-
চিহ্ন থাকে সাহিত্য
চিহ্ন বিজ্ঞান বিকশিত হতে হতে ছাপাখানার যুগ থেকে মানুষের হাতে হাতে চলে এসেছে। এখনতো সফট কপি সেল ফোনে হাতের মুঠোয় রেখে পড়ে ফেলা যায়। আজকের সাহিত্য হচ্ছে চিহ্ন-বিজ্ঞানের অনুপম সৃষ্টি। নানান চিহ্ন সাজিয়ে লেখকরা গড়ে তোলেন সাহিত্য সম্ভার; যা জ্ঞান ও কল্পনাকে সহজেই অপরের কাছে পৌঁছে দেয়।
মৌখিক সাহিত্যের যুগে এই চিহ্ন ছিলো ‘ধ্বণি খন্ড’; যা জণজীবনের কথোপকথন থেকে সংগ্রহ করে গুরুগৃহে লালন করা হতো; যা পরবর্তিতে চিহ্নের দ্বারা সংরক্ষণ করা হয়; যা থেকে তৈরী হয় অভিধান। এভাবে গড়ে ওঠে ‘বর্ণ’ ও ‘শব্দ’; যা হয় লেখকের ভাব প্রকাশের অবলম্বন।
বলা হয় ‘শব্দই ব্রহ্ম’। শব্দই চিন্তার উৎস। যিনি শব্দের অর্থ ও ব্যঞ্জনা বোঝেন, তিনি সেগুলো সাজিয়ে গড়ে তোলেন ‘বাক্য’; যা সৃষ্টি।
আগে শুধু ঈশ্বরই ছিলেন অর্থময় বাক্যের শ্রষ্টা। সভ্যতা বিকাশের ধারাবাহিকতায় প্রমিথিউস যেমন জিউসের কাছ থেকে আগুন চুরি করে মানুষের হাতে তুলে দিয়ে জগত আলোকিত করে; তেমনিভাবে ঈশ্বরের ভান্ডার থেকে শব্দ ছিনিয়ে নিয়ে নিয়ে ‘কথাম্মৃত’ বানিয়ে তা মানুষকে পরমানন্দে ভাসিয়ে ত্রিনয়ন খুলে দেন কবিগন। এ কারণে কবিরা পাপী, ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বি, কন্টকবিদ্দ্ব, সমাজ-বহির্ভূত। এরাই অন্ধ হোমার, ঋষি বাল্মিকী, সক্রেটিস, চন্ডিদাস, কার্ল মার্কস, হাফিজ, রবীন্দ্র-নজরুল।13 Comments
Friends
Kishor Kanok
@kishorkanok-2
Shahajahan Tapu
@shahajahantapu
জুলহাজ আলী জীবন
@julhaj
গোলাম রাব্বানী
@rabbi-2
Reazul Kabir
@reazul-kabir
পিপীলিকা
@abujubair
আজহারুল ইসলাম তালহা
@ajharul
Rashed Rahman Abir
@rashed-rahman-abir
নতুন করে শুরু
@amrin-shimu



সাহিত্য সন্দেশ! অপূর্ব! শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা নেবেন।