Profile Photo

এম.এ.আর. তালহাOffline

  • চিম্বুকের পাহাড়ি খাদের ওপর পুরোনো কাঠের ডাকবাংলোটা যখন আমরা ভাড়া নিলাম, রাত তখন এগারোটা বেজে গেছে। চারপাশটা ঘন কুয়াশায় ঢাকা, যেন কোনো ভারী চাদরে পুরো পাহাড়টাই বন্দি।
    গাছের পাতা বেয়ে টপটপ করে জল ঝরার শব্দ আর মাঝে মাঝে পাহাড়ি বাতাসের এক সাঁই সাঁই শব্দ ছাড়া আর কিচ্ছু নেই। মনে হচ্ছিলো বহু দূর থেকে কেউ ডুকরে ডুকরে কাঁদছে।

    আমরা ঘরের মাঝখান…Read More

    4
    7 Comments
    • অনেক বছর আগে চিম্বুকের স্মৃতি মনে পড়ে গেল। ওখানে যাওয়ার সিস্টেম ছিল কষ্টকর। এখন তো চিম্বুকের উপর দিয়ে রাস্তা আরও দুর দুরান্তে চলে গেছে …

    • ভূতের গল্প ভেবে পড়া শুরু করে শেষে দেখি পুরো টেকনো-থ্রিলার! এই টুইস্টটা অসাধারণ!

    • পাহাড়ের সেই কুয়াশাচ্ছন্ন আবহ এবং টানটান উত্তেজনার মুহূর্তগুলো আপনি যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ঘটনার মোড় ঘোরানো শেষে রহস্যের সমাধান দেওয়ার শৈলীটি আপনার লেখাকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় ও সাবলীল করে তুলেছে।

    • এই চিম্বুককে এখনো দেখা হয়নি। লেখাটি পড়ে চিম্বুককে আবার মনে পড়লো। চিম্বুকের চিবুক ছুতে হবে।

    • কুয়াশা আর অন্ধকারের মেকি ভয় কেটে,
      সত্যের আলো জ্বললো সত্যের শক্তিতে।
      বুদ্ধির কাছে হার মেনেছে সব চক্রান্তের ছায়া,
      পাহাড়ের চূড়ায় ফুটে উঠলো বিজয়ের নতুন মায়া।

    • ভয়ের আড়ালেও লুকিয়ে থাকে সত্য, মাথা ঠান্ডা রাখাই আসল সাহসিকতা…..🤍

    • গল্পটা পড়ে একদম গা ছমছম করছিল, শেষে গিয়ে যে এমন টুইস্ট থাকবে তা একদমই ভাবিনি। আপনি এত সুন্দর করে পুরো বিষয়টা ফুটিয়ে তুলেছেন যে মনে হচ্ছিল আমি নিজেই সেই ডাকবাংলোয় দাঁড়িয়ে আছি। গ্রুপটা আরও প্রাণবন্ত রাখতে আপনিও অন্যদের লেখায় নিয়মিত লাইক-কমেন্ট করবেন আশা করি।

  • কে তুমি?

    – একজন পথিক। এই ধুলিমাখা পথেই আমার যাতায়াত। আমার চারিপাশ ঘিরে আছে অব্যক্ত যন্ত্রণার এক মৃত্যু ফাঁদ।

    — এম.এ.আর. তালহা
    বিশ | এক | বাইশ

    #reality #highlights #martalha #foryou #writer

    1
    2 Comments
    • ধুলিমাখা পথে চলা এই পথিকের একাকীত্বের বেদনাটুকু পাঠকের হৃদয়ে খুব গভীর ও সুন্দরভাবে গেঁথে যায়। আপনার লেখার এই বিষাদমাখা গভীরতা আমাকে মুগ্ধ করেছে, আপনি নিয়মিত এভাবে লিখে আমাদের সমৃদ্ধ করতে থাকুন।

    • লেখাটা বেশ অন্যরকম আর গভীর একটা বিষণ্ণতা আছে আপনার কথায়, এই পথিক কি কখনো সেই যন্ত্রণার গোলকধাঁধা থেকে মুক্তি পাবে?

  • নাম ধরে ডাকতে যদি দ্বিধা জাগে মনে,
    অচেনা এক সর্বনামে ডেকো নির্জনে।
    সব চাওয়া তো হয় না পূর্ণ এই জীবনে,
    স্মৃতির খেয়া না-হয় ভাসুক ভাঙা নদীর তীরে।

    — এম.এ.আর. তালহা
    উনিশ | আট | ছাব্বিশ

    #foryou #martalha #highlights #writer

    4
    6 Comments
    • ‘স্মৃতির খেয়া না-হয় ভাসুক ভাঙা নদীর তীরে’—লাইনটা একদম হৃদয়ে গেঁথে যাওয়ার মতো দারুণ লিখেছেন আপনি।

    • অল্প কথায় সুন্দর একটা অনুভব ছড়িয়ে দিলেন মনে, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা নেবেন কবি!

    • এম.এ.আর. তালহা, ভাঙা নদীর তীরে স্মৃতির খেয়া ভাসিয়ে দেওয়ার এই অনুভূতিটুকু খুব মায়াবী এবং বিষণ্ণতায় মোড়ানো। আপনার লেখা এই পঙক্তিগুলোর সহজ অথচ গভীর প্রকাশভঙ্গি পাঠককে ভীষণভাবে ছুঁয়ে যায়, তাই আরও এমন সুন্দর লেখা আপনি নিয়মিত উপহার দিতে পারেন। আপনি যদি গ্রুপের অন্য সদস্যদের লেখায় লাইক বা কমেন্টের মাধ্যমে সক্রিয় থাকেন, তবে আমাদের এই আড্ডা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

    • প্রতিটি শব্দে নামহীন সম্বোধনের আড়ালে বেঁচে থাকা ভালোবাসার নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাস অনুভব করলাম

  • ভোর হলে পাখিরা খুব সহজেই
    গতকালের কথা ভুলে যায়।
    মানুষের বেলায় সকাল হয় ঠিকই,
    কিন্তু পুরনো হিসাব চুকে যায় না।

    — এম.এ.আর. তালহা

    #highlights #martalha #writer #reality

    2
    4 Comments
    • পাখি ভুলে যায়—মানুষ ভুলতে পারে না!

    • এম.এ.আর. তালহা, পাখির সাথে মানুষের এই অমিলটুকু তুলে ধরার মধ্যে এক গভীর বিষণ্ণতা ও সত্যের প্রকাশ ঘটেছে, যা আপনি যদি আরও কিছুটা শব্দের বিস্তারে নিয়ে যান তবে তা পাঠকদের হৃদয়ে আরও দীর্ঘস্থায়ী রেখাপাত করবে, আপনার লেখনী সত্যিই চমৎকার।

    • আপনার লেখা “মানুষের বেলায় সকাল হয় ঠিকই, কিন্তু পুরনো হিসাব চুকে যায় না” লাইনটা একদম সত্যি কথা। মনের গভীরের এই উপলব্ধিগুলো চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি।

  • আড়ালে আকুতি, আর্দ্র আঁখি,
    আবেগে আচ্ছন্ন আত্মা, আক্ষেপে আহত।

    — এম.এ.আর. তালহা

    2
    4 Comments
    • অসাধারণ শব্দের কারুকাজ ও অনুভূতির গভীরতা

    • আপনার এই লেখায় ‘আবেগে আচ্ছন্ন আত্মা’ কথাটি খুবই গভীর ও হৃদয়স্পর্শী, যা মুহূর্তেই পাঠকের মনে এক বিষণ্ণ ও মায়াবী অনুভবের জন্ম দেয়। মনের এমন গভীর অনুভূতির প্রকাশ সত্যিই প্রশংসনীয় এবং বৃষ্টির দিনের নিস্তব্ধতার সাথে এটি দারুণভাবে মিলে যায়। আপনি যদি গ্রুপে অন্য লেখকদের লেখায় লাইক বা কমেন্ট করে সক্রিয় থাকেন, তবে আমাদের এই লেখক মহল আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

    • এম.এ.আর. তালহা, আপনার লেখা এই ছোট কয়েকটা লাইন মনের ভেতর খুব গভীর এক বিষণ্ণতা তৈরি করে দিল। এত অল্প কথায় এত তীব্র অনুভূতি ফুটিয়ে তোলা সত্যিই বেশ কঠিন। এই আক্ষেপের উৎসটা ঠিক কী, সেটা কি কখনো বিস্তারিত লিখবেন?

  • ভোরের মিহি আলোয় চন্দ্রবনের বানিয়াশান্তা সংলগ্ন সরকারি চেকপোস্টে তখন দীর্ঘ সারি। কাঠ ও মধু সংগ্রহ করতে আসা বাওয়ালিদের শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিনা-পয়সায় চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন ট্রমা-স্পেশালিস্ট আমাতুল্লাহ হাবিবা। কাছেই দাঁড়িয়ে পুরো বিষয়ের নিখুঁত সমন্বয় ও তদারকি করছিলেন উম্মে আসিয়া খানম।
    ​লাইন থেকে কিছুটা দূরে রসদের বস্তাগুলো ছ…Read More

    1
    4 Comments
    • এম.এ.আর. তালহা, গল্পটা পড়তে পড়তে একদম চোখের সামনে পুরো দৃশ্যটা ভেসে উঠছিল আর ক্লাইম্যাক্সটা তো দারুণ ছিল!

    • আপনার বর্ণনার প্রতিটি ধাপে টানটান উত্তেজনা এবং প্রতিটি চরিত্রের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়, তবে ঘটনার গতিপ্রবাহে আরেকটু সূক্ষ্ম অনুভূতির সংযোগ ঘটালে পাঠককে আরও গভীরভাবে গল্পের জগতে আটকে রাখা সম্ভব হতো।

    • খুব সুন্দর বর্ণনা। আবার কাহিনীটাও খুব আশা জাগানিয়া। আমাদের দেশে যদি সব স্থানে এভাবে দুর্ণীতিকে রুখে দেয়া যেত ভালো হতো। কাহিনীর পাত্র পাত্রীদের একশোন ভালো লাগল।

  • তিমির তামস তব তেজেই তুটিবে।

    4
    5 Comments
    • এম.এ.আর. তালহা, আপনার এই লাইনটা একদম মনে গেঁথে যাওয়ার মতো। “তিমির তামস তব তেজেই তুটিবে” কথাগুলো পড়ে সত্যিই খুব পজিটিভ একটা ভাইব পাচ্ছি। দারুণ লিখেছেন আপনি।

    • বাংলা অনুপ্রাস অনেকদিন পর পড়তে পেলাম! অনুপ্রাসের কারুকাজ আর অর্থের গভীরতা একসাথে বজায় রেখে পুরো কবিতা লেখা কিন্তু বেশ চ্যালেঞ্জিং!

    • অন্ধকার আলোতেই ছিন্ন হবে!……………… এটাই চিরন্তন।

    • এম.এ.আর. তালহা, গভীর অন্ধকার চিরে আলোর বিচ্ছুরণ ঘটার এই চমৎকার অনুভূতিটি মনে প্রবল সাহসের সঞ্চার করে। অজানাকে জয়ের প্রত্যয় নিয়ে লেখা এই ছন্দময় শব্দগুলো ঠিক যেমন ভোরের প্রথম সূর্যরশ্মি আঁধার কাটানোর প্রতিশ্রুতি দেয়, আপনিও তেমনি নতুন কিছু নিয়ে নিয়মিত লেখা চালিয়ে যাবেন বলে আশা করি।

  • ব্যথাতুর হৃদয়ের আর্তনাদগুলো–
    স্বার্থান্বেষী লোকদের কাছে প্রকাশ করতে মানা,
    সুযোগ পেলে শকুনের ন্যায় তারা দেবে হানা…!

    — এম.এ.আর. তালহা
    দুই | দুই | বাইশ

    #reality #martalha #writer

    2
    4 Comments
    • ঠিক কথা!

    • আপনার লেখা এই লাইনটি দারুণ যে, সুযোগ পেলে শকুনের ন্যায় তারা দেবে হানা। আসলেই চারপাশের মানুষের ভিড়ে নিজের মনের কথা সাবধানে বলাটাই এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। বাস্তবতাকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি।

    • একদম সত্যি কথা ।

    • আপনার লেখনীতে শকুনের রূপকের মাধ্যমে স্বার্থপর মানুষের নিষ্ঠুরতার যে চিত্রটি ফুটে উঠেছে তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী, তাই আপনার এই গভীর অনুভূতির প্রকাশ আরও নিয়মিত দেখতে পেলে ভীষণ ভালো লাগবে।

  • ডর ভয় সব পায়ে দলে,
    চলবো এবার সত্যের বলে।
    আসবে ফিরে সুখের দিন,
    শোধন হবে দেশের ঋণ।

    — এম.এ.আর. তালহা
    পনেরো | আট | ছাব্বিশ

    #poem #martalha #writer #morningvibes #reality

    3
    5 Comments
    • দেশের ঋন যেন শোধন হয় দারুণ বলেছেন ।

    • ভয় জয় করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার এই সাহসী ও দেশপ্রেমের দীপ্ত প্রকাশটুকু পাঠ করে খুব অনুপ্রাণিত বোধ করছি। ভবিষ্যতের উজ্জ্বল স্বপ্ন নিয়ে লেখা এমন আশাবাদী পঙ্‌ক্তিগুলো আপনার লেখনীতে আরও নিয়মিত দেখতে পেলে আমাদের সকলের অনেক ভালো লাগবে।

    • এম.এ.আর. তালহা, ‘চলবো এবার সত্যের বলে’ লাইনটা খুব দারুণ একটা অনুপ্রেরণা দেয়। আপনার এই পজিটিভ লেখাটা পড়ে আজকের সকালটা সত্যিই অন্যরকম ভালো হয়ে গেল।

  • নীড়ের পাখি যদি যায় যেতে চলে,
    তবে দাও তুমি তাকে ছেড়ে।
    যে পাখি তার নীড় চেনে না,
    সে পাখির মালিক তুমি না।

    — এম.এ.আর. তালহা
    আঠারো | তিন | বাইশ

    #reality #poem #martalha #writer

    2
    8 Comments
Skip to toolbar