Profile Photo

বিষণ্ন সুমনOffline

  • logolabbd
  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–আট
    ভোরের প্রথম আলো ফুটতেই লারসেন র‍্যাঞ্চের চারপাশের বিশাল প্রেইরিটা ধীরে ধীরে জেগে উঠতে শুরু করল। রাতের শিশিরে ভেজা ঘাসের ডগায় সূর্যের আলো পড়ে অসংখ্য কাচের টুকরোর মতো ঝিকমিক করছে। দূরের টিলাগুলো নীলচে কুয়াশার আড়ালে আধো দেখা যাচ্ছে। কোথাও একটা কোয়েল ডেকে উঠল, তারপর আবার চারদিকে নেমে এল গভীর নিস্তব্…Read More

    4
    3 Comments
    • মনে হচ্ছে ক্লাইম্যাক্স বেশি দূরে নাই। প্রেইরিতে যুদ্ধের আভাস স্পষ্ট।

    • আপনার লেখনশৈলীতে ফুটে ওঠা প্রেইরির সকালের বর্ণনাটি অসাধারণ, বিশেষ করে “রাতের শিশিরে ভেজা ঘাসের ডগায় সূর্যের আলো পড়ে অসংখ্য কাচের টুকরোর মতো ঝিকমিক করছে”—এই বাক্যটি পাঠককে মুহূর্তেই গল্পের সেই শান্ত পরিবেশে নিয়ে যায়। প্রতিটি চরিত্রের সূক্ষ্ম আচরণ এবং তাদের মধ্যকার বোঝাপড়া খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা পড়ার সময় চোখের সামনে পুরো দৃশ্যপটটি…Read More

    • আপনার লেখা ওয়েস্টার্ণ গল্পটা সত্যিই খুব ইন্টারেস্টিং আর পড়ার সময় পুরো সিনেমার মতো দৃশ্য ভেসে উঠছিল। মারদেকার ঘোড়ার সাথে বন্ডিং তৈরি করার অংশটা খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। পরবর্তী পর্বের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি, দারুণ লিখেছেন!

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়-সাত
    পরদিন ভোরে র‍্যাঞ্চের উঠোনে অস্বাভাবিক নীরবতা নেমে ছিল। সূর্যের প্রথম আলো পাহাড়ের কাঁধ ছুঁয়ে তৃণভূমির ওপর ছড়িয়ে পড়লেও অন্য দিনের মতো কোথাও হাসির শব্দ শোনা যাচ্ছিল না। আস্তাবলের সামনে ঘোড়াগুলো দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু তাদের পরিচর্যা করতে আসা কাউবয়দের মুখে আজ অদ্ভুত গাম্ভীর্য। যেন রা…Read More

    5
    4 Comments
    • রহস্য বাড়ছে, সাথে উত্তেজনাও…………………

      • একদম! এই পর্বটা পড়ে সত্যিই মুগ্ধ হলাম! রাঞ্চের সেই থমথমে সকালের বর্ণনা থেকে শুরু করে একদম শেষের রহস্যময় দুই ঘোড়সওয়ারের দৃশ্য পর্যন্ত একটা চাপা টেনশন অসাধারণভাবে ধরে রাখা হয়েছে! বিশেষ করে মারদেকার চোখ দিয়ে গল্পটা দেখানোর কৌশলটা লেখক খুব যত্ন নিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন!

    • আপনার এই লেখনীতে অনিশ্চয়তার যে ছায়া এবং চরিত্রগুলোর মধ্যকার গভীর সতর্কতার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন, তা আমাকে মুগ্ধ করেছে; বিশেষ করে মারদেকার চারপাশ পর্যবেক্ষণ করার বিষয়টি গল্পের আবহকে অত্যন্ত জীবন্ত ও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।

    • বিষণ্ন সুমন, আপনার ওয়েস্টার্ন জনরার গল্পটি বেশ টানটান উত্তেজনায় এগোচ্ছে, মারদেকার চারপাশ পর্যবেক্ষণ শেখার অংশগুলো দারুণ লিখেছেন। আমাদের এই গ্রুপটি প্রাণবন্ত রাখতে আপনি নিজে যেমন অন্য লেখকদের পোস্টে সুন্দর মন্তব্য করবেন, তেমনই আশা করি অন্যরাও আপনার লেখার ওপর নিয়মিত প্রতিক্রিয়া জানাবেন।

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–ছয়
    পরদিন ভোরে ব্ল্যাক রিভারের ওপর হালকা কুয়াশার চাদর নেমে ছিল। নদীর দিক থেকে ভেসে আসা ঠান্ডা বাতাস শুকনো ঘাসের মাথাগুলোকে আস্তে আস্তে দুলিয়ে দিচ্ছিল। পূর্ব আকাশে সূর্যের প্রথম আলো ফুটতে শুরু করেছে, কিন্তু র‍্যাঞ্চের বিস্তীর্ণ তৃণভূমির ওপর এখনো রাতের শিশির ঝলমল করছে। দূরে গরুর পাল নিঃ…Read More

    4
    4 Comments
    • মাঝখানের একটা পর্ব মিস হয়ে গেছে, সময় পেলে আজকেই পড়ে নেব। তবে এই পর্বটি পড়ে খুব ভালো লাগলো। মারদেকার ধীরে ধীরে র‍্যাঞ্চের জীবনে মিশে যাওয়া, বাড-ইলাই-লারসেনের সাথে তার সম্পর্কের গভীরতা, সবকিছুই সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। শেষে গুলিবিদ্ধ গরু আর অচেনা ঘোড়সওয়ারের রহস্যটা বেশ টান টান উত্তেজনা তৈরি করলো। গল্প এগিয়ে যাক আপন গতিতে, অনেক শুভ কামনা রইল!

    • বিষণ্ন সুমন, আপনার লেখায় “ভাষা তার কাছে আর কাগজের অক্ষর হয়ে থাকল না, ধীরে ধীরে তা পৃথিবীকে চিনে নেওয়ার নতুন দরজায় পরিণত হতে লাগল”—এই লাইনটি মারদেকার সংগ্রামের গভীরতাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

    • একদিকে মারদেকার আত্মবিকাশ ও র‍্যাঞ্চে তার গ্রহণযোগ্যতা, অন্যদিকে অশুভ শক্তির ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি। মনে হচ্ছে —যুদ্ধ আসন্ন।

    • বিষণ্ন সুমন, আপনার সাবলীল বর্ণনাভঙ্গি এবং র্যাঞ্চের জীবনকে যেভাবে প্রাণবন্ত করে তুলেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয়। বিশেষ করে ‘ভাষা তার কাছে আর কাগজের অক্ষর হয়ে থাকল না, ধীরে ধীরে তা পৃথিবীকে চিনে নেওয়ার নতুন দরজায় পরিণত হতে লাগল’—এই লাইনটি পড়ে আপনার লেখার গভীরতা বেশ অনুভব করা গেল। আপনি আপনার বর্ণনার বুনন দিয়ে চরিত্রগুলোর বিকাশকে যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন…Read More

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–পাঁচ
    রাতের শেষ প্রহর। ব্ল্যাক রিভারের ওপর তখনো ভোরের আলো নামেনি। শহরের প্রধান রাস্তার দুপাশে সারি সারি কাঠের দোকান, লোহার কারখানা, কামারের চুল্লি, ডাকঘর আর সেলুনগুলো অন্ধকারে ডুবে আছে। দিনের বেলা যে রাস্তা ঘোড়ার খুরের শব্দ, গরুর পাল, ব্যবসায়ীদের হাঁকডাক আর মাতাল কাউবয়দের হাসিতে মুখর…Read More

    4
    3 Comments
    • মারদেকার প্রথম শহর-দেখা, তার শিশুসুলভ বিস্ময়, ওলফ লারসেনের নীরব স্নেহ, আর অন্ধকার ঘরের ষড়যন্ত্র—- সবমিলিয়ে জমজমাট একটা গল্পের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। চেনা ওয়েস্টার্ন ঘরনার একটু বাহিরে হলেও ভালো লাগছে।

    • প্রিয় বিষণ্ন সুমন, আপনার লেখাটি পড়ে দারুণ লাগল; মরুভূমির রুক্ষতা আর কাউবয়দের জীবনযাত্রার যে নিখুঁত বর্ণনা আপনি ফুটিয়ে তুলেছেন, তা যেন পড়ার সময় চোখের সামনে সিনেমার দৃশ্য ভেসে উঠছিল।

      আপনার এই সৃষ্টিকর্মটি ঠিক হলিউডের ক্লাসিক কোনো ড্রামা বা অ্যাডভেঞ্চারধর্মী চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যের মতোই প্রাণবন্ত ও উত্তেজনাপূর্ণ হয়েছে। মারদেকার কৌতূহল এবং ব্…Read More

    • আপনার লেখা ওয়েস্টার্ন ঘরানার এই গল্পটি অসাধারণ হয়েছে, বিশেষ করে শহরের পরিবেশ আর মারদেকার কৌতূহলপূর্ণ অনুভূতির বর্ণনাটি দারুণ লেগেছে।

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়–চার
    দূরের ধুলোর রেখাটা ক্রমশ বড় হতে লাগল। বিকেলের সূর্য তখন পশ্চিমে একটু হেলে পড়েছে, কিন্তু তার তাপের কোনো কমতি নেই। শুষ্ক তৃণভূমির ওপর দিয়ে গরম বাতাস বয়ে যাচ্ছে। সেই বাতাসে শুকনো ঘাস একসঙ্গে দুলে উঠছে, যেন অদৃশ্য কোনো হাত বারবার সেগুলোকে স্পর্শ করে যাচ্ছে। র‍্যাঞ্চের উঠোনে দাঁড়িয়ে থাকা প্র…Read More

    4
    6 Comments
    • আপনার এই লেখাটি একটু বড় বিধায় আমার পক্ষে এটি বুঝতে কিংবা পাঠ করতে একটু অসুবিধা হচ্ছে। তবে আশা করি আপনার আরও আরো লেখা দিয়ে এই মঞ্চকে সমৃদ্ধ করবেন। শুভকামনা সর্বদা!

    • মারদেকার চরিত্রটা ধীরে ধীরে প্রস্ফুঠিত হচ্ছে। অনেকদিন পর বুনো পশ্চিমে আচ্ছন্ন হয়ে যাচ্ছি। আপনাকে ধন্যবাদ জানানোর ভাষা নেই। দ্রুত পরের পর্ব চাই।

      • আপনি সেবা প্রকাশনীর অফিসিয়াল পেজে সংযুুক্ত থাকলে ভালো হতো। ওখানেই এটা ধারাবাহিকভাবে লিখছি।

    • “সীমানা পেরিয়ে” পড়তে গিয়ে মনে হলো পশ্চিমের বিস্তীর্ণ প্রেইরিতে দাঁড়িয়ে আছি! দিগন্তে ধুলোর রেখা থেকে শুরু করে রাতের তারাভরা আকাশের নিচে মারদেকার একা দাঁড়িয়ে থাকা পর্যন্ত, প্রতিটি দৃশ্য এত নিপুণভাবে আঁকা যে চোখ বন্ধ করলেও ছবিগুলো ভাসে! লিখে যান প্রিয়, গল্পের সাথেই আছি!

    • বিষণ্ন সুমন, আপনি বেশ চমৎকারভাবে ওয়েস্টার্ণ জনরার গল্পটি ফুটিয়ে তুলেছেন। মারদেকার চরিত্রটি এবং তার ধীরে ধীরে নতুন পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বেশ ভালো লেগেছে। আপনার লেখনীর এই রহস্যময় আবহ শেষ পর্যন্ত পাঠককে ধরে রাখার জন্য দারুণ একটি কৌশল।

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়-তিন
    ভোরের আলো তখনো পুরোপুরি মাটিতে নেমে আসেনি। পূর্ব দিগন্তের নিচু আকাশে লালচে আভা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে, যেন রাতের কালো পর্দার নিচ থেকে কেউ নিঃশব্দে আগুনের রেখা টেনে দিচ্ছে। দূরের পাহাড়গুলো এখনো গাঢ় ছায়ার মতো দাঁড়িয়ে আছে। তাদের মাথার ওপর কুয়াশার পাতলা আস্তরণ ভেসে বেড়াচ্ছে, আর নিচের বিশাল তৃণভূ…Read More

    3
    4 Comments
    • প্রান্তরের প্রথম আলো, ঘোড়ার খুরের শব্দ, আর এক হাফ-ব্রীড ছেলের নীরব শিক্ষা…………… সব মিলেয়ে চমৎকার।

    • আপনার এই লেখাটি একটু বড় বিধায় আমার পক্ষে এটি বুঝতে কিংবা পাঠ করতে একটু অসুবিধা হচ্ছে। তবে আশা করি আপনার আরও আরো লেখা দিয়ে এই মঞ্চকে সমৃদ্ধ করবেন। শুভকামনা সর্বদা!

    • আপনার এই লেখাটি একটু বড় বিধায় আমার পক্ষে এটি বুঝতে কিংবা পাঠ করতে একটু অসুবিধা হচ্ছে। তবে আশা করি আপনার আরও আরো লেখা দিয়ে এই মঞ্চকে সমৃদ্ধ করবেন। শুভকামনা সর্বদা!

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়-দুই
    রকডাস্ট সেলুন থেকে বেরিয়েই ওলফ লারসেন থামল না। ধীর পায়ে রাস্তা ধরে হাঁটতে লাগল। মারদেকাও কোনো কথা না বলে তার পিছু পিছু চলল। শহরের রাত তখন পুরোপুরি নেমে এসেছে। রাস্তার দু’পাশে কাঠের খুঁটির মাথায় ঝোলানো কেরোসিনের বাতিগুলো হলদে আলো ছড়িয়ে নিস্তব্ধ পরিবেশটাকে আরও গম্ভীর করে তুলেছে। দিনের ভিড় নেই…Read More

    2
    1 Comment
    • আপনার এই লেখাটি একটু বড় বিধায় আমার পক্ষে এটি বুঝতে কিংবা পাঠ করতে একটু অসুবিধা হচ্ছে। তবে আশা করি আপনার আরও আরো লেখা দিয়ে এই মঞ্চকে সমৃদ্ধ করবেন। শুভকামনা সর্বদা!

  • সীমানা পেরিয়ে
    (পূর্ণাঙ্গ ওয়েস্টার্ণ)

    অধ্যায়-এক
    তিন দিন ধরে পাহাড় ডিঙিয়ে, জঙ্গল পেরিয়ে, শুকনো প্রেইরি আর পাথুরে উপত্যকার ভেতর দিয়ে হেঁটে এসেছে ছেলেটা। প্রথম দিনটা কেটে গিয়েছিল উৎসাহে, দ্বিতীয় দিনটা কষ্টে, আর তৃতীয় দিনে এসে শরীরের সমস্ত শক্তি যেন ফুরিয়ে গিয়েছিল। পথে দু’একটা ঝরনা না পেলে তৃষ্ণাতেই হয়তো মরতে হতো তাকে। ক্ষুধা লাগলে কখনও বুনো ওল…Read More

    4
    2 Comments
    • ওয়েস্টার্ন গল্পের পরিচিত রুক্ষতা, প্রাকৃতিক বৈরিতা আর বারুদের গন্ধের মধ্যেও মানবিকতার ছোয়া……………… ভালো লাগছে।

      • ঠিক বলেছেন বন্ধু পৃথুলা,ওয়েস্টার্নের রুক্ষতার ভেতর এত কোমলতা লুকিয়ে রাখা সহজ কাজ না! পরের অধ্যায়ের অপেক্ষায় রইলাম, দেখি মারদেকার নতুন জীবন কোন দিকে মোড় নেয়!

  • শোধ
    (ওয়েস্টার্ণ গল্প)

    জোনাথন হাক পেশায় একজন গিটার বাদক। রকডাস্ট হোটেলের সেলুনে গিটার বাজিয়ে গান গেয়ে জীবন নির্বাহ করে। তার বউ শার্লিন হাক একজন ওয়েটার। তারা দুজনেই ভালোবেসে বিয়ে করেছে। এক সাথে জীবিকা নির্বাহের দরুন তাদের মধ্যে বোঝাপড়াটা বেশ। ফলে সংসার জীবনে তারা বেশ সুখী।

    প্রতিদিন সন্ধ্যা নামলেই রকডাস্ট হোটেলের সেলুনটা জমে উঠে।…Read More

    3
    8 Comments
    • কোন রকম নাটকীয়তা ছাড়াই গল্পটা বেশ ইন্টারেস্টিং লাগলো! এটা কি মৌলিক গল্প নাকি অনুবাদ??

      • আমি সবসময় মৌলিক ওয়েস্টার্ণ লিখি। ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত লিখা আমার প্রথম ওয়েস্টার্ণ লোন রাইডার অনলাইনে পিডিএফ পাবেন।

    • পড়ব নিশ্চয়ই! আচ্ছা… সুমন ভাই, আপনি তো অনেক আগে থেকে লেখালেখি করেন, আপনার লেখা এইবার এক্সক্লুসিভ কিছু পড়ার সুযোগ চাই!

      • বয়সে আমি বুড়ো মানুষ। আর পেশায় ডিজাইনার। শখের বশে টুকটাক লিখালিখি করি। যখন যা মাথায় আসে তাই লিখি। তাই আমার লিখা সেই মানের কিছু হবে না ভাই। তারপরেও আমার পুরনো লিখা পড়তে চাইলে গুগুলে আমার নাম লিখে সার্চ করলে হয়তো কিছু লিংক পেয়ে যেতে পারেন।

      • @drako সুমন ভাইয়ের মৌলিক গল্পগুলো কি অসাধারন, বিশেষ করে শেষের দিকে একটা মারাত্বক টুইষ্ট থাকে, পড়ে স্তব্ধ হয়ে যেতে হয়। তুলটেই উনার বেশ কিছু গল্প আছে, পড়লে ভক্ত হয়ে যাবেন। গ্যারান্টি দিলাম

      • সুমন ভাই, আঁকাআঁকি সাথে লেখালেখির কম্বিনেশনটা কিন্তু খুব ভালো।

        বন্ধু পৃথুলা, আমি এর’ই মধ্যেই সুমন ভাইয়ের গল্পের ভক্ত হয়ে গেছি, অপেক্ষায় থাকি নতুন সব গল্পের। @prithula

    • অনেকদিন পর আবার ওয়েস্টার্ণ পড়লাম, সেই স্কুল জীবনে লুকিয়ে লুকিয়ে পড়ার স্মৃতি ফিরিয়ে আনার জন্য কৃতজ্ঞতা।

  • নিষিদ্ধের ব্যাকরণ

    এই শহর এখন আর কোনো মানচিত্র নয়,
    এটি দীর্ঘশ্বাস,
    অপরাধবোধ আর অঘোষিত কামনার
    এক বিশাল আর্কাইভ।

    প্রতিটি ব্যালকনিতে ঝুলে থাকে
    অর্ধেক ব্যবহৃত চুম্বনের শুকিয়ে যাওয়া দাগ,
    আর প্রতিটি লিফট ধীরে ধীরে উঠে যায়
    এমন এক নির্জন তলায়,
    যেখানে ভালোবাসার প্রবেশ নিষিদ্ধ,
    শুধু শরীরের দীর্ঘ ছায়াগুলো নীরবে অপেক্ষা করে।

    তোমার ত্বক ছুঁয়েছিলাম আ…Read More

    3
    4 Comments
    • প্রেম স্বর্গীয় হয়ে থাক আমাদের ভুবনে! অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইল!

    • শরীরকে কেবল জৈবিক বিষয় হিসেবে না দেখে, একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক পাঠ্য হিসেবে দেখার চেষ্টা কবিতাটিকে অন্য রকম এক মাত্রায় নিয়ে গিয়েছে। চমৎকার একটি সমকালীন বাংলা গদ্যকবিতা।

      • ইদানীং বিশেষ করে এই প্রজন্মের কাছে প্রেম তথা ভালোবাসা কেবলি জৈবিক হয়ে যাচ্ছে। আমি বুঝিনা এ কেমন প্রেম যেখানে বুকের ভেতরটা পোড়ে না, চোখের জলে বালিশ ভিজে না, সর্বোপরি অব্যাক্ত যন্ত্রণায় জীবনটা তেজপাতা হয়ে যায় না। এমনতরো প্রেম এর বিরুদ্ধেই আমার এই খেদোক্তি।

    • প্রেমের ও কত কত সংন্গা বাহ চমৎকার ।

  • “শুধু তোমার জন্য”

    দুপুরের রোদটা কাঁচের দেয়াল ভেদ করে বহুতল মার্কেটের ভেতরেও এসে পড়েছে। সাদা টাইলসের উপর ছড়িয়ে থাকা আলোয় মানুষের ছায়াগুলো ক্রমশঃ লম্বা হয়ে যাচ্ছে। কোথাও বাচ্চাদের হাসি, কোথাও দোকানিদের ডাকাডাকি, কোথাও নতুন কাপড়ের গন্ধ। চারতলার খোলা বারান্দা ঘেঁষে দাঁড়ালে নিচের তিনটা তলা একসাথে চোখে পড়ে। মাঝখানটা সম্পূর্ণ ফাঁকা। রেলিংয়ের ওপাশ…Read More

    2
    2 Comments
    • অনেকদিন পর তুলটে আপনার লেখা পেলাম। ভালো ছিলেন তো?

      • বোন অফিসে কাজের চাপ বেড়ে গেছে। তাছাড়া বাসাতেও কিছু ঝামেলায় ছিলাম, তাই লিখার সময় পাইনি। ভালো থাকবেন প্লিজ।

  • মানুষের ভীড়ে অন্য মানুষ

    মেসের ছোট্ট রুমটায় বসে রাশেদ শেষবারের মতো টাকাগুলো গুনল। প্রায় এক বছর ধরে টিউশনি করে একটু একটু করে জমিয়েছে। কত দিন দুপুরে শুধু একটা কলা খেয়ে কাটিয়েছে। ঈদে নতুন জামা কেনেনি। বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যায়নি। সব কষ্টের একটাই কারণ। আজ সে একটা টাচ মোবাইল কিনবে। নিজের খুব শখ ছিল। পড়াশোনারও দরকার ছিল। ফোন…Read More

    3
    3 Comments
    • এক পকেটের সঞ্চয় যখন আরেক পকেটের ভরসা…🖤

    • সব নায়ক বড় কিছু করেন না; কেউ কেউ শুধু ঠিক সময়ে একজন মানুষের পাশে দাঁড়ান

    • ‘আর কিছু না হোক, একজন মানুষ হইস বাপ’—গল্পটির হৃদস্পন্দন।

  • শিলালিপি
    সন্ধ্যা নামে, জানালাতে কাঁদে কুয়াশার জল,
    ফিরে আসে স্মৃতিরা সব, জাগে নিঃশব্দ ছল।

    মানুষভরা পথের শেষে দাঁড়াই একা আমি,
    চারদিকে আলোর মেলা, অন্তর অন্ধগামী।

    বুকের ভেতর মরুভূমি, উড়ে বালুর ধোঁয়া,
    শুকনো নদীর বুকে শুধু মৃত জোয়ারের ছোঁয়া।

    নিভে-যাওয়া নক্ষত্র যেন আমার পরিচয়,
    হাজার মুখের মাঝখানেও আপন কেউ আর নয়।…Read More

    4
    4 Comments
  • নিঃসঙ্গতার উপাখ্যান

    নিভে যাওয়া নক্ষত্রের মতো আমি নিজেকেই হারাই ধীরে,
    রাত্রির শিরায় শিরায় জমে ওঠে নির্বাক বিষণ্নতার লবণ।
    চারপাশে মানুষের ভিড়, তবু কণ্ঠে কোনো সম্বোধন নেই,
    আমি যেন পরিত্যক্ত কোনো মন্দিরের শেষ প্রদীপশিখা।

    জানালার কাচে জমে থাকা কুয়াশা আমার আত্মজীবনী,
    প্রতিটি বিন্দুতে লেখা আছে অপ্রকাশিত দীর্ঘশ্ব…Read More

    3
    3 Comments
    • জীবিতদের জন্য নির্মিত অদৃশ্য সমাধি….. 🌑

    • নীরবতার বুক থেকে উঠে আসা এক একটি দীর্ঘশ্বাস।

    • যে কান্নার শব্দ নেই, তার প্রতিধ্বনি সবচেয়ে দীর্ঘ।

  • মনের গহীনে আলো

    বিকেলের আলোটা আজ কেমন যেন মলিন। সারাদিন আকাশে রোদ ছিল না। ধূসর মেঘগুলো শহরের ওপর একটা বিষণ্ন চাদরের মতো ঝুলে আছে। সামনের বাড়ির ছাদের কার্নিশ থেকে বৃষ্টির জমে থাকা পানি টুপটাপ করে নিচে পড়ছে। দূরে কোথাও একটা কাক ডেকে উঠল। তারপর আবার চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে গেল। এমন বিকেলগুলোতে মানুষের মন খুব সহজেই খারাপ হয়ে যায়।

    জানালার…Read More

    2
    2 Comments
    • অন্ধকার থেকে নতুন করে বাঁচতে শেখা…..🖤

    • পরিবার যদি আশ্রয় হয়, তবে কোনো ঝড়ই শেষ ঝড় নয়

  • মান-অভিমানের পরে

    সংসারে কখনো ঝড় ওঠে, কথার ভাঁজে ভাঁজে জমে ওঠে মেঘ,
    তুচ্ছ অভিমানে দুটি মন যেন দুটি দূর নক্ষত্র হয়ে যায়।
    একজন নীরবে জানালার পাশে বসে থাকে,
    অন্যজন বালিশে মুখ গুঁজে দীর্ঘশ্বাস ফেলে,
    তবু বুকের গভীরতম গোপন কুঠুরিতে
    একজনই আরেকজনের জন্য অনন্ত অপেক্ষা হয়ে জেগে থাকে।

    কারণ স্বামী-স্ত্রীর প্রেম শুধু হাত ধরে পথ চলার গল্প নয়,…Read More

    2
    2 Comments
  • আলোর পথে

    আষাঢ় মাসের শেষ দিক। সারা দিন আকাশে রোদ আর মেঘের লুকোচুরি চলেছে। বিকেলের দিকে হালকা বাতাস উঠেছে। কমলাপুর রেলস্টেশনের চারপাশে তখনও মানুষের ভিড় কমেনি। লাল জামা পরা কুলি মাথায় মালপত্র নিয়ে দৌড়াচ্ছে, চায়ের দোকান থেকে ধোঁয়া উঠছে, হকাররা গলা ফাটিয়ে পানি, বাদাম আর চিপস বিক্রি করছে। দূরে কোথাও একটা ট্রেনের হুইসেল বেজে উঠল। মুহূর্ত…Read More

    2
    1 Comment
    • প্রতিটি মেহরিনের পাশে যদি আরও কিছু মানুষ দাঁড়াত, তবে হয়তো আরও অনেক সেলিম, ওমর আর মতিন নতুন আলো খুঁজে পেত।

  • ভালোবাসা প্রেম নয়

    শীতের শেষ দিকের বিকেল। পুরোনো ঢাকার সরু গলিগুলো তখন কুয়াশা আর ধুলোর মিশ্র এক আবছা আলোয় ডুবে থাকে। কোথাও ভাজা পেঁয়াজুর গন্ধ, কোথাও রিকশার ঘণ্টি, কোথাও স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি ফেরা বাচ্চাদের চিৎকার। তিনতলা পুরোনো বাড়িটার ছাদে দাঁড়িয়ে ছিল অয়ন। ছাদের এক কোণে কয়েকটা ভাঙা টব, শুকিয়ে যাওয়া তুলসী গাছ, তার পাশেই বাবার লাগানো এ…Read More

    3
    4 Comments
    • আমরা কি মানুষকে ভালোবাসি, নাকি তাকে নিজের করে পেতে চাই?

      • যদি সতিই কাউকে ভালবাসেন, মুক্ত করে দিন তাকে। বিনিময়ে সেও যদি আপনাকে ভালবাসে, তবে সে কোনদিন আপনাকে ছেড়ে যাবে না। মনে রাখবেন, আপনার দায়িত্ব তাকে ভালবাসা। উল্টোদিকে সেও আপনাকে ভালবাসবে কিনা, সেটা একান্তই তার ব্যপার।

    • না-পাওয়া প্রেমের নীরব সমর্পণ….🖤

    • গল্পটা পড়ে মনটা ভার হয়ে গেল। শেষটা খুব সুন্দর ছিল।
      অয়ন আর মেহরীনের গল্পটা অনেকক্ষণ মনে থাকবে। দারুণ লিখেছেন।

  • কতটুকু ভালোবাসলে তাকে প্রেম বলা যায়

    কতটুকু ভালোবাসলে তাকে প্রেম বলা যায়, আমি জানি না।
    শুধু জানি, মায়ের জন্য যে অশ্রু ঝরে তার ভেতরে কোনো দহন নেই,
    বাবার জন্য যে উদ্বেগ জেগে থাকে তা নিঃশব্দ আশ্রয়ের মতো,
    ভাই কিংবা বোনের প্রতি মমতা এক প্রাচীন বৃক্ষের ছায়া,
    যেখানে আকাঙ্ক্ষা নেই, আছে শুধু দীর্ঘ সহাবস্থানের নৈঃশব্দ্য।

    প্রেম সম্ভবত অন্য কোনো…Read More

    3
    2 Comments
  • Load More Posts
আমি মানুষের ভীড়ে মানুষ খোঁজে ফিরি

বিষণ্ন সুমন

ডিজাইনার

স্কুল বয়েস থেকেই লিখালিখা করি। যদিও পড়ি তার আগে থেকেই। আমি বিশ্বাস করি, ভালো লিখতে হলে আগে ভালো পড়তে জানতে হবে। তাই এখন পর্যন্ত নিজেকে লেখক না ভেবে ভালো পাঠক হিসেবেই পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করি। প্রথম প্রকাশিত বই সেই ১৯৯৬ সালের গ্রন্থমেলায় “কে বলে তুমি নেই” রোমান্টিক উপন্যাস এবং সম্পূর্ণ মৌলিক ওয়েস্টার্ণ “লোন রাইডার”। পরবর্তীতে ২০১২ সালের বই মেলায় অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত গল্প সংকলন। মাঝে banglanews24.com এর সাহিত্যপাতায় নিয়োমিত লিখেছি। আসলে আমি লেখায় কখনোই অনর্গল নই। মাঝেমাঝেই বন্ধাত্ব্য এসে আমায় থামিয়ে রাখে। একটা শব্দও লিখতে পারিনা। তখন আমার পুরনো লিখাগুলো নিজেই পাঠক হয়ে পড়ি আর ভাবি, এ গুলো কি সত্যিই আমি লিখেছিলাম(?)। এই ৫৪ বছর বয়সে এসেও এই একটাই প্রশ্ন নিজেকে করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।

Skip to toolbar