<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | Jannatul Ferdausi | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/ferdausi/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/ferdausi/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for Jannatul Ferdausi.</description>
	<lastBuildDate>Wed, 10 Jun 2026 20:13:41 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">924582098fb52c6087d3dcbf7a8217f9</guid>
				<title>\\আমি সেই অমর একুশে//
[জান্নাতুল ফেরদৌসী]
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমি এক জনপদ, আমার নাম বইমেলা,
আমার বুকে জমে ওঠে শব্দের মেলা।
হাজারো মানুষের পদচিহ্নে জাগি আমি ভোরে,
কারো হাতে নতুন বই, কেউ ঘোরে ঘোর ঘোরান্তরে।

কত শত রঙ, কত প্রচ্ছদের মলাট,
খুলে দিই স্বপ্নের হাজারো কপাট।
শিশুর ওই হাসিমাখা রঙিন ছবির পাতায়,
কিংবা কিশোরীর সযত্নে রাখা অটোগ্রাফের খাতায়—
আমি বেঁচে থাকি।

কেউ আসে শুধু দু-চোখ জুড়াতে,
কেউ আসে মলাটের ঘ্রাণটুকু কুড়াতে।
উপহারের মোড়কে যখন আমায় বাঁধো তুমি,
মনে হয় সার্থক হলো আমার এই ধূলিভূমি।

আমি কেবল কাগজ আর কালির স্তূপ নই,
আমি হৃদয়ের টান, আমি এক অমর বই।
দিন শেষে ভিড় কমে, নিভে যায় সব আলো,
তবু আমি অপেক্ষায় থাকি— আমায় বাসবে তো ভালো?</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/238116/</link>
				<pubDate>Sun, 01 Mar 2026 16:10:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>\আমি সেই অমর একুশে//<br />
[জান্নাতুল ফেরদৌসী]<br />
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~<br />
আমি এক জনপদ, আমার নাম বইমেলা,<br />
আমার বুকে জমে ওঠে শব্দের মেলা।<br />
হাজারো মানুষের পদচিহ্নে জাগি আমি ভোরে,<br />
কারো হাতে নতুন বই, কেউ ঘোরে ঘোর ঘোরান্তরে।</p>
<p>কত শত রঙ, কত প্রচ্ছদের মলাট,<br />
খুলে দিই স্বপ্নের হাজারো কপাট।<br />
শিশুর ওই হাসিমাখা রঙিন ছবির পাতায়,<br />
কিংবা কিশো&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-238116"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/238116/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">479200db7364ab2579ef7cadac1f8e1a</guid>
				<title>&quot;মায়ের ভাষা&quot;
[জে,এফ,]
****************************
ফেব্রুয়ারি মাসটি এলে
মনটা কেমন করে,
শহীদ ভাইয়ের স্মৃতিগুলো
পড়ছে মনে জোরে।

রফিক, শফিক, জব্বার আর
সালাম যাদের নাম,
রক্ত দিয়ে রাখল তারা
বাংলা ভাষার দাম।

মিষ্টি মধুর বর্ণমালা
মায়ের মুখেই শুনি,
একুশ মানেই গর্ব আমার
শহীদ মিনার গুনি।

বুকের ভিতর বাংলা ভাষা
প্রাণের চেয়েও দামি,
মায়ের ভাষায় গান গেয়ে তাই
পথ চলি যে আমি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237819/</link>
				<pubDate>Mon, 16 Feb 2026 16:41:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;মায়ের ভাষা&#8221;<br />
[জে,এফ,]<br />
****************************<br />
ফেব্রুয়ারি মাসটি এলে<br />
মনটা কেমন করে,<br />
শহীদ ভাইয়ের স্মৃতিগুলো<br />
পড়ছে মনে জোরে।</p>
<p>রফিক, শফিক, জব্বার আর<br />
সালাম যাদের নাম,<br />
রক্ত দিয়ে রাখল তারা<br />
বাংলা ভাষার দাম।</p>
<p>মিষ্টি মধুর বর্ণমালা<br />
মায়ের মুখেই শুনি,<br />
একুশ মানেই গর্ব আমার<br />
শহীদ মিনার গুনি।</p>
<p>বুকের ভিতর বাংলা ভাষা<br />
প্রাণে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237819"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237819/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">99e3a6c0d4e2978a6f02e842c205420b</guid>
				<title>৲৲দম্ভের অবসান৴৴
[ জান্নাতুল ফেরদৌসী ]
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আকাশ ছোঁয়ার মিথ্যে নেশায় মত্ত যারা অতি,
বিনয় ভুলে হারাচ্ছে তারা মানুষ হওয়ার জ্যোতি।
কথার ভারে অন্যকে পিষে নিজেকে ভাবে রাজা,
হৃদয়শূন্য অহংকারে পায় যে তারা সাজা।

বড়ো হওয়ার নেশায় ডুবে ছোটো করে যায় সব,
ভুলে যায় এই মহাকালের নীরব কলরব।
মাটির মানুষ মাটির ঘরেই ফিরবে একদিন শেষে,
সব দম্ভ ধুলোয় মিশে বিলীন হবে হেসে।

উঁচু মাথা নিচু হয় যখন ফুরিয়ে আসে বেলা,
বুঝতে পারে সাঙ্গ হলো মাটির পুতুল খেলা।
বড়ো হওয়া তো কঠিন নয়, যদি হৃদয় থাকে খোলা,
আসল মানুষ সেই তো যে জন দেয় না দুঃখের দোলা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237779/</link>
				<pubDate>Sun, 15 Feb 2026 09:07:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>৲৲দম্ভের অবসান৴৴<br />
[ জান্নাতুল ফেরদৌসী ]<br />
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~<br />
আকাশ ছোঁয়ার মিথ্যে নেশায় মত্ত যারা অতি,<br />
বিনয় ভুলে হারাচ্ছে তারা মানুষ হওয়ার জ্যোতি।<br />
কথার ভারে অন্যকে পিষে নিজেকে ভাবে রাজা,<br />
হৃদয়শূন্য অহংকারে পায় যে তারা সাজা।</p>
<p>বড়ো হওয়ার নেশায় ডুবে ছোটো করে যায় সব,<br />
ভুলে যায় এই মহাকালের নীরব কলরব।<br />
মাটির মানুষ মাটির ঘরেই ফ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237779"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237779/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a1bf665977f81c4ff23a5aa5125e0e24</guid>
				<title>&quot;ঋতুরাজ আসলো ফিরে&quot;
[ জে,এফ, ]
&#x1f33a;&#x1f338;&#x1f33c;&#x1f33b;&#x1f339;&#x1f337;&#x1fab7;
শুকনো পাতার নূপুর পায়ে, বিদায় নিলো শীত,
বনের কোণে কোকিল গাহে নতুন সুরের গীত।
রক্তরাঙা শিমুল-পলাশ মেললো রঙিন পাখা,
প্রকৃতি আজ সেজেছে বরণ-সাঁজে, নেই তো মলিন মাখা।
বাতাস বয়ে আনে মাটির সুবাস, আমের মুকুল হাসে,
ফাগুন আকাশ মত্ত বিভোর মাটির গন্ধে ভাসে।
খোঁপা জুড়ে গাঁদা ফুলের ভিড়, বাসন্তী রঙ শাড়ি,
বসন্ত আজ মন কেড়েছে, দিচ্ছে স্মৃতির পাড়ি।
হৃদয় গহিন কোণে আজ জাগলো খুশির রেণু,
উতাল হাওয়ায় বাজছে যেন বসন্তেরই বেণু।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237764/</link>
				<pubDate>Sat, 14 Feb 2026 17:13:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;ঋতুরাজ আসলো ফিরে&#8221;<br />
[ জে,এফ, ]<br />
&#x1f33a;&#x1f338;&#x1f33c;&#x1f33b;&#x1f339;&#x1f337;&#x1fab7;<br />
শুকনো পাতার নূপুর পায়ে, বিদায় নিলো শীত,<br />
বনের কোণে কোকিল গাহে নতুন সুরের গীত।<br />
রক্তরাঙা শিমুল-পলাশ মেললো রঙিন পাখা,<br />
প্রকৃতি আজ সেজেছে বরণ-সাঁজে, নেই তো মলিন মাখা।<br />
বাতাস বয়ে আনে মাটির সুবাস, আমের মুকুল হাসে,<br />
ফাগুন আকাশ মত্ত বিভোর মাটির গন্ধে ভাসে।<br />
খোঁপা জুড়ে গাঁদা ফুলের ভিড়, বাসন্তী রঙ শাড়ি,<br />
বসন্ত আজ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237764"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237764/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">94a5d3cb7bfe7788681216bcd65b1116</guid>
				<title>&quot; বহুরূপী মুখোশ&quot;
[জে,এফ,]
```````````````````````````````````````````````````````````````````````
মুখে দাড়ি, মাথায় টুপি, চলনে ধার্মিক, 
তলে তলে নষ্ট মানুষ, চরিত্রে অধার্মিক।
 নামাজ রোজা লোকদেখানো, অন্তরেতে বিষ, 
স্বার্থের লাগি দিচ্ছে সে যে কতই অহর্নিশ।

ঘরেতে তার স্ত্রী কাঁদে, পায় না সম্মান, 
বাইরে গিয়ে দেখায় সে যে কতই বড় জান! 
আদর্শ স্বামী সাজে সে যে সবার চোখের সামনে,
চরিত্রহীন লম্পট সে, ঘোরে পাপের টানে।

মানুষের মনে দিয়ে ব্যথা, মুখে মিষ্ট হাসি, 
ভণ্ডামিতে পূর্ণ জীবন, গলায় মিথ্যার ফাঁসি। 
নামের পরে নামাযি সে, কর্মে নাস্তিক ঘোর, 
দিনের আলোয় সাধু সে যে, রাতের আঁধারে চোর।

মনে রেখো হে ভণ্ড, স্রষ্টা সব দেখেন,
 তোমার পাপের খতিয়ান ডায়েরিতে লিখে রাখেন। 
আসল মুমিন সেই তো হয়, যার চরিত্র খাঁটি, 
মুখোশ খুলে দেখবে একদিন, তুমি তো কেবল মাটি।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237609/</link>
				<pubDate>Sat, 07 Feb 2026 13:09:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8221; বহুরূপী মুখোশ&#8221;<br />
[জে,এফ,]<br />
&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;&#8220;`<br />
মুখে দাড়ি, মাথায় টুপি, চলনে ধার্মিক,<br />
তলে তলে নষ্ট মানুষ, চরিত্রে অধার্মিক।<br />
 নামাজ রোজা লোকদেখানো, অন্তরেতে বিষ,<br />
স্বার্থের লাগি দিচ্ছে সে যে কতই অহর্নিশ।</p>
<p>ঘরেতে তার স্ত্রী কাঁদে, পায় না সম্মান,<br />
বাইরে গিয়ে দেখায় সে যে কতই বড় জান!<br />
আদর্শ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237609"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237609/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b77a521f67db224812ec82062c1ba6c0</guid>
				<title>&#x1f33a;নব্য জন্ম&#x1f33a;
        -J.F.
&#x1fab6;&#x1fab6;&#x1fab6;&#x1fab6;&#x1fab6;&#x1fab6;&#x1fab6;&#x1fab6;&#x1fab6;

পুরোনো সে দিন ধুলোর মতন উড়িয়ে দিয়ে বায়ু,
 নতুন প্রাণের আবাহন আজ বাড়ায় পরম আয়ু। 
জন্ম মানেই নতুন জন্মানো পরমাত্মার টানে, 
হৃদয়কুটির পূর্ণ হবে যে ঐশ্বরিক গানে।

জরা ও গ্লানি দূরে সরে যায় ভোরের আলো হাসে, 
পুণ্য আলোক নামুক ধরায় সবার চারপাশে। 
দেহ তো কেবল নশ্বর আধার জীর্ণ হওয়ার ডর, 
জন্মদিনটি মনে করিয়ে দেয় আত্মা যে অমর।

বছর বছর আসে এই দিন নতুন হওয়ার লাগি, 
ভুলিয়ে দিতে ক্ষুদ্র আমিত্ব আমরা যেন জাগি।
 সবার জীবন সার্থক হোক সত্যের সে পথে, 
যাত্রা চলুক মহাজীবনের দিব্য আলোক রথে।

আজকে সবার জন্মদিন হোক শুদ্ধ হওয়ার ক্ষণ, 
সবার মাঝে জন্ম নিক সে পরম এক জন। 
আধ্যাত্মিক এই চেতনায় ধন্য হোক প্রাণ,
 নতুন জন্ম আনবে বয়ে আজ শান্তিরই কল্যাণ !!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237227/</link>
				<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 16:57:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f33a;নব্য জন্ম&#x1f33a;<br />
        -J.F.<br />
&#x1fab6;&#x1fab6;&#x1fab6;&#x1fab6;&#x1fab6;&#x1fab6;&#x1fab6;&#x1fab6;&#x1fab6;</p>
<p>পুরোনো সে দিন ধুলোর মতন উড়িয়ে দিয়ে বায়ু,<br />
 নতুন প্রাণের আবাহন আজ বাড়ায় পরম আয়ু।<br />
জন্ম মানেই নতুন জন্মানো পরমাত্মার টানে,<br />
হৃদয়কুটির পূর্ণ হবে যে ঐশ্বরিক গানে।</p>
<p>জরা ও গ্লানি দূরে সরে যায় ভোরের আলো হাসে,<br />
পুণ্য আলোক নামুক ধরায় সবার চারপাশে।<br />
দেহ তো কেবল নশ্বর আধার জীর্ণ হওয়ার ডর,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237227"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237227/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">859de3bb996eccaa7aca8116dc96011f</guid>
				<title>মনটা কেন ভার ? 
- জে,এফ,
&#x1f914;&#x1f914;&#x1f914;

মেঘ জমেছে বুকের কোণে বৃষ্টি নামে ঝরঝর, 
আজকে আমার নিজের শহর লাগছে ভীষণ পর পর। 
আয়না দেখি ছায়া দেখি দেখি ঘরের দেয়ালটা, 
কেউ বোঝে না মন-খারাপের অদ্ভুত এই খেয়ালটা।

জানলা ঘেঁষে বসে আছি তাকিয়ে দূরে আকাশ পানে, 
শুন্যতা সব ভিড় করেছে আজ দুপুরে গানে গানে।
 চায়ের কাপে ধোঁয়া ওড়ে ফুরিয়ে গেছে বিস্কুটও, 
ইচ্ছে করে হারিয়ে ফেলি সকল বাঁধন ঘুটঘুটো।

হাসতে গেলে কান্না আসে বলতে গেলে কথা নেই,
 পুরানো সব স্মৃতির পাতায় ডায়েরি ভরা তথাই সেই। 
অচেনা এক বিষাদ এসে দখল করে রাজ্যটা, 
কেমন যেন পাল্টে গেছে চেনা ভুবন ধাজ্যটা।

পাখিরা সব ফিরছে ঘরে ডানা ঝাপটে নিঝুম সাঁঝ,
 আমার মনে তবুও কেন জমল এত কাজের কাজ?
 আরেকটু পথ চলতে হবে আঁধার মাখা এই রাতে, 
হয়তো আলো মিলবে আবার নতুন কোনো প্রভাতে।

যাক না বেলা কাটুক সময় থাকুক কিছু হাহাকার, 
বুকের ভেতর জমতে থাকা একলা হওয়া নীল আধার।
 আবার আমি স্বপ্ন বুনব হাসব আবার নতুন করে, 
আজকের এই মন-খারাপটা না হয় থাকুক সঙ্গী হয়ে।।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/237122/</link>
				<pubDate>Fri, 16 Jan 2026 11:40:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মনটা কেন ভার ?<br />
&#8211; জে,এফ,<br />
&#x1f914;&#x1f914;&#x1f914;</p>
<p>মেঘ জমেছে বুকের কোণে বৃষ্টি নামে ঝরঝর,<br />
আজকে আমার নিজের শহর লাগছে ভীষণ পর পর।<br />
আয়না দেখি ছায়া দেখি দেখি ঘরের দেয়ালটা,<br />
কেউ বোঝে না মন-খারাপের অদ্ভুত এই খেয়ালটা।</p>
<p>জানলা ঘেঁষে বসে আছি তাকিয়ে দূরে আকাশ পানে,<br />
শুন্যতা সব ভিড় করেছে আজ দুপুরে গানে গানে।<br />
 চায়ের কাপে ধোঁয়া ওড়ে ফুরিয়ে গেছে বিস্কুটও,<br />
ইচ্ছে ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-237122"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/237122/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6d873725cbfca802233e2952ae0ef210</guid>
				<title>শীতের সকাল হিমেল হাওয়া, পাখির গানে দিনটি পাওয়া।
 রোদের মায়ায় কাটুক বেলা, শুভেচ্ছা নাও সকাল বেলা।
                                                                                [জে,এফ,]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236457/</link>
				<pubDate>Fri, 26 Dec 2025 05:39:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শীতের সকাল হিমেল হাওয়া, পাখির গানে দিনটি পাওয়া।<br />
 রোদের মায়ায় কাটুক বেলা, শুভেচ্ছা নাও সকাল বেলা।<br />
                                                                                [জে,এফ,]</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e0dd5f4bc51b72cbca0592f65fa610d6</guid>
				<title>মাঝে মাঝে,ধরে নেওয়া যায় অধিকাংশ সময় আমি &#039;&#039;তুলট মঞ্চে&#039;&#039; প্রবেশই করতে পারি না। লোড হতেই থাকে....ঘুরতেই থাকে ঘুরতেই থাকে......অবশেষে আমিই ঘুরে পড়ে যায়!!
[শুভকামনা রইল লেখক মঞ্চের লেখকদের জন্য]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236407/</link>
				<pubDate>Wed, 24 Dec 2025 12:13:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মাঝে মাঝে,ধরে নেওয়া যায় অধিকাংশ সময় আমি &#8221;তুলট মঞ্চে&#8221; প্রবেশই করতে পারি না। লোড হতেই থাকে&#8230;.ঘুরতেই থাকে ঘুরতেই থাকে&#8230;&#8230;অবশেষে আমিই ঘুরে পড়ে যায়!!<br />
[শুভকামনা রইল লেখক মঞ্চের লেখকদের জন্য]</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">63c92f25f8000ebf9d7800f6c5e1d234</guid>
				<title>&#x1f33a;নিঃস্বার্থের ব্যবচ্ছেদ&#x1f33a;
         [ জে,এফ, ]
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

সহজেই ঘর বাঁধি বিশ্বাসের নরম মাটিতে, 
ভুল করে ভাবি— সবাই বুঝি হৃদয়ের খোঁজ রাখে।
 আমি বিলিয়ে দিই অকাতরে জমানো সবটুকু মায়া, 
অথচ মানুষ খোঁজে কেবল এক টুকরো স্বার্থের ছায়া।

সবুজ ঘাসে শিশির যেমন ক্ষণিকের অতিথি হয়, 
তেমন করেই মানুষ আসে, জাগিয়ে দিয়ে ভয়।
 আমি উজাড় করে দিই আমার যতো ছিল সঞ্চয়, 
বিনিময়ে পাই কেবল এক বুক বিষাদ আর পরাজয়।

প্রয়োজন শেষে যখন পাল্টে যায় চেনা সব সুর, 
বুঝে নিই— আমি ছিলাম কেবল অলস সময়ের রোদ্দুর। 
মেঘের আড়ালে হারিয়ে যাওয়া ম্লান কোনো এক আলো, 
যাকে কেবল আঁধার ঘিরলেই বাসে সবাই ভালো।

কেউ ভালোবাসা নিতে আসে, কেউ আসে সময় কাটাতে, 
দিনশেষে আমিই একা থাকি নিজের শূন্য হাতটাতে। 
যাদের জন্য সাজিয়েছিলাম স্বপ্নের এক রঙিন শহর, 
তারাই আজ কেড়ে নিলো আমার প্রশান্তির প্রহর।

নিঃস্বার্থ হওয়ার মাশুল দিতে হয় বারেবার একা হয়ে,
 দীর্ঘশ্বাসের তপ্ত হাওয়া নীল বেদনার নদী বয়ে। 
মরীচিকার পিছে ছুটে ফুরিয়ে যায় চেনা সব পথ, 
ভেঙে যায় বালুর ঘর, থেমে যায় জীবনের রথ।

মানুষের ভীড়ে আমি এক অচেনা নির্জন দ্বীপ, 
কপালে পরেছি আজ ক্লান্তির এক কালচে টিপ। 
মুখোশের আড়ালে হাসে স্বার্থপরতার নিপুণ কারসাজি, 
আমি হারতে হারতেও কেন জানি জেতানোর বাজি।

আক্ষেপ নেই কোনো, আছে শুধু এক গভীর উপলব্ধি, 
মানুষ চেনার ব্যাকরণটাই জীবনের শ্রেষ্ঠ বিসংগতি। 
শূন্যতার এই ব্যবচ্ছেদে নিজেকেই ফিরে পাওয়া ঢের, 
নিঃস্বার্থ মায়ায় ডুবে থাকা— এক আজব নেশার ফের........&#x270d;&#xfe0f;

&#x1f343;&#x1f343;&#x1f343;&#x1f343;&#x1f343;&#x1f343;--------------&#x1f343;&#x1f343;&#x1f343;&#x1f343;&#x1f343;&#x1f343;

[{( মানুষ চেনার ব্যাকরণটা বড় কঠিন। নিজের সবটুকু দিয়েও দিনশেষে প্রাপ্তি যখন শূন্য, তখনই বোঝা যায় নিঃস্বার্থ হওয়ার মাশুল কতটা ভারী।)}</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236311/</link>
				<pubDate>Sat, 20 Dec 2025 10:10:48 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f33a;নিঃস্বার্থের ব্যবচ্ছেদ&#x1f33a;<br />
         [ জে,এফ, ]<br />
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~</p>
<p>সহজেই ঘর বাঁধি বিশ্বাসের নরম মাটিতে,<br />
ভুল করে ভাবি— সবাই বুঝি হৃদয়ের খোঁজ রাখে।<br />
 আমি বিলিয়ে দিই অকাতরে জমানো সবটুকু মায়া,<br />
অথচ মানুষ খোঁজে কেবল এক টুকরো স্বার্থের ছায়া।</p>
<p>সবুজ ঘাসে শিশির যেমন ক্ষণিকের অতিথি হয়,<br />
তেমন করেই মানুষ আসে, জাগ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236311"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236311/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ebaaac7263364c5993da12f06e0d1e72</guid>
				<title>&#039;&#039;মানব মন: ভুলবুঝাবুঝির বাস্কেটে বন্দি এক টুকর কাঁকর&#039;&#039;
( J.F. )
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
মানব মন এক অদ্ভুত যন্ত্র। আমরা ভাবি, বুঝি, সিদ্ধান্ত নিই—কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত কতটা সত্যের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। কারণ মানব মন অনেক সময় বাস্তবতার চেয়ে নিজের তৈরি ধারণার ওপর বেশি ভরসা করে। আর এখান থেকেই জন্ম নেয় ভুলবুঝাবুঝি।

আমরা যা দেখি, তা কি পুরো সত্য?
একই ঘটনা দুইজন মানুষ ভিন্নভাবে দেখে। কারণ আমাদের দেখা কেবল চোখ দিয়ে নয়—দেখা হয় অভিজ্ঞতা, স্মৃতি আর মানসিক অবস্থার ভেতর দিয়ে। তাই কারও একটি সাধারণ কথা অন্যের মনে আঘাত হয়ে ধরা দিতে পারে। আসলে ঘটনাটি নয়, আমাদের ব্যাখ্যাই সমস্যা তৈরি করে।

অনুমান: ভুলের সবচেয়ে সহজ রাস্তা
মানুষ প্রশ্ন করার চেয়ে অনুমান করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
—“ও নিশ্চয়ই এমনটাই ভেবেছে”
—“ও ইচ্ছে করেই এমন করেছে”

এই অনুমানগুলো প্রমাণ ছাড়াই মনে গেঁথে যায়। পরে মন সেই ধারণাকেই সত্য ধরে আবেগ তৈরি করে। এভাবেই মানব মন নিজেই নিজের ভুলবুঝাবুঝির বাস্কেট ভরতে থাকে।

শোনা কম, বলা বেশি
আমরা কথা বলতে ভালোবাসি, কিন্তু শুনতে চাই না। অন্যের বক্তব্য শেষ হওয়ার আগেই উত্তর প্রস্তুত থাকে। ফলে বোঝার সুযোগ নষ্ট হয়। সম্পর্ক, বন্ধুত্ব কিংবা দৈনন্দিন যোগাযোগ—সবখানেই এই না-শোনার অভ্যাস ভুল বোঝাবুঝিকে আরও গভীর করে তোলে।

তথ্যের ভিড়, বোঝার অভাব
আজ তথ্যের অভাব নেই, কিন্তু বোঝার অভাব প্রকট। অল্প পড়েই সিদ্ধান্ত, অল্প জানাতেই মতামত—এই প্রবণতা মানব মনকে আরও বিভ্রান্ত করে। ফলে সত্য আর ধারণার পার্থক্য মুছে যেতে থাকে।

মুক্তির পথ কোথায়?
ভুলবুঝাবুঝির এই বাস্কেট থেকে বেরোতে চাইলে কিছু অভ্যাস বদলানো জরুরি—

নিজের ভুল হতে পারে—এটা মেনে নেওয়া

অনুমানের বদলে প্রশ্ন করা

উত্তর দেওয়ার আগে মন দিয়ে শোনা

আবেগের আগে যুক্তিকে গুরুত্ব দেওয়া

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—সহানুভূতিশীল হওয়া।

মানব মন নিখুঁত নয়, আর সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সচেতন না হলে এই মন ভুলবুঝাবুঝির বাস্কেটে আটকে পড়ে। বোঝার ইচ্ছা আর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকলে সেই বাস্কেট ভেঙে বেরিয়ে আসা সম্ভব। তখনই মন হালকা হয়, সম্পর্ক পরিষ্কার হয়, আর জীবন একটু সহজ লাগে।                                                                                                                       

[ 15.12.2025 ]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236170/</link>
				<pubDate>Mon, 15 Dec 2025 17:50:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8221;মানব মন: ভুলবুঝাবুঝির বাস্কেটে বন্দি এক টুকর কাঁকর&#8221;<br />
( J.F. )<br />
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~<br />
মানব মন এক অদ্ভুত যন্ত্র। আমরা ভাবি, বুঝি, সিদ্ধান্ত নিই—কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত কতটা সত্যের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। কারণ মানব মন অনেক সময় বাস্তবতার চেয়ে নিজের তৈরি ধারণার ওপর বেশি ভরসা করে। আর এখান থেকে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236170"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236170/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a2b1433dd58a00735eb5ee6f9b498878</guid>
				<title>অনুগল্প: “নোটিফিকেশন”
               (জান্নাতুল ফেরদৌসী)


মোবাইলটা ভাইব্রেট করলেই রাশেদ চমকে ওঠে।
খাবার টেবিলে বসে আছে, সামনে গরম ভাত, পাশে ঠান্ডা হয়ে যাওয়া তরকারি—কিন্তু চোখ আটকে আছে স্ক্রিনে।

একটা নোটিফিকেশন।
তারপর আরেকটা।
তারপর আরেকটা।

কখন যে ভাত শেষ হয়ে যায়, সে নিজেও টের পায় না।

রাশেদের ছেলেটা, ছয় বছরের আদনান, চুপচাপ তাকিয়ে থাকে বাবার দিকে।
“আব্বু, আজকে গল্প বলবা?”
রাশেদ মাথা না তুলেই বলে,
“এখন না বাবা, একটু ব্যস্ত।”

ব্যস্ততা আসলে কী—রাশেদ নিজেও জানে না।
কাজ শেষ, অফিস মেইল চেক করা হয়েছে, তবু স্ক্রল থামে না।
কারো সাফল্যের ছবি, কারো বিলাসী জীবনের ভিডিও, কারো নিখুঁত পরিবারের গল্প—সবই চোখের সামনে।

হঠাৎ সে বুঝতে পারে, তার বুকের ভেতর অদ্ভুত এক চাপ।
নিজের জীবনটাকে ছোট মনে হয়।
অসম্পূর্ণ লাগে।

রাত গভীর হলে মোবাইলটা বালিশের পাশে রেখে ঘুমাতে যায় সে।
কিন্তু ঘুম আসে না।

পরদিন সকালে আদনান স্কুলে যাওয়ার সময় বলে,
“আব্বু, আজকে তুমি আমার সাথে হাঁটবা তো?”

রাশেদ এবার মোবাইলটা পকেটে রাখে।
ছেলেটার হাত ধরে হাঁটে।
রাস্তার ধুলো, কাকের ডাক, সকালের আলো—সবকিছু যেন নতুন করে দেখে।

হাঁটতে হাঁটতে আদনান হঠাৎ হেসে বলে,
“আব্বু, তুমি আজকে হাসতেছ।”

রাশেদ থমকে যায়।
হ্যাঁ, সে সত্যিই হাসছে।

সেদিন রাতে মোবাইলটা চার্জে দিয়েই অন্য ঘরে রেখে দেয় সে।
আদনানকে গল্প শোনায়।
স্ত্রীর সাথে কথা বলে।
নিজের ভেতরের কোলাহলটা একটু শান্ত হয়।

নোটিফিকেশন কমে না।
কিন্তু রাশেদ শিখে যায়—
সব শব্দে কান দিতে নেই।

কারণ- জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো নীরবেই ঘটে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236136/</link>
				<pubDate>Sun, 14 Dec 2025 16:27:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনুগল্প: “নোটিফিকেশন”<br />
               (জান্নাতুল ফেরদৌসী)</p>
<p>মোবাইলটা ভাইব্রেট করলেই রাশেদ চমকে ওঠে।<br />
খাবার টেবিলে বসে আছে, সামনে গরম ভাত, পাশে ঠান্ডা হয়ে যাওয়া তরকারি—কিন্তু চোখ আটকে আছে স্ক্রিনে।</p>
<p>একটা নোটিফিকেশন।<br />
তারপর আরেকটা।<br />
তারপর আরেকটা।</p>
<p>কখন যে ভাত শেষ হয়ে যায়, সে নিজেও টের পায় না।</p>
<p>রাশেদের ছেলেটা, ছয় বছরের আদনান, চুপচাপ তাকিয়ে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-236136"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/236136/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1b68fdc4e0c48d4a8909c34079b27f98</guid>
				<title>&quot;তুলটের পাতায়,
কী লিখি তোমায়&quot;- [জে,এফ.]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/236004/</link>
				<pubDate>Thu, 04 Dec 2025 17:10:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;তুলটের পাতায়,<br />
কী লিখি তোমায়&#8221;- [জে,এফ.]</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1d89de0e2f86d594075311d63829c10f</guid>
				<title>গদ্যকবিতা: &#039;&#039;খড়কুটোর মহাদ্বীপ&#039;&#039;
[ জান্নাতুল ফেরদৌসী ]
===============================================================

ফেলে দেওয়া খড়কুটোগুলো আজও বাতাসে উড়ে বেড়ায়—
যেন পৃথিবীর সমস্ত ভুলে যাওয়া গল্পেরা ভেসে আসে ভাঙ্গাচোরা ডানায় করে।
রাস্তার ধুলোর পাশে জমে থাকা সেই আবর্জনার স্তুপ,
নোংরা বলে যাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাই,
তার ভেতরেই লুকিয়ে থাকে এক অদ্ভুত জন্মবৃত্তান্ত—
অস্তিত্বের, ভাঙনের, আবার গড়ে ওঠার।

কেউ ফেলে দিয়েছে ভিজে গন্ধমাখা খবরের কাগজ—
যেখানে হয়তো ছিল এক খণ্ড স্বপ্নের সংবাদ।
এক শিশুর পাতলা প্লাস্টিকের গাড়ি পড়ে আছে চাকার গুঁড়ো হয়ে—
যেন শৈশবেরই কোনো অদৃশ্য কবর।
টুকরো টুকরো ইট, ভাঙা কাঁচ, শুকনো পাতার মতো
দেহহারা স্মৃতিগুলো জমে আছে দলা পাকিয়ে।

কিন্তু এসবই তো জীবনের আসল চিত্র—
যেখানে সুন্দর আর নোংরা, আলো আর আবর্জনা,
সবাই মিলে একাকার হয়ে যায়।
খড়কুটো মানে কেবল ফেলে দেওয়া নয়;
এগুলোই তো মানুষ বেঁচে থাকার নিঃশব্দ প্রমাণ—
যা আমরা ছুঁড়ে ফেললেও পৃথিবী আগলে রাখে নিজের মতো করে।

একদিন দেখলাম, টিনের কৌটা থেকে জন্ম নেয়া ক্ষুদ্র ঘাস
আবর্জনার মধ্যে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে।
রাস্তার শেষে শুকনো খড়ের উপর পড়ে থাকা রোদ
হঠাৎ যেন আলতা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে—
এক মুহূর্তে মনে হলো,
সব ফেলে দেওয়া জিনিসই কি আসলে ফেলে দেওয়া?
নাকি আমরা-ই বুঝতে পারিনি তাদের গল্প বলার ভাষা?

ফাটা স্যান্ডেলের রাবারটাও হয়তো জানে
দীর্ঘ পথের ক্লান্তি কেমন হয়।
চুপিচুপি পড়ে থাকা বোতলের ভেতর জমা থাকে
কত অদেখা আকাশ, কত মানুষের হাতের ছাপ।
একটি ছেঁড়া কাপড়, যাকে কেউ দেখে না,
তা-ও হয়তো একদিন কারও কাঁধে বৃষ্টির হাত থেকে
আড়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

হয়তো আসল সৌন্দর্যকে খুঁজতে হলে
ফুলের বাগানে নয়,
এই আবর্জনার পাহাড়েই মাথা ঝুকিয়ে দাঁড়াতে হয়—
যেখানে প্রতিটি ভাঙা টুকরোই বলে,
আমরা একসময় কারও প্রয়োজন ছিলাম,
তাই মানুষের জীবন এখনও আমাদের গন্ধ বহন করে।

আমি তাই খড়কুটোর এই মহাদ্বীপে হাঁটতে হাঁটতে
হঠাৎই আবিষ্কার করি—
অবহেলায় ফেলে দেওয়া জিনিসগুলোই
আমাকে শিখিয়ে দেয়
বেঁচে থাকার সবচেয়ে বড় পাঠ:
অপ্রয়োজনীয় বলে কেউ জন্মায় না;
অবহেলিতরাও আলো ধরতে পারে নিজের মতো করে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235926/</link>
				<pubDate>Sun, 30 Nov 2025 18:38:47 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গদ্যকবিতা: &#8221;খড়কুটোর মহাদ্বীপ&#8221;<br />
[ জান্নাতুল ফেরদৌসী ]<br />
===============================================================</p>
<p>ফেলে দেওয়া খড়কুটোগুলো আজও বাতাসে উড়ে বেড়ায়—<br />
যেন পৃথিবীর সমস্ত ভুলে যাওয়া গল্পেরা ভেসে আসে ভাঙ্গাচোরা ডানায় করে।<br />
রাস্তার ধুলোর পাশে জমে থাকা সেই আবর্জনার স্তুপ,<br />
নোংরা বলে যাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাই,<br />
তার ভেতরে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-235926"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/235926/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">94edd4df31a9469e2b34d317395f4874</guid>
				<title>&#x1f336;&#xfe0f; মসলার রাজ্য &#x1f336;&#xfe0f;   
[ জান্নাতুল_ফেরদৌসী ]
&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;
 হলুদ রঙে ঝলমল ভাত,  
রান্নাঘরে বাজে ঘ্রাণের রাত। 
 লবণ বলে, “আমায় দিও না ভুলে,”  
নইলে স্বাদটা হারাবে কূলে। 

মরিচ হেসে বলে, “আমি ঝাল!” 
খেলে সবাই করে হালু হালু চাল।
 জিরা বলে, “আমায় দাও ভাজা,” 
ঘ্রাণে তোমার মন হবে সাঝা। 
 
ধনে বলে, “আমি মিষ্টি মশলা,” 
 ভর্তা-বিরিয়ানি করি উজ্জ্বলা। 
দারুচিনি বলে, “আমি গন্ধরাজ,” 
পোলাওয়ে দিলে বাড়ে সাজ। 

এলাচ ছোট্ট কিন্তু বড় কাম, 
 মিষ্টির মাঝে আনি নামধাম। 
 লবঙ্গ বলে, “আমি তেজী ভাই,” 
কাশি হলে আমাকেই চাও তাই। 

জয়ফল বলে, “ঘ্রাণে মাতাল,” 
কোরমার বাটিতে করি জ্বালাময় কাল। 
জায়ত্রি হাসে, “আমি তার বোন,” 
একসাথে দিলে রসে মন।
 
পেঁয়াজ-রসুন, দুজন বন্ধু, 
রান্না ছাড়া চলে না গন্ধু! 
 আদা বলে, “আমি ঝাঁজের রাজা,” 
চায়ের কাপে আমায় সাজা!”
 
তেজপাতা নাচে দারুচিনির পাশে, 
ঘ্রাণে ভরে যায় হাঁড়ির আশে। 
সব মসলা মিলে করে উৎসব, 
স্বাদের জগতে হয় নববসন্তের ভাব!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/235046/</link>
				<pubDate>Tue, 04 Nov 2025 18:29:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f336;&#xfe0f; মসলার রাজ্য &#x1f336;&#xfe0f;<br />
[ জান্নাতুল_ফেরদৌসী ]<br />
&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;<br />
 হলুদ রঙে ঝলমল ভাত,<br />
রান্নাঘরে বাজে ঘ্রাণের রাত।<br />
 লবণ বলে, “আমায় দিও না ভুলে,”<br />
নইলে স্বাদটা হারাবে কূলে। </p>
<p>মরিচ হেসে বলে, “আমি ঝাল!”<br />
খেলে সবাই করে হালু হালু চাল।<br />
 জিরা বলে, “আমায় দাও ভাজা,”<br />
ঘ্রাণে তোমার মন হবে সাঝা। </p>
<p>ধনে বলে, “আমি মিষ্টি মশলা,”<br />
 ভর্তা-বিরিয়ানি করি উজ্জ্বলা।<br />
দা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-235046"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/235046/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a48f3cf442f91efc88942cb9eb26e412</guid>
				<title>&#x1f496;&#x1f496; তুমি আমার স্বপ্নের রাজকুমার&#x1f496;&#x1f496;
                [ জান্নাতুল_ফেরদৌসী ]
&#x2728;&#x2728;&#x1f319;
চাঁদভেজা নিঃশব্দ রাতের কিনারায়,
রুপালি আলোয় নেমে এলে তুমি—
চোখে ছিল অজানা কোনো নক্ষত্রের ছায়া,
আমি থেমে গেলাম, সময় থেমে গেল আমার ভেতরে।
তোমার মুখে জেগে উঠল দূর নক্ষত্রের হাসি,
তোমার কণ্ঠে বাজল নরম কোনো প্রতিশ্রুতি।
তুমি কি জানো, তোমার নাম শুনলেই
আমার নিঃশ্বাসে ফুল ফোটে নীরবে?
তোমার দিকে তাকালে আমি হারাই সব ভাষা,
মনে হয়, এ পৃথিবী কেবল তোমাকেই সাজাতে তৈরি হয়েছে।
তোমার চোখের গভীরে এক সমুদ্র আছে,
যার ঢেউয়ে ডুবে যেতে ইচ্ছে করে প্রতিরাতে।
তুমি যখন মৃদু হাসো,
বাতাসেরাও থেমে যায় আমার চুলে আলতো ছোঁয়া দিতে।
তোমার ছায়ার সান্নিধ্যে পৃথিবী রঙিন হয়ে ওঠে,
সব নক্ষত্র তোমার নামেই আলো ছড়ায়।
তুমি আমার নীরব স্বপ্নের জ্যোৎস্না,
তোমার নীরবতায় আমি খুঁজে পাই নিজের সঙ্গীত।
তোমার পদচারণায় রচিত হয় আমার কবিতা,
তুমি হেঁটে গেলে মাটিও যেন সুগন্ধ ছড়ায়।
আমি তোমায় দেখি প্রতিটি ভোরের শিশিরে,
প্রতিটি সন্ধ্যার ম্লান আলোয় তোমার ছায়া আঁকি।
তুমি আমার সমস্ত অপূর্ণতার পূর্ণতা,
তোমার হাতে রাখতেই জীবনের অর্থ খুঁজে পাই।
তুমি যদি কখনো ফিরে তাকাও,
দেখবে আমি তখনও তোমার চোখের আকাশে অপেক্ষমান—
নিঃশব্দ, নিঃশেষ, অথচ চিরঅমর।
তুমি আমার স্বপ্নের রাজকুমার,
আর আমি কেবল তোমার নীরব প্রেমের দাসী।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/234819/</link>
				<pubDate>Fri, 31 Oct 2025 17:54:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f496;&#x1f496; তুমি আমার স্বপ্নের রাজকুমার&#x1f496;&#x1f496;<br />
                [ জান্নাতুল_ফেরদৌসী ]<br />
&#x2728;&#x2728;&#x1f319;<br />
চাঁদভেজা নিঃশব্দ রাতের কিনারায়,<br />
রুপালি আলোয় নেমে এলে তুমি—<br />
চোখে ছিল অজানা কোনো নক্ষত্রের ছায়া,<br />
আমি থেমে গেলাম, সময় থেমে গেল আমার ভেতরে।<br />
তোমার মুখে জেগে উঠল দূর নক্ষত্রের হাসি,<br />
তোমার কণ্ঠে বাজল নরম কোনো প্রতিশ্রুতি।<br />
তুমি কি জানো, তোমার নাম শুনলেই<br />
আমার নিঃ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-234819"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/234819/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f6fe56b18437bb1df70f468c71b0175e</guid>
				<title>গদ্যকবিতা: &#x1f3ad;মানুষ নেই আর, কেবল মুখোশ আছে&#x1f3ad;
[ জান্নাতুল ফেরদৌসী ]  
&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;

মানুষ যেন আর মানুষ নেই।
সব মুখে হাসি, কিন্তু সেই হাসি কৃত্রিম,
যেন রিহার্সড কোনো অভিনয়,
আর কান্নাটাও এক প্রোগ্রাম করা স্ক্রিপ্ট।
ভালোবাসা এখন এক ইমোজি —
একটা হলুদ মুখ, স্ক্রিনে জমে থাকা নিঃশ্বাসহীন উষ্ণতা।

রাস্তায় এক ভিক্ষুক পড়ে থাকে,
কেউ ফোন তোলে, তবু সাহায্যের জন্য নয়—
ছবি তোলার জন্য, পোস্টের জন্য,
লিখে ক্যাপশন: “মানবতা এখনো বেঁচে আছে ”
তারপর কফিশপে যায়,
এক কাপ কফির পাশে দুঃখের ফিল্টার বসিয়ে
নিজেকে মহৎ মানুষ প্রমাণ করে ফেলে।

মানুষ এখন আর রক্তমাংসের নয়,
সে এখন প্লাস্টিকের গন্ধে, নোটের কালি আর স্ক্রিনের আলোয় গড়া প্রাণী।
হৃদয় তার আছে, তবু তাতে কোনো স্পন্দন নেই—
মনে হয়, সেখানে এক ঠান্ডা প্রসেসর বসানো,
যা শুধু অ্যালগরিদম বোঝে—
যেখানে “লাইক”, “শেয়ার”, আর “প্রফিট”—
এই তিনটিই পরমের স্থান নিয়েছে।

বৃদ্ধ বাবা দরজার পাশে বসে থাকে,
ছেলের চোখ কেবল “ডেডলাইন”-এ,
মা ফ্রেমে বন্দী, ঘরের দেওয়ালে,
আর পুত্রবধূ প্রতিদিন নতুন ফিল্টার লাগায় মুখে,
যাতে ক্লান্তি ধরা না পড়ে,
যাতে শূন্যতা লুকিয়ে থাকে সৌন্দর্যের ছায়ায়।

ধর্ম এখন বিক্রি হয় অফারে,
ভালোবাসা কেনা যায় অনলাইন দোকানে,
আর বিবেক?
সে তো অনেক আগেই লিজে গেছে—
কোনো বড় কোম্পানি হয়তো মালিক এখন তার।

মানুষ এখন নিজের প্রতিবিম্বে প্রেমে পড়ে,
নিজের কণ্ঠেই মুগ্ধ,
আর অন্যের যন্ত্রণা ?
ওটা কেবল এক ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ—
যা মিউট করে রাখলে জীবনটা শান্ত লাগে।

শিশুরা এখন খেলনা নয়, কনটেন্ট বানায়,
আকাশে পাখি দেখে না কেউ—
সবাই ড্রোন উড়ায়,
মানুষ খোঁজে না মানুষকে,
খোঁজে কানেকশন, ফলোয়ার, আর এনগেজমেন্ট রেট।

হাসপাতালের বেডে মৃতদেহের পাশে দাঁড়িয়ে থাকে আত্মীয়রা—
চোখে জল নেই, শুধু ব্যস্ততা,
কে কত পেল, কে কত হারাল—
এক্সেল শিটে হিসেব চলে নীরবে।

তবু,
কোনো বৃদ্ধার কাঁপা হাত,
কোনো পথশিশুর অনর্থক হাসি,
কোনো মানুষের নিঃশব্দ দয়া—
মাঝে মাঝে মনে করিয়ে দেয়,
মানুষ এখনো পুরোপুরি মরে যায়নি।
সে শুধু পথ হারিয়েছে,
একটু ধোঁয়ার ভেতর, একটু পর্দার আড়ালে।

তবু আশা রয়ে গেছে—
যতদিন কোনো মানুষ অন্য মানুষের জন্য
এক মুহূর্ত থেমে দাঁড়ায়,
এক ফোঁটা জল ফেলে, এক নিঃশ্বাস ভাগ করে নেয়,
ততদিন পর্যন্ত বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয়—
মানুষ আবার মানুষ হবে একদিন,
যখন স্রষ্টাও নিঃশব্দে হাসবে আকাশে,
আর পৃথিবী আবার একটু উষ্ণ হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/234483/</link>
				<pubDate>Fri, 24 Oct 2025 17:40:26 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গদ্যকবিতা: &#x1f3ad;মানুষ নেই আর, কেবল মুখোশ আছে&#x1f3ad;<br />
[ জান্নাতুল ফেরদৌসী ]<br />
&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;</p>
<p>মানুষ যেন আর মানুষ নেই।<br />
সব মুখে হাসি, কিন্তু সেই হাসি কৃত্রিম,<br />
যেন রিহার্সড কোনো অভিনয়,<br />
আর কান্নাটাও এক প্রোগ্রাম করা স্ক্রিপ্ট।<br />
ভালোবাসা এখন এক ইমোজি —<br />
একটা হলুদ মুখ, স্ক্রিনে জমে থাকা নিঃশ্বাসহীন উষ্ণতা।</p>
<p>রাস্তায় এক ভিক্ষুক পড়ে থাকে,<br />
কেউ ফোন তোলে, তবু সাহা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-234483"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/234483/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6074d1d7394e7e9b86033bef7fbaa92f</guid>
				<title>&#x1f318; &#039;&#039;নির্দয় আধুনিকতা&#039;&#039;

(জান্নাতুল ফেরদৌসী)
&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;

দুনিয়া আজ আলোয় ভরা, তবু অন্ধকার,
মানুষ হাসে মুখে, ভিতর নিঃসার।
হাসির নিচে জমে থাকে নোনা জলের ঢেউ,
মন হারায় যন্ত্রভরা রঙিন সেই নেউ।

ইস্পাত ঘেরা শহরজুড়ে ধোঁয়া ভাসে নীল,
মায়ার গন্ধ হারিয়ে গেছে, বাকি শুধু ঢিল।
ভালোবাসা শেষ হয়নি, ঘুমিয়ে আছে ফের,
যন্ত্রভরা এ দুনিয়াতে হৃদয় বাঁচে ফের।

চোখে আলো, ঠান্ডা ভেতর, উষ্ণতা আর নাই,
স্পর্শ এখন তথ্য শুধু, অনুভবের দায়।
কোথায় গেছে কণ্ঠস্বর, মুখের স্নিগ্ধ রাগ,
মানুষ শুধু নামের মানুষ, ফাঁপা তারই ভাগ।

বন্ধুত্ব আজ সংখ্যার খেলা, লাইক মানে মান,
অভিমানও ইমোজিতে পায় না কোন জ্ঞান।
বুকের ভেতর শব্দ বাজে, সুরটি হয় না পূর্ণ,
চাঁদও যেন কাঁদে একা, মেঘের ঘেরে ঘূর্ণ।

মায়ের কোলে শিশুর হাসি, রোবট করে স্থির,
ভালোবাসা বিজ্ঞানেরই শীতে হয়ে নীর।
প্রেমের রঙ হারিয়ে গেছে, বাকি শুধু খই,
মনটা চায় উষ্ণ হাওয়া, মেলে না কিছুই।

তবু কোথাও দূর আকাশে নরম আলো রয়,
মানুষ এখনো মানুষ হতে চায় যে এই ভয়।
যত আধুনিক হোক না দুনিয়া, যতই শীতল প্রাণ,
তবু একটুখানি মায়া বাঁচে — সেই তো শেষ গান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/234242/</link>
				<pubDate>Sat, 18 Oct 2025 17:24:38 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f318; &#8221;নির্দয় আধুনিকতা&#8221;</p>
<p>(জান্নাতুল ফেরদৌসী)<br />
&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;&#x1f399;&#xfe0f;</p>
<p>দুনিয়া আজ আলোয় ভরা, তবু অন্ধকার,<br />
মানুষ হাসে মুখে, ভিতর নিঃসার।<br />
হাসির নিচে জমে থাকে নোনা জলের ঢেউ,<br />
মন হারায় যন্ত্রভরা রঙিন সেই নেউ।</p>
<p>ইস্পাত ঘেরা শহরজুড়ে ধোঁয়া ভাসে নীল,<br />
মায়ার গন্ধ হারিয়ে গেছে, বাকি শুধু ঢিল।<br />
ভালোবাসা শেষ হয়নি, ঘুমিয়ে আছে ফের,<br />
যন্ত্রভরা এ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-234242"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/234242/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">56c42a2eb2e7d61a839528eaa82ab9b4</guid>
				<title>&#x1f914;একাকীত্বের সৌন্দর্য ও আত্মসংযমের শিক্ষা**
[ জান্নাতুল ফেরদৌসী ]

অধিকাংশ ক্ষেত্রে একা থাকা উত্তম—এই কথাটি শুধু নিঃসঙ্গতার আহ্বান নয়, বরং আত্মসংযম ও আত্মশুদ্ধির এক গভীর শিক্ষা বহন করে। মানুষ যখন একা থাকে, তখন তার অন্তরের দরজাগুলো খুলে যায় নিজের সঙ্গে কথা বলার জন্য। সে চিন্তা করতে শেখে—কোন কথা বলা উচিত, কোথায় চোখ রাখা উচিত, আর কীভাবে মনকে পবিত্র রাখা যায়।
যখন আমরা অপ্রয়োজনীয় ভিড়, অর্থহীন আলাপ, বা দৃষ্টি বিভ্রান্তির মধ্যে থাকি, তখন আমাদের মুখ, চোখ ও মন গোনাহের পথে সহজেই চলে যায়। কিন্তু একাকীত্ব আমাদের শেখায় সংযম। এটি আমাদের ঈমানকে দৃঢ় করে, কারণ একা থাকা অবস্থায় আমরা নিজের বিবেকের সামনে দাঁড়াই—যেখানে কোনো অভিনয় চলে না।
যেমন ছবিতে দেখা যায়, তরুণটি শান্ত চিত্তে এক পাত্রে সবুজ গাছের যত্ন নিচ্ছে—তা যেন তার অন্তরের পরিচ্ছন্নতার প্রতীক। সবুজ গাছ যেমন যত্নে বেড়ে ওঠে, তেমনি আত্মাও বেড়ে ওঠে একাকী সাধনায়, নীরবতায়, আর আত্মনিয়ন্ত্রণে।

**নীতিবোধ:
একাকীত্ব সবসময় দুঃখ নয়; এটি হতে পারে আল্লাহর দিকে ফেরার, নিজের ভুল ঠিক করার, ও আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার এক মহৎ সুযোগ। তাই, মাঝে মাঝে নিজেকে নিঃসঙ্গতায় রাখাই উত্তম—যাতে মুখ, চোখ ও মন তিনটিই থাকে গোনাহ থেকে মুক্ত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/234099/</link>
				<pubDate>Wed, 15 Oct 2025 15:53:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f914;একাকীত্বের সৌন্দর্য ও আত্মসংযমের শিক্ষা**<br />
[ জান্নাতুল ফেরদৌসী ]</p>
<p>অধিকাংশ ক্ষেত্রে একা থাকা উত্তম—এই কথাটি শুধু নিঃসঙ্গতার আহ্বান নয়, বরং আত্মসংযম ও আত্মশুদ্ধির এক গভীর শিক্ষা বহন করে। মানুষ যখন একা থাকে, তখন তার অন্তরের দরজাগুলো খুলে যায় নিজের সঙ্গে কথা বলার জন্য। সে চিন্তা করতে শেখে—কোন কথা বলা উচিত, কোথায় চোখ রাখা উচিত, আর কীভাবে মনকে প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-234099"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/234099/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7cc83b88f5393b838ca0264c47310ce2</guid>
				<title>&quot;কবিতার আঙিনায় প্রথম ভালোবাসা&quot;
জান্নাতুল ফেরদৌসী
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আজকে প্রথম জয়েন্ট হলো,
কলম মোরে ডাক দিলো।
লন্ডন হতে আসলো সুর,
সপ্ন ভাসে অম্বর ঘুর।

অক্টোবরের প্রথম প্রহর,
ঝরে পড়ে ফুলের ঘ্রাণ।
নতুন পথে কবির ডাকে,
লুকায় প্রেম-রঙিন গানে।

শব্দ সাজে হৃদয় ভরে,
অক্ষর নাচে রঙিন ছন্দে।
কলম একাডেমীর আঙিনাতে,
আনন্দ জাগে মনের দ্বন্দ্বে।

শঙ্খ বাজে ভোরের রাগে,
আলো নাচে ফুলের বাগে।
প্রথম দেখা প্রেমের সনে,
জোছনা ভাসে কবির গানে।

আকাশ জুড়ে স্বপ্ন খেলে,
মন যে ভাসে রঙিন ঢেউয়ে।
শব্দ মিলে সুরের সাথে,
জন্ম নেয় প্রেমের ব্যথে।

নতুন পথে আলো জ্বলে,
চরণ নাচে সুরের তালে।
ভালোবাসার রঙিন আলোয়,
কবির মন যে গান সাজায়।

এলো আজকে রূপের ভোর,
কবিতা মোর হৃদয় ঘোর।
স্বপ্নরাঙা আকাশ ছুঁয়ে,
ভালোবাসা বুনে লয়ে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/233622/</link>
				<pubDate>Wed, 01 Oct 2025 06:03:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;কবিতার আঙিনায় প্রথম ভালোবাসা&#8221;<br />
জান্নাতুল ফেরদৌসী<br />
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~<br />
আজকে প্রথম জয়েন্ট হলো,<br />
কলম মোরে ডাক দিলো।<br />
লন্ডন হতে আসলো সুর,<br />
সপ্ন ভাসে অম্বর ঘুর।</p>
<p>অক্টোবরের প্রথম প্রহর,<br />
ঝরে পড়ে ফুলের ঘ্রাণ।<br />
নতুন পথে কবির ডাকে,<br />
লুকায় প্রেম-রঙিন গানে।</p>
<p>শব্দ সাজে হৃদয় ভরে,<br />
অক্ষর নাচে রঙিন ছন্দে।<br />
কলম একাডেমীর আঙিনাতে,<br />
আনন্দ জাগে মনের দ্&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-233622"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/233622/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>6</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">debc67320f52a0f3126516a1a8d61820</guid>
				<title>&#x1f3ad; নাটকের নাম: “সত্যিই আসল শক্তি”&#x1f3ad;
       নাট্যকার: জান্নাতুল ফেরদৌসী
====================================================================

[[ চরিত্র:
রুবেল – স্কুলপড়ুয়া ছেলে, চালাক + মজার।
শান্ত – রুবেলের বন্ধু, শর্টকাটের ভক্ত, একটু গোঁয়ার।
মা – রুবেলের মা, স্নেহময়ী, বুদ্ধিদীপ্ত।
শিক্ষক – একটু রাগী, কিন্তু শেষে কোমল মনের।]]

&#x1f3ad;&#x1f3ad;
শান্ত: আরে ভাই, বই পড়ছিস কেন? ইউটিউব শর্টস দেখলে মাথা ফ্রেশ হয়!
রুবেল: শর্টস দিয়ে পাস হয় না। বই পড়তেই হবে।
শান্ত: আমি তো পরীক্ষার সময় মোবাইল ঘড়িতে নোটস রাখব।
রুবেল: (হাসি দিয়ে) একদিন ব্যাটারি শেষ হয়ে গেলে কী করবি?
শান্ত: তাইলে তো আমি battery-sad student!


শান্ত: (চুপিচুপি) রুবেল, একটু খাতা দেখাইস।
রুবেল: না ভাই, শিক্ষক CCTV ক্যামেরার মতো ঘুরছে।
শান্ত: (ফিসফিস করে) আমি ninja style নকল করব।

শিক্ষক: ওহো! Ninja না, tui তো নকল Samurai!

শিক্ষক: (জোরে) আরে! এ কি? পরীক্ষা হল নাকি ঘুমের হোস্টেল?
শান্ত: (চোখ মেলতে মেলতে) স্যার, আমি স্বপ্নে উত্তর লিখছিলাম।
শিক্ষক: (মুচকি হেসে) স্বপ্নে পাস হলেও রেজাল্টে ফেল-ই আসবে!


শিক্ষক: বাহ! কেউ লিখেছে “বাংলাদেশের রাজধানী কুমিল্লা”!
রুবেল: (হাসি চেপে) স্যার, হয়তো student কুমিল্লা ট্যুরে গেছিল!
শিক্ষক: (হাসি চেপে রাগী ভঙ্গি) ট্যুরিজম দিয়ে পড়াশোনা হয় না!


শিক্ষক: রুবেল – First class!
রুবেল: (গর্বিত ভঙ্গি) Thank you sir, thank you world!
শিক্ষক: আর শিহাব – Fail না, কিন্তু Pass-ও না… borderline!
শান্ত: (হতাশ মুখে) মানে আমি exam-এর “আলু ভর্তা” – না ভালো, না খারাপ।


মা: দেখেছিস শিহাব, shortcut-এ জোরে হাঁটা যায়, কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানো যায় না।
শান্ত: (লজ্জিত হয়ে) বুঝেছি খালা, shortcut দিয়ে জীবন চলে না। আজ থেকে সত্যি পড়ব।
রুবেল: সত্যিই আসল শক্তি হলো সততা আর শিক্ষা।

&#x1f449; শিক্ষা: “শর্টকাট নয়, পরিশ্রমই আসল শক্তি!”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/233578/</link>
				<pubDate>Mon, 29 Sep 2025 17:21:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f3ad; নাটকের নাম: “সত্যিই আসল শক্তি”&#x1f3ad;<br />
       নাট্যকার: জান্নাতুল ফেরদৌসী<br />
====================================================================</p>
<p>[[ চরিত্র:<br />
রুবেল – স্কুলপড়ুয়া ছেলে, চালাক + মজার।<br />
শান্ত – রুবেলের বন্ধু, শর্টকাটের ভক্ত, একটু গোঁয়ার।<br />
মা – রুবেলের মা, স্নেহময়ী, বুদ্ধিদীপ্ত।<br />
শিক্ষক – একটু রাগী, কিন্তু শেষে কোমল মনের।]]</p>
<p>&#x1f3ad;&#038;&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-233578"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/233578/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">aeea1470ebf3723de72f44a2332a89ac</guid>
				<title>Jannatul Ferdausi and Kanej-Roksana are now friends</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/233512/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Sep 2025 13:12:23 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e6897e03deb85a5657dbe5e67235a0e3</guid>
				<title>ছড়া : প্রাণীর ডাক
[ জান্নাতুল ফেরদৌসী ]
&#x1f60a;&#x1f60a;&#x1f60a;&#x1f60a;&#x1f60a;&#x1f60a;&#x1f60a;&#x1f60a;&#x1f60a;

কাক বলে কা কা কা,
ভোরে বাজায় বাঁশি,
ঘুম ভাঙে সব শিশুদের,
মুখে হাসি ফাঁসি।

হাঁস ডাকে হ্যা হ্যা হ্যা,
জলে ভাসে দল,
পুকুর জুড়ে টইটুম্বুর,
খেলছে জলবল।

বিড়াল বলে মিউ মিউ,
চালে উঠে ধীরে,
ইঁদুর দেখে ফোঁস ফোঁস,
চোখ রাখে নীড়ে।

কুকুর বলে ঘেউ ঘেউ,
চোর এলেই ধরা,
রাত জেগে সে পাহারাদার,
বাড়ি করে সুরা।

গরু বলে হাম্বা হাম্বা,
ঘাস খায় সারাদিন,
দুধ দেয় সে খুশি মনে,
হলকা ঝিমঝিম।

ছাগল ডাকে মে মে মে,
ঝোপে খুঁজে ঘাস,
বাচ্চা ডাকে দৌড়ায় কাছে,
আনন্দে উদাস।

ঘোড়া বলে হিনহিন,
দৌড়ায় মাঠ জুড়ে,
ছুটের মাঝে লেজ উঁচু,
হাওয়া লাগে ঘাড়ে।

হাঁড়ি ভাঙা ভোঁ ভোঁ সুরে,
ডাকে জঙ্গলে ভালুক,
মধু খুঁজে গাছে উঠে,
চলে টালমাটাল দুলুক।

পাখি ডাকে টুইট টুইট,
ডালে বসে গান,
শিশুর মনে আনন্দ আনে,
হাসি ভরা প্রাণ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/233510/</link>
				<pubDate>Sat, 27 Sep 2025 09:59:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছড়া : প্রাণীর ডাক<br />
[ জান্নাতুল ফেরদৌসী ]<br />
&#x1f60a;&#x1f60a;&#x1f60a;&#x1f60a;&#x1f60a;&#x1f60a;&#x1f60a;&#x1f60a;&#x1f60a;</p>
<p>কাক বলে কা কা কা,<br />
ভোরে বাজায় বাঁশি,<br />
ঘুম ভাঙে সব শিশুদের,<br />
মুখে হাসি ফাঁসি।</p>
<p>হাঁস ডাকে হ্যা হ্যা হ্যা,<br />
জলে ভাসে দল,<br />
পুকুর জুড়ে টইটুম্বুর,<br />
খেলছে জলবল।</p>
<p>বিড়াল বলে মিউ মিউ,<br />
চালে উঠে ধীরে,<br />
ইঁদুর দেখে ফোঁস ফোঁস,<br />
চোখ রাখে নীড়ে।</p>
<p>কুকুর বলে ঘেউ ঘেউ,<br />
চোর এলেই ধরা,<br />
রাত জেগে সে পাহা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-233510"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/233510/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e66f90258bc098433b9aa79b5bae66c8</guid>
				<title>সম্পর্ক 
[জে,এফ,]
&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;

সম্পর্ক মানে কেবল রক্তের বাঁধন নয়,
সম্পর্ক মানে ভরসা—
মন খুলে বলা যায় যার কাছে
তারই নাম সম্পর্ক।

ঝড় এলে পাশে যে দাঁড়ায়,
বৃষ্টি এলে ছাতা হয়ে যে মাথার উপর ধরে—
সেই তো আপন,
সেই তো প্রকৃত সঙ্গী।

সম্পর্ক মানে অন্ধকারে আলো,
শূন্যতায় একটি ভরসার হাত।
বুকে জমে থাকা ব্যথার গোপন কথা
যার কাছে বললেও ভয় নেই,
সে-ই সম্পর্কের নাম।

সম্পর্ক মানে গন্তব্যহীন পথে
একসাথে হাঁটার বিশ্বাস।
ভালো-মন্দে, হাসি-কান্নায়,
অপরের হৃদয়কে স্পর্শ করার ক্ষমতা।

সম্পর্ক মানে সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া,
মান-অভিমান ভেঙে আবারও কাছে ফেরা।
সম্পর্ক মানে—
অভিমান শেষে নিঃশব্দ হাসি,
চোখে চোখ রেখে বলা—
&quot;তুমি আছো, এটাই যথেষ্ট।&quot;

তবু সম্পর্ক বাঁচাতে হলে
চাই কিছু ধৈর্য, চাই কিছু মমতা,
চাই ক্ষমার গভীর শক্তি,
আর চাই ভালোবাসা—
যা সেতুর মতো যুক্ত করে রাখে
মানুষকে মানুষের সঙ্গে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/233481/</link>
				<pubDate>Thu, 25 Sep 2025 15:58:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> সম্পর্ক<br />
[জে,এফ,]<br />
&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;</p>
<p>সম্পর্ক মানে কেবল রক্তের বাঁধন নয়,<br />
সম্পর্ক মানে ভরসা—<br />
মন খুলে বলা যায় যার কাছে<br />
তারই নাম সম্পর্ক।</p>
<p>ঝড় এলে পাশে যে দাঁড়ায়,<br />
বৃষ্টি এলে ছাতা হয়ে যে মাথার উপর ধরে—<br />
সেই তো আপন,<br />
সেই তো প্রকৃত সঙ্গী।</p>
<p>সম্পর্ক মানে অন্ধকারে আলো,<br />
শূন্যতায় একটি ভরসার হাত।<br />
বুকে জমে থাকা ব্যথার গোপন কথা<br />
যার কাছে বললেও ভয় নেই,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-233481"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/233481/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">93478f499afdd53640420e415cca41b5</guid>
				<title>&quot;মানবজীবন পেন্সিল আর্টের মতো&quot;
           [ জে,এফ,]
&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;

মানবজীবন পেন্সিলের আঁকিবুকির মতোই ক্ষণস্থায়ী।
শুরুতে সবকিছু থাকে নরম ও হালকা—
শিশুর হাতে আঁকা প্রথম রেখার মতো অনভিজ্ঞ,
যেখানে ভুল মানে নতুন সুযোগ,
ভাঙন মানে আবার গড়ে তোলার অধিকার।

কিন্তু সময় যত এগোয়,
রেখা হয়ে ওঠে স্পষ্ট, ভুল হয়ে ওঠে গাঢ়।
যা একবার দাগ কেটে যায়,
তা আর কোনোদিন পুরোপুরি মুছে ফেলা যায় না।
মুছতে গেলেও কাগজ ক্ষয়ে যায়,
অতীতের কালি মুছে ফেলার চেষ্টা
শুধুই রেখে যায় ছিদ্র আর ক্ষতচিহ্ন।
এভাবেই মানুষ শিখে যায়—
সব দুঃখ ভুলে যাওয়া যায় না,
সব ভালোবাসাও টিকে থাকে না।

জীবন নামের কাগজে আমরা আঁকি প্রিয় মুখ,
আঁকি স্বপ্নের দৃশ্যপট,
কখনো আঁকি অশ্রু ঝরানো নদী।
কিন্তু একে একে অনেক রেখা মুছে যায় সময়ের করাঘাতে।
প্রিয় মানুষ বিদায় নেয়,
মনে থাকে শুধু ফিকে ছায়া,
যেন অর্ধেক মুছে যাওয়া চিত্র—
না পুরোটা আছে, না পুরোটা নেই।
এই অস্পষ্টতার ভেতরেই বিরহ জমে ওঠে,
যা হৃদয়কে করে তোলে ভারী,
আর জীবনকে করে তোলে অসহ্য দীর্ঘ।

পেন্সিলের নিব প্রতিদিন ক্ষয়ে আসে।
আমরা যত আঁকি, নিব তত ছোট হয়।
একদিন এমনও আসে, আর কোনো রেখা টানার শক্তি থাকে না।
জীবন থেমে যায়, আঁকা ফুরিয়ে যায়,
ফেলে যাওয়া থাকে শুধু একখণ্ড কাগজ—
যেখানে অসংখ্য অসম্পূর্ণ রেখা,
অসংখ্য মুছে যাওয়া দাগ,
আর কিছু গাঢ় রেখা—
যা থেকে যায় স্মৃতির শাশ্বত দলিলে।

এই-ই মানবজীবনের শিক্ষা।
আমরা যতদিন আঁকতে পারি,
ততদিন প্রতিটি রেখাকে অর্থপূর্ণ করা দরকার।
কারণ শেষ মুহূর্তে আমরা বুঝি—
যা আঁকা হয়নি, তার আক্ষেপই সবচেয়ে দগ্ধ করে,
যা ভুল আঁকা হয়েছে,
তা-ও শেষপর্যন্ত হয়ে ওঠে ছবিরই অংশ।
ভালোবাসা, বিরহ, ভুল, স্মৃতি—
সব মিলেই একটি চিত্রকর্মের মতো
মানবজীবন হয়ে ওঠে পূর্ণাঙ্গ, গভীর ও অমোঘ।

শেষে পেন্সিল ফুরিয়ে যায়, মানুষ মুছে যায়,
কিন্তু তার আঁকা রেখাগুলো রয়ে যায়
অন্যের স্মৃতিতে, অন্যের চোখের ভেতর,
অন্যের অশ্রুর গভীরে।
তখনই বোঝা যায়—
মানুষ আসলে কখনো পুরোপুরি মরে না,
সে থেকে যায় নিজের আঁকা ছবিগুলোয়,
যা সাদা কাগজের মতো চিরকালীন..........&#x270d;&#xfe0f;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/233219/</link>
				<pubDate>Wed, 17 Sep 2025 12:01:01 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#8220;মানবজীবন পেন্সিল আর্টের মতো&#8221;<br />
           [ জে,এফ,]<br />
&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;&#x1f4dd;</p>
<p>মানবজীবন পেন্সিলের আঁকিবুকির মতোই ক্ষণস্থায়ী।<br />
শুরুতে সবকিছু থাকে নরম ও হালকা—<br />
শিশুর হাতে আঁকা প্রথম রেখার মতো অনভিজ্ঞ,<br />
যেখানে ভুল মানে নতুন সুযোগ,<br />
ভাঙন মানে আবার গড়ে তোলার অধিকার।</p>
<p>কিন্তু সময় যত এগোয়,<br />
রেখা হয়ে ওঠে স্পষ্ট, ভুল হয়ে ওঠে গাঢ়।<br />
যা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-233219"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/233219/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">a817f3151cab5098c113225b97d3c56c</guid>
				<title>&#x1f331; &quot;ছোট ছোট ভালো অভ্যাসই বড় পরিবর্তনের সূচনা করে। বই পড়া, সময়মতো কাজ করা আর সততা – এগুলোই প্রকৃত শিক্ষার অংশ&quot;_ JF</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232873/</link>
				<pubDate>Mon, 08 Sep 2025 23:51:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f331; &#8220;ছোট ছোট ভালো অভ্যাসই বড় পরিবর্তনের সূচনা করে। বই পড়া, সময়মতো কাজ করা আর সততা – এগুলোই প্রকৃত শিক্ষার অংশ&#8221;_ JF</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cd5193030396ed1a7ed9052fb9416470</guid>
				<title>&#x1f4da; &quot;শিক্ষা শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে আলোর দিশা দেখায়। প্রতিদিন অল্প হলেও নতুন কিছু শেখার অভ্যাস করুন&quot;_ JF</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232872/</link>
				<pubDate>Mon, 08 Sep 2025 23:51:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f4da; &#8220;শিক্ষা শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে আলোর দিশা দেখায়। প্রতিদিন অল্প হলেও নতুন কিছু শেখার অভ্যাস করুন&#8221;_ JF</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">217e9def3a7ef1c752443fa07abb91c3</guid>
				<title>&#x1f469;&#x200d;&#x1f3eb; &quot;ভালো শিক্ষক শুধু পাঠ্যপুস্তক শেখান না, তিনি শিক্ষার্থীদের ভেতরে সুপ্ত মানুষটিকে জাগিয়ে তোলেন&quot;_ JF</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232871/</link>
				<pubDate>Mon, 08 Sep 2025 23:50:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f469;&#x200d;&#x1f3eb; &#8220;ভালো শিক্ষক শুধু পাঠ্যপুস্তক শেখান না, তিনি শিক্ষার্থীদের ভেতরে সুপ্ত মানুষটিকে জাগিয়ে তোলেন&#8221;_ JF</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">407c70f5b49f345ae0e3d5bb5a7b4918</guid>
				<title>&#x1f338;হঠাৎ পরিচয়&#x1f338;
       [[জে,এফ,]]
&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;

হঠাৎ পরিচয় প্রশংসার ছলে,
অচেনা বুকে দিলো যে ডাক।
মনে হলো সে-ই মধুর আলো,
যার ছায়ায় মিলবে জীবন রাগ।

প্রথম পরিচয়ের স্নিগ্ধ সমীরণ,
হৃদয়ে তুলেছিল মায়াবী ঢেউ।
শব্দের মালায় ফুটেছিল ফুল,
সত্যি কি তবে সে-ই বন্ধু নও?

কিন্তু হঠাৎ এলো মেঘের আঁধার,
স্নেহের আড়ালে লুকালো বিষ।
হাসির আড়ালে বিষধর দাঁত,
বন্ধুত্ব হলো প্রতারণার নিশ।

মানুষ কেনই বা সরলতাকে ভাঙে,
আঘাত দিয়েই খোঁজে সুখের ছায়া?
অশ্রু ঝরিয়ে আনন্দ গড়ে,
অন্যের ব্যথায় বাঁধে সোনার মায়া।

আমি জানি তো স্রষ্টার হাতে,
পৃথিবীর প্রতিটি ক্ষুদ্র খেলা।
বদনাম ছড়ালে বাতাসের ডালে,
সেটি পরীক্ষা— সহ্যরেলা।

সত্য মানব সেই, যার হাত জিহ্বা
নিরাপদ রাখে অপর সকল।
কিন্তু আজ মানুষ ভোলে সে বাণী,
মনে রাখে শুধু হিংসার জ্বল।

আমার কোমলতা ভেবেছে দুর্বল,
আমার নীরবতা ভীরুতার রূপ।
কিন্তু হে স্রষ্টা, জানো তুমি সব,
অশ্রুর রেখায় লুকানো সুদূর।

আজ যদি তারা কেড়ে নেয় সম্মান,
কাল তুমি ফিরিয়ে দেবে দ্বিগুণ।
আজ যদি ছড়ায় বদনামের আগুন,
কাল তা গলায় মাল্য হয়ে গুণ।

হঠাৎ পরিচয় শেখালো আমায়—
মানুষের বুকে নেই নির্ভর।
প্রশংসা ম্লান, প্রতারণা জাগে,
স্রষ্টার ছায়ায় জীবন ভর।

ক্ষমাতেই শক্তি, সাবরেই রোদন,
তাওয়াক্কুল স্রষ্টার প্রতি যে আলো।
যারা আঘাত দিলো করি আমি দোয়া—
তাদের অন্তরে দয়া দিক ভালো।

কারণ প্রতিশোধে সুখ লুকায় না,
ক্ষমার ভেতরে মহিমা রয়।
যে ক্ষমা করে সে-ই মহৎ,
সে-ই পায় স্রষ্টার অনন্ত জয়।

হঠাৎ পরিচয় দিয়েছে দুঃখ,
শিখিয়েছে তবু জীবনের পাঠ।
এই দুনিয়া নয় ভরসার ডালি,
স্রষ্টার আশ্রয় অনন্ত সাথ।

আকাশের তারা ঝরে যায় শেষে,
চাঁদের আলোরে ঢাকে কালো মেঘ।
মানুষ বদলায় ঋতুর মতোই,
স্রষ্টার প্রতিশ্রুতি বদলায় না এক।

তাই হঠাৎ পরিচয় কষ্ট দিলেও,
আমায় করেছে সাবরের ধনী।
মানুষের নয়, কেবল স্রষ্টার ভরসা,
তাঁর সন্তুষ্টিতেই শান্তি জানি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232724/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Sep 2025 19:10:05 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f338;হঠাৎ পরিচয়&#x1f338;<br />
       [[জে,এফ,]]<br />
&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;</p>
<p>হঠাৎ পরিচয় প্রশংসার ছলে,<br />
অচেনা বুকে দিলো যে ডাক।<br />
মনে হলো সে-ই মধুর আলো,<br />
যার ছায়ায় মিলবে জীবন রাগ।</p>
<p>প্রথম পরিচয়ের স্নিগ্ধ সমীরণ,<br />
হৃদয়ে তুলেছিল মায়াবী ঢেউ।<br />
শব্দের মালায় ফুটেছিল ফুল,<br />
সত্যি কি তবে সে-ই বন্ধু নও?</p>
<p>কিন্তু হঠাৎ এলো মেঘের আঁধার,<br />
স্নেহের আড়ালে লুকালো বিষ।<br />
হাসির আড়ালে বিষধর দাঁ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-232724"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/232724/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1345c16ea49ee0a63bfaf913407c3e32</guid>
				<title>&#x1f33f;ঈর্ষা&#x1f33f;
[[জে,এফ,]]
&#x1f3a4;&#x1f3a4;&#x1f3a4;&#x1f3a4;&#x1f3a4;&#x1f3a4;&#x1f3a4;&#x1f3a4;&#x1f3a4;

 মানুষ জাতি — ঈর্ষামুখর,
অন্যে সুখে — হৃদয়ে ঝড়।

বন্ধু পেলে — উন্নতির ধন,
হাসি দেয় মুখে — জ্বলে ভেতর মন।

ভাইয়ের সাফল্য — সহ্য হয় না,
চোখে বিষধর — ছোবল সনা।

ঈর্ষা বসে — কাঁটার মতো,
টানলে রক্ত — ঝরে নিরন্তর।

অন্যের আলো — অন্ধকার ডাকে,
অন্যের জয় — বিষ ঢালে শিরায়।

তবু মানুষ — বোঝে না কিছু,
আগুন প্রথমে — পোড়ায় নিজু।

যে হৃদয়ে — হিংসা জ্বলে,
ভালোবাসা কুঁড়ি — ফোটে না ফলে।

মানুষ ভোলে — প্রতিটি তারা,
আলাদা আলো — দীপ্তির ধারা।

কেউ কারো দীপ্তি — হরণে অক্ষম,
তবু করে শত্রু — অকারণ ভ্রম।

ঈর্ষা মানুষে — দেয়াল তোলে,
মনুষ্য হৃদয় — অন্ধকারে ঢলে।

তবু না শেখে — শতবার বাণী,
নিজেই নিজের — ক্ষত করে টানি।

শেষে থাকে শুধু — শূন্যতা ভরা,
সুখের স্বপ্ন সব — ভেঙে যায় সরা।

নিজেকেই খেয়ে — ঝরে যায় মায়া,
ঈর্ষায় মানুষ — হারায় ছায়া।

ঈর্ষা কেবল — ধ্বংসরূপ,
মানবতার আলো — মুছে যায় সর্বত্র।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232720/</link>
				<pubDate>Fri, 05 Sep 2025 16:58:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f33f;ঈর্ষা&#x1f33f;<br />
[[জে,এফ,]]<br />
&#x1f3a4;&#x1f3a4;&#x1f3a4;&#x1f3a4;&#x1f3a4;&#x1f3a4;&#x1f3a4;&#x1f3a4;&#x1f3a4;</p>
<p> মানুষ জাতি — ঈর্ষামুখর,<br />
অন্যে সুখে — হৃদয়ে ঝড়।</p>
<p>বন্ধু পেলে — উন্নতির ধন,<br />
হাসি দেয় মুখে — জ্বলে ভেতর মন।</p>
<p>ভাইয়ের সাফল্য — সহ্য হয় না,<br />
চোখে বিষধর — ছোবল সনা।</p>
<p>ঈর্ষা বসে — কাঁটার মতো,<br />
টানলে রক্ত — ঝরে নিরন্তর।</p>
<p>অন্যের আলো — অন্ধকার ডাকে,<br />
অন্যের জয় — বিষ ঢালে শিরায়।</p>
<p>তবু মানুষ — বোঝে না কিছু,<br />
আ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-232720"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/232720/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">7ecc0893d84c4929525f913fcfb84234</guid>
				<title>&#x1f338;অসমাপ্ত চিরকুট&#x1f338;
        [জে,এফ,]
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

রাতের অন্ধকারে, কেরোসিনের বাতির নিচে কাঁপতে থাকা এক টুকরো কাগজ—
অর্ধেক লেখা, অর্ধেক ছেঁড়া,
শিরোনাম নেই, ঠিকানাও নেই, শুধু কালি মাখানো কিছু ভাঙাচোরা শব্দ।
এই যে চিরকুট, কারো কাছে তা প্রেমের স্বীকারোক্তি নয়,
বরং বেঁচে থাকার শেষ আর্তনাদ।

কোনো এক গ্রামীণ মেয়ের হাত কাঁপছিল,
খাতার পাতা ছিঁড়ে লিখছিল—
“মা, আমি আর পারছি না। প্রতিদিন খালি হাঁড়ি দেখে
আমার বুকটা ফেটে যায়।
ভাইয়ের চোখে ক্ষুধার আগুন,
আর আমার নাম ধরে ডাকে ভয়ঙ্কর শহর।”
কিন্তু এর পরের লাইনগুলো ফাঁকা।
কলম থেমে গেছে, হয়তো কান্নার ভেতরে ডুবে গেছে অক্ষর।

শহরের রেললাইনে ঝুলে থাকা এক কিশোরের পকেট থেকে
মেলে আরেকটি অসমাপ্ত চিরকুট।
তাতে লেখা—
“আব্বা, কাজ খুঁজতে গিয়েছিলাম,
কিন্তু সবাই বলে—‘অভিজ্ঞতা আছে?’
ক্ষুধার তো কোনো অভিজ্ঞতা লাগে না, আব্বা!
তবু চাকরি পাই না।
আজকে ফেরার ভাড়া নেই।”
শেষ বাক্যটি আর লেখা হয়নি।
রেলগাড়ির হুইসেল সেই বাক্য গিলে ফেলেছে।

ঢাকার অন্ধকার গলিতে,
বস্তির খোলা ড্রেনে,
পলিথিনের ঘরে এক বিধবার শুকনো গলায় জমে আছে নিঃশ্বাস—
তার চিরকুটে শুধু দুইটা শব্দ—
“আমাকে ক্ষমা করো।”
কার প্রতি ক্ষমা, কে জানে!
সমাজ? রাষ্ট্র? নাকি নিজের অসহায় সন্তানদের প্রতি?

অসমাপ্ত চিরকুটের সংখ্যা বেড়েই চলেছে,
প্রতিটি গ্রামে, প্রতিটি শহরে।
চিঠির খামে তারা পৌঁছায় না,
কোনো ডাকবাক্সে জমা পড়ে না,
কেবল ভেসে বেড়ায় বাতাসে—
কখনো মাটির নিচে চাপা পড়ে,
কখনো নদীর জলে গিয়ে ভাসে।

এই চিরকুটগুলোর অক্ষরে অক্ষরে লুকিয়ে আছে
হাজার বছরের বঞ্চনার ইতিহাস,
যেখানে ক্ষুধা শুধু পেটেই নয়,
স্বপ্নের ভেতরেও আগুন ধরায়।
যেখানে মা সন্তানের মুখে ভাত তুলতে গিয়ে
নিজের শেষ চালের দানা লুকিয়ে রাখে।
যেখানে তরুণেরা পাসপোর্ট অফিসের লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে
স্বপ্নের নাম দেয়—প্রবাস।
আর যারা থাকতে চায়,
তাদের কণ্ঠ আটকে যায়
অসমাপ্ত চিরকুটে।

শুনো—
এই চিরকুটগুলো আসলে আত্মহত্যার নোট নয়,
বরং রাষ্ট্রের দিকে ছুঁড়ে দেওয়া অভিযোগপত্র।
এই মাটির দিকে প্রশ্নবাণ:
“কেন আমাদের মরে যেতে হয়?
কেন এখনো ভাত, কাপড় আর ন্যূনতম স্বপ্ন
অপ্রাপ্য থাকে?”

অসমাপ্ত চিরকুট মানে
একটা দেশের অসমাপ্ত গল্প।
একটা জাতির ব্যথা,
যেখানে মুক্তির গান গাওয়া হয়েছিল,
কিন্তু মুক্তির অন্ন এখনো
সবাইকে পৌঁছায়নি।

রাতের শেষে যদি কোনো পাঠক এগুলো পড়ে কাঁদে,
তবে বুঝবে—
এই কান্না শুধু মৃতদের জন্য নয়,
বরং জীবিতদের জন্যও।
কারণ প্রতিটি অসমাপ্ত চিরকুটের ভেতরেই
আমরা লুকিয়ে রাখি নিজেরই অপ্রকাশিত যন্ত্রণা।

আর এই চিরকুটগুলো,
একদিন হয়তো জমা হবে আগ্নেয়গিরির মতো,
ভেঙে দেবে নীরবতা,
চিৎকার করে বলবে—
“আমরা আর মরতে চাই না,
আমরা বাঁচতে চাই।”</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232544/</link>
				<pubDate>Mon, 01 Sep 2025 18:02:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f338;অসমাপ্ত চিরকুট&#x1f338;<br />
        [জে,এফ,]<br />
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~</p>
<p>রাতের অন্ধকারে, কেরোসিনের বাতির নিচে কাঁপতে থাকা এক টুকরো কাগজ—<br />
অর্ধেক লেখা, অর্ধেক ছেঁড়া,<br />
শিরোনাম নেই, ঠিকানাও নেই, শুধু কালি মাখানো কিছু ভাঙাচোরা শব্দ।<br />
এই যে চিরকুট, কারো কাছে তা প্রেমের স্বীকারোক্তি নয়,<br />
বরং বেঁচে থাকার শেষ আর্তন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-232544"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/232544/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d0900c52add5200a8295708b43f2995b</guid>
				<title>&#x1f338;স্বপ্নরা কথা কয়&#x1f338;  
(জে,এফ,)
=============================================

জীবনের পথে হেঁটে যায় নতুন আলো,
স্বপ্নেরা ভোরে ফোটে হাসি ছড়িয়ে ভালো।

পাহাড়ে নদী বয়ে চলে শান্তি ধীরে,
মনে জাগে আশা সব কষ্ট মুছে ঘিরে।

চাঁদ ওঠে আকাশে, তারারা হাসে কাছে,
অশ্রুর ঝরায় ভিজে যায় মন-মাঝে।

শিশুর খেলা আঙিনায় ভোরে খুশির ঝলক,
মায়ের হাসিতে মিলে স্বপ্নের নীরব ঢলক।

মেঘে ঢাকা সূর্য হাসে দিনে রোদেলা,
দুঃখ হারায় শেষে আসে আনন্দ খেলা।

হৃদয় ভাঙে আবার, নতুন পথে এগোতে চায়,
স্বপ্নেরা বলে জীবন সবসময় চলতে যায়।

পথের বাঁকে দাঁড়িয়ে আশা ডাকে মৃদু ছন্দে,
প্রাণের রথ চলে ছায়ার অমোঘ পথে।

বৃষ্টির ফোঁটা ঝরে মাঠে, ভিজে যায় মাটিতে,
জীবন শেখায় হেসে ওঠা, দুঃখ মুছে যায় সাথে।

নদীর ঢেউ বয়ে যায়, কষ্ট হারায় দূরে,
স্বপ্নেরা চোখে খেলে, হাসি ফোটে অধরে।

আলো-ছায়ার খেলা মনে জাগায় নতুন আশা,
প্রতিটি দিন বলে, স্বপ্ন কখনো ফাঁকা।

পাহাড় চূড়ায় পাখি ডাকে স্বাধীনতার গান,
মনও খোঁজে তার পথ নতুন দিনে ভোরের প্রাণ।

শেষে আসে শান্তি, স্বপ্নরা ডাকে নীরবে,
জীবনের প্রতিটি ধাপে কথা কয় গভীরে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232455/</link>
				<pubDate>Wed, 27 Aug 2025 11:52:27 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f338;স্বপ্নরা কথা কয়&#x1f338;<br />
(জে,এফ,)<br />
=============================================</p>
<p>জীবনের পথে হেঁটে যায় নতুন আলো,<br />
স্বপ্নেরা ভোরে ফোটে হাসি ছড়িয়ে ভালো।</p>
<p>পাহাড়ে নদী বয়ে চলে শান্তি ধীরে,<br />
মনে জাগে আশা সব কষ্ট মুছে ঘিরে।</p>
<p>চাঁদ ওঠে আকাশে, তারারা হাসে কাছে,<br />
অশ্রুর ঝরায় ভিজে যায় মন-মাঝে।</p>
<p>শিশুর খেলা আঙিনায় ভোরে খুশির ঝলক,<br />
মায়ের হাসিতে মিলে স্ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-232455"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/232455/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">56381ee838eefd0fea00f3b383520714</guid>
				<title>&#x270d;&#xfe0f; কবিতা: শখের ঘর
          (জে,এফ,)
&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;

শখের ঘরে স্বপ্ন বাঁধি,
তাতে ভরে রঙিন সাজি।
ইটের গায়ে মাটি মেখে,
আশা আঁকি আলো দেখে।

কখনো আসে ঝড়ের হাওয়া,
ভেঙে দেয় সে স্বপ্ন-ছাওয়া।
তবু মানুষ আবার গড়ে,
ভাঙা পথে আলো ঝরে।

টিনের চালায় বৃষ্টি নামে,
মাটির ঘ্রাণে মন যে থামে।
হাসির আলো আগুন জ্বালে,
শখের ঘরে সুখই ঢালে।

শিশুর হাসি উঠান ভরে,
জীবন গানে রঙ যে ঝরে।
খেটে খাওয়া মানুষ হেসে,
আশা বোনে আপন দেশে।

শখের ঘরে যত আঁচড়,
ভালোবাসাই বাঁধে মচড়।
মানুষ বাঁচে স্বপ্ন ধরে,
শখের ঘরেই সুখ যে ভরে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232406/</link>
				<pubDate>Sun, 24 Aug 2025 16:55:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x270d;&#xfe0f; কবিতা: শখের ঘর<br />
          (জে,এফ,)<br />
&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;</p>
<p>শখের ঘরে স্বপ্ন বাঁধি,<br />
তাতে ভরে রঙিন সাজি।<br />
ইটের গায়ে মাটি মেখে,<br />
আশা আঁকি আলো দেখে।</p>
<p>কখনো আসে ঝড়ের হাওয়া,<br />
ভেঙে দেয় সে স্বপ্ন-ছাওয়া।<br />
তবু মানুষ আবার গড়ে,<br />
ভাঙা পথে আলো ঝরে।</p>
<p>টিনের চালায় বৃষ্টি নামে,<br />
মাটির ঘ্রাণে মন যে থামে।<br />
হাসির আলো আগুন জ্বালে,<br />
শখের ঘরে সুখই ঢালে।</p>
<p>শিশুর&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-232406"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/232406/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e6e2948759330650f6642e3132efbee9</guid>
				<title>&quot;সুখ&quot;
 (জে,এফ,) 
&#x2728;&#x2728;&#x2728;&#x2728;&#x2728;&#x2728;&#x2728;&#x2728;&#x2728;&#x2728;

সুখ থাকে ছোট্ট হাসিতে,
মায়ার টানে ভরা বাসাতে।
সুখ থাকে মায়ের চোখেতে,
ক্লান্তি মুছে ভালোবেসে যেতে।

সুখ থাকে শিশুর হাসিতে,
সুখ মেলে টাপুর টুপুর বৃষ্টিতে।
সুখ থাকে ভোরের বাতাসে,
নিশিরাতে চাঁদ-তারা পাশে।

সুখ থাকে অল্প আহারে,
খাঁটি মনের সহজ স্নেহধারে।
সুখ থাকে দুঃখ ভাগাভাগি,
হাত বাড়ালে মিলে প্রাণভাগী।

সুখ থাকে সততার শক্তিতে,
কর্মফল হাসে অবনত মস্তিকে।
সুখ থাকে পরিশ্রম শেষে,
অশ্রুঝরা ঘামে শান্তি আসে।

সুখ থাকে মিলনের আশাতে,
বন্ধুত্বের টানে অন্তর হাসাতে।
সুখ থাকে দান-করুণায়,
মানবতার পথ স্নিগ্ধ মায়ায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232332/</link>
				<pubDate>Fri, 22 Aug 2025 11:35:56 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>     &#8220;সুখ&#8221;<br />
 (জে,এফ,)<br />
&#x2728;&#x2728;&#x2728;&#x2728;&#x2728;&#x2728;&#x2728;&#x2728;&#x2728;&#x2728;</p>
<p>সুখ থাকে ছোট্ট হাসিতে,<br />
মায়ার টানে ভরা বাসাতে।<br />
সুখ থাকে মায়ের চোখেতে,<br />
ক্লান্তি মুছে ভালোবেসে যেতে।</p>
<p>সুখ থাকে শিশুর হাসিতে,<br />
সুখ মেলে টাপুর টুপুর বৃষ্টিতে।<br />
সুখ থাকে ভোরের বাতাসে,<br />
নিশিরাতে চাঁদ-তারা পাশে।</p>
<p>সুখ থাকে অল্প আহারে,<br />
খাঁটি মনের সহজ স্নেহধারে।<br />
সুখ থাকে দুঃখ ভাগাভাগি,<br />
হাত বাড়ালে মিল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-232332"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/232332/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">63f00498fdc15ee60d0d8e7b45d7bc46</guid>
				<title>“স্মৃতির এগারো নদী”
[ জে,এফ, ]
&#x1f338;&#x2728;&#x1f338;&#x2728;&#x1f338;&#x2728;&#x1f338;&#x2728;&#x1f338;&#x2728;&#x1f338;&#x2728;&#x1f338;&#x2728;&#x1f338;&#x2728; 

একদা আমরা ছিলাম এগারো নদী,
একই স্রোতে বয়ে চলা,
হাসিতে ছিলো ঝর্ণার ঝঙ্কার,
আড্ডায় ছিলো সমুদ্রের ঢেউয়ের উত্তাল ছলছল।
একই আকাশের নিচে,
আমরা ছিলাম বাতাসে দোলানো ঘাসের মাঠ,
যেখানে বন্ধুত্ব ছিলো ডালে ডালে ফুটন্ত ফুল।

কিন্তু হঠাৎই সময় এসে টেনে নিলো আমাদের—
কেউ থেমে গেলো অবসরের নিস্তব্ধ ঘাটে,
কেউ আটকে গেলো পারিবারিক ব্যস্ততার জালে।
আমাদের স্রোত ভেঙে গেলো,
একেকটি নদী আলাদা সাগরে মিশে গেলো।

তবু আমরা মিলি মাঝেমধ্যে—
অকস্মাৎ দেখা হলে মনে হয়
শুকনো ডালে হঠাৎ ফুটে উঠেছে
অপরিচিত কোনো বসন্ত।
কথার ভাঁজে লুকানো হাসি
ফিরিয়ে আনে সেই আগের উচ্ছ্বাস।

কিন্তু মন তাতে ভরে না—
যেনো দূরের দিগন্তে সমুদ্র দেখা যায়,
কাছে গিয়ে ছুঁতে পারি না।
আমাদের মাঝে অদৃশ্য দূরত্ব
এক অচেনা দেয়ালের মতো দাঁড়িয়ে থাকে।

তবু হৃদয়ের ভেতর কোথাও,
আমরা আজও বাঁধা এক শেকড়ে—
সেই এগারো ফুলের মতো,
যারা আলাদা ডালে থেকেও
একই বাগানের রঙে রঙিন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232258/</link>
				<pubDate>Mon, 18 Aug 2025 18:07:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“স্মৃতির এগারো নদী”<br />
[ জে,এফ, ]<br />
&#x1f338;&#x2728;&#x1f338;&#x2728;&#x1f338;&#x2728;&#x1f338;&#x2728;&#x1f338;&#x2728;&#x1f338;&#x2728;&#x1f338;&#x2728;&#x1f338;&#x2728; </p>
<p>একদা আমরা ছিলাম এগারো নদী,<br />
একই স্রোতে বয়ে চলা,<br />
হাসিতে ছিলো ঝর্ণার ঝঙ্কার,<br />
আড্ডায় ছিলো সমুদ্রের ঢেউয়ের উত্তাল ছলছল।<br />
একই আকাশের নিচে,<br />
আমরা ছিলাম বাতাসে দোলানো ঘাসের মাঠ,<br />
যেখানে বন্ধুত্ব ছিলো ডালে ডালে ফুটন্ত ফুল।</p>
<p>কিন্তু হঠাৎই সময় এসে টেনে নিলো আমাদের—<br />
কেউ থেমে গেলো অবসরের নিস্তব্ধ ঘ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-232258"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/232258/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fb4bf3748452d894502dfabd1cb73f94</guid>
				<title>&#x1f33c;শুভরাত্রি&#x1f33c;
     [জেএফ]
&#x2728;&#x2728;&#x2728;
চাঁদের আলো ঢেকে দিলো জানালার কাচ,
হাওয়া বলে ধীরে ধীরে, &quot;চোখ করো বন্ধ আজ ।&quot;
তারারা সব টুকটুক করে, হাসে রাতের কোলে,
স্বপ্ন নামে নরম করে, রূপকথার দোলে।
ঘুমের দেশে পা বাড়াও, রঙিন ফুলের পথে,
খেলবে তুমি রূপালি মাছ, রঙধনুরই স্রোতে।
নিঃশব্দে রাত জেগে রবে, পাহারা দিয়ে তোর,
সকাল হলে রোদ্দুর বলবে—&quot;ঘুমটা হলো কেমন ঘোর?&quot; 
&#x1f319;
চাঁদ মামা ঝিলমিল,
তারার দল খিলখিল।
হাওয়ার গান টুপটাপ,
ঘুম পাড়ায় চাপা চাপ।
নরম স্বপ্ন রঙিন পাখি,
ডাকে এসে &quot;চলো যাখি&quot;।
চোখ বুজে ঘুমের দেশে,
গল্প থাকবে রূপের রেশে। &#x1f319;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232142/</link>
				<pubDate>Fri, 15 Aug 2025 17:31:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f33c;শুভরাত্রি&#x1f33c;<br />
     [জেএফ]<br />
&#x2728;&#x2728;&#x2728;<br />
চাঁদের আলো ঢেকে দিলো জানালার কাচ,<br />
হাওয়া বলে ধীরে ধীরে, &#8220;চোখ করো বন্ধ আজ ।&#8221;<br />
তারারা সব টুকটুক করে, হাসে রাতের কোলে,<br />
স্বপ্ন নামে নরম করে, রূপকথার দোলে।<br />
ঘুমের দেশে পা বাড়াও, রঙিন ফুলের পথে,<br />
খেলবে তুমি রূপালি মাছ, রঙধনুরই স্রোতে।<br />
নিঃশব্দে রাত জেগে রবে, পাহারা দিয়ে তোর,<br />
সকাল হলে রোদ্দুর বলবে—&#8221;ঘুমট&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-232142"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/232142/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3189f84e26189c07c8b6b6822f108885</guid>
				<title>কবিতার নাম: দুই তীরের নৌকা
কবি: জেএফ
&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;

নদীর বুকে ভাসে এক নৌকা—
যার কাঠের গায়ে লেগে আছে অগণিত জলের স্বপ্ন,
কিছু গোপন দীর্ঘশ্বাস, আর কারও ছোঁয়া দেওয়া নিঃশ্বাসের উষ্ণতা।

মাঝি জানে—
ঢেউয়ের নরম টোকা মানে কেবল যাত্রা নয়,
এ মানে কোথাও এক নীরব ডাক,
যা শোনা যায় কেবল হৃদয়ের কানে।

নৌকার এক দিক বাঁধা পরিচিত তীরে—
যেখানে আছে ঘর, সন্তান, সংসারের নৌকোঠে বাঁধা শান্তি।
অন্য দিক টানে এক অচেনা তীর,
যার বুকে সে খুঁজে পায় তার নিজের হারানো নদী—
বাবার চোখের মতো গভীর, বাবার কণ্ঠের মতো নিশ্চুপ অথচ আশ্রয়দায়ী।

আমি তাকে বলেছি—
&quot;নৌকাকে দুই তীরে একসাথে বাঁধা যায় না।
নদী সহ্য করে না এমন টানাপোড়েন,
যে নৌকা দুই দিকেই ছুটতে চায়, সে একদিন ভেঙে যায়, ডুবে যায়,
ফিরে পায় না কোনো তীরই।&quot;

তবুও সে আসে—
ভোরের কুয়াশা ভেদ করে,
তার চোখে জোয়ারের মতো ভেসে আনে অপ্রকাশিত ভালোবাসা।
সে এসে নদীর জলে ফেলে যায় কিছু শব্দ, কিছু নিরবতা,
যা আমার বুকের ভেতর ঢেউ তোলে, অথচ ভাঙতে দেয় না তীর।

আমাদের মাঝের জল—
এ শুধু জল নয়—
এ প্রার্থনা, এ ভয়, এ নিষিদ্ধ আকর্ষণ,
যা একদিন হয়তো মিলিয়ে যাবে স্রোতের সাথে,
তবুও আজ এই মুহূর্তে,
আমরা দুজনই জানি—
কিছু নৌকা আছে, যারা গন্তব্যের জন্য নয়,
শুধুই যাত্রার জন্য জন্মায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232134/</link>
				<pubDate>Fri, 15 Aug 2025 10:21:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতার নাম: দুই তীরের নৌকা<br />
কবি: জেএফ<br />
&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;&#x1f6a3;&#x200d;&#x2640;&#xfe0f;</p>
<p>নদীর বুকে ভাসে এক নৌকা—<br />
যার কাঠের গায়ে লেগে আছে অগণিত জলের স্বপ্ন,<br />
কিছু গোপন দীর্ঘশ্বাস, আর কারও ছোঁয়া দেওয়া নিঃশ্বাসের উষ্ণতা।</p>
<p>মাঝি জানে—<br />
ঢেউয়ের নরম টোকা মানে কেবল যাত্রা নয়,<br />
এ মানে কোথাও এক নীরব ডাক,<br />
যা শোনা যায় কেবল হৃদয়ের কানে।&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-232134"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/232134/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1cd903e8a6782c1d25044e6f776ea966</guid>
				<title>“নদীর ডাকে”
 ( যশোর-খুলনা আঞ্চলিক কবিতা )
 কবি: জে,এফ,
&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;

ওই যে, গোধূলি নামতেছে, কপোতাক্ষের জলে সোনালি রঙ পড়তেছে।
দূরে বাঁশবাগানের ফাঁকে বাতাস বইতেছে, পাটপাতার গন্ধে ভরল হাওয়া।
আমি দাঁড়ায় আছি খেয়াঘাটে, নৌকাডা বাঁধা—
নৌকাও যেন আমার মতন চুপচাপ, জলের ঢেউ গুনতেছে।

মনে পড়ে, ছোটবেলারে…
মা হাতের ডাঙায় মুড়ি-চিঁড়া ধইরা দিত, কইত—
&quot;যা রে, নদীর ধারে খেল, কিন্তু জলের কাছে যাইও না!&quot;
তয় কেমন জানি, জল ডাক দিত…
তার টানে গেছি, ভিজছি, হইছি হাসি, হইছি কান্দন।

এই মাটির গন্ধ, এই পানির স্বাদ—
যশোরের রোদ্দুরের মতনই আলগা, কোমল, আর আপনজনের মতো।
এখানের মানুষ গরিব হইলেও, মনটা বড় ধনী—
বিয়ের দাওয়াত দিলে আধা গ্রাম হাজির,
শোকের খবর শুনলে পরদিন ভোরেই দৌড়ে আসে।

তুমি যদি কপোতাক্ষের ধারে দাঁড়াও,
দেখবা, নদী শুধু নদী না—
ও যেন পুরনো দিনের গল্পের বই,
দুঃখ-বেদনা, হাসি-আনন্দ, সব বয়ে নিয়ে চলতেছে।

আমি জানি, একদিন আমি থাকমু না,
তয় নদী থাকবেই, তার ডাক থাকবেই—
তখন হয়তো কেউ দাঁড়ায়ে আমার মতো কইব,
&quot;এই মাটি, এই জল—আমার বুকের ভিতর চিরদিন বাজব।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/232066/</link>
				<pubDate>Wed, 13 Aug 2025 14:30:39 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>               “নদীর ডাকে”<br />
 ( যশোর-খুলনা আঞ্চলিক কবিতা )<br />
 কবি: জে,এফ,<br />
&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;&#x1f340;</p>
<p>ওই যে, গোধূলি নামতেছে, কপোতাক্ষের জলে সোনালি রঙ পড়তেছে।<br />
দূরে বাঁশবাগানের ফাঁকে বাতাস বইতেছে, পাটপাতার গন্ধে ভরল হাওয়া।<br />
আমি দাঁড়ায় আছি খেয়াঘাটে, নৌকাডা বাঁধা—<br />
নৌকাও যেন আমার মতন চুপচাপ, জলের ঢেউ গুনতেছে।</p>
<p>মনে পড়ে, ছোটবেলারে…<br />
মা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-232066"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/232066/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">37d6bfc9ade02f48f3c241296d684c12</guid>
				<title>&#x1f319;
&quot;দিনের সব শব্দ আজ নিভে গেছে, 
বাতাসের নরম ছোঁয়ায় চোখে নামছে স্বপ্নের পর্দা।
চাঁদ যেন সাদা কালি, আকাশের কালো পাতায় লিখছে নিঃশব্দ কবিতা…
ঘুমিয়ে পড়ো,
স্বপ্নে হয়তো দেখা হবে—
আমাদের অসমাপ্ত কথাগুলো শেষ করতে।&quot;
— জে,এফ,</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231990/</link>
				<pubDate>Sun, 10 Aug 2025 17:33:42 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f319;<br />
&#8220;দিনের সব শব্দ আজ নিভে গেছে,<br />
বাতাসের নরম ছোঁয়ায় চোখে নামছে স্বপ্নের পর্দা।<br />
চাঁদ যেন সাদা কালি, আকাশের কালো পাতায় লিখছে নিঃশব্দ কবিতা…<br />
ঘুমিয়ে পড়ো,<br />
স্বপ্নে হয়তো দেখা হবে—<br />
আমাদের অসমাপ্ত কথাগুলো শেষ করতে।&#8221;<br />
— জে,এফ,</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">44cd3b8648772c557321796383d8a7f8</guid>
				<title>&quot;পুনর্জন্ম&quot;
(জেএফ)
&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;
ধূসর মাটির বুকে,
ভাঙা ঘরের ছায়ায়—
সবকিছু যেন শেষ হয়ে গেছে,
ধুলো আর ছাইয়ের গন্ধে
আকাশও ভারী হয়ে আছে।
তবু, কোথা থেকে যেন
এক বিন্দু সবুজ উঁকি দেয়—
দুটি কোমল পাতা,
শিশিরে ভেজা,
যেন ভোরের প্রথম দোয়া।
ঝড়ে ভেঙেছে ছাদ,
আগুনে পুড়েছে স্বপ্ন,
কিন্তু মাটি এখনো বুকে ধরে রেখেছে
জীবনের গোপন বীজ।
এ সবুজ জানে,
অন্ধকার চিরকাল থাকে না—
সূর্যের আলো একদিন
আবার ছুঁয়ে যাবে তার গা,
এবং সে বড় হবে,
ভরিয়ে দেবে এই বিরান ভূমি।
জীবন ঠিক এমনই—
ধ্বংসের ভেতর থেকেও
পথ খুঁজে নেয় নতুন শ্বাসের,
যেমন এই কুঁড়ি খুঁজে পেয়েছে
নিজের প্রথম সকাল........&#x270d;&#xfe0f;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231956/</link>
				<pubDate>Fri, 08 Aug 2025 17:58:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> &#8220;পুনর্জন্ম&#8221;<br />
(জেএফ)<br />
&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;&#x1f33f;<br />
ধূসর মাটির বুকে,<br />
ভাঙা ঘরের ছায়ায়—<br />
সবকিছু যেন শেষ হয়ে গেছে,<br />
ধুলো আর ছাইয়ের গন্ধে<br />
আকাশও ভারী হয়ে আছে।<br />
তবু, কোথা থেকে যেন<br />
এক বিন্দু সবুজ উঁকি দেয়—<br />
দুটি কোমল পাতা,<br />
শিশিরে ভেজা,<br />
যেন ভোরের প্রথম দোয়া।<br />
ঝড়ে ভেঙেছে ছাদ,<br />
আগুনে পুড়েছে স্বপ্ন,<br />
কিন্তু মাটি এখনো বুকে ধরে রেখেছে<br />
জীবনের গোপন বীজ।<br />
এ সবুজ জানে,<br />
অন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231956"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231956/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c685cafb299bbac91f7bb026f83e34fb</guid>
				<title>কবিতা: মানুষের নদী 
(জে,এফ)
&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;
শহরের ভিড়ে দাঁড়াই আমি, চোখে অনন্ত স্বপ্ন,
রোদে পোড়া মুখে লুকায় কত অদেখা দুঃখের বৃত্ত।
বুকে আছে নদীর মতো বয়ে চলা গান,
তীরে তীরে থেমে থেমে কাঁপে মানুষের প্রাণ।

যে হাতে রুটি ভাজে, সে হাতে গড়ে প্রেম,
যে চোখে ঝড় জমে থাকে, সে চোখেই জ্বলে হেম।
রাত পেরিয়ে ভোরে যখন শিউলির গন্ধ ছড়ায়,
তখনো পথচলা থামে না—মানুষের নদী বয়ে যায়।

এ নদীর জলে আছে কান্না, আছে হাসির ঢেউ,
ভালবাসা বাঁধ ভেঙে যায়, তবু বেঁচে থাকে নৌ।
কেউ আসে নতুন স্বপ্ন নিয়ে, কেউ যায় ফেলে চিহ্ন,
নদীর মতো মানুষ বাঁচে—চলে অনন্ত যাত্রায় দিনরাত্রি নীরব তীক্ষ্ণধার।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231951/</link>
				<pubDate>Fri, 08 Aug 2025 10:46:28 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>কবিতা: মানুষের নদী<br />
(জে,এফ)<br />
&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;&#x1f338;<br />
শহরের ভিড়ে দাঁড়াই আমি, চোখে অনন্ত স্বপ্ন,<br />
রোদে পোড়া মুখে লুকায় কত অদেখা দুঃখের বৃত্ত।<br />
বুকে আছে নদীর মতো বয়ে চলা গান,<br />
তীরে তীরে থেমে থেমে কাঁপে মানুষের প্রাণ।</p>
<p>যে হাতে রুটি ভাজে, সে হাতে গড়ে প্রেম,<br />
যে চোখে ঝড় জমে থাকে, সে চোখেই জ্বলে হেম।<br />
রাত পেরিয়ে ভোরে যখন শিউলির গন্ধ ছড়ায়,<br />
তখনো পথচলা থামে না—মানুষে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231951"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231951/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9b3edb477c620910ea1b1ff726da2f41</guid>
				<title>&#x1f392; “ছোট্ট বীর” &#x1f392;
        (জেএফ)
&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;

চোখে তার এক আলো জ্বলে,
বুদ্ধির ঝিলিক বাজে চলে,
স্কুল ড্রেসে গম্ভীর মুখ,
মনে ভরা সাহসের সুখ।
টাইটা বাঁধা গলায় ঠিক,
চোখে যেন ভবিষ্যৎ লিখ,
বলতে চায় সে—&quot;আমি পারি,
জয় করবো আমি দুনিয়া ভারি!&quot;
পড়ার টেবিল, খাতার পাতায়,
লুকিয়ে থাকে সে মহাকাব্যে,
স্বপ্ন দেখে মহাশূন্যে,
তারও নামটা উঠবে গুণ্যে।
বন্ধুদের মাঝে সে সেরা,
সাহায্যে তার মনটা ভরা।
ভবিষ্যতের ডাক সে শুনে,
চুপচাপ হাঁটে সাহস বুনে।
শুধু পেন্সিল, খাতা নয়,
তার হৃদয়ে স্বপ্ন রয়।
হোক সে শিক্ষক, বিজ্ঞানী,
বা লিখুক গল্প চিন্তাশীল ধ্যানী।
আমরা সবাই তাকে বলি—
আমরা বলি তাকে ভালোবেসে—
&quot;তুইই গড়বি আগামী দিনের বাংলাদেশে!&quot;
এই শিশুটি, এই ছোট প্রাণ,
হোক আমাদের দেশের সম্মান!

&#x1f4da; শিক্ষণীয়:
প্রত্যেক শিশুর মাঝে লুকিয়ে থাকে সম্ভাবনার এক দীপ্ত তারা। ভালোবাসা, শিক্ষায় সহায়তা আর উৎসাহ দিয়ে আমরা সবাই মিলে গড়ে তুলতে পারি তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231941/</link>
				<pubDate>Thu, 07 Aug 2025 14:16:32 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f392; “ছোট্ট বীর” &#x1f392;<br />
        (জেএফ)<br />
&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;&#x270f;&#xfe0f;</p>
<p>চোখে তার এক আলো জ্বলে,<br />
বুদ্ধির ঝিলিক বাজে চলে,<br />
স্কুল ড্রেসে গম্ভীর মুখ,<br />
মনে ভরা সাহসের সুখ।<br />
টাইটা বাঁধা গলায় ঠিক,<br />
চোখে যেন ভবিষ্যৎ লিখ,<br />
বলতে চায় সে—&#8221;আমি পারি,<br />
জয় করবো আমি দুনিয়া ভারি!&#8221;<br />
পড়ার টেবিল, খাতার পাতায়,<br />
লুকিয়ে থাকে সে মহাকাব্যে,<br />
স্বপ্ন দেখে মহাশূন্যে,<br />
তারও নামটা উঠ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231941"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231941/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">73191aaf6a4923c52ee23a783a27ec19</guid>
				<title>&#x1f33f;কলামে: জে,এফ,

&quot;এই দুনিয়া শুধু একটি ক্ষণস্থায়ী পরীক্ষা।&quot;

&#x1f4d6; 
&quot;একটি বই, একটি ভাবনা, একটি পরিবর্তন।&quot;
&quot;আজকের পাঠ, আগামীকালের পথ।&quot;
&quot;জ্ঞানই শক্তি – পড়া থামিও না।&quot;
&quot;বইয়ের সাথে কাটানো সময় কখনও বৃথা যায় না।&quot;
&quot;তুমি যত পড়বে, ততই বড় হবে।&quot;

&#x1f4ad; 
&quot;শব্দেরা বলে দেয়, আমি কে।&quot;
&quot;পৃষ্ঠার ভাঁজে হারিয়ে যাই আমি, খুঁজে পাই নিজেকে।&quot;
&quot;বই মানে একেকটা জানালা, যেখান থেকে পৃথিবীকে দেখা যায় নতুনভাবে।&quot;
&quot;মৌনতা যখন বলে ওঠে, তখনই সৃষ্টি হয় সাহিত্য।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231885/</link>
				<pubDate>Tue, 05 Aug 2025 12:45:51 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f33f;কলামে: জে,এফ,</p>
<p>&#8220;এই দুনিয়া শুধু একটি ক্ষণস্থায়ী পরীক্ষা।&#8221;</p>
<p>&#x1f4d6;<br />
&#8220;একটি বই, একটি ভাবনা, একটি পরিবর্তন।&#8221;<br />
&#8220;আজকের পাঠ, আগামীকালের পথ।&#8221;<br />
&#8220;জ্ঞানই শক্তি – পড়া থামিও না।&#8221;<br />
&#8220;বইয়ের সাথে কাটানো সময় কখনও বৃথা যায় না।&#8221;<br />
&#8220;তুমি যত পড়বে, ততই বড় হবে।&#8221;</p>
<p>&#x1f4ad;<br />
&#8220;শব্দেরা বলে দেয়, আমি কে।&#8221;<br />
&#8220;পৃষ্ঠার ভাঁজে হারিয়ে যাই আমি, খুঁজে পাই নিজেকে।&#8221;<br />
&#8220;বই মা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231885"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231885/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">350071fd8ac5728a2b2dd3fba299df97</guid>
				<title>&#x1f4dc;কবিতা: &quot;অনুভূতিরা কথা কয়&quot;
&#x270d;&#xfe0f;জে,এফ
  ( তুলট ডেক্স-এর জন্য একান্তভাবে রচিত )

অনুভূতিরা কথা কয়, নিঃশব্দে তারা যায় বয়ে,
শব্দহীন ভাষার মাঝে, হৃদয় বুঝে তার ব্যাখ্যায়,
চোখের জলে লেখা থাকে, মনের অগোচরে।

রাত জাগে না নিঃসঙ্গতা, স্বপ্নরা দেয় সাড়া,
চুপিচুপি তারা আসে, স্মৃতির ঘরে কারা?
অভিমানী বাতাস বলে, &quot;ভালোবাসা কার হারা?&quot;

মনের কোণে লুকিয়ে আছে কিছু না বলা গল্প,
সময় চায় না শুনতে, ব্যস্ত তার নিজের কর্ম,
অন্য হৃদয় বোঝে শুধু, না-পড়ানো সেই অক্ষর।

তোমার নিঃশ্বাসে লেগে থাকা ব্যথার একটি ঢেউ,
সেই ঢেউয়ে হারায় আমি, কষ্টরা পায় নৈঃশব্দ্যের খেউ,
তবু ভেসে চলে আশার তরণি, ভাঙা ডিঙি বেয়ে।

ভালোবাসা কি শব্দে বাঁধা, না অনুভবে প্রকাশ?
দৃষ্টির এক চুম্বকে হয় প্রেমের নিঃশব্দ বাতাস,
জীবনের গান গায় সে, নিঃসঙ্গতার পাশে পাশ।

প্রতিটি চুপ করে থাকা মুহূর্ত, একটি বলার আকুতি,
ভালো লাগা আর খারাপ লাগার এক অস্পষ্ট সম্বৃতি,
তবুও এই মন বলে, “আমি তো কেবল অনুভুতি!”

চলার পথে হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নরা ফেরে ফিরে,
মেঘের ছায়া টেনে আনে তারা আকাশের দিরে,
প্রত্যাশার আলোয় লেখা হয়, না বলা কথার ধারা।

অন্য চোখে দেখা জীবন, অন্য রঙে আঁকা বেদনা,
তবু ভালোবাসা শিখায়, কেমন লাগে হারানো জানা,
হৃদয়ের অলিগলিতে বাজে সেই পুরোনো সুর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231874/</link>
				<pubDate>Mon, 04 Aug 2025 20:00:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f4dc;কবিতা: &#8220;অনুভূতিরা কথা কয়&#8221;<br />
&#x270d;&#xfe0f;জে,এফ<br />
  ( তুলট ডেক্স-এর জন্য একান্তভাবে রচিত )</p>
<p>অনুভূতিরা কথা কয়, নিঃশব্দে তারা যায় বয়ে,<br />
শব্দহীন ভাষার মাঝে, হৃদয় বুঝে তার ব্যাখ্যায়,<br />
চোখের জলে লেখা থাকে, মনের অগোচরে।</p>
<p>রাত জাগে না নিঃসঙ্গতা, স্বপ্নরা দেয় সাড়া,<br />
চুপিচুপি তারা আসে, স্মৃতির ঘরে কারা?<br />
অভিমানী বাতাস বলে, &#8220;ভালোবাসা কার হারা?&#8221;</p>
<p>মনের কোণে লু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231874"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231874/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4ef4862b9c2962ad1b355f7d19a792da</guid>
				<title>*মানুষ*
- জে,এফ,


মানুষ যদি মানুষ হতো,
মনের কথা মন বুঝতো,
পাশের পাশে হাত রাখত,
অন্য ব্যথায় বুক কাঁপত।
মানুষ যদি হতো আলো,
অন্ধকারে দিত সে চল,
ভেদাভেদে কাটত জাল,
ভুলের পরে ফিরত ভাল।
লোভের ডালি ফেলত দূরে,
বাঁচত সোজা পথে, সুরে।
চোখের জলে গড়ত নদী,
প্রেমের টানে উঠত হৃদি।
সত্য কথায় বলত “ভাই”,
মিথ্যে পথে হাঁটত না তাই।
ক্ষমার মালা গাঁথত চুপে,
রাগের আগুন দিত সে ধূপে।
মানুষ যদি মানুষ হতো,
দুঃখ পেলে পাশে থাকত।
তবেই নেমে আসত নূর,
পৃথিবী হতো সত্য, পূর।
মানুষ মানে ভালো হওয়া,
মিথ্যে ছাড়া সত্য বোনা।
কাউকে কাঁদায় না যে মন,
সেই তো মানুষ, সেই শ্রেষ্ঠজন।
মানুষ মানে হাত বাড়ানো,
পাখির ডানায় গান গাওয়া।
গরিব বাচ্চার পাশে বসে,
ভাগের খাবার মুখে দেয় সে।
মানুষ মানে করে না মার,
নরম কথায় গড়ে সংসার।
বড় হয়ে যদি মানুষ হই,
ভুলের পথে চলব না তাই।
হাসির মতো খুশি দিব,
দুঃখ পেলে চোখ মুছাব।
আলো হবো অন্ধ রাতে,
মানুষ হবো ভালো কথাতে।

[সত্যবাদী, সহানুভূতিশীল, ও পরোপকারী হলে তবেই আমরা সত্যিকার অর্থে &quot;মানুষ&quot; হয়ে উঠতে পারি................&#x270d;&#xfe0f;]</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231815/</link>
				<pubDate>Fri, 01 Aug 2025 11:00:25 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>*মানুষ*<br />
&#8211; জে,এফ,</p>
<p>মানুষ যদি মানুষ হতো,<br />
মনের কথা মন বুঝতো,<br />
পাশের পাশে হাত রাখত,<br />
অন্য ব্যথায় বুক কাঁপত।<br />
মানুষ যদি হতো আলো,<br />
অন্ধকারে দিত সে চল,<br />
ভেদাভেদে কাটত জাল,<br />
ভুলের পরে ফিরত ভাল।<br />
লোভের ডালি ফেলত দূরে,<br />
বাঁচত সোজা পথে, সুরে।<br />
চোখের জলে গড়ত নদী,<br />
প্রেমের টানে উঠত হৃদি।<br />
সত্য কথায় বলত “ভাই”,<br />
মিথ্যে পথে হাঁটত না তাই।<br />
ক্ষমার মালা গাঁথত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231815"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231815/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fe6771c9dd34334553648d224871bf85</guid>
				<title>“পাহাড় আর মানুষের জীবন”
(জে,এফ,)
===============================================================
ছোট্ট গ্রামের পাশে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে এক বিশাল সবুজ পাহাড়। বছরের পর বছর ধরে সে দাঁড়িয়ে আছে অটল, নীরব সাক্ষী হয়ে মানুষের হাসি-কান্নার, স্বপ্ন আর সংগ্রামের। গ্রামের মানুষ তাকে ভালোবেসে ডাকে &quot;বুড়ো পাহাড়&quot;।

রাহিম ছিল গ্রামের এক কিশোর। সে প্রায়ই স্কুল শেষে পাহাড়ের পাদদেশে বসে বই পড়ত, মাঝে মাঝে চুপচাপ তাকিয়ে থাকত পাহাড়ের দিকে। তার মনে হতো, এই পাহাড় যেন অনেক কিছু জানে। একদিন সে জিজ্ঞেস করল,
“পাহাড় ভাই, তুমি এত চুপচাপ কেন? কীভাবে এত কঠিন হয়ে থেকেও শান্ত থাকতে পারো?”

পাহাড় মৃদু হেসে বলল,
“আমি অনেক ঝড় দেখেছি রাহিম, অনেক রোদ-বৃষ্টি, কিন্তু আমি জানি—সবকিছুই ক্ষণিক। তাই আমি ভাঙি না, শুধু দাঁড়িয়ে থাকি। জীবনে যেমন দুঃখ আসে, তেমনি আসে সুখও। তুমি যদি ধৈর্য ধরো, সময়ের সাথে সব ঠিক হয়ে যায়।”

রাহিম অবাক হয়ে শুনছিল।

পাহাড় আবার বলল, “দেখো, আমার গায়ে ছোট ছোট গাছ জন্মেছে। তারা বড় হয়, আবার ঝড়ে পড়ে যায়। কিন্তু আমি জানি, নতুন গাছ আবার জন্মাবে। এটাই প্রকৃতির নিয়ম। আর মানুষও ঠিক তেমনি—কষ্ট পায়, আবার ঘুরে দাঁড়ায়। তোমাকেও তাই হতে হবে—স্থির, ধৈর্যশীল আর আশা নিয়ে পথচলা একজন প্রকৃত মানুষ।”

সে দিন থেকেই রাহিম আর কখনও ছোট কোনো বিপদে ভেঙে পড়ত না। সে বুঝে গিয়েছিল—জীবন ঠিক পাহাড়ের মতো, কখনও কঠিন, কখনও সবুজে ভরা; আর শান্ত থাকতে জানলে, সব ঝড় পেরিয়ে সুন্দর কিছু তৈরি করা যায়।

শিক্ষা:
মানুষের জীবনে যেমন ওঠানামা থাকে, তেমনি প্রকৃতিতেও। পাহাড় আমাদের শেখায় ধৈর্য, সহনশীলতা ও স্থিরতা। জীবনের কঠিন সময়েও আশা আর মনের শক্তি ধরে রাখলেই সুন্দর দিন ফিরে আসে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231670/</link>
				<pubDate>Sun, 27 Jul 2025 16:33:22 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>“পাহাড় আর মানুষের জীবন”<br />
(জে,এফ,)<br />
===============================================================<br />
ছোট্ট গ্রামের পাশে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে এক বিশাল সবুজ পাহাড়। বছরের পর বছর ধরে সে দাঁড়িয়ে আছে অটল, নীরব সাক্ষী হয়ে মানুষের হাসি-কান্নার, স্বপ্ন আর সংগ্রামের। গ্রামের মানুষ তাকে ভালোবেসে ডাকে &#8220;বুড়ো পাহাড়&#8221;।</p>
<p>রাহিম ছিল গ্রামের এক কিশোর। সে প্রায়&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231670"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231670/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5309e417b120c1444233e46763abf6e8</guid>
				<title>&#x1f407; বরফরাজ্যে সামুরাই খরগোশ
(একটি শিক্ষামূলক ছোট গল্প) 
_ জে,এফ,


অনেক দূরে, এক বরফে ঢাকা রাজ্য ছিল। সেখানকার দিনগুলো নীরব, রাতগুলো ছিল গভীর সাদা কুয়াশায় মোড়া। সেই রাজ্যে হঠাৎ একদিন আবির্ভাব হলো একটি খরগোশের—তাঁর গায়ে ছেঁড়া সামুরাই পোশাক, পিঠে বাঁধা ছোট একটি কাতানা, চোখে প্রশান্তির ছায়া, কিন্তু পাথরের মতো দৃঢ়তা।

তাঁর নাম ছিল হাসেতো। কেউ জানত না সে কোথা থেকে এসেছে। আসলে হাসেতো ছিল এক ভিন্ন জগতের বাসিন্দা, ভাগ্যচক্রে এসে পড়েছে এই তুষার রাজ্যে। তবে সে জানত, সম্মান আর ন্যায়বোধ হারালে কোনো যোদ্ধাই সত্যিকারের সামুরাই নয়।

বরফের ওপর দিয়ে নিঃশব্দে হাঁটছিল হাসেতো। মাথার ওপর তুষার ঝরছে, পায়ের নিচে শুধু নিজের ছাপ রেখে যাচ্ছে। হঠাৎ সে পৌঁছাল এক খোলা মাঠে—সাদা তুলোর মতো বরফে ঢাকা, নীরব অথচ ভয়ানক।

সেখানে তাকে ঘিরে ধরল একদল হিংস্র কুকুর। তারা ছিল স্থানীয় শিকারি গোষ্ঠী, যারা দুর্বলদের নিঃশেষ করত। হাসেতো থামল। চোখ দুটো ধীরে ধীরে তীক্ষ্ণ হলো, কাতানার হাতলে হাত রাখল সে।

হাসেতো কিছু বলেনি।
সে জানত—প্রতিশোধ নয়, সম্মান রক্ষা করাই মূল কথা।

&#x1f4dc; শিক্ষা:
জীবনে অনেক সময় তুমি একা থাকবে, চারপাশে থাকবে ভয় আর শত্রুতা।
কিন্তু যদি তোমার হৃদয়ে থাকে সত্য, আত্মসংযম, আর সাহস,
তবে তুমি যেকোনো তুষার ঝড় বা বিপদের মুখে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে—
ঠিক যেমন &quot;হাসেতো&#039;&#039;।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231621/</link>
				<pubDate>Sat, 26 Jul 2025 13:26:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>&#x1f407; বরফরাজ্যে সামুরাই খরগোশ<br />
(একটি শিক্ষামূলক ছোট গল্প)<br />
_ জে,এফ,</p>
<p>অনেক দূরে, এক বরফে ঢাকা রাজ্য ছিল। সেখানকার দিনগুলো নীরব, রাতগুলো ছিল গভীর সাদা কুয়াশায় মোড়া। সেই রাজ্যে হঠাৎ একদিন আবির্ভাব হলো একটি খরগোশের—তাঁর গায়ে ছেঁড়া সামুরাই পোশাক, পিঠে বাঁধা ছোট একটি কাতানা, চোখে প্রশান্তির ছায়া, কিন্তু পাথরের মতো দৃঢ়তা।</p>
<p>তাঁর নাম ছিল হাসেতো। ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231621"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231621/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">62fbf0eceeea16e3e4399ba14f8baa17</guid>
				<title>গল্প: &#039;&#039;সময় অপেক্ষা করে না&#039;&#039;
(জেএফ)

একটি ছোট শহরে এক  যুবক ছিল , নাম তার তাওহীদ। বই পড়া, ঘুরে বেড়ানো, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া—এই ছিল তার দিনের রুটিন। মা বলতেন, “সময় গেলে সাধন হবে না বাবা, কিছু একটা শুরু কর।” কিন্তু তাওহীদ ভাবত, “সময় তো অনেক আছে। এখন না হয় একটু আরাম করি।”

দিন যায়, মাস যায়, বছর পেরিয়ে যায়। একদিন তাওহীদের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু নাসির, যাকে তাওহীদ মাঝেমধ্যেই গুরুত্ব দিত না, সে একটি বড় কোম্পানির চাকরি পেয়ে বিদেশ চলে যায়। তাওহীদের চোখ কপালে উঠে যায়। সে ভাবে, “আরে, নাসির তো আমার চেয়েও কম মেধাবী ছিল! সে পারল, আমি পারলাম না কেন?”

তাওহীদ তখন পড়াশোনায় মন দিল, একের পর এক কোর্সে ভর্তি হলো, সময়কে ধরতে চাইল। কিন্তু ততদিনে বয়স পেরিয়েছে ৩০, পরিবারের চাহিদা বেড়েছে, প্রতিযোগিতার বাজার আরও কঠিন হয়েছে। যে জায়গায় এক সময় প্রস্তুতি নিতে পারত আরাম করে, এখন সেখানে সময়ই যেন তার সবচেয়ে বড় শত্রু।

এক রাতে ছাদে বসে একা একা আকাশের তারা গোনে তাওহীদ। চোখে পানি চলে আসে। মনে পড়ে মায়ের সেই কথা—
“সময় চলে সময়ের নিয়মে। কোনো কিছুই কোনো কিছুর জন্য থেমে থাকেনা।”

তাওহীদ আজ একজন গ্যারেজের হিসাবরক্ষক। জীবন থেমে থাকেনি, কিন্তু তার স্বপ্ন থেমে গেছে সময়ের পেছনে ছুটতে ছুটতে। সে এখন ছোট ভাইদের বোঝায়,
“সময় সবচেয়ে বড় সম্পদ। একবার চলে গেলে তা আর ফিরে আসেনা। আজ যে কাজটা করণীয়, তা আগামীকালের জন্য ফেলে রেখো না।”

বাস্তবতা:
&#x1f570;&#xfe0f;“ভবিষ্যৎ সেই গাছ, যার বীজ তুমি আজ বপন করো। সময় অপেক্ষা করে না—তাই করণীয় কাজ আজই শুরু করো।”&#x1f331;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231592/</link>
				<pubDate>Fri, 25 Jul 2025 17:55:53 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্প: &#8221;সময় অপেক্ষা করে না&#8221;<br />
(জেএফ)</p>
<p>একটি ছোট শহরে এক  যুবক ছিল , নাম তার তাওহীদ। বই পড়া, ঘুরে বেড়ানো, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া—এই ছিল তার দিনের রুটিন। মা বলতেন, “সময় গেলে সাধন হবে না বাবা, কিছু একটা শুরু কর।” কিন্তু তাওহীদ ভাবত, “সময় তো অনেক আছে। এখন না হয় একটু আরাম করি।”</p>
<p>দিন যায়, মাস যায়, বছর পেরিয়ে যায়। একদিন তাওহীদের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু না&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231592"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231592/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">c2410d20b671c266d15f84f6bd771455</guid>
				<title>(জে,এফ,)

আমরা অনেক কিছুই জানি... আবার কিছুই জানি না।
জীবনের প্রতিটি ধাপে আমরা জ্ঞান অর্জন করি — বই পড়ে, অভিজ্ঞতা থেকে, মানুষের সংস্পর্শে এসে। মনে হয়, আমরা বুঝে ফেলেছি সবকিছু। কিন্তু হঠাৎই কোনো প্রশ্ন এসে থমকে দেয় — আমি কে? কেন এসেছি? কোথায় যাব?

বাহ্যিক পৃথিবীকে জানার আগ্রহ আমাদের অসীম। কিন্তু নিজের ভেতরের জগৎ? সেখানে অন্ধকার, দ্বিধা, অস্পষ্টতা।
জীবনের গভীর মানে, আত্মার শান্তি,সৃষ্টিকর্তার উপস্থিতি — এসব কি আমরা সত্যিই জানি? নাকি কেবল জানার ভান করি?

জ্ঞান তখনই পূর্ণ হয়, যখন তা বিনয় শেখায়।
কারণ প্রকৃত জ্ঞানী জানেন,
&quot;আমি যত জানি, ততই বুঝি — আমি কত অল্প জানি।&quot;</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231581/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Jul 2025 16:59:35 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>(জে,এফ,)</p>
<p>আমরা অনেক কিছুই জানি&#8230; আবার কিছুই জানি না।<br />
জীবনের প্রতিটি ধাপে আমরা জ্ঞান অর্জন করি — বই পড়ে, অভিজ্ঞতা থেকে, মানুষের সংস্পর্শে এসে। মনে হয়, আমরা বুঝে ফেলেছি সবকিছু। কিন্তু হঠাৎই কোনো প্রশ্ন এসে থমকে দেয় — আমি কে? কেন এসেছি? কোথায় যাব?</p>
<p>বাহ্যিক পৃথিবীকে জানার আগ্রহ আমাদের অসীম। কিন্তু নিজের ভেতরের জগৎ? সেখানে অন্ধকার, দ্বিধা, অস্পষ্টতা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231581"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231581/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">da80aac0aa27b397140c91fe82ff04ae</guid>
				<title>গল্প: “শেষ ক্লাসের ঘণ্টা”
_ জে,এফ,
[সব কিছুই গল্প হয়ে যায়]

উত্তরার আকাশটা আজ যেন কেঁদে ফেলেছে। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে সকালটা শুরু হয়েছিলো প্রতিদিনের মতোই—শিক্ষার্থীরা বই হাতে ক্লাসে ঢুকছে, কেউ কেউ বারান্দায় দাঁড়িয়ে গল্প করছে, আর কিছু শিক্ষক স্টাফরুমে চা খেতে খেতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রথম পিরিয়ডের।

কিন্তু হঠাৎই...
এক বিকট শব্দ।
পুরো আকাশটা কেঁপে উঠল।

চারদিক থেকে মানুষ দৌঁড়ে এল। মুহূর্তের মধ্যেই স্কুলের ভেতর দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে উঠল। একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে—স্কুল ভবনের পাশেই! আগুন, ধোঁয়া, চিৎকার আর কান্নার এক বিভীষিকাময় দৃশ্য।

মনে হলো যেন সময় থেমে গেছে।

সবার মাঝে দাঁড়িয়ে ছিল এক মা—আফরোজা বেগম। তাঁর ছেলে ইয়াসিন আজ সকালে বলেছিল, “মা, আজ আমাদের গ্রুপ প্রেজেন্টেশন আছে, দোয়া কইরো।” সেই ছেলেই এখন—তার চেনা স্কুল ইউনিফর্মে—জ্বলন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে টেনে বের করা হচ্ছে নিথর দেহে।

আফরোজা বেগম চিৎকার করলেন না।
শুধু পাথরের মতো চেয়ে থাকলেন ছেলের নিঃশেষ মুখের দিকে।
এক ফোঁটা কান্নাও এল না তাঁর চোখে।
তিনি শুধু বললেন,
“ওর খাতা-কলমও পুড়ে গেছে বুঝি...?”
এই একটা প্রশ্নে ভেঙে পড়লো চারপাশের মানুষ। কান্না ছড়িয়ে পড়লো বাতাসে।

স্কুলের করিডোরে, যে দেয়ালে ইয়াসিন ও তার বন্ধুরা “স্বপ্ন দেখি, গড়ি দেশ” স্লোগান লিখেছিল, আজ সেখানে রক্ত আর ছাইয়ের দাগ।

এক শিক্ষক, সিরাজুল হক, বারান্দায় পড়ে ছিলেন ধ্বংসস্তূপের নিচে। উদ্ধারকারীরা যখন তাঁকে বের করছিল, তাঁর হাতটা শক্ত করে ধরা ছিল একটা খাতা। সেই খাতার প্রথম পাতায় লেখা—
&quot;আমার ছাত্ররাই আমার শক্তি। ওদের নিয়েই আমার স্বপ্ন।&quot;

এভাবে একেকটা শরীর, একেকটা গল্প, একেকটা স্বপ্ন—এক এক করে বেরিয়ে এলো ধ্বংসের বুক থেকে। মা হারাল সন্তানকে, ভাই হারাল বোনকে, শিক্ষক হারাল তাঁর শ্রেণীকক্ষ।

দুর্ঘটনার দিন দুপুরে স্কুল প্রাঙ্গণে একটি ছোট্ট ছেলে দাঁড়িয়ে বলছিল,
“আম্মু বলেছিল বিকেলে আইসক্রিম খাওয়াবে... এখন কে খাওয়াবে?”

প্রশ্নের কোনো জবাব নেই।

(বার্তা):
শোকের এই দিনে শুধু চোখের পানি নয়, প্রয়োজন নিরাপত্তার প্রশ্নে জবাবদিহিতা, যেন আর কোনো মা-র বুক খালি না হয়, আর কোনো স্বপ্ন এভাবে ছাই না হয়ে যায়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/231525/</link>
				<pubDate>Mon, 21 Jul 2025 17:46:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্প: “শেষ ক্লাসের ঘণ্টা”<br />
_ জে,এফ,<br />
[সব কিছুই গল্প হয়ে যায়]</p>
<p>উত্তরার আকাশটা আজ যেন কেঁদে ফেলেছে। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে সকালটা শুরু হয়েছিলো প্রতিদিনের মতোই—শিক্ষার্থীরা বই হাতে ক্লাসে ঢুকছে, কেউ কেউ বারান্দায় দাঁড়িয়ে গল্প করছে, আর কিছু শিক্ষক স্টাফরুমে চা খেতে খেতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রথম পিরিয়ডের।</p>
<p>কিন্তু হঠাৎই&#8230;<br />
এক বি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-231525"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/231525/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>