-
মোমের শেষ শিখা
এ কে সরকার শাওনবাহার ও নাহার গনিপুর শহরের সরকার পাড়ায় একইসাথে বড় হয়েছে। শাওনাজ বিশ্ববিদ্যালয়েও ওদের লিখাপড়া প্রায় শেষের পথে। প্রেম ও পড়া দু’টোই পূর্ণ পরিণতির দিকে। নাহার বাংলায়। বাহার আইনে।
ক্যাম্পাসের কৃষ্ণচূড়া গাছটার নিচে যখন নাহার আর বাহার বসত, তখন যেন সময় থমকে দাঁড়িয়ে যেতো। নাহার ছিল শান্ত দীঘির মতো নিশ্…Read More
3 Comments-
এ কে সরকার শাওন, আপনার লেখনশৈলীতে যে আবেগ ও নিপুণ শব্দচয়ন ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী এবং প্রতিটি দৃশ্যপট আমার চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে ধরা দিয়েছে। চরিত্রের বিচ্ছেদ ও পুনর্মিলনের এই বেদনাদায়ক রূপকল্পটি অসাধারণভাবে তুলে ধরেছেন, যা পাঠককে গভীরভাবে নাড়া দেওয়ার মতো একটি চমৎকার সৃষ্টি। আপনি নিয়মিত এমন মন ভালো করা বা গভীর ভাবনার খোরাক জোগ…Read More
-
সমাজে আজকের এই রুচির দুর্ভিক্ষের জন্য আমাদের প্রথম সারির গণমাধ্যমগুলোই প্রধানত দায়ী। শুধু টিআরপি (TRP) আর ভিউ বাড়ানোর অন্ধ প্রতিযোগিতায় মেতে উঠে তারা সংবাদ ও শিরোনামের মানকে এক নগ্ন ও সস্তা পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে। দেশের উদীয়মান তরুণ বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, কবি কিংবা সমাজসেবকদের মেধার কোনো মূল্যায়ন এখানে হয় না; তার…Read More
3 Comments -
এক ফোঁটা জল
এ কে সরকার শাওনপাড়ার ছেলেমেয়েদের কাছে জগলু মামার ঘরটা ছিল একটি জীবন্ত এনসাইক্লোপিডিয়া। তবে সেই এনসাইক্লোপিডিয়ার পাতাগুলো চুপচাপ থাকত না; কখনো আলো জ্বালত, কখনো শোঁ শোঁ শব্দ করত, আবার কখনো আচমকা ধোঁয়া ছেড়ে সবাইকে চমকে দিত।
নবীনগর সরকারি কলেজপড়ুয়া ভাগনে তানভীর সরকার, টেকনিক্যাল জ্ঞান থাকার জন্য তাকে বন্ধুরা টেক তানভীর ব…Read More
8 Comments-
আপনার লেখা এই চমৎকার গল্পটির প্রতিটি পরতে বিজ্ঞান আর আবেগের যে নিপুণ মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী, বিশেষ করে যখন লিখেছেন— “বিজ্ঞান রাগের ভাষা বোঝে না, রনি; সে কারণ আর ফলাফলের ভাষা বোঝে।”—এই দারুণ দর্শনটি পাঠক হিসেবে আমাকে মুগ্ধ করেছে, তাই ভবিষ্যতে আপনার লেখনী থেকে এমন আরো অনেক গভীর ও মানবিক গল্প পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।
-
বৈজ্ঞানিক ফিকশন আর রোমানটিকতার মিশেল – অপূর্ব আইডিয়া। মনে হয় এ ধরণের লেখাকে বাড়িয়ে উপন্যাসে রূপ দিলে ভালো হতে পারে …
-
আপনার লেখা গল্পটি পড়ে জগলু মামার জীবনের অগোছালো অনুভূতিগুলো খুব স্পষ্টভাবে চোখের সামনে ভেসে উঠল। আপনি সুন্দরভাবে গুছিয়ে লিখছেন, তাই এই গ্রুপে অন্য সবার লেখাতেও নিয়মিত লাইক ও কমেন্ট করে সক্রিয় থাকার অনুরোধ রইল।
-
-
অনন্ত অভিযাত্রা
-এ কে সরকার শাওননন্দে আনন্দে সুর ছন্দে
সুর লহরীর ক্ষণে;
সমতট-ভূমে মৃত্তিকা চুমে
জন্মেছি মাতৃ ঋণে!বঙ্গ-সন্তান গাই গান
সবুজ শ্যামল প্রবাহে,
প্রগতি-মন কল্যাণী জন
অসুর বিনাশী দ্রোহে!এ চরাচরে রেখেছি ধরে
সততার ঝান্ডা উঁচু;
কোটি বিবর্তনে অনন্ত ক্ষণে
মম-মস্তক হয়নি নীচু!দেশ আমার জন্মি বারবার
রূপ বদলে সৃজন…Read More5 Comments -
A K Sarker Shaon Changed their profile cover
-
মন ভেঙ্গেছে; কী হয়েছে?
আবার রাঙবে মন!
দুখের পরে সুখ ফিরে
সাজাতে এই জীবন।ভাঙ্গার মাঝে নতুন সাজে
সাজে জীবনালেখ্য!
পুরোনোকে আঁকড়ে থাকা
নয় জীবনের লক্ষ্য!লাঙ্গলের ফলায় মাটি সাজায়
একটু একটু ভেঙ্গে।
ওলট পালট নাচে মাটি
ফসল ফলার রঙ্গে।ছোট্ট বীজ আসল চিজ
ঘটায় প্রাণের বিস্তারণ!
বীজ ভেঙ্গেই অঙ্কুর গজায়
আশ্চর্য প্রাণের জাগর…Read More3 Comments -
Foyzur Khan and
A K Sarker Shaon are now friends
-
Emotionless Rima and
A K Sarker Shaon are now friends
-
পি.কে. সরকার and
A K Sarker Shaon are now friends
-
“বিজয় উল্লাস”
এ কে সরকার শাওনএকাত্তরে বিস্ময়কর বিজয়ে
দেখেছি বাঙ্গালীর উল্লাস !
লুপ্ত স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে,
মুক্তিরা রচে নূতন ইতিহাস!স্বাধীকার জ্বাজল্যমান সূর্যটা,
যেদিন ডুবলো পলাশীর প্রান্তরে!
সেই থেকে বাংলার আকাশে,
শেয়াল-শকুনেরা উড়ে!ইংরে-পাকিদের অত্যাচারে
উনিশটি দশক হাহাকার,
স্তূপীকৃত ক্ষোভের বারুদ,
একাত্তরে গর্জিল…Read More2 Comments -
Nipun Chandra and
A K Sarker Shaon are now friends
-
Umme Tabassum Taiyeba and
A K Sarker Shaon are now friends
-
বিরাগ-বচন
এ কে সরকার শাওনতোর হৃদয় পুড়ে খাক হয়ে যাক
দিচ্ছি অভিশাপ,
হৃদয় কেড়ে হৃদয় নিয়ে
খেলা করা পাপ।তোর চোখেতে ছল ছিল তাই
আমার চোখে জল;
হীরা ভেবে কাঁচ নিয়েছি
সব হয়েছে জল।বৃহস্পতি দেয়না ধরা
আশার গলায় ফাঁস
তোর চোখেতে চোখ রাখাটাই
আমার সর্বনাশ।ব্লক করেছিস, লাইন কেটেছিস
আমার কি যায় তাতে!
মনের আলোয় দেখছি তোকে
আছিস…Read More4 Comments -
মোঃ বায়েজীদ and
A K Sarker Shaon are now friends
-
হেমন্তের গান
এ কে সরকার শাওনহেমন্তের আগমনী গান
হিমেল হাওয়া গেয়ে যায়;
শরৎ নিয়েছে বিদায়,
কুয়াশার চাদর দিয়ে গায়।ঘাসের মাথায় হীরার শিশির
মুকুট ঝলমল করে!
নীলাকাশ মিতালীতে মাতে
সবুজ দিগন্ত ধরে!বাগানজুড়ে শোভা পায়
অশোক ছাতিম হিমঝুরী;
শিউলি কামিনী গন্ধরাজের
ঘ্রাণে মন যায় ভরি!বাতাস ঢেউ খেলে
সোনালি ধানের ক্ষেতে।
কৃষাণ খুশিতে গা…Read More4 Comments -
ধানে ধন্য নবান্ন
এ কে সরকার শাওনচকজুড়ে সোনালী ধান
চোখে স্বপ্ন জয়ের দ্যুতি!
বিধাতার বর বিস্ময়কর
চাষীর কী সুখানুভুতি!আমন ধান কাটার ধুম
দেশে বয় সুখের জোয়ার!
পাকা ধানের মৌ মৌ ঘ্রাণে
উৎসব মুখর চারিধার!আট আটি মাথায় তুলে
দলবেঁধে চলে বাড়ি;
উঠানে বিশাল আটির স্তুপ
চলছে মাড়াই তড়িঘড়ি!বৌ ঝি’দের ব্যস্ততা ভীষণ
ঢেঁকিতে ধান ভা…Read More6 Comments -
কোমল কার্তিক
এ কে সরকার শাওনবৃষ্টি বাদলের আভাস নাই,
নাই গুরু গম্ভীর মেঘমালা।
বিলের ফুলে আকাশ নীলে
তনুমনে লাগে দোলা!শেষ রাতে শীতের আমেজ
দিনেও নাই গ্রীষ্মের তেজ;
সহজ সাজে স্বচ্ছ প্রকৃতি
বন-বনানী পুলকিত সতেজ!ছায়াঢাকা গ্রামগুলি
যেন ক্যানভাসে আঁকা ছবি;
অনিন্দ্য সুন্দর রমনীয় ধরায়
বিস্মিত বাউলা কবি!শীত-শরতের মাখামাখি
এটা-ই হেমন্তের কার্তিক;
ব…Read More8 Comments -
সাহিত্য ও কবিতার কথা
এ কে সরকার শাওনবিশ্বে এখন চলছে কলি কালের ভাড়ামীর যুগ। কি নাটকে কি চলচ্চিত্রে কি কবিতায় বা গানে সবখানেই ভাড়ামী আর ভাড়ামী। ভাড়ামীতেও মনে হয় পোষাচ্ছে না। সব অশ্লীলতার দিকে চলে যাচ্ছে! বদন বইয়ের ভিডিও ট্যাবে ও ইউটিউবে সহজলভ্য অশ্লীলতার ছড়াছড়ি। এসবের বিরুদ্ধে কারো কোন জোরালো বক্তব্য দেখিনা। ওখানেও যে ব্যবসা! যেন তেন হলেও তো ব্…Read More
12 Comments-
আপনাকেও অনেক অনেক শুভেছছা @Drako Shajib
-
A K Sarker Shaon Changed their profile cover
2 Comments -
A K Sarker Shaon changed their profile picture
4 Comments

এ কে সরকার শাওন
কবি ও সাহিত্যিক
কবি, গীতিকবি ও কথাসাহিত্যিক এ কে সরকার শাওন (দালিলিক নাম মোঃ আবদুল কাদের সরকার) ১৯৬৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার গোপালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব ও কৈশোরের সোনালী দিনগুলো ঝালকাঠিতে কাটানোর পর কর্মজীবনের প্রয়োজনে তিনি ঢাকা, চট্টগ্রাম ও নাটোরে অবস্থান করেন এবং বর্তমানে ঢাকার উত্তরখানের নিভৃত আলয় ‘কবিকুঞ্জ শাওনাজ ভিলা’য় স্থায়ীভাবে বসবাস করে নিরবিচ্ছিন্নভাবে সাহিত্য সাধনা করছেন।
ঝালকাঠি শহরের উদ্বোধন হাইস্কুলে তাঁর শিক্ষার হাতেখড়ি এবং সেই বিদ্যালয়ে পাঠকালেই তাঁর ভেতর সৃষ্টিশীল মননের বিকাশ ঘটে, যা পরবর্তীতে তাঁকে সাহিত্যের আঙিনায় সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করায়। জীবনের পরতে পরতে তিনি জ্ঞানার্জনের স্পৃহাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন; অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাশাপাশি ইংরেজি সাহিত্য, আইন ও ইনফরমেশন টেকনোলজির মতো বৈচিত্র্যময় বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন দেশে ও বিদেশে। খাদ্য নিরাপত্তার উপর আইএফসি ও প্রান গ্রুপের যৌথভাবে প্রদেয় তিনটি অভিজ্ঞানপত্র রয়েছে তাঁর।
তাঁর কর্মজীবন অত্যন্ত বর্ণাঢ্য ও গৌরবোজ্জ্বল। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সুদীর্ঘ ১৮ বছর দায়িত্ব পালনকালে তিনি এয়ারম্যান ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (ATI) অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে টানা ১০ বছর সফল প্রশিক্ষক হিসেবে নতুনদের গড়ে তুলেছেন। বিমান বাহিনীর পাট চুকিয়ে পরবর্তীতে বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠীতে প্রশাসনিক ও উচ্চ ব্যবস্থাপনা পদে কাজ করে একজন দক্ষ পেশাজীবী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কঠিন পেশাগত জীবনের মাঝেও সাহিত্যের প্রতি অনুরাগে তিনি কখনো ভাঁটা পড়তে দেননি। তাঁর লেখনীতে রোমান্টিকতা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার চমৎকার মেলবন্ধন ঘটেছে, যা পাঠক হৃদয়ে আলাদা স্থান করে নিয়েছে।
সাহিত্য অঙ্গনে তাঁর রয়েছে বিপুল ও বৈচিত্র্যময় সৃষ্টি। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'কথা-কাব্য', 'নীরব কথোপকথন', 'আপন-ছায়া', কাব্যধর্মী উপন্যাস 'অতল জলে জলাঞ্জলি' এবং অটোফিকশন উপন্যাস 'শাওনাজ আইল্যান্ড' সুধী মহলে সমাদৃত হয়েছে। প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে কসমিক ফিকশন 'মস্তিষ্কে মহাকাশ' (ও এর ইংরেজি সংস্করণ 'Metacosm Of Mind'), উপন্যাস 'বাঁশফুল', ইংরেজি রোমান্টিক উপন্যাস 'Layla: The Modern Ruth', এবং 'চেয়ার ও চোর', 'প্রণয়-প্রলাপ', 'প্রলয়-প্রলাপ', 'সজনী', 'আলো-ছায়া', 'প্রান্তিক-প্রান্তরে', 'ঋতুরং', শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ 'বাঁকা চাঁদের হাসি', গল্পগ্রন্থ 'মেকাপ-বক্স', ও 'মোমের শেষ শিখা', ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ 'Songs of Insane' সহ বেশ কিছু গ্রন্থ। বর্তমানে তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে লিখছেন তাঁর ৮০ পর্বের বৃহৎ আত্মজীবনী 'আমার জীবন নদীর বাঁকে বাঁকে'।
সাহিত্যের পাশাপাশি দৃশ্যশ্রাব্য মাধ্যমেও তাঁর অবদান অনুস্বীকার্য। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে তাঁর রচিত জনপ্রিয় টেলিফিল্ম 'শুটিং', 'আদর্শ-লিপি' ও 'পরিবর্তন'। গান রচনায় তাঁর দক্ষতা প্রকাশিত হয় ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ বেতারে এবং ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে গান সম্প্রচারের মাধ্যমে। শুধু লেখালেখিই নয়, সঙ্গীতচর্চায়ও তিনি শৌখিন শিল্পী হিসেবে বেশ জনপ্রিয় এবং স্টারমেকার প্ল্যাটফর্মে বেশ উপরের সারিতে স্থান করে নিয়েছেন। সাহিত্য ও শিল্পকলায় এই অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১ সালে তিনি কলকাতার মর্যাদাপূর্ণ ‘বাংলা এক্সপ্রেস পুরস্কার’-এ ভূষিত হন।
ব্যক্তিজীবনে ১৯৯১ সালে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্য সমালোচক নাজমা আশেকীন শাওনের সাথে, যিনি ষাটের দশকের নন্দিত চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব এ কে এম জহিরুল হক ইব্রাহিমের (চলচ্চিত্রে আশেক জহির) দ্বিতীয় কন্যা। এক সফল ও রত্নগর্ভা দাম্পত্যে তাঁদের ঘর আলো করে এসেছে তিন রাজকন্যা, যাঁরা বর্তমানে নিজ মেধা ও যোগ্যতায় যথাক্রমে অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া ও ভারত সরকারের পূর্ণাঙ্গ স্কলারশিপ (Full-funded Scholarship) নিয়ে উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়ন করছেন।












সকাল সকাল মনটা খারাপ করে দিলেন লেখকপ্রিয়, ভালোবাসার এমন নির্মম মৃত্যু কোনভাবেই মেনে নিতে পারছিনা!