্কার অনুসরণে বোরকা পরে, তাদের বোরকাটিও এতই টাইট, চোখা এবং এমন কাপড়ে তৈরি যে, তাতে ধর্মের চেয়ে ফ্যাশনের উদ্দেশ্যই বেশি পূরণ হয়। এছাড়াও পুরুষালি কাটিংয়ের চুলও তাদের অবাঙালি রুচির শক্তিশালী প্রমাণ। সব মিলিয়ে অসভ্যতার ছড়াছড়ি।
শুধু যুবসমাজই নয়, আজ আমাদের আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সকল স্তরেই এরূপ লাগামহীনতা কমবেশি লক্ষণীয়। যেমন, বিগত কয়েক বছরে এ দেশের বেশ ক’জন নিরপরাধ শিশুকে জীবন দিতে হলো মায়ের পরকীয়ার কারণে। অথচ সর্বজনবিদিত কথা এই যে, মায়ের আঁচল শিশুর স্বর্গ; সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়। আর এ ক্ষেত্রে বাঙালি মায়েদের ঐতিহ্য তুলনাবিহীন।
এমনকি আমাদের শিশুরাও মুক্ত নয় ভিনদেশি সংস্কৃতির তাণ্ডব থেকে। তাই নিজের অজান্তেই অনেক শিশু গেয়ে উঠছে পরিবেশ থেকে শেখা কোনো আবেদনময় পপ, রক, ব্যান্ড কিংবা হিন্দি অথবা ইংরেজি গানের কলি, যদিও সে জানতেই পারেনি এ গানের অর্থ কী। তাহলে এই শিশুটি যেদিন শিশু থেকে তরুণ, তরুণ থেকে যুবক এবং বৃদ্ধ হবে, সেদিন কি সংস্কৃতি ও অপসংস্কৃতির মাঝে পার্থক্য নিরূপণ করার মতো আর কেউ থাকবে?
এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে সমাজ-সংস্কৃতিতে উপরিউক্ত ভয়ঙ্কর বিষয়গুলি বিদ্যমান, সে সমাজের আচার দেখে কীভাবে
“সভ্য হলো নিখিল ভূবন”
কবির এ দাবি সত্য হতে পারে? উত্তর এই যে, এ সমস্ত ক্ষতিকর ভাইরাসগুলি আমাদের সমাজ-সংস্কৃতিতে আদৌ ছিল না। বরং মানবিকতার হাজার গুণে মহিমান্বিত ছিল আমাদের সামাজিক আচার-বিধি। আর তাই কবি বুক ফুলিয়ে গাইতে পেরেছিলেন,
“এই দেশেরই ধূলি মেখে এই দেশেরই আচার দেখে
সভ্য হলো নিখিল ভূবন দিব্য পরিপাটি।”
তাহলে আমাদের সমাজে এসব ভাইরাস এলো কীভাবে? উত্তর কিন্তু অতি সাধারণ, সংক্ষিপ্ত—“Cultural assault”।
“Cultural assault” ইংরেজি শব্দের অর্থ “সাংস্কৃতিক আগ্রাসন”। সুদীর্ঘ ঔপনিবেশিক শাসনের কারণে আমাদের সমাজে কিছু পরিবর্তন এসেছিল সত্য, কিন্তু তার চেয়েও মারাত্মক প্রভাব বিস্তার করেছে বিশ্বায়ন এবং বিশ্বব্যাপী প্রচারিত ইলেকট্রনিক মিডিয়া। স্যাটেলাইট টেলিভিশন ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে অতি সহজেই আমাদের পরিচিতি ঘটছে বহুজাতিক সংস্কৃতির সঙ্গে। এছাড়া মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সংযোগ চালু হওয়ার ফলে অনেক কিছু এখন হাতের নিকটে পৌঁছে গেছে। এসবের অনেক ভালো দিক থাকা সত্ত্বেও আজকের যুবসমাজ মেতে উঠেছে এদের থেকে পাওয়া নগ্নতা আর অশ্লীল অপসংস্কৃতি নিয়ে। এতে আমাদের সংস্কৃতি দিন দিন স্তিমিত হচ্ছে এবং এরই ধারাবাহিকতায় আমরা হারাচ্ছি আমাদের অমূল্য রত্ন—সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ; ফলে আমরা সব কিছুই নীরবে মেনে নিতে শিখছি। তাই জীবন হয়ে উঠছে লাগামহীন আর জাতি হিসেবে আমাদের ভিত্তিও ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়ছে, যার অমোঘ নিয়তি পরাজয় এবং পরাধীনতা, যেমনটি বিশ্ববিখ্যাত আফ্রিকান ঔপন্যাসিক Chinua Achebe তাঁর Things Fall Apart উপন্যাসে তুলে ধরেছেন।
দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমাদের আচার দেখে “সভ্য হলো নিখিল ভূবন”, কিন্তু বহুজাতিক আচার দেখে আমরা হয়ে যাচ্ছি অসভ্য, পরাজিত এবং পরাধীন। তাই আমাদের হৃতগৌরব ফিরিয়ে আনার জন্য সচেতনভাবে নিরলস সংগ্রাম করতে হবে সবাইকে ঠিক এ মুহূর্ত থেকেই। অন্যথায়—</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276670/</link>
				<pubDate>Mon, 21 Sep 2026 14:04:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সভ্য হলো নিখিল ভূবন<br />
— এম এ রশিদ<br />
বিশ্বের মানচিত্রে একটি দেশ বাংলাদেশ। আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। আয়তনে অতি ক্ষুদ্র। তথাপি ক্ষুদ্র নয় এর ইতিহাস-ঐতিহ্য। বরং জগতের অনেক অনেক দেশের চেয়ে অনেক সমৃদ্ধ এর জাতিগত স্বকীয়তা। শুধু বাংলাদেশ নয়, অবিভক্ত ভারতের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধে মুগ্ধ হয়েছে বিশ্বের অনেক দেশের মানুষ। তাই হয়তো আমাদের জাতীয় কবি কা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276670"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276670/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3f60e315a02f2f91613a49760194fbd7</guid>
				<title>ঠিক, বেঠিক

—এম এ রশিদ
১৯.০৯.২০২৬

বাংলা, ইংরেজি, আরবি কিংবা যেকোনো ভাষার বিচার-বিশ্লেষণ ও বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ন-পদ্ধতিকে বলা হয় Linguistics বা ভাষাতত্ত্ব। Cambridge Advanced Learner’s Dictionary-তে Linguistics-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে—“the systematic study of the structure and development of language in general or of particular languages”। অর্থাৎ ভাষার গঠন, বিকাশ ও বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের পদ্ধতিগত অধ্যয়নই ভাষাতত্ত্বের বিষয়।

তাই বলে ব্যাকরণ আর ভাষাতত্ত্বকে এক মনে করা ঠিক হবে না। এ দুয়ের পার্থক্য মূলত পরিধির। ভাষাতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ভাষার প্রায় সব দিক; অপরদিকে ব্যাকরণে ভাষার নির্দিষ্ট কিছু কাঠামোগত ও ব্যবহারিক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। সে অর্থে ব্যাকরণ ভাষাতত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বানান ও উচ্চারণ ভাষার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয়। মানবসভ্যতার ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, মানুষ লিখতে শেখার অনেক আগেই কথা বলতে শিখেছিল। ফলে ভাষার প্রাথমিক রূপে উচ্চারণই ছিল মুখ্য। পরবর্তীকালে মানুষ যখন ভাষাকে লিখিত রূপ দিতে শুরু করল, তখন বানানের প্রয়োজন দেখা দিল। উচ্চারিত শব্দকে লিখিতভাবে প্রকাশ করার জন্যই গড়ে উঠল বানানব্যবস্থা। তবে বানান সব সময় সম্পূর্ণরূপে উচ্চারণের ওপর নির্ভরশীল নয়; ভাষার ইতিহাস, প্রচলন, ব্যুৎপত্তি ও লিখনরীতিও বানান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবু উচ্চারণ ও বানানের সম্পর্ক যে গভীর, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।

আরবিতে বানান বা হরফের সামান্য পরিবর্তনেই শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে। যেমন قلب শব্দের অর্থ ‘অন্তর’ বা ‘হৃদয়’; আর كَلْب অর্থ ‘কুকুর’। কী সাংঘাতিক ব্যাপার! বলতে গেলাম, ‘তুমি আমার অন্তর’; অথচ বানান বা হরফের ভুলে হয়ে গেল—‘তুমি আমার কুকুর!’

আবার قُلْ অর্থ ‘বল’, আর كُلْ অর্থ ‘খাও’। বলতে গেলাম, ‘আমি তোমাকে বলব’; কিন্তু ভুল লিখে ফেললে অর্থ দাঁড়াতে পারে—‘আমি তোমাকে খাব!’ হায়রে কপাল! এখন তো সম্পর্ক টেকানোই দায়! অতএব, বানানের ব্যাপারে সাবধান হতেই হবে।

ইংরেজিতেও বানানের ভুল অনেক সময় বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। যেমন heart মানে হৃদয়, আর hearth মানে অগ্নিকুণ্ড বা চুলার স্থান। কাউকে বলতে গেলাম, ‘তুমি আমার হৃদয়ে আছো’; লিখলাম—You are in my hearth. কী হলো বলুন তো? ‘তুমি আমার চুলায় আছো!’ ব্যস, এটুকুই যথেষ্ট!

আবার bird মানে পাখি, আর bard মানে কবি। Thank অর্থ ধন্যবাদ, আর tank অর্থ ট্যাংক বা জলাধার। Hair অর্থ চুল, heir অর্থ উত্তরাধিকারী এবং hare অর্থ খরগোশ। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে, বানানের সামান্য ভুলও কখনো কখনো অর্থকে একেবারে অন্যদিকে নিয়ে যেতে পারে।

এমনকি ইংরেজি শব্দের বানানের সামান্য পরিবর্তনের কারণে শব্দের word class বা পদ-পরিচয়ও বদলে যেতে পারে। যেমন cloth noun, কিন্তু clothe verb; bath noun, আর bathe verb। ফলে বাক্যে যেখানে যে শব্দের প্রয়োজন, সেখানে সঠিক বানান ও সঠিক শব্দটি ব্যবহার করতেই হবে। অন্যথায় বাক্যের অর্থ কিংবা ব্যাকরণ—দুটিই বিঘ্নিত হতে পারে।

এবার আসি বাংলার প্রসঙ্গে।

বাংলা ভাষায় একই বা কাছাকাছি উচ্চারণের অনেক শব্দ রয়েছে, যাদের বানান ও অর্থ ভিন্ন। যেমন কাল শব্দের অর্থ ‘সময়’, আবার কালো অর্থ কালো রঙের। ভাল শব্দটি আবার ভিন্ন প্রসঙ্গে ‘কপাল’ অর্থেও ব্যবহৃত হতে পারে, যদিও আধুনিক প্রমিত বাংলায় ‘ভাল’ সাধারণত ‘উত্তম’ অর্থেই ব্যবহৃত হয়। ফলে একই বা কাছাকাছি উচ্চারণের শব্দের ক্ষেত্রে বানানের প্রতি সতর্ক না হয়ে উপায় নেই।

তবে কিছু শব্দ আছে, যাদের বানানে সামান্য এদিক-সেদিক হলেও অর্থের খুব বড় পরিবর্তন নাও ঘটতে পারে; কখনো আবার বানানটি প্রমিত রীতির বাইরে চলে যায়। যেমন ঘি—এখানে ‘ঘী’ লেখার প্রয়োজন নেই। কেউ তো ‘ঘি’ শব্দটি দীর্ঘ ‘ঈ’ ধ্বনি দিয়ে উচ্চারণ করেন না! একইভাবে ঊষা, দূর, দীর্ঘ ইত্যাদি শব্দে ই-ঈ বা উ-ঊ ব্যবহারের বিষয়টি কেবল উচ্চারণ দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না। এখানে প্রচলিত বানানরীতি, শব্দের ইতিহাস ও প্রমিত বানানবিধিই মুখ্য।

অর্থাৎ, ই, ঈ, উ, ঊ-এর এই বিড়ম্বনা আমরা যুগ যুগ ধরে পোহাচ্ছি কেন—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে ভাষার ইতিহাস ও বানানরীতির দিকেও তাকাতে হবে।

আর চন্দ্রবিন্দু? সেখানেও আমাদের মজার এক জগৎ আছে।

যখন আমরা নাসিক্য উচ্চারণ করছি না বা করার প্রয়োজন নেই, তখনও কোথাও কোথাও চন্দ্রবিন্দু ব্যবহারের প্রশ্ন ওঠে। যেমন হাঁস একটি প্রাণী, আর হাস হলো ‘হাসা’ ক্রিয়ার রূপ। এখানে বেচারা চন্দ্রবিন্দুর বেশ একটা উদ্দেশ্য আছে বৈকি!

কিন্তু চাঁদ শব্দটি উচ্চারণের সময় নাসিক্যতার মাত্রা নিয়ে আমরা যতই তর্ক করি না কেন, চন্দ্রবিন্দু বাদ দিলে কি অর্থের কোনো মহামারি বা করোনার মতো অতিমারি দেখা দেবে? আর গোঁফের কথাই বা কী বলব! পুরুষের মুখের ওপর গোঁফ নিজেই তো একটা চন্দ্রবিন্দুর মতো—শুধু একটু উল্টো হয়ে থাকে, এই যা!

তারপরও চন্দ্রবিন্দুকে আমার বেশ ভালোই লাগে। কারণ, এটি দিলে যেন শব্দটাকে গয়না পরানো হয়। চাঁদের ওপরে আরেকটা চাঁদ! দেখতে দারুণ লাগে। মাঝে মাঝে আক্ষেপ হয়—যদি ইচ্ছেমতো যথেচ্ছভাবে চন্দ্রবিন্দু লাগানো যেত!

অনেকদিন আগে বাংলা ভাষার অভিভাবকসুলভ প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমির একটি বিজ্ঞপ্তি আমার চোখে পড়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে লেখকেরা অমুক অমুক শব্দের বানান অমুকভাবে লিখছেন; তাই প্রচলিত বানানের পরিবর্তে নির্দিষ্ট বানানগুলো গ্রহণ করা হলো। এমন পরিবর্তন দেখে সত্যিই মনে হয়—ই, ঈ, উ, ঊ-এর জটিলতায় যেতে মন আর সাড়া দিতে চায় না!

তবে ভাষা তো স্থির কোনো বস্তু নয়। মানুষের মুখে মুখে, লেখায় লেখায়, প্রয়োজনে ও ব্যবহারে ভাষা প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত ও বিকশিত হয়। বানানরীতিও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ভাষাকে জীবন্ত রাখতে হলে একদিকে যেমন প্রমিত বানান ও ব্যাকরণ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে, অন্যদিকে তেমনি অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমিয়ে ভাষাকে সহজ, স্বাভাবিক ও ব্যবহারবান্ধব করার কথাও ভাবতে হবে।

পরিশেষে বলতে চাই, প্রাণের বাংলা ভাষাকে আরও সুন্দর, সমৃদ্ধ ও জনপ্রিয় করতে হলে তাকে মানুষের জন্য সহজ ও স্বাভাবিক করে তোলা প্রয়োজন। কিন্তু কে নেবে এই গুরুদায়িত্ব?

নজরুলের ভাষায় বলেই শেষ করি—

“আমরা যদি না জাগি মা,
কেমনে সকাল হবে?”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276361/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 16:33:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঠিক, বেঠিক</p>
<p>—এম এ রশিদ<br />
১৯.০৯.২০২৬</p>
<p>বাংলা, ইংরেজি, আরবি কিংবা যেকোনো ভাষার বিচার-বিশ্লেষণ ও বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ন-পদ্ধতিকে বলা হয় Linguistics বা ভাষাতত্ত্ব। Cambridge Advanced Learner’s Dictionary-তে Linguistics-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে—“the systematic study of the structure and development of language in general or of particular languages”। অ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276361"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276361/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b99b2a501078dc6cfa06ddbe2a080bcb</guid>
				<title>মিনতি(গীতিকবিতা)
এম এ রশিদ
২০. ০৯. ২৬
মিনতি করি সবার কাছে
এই কথা জানাই
বাংলার আকাশ আর না যেন
অন্ধকারে ছায়।।

লাখো শহীদের রক্তে গড়া
আমার বাংলাদেশ
কোটি মানুষের ভালোবাসায়
সিক্ত সোনার দেশ
চাইনা আসুক অশান্তি আর
সোনার এ বাংলায়।।

নদী- মাতা এই সোনার দেশটা
জন্মভূমি আমার
শুদ্ধ বাতাস, মুক্ত আকাশ
আমার অধিকার
চাইনা ঝরুক রক্ত আরও 
সোনার এ বাংলায়।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276111/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 06:58:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মিনতি(গীতিকবিতা)<br />
এম এ রশিদ<br />
২০. ০৯. ২৬<br />
মিনতি করি সবার কাছে<br />
এই কথা জানাই<br />
বাংলার আকাশ আর না যেন<br />
অন্ধকারে ছায়।।</p>
<p>লাখো শহীদের রক্তে গড়া<br />
আমার বাংলাদেশ<br />
কোটি মানুষের ভালোবাসায়<br />
সিক্ত সোনার দেশ<br />
চাইনা আসুক অশান্তি আর<br />
সোনার এ বাংলায়।।</p>
<p>নদী- মাতা এই সোনার দেশটা<br />
জন্মভূমি আমার<br />
শুদ্ধ বাতাস, মুক্ত আকাশ<br />
আমার অধিকার<br />
চাইনা ঝরুক রক্ত আরও<br />
সোনার এ বাংলায়।।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">822c9e351fd11d6b923594bc154658a7</guid>
				<title>ও যেন ভাল থাকে
-এম এ রশিদ

ওরা দুইজন, ছেলে মেয়ে দুইজন আর শাশুড়িকে নিয়ে পাঁচ জনের সংসারে প্রতিদিনের আয় পয়ত্রিশ টাকা। তাও আবার অনিয়মিত। কৃষি শ্রমিকের কাজ তো আর প্রতিদিন বয় না। 

আজ হঠাৎ তার বিধবা বউটা খোঁজে খোঁজে আমার কাছে এসেছিলো। দুঃখ পেলাম ঢের যখন জানলাম গত মাস দুই আগে সে গত হয়েছে। 

প্রতি শুক্রবারে আমার কাছে আসতো বেচারা। বাড়ির গেটে দাড়িয়ে ওস্তাদ বলে হাঁক ছাড়তো। আমি বেরিয়ে আসা মাত্রই হাসি মুখে দুষ্টুমি ভরা আব্দার -
“ওস্তাদ সারা সপ্তার টাকা একবারে দ্যাও। যেদিন সকালে তোমার সাথে দেখা করে যাই, তুমি দুই পাঁচ টাকা দ্যাও, সেদিন আমার ব্যবসা ভাল হয়। আজকাল শুক্কুরবার ছাড়া তুমার দেখা পাইনে।”

সবাই তাকে জানা বলে ডাকত। কিন্তু তার আসল নাম ছিল সম্ভবতঃ কাউসার।  ছোটখাটো মানুষটার জামা জুতো সমেত সর্বোচ্চ ওজন ছিল বত্রিশ- তেত্রিশ কেজি। কোন মতেই তার বেশি নয়। অতিশয় দুর্বল দেহ নিয়ে কোন রকম বেঁচে থাকা। আমাদের বাড়ি থেকে এক গাঁ দূরে কমলাপুরের ঘর জামাই। সে আমাকে ওস্তাদ বলে ডাকত। তার একটা কারণ আছে।

আমি তখনও ছাত্র ওকে একবার কাজে নিয়েছিলাম। পয়ত্রিশ টাকা হাজিরায় হলুদ তোলার জন্যে। হাতে একটা কাঁচি আর মাথায় একটা বাঁশ-বুননের মাথাল নিয়ে মন্থর গতিতে তার সেই হেটে আসা স্মৃতিতে স্থায়ী হয়ে আছে।

একদিন তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, “তোমার সংসারে কয়জন মানুষ দাদা?” ও বলেছিল, “শাশুড়ি সহ পাঁচ জন।” আমি শুনে হতবাক হয়ে আবার জিজ্ঞেস করলাম, “পয়ত্রিশ টাকায় পাঁচ জনের চলে?” “আল্লাহ যেভাবে চালায়।” ও বলেছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে ওই টাকায় তখন আমার হাত খরচই হয় না। তাই আমার বিস্ময়ের সিমা রইল না। আমি ওকে বল্লাম, “তোমার এ কাজ ছেড়ে দেয়া উচিৎ।” “তাহলে কি করে খাবো?” “আমরা তোমায় সাহায্য করতে পারি।”
“না, আমি কারো সাহায্য নিতি রাজি না। কষ্ট করবো সমস্যা কি?”

তারপর তার আর খোঁজ নেই। যেদিন আসল, সেদিন তার দেখার হাল নেই। চোখ দুটো গর্তের ভেতর বসে গেছে। হাটতে পারছে না ঠিকমতো। ক্ষিণ গলার স্বর বোঝা যাচ্ছে না। কয়েকদিন ধরে বেচারা অসুখে পড়েছিল। ঘরে খাবারের কোন ব্যবস্থা নেই। তাই অতি কষ্টে আমার কাছে এসেছে। সব শুনে আমি তাকে মায়ের কাছ থেকে কিছু চাউল নিয়ে ওকে দিলাম। সঙ্গে কিছু টাকাও দিলাম। এভাবে আরও দু তিন দিন আসার পর বাড়ির পাশে আমার কাজিন এর দোকান ঠিক করে দিলাম।  ওখান থেকে ও আমার নামে চাউল নিয়ে যেত।

তারপর একদিন ইচ্ছে করেই ওকে বল্লাম, “ দাদা আমি ছাত্র মানুষ, আমি একা তো এভাবে নিয়মিত দিয়ে পারব না। তুমি বরং আরও দু’একজনের কাছে চাও।” “ কার কাছে চাবো? আমার খুব লজ্জা করে।” “ লজ্জা করবে কেন? তুমি যাদের কাজ করতে, তারা সবাই তোমাকে ভালবাসে।”

সেই থেকে শুরু। এইটুকু পরামর্শের জন্যে সে আমাকে কতবার কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে তার ঠিক নেই। ওস্তাদ ছাড়া ডাকতনা ও আমায়। 

মাঝে মাঝে বলতো, “ওস্তাদ কাল খুব ভাল ইমকাম হইলো। দুইশ নগদ টাকা, পাঁচ ছয় কেজি চাইল” অথবা “ ওস্তাদ অমুক এলাকার একটা ছেলে বা মেয়ে আসত না তুমার কাছে পড়তি? তার সাথে দেখা হইলো। আমার চাইল দিইল, টাকা দিইল।”
আমি আসলে চেয়েছিলাম যে, কাজ করার সামর্থ্য যার নেই, সমাজ তাকে সাহায্য করুক। ওর কথায় বুঝতাম আমার সেই ভাবনাটা ওর ক্ষেত্রে সফল হয়েছিল। 
ও আজ নেই শুনে কষ্ট হচ্ছে অনেক। ও যেন ভাল থাকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275694/</link>
				<pubDate>Fri, 18 Sep 2026 20:28:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ও যেন ভাল থাকে<br />
-এম এ রশিদ</p>
<p>ওরা দুইজন, ছেলে মেয়ে দুইজন আর শাশুড়িকে নিয়ে পাঁচ জনের সংসারে প্রতিদিনের আয় পয়ত্রিশ টাকা। তাও আবার অনিয়মিত। কৃষি শ্রমিকের কাজ তো আর প্রতিদিন বয় না। </p>
<p>আজ হঠাৎ তার বিধবা বউটা খোঁজে খোঁজে আমার কাছে এসেছিলো। দুঃখ পেলাম ঢের যখন জানলাম গত মাস দুই আগে সে গত হয়েছে। </p>
<p>প্রতি শুক্রবারে আমার কাছে আসতো বেচারা। বাড়ির গেটে দাড়িয়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275694"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275694/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">37458f445f02af92ec5fc449b903b82b</guid>
				<title>ভয় নেই বাবা আমি আছি তো
-এম এ রশিদ
১৭.০৯.২৬

কী হয়েছে আব্বা?
 অসুখ করেছে?
শরিরটা আজকাল খারাপ যাচ্ছে?
মনে তাই দুশ্চিন্তা হচ্ছে?
কিসের চিন্তা বাবা?
আমি আছি তো।

চিন্তা হচ্ছে আমার পাশে কেউ নেই বলে?
চিন্তা করোনা মোটেই; 
মনে আছে বাবা ছোটবেলায় আমার
খুব অসুখ হতো, তখন তোমার পাশেও তো
তেমন কেউ ছিলনা। 
তাই বলে আমার কি চিকিৎসা হয়নি?
তোমারও চিকিৎসা হবে
আমি তো আছি, হ্যা, আমি আছি তো।

রাত জেগে তুমি একলা কুহকের মতো
আমার পাশে বসে থাকতে, মুখপানে চেয়ে
অন্তহীন আশঙ্কা বুকে নিয়ে।
চোখের পলক পড়তোনা তোমার 
শুধু মনে হতো চোখ বুজলেই যদি 
চলে যায় অন্তিম পুত্র তোমার,
তারপরও আমি আছি তো।

চলন্ত চিত্রের মতো সেই সব দৃশ্য
মনের পর্দায় যায় আর আসে
আর দায়ক্লিষ্ট মন আমায় তাড়া করে ফেরে
চেতনায় চাবুক চালায়; বিদ্ধ করে প্রশ্ন বাণে-

“রোগ শয্যায় পিতার পাশে ক’রাত ক&#039;দিন
তার মতো করে বিনিদ্র তুই
কেঁদে কেটে প্রার্থনা করেছিস?”

সে আমায় সস্তি দেয় না মোটে
তাই বলছি বাবা -আমি তো আছি।

তুমি সঙ্গে নিয়ে বেড়াতে আমায়
তোমার সাথে সাথে
হাটে-বাজারে, আত্মীয় বাড়ি
বেশ দূরে নানা বাড়ি
আমায় কাছ ছাড়া করতে না মোটে,
সে জন্যেই তো বাবা তোমার ছেলের 
চোখ ফুটেছিলো অন্যদের চেয়ে অনেক আগে,
যাহোক বাবা, কোন চক্রযান ছিল না তোমার 
তাই আমায় তুমি তুলে নিতে কাঁধে
ছোট ছোট পায় আমি হাটতে পারিনে তাই
তোমার তো কোন কষ্ট হতে দেখিনি
তোমার মতো করে ক&#039;দিন কাঁধে নিতে হলো তোমায়? ভেবে দেখ বাবা 
কোনদিন তোমায় সঙ্গহীন করিনি আমি
বড় চাকরি, বেশি রোজগার, উচ্চ মর্যাদার হাতছানি কোন কিছুতেই না
তাই বলছি- ভয় নেই বাবা আমি আছি তো।

ভাবছ আমার কাছে টাকা নেই?
ভেবোনা প্লিজ,
তোমার কাছেও তো টাকা ছিলনা 
যখন আমি বারংবার ঢলে পড়তাম
অসুখের কোলে,
তোমার আকুতি, তোমার মিনতি, তোমার ভালোবাসা আর প্রার্থনা ঠিক সারিয়ে তুলতো আমায় হুমায়ুনের মতো;
সেই সাথে তোমার যা কিছু সম্বল ছিল, 
বিকিয়ে দিতে সেচ্ছায়, ছেলের চিকিৎসায়
তাহলে আমি তা পারবনা কেন? 
আমার যা কিছু অর্জন, তোমারই দান সেতো
আমি শৈবাল তুমি যে দিঘী
কি করে তোমার সমান হতে পারব আমি?
তারপরও তুমি ও তো আমার ছেলে নাকি? 
হ্যা, আদরের ছোট ছেলে,
আমার হাসান, আমার হুসাইন
তাই বলছি- ভয় নেই বাবা আমি আছি তো।

যুদ্ধের মাঠে ক্লান্ত আমি বটে; জীবন অনেকটা
ভারি হয়ে উঠেছে, জীবনের পেটে আজ ফিতা কৃমি, গোল কৃমি আর হুক
সে কারণে
আড়ষ্ট পা নিয়ে ক্লেশ তো কিছু হবেই, 
তবুও ভয় নেই বাবা আমি আছি তো।

মহান স্রষ্টাকে বলি প্রার্থনায় বারবার
হে উদার সর্বোচ্চ শোন মিনতি আমার
বাবাকে আমার অন্তবিহীন রাখো তুমি সুখে
শিশু কালে যেমন ছিলাম আমি তাহার বুকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275648/</link>
				<pubDate>Fri, 18 Sep 2026 18:42:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভয় নেই বাবা আমি আছি তো<br />
-এম এ রশিদ<br />
১৭.০৯.২৬</p>
<p>কী হয়েছে আব্বা?<br />
 অসুখ করেছে?<br />
শরিরটা আজকাল খারাপ যাচ্ছে?<br />
মনে তাই দুশ্চিন্তা হচ্ছে?<br />
কিসের চিন্তা বাবা?<br />
আমি আছি তো।</p>
<p>চিন্তা হচ্ছে আমার পাশে কেউ নেই বলে?<br />
চিন্তা করোনা মোটেই;<br />
মনে আছে বাবা ছোটবেলায় আমার<br />
খুব অসুখ হতো, তখন তোমার পাশেও তো<br />
তেমন কেউ ছিলনা।<br />
তাই বলে আমার কি চিকিৎসা হয়নি?&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275648"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275648/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d109f564d2837b05e546c3816aeffb81</guid>
				<title>যবনিকা  
- এম এ রশিদ

গগন চুমিয়া কেন চাঁদ ওঠে
বনফুল কেন ফোঁটে বনে?
কেন বা তাহারা সুন্দর এতো
 দোলা দেয় কেন মনে? 

বনফুল সে বনের গহীনে
ফুটে থাক ক্ষতি কী?
কেন বা তাহারে হেরিতে আমারে
বিধাতা দিয়েছে আঁখি?

চাঁদ উঠে যদি, থাক 
নয়নের আঁড়ালে 
কেন বা সে দেখা দিয়ে মোরে 
মেঘে মেঘে ফের হারালে?

ফুল ঝরে যাও, চাঁদ ডুবে যাও
 রেখে যাও কেন স্মৃতি?
মুছে দিয়ে যাও চাঁদ-বনফুল 
হৃদয়ের সম্প্রীতি।

পারবেনা জানি হৃদয় কঠিন
কোমল প্রেমের গোরস্তান 
হেথা কায়া পচে নিঃশেষ হয়
মায়া রয় চির অম্লান।

হৃদয় হরণকারীনি ও চাঁদ
ফুল স্বপনের পরির গান
কেন হলো এই ক্ষণিক দেখা
কেন হরিলে সুখের জান?

জানি ধরণীতে বিষ পানে মরে
হাজারও অটুট নিটুট প্রাণ
তাই বুঝি মোর হৃদয় গহীনে 
হানিলে বিরহ বর্শা বান?

সাথী  হয়ে মোরা গান গেয়ে যাবো
বাসন্তি সুধার  সুখে 
কেন হলো তবে ছন্দ পতন
যাতনা কেন বুকে?

তাই মনে হয় বিশ্ব ভূবন 
রঙ্গ নাট্যশালাতে
হৃদয় যখনি  হৃদয়ে বুঝে
যবনিকা বলে পালাতে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275338/</link>
				<pubDate>Thu, 17 Sep 2026 22:27:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যবনিকা<br />
&#8211; এম এ রশিদ</p>
<p>গগন চুমিয়া কেন চাঁদ ওঠে<br />
বনফুল কেন ফোঁটে বনে?<br />
কেন বা তাহারা সুন্দর এতো<br />
 দোলা দেয় কেন মনে? </p>
<p>বনফুল সে বনের গহীনে<br />
ফুটে থাক ক্ষতি কী?<br />
কেন বা তাহারে হেরিতে আমারে<br />
বিধাতা দিয়েছে আঁখি?</p>
<p>চাঁদ উঠে যদি, থাক<br />
নয়নের আঁড়ালে<br />
কেন বা সে দেখা দিয়ে মোরে<br />
মেঘে মেঘে ফের হারালে?</p>
<p>ফুল ঝরে যাও, চাঁদ ডুবে যাও<br />
 রেখে যাও কেন স্মৃতি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275338"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275338/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>