<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | abrar | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/abrar/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/abrar/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for abrar.</description>
	<lastBuildDate>Wed, 22 Jul 2026 15:46:17 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">832b49d15940e7f030ab851b2fac60ab</guid>
				<title>জীবনের তসবির আঁকতে

জীবনের তসবির আঁকতে কলম তুলে নিয়েছি হাতে,যে তসবির কেউ আঁকেনি,
আমিও কোনোদিন আঁকিনি,
আঁকতে চাইনি।

জীবনকে শিল্পময় করার কোনো আকাঙ্ক্ষা আমার ছিল না।

বরফের মতো জীবনকে গলে যেতে দেখে
 অনাহূত কিছু খেয়ালিপনা
আমাকে জীবনের ছবি আঁকতে বলছে বারবার।

কিন্তু আমি যখন অবিশ্বাসের কিছু দ্যোতনাহীন কথা
আমার অস্তিত্বের স্বীকারোক্তি হিসেবে মেনে নিয়েছি,
তবে কি আর কবিতা লেখা যায় বিশ্বাসের?

স্বপ্নে স্বপ্নে যখন জীবনের গত হলো সব মারহালা,
তবে কি আজ স্বপ্নের তাবির হিসেবে জীবনকেই তসবির বানাব?এটা কি ভুল হবে না?

আমাকে আমার মতো থাকতে দিলে অসুবিধা কী?
আমি জোনাকির মতো মিটিমিটি জ্বলি।

পরানের গহন দরজা খুলতেই কেন বল আমায়?

কেন বল?
নিশির নিশীথ ছেড়ে আমি ফিরে আসি তোমাদের দ্বিপ্রহরে,
তোমাদের বৃষ্টিমুখর আকাশে,
রংধনুর কাছে,রঙের শিল্প শিখতে।

আমারই ভুলগুলো ফুল হয়ে ফুটুক আজ তব বাগানে।
আমার এই স্বপ্নগুলো জেগে উঠুক না তবে সুবহে সাদিকের আজানে।

কখনো আমার অনুভূতি ছিল না।
তাই আমি আঁকতে পারব না ভালোবাসার ছবি।

আমার চারিদিকের নীরবতা ছেড়ে আমি পারব না যেতে তোমাদের ভিড়ে,
জীবনের গল্প বলতে আমার অস্তিত্ব লীন করে।

আজ তবে 
মরুর বুকে,বালুর আস্তিনে কিছু ধূসর কল্পনা আঁকি,
মরীচিকার মতো আঁকি কিছু বিভ্রম।
আমার জীবনে এটি আমার কাছে বেশ অনুপম।

এই নীলাভ আকাশের বুকে
আঁকি কিছু
খেয়ালিপনার রংধনু।

আমাদের অবিশ্বাসের প্রতিটি তসবিরে ভেসে উঠুক
 বিশ্বাসের অণু।

 #কবিতা</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258170/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Jul 2026 15:47:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবনের তসবির আঁকতে</p>
<p>জীবনের তসবির আঁকতে কলম তুলে নিয়েছি হাতে,যে তসবির কেউ আঁকেনি,<br />
আমিও কোনোদিন আঁকিনি,<br />
আঁকতে চাইনি।</p>
<p>জীবনকে শিল্পময় করার কোনো আকাঙ্ক্ষা আমার ছিল না।</p>
<p>বরফের মতো জীবনকে গলে যেতে দেখে<br />
 অনাহূত কিছু খেয়ালিপনা<br />
আমাকে জীবনের ছবি আঁকতে বলছে বারবার।</p>
<p>কিন্তু আমি যখন অবিশ্বাসের কিছু দ্যোতনাহীন কথা<br />
আমার অস্তিত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258170"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258170/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">648b1e761080b2303795e8c79bcc7261</guid>
				<title>স্বপ্নবিদূর রাতে স্বপ্ন হয়ে চোখে ভাসে কিছু খেয়ালীপনা
আমি এতদিন বুঝিনি তার বাস্তবতা।
আমার অস্তিত্ব লীন হওয়ার পর 
আমি বিলীন হওয়ার পর,
 বুঝতে শুরু করেছি আমাকে। 
বাস্তবতার সব রহস্য গুলো আপনার মত স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। 
আমরা সবাই শিল্পীর রং তুলি হাতে নিয়ে আকতে চাইছি জীবন।
নাই হয়ে যাওয়া জীবন।
আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল হলো এটি। 
আমরা শিল্পকে বুঝতে চাইনা।
শিল্পের আকুতি হল বাস্তব জীবনকে আঁকা
কিন্তু না আমরা বাস্তব জীবনকে আঁকিনা।
আঁকতে পারিনা।।।
কেননা।
 বাস্তবতা কখনো রহস্য হয়ে থাকে। 
আবার কখনো বাস্তবতা অসম্ভব স্মৃতি হয়ে যায়। 
মনে হয় এটি বাস্তবতার মূলধর্ম।
 কিছু অবিশ্বাস বিশ্বাসকে আড়াল করে রাখে। 
কিছু আশা আকাঙ্ক্ষার আড়ালে থাকে স্বপ্নের মানযীল।
এভাবে আড়ালে আড়ালে জীবন পার হয়ে যায় ।
বাস্তবতার নাগাল পাবো বলে আমরাও পথচলি,
 কিন্তু না দূসর মরিচীকার সব আলিয়া স্পষ্ট হয়ে উঠে।
তবুও কি আমরা বাস্তবতার সন্ধান পাব??????</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/258075/</link>
				<pubDate>Sat, 18 Jul 2026 18:07:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্বপ্নবিদূর রাতে স্বপ্ন হয়ে চোখে ভাসে কিছু খেয়ালীপনা<br />
আমি এতদিন বুঝিনি তার বাস্তবতা।<br />
আমার অস্তিত্ব লীন হওয়ার পর<br />
আমি বিলীন হওয়ার পর,<br />
 বুঝতে শুরু করেছি আমাকে।<br />
বাস্তবতার সব রহস্য গুলো আপনার মত স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।<br />
আমরা সবাই শিল্পীর রং তুলি হাতে নিয়ে আকতে চাইছি জীবন।<br />
নাই হয়ে যাওয়া জীবন।<br />
আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-258075"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/258075/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e0b5786096f904e25ab6fbe07ea54071</guid>
				<title>প্রতিটি দিন গত হচ্ছে অস্বস্তি আর অশান্তিতে, কেন জানিনা কিছুই ভালো লাগছে না ,জীবন যেন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে 
আত্মিকপ্রশান্তি শূন্য অন্তর 
এক পশলা বৃষ্টি হাতে নিয়ে  স্নিগ্ধতম অনুভূতির পরশ পেতে চেয়েছি
 কিন্তু কই যন্ত্রণার তীব্র তাপদাহে জীবনের স্নিগ্ধতা অনুভব করার মত অনুভূতি আমি হইত হারিয়ে ফেলেছি ,
তাই এক পশলা বৃষ্টি হাতে নেওয়ার পরও আমি স্নিগ্ধ অনুভূতির ছোঁয়া পাইনি 
হায়রে কপাল???!!!
 মেঘাচ্ছন্ন আকাশের দিকে তাকিয়ে মনে হয়
মেঘে মেঘে ঢেকে গেছে অন্তর
বৃষ্টিমুখর দিনে একটু নিজেকে আপন করে নেওয়া তাও হলো না
 এভাবে প্রকৃতির নিস্তব্ধতা আমার আপন হতে শুরু করে 
 না আপন করে নিতে শুরু করি 
কারণ আমিও নিস্তব্ধ 
আমি রহমের ভিখারি এক ফোটা রহমত চাই এক ফোটা রহমের জন্য আমারই তৃষ্ণার্ত  মরুর মত  এন্তেজারে আছি
এক ফোটা রহমত।
এক ফোঁটা আবহায়াত।
আগে দুঃখ যাপন হত শব্দকে আলিঙ্গন করে শব্দের পর সে পরশে কবিতার পংক্তিতে একে দেওয়া যেত দুঃখগুলো 
শব্দরাও যেন আমাকে ছেড়ে দিয়েছে আজকাল
সব কল্পনাও যেন কেমন একটা অপরিচিতের মতো ভাব নিয়ে আছে 
এভাবে প্রকৃতির কোলাহল অন্তরে জাগায় না আর সাড়া 
আমার একাকিত্বের কাছে তারা আর ফিরতে চায় না অনর্থক 
অর্থহীন এ জীবন নিয়ে কতদূর পাড়ি দেবো পথ জানি না 
আমি এ কথাও ভুলে গেছি দিশা মানে কি???
রাত্রির অমানিশা কাটবে আর কতকাল
 এবার একটু অনুভূতির ছোঁয়া পেতে চাই 
একটু প্রশান্তি 
আত্মিক প্রশান্তি চাই 
তোমার রহম চাই ওগো প্রভু
আমারই আর্তনাদে কি জাগবে জীবনের সুবহে সাদিক।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252580/</link>
				<pubDate>Sun, 31 May 2026 14:37:57 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রতিটি দিন গত হচ্ছে অস্বস্তি আর অশান্তিতে, কেন জানিনা কিছুই ভালো লাগছে না ,জীবন যেন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে<br />
আত্মিকপ্রশান্তি শূন্য অন্তর<br />
এক পশলা বৃষ্টি হাতে নিয়ে  স্নিগ্ধতম অনুভূতির পরশ পেতে চেয়েছি<br />
 কিন্তু কই যন্ত্রণার তীব্র তাপদাহে জীবনের স্নিগ্ধতা অনুভব করার মত অনুভূতি আমি হইত হারিয়ে ফেলেছি ,<br />
তাই এক পশলা বৃষ্টি হাতে নেওয়ার পরও আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252580"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252580/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fe463f057399ef515c09ea87780d37a9</guid>
				<title>সূর্যাস্তের সময়
শুধু কি সূর্য অস্ত যায়?
অস্তমিত হয় না কি একটি আলোকিত দিন?
তাদেরই অস্ত যাওয়া
আমাদের অস্তিত্বকে
কী প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয় না—
যে,
এ পৃথিবী,
এ পৃথিবীর আলো ঝলমলে প্রকৃতি একদিন অস্ত যাবে।
অস্ত যাবে
নৈসর্গিক দৃশ্যের প্রতি নিবেদিত পংক্তিগুলোও।
এ সুন্দরতম নগরীর
প্রতিটি প্রাচীর একদিন ধসে পড়বে।
আমি আর তুমি কি
চিরদিন চিরকাল
রব
এভাবে—
কৈশোরের মত চঞ্চল,
ঝরনার মত উচ্ছল।
নিশ্চয়ই অস্তমিত হবে
সব পূর্ণতা।
যদিও তুমি আমি
ভুলে ভুলে
বেলা কাটিয়ে দিই।
না,
একবার হয়তো ভাবি,
একবার হয়তো উদয় হই জীবন আকাশে—
একটি নতুন দিন সাজাতে,
নতুন জীবন সাজাতে।
যদিও বা অস্ত যাব,
অস্তপারের পাড়ে দাঁড়িয়ে
আমরা যেন রচিত করি
আলো ঝলমল
এক নতুন পৃথিবী।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/252311/</link>
				<pubDate>Thu, 28 May 2026 12:19:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সূর্যাস্তের সময়<br />
শুধু কি সূর্য অস্ত যায়?<br />
অস্তমিত হয় না কি একটি আলোকিত দিন?<br />
তাদেরই অস্ত যাওয়া<br />
আমাদের অস্তিত্বকে<br />
কী প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয় না—<br />
যে,<br />
এ পৃথিবী,<br />
এ পৃথিবীর আলো ঝলমলে প্রকৃতি একদিন অস্ত যাবে।<br />
অস্ত যাবে<br />
নৈসর্গিক দৃশ্যের প্রতি নিবেদিত পংক্তিগুলোও।<br />
এ সুন্দরতম নগরীর<br />
প্রতিটি প্রাচীর একদিন ধসে পড়বে।<br />
আমি আর তুমি কি<br />
চিরদিন চিরকাল<br />
রব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-252311"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/252311/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c481b42a72d7a52698b8e91ea7206bb1</guid>
				<title>abrar and অসীম রহমান are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/251158/</link>
				<pubDate>Mon, 25 May 2026 06:39:15 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">70fac95f1035adb7b56104851808a4a6</guid>
				<title>এত ভাঙ্গা হৃদয় সবার    
ভেঙ্গে খানখান চুরমার,
কাচের টুকরোর মতো,
যদি বলি জড়ো হও সবে।??
একসাথে এক বন্ধনে এক অন্তর হয়ে 
মুছে ফেলো 
বিরহের যত গ্লানি,.
অশ্রুর যত বান
এই হৃদয় কাঁপানো তুফান 
 থেমে যায় যেন। 
জড়ো হবে তারা।???
ঈশান কোণে যেভাবে জড়ো হয় 
নক্ষত্রপুঞ্জ,
সুরাইয়া সেতারা।
তবে কি এ আধার রাতে আলোর কোলাজ,
 শিল্পীর শিল্পকর্ম হয়ে,
জাগাবে ঘুমন্ত অন্তর। 
এই মন্থর হাওয়ায় 
আর ভালো লাগেনা। 
একাকী। 
ওহে বিরহের ছায়।
জড়ো হও তোমরাও। 
প্রেমের অগ্নিস্কুলঙ্গে জ্বলে জ্বলে 
তোমরাও কি অনুভূতি শূন্য হয়ে গেছো। 
আসো সবাই আমরা বিরহের 
লিপি ভুলে গিয়ে গায় 
নতুন দিনের কবিতা 
আমাদের বিরহরা যেন 
গোধূলির বুকে রংধনু হয়ে 
একটু আশা জাগায়
সকল বিরহী
যেন আমাদের সাড়া পাই।।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/250049/</link>
				<pubDate>Thu, 21 May 2026 13:25:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এত ভাঙ্গা হৃদয় সবার<br />
ভেঙ্গে খানখান চুরমার,<br />
কাচের টুকরোর মতো,<br />
যদি বলি জড়ো হও সবে।??<br />
একসাথে এক বন্ধনে এক অন্তর হয়ে<br />
মুছে ফেলো<br />
বিরহের যত গ্লানি,.<br />
অশ্রুর যত বান<br />
এই হৃদয় কাঁপানো তুফান<br />
 থেমে যায় যেন।<br />
জড়ো হবে তারা।???<br />
ঈশান কোণে যেভাবে জড়ো হয়<br />
নক্ষত্রপুঞ্জ,<br />
সুরাইয়া সেতারা।<br />
তবে কি এ আধার রাতে আলোর কোলাজ,<br />
 শি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-250049"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/250049/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1b433ac154793956392237c915485d96</guid>
				<title>abrar and আনোয়ার পারভেজ নূর শিশির are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248953/</link>
				<pubDate>Mon, 18 May 2026 11:35:41 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1b181e7bb0aa42338ad53af1fdcd84e0</guid>
				<title>প্রকৃতির এ উচ্ছল ঝর্ণা প্রবাহে
আমি হারিয়ে যাচ্ছি রোজ রোজ 
বিধৌত হচ্ছি আলোর ঝিলমিল রূপে
মুগ্ধতার আবেশে,
আমি নিজেকে আবিষ্কার করছি 
অন্যমানব রূপে।
এ নির্মল রূপ,
 এ শান্ত জলদীর ধারা,
 এ প্রেম এই ভালোবাসা পরম্পরা,
 এ নিলামিল আকাশ,
প্রকৃতির বুকে লুকিয়ে থাকা শান্তির আবহ রূপ,
আমাকে আপন করে নিচ্ছে 
প্রতিনিয়ত,
জীবনের এমন অর্থ হবে হয়তোবা ভাবিনি,
স্বরবর্ণ আর ব্যঞ্জনবর্ণের 
সব কটা শব্দ
এ অনুভূতি ধারণ করতে পারবে না, 
তাই আমি কবিতা লিখতে পারছি না,,,!
সবার বুকে কি আছে প্রকৃতির প্রতি এমন একরাশ মুগ্ধতা?????</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248952/</link>
				<pubDate>Mon, 18 May 2026 11:27:06 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রকৃতির এ উচ্ছল ঝর্ণা প্রবাহে<br />
আমি হারিয়ে যাচ্ছি রোজ রোজ<br />
বিধৌত হচ্ছি আলোর ঝিলমিল রূপে<br />
মুগ্ধতার আবেশে,<br />
আমি নিজেকে আবিষ্কার করছি<br />
অন্যমানব রূপে।<br />
এ নির্মল রূপ,<br />
 এ শান্ত জলদীর ধারা,<br />
 এ প্রেম এই ভালোবাসা পরম্পরা,<br />
 এ নিলামিল আকাশ,<br />
প্রকৃতির বুকে লুকিয়ে থাকা শান্তির আবহ রূপ,<br />
আমাকে আপন করে নিচ্ছে<br />
প্রতিনিয়ত,<br />
জীবনের এমন অর্থ হবে হয়তোব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248952"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248952/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cb4b19e581160614ba8dad238b4eea7e</guid>
				<title>কেউ হয়তো সব কিছু লিখতে পারে । 
আবার কারো কাছে না লেখাই যেন কবিতা 
প্রবন্ধ। 
জীবনচরিত ।
 কেউ হয়তো লিখে 
লেখক হয় ,
কবি হয় ,
প্রাবন্ধিক হয় ,
আবার কেউ না লেখে 
লেখার বীজ হয়ে লেখক এর মনে অঙ্কুরিত হয় ,
কবিতার শিরোনাম হয়ে 
শব্দতরঙ্গে কবিকে প্রশান্ত করে। 
একটি বাস্তবতা বলি, 
লেখা আর না লেখার এ রহস্যময়তায় সন্ধানে আমরা কি কখনো পথ চলেছি 
না।।।
হয়তোবা কখনো পথ চলবো না। 
কেননা। যারা পথ চলে তারা হারিয়ে যায় 
আর যারা আজীবনের মত 
হারিয়ে যেতে না চায় 
তারা লিখে লিখে যাই অবিরাম। 
হারিয়ে যাওয়া মানুষদের কথা।।
আর আমি???????</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248653/</link>
				<pubDate>Sun, 17 May 2026 15:55:13 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কেউ হয়তো সব কিছু লিখতে পারে ।<br />
আবার কারো কাছে না লেখাই যেন কবিতা<br />
প্রবন্ধ।<br />
জীবনচরিত ।<br />
 কেউ হয়তো লিখে<br />
লেখক হয় ,<br />
কবি হয় ,<br />
প্রাবন্ধিক হয় ,<br />
আবার কেউ না লেখে<br />
লেখার বীজ হয়ে লেখক এর মনে অঙ্কুরিত হয় ,<br />
কবিতার শিরোনাম হয়ে<br />
শব্দতরঙ্গে কবিকে প্রশান্ত করে।<br />
একটি বাস্তবতা বলি,<br />
লেখা আর না লেখার এ রহস্যময়তায় সন্ধানে আমরা কি কখনো পথ চলেছ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-248653"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/248653/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3b8ba7ceefd70aed6a2f98e2e7bfd0f5</guid>
				<title>abrar and Shahed Biplob are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248647/</link>
				<pubDate>Sun, 17 May 2026 15:02:46 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0a62b9706df6823464ca8587f4882828</guid>
				<title>abrar and Abul Hasan Tuhen are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/248432/</link>
				<pubDate>Sun, 17 May 2026 07:05:19 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0776503a492bf2cc6261a5d69326d66f</guid>
				<title>abrar and Halima-Moly are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247794/</link>
				<pubDate>Thu, 14 May 2026 16:24:21 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c759f510cae3ad6f27979e1d8fa672a5</guid>
				<title>abrar and Fazilatun Nesa are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247184/</link>
				<pubDate>Sat, 09 May 2026 10:43:59 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">09d6d478dfecdef2cfd64490a00d1c6d</guid>
				<title>কি যেন লিখতে চেয়েছিলাম , 
কি যেন ?
প্রকৃতির কথা ?
এলোমেলো প্রকৃতি!!! 
ছিন্ন বিচ্ছিন্ন জীবন !!!
ধূসর মরুর মত বর্ণিল বেশ !!!
ওই উড়ে যাওয়া কবিতার পংক্তিরা 
কাশবনে আর ওড়না একটু থাম ,
দুহাত বাড়িয়ে তোমাকে ছুঁতে চাই মন.
নিঃশীম নীরবতার কাছে কান পেতে কি যেন শুনতে চাইছি আমি?? 
 ওহে নীরবতা তোমার কাছে কি পাওয়া যাবে কবিতার সাড়া???
ওহে আবছা আঁধার তুমি কি 
অভিমানী ছন্দমালা ???
সবুজে প্লাবিত প্রান্তর 
তোমরাও কি সারিবদ্ধ কবিতার লাইন ????
বুকের কাঁপুনিতে অনুভূত ভয়ের রেশ
তোমরাও কি কবিতা হবে ???
চারিদিকে এত না না কেন 
কবিতার অস্তিত্ব অস্বীকার করে তোমরা কি 
প্রীত হও ???
সূর্যস্নাত সকালের বুকে এক ফোঁটা শিশিরের মত 
কবিতা কি স্নিগ্ধ নয় ???!
কবিতার বিশেষণ 
হয়তোবা আমি বলতে পারছি না 
তোমাদের মত করে 
ওহে কবিরা ,
ওহে প্রকৃতির নিরব ছন্দমালা ,
তবু তোমাদের মত আমি কবি হতে চাই 
আমার জীবন হোক তোমাদের মত কবিতার সরব আসর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247182/</link>
				<pubDate>Sat, 09 May 2026 07:15:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কি যেন লিখতে চেয়েছিলাম ,<br />
কি যেন ?<br />
প্রকৃতির কথা ?<br />
এলোমেলো প্রকৃতি!!!<br />
ছিন্ন বিচ্ছিন্ন জীবন !!!<br />
ধূসর মরুর মত বর্ণিল বেশ !!!<br />
ওই উড়ে যাওয়া কবিতার পংক্তিরা<br />
কাশবনে আর ওড়না একটু থাম ,<br />
দুহাত বাড়িয়ে তোমাকে ছুঁতে চাই মন.<br />
নিঃশীম নীরবতার কাছে কান পেতে কি যেন শুনতে চাইছি আমি??<br />
 ওহে নীরবতা তোমার কাছে কি পাওয়া যাবে কবিতার সাড়া???<br />
ওহে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247182"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247182/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">62caa0026b36686271c42138fa7ba361</guid>
				<title>abrar and অনন্যা অরী ( ছদ্মবেশী ) are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247126/</link>
				<pubDate>Sat, 09 May 2026 02:34:05 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9145eec177f4797aaec74c3dfb4d1e8f</guid>
				<title>স্নিগ্ধতম অনুভূতির পরশ পেলে মানুষ ধন্য হয় ,এবং সে অনুভূতিকে ধারণ করে জীবনের কঠিন মুহূর্তকেও আলিঙ্গন করে ,করতে পারে,অনুভূতির এ স্নিগ্ধতা জীবনকে মোহময় করে তুলে, তখন জীবনের চিত্র ভিন্ন হয়, জীবন হয় সুখের আবেশে ভরা , এমন একটি অনুভূতির জন্য মানুষ হাজার বছর অপেক্ষা করে, করতে পারে, এবং এমন একটি অনুভূতি হারিয়ে যাওয়ার পর জীবনে দুখের বন্যা  নেমে আসে,

জীবনের ব্যস্ততম মুহূর্তগুলো কাটাতে কাটাতে হঠাৎ মনে পড়ে গেল অনুভূতির সে পরশ কিভাবে জীবনকে সাজিয়ে তুলতো , কিভাবে জীবনের চিত্রবিচিত্র রং চোখের সামনে ভেসে উঠতো মুর্ত হয়ে।
জীবনে আবার আসুক শুদ্ধতম অনুভূতি সেই ক্ষীণ ধারা ,জীবন ধন্য হোক শুদ্ধতার প্লাবনে। 
নুরের নিয়ন বাতি জ্বলুক জীবন উঠোনে। 
হৃদয়ের মেহরাবে ধ্বনিত হোক পবিত্র সে আজান। 
মুখরিত হোক পবিত্র আত্মার উপস্থিতিতে হৃদয়ের উঠোন,,, এই কামনা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247125/</link>
				<pubDate>Sat, 09 May 2026 00:25:23 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্নিগ্ধতম অনুভূতির পরশ পেলে মানুষ ধন্য হয় ,এবং সে অনুভূতিকে ধারণ করে জীবনের কঠিন মুহূর্তকেও আলিঙ্গন করে ,করতে পারে,অনুভূতির এ স্নিগ্ধতা জীবনকে মোহময় করে তুলে, তখন জীবনের চিত্র ভিন্ন হয়, জীবন হয় সুখের আবেশে ভরা , এমন একটি অনুভূতির জন্য মানুষ হাজার বছর অপেক্ষা করে, করতে পারে, এবং এমন একটি অনুভূতি হারিয়ে যাওয়ার পর জীবনে দুখের বন্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-247125"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/247125/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">17cfd6c12742fcfa04de4d4849295216</guid>
				<title>abrar and স্নিগ্ধ ধূম্রাক্ষর--- are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/247120/</link>
				<pubDate>Fri, 08 May 2026 18:45:32 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7827f9dfb21b79718b08ccc2bd62fae1</guid>
				<title>تو ایا اگر دل میں میں اگیا 
بجز تو نہیں کوئی میرا وجود 

তোমাতে স্মরণে আমি ফিরে পাই জীবন, 
তুমি বিনে আমি নাই হয়ে যাওয়া কেউ। 
শুকনো পাতায় আমি শিশিরের ফোটা, 
সাগরের বুকে তুমি উচ্ছল ঢেউ।
আমাকে খুঁজে না তোমাকেই খুঁজি ফিরি 
তোমাকে খুঁজিলে খুঁজে পাবো আমাকেও।
এ জীবন হোক ধন্য তোমাকে পেয়ে,

পরের লাইন কি হবে,,,,,,???.</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246642/</link>
				<pubDate>Sun, 03 May 2026 16:06:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>تو ایا اگر دل میں میں اگیا<br />
بجز تو نہیں کوئی میرا وجود </p>
<p>তোমাতে স্মরণে আমি ফিরে পাই জীবন,<br />
তুমি বিনে আমি নাই হয়ে যাওয়া কেউ।<br />
শুকনো পাতায় আমি শিশিরের ফোটা,<br />
সাগরের বুকে তুমি উচ্ছল ঢেউ।<br />
আমাকে খুঁজে না তোমাকেই খুঁজি ফিরি<br />
তোমাকে খুঁজিলে খুঁজে পাবো আমাকেও।<br />
এ জীবন হোক ধন্য তোমাকে পেয়ে,</p>
<p>পরের লাইন কি হবে,,,,,,???.</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">27758723c90a5b34e46d04de2fd828a0</guid>
				<title>এই বৃষ্টিস্নাত দিনে,  
আমি যাচ্ছি প্রহর গুনে, 
তোমার জন্য, 
তোমাকে পাওয়ার আশায় আশায় স্বপ্ন যাচ্ছি বুনে।
কিন্তু তোমার পাইনি দেখা। 
কপালে কি ছিল এটাই লেখা। 
তোমাকে না পাওয়া বিষাদ গুলো, 
চোখ বেয়ে পড়ে। 
তীর হয়ে বিধে আমার মনে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246593/</link>
				<pubDate>Sun, 03 May 2026 10:34:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এই বৃষ্টিস্নাত দিনে,<br />
আমি যাচ্ছি প্রহর গুনে,<br />
তোমার জন্য,<br />
তোমাকে পাওয়ার আশায় আশায় স্বপ্ন যাচ্ছি বুনে।<br />
কিন্তু তোমার পাইনি দেখা।<br />
কপালে কি ছিল এটাই লেখা।<br />
তোমাকে না পাওয়া বিষাদ গুলো,<br />
চোখ বেয়ে পড়ে।<br />
তীর হয়ে বিধে আমার মনে।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">53d3ba876421b888525306557367f091</guid>
				<title>কবিতা ও প্রকৃতি: এক অন্তর্লৌকিক অনুসন্ধানের বিস্তৃত পরিসর
কবিতা মূলত প্রকৃতিকে আবিষ্কারের এক অন্তর্লৌকিক যাত্রা। এটি কেবল শব্দের শিল্প নয়, বরং অনুভূতির এক সুদূর প্রসারিত ভূগোল, যেখানে মানুষ তার চারপাশের জগৎকে নতুন চোখে দেখতে শেখে। প্রকৃতির প্রতিটি রূপ, প্রতিটি পরিবর্তন, প্রতিটি নীরবতা—সবই কবিতার উপাদান। কিন্তু এই উপাদানগুলো তখনই কবিতায় রূপান্তরিত হয়, যখন একজন সংবেদনশীল হৃদয় সেগুলোকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারে।
প্রকৃতিকে আমরা প্রতিদিন দেখি, কিন্তু সবাই তাকে একইভাবে অনুভব করতে পারে না। সাধারণ দৃষ্টিতে যা নিছক দৃশ্য, কবির দৃষ্টিতে তা হয়ে ওঠে এক অনন্ত ব্যঞ্জনাময় বাস্তবতা। এই পার্থক্যের মূলেই রয়েছে অনুভবের গভীরতা। কবিতা সেই অনুভবকে শব্দে রূপ দেয়, কিন্তু তার আগে তা এক দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়—যেখানে দেখা, ভাবা, উপলব্ধি করা এবং অবশেষে আত্মবিস্মৃত হওয়া একে অপরের সাথে মিশে যায়।
সন্ধ্যার সময় যখন সূর্যের অস্তরঙে আকাশ লালিমায় রঞ্জিত হয়, গোধূলির কোমল আলো যখন চারপাশে এক মায়াময় আবহ তৈরি করে, তখন প্রকৃতি যেন নিজেই এক নীরব কবিতায় পরিণত হয়। পশ্চিম আকাশের সেই বিস্তারে যে প্রশান্তি, যে বিষণ্নতা এবং যে সৌন্দর্য একসাথে মিশে থাকে, তা কোনো সরল বর্ণনায় ধরা যায় না। কবি সেই অনির্বচনীয় অনুভূতিকে নিজের ভেতরে ধারণ করেন এবং ধীরে ধীরে তাকে শব্দের শরীরে স্থাপন করেন।
আবার দিনের দ্বিপ্রহরে, যখন জীবনের ক্লান্তি এসে চোখের কোণে অশ্রুর জন্ম দেয়, তখন সেই অশ্রুও হয়ে ওঠে এক গভীর কবিতা। এটি কোনো অলংকার নয়, বরং মানুষের অন্তর্জগতের এক সরল কিন্তু শক্তিশালী প্রকাশ। কবিতা এখানেই তার সত্যতা খুঁজে পায়—যেখানে কৃত্রিমতা নেই, আছে কেবল নির্মল অনুভূতি।
বর্ষার দিনে যখন রিমঝিম বৃষ্টির শব্দ চারপাশে এক সঙ্গীতময় পরিবেশ সৃষ্টি করে, তখন মানুষের অন্তরে এক অদ্ভুত সাড়া জাগে। এই সাড়া কখনো আনন্দের, কখনো বিষণ্নতার, আবার কখনো অকারণ এক মায়াবী আবেশের। এই অনুভূতিগুলোকে ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন, কিন্তু কবিতা সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করার চেষ্টা করে। প্রকৃতির এই সুর, এই ছন্দ, এই নীরব সংগীত—সবই কবিতার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
প্রকৃতি নিজেই যেন এক অনন্ত কবিতা, যা প্রতিনিয়ত রচিত হচ্ছে, কিন্তু কখনো শেষ হচ্ছে না। তার প্রতিটি ঋতু, প্রতিটি পরিবর্তন, প্রতিটি রূপান্তর—সবই একেকটি নতুন স্তবক। কিন্তু এই কবিতার অর্থ বুঝতে পারে কেবল সেই ব্যক্তি, যার অন্তর অনুভূতিতে জাগ্রত। এই কারণেই বলা যায়, কবিতা কেবল লেখা নয়; এটি এক বিশেষ ধরনের উপলব্ধি, যা সবার জন্য উন্মুক্ত হলেও সবার কাছে সমানভাবে ধরা দেয় না।
একজন কবি হতে হলে প্রকৃতির সাথে এক গভীর সম্পর্ক স্থাপন করতে হয়। তাকে প্রকৃতির গান শুনতে হয়, তার নীরবতা বুঝতে হয়, তার দুঃখ ও আনন্দকে নিজের ভেতরে ধারণ করতে হয়। এই ধারণের প্রক্রিয়ায় কবি কখনো বিষণ্ন হয়ে ওঠেন, কখনো আনন্দে অভিভূত হন। এই দ্বৈত অভিজ্ঞতা তাকে ভেতর থেকে পরিবর্তিত করে এবং তার সৃষ্টিকে করে তোলে আরও গভীর, আরও সত্য।
প্রকৃতির মায়া ও শূন্যতা, তার সৌন্দর্য ও বিষণ্নতা—সব মিলিয়ে কবির অন্তরে এক জটিল কিন্তু সুরেলা অনুভূতির জন্ম দেয়। এই অনুভূতি কখনো মাধবীলতার কোমল সুবাসের মতো মনকে আচ্ছন্ন করে, কখনো আবার এক অদৃশ্য টানে মানুষকে নিজের ভেতরে ডুবিয়ে দেয়। এই ডুব দেওয়ার মধ্যেই কবি নিজেকে খুঁজে পান, আবার হারিয়েও ফেলেন—এবং এই হারানো-খুঁজে পাওয়ার মধ্যেই কবিতার প্রকৃত সার্থকতা নিহিত।
কবিতা তাই একদিকে যেমন ব্যক্তিগত অনুভূতির প্রকাশ, অন্যদিকে তেমনি এটি এক সার্বজনীন অভিজ্ঞতার বাহক। একজন কবি যখন প্রকৃতির প্রতিটি স্পন্দন, প্রতিটি নীরবতা এবং প্রতিটি সূক্ষ্ম পরিবর্তনকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হন, তখন তার সৃষ্টি আর কেবল তার নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। সেই কবিতা অন্য মানুষের হৃদয়েও একই ধরনের অনুভূতির সঞ্চার করে।
এই অবস্থায় কবিতা হয়ে ওঠে এক আলোকবর্তিকা—যা মানুষের অন্তরের অন্ধকার দূর করে, তাকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়, নতুনভাবে অনুভব করতে শেখায়। রাত্রির নিঃসঙ্গ পথিক যেমন দূরের আলো দেখে তার পথ খুঁজে পায়, তেমনি কবিতাও মানুষের জীবনে দিকনির্দেশনা দেয়। এটি কেবল সৌন্দর্যের চর্চা নয়; এটি আত্ম-অন্বেষণের এক নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া।
যেমন আল্লামা ইকবাল তাঁর কাব্যে বারবার আত্ম-অন্বেষণ ও সৃষ্টির গভীর তাৎপর্য তুলে ধরেছেন। তাঁর কাছে প্রকৃতি ছিল কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং আত্মার জাগরণের এক অনিবার্য অনুষঙ্গ। প্রকৃতির সাথে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে মানুষ নিজের ভেতরের শক্তিকে আবিষ্কার করতে পারে—এই বিশ্বাস তাঁর কবিতায় স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
অন্যদিকে কাজী নজরুল ইসলাম প্রকৃতির মধ্যে খুঁজে পেয়েছেন বিদ্রোহ, সঙ্গীত এবং জীবনের উচ্ছ্বাস। তাঁর বর্ষা, তাঁর ঝড়, তাঁর অগ্নিগর্ভ আকাশ—সবকিছুই যেন প্রকৃতির এক জীবন্ত প্রকাশ, যা মানুষের অন্তরে শক্তি ও জাগরণের সঞ্চার করে। তাঁর দৃষ্টিতে প্রকৃতি স্থির নয়; এটি এক চলমান শক্তি, যা কবিতার মাধ্যমে প্রাণ পায়।
আবার মির্জা গালিব–এর কবিতায় প্রকৃতি ও অনুভূতি এক সূক্ষ্ম দার্শনিকতায় মিশে গেছে। তাঁর কাব্যে অশ্রু, নিঃসঙ্গতা, আকাশ, ধূলিকণা—সবই এক গভীর অস্তিত্ববোধের প্রতীক। তিনি দেখিয়েছেন, কবিতা কখনো সরল ব্যাখ্যায় ধরা পড়ে না; এটি এক রহস্যময় অভিজ্ঞতা, যা অনুভবের মধ্য দিয়েই উপলব্ধি করতে হয়।
অতএব, কবিতা মানে কেবল কিছু ছন্দবদ্ধ পঙ্‌ক্তি নয়; এটি প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যকার এক গভীর, অবিচ্ছিন্ন সম্পর্কের প্রকাশ। এই সম্পর্কের মধ্যে যেমন আছে মায়া, তেমনি আছে শূন্যতা; যেমন আছে আনন্দ, তেমনি আছে বেদনা। আর এই সমস্ত বৈপরীত্যকে ধারণ করেই কবিতা তার পূর্ণতা লাভ করে। ধন্যবাদ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246392/</link>
				<pubDate>Thu, 30 Apr 2026 10:31:14 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা ও প্রকৃতি: এক অন্তর্লৌকিক অনুসন্ধানের বিস্তৃত পরিসর<br />
কবিতা মূলত প্রকৃতিকে আবিষ্কারের এক অন্তর্লৌকিক যাত্রা। এটি কেবল শব্দের শিল্প নয়, বরং অনুভূতির এক সুদূর প্রসারিত ভূগোল, যেখানে মানুষ তার চারপাশের জগৎকে নতুন চোখে দেখতে শেখে। প্রকৃতির প্রতিটি রূপ, প্রতিটি পরিবর্তন, প্রতিটি নীরবতা—সবই কবিতার উপাদান। কিন্তু এই উপাদানগুলো তখনই কবিতায় রূপান্তরিত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-246392"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/246392/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">523956a40de35c37579779b95ff724c6</guid>
				<title>একটি কবিতার জন্য আমি প্রহর গুনছি। থেমে যাওয়া প্রহর। অস্তিতে লীন হতে হতে আমি ভাবছি আমার অতীত। 
কল্পনার আল্পনা আঁকি একটি কবিতার জন্য। 
হয়তোবা একটি পংক্তি হৃদয় ছুয়ে যাবে । হয়তোবা একটি ছন্দ যা অন্তরকে দোলা দিবে। 
তুমি কি আমার সে কবিতা হবে ?????</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/246268/</link>
				<pubDate>Wed, 29 Apr 2026 13:06:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>একটি কবিতার জন্য আমি প্রহর গুনছি। থেমে যাওয়া প্রহর। অস্তিতে লীন হতে হতে আমি ভাবছি আমার অতীত।<br />
কল্পনার আল্পনা আঁকি একটি কবিতার জন্য।<br />
হয়তোবা একটি পংক্তি হৃদয় ছুয়ে যাবে । হয়তোবা একটি ছন্দ যা অন্তরকে দোলা দিবে।<br />
তুমি কি আমার সে কবিতা হবে ?????</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4ad36780ab0562e7ff2587a9ae4c8630</guid>
				<title>abrar and শাহ্ আলম আল মুজাহিদ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245850/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Apr 2026 23:56:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5347f8c5a83cb2b3067e49755dac1b38</guid>
				<title>abrar and মাহীম খান are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245816/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Apr 2026 11:17:17 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c44d28e8425887c6cbe329db3356fc24</guid>
				<title>আল্লামা ইকবাল: আমার আত্মিক উত্তরণের পথপ্রদর্শক
কৈশোরের সেই চঞ্চল দিনগুলো থেকে আজ অবধি, আল্লামা ইকবাল আমার পাঠ-তালিকায় কেবল একটি নাম নয়, বরং একটি ধ্রুবতারা হয়ে আছেন। তাঁর চিন্তাধারা, আধ্যাত্মিক গভীরতা এবং আত্মসত্তাকে জাগ্রত করার সেই অমোঘ আহ্বান আমাকে প্রতিনিয়ত নতুন করে ভাবতে শেখায়। ইকবালের কাছে যাওয়া মানে কেবল শব্দের জাদুকরী ছন্দ উপভোগ করা নয়, বরং নিজের ভেতরকার অচেনা মানুষটিকে খুঁজে পাওয়ার এক দুঃসাহসী অভিযাত্রা।
আমার ইকবাল-পাঠের হাতেখড়ি হয়েছিল ‘শিকওয়া’ ও ‘জওয়াবে শিকওয়া’-এর এক অনুবাদ গ্রন্থের পাতায়। তখন কতটুকু বুঝে পড়েছিলাম তা নিশ্চিত করে বলা না গেলেও, আজ ফিরে তাকালে মনে হয়, এই দুটি কবিতা আসলে মুসলিম উম্মাহর অবক্ষয় ও যন্ত্রণার এক মহাকাব্যিক দাস্তান।
যেখানে ইকবাল অতীত আর বর্তমানের মাঝে এক অনন্য সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন। তার চোখে ইতিহাস কেবল পুরোনো কোনো নথিপত্র নয়, বরং এক জীবন্ত চেতনা। যেমন তিনি সেই সময়ের কথা স্মরণ করে দিয়ে যখন সুলতান মাহমুদ এবং তাঁর গোলাম আয়াজ একই কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতেন । কি চমৎকারভাবে বলেছেন দেখুন।
আগিয়া আইন-এ লড়াই মেঁ আগর ওয়াক্ত-এ নামাজ
কিবলা-রু হোকে জমিন-বোস হুয়ে কওম-এ হিজাজ
এক হি সাফ মেঁ খড়ে হো গায়ে মাহমুদ ও আয়াজ
না কোই বান্দা রাহা ঔর না কোই বান্দা-নওয়াজ
(অনুবাদ: যুদ্ধের প্রচণ্ড মুহূর্তে যখন নামাজের সময় হলো, হিজাজের মানুষ কিবলামুখী হয়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়ল। একই কাতারে দাঁড়িয়ে গেলেন সুলতান মাহমুদ ও গোলাম আয়াজ; তখন দাস আর প্রভুর মাঝখানে কোন তফাৎ থাকলো না,
যা আজও মানবিক সমতা ও আত্মিক ঐক্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। 
আবার বর্তমানের দিকে তাকিয়ে তাঁর কণ্ঠে শোনা যায় বেদনাময় উচ্চারণ:
রহ গয়া রসম-এ আজান, রুহ-এ বিলালি না রহি
ফলসাফা রহ গয়া, তালকিন-এ গাজ্জালি না রহি
(অনুবাদ: আজানের রীতি টিকে আছে ঠিকই, কিন্তু তাতে বিলালি আত্মার সেই তেজ নেই; দর্শন কেবল পুঁথিগতই রয়ে গেল, কিন্তু তাতে নেই গাজ্জালির সেই প্রজ্ঞার দীপ্তি।)
এই কয়েকটি পঙ্ক্তির মধ্যেই তিনি যেন একটি সভ্যতার অন্তর্গত শূন্যতাকে উন্মোচন করেছেন—যেখানে দর্শন আছে, আচার আছে, কিন্তু প্রাণ নেই, আত্মা নেই। তার কথাগুলো
এত হৃদয় স্পর্শী হওয়ার কারণ উল্লেখ করতে গিয়ে বলেন
দিল সে জো বাত নিকালতি হ্যায় আসর রাখতি হ্যায়,
পর নহিঁ তাকাত-এ পরওয়াজ মাগার রাখতি হ্যায়।
(অনুবাদ: হৃদয় থেকে উৎসারিত কথা কখনোই বিফলে যায় না; পাখির মতো ডানা না থাকলেও সেই কথার ওড়ার ক্ষমতা ঠিকই থাকে।)
ইকবালের কবিতার প্রাথমিক ধারায় ছিল প্রবল সাহিত্যিক সৌন্দর্য। ‘হিমালয়’ কবিতার মতো সৃষ্টিতে তিনি পাহাড়, আকাশ আর নক্ষত্রের ভেতর থেকে মহাজাগতিক সংকেত কুড়িয়ে নিয়েছেন। প্রকৃতি থেকেই তিনি শিখেছিলেন অবিচল উচ্চাকাঙ্ক্ষা:
সিতারোঁ কে আগে জাঁহা ঔর ভি হ্যায়,
আভি ইশক কে ইমতিহাঁ ঔর ভি হ্যায়।
(অনুবাদ: নক্ষত্রপুঞ্জের ওপারেও আরো জগত আছে, প্রেমের অগ্নিপরীক্ষা দেওয়ার এখনো অনেক বাকি আছে।)
পরবর্তী জীবনে তাঁর চিন্তায় আসে গভীর পরিবর্তন। তিনি হয়ে ওঠেন আত্ম-অন্বেষণের কবি। ‘খিজির (আ.)’-কে কেন্দ্র করে তাঁর কাব্যিক কল্পনা মানুষের জীবনের রহস্যের দুয়ার খুলে দেয়।  সেখানে তিনি লাভ-ক্ষতির অংক দিয়ে জীবনকে বিচার করতে শেখাননি, বরং শিখিয়েছেন উচ্চতর সত্যের আলোকে জীবনকে দেখতে:
বারতার আজ আন্দিশা-এ সুদ ও জিয়্যাঁ হ্যায় জিন্দেগি।
(অনুবাদ: লাভ-ক্ষতির তুচ্ছ হিসাবের চেয়ে জীবন অনেক বড় ও মহৎ।)
আত্মগঠনের প্রসঙ্গে তাঁর অমোঘ আহ্বান যেন আজও পথহারা মানুষের জন্য দিকনির্দেশনা:
সবাক ফির পড় সাদাকাত কা, আমানাত কা, শুজায়াত কা,
লিয়া যায়েগা তুঝ সে কাম দুনিয়া কি ইমামাত কা।
(অনুবাদ: সত্যবাদিতা, সততা ও সাহসের সেই পুরনো সবক নতুন করে পড়ো, কারণ একদিন এই পৃথিবীর নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব তোমার কাঁধেই অর্পণ করা হবে।)
তাঁর রচনায় সুফি চিন্তার সূক্ষ্মতা, আত্মিক পরিশুদ্ধি এবং ইসলামী মূল্যবোধের তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা এক অনন্য সমন্বয়ে প্রকাশিত। তাঁর ‘মর্দ-এ মুছলমান’ কবিতায় আত্মশুদ্ধির যে ঝলক পাই, তা আজও আমাদের শিহরিত করে:
হর লহজা হ্যায় মোমিন কি নঈ শান, নঈ আন,
গোফতার মেঁ, কিরদার মেঁ আল্লাহ কি বুরহান।
কাহারী, গাফফারী, কুদ্দুসী ও জাবরুত,
ইয়ে চার আনাসির সে তো বনতা হ্যায় মুছলমান।
ইয়ে রাজ কিসি কো নহিঁ মালুম কি মোমিন,
জারি নজার আতা হ্যায় হাকিকত মেঁ হ্যায় কুরআন।
(অনুবাদ: মুমিনের প্রতিটি মুহূর্ত নতুন শান ও নতুন গর্বে উজ্জ্বল; তাঁর কথা ও কাজে আল্লাহর প্রমাণ স্পষ্ট। ক্রোধ, ক্ষমা, পবিত্রতা ও প্রতাপ—এই চার উপাদানেই তৈরি হয় প্রকৃত মুসলমান। এই রহস্য অনেকেরই অজানা যে, বাইরে থেকে যে মানুষকে সাধারণ মনে হয়, বাস্তবে সে যেন জীবন্ত কুরআন।)
পাশ্চাত্য ও ইসলামী সভ্যতার পার্থক্যও তাঁর কবিতায় গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। সাহসী কণ্ঠে তিনি উচ্চারণ করেছেন সেই অমোঘ সত্য:
ফাসাদ-এ কালব-ও নজর হ্যায় ফারাং কি তাহজীব,
কে রুহ ইস মাদানিয়াত কি রহ সকি না আফিফ।
(অনুবাদ: পাশ্চাত্যের সভ্যতা হৃদয় ও দৃষ্টিকে কলুষিত করে দেয়; এই সভ্যতার আত্মা পবিত্র থাকতে পারেনি।)
সবশেষে ইকবালের সেই অমর দর্শনের কথা না বললেই নয়, যা মানুষকে দাসত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে খোদাতালার প্রতিনিধি হিসেবে দাঁড়াতে শেখায়:
খুদি কো কর বুলান্দ এতনা কি হর তাকদীর সে পেহলে,
খুদা বান্দে সে খুদ পুছে, বাতা তেরি রাজা ক্যা হ্যায়।
(অনুবাদ: নিজেকে এতটা উচ্চতায় নিয়ে যাও যে, প্রতিটি ভাগ্য নির্ধারণের আগে খোদাই যেন বান্দাকে জিজ্ঞেস করেন—বলো, তোমার ইচ্ছা কী?)
ইকবালকে পাঠ করে শেষ করার সাধ্য নেই। তিনি এক অন্তহীন জ্ঞানসমুদ্র। প্রতিবার তাঁকে পাঠ করার অর্থ হলো নিজেকে নতুন করে চেনা। তাঁর দর্শন, তাঁর রাজনীতি-চিন্তা, ‘খুদি’র তত্ত্ব—সবই যেন এক একটি প্রদীপ, যা আমাদের পথ চলতে সাহায্য করে। এই ভ্রমণ কোনোদিন শেষ হওয়ার নয়; বরং আজ কেবল নতুন এক যাত্রার শুরু। অন্য কোন আলাপে কথা হবে প্রিয় কবিকে নিয়ে আরো আরো। মন ভরে। তার জ্ঞান সমুদ্রের পাড়ে কুড়াবো ভাবনার ঝিনুক ,ঝিনুক থেকে বের করে আনব বিশ্বাসের মুক্তো। ধন্যবাদ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245695/</link>
				<pubDate>Thu, 23 Apr 2026 15:55:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> আল্লামা ইকবাল: আমার আত্মিক উত্তরণের পথপ্রদর্শক<br />
কৈশোরের সেই চঞ্চল দিনগুলো থেকে আজ অবধি, আল্লামা ইকবাল আমার পাঠ-তালিকায় কেবল একটি নাম নয়, বরং একটি ধ্রুবতারা হয়ে আছেন। তাঁর চিন্তাধারা, আধ্যাত্মিক গভীরতা এবং আত্মসত্তাকে জাগ্রত করার সেই অমোঘ আহ্বান আমাকে প্রতিনিয়ত নতুন করে ভাবতে শেখায়। ইকবালের কাছে যাওয়া মানে কেবল শব্দের জাদুকরী ছন্দ উপভোগ কর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245695"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245695/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">96230084815c2663470f5656856b5763</guid>
				<title>অন্তরের পরিশুদ্ধতা ও বাহ্যিক প্রতিচ্ছবি: আত্ম-উপলব্ধির এক দার্শনিক পাঠ
মানুষ এক আশ্চর্য সত্তা—তার বাহিরে যেমন দৃশ্যমান এক রূপ, তেমনি তার অন্তরে লুকিয়ে থাকে আরেক অদৃশ্য জগৎ। এই দুইয়ের মধ্যকার সম্পর্কই গড়ে তোলে তার প্রকৃত পরিচয়। আমরা প্রত্যেকে আমাদের ‘আমি’কে ঘিরে অসংখ্য স্বপ্ন বুনি—নীরব রাত্রির গভীরে, কিংবা ভোরের স্নিগ্ধ আলোয়। কিন্তু গভীরভাবে ভেবে দেখলে প্রশ্ন জাগে—আমরা কি সত্যিই সেই স্বপ্নের উপযুক্ত রূপ হয়ে উঠতে পারি? নাকি আমাদের অস্তিত্ব কেবলই এক বাহ্যিক অভিনয়, যার অন্তরালে লুকিয়ে থাকে অপূর্ণতা ও অসামঞ্জস্য?
মানুষের জীবনে এই দ্বৈততার বিষয়টি অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও গভীর। বাহিরে আমরা নিজেদেরকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে শিখেছি—কথাবার্তায়, আচরণে, রুচিতে। কিন্তু অন্তরের জগত—সেটি কি সমানভাবে পরিচ্ছন্ন ও সুশোভিত? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমরা দেখতে পাই, অনেক সময় আমাদের বাহ্যিক সৌন্দর্য ও অন্তরের বাস্তবতার মধ্যে এক বিস্তর ব্যবধান থেকে যায়।
এই বাস্তবতাকেই অসাধারণভাবে তুলে ধরেছেন উর্দু সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি মির্জা গালিব। তিনি বলেন—
“عمر بھر غالب وہی غلطی کرتا رہا
دھول چہرے پہ تھی، آئینہ صاف کرتا رہا”
(দেওয়ান-এ-গালিব)
এই পঙক্তির ভেতরে লুকিয়ে আছে মানুষের চিরন্তন এক ভুলের কাহিনি। যে বাহিরের আমিকে সাজাতে সাজাতে জীবন কেটে যায় এই বুঝে যে বাহিরের আমিই যেন  সব 
কিন্তু ভিতরের আমি থাকে কদর্যতাই ভরা। 
 যেন আয়নাটিই মলিন, তাই সেটিকে পরিষ্কার করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। অথচ সত্য হলো—ধুলোটা আমাদের নিজের মুখেই লেগে আছে। আমাদের অন্তরের অশুদ্ধতা, অহংকার, হিংসা, কপটতা—এসবই আমাদের দৃষ্টিকে মলিন করে রাখে।

এই আত্মসমালোচনার দিকটিকেই পরিপূর্ণ দিশা দেয় পবিত্র কোরআনের বাণী। মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন—
“قَدْ أَفْلَحَ مَن تَزَكَّىٰ”
(সূরা আল-আ‘লা, ৮৭:১৪)
অর্থাৎ, “নিশ্চয়ই সে-ই সফল, যে নিজেকে পরিশুদ্ধ করেছে।”
এই আয়াতটি মানুষের জীবনের একটি মৌলিক সত্যকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। প্রকৃত সফলতা বাহ্যিক অর্জনে নয়, বরং অন্তরের পরিশুদ্ধতায় নিহিত। মানুষ যতদিন নিজের আত্মাকে শুদ্ধ করতে না পারবে, ততদিন তার বাহ্যিক সাফল্যও পূর্ণতা পাবে না।
গালিবের কবিতা এবং কোরআনের এই আয়াত—দুটো একত্রে আমাদের সামনে এক সুস্পষ্ট দর্শন উপস্থাপন করে। একদিকে রয়েছে মানুষের ভুলের স্বীকারোক্তি, অন্যদিকে রয়েছে সেই ভুল সংশোধনের পথনির্দেশ। এ যেন অন্ধকার ও আলোর এক চিরন্তন সংলাপ—যেখানে আত্মভ্রান্তি থেকে আত্মজাগরণের পথে যাত্রা শুরু হয়।
মানুষের জীবন তখনই পরিপূর্ণতার দিকে অগ্রসর হয়, যখন তার বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ সত্তা একসূত্রে গাঁথা হয়। বাহিরে যেমন সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা, তেমনি অন্তরেও থাকা চাই সততা, নম্রতা ও পবিত্রতা। এই সমন্বয়ই গড়ে তোলে এক সত্যিকারের মানবিক সত্তা।
তাই প্রয়োজন আত্মসমালোচনার সাহস—নিজের ভুলকে স্বীকার করার মানসিকতা। প্রয়োজন অন্যের পরামর্শ ও সমালোচনাকে গ্রহণ করার উদারতা। কারণ, অনেক সময় অন্যের চোখেই ধরা পড়ে আমাদের সেই দিকগুলো, যা আমরা নিজেরা দেখতে পাই না।
সবচেয়ে বড় কথা, প্রয়োজন আত্মশুদ্ধির এক নিরবচ্ছিন্ন সাধনা। এটি কোনো একদিনের কাজ নয়; বরং এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া—যার মাধ্যমে মানুষ ধীরে ধীরে নিজেকে পরিপূর্ণতার দিকে নিয়ে যায়।
পরিশেষে বলা যায়, আমাদের উচিত আয়নাকে পরিষ্কার করার আগে নিজের চেহারাটির দিকে তাকানো। বাহিরের জগতকে বদলানোর আগে নিজের অন্তরের জগতকে গড়ে তোলা। কারণ, সত্যিকারের পরিবর্তন শুরু হয় ভেতর থেকে।
যেদিন আমাদের বাহ্যিক ‘আমি’ এবং অন্তরের ‘আমি’ একে অপরের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠবে, সেদিনই আমাদের জীবন হয়ে উঠবে এক পূর্ণাঙ্গ রচনা—যেখানে সৌন্দর্য থাকবে সত্যে, আর সত্য থাকবে সৌন্দর্যে।
আর তখনই আমরা অনুভব করতে পারব—
সফলতা কোনো দূরবর্তী স্বপ্ন নয়, বরং তা লুকিয়ে আছে আমাদের নিজস্ব অন্তরের পরিশুদ্ধতার মধ্যেই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245505/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Apr 2026 16:38:44 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অন্তরের পরিশুদ্ধতা ও বাহ্যিক প্রতিচ্ছবি: আত্ম-উপলব্ধির এক দার্শনিক পাঠ<br />
মানুষ এক আশ্চর্য সত্তা—তার বাহিরে যেমন দৃশ্যমান এক রূপ, তেমনি তার অন্তরে লুকিয়ে থাকে আরেক অদৃশ্য জগৎ। এই দুইয়ের মধ্যকার সম্পর্কই গড়ে তোলে তার প্রকৃত পরিচয়। আমরা প্রত্যেকে আমাদের ‘আমি’কে ঘিরে অসংখ্য স্বপ্ন বুনি—নীরব রাত্রির গভীরে, কিংবা ভোরের স্নিগ্ধ আলোয়। কিন্তু গভীর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245505"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245505/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b404e955ae5c65d1b76aebedab7d8d64</guid>
				<title>abrar and অমিত are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245481/</link>
				<pubDate>Tue, 21 Apr 2026 13:18:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3aaac9345cbf265f7b1a57ce2bf255ba</guid>
				<title>মানুষ আজ মহাকাশের দরজায় কড়া নাড়ছে। দূর নক্ষত্রপুঞ্জের রহস্য উন্মোচনে ব্যস্ত, অজানার অন্ধকারে আলো জ্বালাতে উদগ্রীব। প্রযুক্তির ডানায় ভর করে সে পৌঁছে যাচ্ছে এমন সব সীমান্তে, যেখানে একসময় কল্পনাও পৌঁছাতে পারেনি।
 কিন্তু এই অগ্রযাত্রার ভেতরে লুকিয়ে আছে এক গভীর প্রশ্ন—
আমরা কি নিজেকেও আবিষ্কার করছি, নাকি নিজেকে হারিয়ে ফেলছি?
বিজ্ঞান বলে, মানুষের দেহ গঠিত নক্ষত্রের ধূলিকণা দিয়ে। অর্থাৎ আমরা নিজেরাই এক চলমান মহাবিশ্ব।
 আমাদের ভেতরে আছে অনুভূতির গ্যালাক্সি, চিন্তার নক্ষত্রমালা, আত্মার এক অনন্ত বিস্তার।
 অথচ এই ভেতরের মহাবিশ্বটাই আজ সবচেয়ে অবহেলিত।
আমরা গ্রহ আবিষ্কার করি, কিন্তু নিজের হৃদয়ের গ্রহগুলো অচেনাই থেকে যায়।
আমরা আলোর গতি মাপি, কিন্তু নিজের অন্তরের অন্ধকার দূর করতে ব্যর্থ হই।

আজকের মানুষ আধুনিক—কিন্তু এই আধুনিকতা কতটা বাহ্যিক, আর কতটা অন্তর্গত?
আমরা প্রযুক্তিতে উন্নত, কিন্তু চরিত্রে কি উন্নত?
আমরা তথ্যসমৃদ্ধ, কিন্তু প্রজ্ঞায় কি সমৃদ্ধ?
আল্লামা ইকবাল রহিমাহুল্লাহ তাঁর কবিতায় কত সুন্দর ভাবে চিত্রাঙ্কন করেছেন।

دوڑنے والے ستاروں کے گزرگاہوں کا
اپنے افکار کی راہوں میں سفر کر نہ سکے

جس نے سورج کی شعاعوں کو گرفتار کیا
اپنی زندگی کی شب تاریک سحر کر نہ سکے

বাংলা 
নক্ষত্রের কক্ষপথে ঘুরছে তারা কেমন করে 
কিন্তু আহ া পাইনি আজও জীবন পথের সঠিক দিশা।
সূর্য থেকে আলো নিয়ে যাদের প্রদীপ আপন ঘরে 
কিন্তু দেখো জীবন মাঝে অন্ধকারের  অমানিশা।

  অর্থাৎ মানুষ যদি নিজের চিন্তার জগতে ভ্রমণ করতে না পারে, তবে নক্ষত্রের পথচলা জানা কোনো অর্জন নয়।
যে সূর্যের আলোকে বন্দী করতে পারে, কিন্তু নিজের জীবনের অন্ধকার দূর করতে পারে না—তার জয় আসলে অসম্পূর্ণ।


Thomas Edison বিদ্যুৎ বাতি আবিষ্কার করে পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন। তাঁর অবদান নিঃসন্দেহে মানবতার জন্য এক বিরাট উপহার।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—
আমরা কি সেই আলোকে নিজের জীবনের অন্ধকার দূর করতে ব্যবহার করেছি?
যিনি সূর্য, চন্দ্র, আকাশ ও বাতাস সৃষ্টি করেছেন—তাঁর প্রতি আমাদের মনোযোগ কতটুকু?
আমরা আলো আবিষ্কার করি, কিন্তু আলোর উৎসকে ভুলে যাই।
আমরা জ্ঞান অর্জন করি, কিন্তু জ্ঞানের উদ্দেশ্য হারিয়ে ফেলি।

প্রশ্ন হতে পারে যে স্রষ্টাকে ভুলে গেলে কি বা ক্ষতি। 
 তখন পবিত্র কুরআনের একটি গভীর সতর্কবাণী সামনে আসে
&quot;نَسُوا اللَّهَ فَأَنسَاهُمْ أَنفُسَهُمْ&quot;
অর্থাৎ—তারা আল্লাহকে ভুলে গেছে, ফলে আল্লাহ তাদেরকে নিজেদের ভুলিয়ে দিয়েছেন।
এই আয়াত শুধু ধর্মীয় সতর্কতা নয়; এটি এক অস্তিত্বগত সত্য।
যখন মানুষ তার স্রষ্টাকে ভুলে যায়, তখন সে নিজের প্রকৃত সত্তাকেও হারিয়ে ফেলে।আত্মবিস্মিতির আড়ালে হারিয়ে যায় সে নিজেও।

আজকের বিশ্বে হিংসা, বিদ্বেষ, যুদ্ধ—এসব কেবল বাহ্যিক সমস্যা নয়; এগুলো আত্ম-ভুলে যাওয়ার ফল।
যে মানুষ নিজের ভেতরের আলো চিনতে পারে না, সে বাইরের অন্ধকারকেই নিজের বাস্তবতা মনে করে।

মানুষের ভেতর যে মহাবিশ্ব বাস করে, তার রহস্য উন্মোচন করা আজ সবচেয়ে জরুরি।
নিজের গুণাবলী, নিজের দুর্বলতা, নিজের সম্ভাবনাকে চিনতে পারলেই প্রকৃত উন্নতি সম্ভব।
যদি আমরা নিজেদের গড়ে তুলতে পারতাম—
তাহলে আজকের বিশ্বে এত বিভাজন, এত রক্তপাত, এত অমানবিকতা হয়তো থাকত না।
 শেষ কথা
মহাবিশ্বের রহস্যের শেষ নেই—এটা সত্য।
কিন্তু তার থেকেও বড় সত্য হলো—
মানুষ নিজেই এক অনন্ত রহস্য।
আমরা যদি আকাশ জয় করি, কিন্তু নিজের আত্মাকে হারিয়ে ফেলি—
তবে সেই জয় আসলে পরাজয়।
তাই আজ দরকার এক নতুন যাত্রা—
মহাকাশের দিকে নয়,
নিজের ভেতরের দিকে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245235/</link>
				<pubDate>Sun, 19 Apr 2026 03:10:43 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানুষ আজ মহাকাশের দরজায় কড়া নাড়ছে। দূর নক্ষত্রপুঞ্জের রহস্য উন্মোচনে ব্যস্ত, অজানার অন্ধকারে আলো জ্বালাতে উদগ্রীব। প্রযুক্তির ডানায় ভর করে সে পৌঁছে যাচ্ছে এমন সব সীমান্তে, যেখানে একসময় কল্পনাও পৌঁছাতে পারেনি।<br />
 কিন্তু এই অগ্রযাত্রার ভেতরে লুকিয়ে আছে এক গভীর প্রশ্ন—<br />
আমরা কি নিজেকেও আবিষ্কার করছি, নাকি নিজেকে হার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245235"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245235/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">18a401a3f93ac58ddf0de71c9673c830</guid>
				<title>abrar and অরণ্য are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245086/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 15:28:43 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">91487a9c6a09e8b64bc23ba9adb61210</guid>
				<title>জীবন কখনো সরল রেখা নয়—এটা এক রহস্যময় গোলকধাঁধা। তুমি ভাবো তুমি পথ চেনো, কিন্তু হঠাৎই এক অচেনা মোড় তোমাকে নতুন করে চিনিয়ে দেয় নিজেকেই।
জীবনের সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো—যে প্রশ্নগুলো আমরা এড়িয়ে চলি, একদিন সেগুলোই আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে উত্তর দাবি করে। আর যে উত্তরগুলো আমরা খুঁজে ফিরি, সেগুলো অনেক সময় লুকিয়ে থাকে আমাদের নীরবতার ভেতরে।
কখনো জীবন খুব সাধারণ মনে হয়, আবার সেই সাধারণের আড়ালেই লুকিয়ে থাকে অসাধারণ কোনো গল্প—যা তুমি বুঝতে পারো শুধু পিছনে ফিরে তাকালে।
জীবন আসলে এক অদৃশ্য বই—
প্রতিদিন তুমি একটা করে পৃষ্ঠা লিখছ,
কিন্তু পুরো গল্পটা কী—তা জানো না তুমি নিজেও।
আর হয়তো এটাই জীবনের সবচেয়ে বড় রহস্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/245023/</link>
				<pubDate>Fri, 17 Apr 2026 10:40:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>জীবন কখনো সরল রেখা নয়—এটা এক রহস্যময় গোলকধাঁধা। তুমি ভাবো তুমি পথ চেনো, কিন্তু হঠাৎই এক অচেনা মোড় তোমাকে নতুন করে চিনিয়ে দেয় নিজেকেই।<br />
জীবনের সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো—যে প্রশ্নগুলো আমরা এড়িয়ে চলি, একদিন সেগুলোই আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে উত্তর দাবি করে। আর যে উত্তরগুলো আমরা খুঁজে ফিরি, সেগুলো অনেক সময় লুকিয়ে থাকে আমাদের নীরবতার ভেতর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-245023"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/245023/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">77d0f6384069bd9278a0323274d96184</guid>
				<title>আমি আজও খুঁজে ফিরি—নিঃশব্দ কোনো অন্তর্গহ্বরের ভেতর—আমার হারিয়ে যাওয়া সেই নিগূঢ় অতীতকে।
খুঁজে ফিরি এক স্বপ্নময় সকাল,
যেখানে আলোর প্রথম স্পর্শে জেগে উঠত নিষ্পাপ এক চাহনি,
যার প্রতিটি দৃষ্টিতে মিশে থাকত পবিত্রতার নির্মল পরশ।
খুঁজে ফিরি সেই আনন্দময় দিনগুলোকে,
যার প্রতিটি স্তবক লেখা ছিল দুরন্ত সাহস আর দুর্গম পথ পেরোনোর অদম্য দৃঢ়তায়।
জীবনের প্রতিটি পাতা যেন একেকটি শিল্পকর্ম—
নিপুণ হাতে আঁকা সম্ভাবনার নকশা,
যেখানে প্রতিটি রেখায় লুকিয়ে ছিল অগণিত স্বপ্নের ইশারা।
আমার সেই শৈশব—
ছিল এক অনাবিল সম্ভাবনার রাজ্য,
এক অপরূপ জগৎ, যেখানে হারানোর কোনো ভয় ছিল না,
আর পাওয়ার আনন্দ ছিল সীমাহীন।
কিন্তু আজ—
কত যুগ পেরিয়ে গেল তাকে খুঁজতে খুঁজতে,
তবুও সে আর ফিরে আসে না।
সে যেন সময়ের অতল গহ্বরে হারিয়ে যাওয়া এক রহস্য,
যার দ্বার আজ আর উন্মোচিত হয় না।
এখন আমার চারপাশে বিস্তৃত এক মরীচিকাময় ধূসর মরুভূমি—
যেখানে পথ আছে, কিন্তু দিশা নেই;
চলছি প্রতিনিয়ত, তবুও যেন পৌঁছাই না কোথাও।
অভ্রান্ত পথিকের মতো প্রতিদিন হারিয়ে ফেলি নিজের পথ,
নিজেকেই খুঁজে ফিরি নিজের ভেতর।
হে অতীতের পদচিহ্ন,
তোমাকেই আবার ডাকি—
তোমারই সন্ধানে ক্লান্ত এই পথচলা।
আজ আর এগোতে চাই না এক পা, এক কদম সামনে—
থেমে দাঁড়াতে চাই তোমার দোরগোড়ায়।
ওগো হারানো দিন,
এই নববর্ষের নতুন প্রভাতে—
তুমি কি আর একবার ফিরে আসবে না?
নাকি তুমি চিরদিনের মতো রয়ে যাবে—
আমার হৃদয়ের গভীরে, এক অমীমাংসিত রহস্য হয়ে?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244784/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Apr 2026 08:15:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি আজও খুঁজে ফিরি—নিঃশব্দ কোনো অন্তর্গহ্বরের ভেতর—আমার হারিয়ে যাওয়া সেই নিগূঢ় অতীতকে।<br />
খুঁজে ফিরি এক স্বপ্নময় সকাল,<br />
যেখানে আলোর প্রথম স্পর্শে জেগে উঠত নিষ্পাপ এক চাহনি,<br />
যার প্রতিটি দৃষ্টিতে মিশে থাকত পবিত্রতার নির্মল পরশ।<br />
খুঁজে ফিরি সেই আনন্দময় দিনগুলোকে,<br />
যার প্রতিটি স্তবক লেখা ছিল দুরন্ত সাহস আর দুর্গম পথ পেরোনোর অদম্য দৃঢ়তায়।<br />
জ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244784"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244784/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0655672b54c5b3fb723008161f2fa8bc</guid>
				<title>abrar and রেদোয়ান শাকিল are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244656/</link>
				<pubDate>Tue, 14 Apr 2026 03:38:02 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">251ab95a196ca6fcb0dac725fbd9249b</guid>
				<title>abrar and সা দি য়া (নন্দিনী) are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244560/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 15:01:57 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a01658783fa72c38799468c65a6a2b8a</guid>
				<title>abrar and Rejwana Khan are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244553/</link>
				<pubDate>Mon, 13 Apr 2026 12:15:55 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8fb5e458e31601ba56647ce3a6b4549d</guid>
				<title>abrar and প্রিন্স ঠাকুর are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244482/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Apr 2026 22:11:04 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c812ab392a8a6c40891c3ed9b0b1b4c8</guid>
				<title>হয়তোবা বিশ্বাস আমাকে এতটুকু পথ পাড়ি দিতে সাহস যুগিয়েছে, 
হয়তোবা অধরা স্বপ্নের অতিব আগ্রহের বশে আমি তোমার পর্যন্ত পৌঁছেছি। 
জানো, বিশ্বাসের প্রতিটি অনু তোমাকে ঘিরে ,
তুমি আমার স্বপ্নমালা, 
জীবনের প্রতিটি চরিত্রে, অনুভবে তোমার স্নিগ্ধ পরশ পেতে আমি রোজ রোজ নিখোঁজ হই তোমার পথ চলার প্রতিটি বাঁকে, 
এ হাওয়ায় যা তোমাকে ছুঁয়ে যায় প্রতিনিয়ত। এভাবে অনন্ত অনাদি তোমার কল্পনায় আমি আমাকে ফিরে পাই ,
ফিরে পেতে চাই , 
এভাবে এ ধূসর মরুতে আমি প্রতিনিয়ত তোমাকে খুঁজে ফিরি
 তৃষ্ণার্ত অন্তর তোমার শারাবান তহুরার অপেক্ষায় প্রতিনিয়ত। 
এভাবে কতদিন অগোছরে , 
রহস্যময়তায়  আমি হারিয়ে যাবো, 
তোমাকে না পাওয়ার দহনে জ্বলে জ্বলে ছাই হয়ে রবো কতদিন। জীবনের যুগ যুগান্তরে তোমাকে না  পাওয়ার বহু স্মৃতি রচিত হল, এবার তোমাকে পেয়ে কৃতজ্ঞ হতে চাই। 
কৃতজ্ঞতা তোমার প্রতি। হাজার কৃতজ্ঞতা।
11/4/2026</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244431/</link>
				<pubDate>Sun, 12 Apr 2026 06:20:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হয়তোবা বিশ্বাস আমাকে এতটুকু পথ পাড়ি দিতে সাহস যুগিয়েছে,<br />
হয়তোবা অধরা স্বপ্নের অতিব আগ্রহের বশে আমি তোমার পর্যন্ত পৌঁছেছি।<br />
জানো, বিশ্বাসের প্রতিটি অনু তোমাকে ঘিরে ,<br />
তুমি আমার স্বপ্নমালা,<br />
জীবনের প্রতিটি চরিত্রে, অনুভবে তোমার স্নিগ্ধ পরশ পেতে আমি রোজ রোজ নিখোঁজ হই তোমার পথ চলার প্রতিটি বাঁকে,<br />
এ হাওয়ায় যা তোমাকে ছুঁয়ে যায়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244431"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244431/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0f1fefed7db58062914a66f49b65585b</guid>
				<title>abrar and মাহমুদ জাহান আবিদ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244320/</link>
				<pubDate>Sat, 11 Apr 2026 04:44:26 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e9b1c58d32fd9c89a2725c22955674a1</guid>
				<title>abrar and বি.এম.কায়েস খান are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244157/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 11:02:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">34d8accdb2bc2cb3c6a85122e461478d</guid>
				<title>abrar and তাহমিনা মোরশেদ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244156/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 10:53:44 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8f389e3271752eb9b9471e53f722abce</guid>
				<title>দুঃখের পয়াম 
আশাদের মৃত লাশ কফিন পরা, 
যেন গত হলো মোর স্মৃতির ধরা।
হচ্ছে যে দিনগুলো দুঃখে যাপন, 
অতীত সেই স্মৃতি হৃদে তুলছে কাঁপন।
হতাশ পাখিরা কি ফিরছে নীড়ে, 
কেন কোলাহল জাগে তাদের ভিড়ে।
ভেঙ্গে চুরমার হল অজেয় এ দিল,
আকাশের নীল মোর ব্যাথায় সুনীল। 
আমাদের আছে শুধু কিছু হাহুতাশ,
শূন্যতা কাটাতে সে সুনীল আকাশ। 
অবাক নয়নে দেখি গোধূলির চাঁদ,
রাত এলে ডেকে যাই সুখের প্রাসাদ।
গত হওয়া সবকিছু এক করি রোজ,
স্মৃতিতে তাদের খুঁজি তারা তো নিখোঁজ। 
প্রতিটি খামের ভাঁজে লেখা তার নাম,
তার তরে নিবেদিত &quot;দুখের পয়াম &quot;।
হয়তোবা একদিন সন্ধ্যেবেলায়, 
আসবে সে আসবে এ আশা জাগায়।
10/4/2026</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244138/</link>
				<pubDate>Fri, 10 Apr 2026 08:08:31 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>দুঃখের পয়াম<br />
আশাদের মৃত লাশ কফিন পরা,<br />
যেন গত হলো মোর স্মৃতির ধরা।<br />
হচ্ছে যে দিনগুলো দুঃখে যাপন,<br />
অতীত সেই স্মৃতি হৃদে তুলছে কাঁপন।<br />
হতাশ পাখিরা কি ফিরছে নীড়ে,<br />
কেন কোলাহল জাগে তাদের ভিড়ে।<br />
ভেঙ্গে চুরমার হল অজেয় এ দিল,<br />
আকাশের নীল মোর ব্যাথায় সুনীল।<br />
আমাদের আছে শুধু কিছু হাহুতাশ,<br />
শূন্যতা কাটাতে সে সুনীল আকাশ।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244138"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244138/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dc13447ec2670cc0c28b9e2c901d91d8</guid>
				<title>abrar and Mizan Rahman, Editor: Dainik Journal Asia are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244067/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 17:08:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">31c03a750b34cbb9eb64544fb0210885</guid>
				<title>abrar and প্রদীপ্ত লুব্ধক are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244035/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 14:23:56 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">302f3d34afd941889b27dab95350fd87</guid>
				<title>খুব তাড়াহুড়া করে দেওয়া।

কতদিন ধরে অব্যক্ত কথামালা প্রতীক্ষার প্রহর গুনবে। গণনার এই দীর্ঘ ধারা কি শেষ হবার নয়। জীবনের প্রতীক্ষিত কত মুহূর্ত এলো কিন্তু কেন আসেনি কথা বলার শুধু একটু অনুমতি। এভাবে না বলার প্রতিশ্রুতি কতদিন রবে। এভাবে না বলাই গত হচ্ছে আমার জীবনের সবচেয়ে দুর্বিষহ দিন। তোমার অন্তর কি এতটাই নিষ্ঠুর যে আমার অতিত বর্তমান এবং কি ভবিষ্যতের সম্ভাবনা সব কেড়ে নিল তবুও বলতে দিলো না আমি নিঃস। নিঃসন্দেহে জীবন রহস্যময়তার রূপ নিয়েছে। তুমি হয়তো বুঝে গেছো যে আমার ভাষা মারা গেছে । কথা বলার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছি আমি। 
তবু তোমার অনুমানকে শ্রদ্ধা করে না বলার এ ভাষায় আমি একটি কথা বলতে চাই।  
میں بھی منہ پہ زباں رکھتا ہوں 
کاش پوچھو کہ مدعا کیا ہے</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/244021/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 12:02:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>খুব তাড়াহুড়া করে দেওয়া।</p>
<p>কতদিন ধরে অব্যক্ত কথামালা প্রতীক্ষার প্রহর গুনবে। গণনার এই দীর্ঘ ধারা কি শেষ হবার নয়। জীবনের প্রতীক্ষিত কত মুহূর্ত এলো কিন্তু কেন আসেনি কথা বলার শুধু একটু অনুমতি। এভাবে না বলার প্রতিশ্রুতি কতদিন রবে। এভাবে না বলাই গত হচ্ছে আমার জীবনের সবচেয়ে দুর্বিষহ দিন। তোমার অন্তর কি এতটাই নিষ্ঠুর যে আমার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-244021"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/244021/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>9</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0d565db19cbc231492a2bd50c3edefef</guid>
				<title>abrar and Bodor Choudhury are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243979/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 09:57:38 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4a991a37e236764b3f66608f582f2174</guid>
				<title>সবাই কেমন আছেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243927/</link>
				<pubDate>Thu, 09 Apr 2026 02:21:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সবাই কেমন আছেন।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">751a84354a76f7560761c15568ee84b2</guid>
				<title>abrar and অয়ন আবদুল্লাহ are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243826/</link>
				<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 10:20:52 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">01e982c7ce73bb0881467658a6a9a078</guid>
				<title>abrar and Hridoyesh Nashit are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243723/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Apr 2026 09:46:50 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">66f309668d04d39f588ba429102dc238</guid>
				<title>abrar and রায়হান are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243722/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Apr 2026 09:39:18 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">14f9e6c6137cc22e20a77783f518fc2b</guid>
				<title>এ জগতে আমি থেমে যাওয়া এক গান। 
  আমার গানের নেই  কোন কলরব। 
দূঃখের মর্ম গাঁথা আমি অভিমান।
বিরহ ব্যথার দূঃসহ অনুভব।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243682/</link>
				<pubDate>Tue, 07 Apr 2026 00:51:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>এ জগতে আমি থেমে যাওয়া এক গান।<br />
  আমার গানের নেই  কোন কলরব।<br />
দূঃখের মর্ম গাঁথা আমি অভিমান।<br />
বিরহ ব্যথার দূঃসহ অনুভব।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">319395b86e8dc8dd0174174aaadc17c4</guid>
				<title>abrar and Md Zaker Hayat Khan [ Zaker Aditya ] [ জাকের আদিত্য ] are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243672/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Apr 2026 21:16:14 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">98f7de3d36d8bbdce9f58726dae134f1</guid>
				<title>abrar and শোয়েব ইবনে শাহীন are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/243668/</link>
				<pubDate>Mon, 06 Apr 2026 19:37:55 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>