<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>তুলট | মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (কবি মিজান পঞ্চায়েত/ কবি মিজান বিএসসি) | Activity</title>
	<link>https://toulot.com/n_members/mohammedmizanurrahman/activity/</link>
	<atom:link href="https://toulot.com/n_members/mohammedmizanurrahman/activity/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<description>Activity feed for মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (কবি মিজান পঞ্চায়েত/ কবি মিজান বিএসসি).</description>
	<lastBuildDate>Mon, 19 Oct 2026 13:24:57 +0600</lastBuildDate>
	<generator>https://buddypress.org/?v=</generator>
	<language>en-US</language>
	<ttl>30</ttl>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>2</sy:updateFrequency>
	
						<item>
				<guid isPermaLink="false">1713f3e5ceeef1bc7d7d3314a960ad36</guid>
				<title>সৎ মা 
মিজান পঞ্চায়েত 

যে সব  শিশুর  শৈশবে 
থাকে সৎ মা,
তাদের জীবন হয়ে উঠে 
নুন মাখানো ঘা!

সৎ মায়ের জিহ্বায় থাকে 
কাল নাগিনীর বিষ,
সৎ সন্তানকে প্রতিক্ষণে
করে হিস্ হিস্।

নিজ সন্তানকে ক্ষণে ক্ষণে 
আদর যত্ন করে,
সৎ সন্তানকে বিনা দোষে 
নানা আঘাত করে।

সৎ সন্তানের দোষ খোঁজে 
প্রতি কাজে কাজে,
অপবাদের ঢালা সাজায় 
সকাল বিকাল সাঁঝে।

বাবার কানে বিষ ঢালে
বাড়ি ফিরে এলে,
বাবাকেও সন্তানের প্রতি
হিংস্র করে তোলে।

ওগো ভবের সৎ মায়েরা 
কেন হিংস্র হও ?
সার্বজনীন  মা  হয়ে
হাজার সালাম লও।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/285679/</link>
				<pubDate>Sun, 18 Oct 2026 14:20:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সৎ মা<br />
মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>যে সব  শিশুর  শৈশবে<br />
থাকে সৎ মা,<br />
তাদের জীবন হয়ে উঠে<br />
নুন মাখানো ঘা!</p>
<p>সৎ মায়ের জিহ্বায় থাকে<br />
কাল নাগিনীর বিষ,<br />
সৎ সন্তানকে প্রতিক্ষণে<br />
করে হিস্ হিস্।</p>
<p>নিজ সন্তানকে ক্ষণে ক্ষণে<br />
আদর যত্ন করে,<br />
সৎ সন্তানকে বিনা দোষে<br />
নানা আঘাত করে।</p>
<p>সৎ সন্তানের দোষ খোঁজে<br />
প্রতি কাজে কাজে,<br />
অপবাদের ঢালা সাজায়<br />
সকাল বিকাল&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-285679"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/285679/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">50bf414af2ce2ff850e7393a16f27eb8</guid>
				<title>তুমি আমার মন বাগানের মালি।
যেও না গো, ওগো প্রিয়,
বাগান রেখে খালি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/284533/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 14:32:12 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>তুমি আমার মন বাগানের মালি।<br />
যেও না গো, ওগো প্রিয়,<br />
বাগান রেখে খালি।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">14cc6128602eab4566785442124db278</guid>
				<title>সুন্দর এই ত্রিভূবন
দেখিতে চায় দুই নয়ন, 
ক্ষণ কালের এ জীবন 
কেড়ে নেয় নিঠুর মরণ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/284532/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 14:30:45 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সুন্দর এই ত্রিভূবন<br />
দেখিতে চায় দুই নয়ন,<br />
ক্ষণ কালের এ জীবন<br />
কেড়ে নেয় নিঠুর মরণ।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ad13a97b774751e0529cc516b3adb46f</guid>
				<title>।। মানবতার দেওয়াল ।।
কবি মিজান পঞ্চায়েত

বাড়তি থাকলে দিয়ে যান
প্রয়োজনে নিয়ে যান,
সবাই মিলে গাহি আমরা
মানবতার জয়গান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/284530/</link>
				<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 14:30:16 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>।। মানবতার দেওয়াল ।।<br />
কবি মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>বাড়তি থাকলে দিয়ে যান<br />
প্রয়োজনে নিয়ে যান,<br />
সবাই মিলে গাহি আমরা<br />
মানবতার জয়গান।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ac245f7521af7fefe02e67411c2c4f7e</guid>
				<title>আপনার শিশুটি যদি হয় কন্যা 
গড়ে তুলুন তাকে অনন্যা,
পরিবারে আসবে খুশির বন্যা।
--কবি মিজান পঞ্চায়েত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/284308/</link>
				<pubDate>Sun, 11 Oct 2026 15:15:18 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আপনার শিশুটি যদি হয় কন্যা<br />
গড়ে তুলুন তাকে অনন্যা,<br />
পরিবারে আসবে খুশির বন্যা।<br />
&#8211;কবি মিজান পঞ্চায়েত।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8c3650d3cf0cd420257b8e4d1f4ac999</guid>
				<title>আপনার শিশুটি যদি হয় কন্যা 
গড়ে তুলুন তাকে অনন্যা,
সংসারে আসবে খুশির বন্যা।
--কবি মিজান পঞ্চায়েত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/284307/</link>
				<pubDate>Sun, 11 Oct 2026 15:14:00 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আপনার শিশুটি যদি হয় কন্যা<br />
গড়ে তুলুন তাকে অনন্যা,<br />
সংসারে আসবে খুশির বন্যা।<br />
&#8211;কবি মিজান পঞ্চায়েত।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">41ab3f7cb774831c77ff5319a6fd7552</guid>
				<title>পরিচিতিঃ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (কবি মিজান পঞ্চায়েত/কবি মিজান বিএসসি) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন চান্দিশ করা গ্রামে ১৫ মার্চ ১৯৭৩ খ্রি. জন্ম গ্রহণ করেন। পিতার নাম মোহাম্মদ আবদুল হক এবং মাতার নাম ফাতেমা বেগম। নয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। 

কবি চৌদ্দগ্রাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস. এস. সি, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে থেকে এইচ.এস. সি এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান ও গণিত নিয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও B.Ed, C.in.Ed এবং B.R.M.P নামক তিনটি ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেন। 

ছাত্রজীবনে তিনি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সহিত জড়িত ছিলেন। সে সময় তিনি কুমিল্লার বিভিন্ন নাট্য শালায় অনেকগুলো নাটকে অভিনয় করেন। কবির অভিনীত নাটকের মধ্যে -কাল পূরুষ, সুবচন নির্বাসনে, পদ্মাবতী উল্লেখযোগ্য।

কর্মজীবনে তিনি, নালঘর উচ্চ বিদ্যালয়, ফেলনা উচ্চ বিদ্যালয় ও চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। এরপর সিঙ্গাপুর গমন করেন। কয়েক বছর পর প্রবাস থেকে এসে শিক্ষকতার পেশায় পুনরায় নিয়োগ প্রাপ্ত হন। বর্তমানে তিনি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন। 

পেশার পাশাপাশি লেখা লেখির নেশাতেও তিনি নিমগ্ন। তিনি প্রায় ২০০০ টি ছড়া, কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন। এখন পর্যন্ত কবির , পুষ্পিত প্রবচন, সুবচন, কবিতার সাতকাহন, প্রবচন, আজও তোমার অপেক্ষায়, গোধূলির সহযাত্রী, মুজিব তুমি না হলে, তবু রেখো মনে, হৃদয়ে মুহাম্মদ ,ছোট গল্পে শত কথাা, হৃদয়ে শহীদ জিয়া ও সেরা শতক নামক একক ও যৌথ মিলিয়ে তেরোটি গল্প ও কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। 

তাছাড়া তিনি ইসলাম ও বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করেন। গবেষণা ধর্মী দুটি বই, &quot;ইসলামে বিজ্ঞান ও নীতি নৈতিকতা&quot; এবং &#039;&#039;কোরআন ও হাদিসের আলোকে ইসলাম&#039;&#039; প্রকাশিত হয়েছে।

কবি, বেশ কিছু গবেষণা প্রবন্ধ লিখেছেন । প্রবন্ধ গুলোর মধ্যে,১। আদম পাহাড়ের পায়ের ছাপ ২।হিংস্রতা ও বুদ্ধিমত্তায় মানুষের ক্রম বিকাশ ও ধ্বংস ৩। বয়োঃসন্ধি কাল থেকে নারী দেহের স্তন ও নিতম্বের গঠনগত পরিবর্তন ৪।পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে গৃহিণী পেশা অদৃশ্য চালিকাশক্তি নামক গবেষণা প্রবন্ধটি চারটি আন্তর্জাতিক রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

কবি ,বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠন থেকে এখন পর্যন্ত তিনি ৩০ টির অধিক সংবোর্ধনা পেয়েছেন। তাছাড়াও তিনি প্রায় দুই সহস্রাধিক কাব্য সনদ অর্জন করেছেন। এখনো নিরলসভাবে লিখে চলেছেন। তিনি ইরান সরকার ও ইউনেস্কো থেকে আন্তর্জাতিক কবি সনদ অর্জন করেছেন। 

বিভিন্ন অন লাইন প্লাটফর্মে কবির কবিতা, ছড়া, গল্প ও প্রবন্ধ নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/283829/</link>
				<pubDate>Fri, 09 Oct 2026 13:01:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পরিচিতিঃ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (কবি মিজান পঞ্চায়েত/কবি মিজান বিএসসি) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন চান্দিশ করা গ্রামে ১৫ মার্চ ১৯৭৩ খ্রি. জন্ম গ্রহণ করেন। পিতার নাম মোহাম্মদ আবদুল হক এবং মাতার নাম ফাতেমা বেগম। নয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। </p>
<p>কবি চৌদ্দগ্রাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস. এস. সি, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-283829"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/283829/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>0</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">749221e67032f1910652bd6879c16418</guid>
				<title>&#062; শিক্ষাগুরু  &#062; মিজান পঞ্চায়েত &#062;

শিক্ষাগুরু জ্ঞানের মশাল 
জ্ঞানের আলো ছড়ায়,
সন্তান তুল্য আপন ভেবে
শিক্ষার্থীদের পড়ায়।

ভালো ছাত্র গড়তে শিক্ষক 
সদা চেষ্টা করে,
ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীরা যেন
মানুষ হতে পারে।

শিক্ষকের আদেশ মতো
চেষ্টা করে যারা,
উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে
জীবন গড়ে তারা।

সু-শিক্ষিত  মানুষ  হয়ে
চালায় সমাজ দেশ,
বসুন্ধরায় উজ্জ্বল করে
নিজ দেশের বেশ।

শিক্ষা দেওয়ার মহান ব্রত 
শিক্ষক পালন করে,
তাইতো মানুষ সারা বিশ্বে 
তাদের সম্মান করে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/282166/</link>
				<pubDate>Mon, 05 Oct 2026 11:44:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> &gt; শিক্ষাগুরু  &gt; মিজান পঞ্চায়েত &gt;</p>
<p>শিক্ষাগুরু জ্ঞানের মশাল<br />
জ্ঞানের আলো ছড়ায়,<br />
সন্তান তুল্য আপন ভেবে<br />
শিক্ষার্থীদের পড়ায়।</p>
<p>ভালো ছাত্র গড়তে শিক্ষক<br />
সদা চেষ্টা করে,<br />
ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীরা যেন<br />
মানুষ হতে পারে।</p>
<p>শিক্ষকের আদেশ মতো<br />
চেষ্টা করে যারা,<br />
উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে<br />
জীবন গড়ে তারা।</p>
<p>সু-শিক্ষিত  মানুষ  হয়ে<br />
চালায় সমাজ দেশ,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-282166"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/282166/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">e913850a67589498debfa5a467bbbd32</guid>
				<title>হাঁচি 
মিজান পঞ্চায়েত

নাকের উপর বসলো মাছি 
দিলাম একটা হাঁচি,
পাশে বসা বউ আমার 
উঠলো ভয়ে নাচি।
হায়! হায়! হায়!
এ কেমন ভীতু নিয়ে আছি বাঁছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280782/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Oct 2026 04:45:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হাঁচি<br />
মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>নাকের উপর বসলো মাছি<br />
দিলাম একটা হাঁচি,<br />
পাশে বসা বউ আমার<br />
উঠলো ভয়ে নাচি।<br />
হায়! হায়! হায়!<br />
এ কেমন ভীতু নিয়ে আছি বাঁছি।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1872d8ad669f0fbe53fe91484c82d144</guid>
				<title>বৃষ্টি 
মিজান পঞ্চায়েত

ঝর ঝর ঝর ঝর
ঝরছে বৃষ্টি, 
মেঘের কোলে সূর্যিমামা
হারিয়েছে দৃষ্টি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280779/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Oct 2026 04:43:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৃষ্টি<br />
মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>ঝর ঝর ঝর ঝর<br />
ঝরছে বৃষ্টি,<br />
মেঘের কোলে সূর্যিমামা<br />
হারিয়েছে দৃষ্টি।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">34b1a7876ef9aa47f15da574b14ea550</guid>
				<title>সাধু থেকে সাবধান
মিজান পঞ্চায়েত

সাধু থেকে সাবধান! 
সাধু বেশে বসত করে, 
অসাধু কিছু শয়তান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/280778/</link>
				<pubDate>Thu, 01 Oct 2026 04:42:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সাধু থেকে সাবধান<br />
মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>সাধু থেকে সাবধান!<br />
সাধু বেশে বসত করে,<br />
অসাধু কিছু শয়তান।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">4162a008f7546cb06ee1baf11693a7ba</guid>
				<title>গল্পের নাম: সীমানার বড়াই
কবি মিজান পঞ্চায়েত 

একদা নিশ্চিন্ত পুর নামে এক রাজ্য ছিল। সে রাজ্যের রাজার নাম ছিল অচিন্ত সেন গুপ্ত। রাজার সেনাপতির নাম ছিল নির্ভীক পঞ্চায়েত। রাজার রাজবাড়ির নাম ছিল চান্দিশ করা সেনরাজ বাড়ি। আজও সে রাজ বাড়ি জীর্ণ শীর্ণ হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কালের স্বাক্ষী হয়ে। রাজবাড়ির অনতিদূরেই ছিল সেনাপতির বাড়ি। সেনাপতি ছিল পঞ্চায়েত বংশের লোক।
সেনাপতির শখ ছিল কুকুর পোষা। তার পালিত কুকুরের নাম ছিল রাজবাবু। যেমন সেনাপতি তেমনই তার কুকুর। অত্র অঞ্চলে রাজবাবুর জুড়ি নেই। খুব শক্তিশালী ও শিকারী এ কুকুরের সুনাম রাজার নিকট ও অজানা ছিল না। তাই রাজা শিকারে যাওয়ার সময় সেনাপতিকে কুকুরটিকে সাথে নিতে বলতেন।  শিকার তাড়িয়ে আনতে কুকুরটি সহযোগিতা করত। 
একদিন শিকার থেকে ফেরার পথে এক গ্রামের উপর দিয়ে যাচ্ছিলেন । এমন সময় পাশের বাড়ি থেকে একটি কুকুর বের হয়ে ঘেউ ঘেউ করে রাজবাবুকে ধমক দিতে লাগলো। ধমক খেয়ে রাজবাবু লেজ গুটিয়ে সেনাপতির গা ঘেঁষে চলতে লাগলো। সে কুকুরটি ছিল রাজবাবুর তুলনায় নিতান্তই দূর্বল।  এ দৃশ্য দেখে রাজাতো হতবাক! রাজা সেনাপতিকে ডেকে বলল, &quot;সেনাপতি তোমার রাজবাবুর কি হল যে একটা সাধারণ কুকুরের ভয়ে ভীত হয়ে গেল।&quot;  জবাবে সেনাপতি বলল, &quot;রাজা মশাই, আমার রাজবাবু ভয়ে ভীত হয়নি। ঐ কুকুরটি তার নিজ বাড়ির সীমানায় থেকেই ঘেউ ঘেউ করছে। সেটি কিন্ত নিজের শক্তির ভরসায় সাহস দেখায় নি, বিপদে পড়লে মনিব এসে তাকে সাহায্য করবে  এ ভরসায় সীমানায় থেকে সাহস দেখিয়েছে। কুকুর হলেও আমার রাজবাবু ব্যাপারটি বুঝে। তাই সে ঐ কুকুরটিকে আক্রমন করে নি। দূর্বলেরা শুধুমাত্র আপনজনের ভরসায় নিজ সীমানার মধ্যে থেকেই শক্তি দেখায়। মহারাজ একেই বলে সীমানার বড়াই।&quot; ব্যাপারটি বুঝতে পেরে রাজা খুব খুশি হলেন এবং সেনাপতিকে একশ মোহর পুরস্কার দিলেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279696/</link>
				<pubDate>Mon, 28 Sep 2026 07:30:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্পের নাম: সীমানার বড়াই<br />
কবি মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>একদা নিশ্চিন্ত পুর নামে এক রাজ্য ছিল। সে রাজ্যের রাজার নাম ছিল অচিন্ত সেন গুপ্ত। রাজার সেনাপতির নাম ছিল নির্ভীক পঞ্চায়েত। রাজার রাজবাড়ির নাম ছিল চান্দিশ করা সেনরাজ বাড়ি। আজও সে রাজ বাড়ি জীর্ণ শীর্ণ হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কালের স্বাক্ষী হয়ে। রাজবাড়ির অনতিদূরেই ছিল সেনাপতির&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-279696"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/279696/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">00371a29a5d86dedb938314ac8fdcf0f</guid>
				<title>গল্প: তথাকথিত আধুনিকতা 
কবি মিজান পঞ্চায়েত 

মধুমাসের এক শনিবার সকাল ৯ টা বাজে ব্যাগ হাতে নিয়ে বাজারে রওনা হয়েছিলাম। পাশের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গেইটে দাঁড়ানো ভাবী (এক প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রী) ডেকে বললেন, &quot;এত সকাল সকাল কোথায় চললেন?&quot; আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম! তবে কি সময় ভুল দেখে বের হলাম? অগত্যা মোবাইলে সময়টা আবার দেখে নিলাম, ৯ টা ১৫ মিনিট, না ঠিকই তো আছে। এবার হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করলাম, &quot;ভাবী গেইটে দাঁড়িয়ে আছেন কেন ?&quot; ভাবী বলল, &quot;ছেলেকে ঐ দোকানে পাঠিয়েছি নাস্তা আনতে, পথে কুকুরে তাড়া করে কি-না তাই দাঁড়িয়েছি।&quot;  বললাম, &quot;এত বেলায় নাস্তা আনছেন, বাচ্চারা ক্ষুধায় কষ্ট পাচ্ছে না?&quot;   ভ্রু কুঁচকে ভাবী বললেন, &quot;কি যে বলেন ভাই, এত তাড়াতাড়ি ক্ষুধা লাগবে কেন? সবেমাত্র ঘুম থেকে উঠলাম।&quot;  জিজ্ঞেস করলাম, &quot;গতরাতে কি বাসায় কোন সমস্যা হয়েছিল?&quot;  ভাবী আশ্চর্য হয়ে বলল, &quot; এ কথা কেন বলছেন ?&quot;  আমতা আমতা করে উত্তর দিলাম, &quot;না মানে, এত বেলায় ঘুম ভেঙ্গেছে কিনা, তাই বলছিলাম।&quot;  ভাবী অহংকার ছলে বললেন, &quot;গেঁয়ো ভূতের মত কি যে বলেন ভাই! আমারাতো রাত ১২টার আগে খাইই না, আর ঘুমাতে যেতে যেতে রাত ২টা বেজে যায়।&quot;  এবার একটু লাজুক হয়ে বললাম, &quot;বলছিলাম কি, ছেলে মেয়েকে স্কুল মক্তবে পাঠাতে দেরী হয়ে যায় না?&quot;  অহংকারী ছলে ভাবীর উত্তর, &quot;ভাই যে কি বলেন, বিকেল ৫ টায় হুজুর বাসায় এসে পড়িয়ে যায়।&quot;  আবার বিনয়ের সহিত বললাম, &quot;প্রাইমারি স্কুলতো ৯ টা থেকে। ওদেরকে কি সময় মতো পাঠাতে পারেন?&quot;  ভাবী তাচ্ছিল্যের সহিত বলল, &quot;ভাই সকাল সকাল ঘুম নষ্টের এই স্কুল- মক্তবে আজকের আধুনিক সমাজের কেউ কি বাচ্চা ভর্তি করে? ১০ টায় কিন্ডার গার্টেনের গাড়ি এসে নিয়ে যাবে, ১ টায় বাড়ি পৌঁছে দিবে। এরপর বাচ্চারা খেয়ে ঘুমাবে। আধুনিক সমাজতো এভাবেই চলে । আপনারা পরে আছেন সেই গেঁয়ো যুগে।&quot; আমাদের দুজনের কথোপকথনের মধ্যেই ছেলে নাস্তা নিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে। ভাবী, আমার মতো গেঁয়ো ভূতের সাথে আর বেশি কথা না বলাকে সঙ্গত মনে করে, ছেলেকে ভিতরে ঢুকিয়ে গেইট বন্ধ করে দিলেন। হয়তোবা আমার কারণে সকাল সকাল মুড নষ্ট হওয়ায় বিরক্তিও প্রকাশ করছেন।

আমি মনে মনে ভাবলাম , এ আধুনিকতা কোথায় থেকে এলো। আমিতো অনেক বছর সিঙ্গাপুরে ছিলাম। সে দেশের মানুষ রাত ৮ টায় মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নেয় এবং রাত ১০ টায় মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ে। সকাল ৬টার মধ্যে উঠে মর্নিং ওয়ার্ক শেষে গোসল করে নাস্তা খেয়ে ৮টায় কর্মস্থলে গমন করে। আর যাদের রাতের শিফটে ডিউটি তাদের ব্যাপার ভিন্ন। 

ঐ দেশ অনেক উন্নত ও আধুনিক। অথচ আমাদের অনুন্নত ও দরিদ্র দেশের মানুষ বলছে, রাতে অনেক দেরি করে খাওয়া ও ঘুমানো এবং সকালে দেরি করে ঘুম থেকে উঠা নাকি আধুনিকতা!  এ তথাকথিত  আধুনিকতার কথায় অত্যাশ্চর্য  হয়ে ভাবতে ভাবতে কখন যে বাজারে পৌঁছে গেলাম, টেরই পেলাম না !</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279695/</link>
				<pubDate>Mon, 28 Sep 2026 07:30:15 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্প: তথাকথিত আধুনিকতা<br />
কবি মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>মধুমাসের এক শনিবার সকাল ৯ টা বাজে ব্যাগ হাতে নিয়ে বাজারে রওনা হয়েছিলাম। পাশের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গেইটে দাঁড়ানো ভাবী (এক প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রী) ডেকে বললেন, &#8220;এত সকাল সকাল কোথায় চললেন?&#8221; আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম! তবে কি সময় ভুল দেখে বের হলাম? অগত্যা মোবাইলে সময়টা আবার দেখ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-279695"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/279695/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6ff786e5736b4565f7a0e2681f7476b7</guid>
				<title>শয়তানী রোগ
মিজান পঞ্চায়েত

চিন্তা করে  কূল পাইনা
এ কেমন যুগ, 
মানুষকে আক্রান্ত করলো
শয়তানি এক রোগ! 

ঘুষের  টাকা  দিয়ে 
করে বাড়ি গাড়ি, 
অবসরে গিয়ে রাখে
সুন্নতি দাঁড়ি! 

মক্কায় গিয়ে আল্লাহ খোঁজে 
নবী খোঁজে মদিনায়,
নিজের কাঁধে পরের হক
সেই কথাটি ভাবে না।

আগে মানুষ সত্য বলতো
সত্যের ছিলো জয়,
এখন মানুষ মিথ্যা বলে 
সত্য বলতে ভয়! 

আগে ঝগড়া মিটিয়ে দিত
পাশের মানুষ এসে, 
এখন ঝগড়া উসকে দেয়
ইন্ধনদাতা পাশে। 

অন্যায় করলে শাসন করবেন
আমার সন্তানকে, 
এখন বলে শাসন করার 
তুমি আবার কে ? 

কেরাম লুডু খেলতো মানুষ 
অবসর কাটার তরে,
এখন এই সব খেলে মানুষ 
জুয়ার মতো করে ! 

শালীনতায়  ভরা  ছিলো 
সিনেমা নাটক পাড়া,
অশ্লীলতার ভিডিও এখন 
মোবাইলে ভরা! 

ভালো কাজ সব আশ্রয় নিলো
মাটির গর্তে ঢুকে, 
মন্দ  কাজের  জয় জয়কার 
বসুন্ধরার বুকে! 

কি থেকে কি হয়ে গেলো 
হায়রে কলিকালে,
ছাগল এখন থাপ্পড় মারে
বাঘ সিংহের গালে!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/279694/</link>
				<pubDate>Mon, 28 Sep 2026 07:29:21 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শয়তানী রোগ<br />
মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>চিন্তা করে  কূল পাইনা<br />
এ কেমন যুগ,<br />
মানুষকে আক্রান্ত করলো<br />
শয়তানি এক রোগ! </p>
<p>ঘুষের  টাকা  দিয়ে<br />
করে বাড়ি গাড়ি,<br />
অবসরে গিয়ে রাখে<br />
সুন্নতি দাঁড়ি! </p>
<p>মক্কায় গিয়ে আল্লাহ খোঁজে<br />
নবী খোঁজে মদিনায়,<br />
নিজের কাঁধে পরের হক<br />
সেই কথাটি ভাবে না।</p>
<p>আগে মানুষ সত্য বলতো<br />
সত্যের ছিলো জয়,<br />
এখন মানুষ মিথ্যা বলে<br />
সত্য বলতে ভয়!&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-279694"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/279694/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">13bb13dd377299ec791f952f250ed557</guid>
				<title>প্রবন্ধ : 
গৃহিণী পরিবার, সমাজ ও দেশের  অদৃশ্য চালিকাশক্তি

গবেষণায়: মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ( কবি মিজান পঞ্চায়েত/কবি মিজান বিএসসি) 
বি. এস সি (গণিত) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বি. এড।

সারসংক্ষেপ

গৃহিণী পরিবারের এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, যার শ্রম, দায়িত্ববোধ ও সেবার ওপর একটি পরিবারের সার্বিক স্থিতিশীলতা নির্ভর করে। যদিও গৃহিণীর কাজ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অর্থনৈতিকভাবে মূল্যায়িত হয় না, তবুও পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সুস্থতা, শিক্ষা, নৈতিকতা, নিরাপত্তা ও মানসিক বিকাশে তাঁর অবদান অপরিসীম। এই গবেষণাধর্মী প্রবন্ধে গৃহিণীর দায়িত্ব, সামাজিক গুরুত্ব এবং পরিবার ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

ভূমিকা :

পৃথিবীতে শত শত পেশা আছে। এসব পেশার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পেশা হলো গৃহিণী। এটি একটি সেবামূলক পেশা। পৃথিবীর সকল পেশা জীবীদের কাজ করার জন্য সর্ব প্রথম দরকার শরীর ও মনের সুস্থতা। আর সকল পেশাজীবীদের শরীর ও মন সুস্থ রাখার নেপথ্যে নিরলসভাবে কাজ করেন গৃহিণীরা। তাই বলা যায়, গৃহিণী পেশা হলো বাকী সব পেশার মা।
আবার, যেহেতু গৃহিণীরা পরিবারের সকল সদস্যদের প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের মাধ্যমে শরীর ও মন সুস্থ রেখে তাদেরকে স্ব স্ব পেশাগত কর্ম সম্পাদনের জন্য প্রেরণ করেন সেহেতু গৃহিণী পেশাকে বাকি সব পেশার চালিকা শক্তি ও বলা যায়।

গৃহিণী কে : একটি পরিবারের সকল প্রকার দায়িত্ব ও কর্তব্য সুচারুভাবে পালনকারী ব্যক্তিকে বলা হয় গৃহিণী। গৃহিণী সাধারণত পরিবারের একজন নারী সদস্য হয়ে থাকেন।

গৃহিণীর দায়িত্ব ও কর্তব্য: একজন গৃহিণী প্রতিদিন প্রতিক্ষণে কমপক্ষে দশটি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করেন। নিম্ন এগুলোর এক একটির বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

১)  পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত রাখা: একজন গৃহিণী পরিবারের সকল সদস্যের জামা কাপড়, বিছানা পত্র, ঘরদোর, আঙ্গিনা, রান্না ঘর, ওয়াশ রুম ও পশু পাখির ঘর নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং যথাসম্ভব জীবাণুমুক্ত রাখেন। পরিবারের সকল সদস্যের ব্যক্তিগত পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার প্রতিও বিশেষ খেয়াল রাখেন।

২) খাবার তৈরি ও পরিবেশন: একজন গৃহিণী প্রতিদিন সঠিক সময়ে পরিবারের সবার বয়স উপযোগী করে সুষম পুষ্টিকর খাবার তৈরি করেন এবং সকাল, দুপুর, বিকাল ও রাতে নির্ধারিত সময়ে তা পরিবেশন করেন। কোন খাবার যাতে অপচয় ও নষ্ট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখেন।

৩) পশু পাখি ও বাগান পরিচর্যা: একজন গৃহিণী প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে গৃহপালিত পশু পাখিকে খাবার ও পানি খেতে দেন এবং বাড়ির বাগানের পরিচর্যা করেন।

৪) শিশু,বৃদ্ধ ও অসুস্থদের সেবা: একজন গৃহিণী প্রতিদিন প্রতিক্ষণে পরিবারের অসুস্থ, বৃদ্ধ ও শিশুদের প্রতি বিশেষ নজর রাখেন এবং তাদের সেবা করেন। সঠিক সময়ে তাদের প্রয়োজনীয় খাবার, ঔষধ ও পথ্য খাওয়ান।

৫) পড়ালেখা ও নীতি নৈতিকতা শিক্ষাদান: একজন গৃহিণী পরিবারের শিক্ষার্থীদের সময়মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠান। বাসায় পড়তে বসান এবং পড়ালেখার প্রতি খেয়াল রাখেন। তাছাড়া তাদেরকে আদব কায়দা ও নীতি নৈতিকতা শিক্ষা দেন। পরোপকার ও দানশীল হতেও শিক্ষা প্রদান করেন।

৬) ঘুম ও বিশ্রামের ব্যবস্থা: একজন গৃহিণী প্রতিদিন, পরিবারের সকল সদস্য  সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ঘুম ও বিশ্রাম নিচ্ছে কিনা তা তদারকি করেন।

৭) চিত্ত বিনোদনের ব্যবস্থা: একজন গৃহিণী পরিবারের সদস্যদের বয়স উপযোগী সুস্থ চিত্ত বিনোদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণের ব্যবস্থা করে তাদের চিত্ত বিনোদনে সহযোগিতা করেন। মাঝে মাঝে সবাইকে নিয়ে বেড়াতে বের হন। ফলে সবার মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়।

৮) প্রতিবেশী ও আত্নীয় স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক রাখা: একজন গৃহিণী তার প্রতিবেশী ও আত্নীয় স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখেন। তাদের সাথে বিভিন্ন ধরনের উপহার সামগ্রী ও পিঠা পায়েস বিনিময় করেন। তাদেরকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেন, নিজেরাও তাদের বাড়িতে বেড়াতে যান।

৯) সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ: একজন গৃহিণী পরিবারের সকল প্রকার সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ করেন। কোন সম্পদ যাতে নষ্ট বা চুরি না হয় সে লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

১০) নিজের প্রতি খেয়াল রাখা: কথায় আছে, যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে। একজন গৃহিণী পরিবারের সকল দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের পাশাপাশি নিজের স্বাস্থ্য, খাওয়া, ঘুম, বিশ্রাম ও চিত্ত বিনোদনের প্রতি বিশেষভাবে নজর রাখেন। কারণ তিনি জানেন, তিনি হলেন পারিবারিক পরিবহনের ড্রাইভার। তিনি অসুস্থ হলে, সমগ্র পরিবার অচল হয়ে যাবে।

উপসংহার: উপরোক্ত আলোচনা থেকে নিঃসন্দেহে বলা যায়, গৃহিণীই হলো পরিবার তথা সমাজ ও বিশ্বের পরোক্ষ চালিকাশক্তি। বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধির স্বার্থেই শ্রেষ্ঠ পেশাজীবী হিসেবে গৃহিণীদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে তাদের পেশাগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলে, প্রতিটি পরিবার হয়ে উঠবে এক একটি শান্তি সুখের নীড়। গৃহিণীদের কাজের পরিধি অনেক বেশি। তাই পরিবারের সকল সদস্যকে অবশ্যই গৃহিণীদের কাজে সহযোগিতা করতে হবে এবং তাদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278041/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 15:08:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রবন্ধ :<br />
গৃহিণী পরিবার, সমাজ ও দেশের  অদৃশ্য চালিকাশক্তি</p>
<p>গবেষণায়: মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ( কবি মিজান পঞ্চায়েত/কবি মিজান বিএসসি)<br />
বি. এস সি (গণিত) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বি. এড।</p>
<p>সারসংক্ষেপ</p>
<p>গৃহিণী পরিবারের এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, যার শ্রম, দায়িত্ববোধ ও সেবার ওপর একটি পরিবারের সার্বিক স্থিতিশীলতা নির্ভর করে। যদিও গৃহিণীর কা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278041"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278041/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cf9804bb09b316a9aecc156aa1bf4b6f</guid>
				<title>প্রবন্ধ: আদম পাহাড়ের পায়ের ছাপ ও মানুষের দৈহিক উচ্চতা নির্ণয়ের সূত্র। 

 উদ্দেশ্য :
১. শ্রীলঙ্কার আদম চূড়ায় অবস্থিত পদচিহ্নের সম্ভাব্য পরিচয় বিশ্লেষণ করা।
২. মানুষের পায়ের দৈর্ঘ্য ও দৈহিক উচ্চতার মধ্যে একটি আনুপাতিক সম্পর্ক নির্ণয় করা।
৩.  ১ : ৬.৭৮৯ অনুপাতের সাহায্যে ৬৭ ইঞ্চি দীর্ঘ পদচিহ্নের সম্ভাব্য দেহের উচ্চতা নির্ণয় করা।
৪. গাণিতিক বিশ্লেষণের আলোকে  গবেষণার ব্যাখ্যা প্রদান ।

প্রবন্ধ আলোচনা :
শ্রীলঙ্কার শ্রীপাড়া প্রদেশে ৭৩৫৯ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট একটি পাহাড় অবস্থিত। এই পাহাড়টি আদম চূড়া নামে পরিচিত। ঐ পাহাড়ের চূড়ায় একটি বিশাল পাথর খন্ডের উপর ৬৭ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য এবং ৩০ ইঞ্চি প্রস্থ বিশিষ্ট একটি পায়ের ছাপ রয়েছে। বৌদ্ধ মতে, খ্রীস্টপূর্ব ৩০০ অব্দে সর্বপ্রথম এটি আবিষ্কার হয়। আবিষ্কারের পর বৌদ্ধ ধর্মের লোকজন দাবি করেন এটি গৌতম বুদ্ধের পায়ের ছাপ। আবার মুসলিম ও খ্রিস্টান ধর্মের লোকজন এটিকে হযরত আদম আ. এর পায়ের ছাপ দাবি করেন। তাদের মতে, আল্লাহ আদম আ. ও হাওয়া আ. কে বেহেশতে একটি নির্দিষ্ট গাছ থেকে দূরে থাকতে ও এর ফল খেতে নিষেধ করেছিলেন।তারা শয়তানের ধোঁকায় পরে ঐ নিষিদ্ধ গাছের ফল খেয়ে আল্লাহর অবাধ্য হন। অবাধ্য হওয়ার  শাস্তি  হিসেবে তাদেরকে পৃথিবীতে নামিয়ে দেন। আদম আ.এর অবতরনের স্থানটি ছিল শ্রীলঙ্কার এই আদম পাহাড়ের চূড়া এবং অবতরণের স্মৃতি স্বরূপ আল্লাহ কুদরতি ভাবে উনার একটি পায়ের ছাপ ঐ পাহাড়ের চূঁড়ায় বসিয়ে দেন। যুক্তিসংগত বৈজ্ঞানিক প্রমানের অভাবে সেই পায়ের ছাপটি যে কার,তা অমীমাংসিত থেকে যায়। এ অমীমাংসিত বিষয়টি বৈজ্ঞানিকভাবে মীমাংসা প্রয়োজন। সে লক্ষেই আমার এ প্রচেষ্টা। 

অনেক গবেষণার পর আমি মানুষের পায়ের ছাপের দৈর্ঘ্যের ও দৈহিক উচ্চতার একটি আনুপাতিক সূত্র আবিষ্কার করি। আর সেটি হচ্ছে ১ : ৬.৭৮৯ । এ সূত্রের সাহায্যে আমি ৬৭ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের পায়ের ছাপের মানুষটির দৈহিক উচ্চতা বের করি। আর তা হচ্ছে ৩৮ ফুট। বিভিন্ন ঐতিহাসিক বর্ণনায় পাওয়া যায় গৌতম বুদ্ধের দৈহিক উচ্চতা ছিল ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি। সে হিসেবে ঐ পায়ের ছাপটি অবশ্যই গৌতম বুদ্ধের নয়।
অপরপক্ষে, হাদিসে উল্লেখ আছে বেহেশতে হযরত আদম আ. কে ৯০ ফুট উচ্চতা দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং কেয়ামতের পর পৃথিবীর মানুষকে ৯০ ফুট উচ্চতা দিয়ে বেহেশতে প্রবেশ করাবেন। এর কারণ জানতে আমি মহাবিশ্বের বিভিন্ন গ্রহ উপগ্রহের গ্রেভেটি বা মধ্যাকর্ষন শক্তি নিয়ে অধ্যয়ন শুরু করি। অনেক পড়াশোনা শেষে বুঝতে পারি, যে কোন গ্রহেের গ্রেভেটি অনুযায়ী সে গ্রহের জীবের উচ্চতা নির্ধারিত হয়। বেহেশত পৃথিবী অপেক্ষা অনেক বড় বিধায় সেটির গ্রেভেটি অনেক বেশি। আবার পৃথিবী বেহেশতের তুলনায় ছোট, তাই পৃথিবীর গ্রেভেটি অনেক কম। ৯০ ফুট উচ্চতার মানুষ কম গ্রেভেটির পৃথিবীতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারবে না,বার বার পরে যাবে। সে কারনে আল্লাহ কুদরতি ভাবে আদম আ. এর দৈহিক উচ্চতা কমিয়ে পৃথিবী গ্রহের সর্বোচ্চ উপযোগী করে প্রেরন করেন। যা ছিল ৩৮ ফুট। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৩৮ ফুট বা তার কম উচ্চতা সম্পন্ন মানুষ পৃথিবীতে ভারসাম্য রক্ষা করে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারবে। প্রথম মানবের সম্মানার্থে আল্লাহ উনাকে পৃথিবী গ্রহের সর্বোচ্চ উচ্চতা দান করেছিলেন। আমার গবেষণা মতে নি:সন্দেহে বলতে পারি, আদম আ. এর পৃথিবী জীবনের দৈহিক উচ্চতা ছিল  ৩৮ ফুট এবং পায়ের পাতার দৈর্ঘ্য ছিল ৬৭ ইঞ্চি। শ্রীলঙ্কার আদম চূড়ার পায়ের ছাপটি হযরত আদম আ.  এর নিজের। 

অনেকের মতে, আদম আ. এর আগমনের পূর্বেও পৃথিবীতে মানুষ ছিল। তাদের এধারণা সম্পূর্ণ ভুল। আসলে আদম আ. এর আগমনের পূর্বে পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী ছিল। সেগুলোর মধ্যে প্রায় মানব আকৃতির অনেক প্রজাতির প্রাণী ছিল। কিন্তু সেগুলো আমাদের প্রজাতির মানুষ ছিল না। এখনও যেমন প্রায় মানব আকৃতির বনমানুষ,বানর,হনুমান ইত্যাদি রয়েছে। এদের শরীরের বিভিন্ন হাড়,মাথার খুলি এবং মানুষের বিভিন্ন হাড় ও মাথার খুলির সাথে সাদৃশ্য রয়েছে। 

এ বিষয়ে গবেষণা করেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী অধ্যাপক ইয়োহানেস হাইলি সেলিইসি । তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওর ক্লিভল্যান্ড মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি এর সাথে যুক্ত ছিলেন।  ১৯৭৪ সালে ইথিওপিয়ায় প্রাপ্ত মানব আকৃতির একটি মাথার খুলি পরীক্ষা করে  তিনি বলেন, এটি ছিল অস্টালো পিথিসিন অনোমেনসেস প্রজাতির এপের মাথার খুলি। কার্ব&#039;ন ডেটিং পরীক্ষায় তিনি জানতে পারেন, এ কঙ্কালটির বয়স ছিল ৩৮ লক্ষ বছর। পরবর্তীতে, ১৯৭৪ সালে প্রাপ্ত আরেকটি মাথার খুলি পরীক্ষা করে জানা যায়, এটি অস্টালো পিথেকাস আফারনসিস প্রজাতির আরেকটি এপের মাথার খুলি। যার বয়স ছিল ৩২ লক্ষ বছর। 
এ দুটি প্রাচীন কঙ্কাল নিয়ে গবেষণা শেষে অধ্যাপক হাইলি ০২/০৯/২০১৯ সালে বি বি সি ন্যাচার জার্নালে প্রকাশ করেন যে, এতদিন ধারণা করা হতো এগুলো মানুষের পূর্ব পূরুষের কঙ্কাল। যা ছিল সম্পূর্ণ ভুল । লক্ষ লক্ষ বছরেও এ দুটি প্রজাতি সম্পূর্ণ আলাদাই ছিল। বিবর্তিত হয়ে এক হয়ে যায়নি। অর্থাৎ দেখতে প্রায় একই রকম হলেও পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রত্যেক প্রজাতি আলাদা বৈশিষ্ট্য নিয়েই বেঁচে থাকে।
 যেমন আমরা বলতে পারি - টাকি মাছ,শোল মাছ ও গজার মাছ  দেখতে প্রায় একই রকম।কিন্তু, লক্ষ লক্ষ বছরেও তিনটি আলাদা প্রজাতির মাছ বিবর্তিত হয়ে  এক হয়ে যায়নি। তারা আলাদা বৈশিষ্ট্য নিয়েই বেঁচে আছে। 
সুতরাং বলা যায়, মানুষ সম্পূর্ণ আলাদা একটি প্রজাতি, যা আদম আ. ও হাওয়া আ. এর মাধ্যমেই বিস্তার লাভ করেছে। বিবর্তনের মিথ্যা দাবি অনুযায়ী বানর থেকে নয়। কারণ বানর সম্পূর্ণ আলাদা প্রজাতি। তারা তাদের বৈশিষ্ট্য নিয়েই বেঁচে আছে। 
উপসংহার ঃ পরিশেষে যুক্তিসংঘত ভাবে বলা যায়-
(১) শ্রীলঙ্কার আদম পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত পায়ের ছাপটি হযরত আদম আ. এর পায়ের ছাপ হওয়া যুক্তিযুক্ত।
(২) সূত্র ১ : ৬.৭৮৯( এক অনুপাত ছয় দশমিক সাত আট নয়)
এই সূত্র ব্যবহার করে কোন মানুষের পায়ের ছাপের দৈর্ঘ্যকে ৬.৭৮৯ দ্বারা গুণ করলে ঐ মানুষটির সর্বোচ্চ দৈহিক উচ্চতা পাওয়া যাবে।

গবেষণায়-মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (কবি মিজান পঞ্চায়েত/কবি মিজান বিএসসি)</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/278030/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 14:49:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রবন্ধ: আদম পাহাড়ের পায়ের ছাপ ও মানুষের দৈহিক উচ্চতা নির্ণয়ের সূত্র। </p>
<p> উদ্দেশ্য :<br />
১. শ্রীলঙ্কার আদম চূড়ায় অবস্থিত পদচিহ্নের সম্ভাব্য পরিচয় বিশ্লেষণ করা।<br />
২. মানুষের পায়ের দৈর্ঘ্য ও দৈহিক উচ্চতার মধ্যে একটি আনুপাতিক সম্পর্ক নির্ণয় করা।<br />
৩.  ১ : ৬.৭৮৯ অনুপাতের সাহায্যে ৬৭ ইঞ্চি দীর্ঘ পদচিহ্নের সম্ভাব্য দেহের উচ্চতা নির্ণয় করা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-278030"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/278030/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">de4402316634157f257ea540012ebe33</guid>
				<title>হিংস্রতা ও বুদ্ধিমত্তায় মানুষের ক্রমবিকাশ ও ধ্বংস

সারসংক্ষেপ

মানবসভ্যতার বিকাশের ইতিহাসে শারীরিক শক্তি, অভিযোজনক্ষমতা, প্রতিযোগিতা, হিংস্রতা এবং বুদ্ধিমত্তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আদিম মানবজীবনে খাদ্য সংগ্রহ ও আত্মরক্ষার জন্য শারীরিক সক্ষমতা ও শিকার করার দক্ষতা ছিল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। দীর্ঘকাল ধরে প্রাকৃতিক ও সামাজিক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে মানুষ ক্রমে বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জন করেছে। কিন্তু এই বুদ্ধিমত্তাই একদিকে সভ্যতার উন্নতি ঘটালেও অন্যদিকে মানুষকে ব্যাপক ধ্বংসক্ষম অস্ত্র তৈরির সামর্থ্য দিয়েছে। ফলে মানববুদ্ধির অগ্রগতি একই সঙ্গে মানবজাতির সম্ভাবনা ও অস্তিত্বের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

মূল শব্দ : হিংস্রতা, বুদ্ধিমত্তা, বিলুপ্ত,  জিন, বংশবিস্তার।

ভূমিকা

আদিম যুগে মানুষ প্রকৃতির ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল ছিল। খাদ্য সংগ্রহ, শিকার করা সবই ছিল শারীরিক শক্তি, সাহসী তথা হিংস্রতা ও  বুদ্ধিমত্তার উপর নির্ভরশীল। লক্ষ লক্ষ বছর এভাবে টিকে থাকার সংগ্রাম করতে করতে এক সময় অপেক্ষাকৃত দূর্বল মানুষগুলো পৃথিবী থেকে হারিয়ে যায় এবং হিংস্র ও বুদ্ধিমান মানুষগুলোর বংশধরেরাই বেঁচে আছে। 

মূল প্রবন্ধ :

এ কথা সর্বজন স্বীকৃত, আদিম কালে সকল মানুষ গুহায় বাস করতো এবং পশু পাখি শিকার করে কাঁচা চিবিয়ে খেতো। পশু শিকারে প্রয়োজন ছিল শারীরিক শক্তি, হিংস্রতা এবং বুদ্ধিমত্তা। তখনকার মানুষগুলোর মধ্যে যারা তুলনা মূলক কম শক্তিশালী, কম হিংস্র ও কম বুদ্ধিমান ছিল, তাদের মধ্যে অনেকেই পশু শিকারে গিয়ে আহত হয়ে বা বেশি শক্তিশালীদের দয়ায় প্রদত্ত সামান্য খাবার খেয়ে অপুষ্টিজনিত বিভিন্ন রোগে বা বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে মারা যেতো। ফলে তুলনামূলক বেশি শক্তিশালী হিংস্র ও বুদ্ধিমান মানুষগুলোই টিকে থাকতো। এভাবে লক্ষ লক্ষ বছর চলতে চলতে পৃথিবীতে অপেক্ষাকৃত দূর্বল মানুষগুলোর বংশধর বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে আর শক্তিশালী হিংস্র ও বুদ্ধিমান মানুষগুলোই টিকে আছে এবং বংশ বিস্তার করে চলছে। বর্তমানে কাল পর্যন্ত মানুষ যেমন হিংস্রতায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করছে তেমনি জ্ঞান বিজ্ঞানেও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করছে। ফলশ্রুতিতে, জিনগত হিংস্রতার করণে মানুষ মানুষকে হত্যা করছে এবং হত্যার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মরণাস্র তৈরি ও ব্যবহার করছে। এর সাথে সাথে জিনগত বুদ্ধিমত্তার কারণে জ্ঞান বিজ্ঞানেও উন্নতির শিখরে আরোহন করছে। এ ধারাবাহিকতায় মানব জাতি দিন দিন আরও হিংস্রতা ও বুদ্ধিমত্তার চরম শিখরে আরোহন করবে এবং এক সময় প্রকৃতির প্রতিশোধে হয়তো ধ্বংস হয়ে যাবে।

উপসংহার : কালের পরিক্রমায় আদিম কাল থেকে আজ পর্যন্ত মেধা, শক্তি ও সাহস তথা হিংস্রতা দিয়ে  প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে  বংশ পরমপরায় যে মানুষগুলো টিকে আছে, তাদের জিনে ঐ বৈশিষ্ট্যগুলো খুবই সক্রিয়। ফলে জিনগত কারণেই দিনে দিনে মানুষের মধ্যে হানাহানি যুদ্ধ-বিগ্রহ বাড়তেই থাকবে। এক সময় মানুষই মানব জাতি ধ্বংসের কারণ হবে।

গবেষণায়: মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (কবি মিজান পঞ্চায়েত/কবি  মিজান বিএসসি) 
বি এস সি (গণিত) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/277911/</link>
				<pubDate>Thu, 24 Sep 2026 09:32:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>হিংস্রতা ও বুদ্ধিমত্তায় মানুষের ক্রমবিকাশ ও ধ্বংস</p>
<p>সারসংক্ষেপ</p>
<p>মানবসভ্যতার বিকাশের ইতিহাসে শারীরিক শক্তি, অভিযোজনক্ষমতা, প্রতিযোগিতা, হিংস্রতা এবং বুদ্ধিমত্তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আদিম মানবজীবনে খাদ্য সংগ্রহ ও আত্মরক্ষার জন্য শারীরিক সক্ষমতা ও শিকার করার দক্ষতা ছিল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। দীর্ঘকাল ধরে প্রাকৃতিক ও সামাজিক প&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-277911"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/277911/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1e8a7e1439e8d9c0d6dcb71fe8e54558</guid>
				<title>সৃষ্টিকর্তার মনোনীত ইসলাম 
মিজান পঞ্চায়েত 

আল্লাহ শুধু মুসলমানের 
এ কথা ঠিক নয়,
তিনিই সবার  সৃষ্টিকর্তা
সর্বজনে কয় ।

আল কোরান সকল মানুষের 
শুধু মুসলিমের নয়,
সুরা আনামের ১৫৫ আয়াতে
সেই কথাই কয় ।

দ্বীন ইসলাম মানব জাতির 
শুধু মুসলিমের নয়,
সুরা মায়ীদার ০৩ আয়াতে
সেই কথাই কয়।

মুহাম্মদ (স) সবার রাসুল
শুধু মুসলিমের নয়,
সুরা সাবার ২৮  আয়াতে 
সেই কথাই কয়।

আল হাদিস সব মানুষের 
শুধু মুসলিমের  নয়,
রাসুল যেহেতু সবার জন্য 
হাদিসও সবার হয়।

কোরআন হাদিস নবী রাসুল 
মানব জাতির জন্য,
দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করে
জীবন কারো ধন্য।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276681/</link>
				<pubDate>Mon, 21 Sep 2026 15:14:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সৃষ্টিকর্তার মনোনীত ইসলাম<br />
মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>আল্লাহ শুধু মুসলমানের<br />
এ কথা ঠিক নয়,<br />
তিনিই সবার  সৃষ্টিকর্তা<br />
সর্বজনে কয় ।</p>
<p>আল কোরান সকল মানুষের<br />
শুধু মুসলিমের নয়,<br />
সুরা আনামের ১৫৫ আয়াতে<br />
সেই কথাই কয় ।</p>
<p>দ্বীন ইসলাম মানব জাতির<br />
শুধু মুসলিমের নয়,<br />
সুরা মায়ীদার ০৩ আয়াতে<br />
সেই কথাই কয়।</p>
<p>মুহাম্মদ (স) সবার রাসুল<br />
শুধু মুসলিমের নয়,&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276681"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276681/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">41da1d443e85685fb9a5b327e42f2b46</guid>
				<title>সু-মুসলিম 
মিজান পঞ্চায়েত 

সু-মুসলিম হতে চাও 
বিধর্মীদের সম্মান দাও,
অনাহারী যেই হোক 
সবাইকে খেতে দাও ।

ভিন ধর্মী যদি কেউ 
থাকে তোমার পাশে,
তাদেরকে ভালোবেসে
কথা বলো হেসে ।

নিরাপদে রাখা তাদের 
তোমার দায়িত্ব,
তবেই তোমার পূরণ হবে 
মুসলিমের শর্ত।

অভয়ে তারা হেসে খেলে 
পালন করবে ধর্ম,
বাঁধা দিলে পরকালে 
পুঁড়বে তোমার চর্ম।

তুমি খাবে পেট ভরে 
তারা অনাহারী,
মোটেই পাবে না পার
পাপ হবে ভারী।

ইসলাম হলো মহান ধর্ম 
মহৎ করো কর্ম,
উদারতায় মুগ্ধ মানুষ 
গ্রহণ করবে ধর্ম।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276680/</link>
				<pubDate>Mon, 21 Sep 2026 15:14:07 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>সু-মুসলিম<br />
মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>সু-মুসলিম হতে চাও<br />
বিধর্মীদের সম্মান দাও,<br />
অনাহারী যেই হোক<br />
সবাইকে খেতে দাও ।</p>
<p>ভিন ধর্মী যদি কেউ<br />
থাকে তোমার পাশে,<br />
তাদেরকে ভালোবেসে<br />
কথা বলো হেসে ।</p>
<p>নিরাপদে রাখা তাদের<br />
তোমার দায়িত্ব,<br />
তবেই তোমার পূরণ হবে<br />
মুসলিমের শর্ত।</p>
<p>অভয়ে তারা হেসে খেলে<br />
পালন করবে ধর্ম,<br />
বাঁধা দিলে পরকালে<br />
পুঁড়বে তোমার চ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276680"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276680/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0095740bcbe15e72b3263e5fd1d7f7d8</guid>
				<title>ধর্ম 
মিজান পঞ্চায়েত 

ধর্ম নিয়ে দাঙ্গাবাজি 
মিছে কেন করো,
মানবতা  বড়  ধর্ম 
মানব সেবা ধরো।

সবার  মনে  সেরা  ধর্ম 
যে ধর্ম যে মানে,
কোনটা যে আসল ধর্ম 
স্রষ্টাই কেবল জানে।

যে ধর্মের জন্যে করো
দাঙ্গাবাজীর পাপ,
সেই ধর্ম  মিছা হলে 
কে করিবে মাফ ?

স্রষ্টার এই শান্ত ধরায়
অশান্তি যে করে,
নরকে তার স্থান  হবে 
যবেই সে মরে।

যে ধর্মে দাঙ্গাবাজীর 
বৈধতা আছে,
স্বরণে রাখিও সবাই 
সেই ধর্ম মিছে।

জীবে দয়া মানব মায়া
যে জন করিবে,
অহিংস জীবন  দ্বারা 
স্রষ্টাকে পাইবে।

সৃষ্টিকর্তায়  বিশ্বাস  রেখে 
যদি না কর পাপ,
পরকালে নিষ্পাপের ফল 
স্বর্গ করবে লাভ।

হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান 
হাজার ধর্ম ভবে,
সব  ধর্মকে  সম্মান  করলে
শান্তি বজায় রবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276678/</link>
				<pubDate>Mon, 21 Sep 2026 15:13:40 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ধর্ম<br />
মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>ধর্ম নিয়ে দাঙ্গাবাজি<br />
মিছে কেন করো,<br />
মানবতা  বড়  ধর্ম<br />
মানব সেবা ধরো।</p>
<p>সবার  মনে  সেরা  ধর্ম<br />
যে ধর্ম যে মানে,<br />
কোনটা যে আসল ধর্ম<br />
স্রষ্টাই কেবল জানে।</p>
<p>যে ধর্মের জন্যে করো<br />
দাঙ্গাবাজীর পাপ,<br />
সেই ধর্ম  মিছা হলে<br />
কে করিবে মাফ ?</p>
<p>স্রষ্টার এই শান্ত ধরায়<br />
অশান্তি যে করে,<br />
নরকে তার স্থান  হবে&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-276678"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/276678/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ab1bb399c83233339ab2eb0dcaeb0377</guid>
				<title>প্রিয়তমা
মিজান পঞ্চায়েত

আমাকে ভাবোনা প্রিয়তমা
শুধু ভাবো মনোরঞ্জনা,
তাইতো তুমি চাকতে যাও
অন্যের হাঁড়ির ব্যঞ্জনা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276090/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 05:52:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রিয়তমা<br />
মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>আমাকে ভাবোনা প্রিয়তমা<br />
শুধু ভাবো মনোরঞ্জনা,<br />
তাইতো তুমি চাকতে যাও<br />
অন্যের হাঁড়ির ব্যঞ্জনা।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">d35bb74ae4ebe103efdf4640b4704259</guid>
				<title>বাঞ্ছা জাগে 
মিজান পঞ্চায়েত

সলিল হলো মীনের সদন
নীরদালয় যেমনি পবন,
সৃজিয়েছেন যে মহাজন 
শূন্যে সে বসত করে, 
বাঞ্ছা জাগে হেরি তারে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276089/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 05:52:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাঞ্ছা জাগে<br />
মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>সলিল হলো মীনের সদন<br />
নীরদালয় যেমনি পবন,<br />
সৃজিয়েছেন যে মহাজন<br />
শূন্যে সে বসত করে,<br />
বাঞ্ছা জাগে হেরি তারে।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b19f84443e134a68d042e4d69f46e131</guid>
				<title>স্রষ্টার অপার সৃষ্টি
মিজান পঞ্চায়েত

মহান স্রষ্টার অপার সৃষ্টি
বিস্ময়ে বিস্মিত মম অন্তর দৃষ্টি।

কি অপরূপ! নয়নাভিরাম 
স্রষ্টার লীলা খেলা,
আকাশ পানে অসীম সৃজন 
ঘুরছে সারা বেলা।

জলে স্থলে অন্তরীক্ষে 
সুষম সুন্দর সৃষ্টি,
হেরিলে তব শীতল হয় 
মম অন্তর দৃষ্টি।

মহান স্রষ্টার অপার সৃষ্টি 
বিস্ময়ে বিস্মিত মম অন্তর দৃষ্টি!</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/276088/</link>
				<pubDate>Sun, 20 Sep 2026 05:52:10 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>স্রষ্টার অপার সৃষ্টি<br />
মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>মহান স্রষ্টার অপার সৃষ্টি<br />
বিস্ময়ে বিস্মিত মম অন্তর দৃষ্টি।</p>
<p>কি অপরূপ! নয়নাভিরাম<br />
স্রষ্টার লীলা খেলা,<br />
আকাশ পানে অসীম সৃজন<br />
ঘুরছে সারা বেলা।</p>
<p>জলে স্থলে অন্তরীক্ষে<br />
সুষম সুন্দর সৃষ্টি,<br />
হেরিলে তব শীতল হয়<br />
মম অন্তর দৃষ্টি।</p>
<p>মহান স্রষ্টার অপার সৃষ্টি<br />
বিস্ময়ে বিস্মিত মম অন্তর দৃষ্টি!</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cf5079bd15161553d76d8d98e72e07f4</guid>
				<title>ফেইসবুক 
মিজান পঞ্চায়েত 

জুকারবার্গের ফেইসবুক 
একটি মধুর বাঁশি,
বসুন্ধরার সকল মানুষ
বাজায় এ বাঁশি।

কর্মকালের ব্যস্ততাতেও
একটু সময় নিয়া,
দিবানিশি বাজায় বাঁশি
সকল বাসুরিয়া।

শেয়ার করে জীবন ছবি
সুখ দুঃখের কথা,
মন থেকে দূর হয়ে যায়
সকল দুঃখ ব্যথা।

সরাসরি সম্প্রচার হয়
নানান অনুষ্ঠান, 
হরেক রকম বিনোদনে
ভরে সবার প্রাণ।

দেশ বিদেশের নানা খবর 
সকল মানুষ পড়ে,
সুখবর ও জন্মদিনে
শুভ কামনা করে।

সমমনা বন্ধুরা সব
এক দলে থাকে,
এ মাধ্যমে সবে সবের 
খোঁজ খবর রাখে।

যারা গেছে পরোপারে 
তাদের স্মরণ করে,
দোয়া করে মন ভরে
যে যখনই মরে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275709/</link>
				<pubDate>Sat, 19 Sep 2026 01:16:29 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ফেইসবুক<br />
মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>জুকারবার্গের ফেইসবুক<br />
একটি মধুর বাঁশি,<br />
বসুন্ধরার সকল মানুষ<br />
বাজায় এ বাঁশি।</p>
<p>কর্মকালের ব্যস্ততাতেও<br />
একটু সময় নিয়া,<br />
দিবানিশি বাজায় বাঁশি<br />
সকল বাসুরিয়া।</p>
<p>শেয়ার করে জীবন ছবি<br />
সুখ দুঃখের কথা,<br />
মন থেকে দূর হয়ে যায়<br />
সকল দুঃখ ব্যথা।</p>
<p>সরাসরি সম্প্রচার হয়<br />
নানান অনু&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275709"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275709/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">67b710828fd41a0af74c7e642b57fc49</guid>
				<title>অতি থেকে ইতি 
মিজান পঞ্চায়েত 

অতি থেকেই হয় ইতি 
হয়ে যায় স্মৃতি,
স্বাভাবিকের অধিক কভু
দেখাইও না প্রীতি ।

যবে করিবে অতি 
তবেই হইবে ক্ষতি।

জীবনে আসিলে অতি 
স্বাভাবিক রাখিবে গতি,
তবেই রক্ষা হবে তোমার 
চরম এক ক্ষতি ।

অতি বড় বেসামাল 
ছিন্ন করিবেই পাল।

মানবকূল ক্ষমতাহীন 
সহ্য করিতে অতি,
অতি শুধু  তার জন্য 
যিনি পরম পতি ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275708/</link>
				<pubDate>Sat, 19 Sep 2026 01:16:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অতি থেকে ইতি<br />
মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>অতি থেকেই হয় ইতি<br />
হয়ে যায় স্মৃতি,<br />
স্বাভাবিকের অধিক কভু<br />
দেখাইও না প্রীতি ।</p>
<p>যবে করিবে অতি<br />
তবেই হইবে ক্ষতি।</p>
<p>জীবনে আসিলে অতি<br />
স্বাভাবিক রাখিবে গতি,<br />
তবেই রক্ষা হবে তোমার<br />
চরম এক ক্ষতি ।</p>
<p>অতি বড় বেসামাল<br />
ছিন্ন করিবেই পাল।</p>
<p>মানবকূল ক্ষমতাহীন<br />
সহ্য করিতে অতি,<br />
অতি শুধু  তার জন্য<br />
যিনি পরম পতি ।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">dd32de1ec077956821d1462e2392b637</guid>
				<title>শ্রমিক 
মিজান পঞ্চায়েত 

শ্রমিক বলে অবহেলা 
করিবে না কভু,
শ্রমিক হলো স্রষ্টার বন্ধু 
যিনি মহান প্রভু।

শ্রমিকের শ্রমের ফলেই 
সকল উন্নয়ন,
করিতেছো ভোগ বিলাস 
নানান আয়োজন।

শ্রমিকের ঘামে মিশ্রিত হয়
সুরকি  সিমেন্ট বালি,
ভুল- ত্রুটি করলেও তারা
দিবেনা তাদের গালি।

কৃষক শ্রমিক জেলে তাঁতি 
হাজার পেশার শ্রমে,
মানব সভ্যতার অগ্রগতি 
হচ্ছে  ক্রমে  ক্রমে।

শ্রমের মূল্য মিটিয়ে দাও 
ঘাম শুকানোর আগে,
তবেই তুমি দুই জাহানে
সফলতা পাবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275707/</link>
				<pubDate>Sat, 19 Sep 2026 01:15:24 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>শ্রমিক<br />
মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>শ্রমিক বলে অবহেলা<br />
করিবে না কভু,<br />
শ্রমিক হলো স্রষ্টার বন্ধু<br />
যিনি মহান প্রভু।</p>
<p>শ্রমিকের শ্রমের ফলেই<br />
সকল উন্নয়ন,<br />
করিতেছো ভোগ বিলাস<br />
নানান আয়োজন।</p>
<p>শ্রমিকের ঘামে মিশ্রিত হয়<br />
সুরকি  সিমেন্ট বালি,<br />
ভুল- ত্রুটি করলেও তারা<br />
দিবেনা তাদের গালি।</p>
<p>কৃষক শ্রমিক জেলে তাঁতি<br />
হাজার পেশার শ্রমে,<br />
মানব সভ্যতার অগ্রগত&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275707"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275707/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">3a99d4e21d2e40530ba6ba0f42db94ec</guid>
				<title>ছড়া
বড়াই
মিজান পঞ্চায়েত

তালগাছ বড়াই করে 
বলে সে রাজা! 
ক্ষণিক পরে ঝড় এসে 
ভাঙ্গলো রাজার মাঝা। 
বড়াই করে তালগাছ 
পেলো মহা সাজা।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275546/</link>
				<pubDate>Fri, 18 Sep 2026 14:38:03 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ছড়া<br />
বড়াই<br />
মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>তালগাছ বড়াই করে<br />
বলে সে রাজা!<br />
ক্ষণিক পরে ঝড় এসে<br />
ভাঙ্গলো রাজার মাঝা।<br />
বড়াই করে তালগাছ<br />
পেলো মহা সাজা।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6f649e64474cf5551a90020783b93c4a</guid>
				<title>অনু কবিতা 
প্রিয়জনের বেদনা 

যে হারায় তার প্রিয় মানুষ 
সে জানে কি যন্ত্রণা! 
যে হারায়নি সে কি কভু
বুঝিবে সেই বেদনা ? 

-মিজান পঞ্চায়েত</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275544/</link>
				<pubDate>Fri, 18 Sep 2026 14:37:33 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>অনু কবিতা<br />
প্রিয়জনের বেদনা </p>
<p>যে হারায় তার প্রিয় মানুষ<br />
সে জানে কি যন্ত্রণা!<br />
যে হারায়নি সে কি কভু<br />
বুঝিবে সেই বেদনা ? </p>
<p>-মিজান পঞ্চায়েত</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">38c43735cc127694b871f61fe452c32d</guid>
				<title>পরাশ্রিত মহাবীর 
মিজান পঞ্চায়েত

তারা পরাশ্রিত মহাবীর,
অসুর হয়ে দখল করেছে
নদীর পশ্চিম তীর।

লাজ লজ্জার ধার ধারে না
মানবতা কভু মানে না।

তারা কাপুরুষ মহাবীর,
নারী শিশু হত্যা করিয়া
উচ্চ করে শির।

বিশ্ব হাসলে হাসুক হাসি
লক্ষ্য তাদের প্রভুর খুশি।

যারা তাদের লালন করছে
দিয়ে অস্ত্র বল,
যে প্রভুরা উপভোগ করছে
দখলদারীর ফল।

ধিক্কার জানাই তোদের 
কাপুরুষ মহাবীর, 
বুমেরাং  হবেই  দখল 
নদীর পশ্চিম তীর।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275542/</link>
				<pubDate>Fri, 18 Sep 2026 14:37:09 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পরাশ্রিত মহাবীর<br />
মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>তারা পরাশ্রিত মহাবীর,<br />
অসুর হয়ে দখল করেছে<br />
নদীর পশ্চিম তীর।</p>
<p>লাজ লজ্জার ধার ধারে না<br />
মানবতা কভু মানে না।</p>
<p>তারা কাপুরুষ মহাবীর,<br />
নারী শিশু হত্যা করিয়া<br />
উচ্চ করে শির।</p>
<p>বিশ্ব হাসলে হাসুক হাসি<br />
লক্ষ্য তাদের প্রভুর খুশি।</p>
<p>যারা তাদের লালন করছে<br />
দিয়ে অস্ত্র বল,<br />
যে প্রভুরা উপভোগ করছে<br />
দখলদারীর ফল।</p>
<p>ধিক্কার&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275542"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275542/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">424c11c217329501b24dd00ff64eb4ba</guid>
				<title>দিন দিন মানুষর হিংস্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে কেন? 

সারসংক্ষেপ

মানবসভ্যতার বিকাশের ইতিহাসে শারীরিক শক্তি, অভিযোজনক্ষমতা, প্রতিযোগিতা, হিংস্রতা এবং বুদ্ধিমত্তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আদিম মানবজীবনে খাদ্য সংগ্রহ ও আত্মরক্ষার জন্য শারীরিক সক্ষমতা ও শিকার করার দক্ষতা ছিল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। দীর্ঘকাল ধরে প্রাকৃতিক ও সামাজিক প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে মানুষ ক্রমে বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জন করেছে। কিন্তু এই বুদ্ধিমত্তাই একদিকে সভ্যতার উন্নতি ঘটালেও অন্যদিকে মানুষকে ব্যাপক ধ্বংসক্ষম অস্ত্র তৈরির সামর্থ্য দিয়েছে। ফলে মানববুদ্ধির অগ্রগতি একই সঙ্গে মানবজাতির সম্ভাবনা ও অস্তিত্বের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

মূল শব্দ : হিংস্রতা, বুদ্ধিমত্তা, বিলুপ্ত,  জিন, বংশবিস্তার।

ভূমিকা

আদিম যুগে মানুষ প্রকৃতির ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল ছিল। খাদ্য সংগ্রহ, শিকার করা সবই ছিল শারীরিক শক্তি, সাহসী তথা হিংস্রতা ও  বুদ্ধিমত্তার উপর নির্ভরশীল। লক্ষ লক্ষ বছর এভাবে টিকে থাকার সংগ্রাম করতে করতে এক সময় অপেক্ষাকৃত দূর্বল মানুষগুলো পৃথিবী থেকে হারিয়ে যায় এবং হিংস্র ও বুদ্ধিমান মানুষগুলোর বংশধরেরাই বেঁচে আছে। 

মূল প্রবন্ধ :

এ কথা সর্বজন স্বীকৃত, আদিম কালে সকল মানুষ গুহায় বাস করতো এবং পশু পাখি শিকার করে কাঁচা চিবিয়ে খেতো। পশু শিকারে প্রয়োজন ছিল শারীরিক শক্তি, হিংস্রতা এবং বুদ্ধিমত্তা। তখনকার মানুষগুলোর মধ্যে যারা তুলনা মূলক কম শক্তিশালী, কম হিংস্র ও কম বুদ্ধিমান ছিল, তাদের মধ্যে অনেকেই পশু শিকারে গিয়ে আহত হয়ে বা বেশি শক্তিশালীদের দয়ায় প্রদত্ত সামান্য খাবার খেয়ে অপুষ্টিজনিত বিভিন্ন রোগে বা বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে মারা যেতো। ফলে তুলনামূলক বেশি শক্তিশালী হিংস্র ও বুদ্ধিমান মানুষগুলোই টিকে থাকতো। এভাবে লক্ষ লক্ষ বছর চলতে চলতে পৃথিবীতে অপেক্ষাকৃত দূর্বল মানুষগুলোর বংশধর বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে আর শক্তিশালী হিংস্র ও বুদ্ধিমান মানুষগুলোই টিকে আছে এবং বংশ বিস্তার করে চলছে। বর্তমানে কাল পর্যন্ত মানুষ যেমন হিংস্রতায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করছে তেমনি জ্ঞান বিজ্ঞানেও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করছে। ফলশ্রুতিতে, জিনগত হিংস্রতার করণে মানুষ মানুষকে হত্যা করছে এবং হত্যার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মরণাস্র তৈরি ও ব্যবহার করছে। এর সাথে সাথে জিনগত বুদ্ধিমত্তার কারণে জ্ঞান বিজ্ঞানেও উন্নতির শিখরে আরোহন করছে। এ ধারাবাহিকতায় মানব জাতি দিন দিন আরও হিংস্রতা ও বুদ্ধিমত্তার চরম শিখরে আরোহন করবে এবং এক সময় প্রকৃতির প্রতিশোধে হয়তো ধ্বংস হয়ে যাবে।

উপসংহার : কালের পরিক্রমায় আদিম কাল থেকে আজ পর্যন্ত মেধা, শক্তি ও সাহস তথা হিংস্রতা দিয়ে  প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে  বংশ পরমপরায় যে মানুষগুলো টিকে আছে, তাদের জিনে ঐ বৈশিষ্ট্যগুলো খুবই সক্রিয়। ফলে জিনগত কারণেই দিনে দিনে মানুষের মধ্যে হানাহানি যুদ্ধ-বিগ্রহ বাড়তেই থাকবে। এক সময় মানুষই মানব জাতি ধ্বংসের কারণ হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275242/</link>
				<pubDate>Thu, 17 Sep 2026 16:50:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p> দিন দিন মানুষর হিংস্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে কেন? </p>
<p>সারসংক্ষেপ</p>
<p>মানবসভ্যতার বিকাশের ইতিহাসে শারীরিক শক্তি, অভিযোজনক্ষমতা, প্রতিযোগিতা, হিংস্রতা এবং বুদ্ধিমত্তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আদিম মানবজীবনে খাদ্য সংগ্রহ ও আত্মরক্ষার জন্য শারীরিক সক্ষমতা ও শিকার করার দক্ষতা ছিল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। দীর্ঘকাল ধরে প্রাকৃতিক ও সামাজিক প্রতিযোগিতার মধ্য দি&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275242"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275242/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">8ccccda7a6c0075097256e02d4bf88cb</guid>
				<title>গল্প: তথাকথিত আধুনিকতা 
কবি মিজান পঞ্চায়েত 

মধুমাসের এক শনিবার সকাল ৯ টা বাজে ব্যাগ হাতে নিয়ে বাজারে রওনা হয়েছিলাম। পাশের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গেইটে দাঁড়ানো ভাবী (এক প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রী) ডেকে বললেন, &quot;এত সকাল সকাল কোথায় চললেন?&quot; আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম! তবে কি সময় ভুল দেখে বের হলাম? অগত্যা মোবাইলে সময়টা আবার দেখে নিলাম, ৯ টা ১৫ মিনিট, না ঠিকই তো আছে। এবার হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করলাম, &quot;ভাবী গেইটে দাঁড়িয়ে আছেন কেন ?&quot; ভাবী বলল, &quot;ছেলেকে ঐ দোকানে পাঠিয়েছি নাস্তা আনতে, পথে কুকুরে তাড়া করে কি-না তাই দাঁড়িয়েছি।&quot;  বললাম, &quot;এত বেলায় নাস্তা আনছেন, বাচ্চারা ক্ষুধায় কষ্ট পাচ্ছে না?&quot;   ভ্রু কুঁচকে ভাবী বললেন, &quot;কি যে বলেন ভাই, এত তাড়াতাড়ি ক্ষুধা লাগবে কেন? সবেমাত্র ঘুম থেকে উঠলাম।&quot;  জিজ্ঞেস করলাম, &quot;গতরাতে কি বাসায় কোন সমস্যা হয়েছিল?&quot;  ভাবী আশ্চর্য হয়ে বলল, &quot; এ কথা কেন বলছেন ?&quot;  আমতা আমতা করে উত্তর দিলাম, &quot;না মানে, এত বেলায় ঘুম ভেঙ্গেছে কিনা, তাই বলছিলাম।&quot;  ভাবী অহংকার ছলে বললেন, &quot;গেঁয়ো ভূতের মত কি যে বলেন ভাই! আমারাতো রাত ১২টার আগে খাইই না, আর ঘুমাতে যেতে যেতে রাত ২টা বেজে যায়।&quot;  এবার একটু লাজুক হয়ে বললাম, &quot;বলছিলাম কি, ছেলে মেয়েকে স্কুল মক্তবে পাঠাতে দেরী হয়ে যায় না?&quot;  অহংকারী ছলে ভাবীর উত্তর, &quot;ভাই যে কি বলেন, বিকেল ৫ টায় হুজুর বাসায় এসে পড়িয়ে যায়।&quot;  আবার বিনয়ের সহিত বললাম, &quot;প্রাইমারি স্কুলতো ৯ টা থেকে। ওদেরকে কি সময় মতো পাঠাতে পারেন?&quot;  ভাবী তাচ্ছিল্যের সহিত বলল, &quot;ভাই সকাল সকাল ঘুম নষ্টের এই স্কুল- মক্তবে আজকের আধুনিক সমাজের কেউ কি বাচ্চা ভর্তি করে? ১০ টায় কিন্ডার গার্টেনের গাড়ি এসে নিয়ে যাবে, ১ টায় বাড়ি পৌঁছে দিবে। এরপর বাচ্চারা খেয়ে ঘুমাবে। আধুনিক সমাজতো এভাবেই চলে । আপনারা পরে আছেন সেই গেঁয়ো যুগে।&quot; আমাদের দুজনের কথোপকথনের মধ্যেই ছেলে নাস্তা নিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে। ভাবী, আমার মতো গেঁয়ো ভূতের সাথে আর বেশি কথা না বলাকে সঙ্গত মনে করে, ছেলেকে ভিতরে ঢুকিয়ে গেইট বন্ধ করে দিলেন। হয়তোবা আমার কারণে সকাল সকাল মুড নষ্ট হওয়ায় বিরক্তিও প্রকাশ করছেন।

আমি মনে মনে ভাবলাম , এ আধুনিকতা কোথায় থেকে এলো। আমিতো অনেক বছর সিঙ্গাপুরে ছিলাম। সে দেশের মানুষ রাত ৮ টায় মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নেয় এবং রাত ১০ টায় মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ে। সকাল ৬টার মধ্যে উঠে মর্নিং ওয়ার্ক শেষে গোসল করে নাস্তা খেয়ে ৮টায় কর্মস্থলে গমন করে। আর যাদের রাতের শিফটে ডিউটি তাদের ব্যাপার ভিন্ন। 

ঐ দেশ অনেক উন্নত ও আধুনিক। অথচ আমাদের অনুন্নত ও দরিদ্র দেশের মানুষ বলছে, রাতে অনেক দেরি করে খাওয়া ও ঘুমানো এবং সকালে দেরি করে ঘুম থেকে উঠা নাকি আধুনিকতা!  এ তথাকথিত  আধুনিকতার কথায় অত্যাশ্চর্য  হয়ে ভাবতে ভাবতে কখন যে বাজারে পৌঁছে গেলাম, টেরই পেলাম না !</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/275073/</link>
				<pubDate>Thu, 17 Sep 2026 06:04:17 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্প: তথাকথিত আধুনিকতা<br />
কবি মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>মধুমাসের এক শনিবার সকাল ৯ টা বাজে ব্যাগ হাতে নিয়ে বাজারে রওনা হয়েছিলাম। পাশের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গেইটে দাঁড়ানো ভাবী (এক প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রী) ডেকে বললেন, &#8220;এত সকাল সকাল কোথায় চললেন?&#8221; আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম! তবে কি সময় ভুল দেখে বের হলাম? অগত্যা মোবাইলে সময়টা আবার দেখ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-275073"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/275073/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">ea7ce4c33f7d42340f16973c9d0a5bb4</guid>
				<title>আমি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ( কবি মিজান পঞ্চায়েত/ কবি মিজান বিএসসি)  আমি সাহিত্য জগতে মূলত Nick name এ পরিচিত। কারণ আমি উভয় Nick name এ বই প্রকাশিত করেছি। আমার লেখা কবিতার বই ১২ টি।এগুলো হলো 
১। সেরা শতক 
২। পুষ্পিত প্রবচন 
৩। সুবচন 
৪। প্রবচন 
৫। গোধূলির সহযাত্রী 
৬। তবু রেখো মনে 
৭। কবিতার সাতকাহন 
৮। কোথাও কেউ নেই 
৯। হৃদয়ে মুহাম্মদ স 
১০। মেঘের আলাপন 
১১। হৃদয়ে শহীদ জিয়া
১২। মুজিব তুমি না হলে 
গল্পের বই ০১ টি।
ইসলামি বই ০২ টি। এগুলো হলো
১। ইসলামে বিজ্ঞান ও নীতি-নৈতিকতা
২। কুরআন ও হাদিসের আলোকে ইসলাম 
আন্তর্জাতিক রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধ ০৪ টি। এগুলো হলো
১। আদম পাহাড়ের পায়ের ছাপ 
২। গৃহিণী পরিবার সমাজ ও দেশের অদৃশ্য চালিকাশক্তি 
৩। বয়োঃসন্ধি কালে নারী দেহের স্তন ও নিতম্বের গঠনগত পরিবর্তন। 
৪। দিন দিন মানুষ কেন হিংস্র হচ্ছে? 
লাগল গীতি নিয়েও আমার গবেষণা আছে।  আমি লালন ফকিরের সর্বাধিক একটি কঠিন গানের সঠিক অর্থ প্রকাশ করেছি। যা আমার  Facebook আই ডি ওয়ালে ভিডিও আকারে প্রকাশিত হয়েছে। যা ইতিমধ্যে অনেক ভিউ হয়েছে। এছাড়াও আমি অনেক বিষয় নিয়ে গবেষণা করে অনেক ভিডিও ও পোস্ট আকারে আমার Facebook ওয়ালে আপলোড করেছি। সবাইকে দেখার ও শোনার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274794/</link>
				<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 14:40:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আমি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ( কবি মিজান পঞ্চায়েত/ কবি মিজান বিএসসি)  আমি সাহিত্য জগতে মূলত Nick name এ পরিচিত। কারণ আমি উভয় Nick name এ বই প্রকাশিত করেছি। আমার লেখা কবিতার বই ১২ টি।এগুলো হলো<br />
১। সেরা শতক<br />
২। পুষ্পিত প্রবচন<br />
৩। সুবচন<br />
৪। প্রবচন<br />
৫। গোধূলির সহযাত্রী<br />
৬। তবু রেখো মনে<br />
৭। কবিতার সাতকাহন<br />
৮। কোথাও কেউ নেই<br />
৯। হৃদয়ে মুহাম্মদ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274794"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274794/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">bda2e980f8bca8631e0290ca31be8b00</guid>
				<title>প্রবন্ধ : 
গৃহিণী পরিবার, সমাজ ও দেশের  অদৃশ্য চালিকাশক্তি

গবেষণায়: মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ( কবি মিজান পঞ্চায়েত/ কবি মিজান বিএসসি) 
বি. এস সি (গণিত) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বি. এড।

সারসংক্ষেপ

গৃহিণী পরিবারের এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, যার শ্রম, দায়িত্ববোধ ও সেবার ওপর একটি পরিবারের সার্বিক স্থিতিশীলতা নির্ভর করে। যদিও গৃহিণীর কাজ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অর্থনৈতিকভাবে মূল্যায়িত হয় না, তবুও পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সুস্থতা, শিক্ষা, নৈতিকতা, নিরাপত্তা ও মানসিক বিকাশে তাঁর অবদান অপরিসীম। এই গবেষণাধর্মী প্রবন্ধে গৃহিণীর দায়িত্ব, সামাজিক গুরুত্ব এবং পরিবার ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

ভূমিকা :

পৃথিবীতে শত শত পেশা আছে। এসব পেশার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পেশা হলো গৃহিণী। এটি একটি সেবামূলক পেশা। পৃথিবীর সকল পেশা জীবীদের কাজ করার জন্য সর্ব প্রথম দরকার শরীর ও মনের সুস্থতা। আর সকল পেশাজীবীদের শরীর ও মন সুস্থ রাখার নেপথ্যে নিরলসভাবে কাজ করেন গৃহিণীরা। তাই বলা যায়, গৃহিণী পেশা হলো বাকী সব পেশার মা।
আবার, যেহেতু গৃহিণীরা পরিবারের সকল সদস্যদের প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের মাধ্যমে শরীর ও মন সুস্থ রেখে তাদেরকে স্ব স্ব পেশাগত কর্ম সম্পাদনের জন্য প্রেরণ করেন সেহেতু গৃহিণী পেশাকে বাকি সব পেশার চালিকা শক্তি ও বলা যায়।

গৃহিণী কে : একটি পরিবারের সকল প্রকার দায়িত্ব ও কর্তব্য সুচারুভাবে পালনকারী ব্যক্তিকে বলা হয় গৃহিণী। গৃহিণী সাধারণত পরিবারের একজন নারী সদস্য হয়ে থাকেন।

গৃহিণীর দায়িত্ব ও কর্তব্য: একজন গৃহিণী প্রতিদিন প্রতিক্ষণে কমপক্ষে দশটি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করেন। নিম্ন এগুলোর এক একটির বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

১)  পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত রাখা: একজন গৃহিণী পরিবারের সকল সদস্যের জামা কাপড়, বিছানা পত্র, ঘরদোর, আঙ্গিনা, রান্না ঘর, ওয়াশ রুম ও পশু পাখির ঘর নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং যথাসম্ভব জীবাণুমুক্ত রাখেন। পরিবারের সকল সদস্যের ব্যক্তিগত পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার প্রতিও বিশেষ খেয়াল রাখেন।

২) খাবার তৈরি ও পরিবেশন: একজন গৃহিণী প্রতিদিন সঠিক সময়ে পরিবারের সবার বয়স উপযোগী করে সুষম পুষ্টিকর খাবার তৈরি করেন এবং সকাল, দুপুর, বিকাল ও রাতে নির্ধারিত সময়ে তা পরিবেশন করেন। কোন খাবার যাতে অপচয় ও নষ্ট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখেন।

৩) পশু পাখি ও বাগান পরিচর্যা: একজন গৃহিণী প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে গৃহপালিত পশু পাখিকে খাবার ও পানি খেতে দেন এবং বাড়ির বাগানের পরিচর্যা করেন।

৪) শিশু,বৃদ্ধ ও অসুস্থদের সেবা: একজন গৃহিণী প্রতিদিন প্রতিক্ষণে পরিবারের অসুস্থ, বৃদ্ধ ও শিশুদের প্রতি বিশেষ নজর রাখেন এবং তাদের সেবা করেন। সঠিক সময়ে তাদের প্রয়োজনীয় খাবার, ঔষধ ও পথ্য খাওয়ান।

৫) পড়ালেখা ও নীতি নৈতিকতা শিক্ষাদান: একজন গৃহিণী পরিবারের শিক্ষার্থীদের সময়মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠান। বাসায় পড়তে বসান এবং পড়ালেখার প্রতি খেয়াল রাখেন। তাছাড়া তাদেরকে আদব কায়দা ও নীতি নৈতিকতা শিক্ষা দেন। পরোপকার ও দানশীল হতেও শিক্ষা প্রদান করেন।

৬) ঘুম ও বিশ্রামের ব্যবস্থা: একজন গৃহিণী প্রতিদিন, পরিবারের সকল সদস্য  সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ঘুম ও বিশ্রাম নিচ্ছে কিনা তা তদারকি করেন।

৭) চিত্ত বিনোদনের ব্যবস্থা: একজন গৃহিণী পরিবারের সদস্যদের বয়স উপযোগী সুস্থ চিত্ত বিনোদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণের ব্যবস্থা করে তাদের চিত্ত বিনোদনে সহযোগিতা করেন। মাঝে মাঝে সবাইকে নিয়ে বেড়াতে বের হন। ফলে সবার মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়।

৮) প্রতিবেশী ও আত্নীয় স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক রাখা: একজন গৃহিণী তার প্রতিবেশী ও আত্নীয় স্বজনের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখেন। তাদের সাথে বিভিন্ন ধরনের উপহার সামগ্রী ও পিঠা পায়েস বিনিময় করেন। তাদেরকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেন, নিজেরাও তাদের বাড়িতে বেড়াতে যান।

৯) সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ: একজন গৃহিণী পরিবারের সকল প্রকার সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ করেন। কোন সম্পদ যাতে নষ্ট বা চুরি না হয় সে লক্ষ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

১০) নিজের প্রতি খেয়াল রাখা: কথায় আছে, যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে। একজন গৃহিণী পরিবারের সকল দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের পাশাপাশি নিজের স্বাস্থ্য, খাওয়া, ঘুম, বিশ্রাম ও চিত্ত বিনোদনের প্রতি বিশেষভাবে নজর রাখেন। কারণ তিনি জানেন, তিনি হলেন পারিবারিক পরিবহনের ড্রাইভার। তিনি অসুস্থ হলে, সমগ্র পরিবার অচল হয়ে যাবে।

উপসংহার: উপরোক্ত আলোচনা থেকে নিঃসন্দেহে বলা যায়, গৃহিণীই হলো পরিবার তথা সমাজ ও বিশ্বের পরোক্ষ চালিকাশক্তি। বিশ্বের শান্তি ও সমৃদ্ধির স্বার্থেই শ্রেষ্ঠ পেশাজীবী হিসেবে গৃহিণীদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে তাদের পেশাগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলে, প্রতিটি পরিবার হয়ে উঠবে এক একটি শান্তি সুখের নীড়। গৃহিণীদের কাজের পরিধি অনেক বেশি। তাই পরিবারের সকল সদস্যকে অবশ্যই গৃহিণীদের কাজে সহযোগিতা করতে হবে এবং তাদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274605/</link>
				<pubDate>Wed, 16 Sep 2026 01:18:54 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>প্রবন্ধ :<br />
গৃহিণী পরিবার, সমাজ ও দেশের  অদৃশ্য চালিকাশক্তি</p>
<p>গবেষণায়: মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ( কবি মিজান পঞ্চায়েত/ কবি মিজান বিএসসি)<br />
বি. এস সি (গণিত) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বি. এড।</p>
<p>সারসংক্ষেপ</p>
<p>গৃহিণী পরিবারের এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, যার শ্রম, দায়িত্ববোধ ও সেবার ওপর একটি পরিবারের সার্বিক স্থিতিশীলতা নির্ভর করে। যদিও গৃহিণীর কা&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274605"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274605/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">65976970d42fd630ea8a73617c314255</guid>
				<title>পরম স্রষ্টা 
মিজান পঞ্চায়েত 

পরম স্রষ্টা মহান আল্লাহ
অন্তরেতে  রাখো,
নানান ধর্মে  নানান নাম
যে নামেই ডাকো ।

আসমান জমিন সর্ব কিছু 
ফয়দা  ইচ্ছা  বলে,
মহাবিশ্বের  সকল  কিছু 
তার আদেশে চলে।

তিনি আদি  তিনিই  অন্ত
আর কেউতো নাই,
বেঁচে থাকার সকল রসদ 
তার দয়াতেই পাই।

ইহকাল ও পরকালের 
একক  অধিপতি,
যার প্রতি করেন  দয়া 
ভাগ্যবান সে অতি।

তিনি  অসীম  ক্ষমতাবান 
অতুল তার সম্মান,
পাপীর তরে কঠোর হলেও 
অতিশয় দয়াবান।

সৃষ্টিকর্তার নির্দেশ মেনে 
চলবে যে ভবে,
ইহলোক ও পরলোকে
সফলতা পাবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274426/</link>
				<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 15:24:11 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পরম স্রষ্টা<br />
মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>পরম স্রষ্টা মহান আল্লাহ<br />
অন্তরেতে  রাখো,<br />
নানান ধর্মে  নানান নাম<br />
যে নামেই ডাকো ।</p>
<p>আসমান জমিন সর্ব কিছু<br />
ফয়দা  ইচ্ছা  বলে,<br />
মহাবিশ্বের  সকল  কিছু<br />
তার আদেশে চলে।</p>
<p>তিনি আদি  তিনিই  অন্ত<br />
আর কেউতো নাই,<br />
বেঁচে থাকার সকল রসদ<br />
তার দয়াতেই পাই।</p>
<p>ইহকাল ও পরকালের<br />
একক  অধিপতি,<br />
যার প্রতি করেন  দয়া<br />
ভাগ্যবান&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274426"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274426/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">9064e8ae1fbc63dc076d670815fcedaf</guid>
				<title>আদম পাহাড়ের পায়ের ছাপ 

শ্রীলঙ্কার শ্রীপাড়া প্রদেশে ৭৩৫৯ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট একটি পাহাড় অবস্থিত। এই পাহাড়টি আদম চূড়া নামে পরিচিত। ঐ পাহাড়ের চূড়ায় একটি বিশাল পাথর খন্ডের উপর ৬৭ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য এবং ৩০ ইঞ্চি প্রস্থ বিশিষ্ট একটি পায়ের ছাপ রয়েছে। বৌদ্ধ মতে, খ্রীস্টপূর্ব ৩০০ অব্দে সর্বপ্রথম এটি আবিষ্কার হয়। আবিষ্কারের পর বৌদ্ধ ধর্মের লোকজন দাবি করেন এটি গৌতম বুদ্ধের পায়ের ছাপ। আবার মুসলিম ও খ্রিস্টান ধর্মের লোকজন এটিকে হযরত আদম আ. এর পায়ের ছাপ দাবি করেন। তাদের মতে, আল্লাহ আদম আ. ও হাওয়া আ. কে বেহেশতে একটি নির্দিষ্ট গাছ থেকে দূরে থাকতে ও এর ফল খেতে নিষেধ করেছিলেন।তারা শয়তানের ধোঁকায় পরে ঐ নিষিদ্ধ গাছের ফল খেয়ে আল্লাহর অবাধ্য হন। অবাধ্য হওয়ার  শাস্তি  হিসেবে তাদেরকে পৃথিবীতে নামিয়ে দেন। আদম আ.এর অবতরনের স্থানটি ছিল শ্রীলঙ্কার এই আদম পাহাড়ের চূড়া এবং অবতরণের স্মৃতি স্বরূপ আল্লাহ কুদরতি ভাবে উনার একটি পায়ের ছাপ ঐ পাহাড়ের চূঁড়ায় বসিয়ে দেন। যুক্তিসংগত বৈজ্ঞানিক প্রমানের অভাবে সেই পায়ের ছাপটি যে কার,তা অমীমাংসিত থেকে যায়। এ অমীমাংসিত বিষয়টি বৈজ্ঞানিকভাবে মীমাংসা প্রয়োজন। সে লক্ষেই আমার এ প্রচেষ্টা। 

অনেক গবেষণার পর আমি মানুষের পায়ের ছাপের দৈর্ঘ্যের ও দৈহিক উচ্চতার একটি আনুপাতিক সূত্র আবিষ্কার করি। আর সেটি হচ্ছে ১ : ৬.৭৮৯ । এ সূত্রের সাহায্যে আমি ৬৭ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের পায়ের ছাপের মানুষটির দৈহিক উচ্চতা বের করি। আর তা হচ্ছে ৩৮ ফুট। বিভিন্ন ঐতিহাসিক বর্ণনায় পাওয়া যায় গৌতম বুদ্ধের দৈহিক উচ্চতা ছিল ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি। সে হিসেবে ঐ পায়ের ছাপটি অবশ্যই গৌতম বুদ্ধের নয়।
অপরপক্ষে, হাদিসে উল্লেখ আছে বেহেশতে হযরত আদম আ. কে ৯০ ফুট উচ্চতা দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছিল এবং কেয়ামতের পর পৃথিবীর মানুষকে ৯০ ফুট উচ্চতা দিয়ে বেহেশতে প্রবেশ করাবেন। এর কারণ জানতে আমি মহাবিশ্বের বিভিন্ন গ্রহ উপগ্রহের গ্রেভেটি বা মধ্যাকর্ষন শক্তি নিয়ে অধ্যয়ন শুরু করি। অনেক পড়াশোনা শেষে বুঝতে পারি, যে কোন গ্রহেের গ্রেভেটি অনুযায়ী সে গ্রহের জীবের উচ্চতা নির্ধারিত হয়। বেহেশত পৃথিবী অপেক্ষা অনেক বড় বিধায় সেটির গ্রেভেটি অনেক বেশি। আবার পৃথিবী বেহেশতের তুলনায় ছোট, তাই পৃথিবীর গ্রেভেটি অনেক কম। ৯০ ফুট উচ্চতার মানুষ কম গ্রেভেটির পৃথিবীতে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারবে না,বার বার পরে যাবে। সে কারনে আল্লাহ কুদরতি ভাবে আদম আ. এর দৈহিক উচ্চতা কমিয়ে পৃথিবী গ্রহের সর্বোচ্চ উপযোগী করে প্রেরন করেন। যা ছিল ৩৮ ফুট। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৩৮ ফুট বা তার কম উচ্চতা সম্পন্ন মানুষ পৃথিবীতে ভারসাম্য রক্ষা করে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারবে। প্রথম মানবের সম্মানার্থে আল্লাহ উনাকে পৃথিবী গ্রহের সর্বোচ্চ উচ্চতা দান করেছিলেন। আমার গবেষণা মতে নি:সন্দেহে বলতে পারি, আদম আ. এর পৃথিবী জীবনের দৈহিক উচ্চতা ছিল  ৩৮ ফুট এবং পায়ের পাতার দৈর্ঘ্য ছিল ৬৭ ইঞ্চি। শ্রীলঙ্কার আদম চূড়ার পায়ের ছাপটি হযরত আদম আ.  এর নিজের। 

অনেকের মতে, আদম আ. এর আগমনের পূর্বেও পৃথিবীতে মানুষ ছিল। তাদের এধারণা সম্পূর্ণ ভুল। আসলে আদম আ. এর আগমনের পূর্বে পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী ছিল। সেগুলোর মধ্যে প্রায় মানব আকৃতির অনেক প্রজাতির প্রাণী ছিল। কিন্তু সেগুলো আমাদের প্রজাতির মানুষ ছিল না। এখনও যেমন প্রায় মানব আকৃতির বনমানুষ,বানর,হনুমান ইত্যাদি রয়েছে। এদের শরীরের বিভিন্ন হাড়,মাথার খুলি এবং মানুষের বিভিন্ন হাড় ও মাথার খুলির সাথে সাদৃশ্য রয়েছে। 

এ বিষয়ে গবেষণা করেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী অধ্যাপক ইয়োহানেস হাইলি সেলিইসি । তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওর ক্লিভল্যান্ড মিউজিয়াম অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি এর সাথে যুক্ত ছিলেন।  ১৯৭৪ সালে ইথিওপিয়ায় প্রাপ্ত মানব আকৃতির একটি মাথার খুলি পরীক্ষা করে  তিনি বলেন, এটি ছিল অস্টালো পিথিসিন অনোমেনসেস প্রজাতির এপের মাথার খুলি। কার্ব&#039;ন ডেটিং পরীক্ষায় তিনি জানতে পারেন, এ কঙ্কালটির বয়স ছিল ৩৮ লক্ষ বছর। পরবর্তীতে, ১৯৭৪ সালে প্রাপ্ত আরেকটি মাথার খুলি পরীক্ষা করে জানা যায়, এটি অস্টালো পিথেকাস আফারনসিস প্রজাতির আরেকটি এপের মাথার খুলি। যার বয়স ছিল ৩২ লক্ষ বছর। 
এ দুটি প্রাচীন কঙ্কাল নিয়ে গবেষণা শেষে অধ্যাপক হাইলি ০২/০৯/২০১৯ সালে বি বি সি ন্যাচার জার্নালে প্রকাশ করেন যে, এতদিন ধারণা করা হতো এগুলো মানুষের পূর্ব পূরুষের কঙ্কাল। যা ছিল সম্পূর্ণ ভুল । লক্ষ লক্ষ বছরেও এ দুটি প্রজাতি সম্পূর্ণ আলাদাই ছিল। বিবর্তিত হয়ে এক হয়ে যায়নি। অর্থাৎ দেখতে প্রায় একই রকম হলেও পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রত্যেক প্রজাতি আলাদা বৈশিষ্ট্য নিয়েই বেঁচে থাকে।
 যেমন আমরা বলতে পারি - টাকি মাছ,শোল মাছ ও গজার মাছ দেখতে প্রায় একই রকম। কিন্তু হাজার হাজার বছরেও তিনটি আলাদা প্রজাতির মাছ বিবর্তিত হয়ে  এক হয়ে যায়নি। তারা আলাদা বৈশিষ্ট্য নিয়েই বেঁচে আছে। 
সুতরাং বলা যায়, মানুষ সম্পূর্ণ আলাদা একটি প্রজাতি, যা আদম আ. ও হাওয়া আ. এর মাধ্যমেই বিস্তার লাভ করেছে। বিবর্তনের মিথ্যা দাবি অনুযায়ী বানর থেকে নয়। কারণ বানর সম্পূর্ণ আলাদা প্রজাতি। তারা তাদের বৈশিষ্ট্য নিয়েই বেঁচে আছে। 
পরিশেষে আমরা যুক্তিসংঘত ভাবে বলতে পারি,  
(১) শ্রীলঙ্কার আদম পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত পায়ের ছাপটি হযরত আদম আ. এর পায়ের ছাপ হওয়া যুক্তিযুক্ত।
(২) সূত্র ১ : ৬.৭৮৯( এক অনুপাত ছয় দশমিক সাত আট নয়)
এই সূত্র ব্যবহার করে, যে কোন মানুষের পায়ের ছাপের দৈর্ঘ্যকে ৬.৭৮৯ দ্বারা গুণ করলে ঐ মানুষটির সর্বোচ্চ দৈহিক উচ্চতা পাওয়া যাবে।

গবেষণায়-মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (কবি মিজান পঞ্চায়েত)
B.Sc(Math.) Chittagong University,  B.Ed, C.in-Ed 
শিক্ষক, কবি ও গবেষক।
প্রধান শিক্ষক,
করপাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ।
উপজেলা চৌদ্দগ্রাম, জেলা কুমিল্লা 
মোবাইল ০১৮৫৯০৩৯০৩৫</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/274424/</link>
				<pubDate>Tue, 15 Sep 2026 15:23:19 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>আদম পাহাড়ের পায়ের ছাপ </p>
<p>শ্রীলঙ্কার শ্রীপাড়া প্রদেশে ৭৩৫৯ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট একটি পাহাড় অবস্থিত। এই পাহাড়টি আদম চূড়া নামে পরিচিত। ঐ পাহাড়ের চূড়ায় একটি বিশাল পাথর খন্ডের উপর ৬৭ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য এবং ৩০ ইঞ্চি প্রস্থ বিশিষ্ট একটি পায়ের ছাপ রয়েছে। বৌদ্ধ মতে, খ্রীস্টপূর্ব ৩০০ অব্দে সর্বপ্রথম এটি আবিষ্কার হয়। আবিষ্কারের পর বৌদ্ধ ধর্ম&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-274424"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/274424/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fd36585c7ba1d98faf5f44075f48c24f</guid>
				<title>পরিচিতিঃ কবি  মিজান পঞ্চায়েত কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন চান্দিশ করা গ্রামে ১৫ মার্চ ১৯৭৩ খ্রি. জন্ম গ্রহণ করেন। পিতার নাম মোহাম্মদ আবদুল হক   এবং মাতার নাম ফাতেমা বেগম। নয় ভাইবোনের মধ্যে তিনিই বড়। 

কবি চৌদ্দগ্রাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস. এস. সি, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে থেকে এইচ.এস. সি এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান ও গণিত নিয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
 এছাড়াও B.Ed,  C.in.Ed এবং B.R.M.P নামক তিনটি ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেন। 

ছাত্রজীবনে তিনি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সহিত জড়িত ছিলেন।  সে সময় তিনি কুমিল্লার বিভিন্ন নাট্য শালায় অনেকগুলো নাটকে অভিনয় করেন। কবির অভিনীত নাটকের মধ্যে -কাল পূরুষ, সুবচন নির্বাসনে,  পদ্মাবতী উল্লেখযোগ্য।

কর্মজীবনে তিনি, নালঘর উচ্চ বিদ্যালয়, ফেলনা উচ্চ বিদ্যালয়, বিজয়করা মাদ্রাসা ও চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। এরপর সিঙ্গাপুর গমন করেন। কয়েক বছর পর প্রবাস থেকে এসে  শিক্ষকতার পেশায় পুনরায় নিয়োগ প্রাপ্ত হন। বর্তমানে তিনি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন। 

পেশার পাশাপাশি লেখা লেখির নেশাতেও তিনি নিমগ্ন। তিনি প্রায় ২০০০ টি ছড়া, কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন। এখন পর্যন্ত কবির , পুষ্পিত প্রবচন, সুবচন, কবিতার সাতকাহন, প্রবচন, আজও তোমার অপেক্ষায়, গোধূলির সহযাত্রী, মুজিব তুমি না হলে, একুশে, তবু রেখো মনে,   হৃদয়ে মুহাম্মদ , নবীন গল্প, হৃদয়ে শহীদ জিয়া ও সেরা শতক নামক একক ও যৌথ মিলিয়ে তেরোটি গল্প ও কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। 

তাছাড়া  তিনি ইসলাম ও বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করেন। গবেষণা ধর্মী দুটি বই, &quot;ইসলামে বিজ্ঞান ও নীতি নৈতিকতা&quot; এবং  &#039;&#039;কোরআন ও হাদিসের আলোকে ইসলাম&#039;&#039; প্রকাশিত হয়েছে।

কবি, বেশ কিছু গবেষণা প্রবন্ধ লিখেছেন । প্রবন্ধ গুলোর মধ্যে &quot;আদম পাহাড়ের পায়ের ছাপ ও মানুষের দৈহিক উচ্চতা নির্ণয়&quot;  নামক গবেষণা প্রবন্ধটি আন্তর্জাতিক রিচার্চ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

কবি ,বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠন থেকে এখন পর্যন্ত তিনি ৩০ টির অধিক সংবোর্ধনা পেয়েছেন। তাছাড়াও তিনি প্রায় দুই সহস্রাধিক কাব্য সনদ অর্জন করেছেন। এখনো নিরলসভাবে লিখে চলেছেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273634/</link>
				<pubDate>Sun, 13 Sep 2026 11:07:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পরিচিতিঃ কবি  মিজান পঞ্চায়েত কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন চান্দিশ করা গ্রামে ১৫ মার্চ ১৯৭৩ খ্রি. জন্ম গ্রহণ করেন। পিতার নাম মোহাম্মদ আবদুল হক   এবং মাতার নাম ফাতেমা বেগম। নয় ভাইবোনের মধ্যে তিনিই বড়। </p>
<p>কবি চৌদ্দগ্রাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস. এস. সি, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে থেকে এইচ.এস. সি এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273634"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273634/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6d399c5404a34179a8578c5b4ac6fa09</guid>
				<title>।। গোরবাসীর মিনতি।।
 কবি মিজান পঞ্চায়েত

হে পথিক একটু দাঁড়াও
      মিনতি জানাই, 
 কবরের জীবনে ভীষণ 
    কষ্টে আছি ভাই! 

বদ কাজে কাটিয়েছি
    দুনিয়ার জীবন,
নেক শূন্য খালি হাতে
     হয়েছে  মরণ!

 কর্মের ফলে ভোগিতেছি 
      কঠিন  আজাব, 
আল্লাহর নিকট দোয়া কর
   মোদের করতে মাফ।

 সৎ পথে চলিও ভাই 
    দুই দিনের ভবে,
 সবাইকে এই কবরে
    আসতেই হবে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273283/</link>
				<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 15:53:04 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>।। গোরবাসীর মিনতি।।<br />
 কবি মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>হে পথিক একটু দাঁড়াও<br />
      মিনতি জানাই,<br />
 কবরের জীবনে ভীষণ<br />
    কষ্টে আছি ভাই! </p>
<p>বদ কাজে কাটিয়েছি<br />
    দুনিয়ার জীবন,<br />
নেক শূন্য খালি হাতে<br />
     হয়েছে  মরণ!</p>
<p> কর্মের ফলে ভোগিতেছি<br />
      কঠিন  আজাব,<br />
আল্লাহর নিকট দোয়া কর<br />
   মোদের করতে মাফ।</p>
<p> সৎ পথে চলিও ভাই<br />
    দুই দিনের ভবে,<br />
 সবাইকে এই ক&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-273283"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/273283/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">b9f1768302afeb81807663d99a9a2fd7</guid>
				<title>।। মানবতার দেওয়াল ।।
  কবি মিজান পঞ্চায়েত

বাড়তি থাকলে দিয়ে যান
   প্রয়োজনে নিয়ে যান,
সবাই মিলে গাহি আমরা
    মানবতার জয়গান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/273281/</link>
				<pubDate>Sat, 12 Sep 2026 15:51:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>।। মানবতার দেওয়াল ।।<br />
  কবি মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>বাড়তি থাকলে দিয়ে যান<br />
   প্রয়োজনে নিয়ে যান,<br />
সবাই মিলে গাহি আমরা<br />
    মানবতার জয়গান।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">0f2fa5f85035f044e3233621f2f7df83</guid>
				<title>যৌতুক 
মিজান পঞ্চায়েত 

ছেলের বাবা:
হ্যালো হ্যালো ঘটক মশাই 
কোথায় আছেন ভাই ?
ছোট ছেলের বিয়ে দিবো
একটা পাত্রী চাই। 
ঘটক:
কেমন পাত্রী চাই আপনার 
ছেলের দাম কত?
দরাদরি করবেন না তো
বড় ছেলের বিয়ের মত ?
ছেলের বাবা:
ছোট ছেলের কদর একটু
জামাই পাড়ায় বেশি,
সে সুবাধে লাখ তিনেকে 
হতে পারে খেশি।
ঘটক:
দামটা চাইলেন বড্ড বেশি 
দেশি ষাঁড়ের মতো,
আশা করি পেয়ে যাবো
অচল পাত্রী যতো।
ছেলের বাবা:
কিসব পাত্রীর কথা আপনি 
বলেন ঘটক ভাই, 
এ আমার  আদরের ছেলে
সু-পাত্রী চাই । 
ঘটক:
তা  হবে না  -  তা  হবে না 
ওহে লোভী ভাই, 
টাকায় বেঁচা ছেলের জন্য 
বাছ-বিচার নাই।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272481/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 14:31:36 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>যৌতুক<br />
মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>ছেলের বাবা:<br />
হ্যালো হ্যালো ঘটক মশাই<br />
কোথায় আছেন ভাই ?<br />
ছোট ছেলের বিয়ে দিবো<br />
একটা পাত্রী চাই।<br />
ঘটক:<br />
কেমন পাত্রী চাই আপনার<br />
ছেলের দাম কত?<br />
দরাদরি করবেন না তো<br />
বড় ছেলের বিয়ের মত ?<br />
ছেলের বাবা:<br />
ছোট ছেলের কদর একটু<br />
জামাই পাড়ায় বেশি,<br />
সে সুবাধে লাখ তিনেকে<br />
হতে পারে খেশি।<br />
ঘটক:<br />
দামটা চাইলেন বড্ড ব&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272481"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272481/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">cb502f707ef0d6470a1c4d0f8047868e</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272480/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 14:27:22 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">5538ede5d1b066431507964bdb79a0c8</guid>
				<title>বৃদ্ধাশ্রম 
মিজান পঞ্চায়েত 

সন্তান পেতে সব মানুষের 
অশেষ কামনা,
স্রষ্টা কাকে সন্তান দিবে
কেউ তা জানে না।

ছেলে নাকি মেয়ে দিবে 
ফর্সা নাকি কালো,
যে সন্তানই পায় বাপ মা 
ঘরে ফুটে আলো।

অনেক বাবার অবৈধ আয়
নিজ সন্তানের তরে,
ঘুষ জুলুম শোষণ করে 
জমায় নিজের ঘরে।

শোষিতের সন্তানগণ
থাকে অনাহারে,
অপুষ্টি ও রোগ ব্যাধিতে
ধুঁকে ধুঁকে মরে।

হতভাগা সেই শিশুরা 
দিচ্ছে অভিশাপ,
অভিশপ্ত  ঐ বাবারা
পাবে না কভু মাফ।

দেশের দশের ধন লুটেছে
যে সন্তানের তরে,
সেই সন্তান নেয় না খবর
বোঝা মনে করে।

পরের মুখের গ্রাস কেড়ে 
খাইয়েছে যাদের,
সম্পদের পাহাড় দিয়েও
পর হয়েছে তাদের।

অবহেলা আর অযতন 
সইতে না পেরে,
কর্ম দোষে  দুষ্ট  হয়ে 
নিজের বাড়ি ছাড়ে।

পাপের ফলে বৃদ্ধ কালে
থাকে বৃদ্ধাশ্রম,
তখন বুঝে সারা জনম 
করেছে পণ্ডশ্রম।

দুনিয়াতেই পাপের ফসল 
পাওয়া শুরু হয়,
আরও আছে পরকালে
জাহান্নামের ভয়।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272473/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 14:21:41 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বৃদ্ধাশ্রম<br />
মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>সন্তান পেতে সব মানুষের<br />
অশেষ কামনা,<br />
স্রষ্টা কাকে সন্তান দিবে<br />
কেউ তা জানে না।</p>
<p>ছেলে নাকি মেয়ে দিবে<br />
ফর্সা নাকি কালো,<br />
যে সন্তানই পায় বাপ মা<br />
ঘরে ফুটে আলো।</p>
<p>অনেক বাবার অবৈধ আয়<br />
নিজ সন্তানের তরে,<br />
ঘুষ জুলুম শোষণ করে<br />
জমায় নিজের ঘরে।</p>
<p>শোষিতের সন্তানগণ<br />
থাকে অনাহারে,<br />
অপুষ্টি ও রোগ ব্যাধিতে<br />
ধুঁ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272473"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272473/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">1db844a5ba8a03b7119de82f9221fc44</guid>
				<title>গল্প: তথাকথিত আধুনিকতা 
কবি মিজান পঞ্চায়েত 

মধুমাসের এক শনিবার সকাল ৯ টা বাজে ব্যাগ হাতে নিয়ে বাজারে রওনা হয়েছিলাম। পাশের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গেইটে দাঁড়ানো ভাবী (এক প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রী) ডেকে বললেন, &quot;এত সকাল সকাল কোথায় চললেন?&quot; আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম! তবে কি সময় ভুল দেখে বের হলাম? অগত্যা মোবাইলে সময়টা আবার দেখে নিলাম, ৯ টা ১৫ মিনিট, না ঠিকই তো আছে। এবার হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করলাম, &quot;ভাবী গেইটে দাঁড়িয়ে আছেন কেন ?&quot; ভাবী বলল, &quot;ছেলেকে ঐ দোকানে পাঠিয়েছি নাস্তা আনতে, পথে কুকুরে তাড়া করে কি-না তাই দাঁড়িয়েছি।&quot;  বললাম, &quot;এত বেলায় নাস্তা আনছেন, বাচ্চারা ক্ষুধায় কষ্ট পাচ্ছে না?&quot;   ভ্রু কুঁচকে ভাবী বললেন, &quot;কি যে বলেন ভাই, এত তাড়াতাড়ি ক্ষুধা লাগবে কেন? সবেমাত্র ঘুম থেকে উঠলাম।&quot;  জিজ্ঞেস করলাম, &quot;গতরাতে কি বাসায় কোন সমস্যা হয়েছিল?&quot;  ভাবী আশ্চর্য হয়ে বলল, &quot; এ কথা কেন বলছেন ?&quot;  আমতা আমতা করে উত্তর দিলাম, &quot;না মানে, এত বেলায় ঘুম ভেঙ্গেছে কিনা, তাই বলছিলাম।&quot;  ভাবী অহংকার ছলে বললেন, &quot;গেঁয়ো ভূতের মত কি যে বলেন ভাই! আমারাতো রাত ১২টার আগে খাইই না, আর ঘুমাতে যেতে যেতে রাত ২টা বেজে যায়।&quot;  এবার একটু লাজুক হয়ে বললাম, &quot;বলছিলাম কি, ছেলে মেয়েকে স্কুল মক্তবে পাঠাতে দেরী হয়ে যায় না?&quot;  অহংকারী ছলে ভাবীর উত্তর, &quot;ভাই যে কি বলেন, বিকেল ৫ টায় হুজুর বাসায় এসে পড়িয়ে যায়।&quot;  আবার বিনয়ের সহিত বললাম, &quot;প্রাইমারি স্কুলতো ৯ টা থেকে। ওদেরকে কি সময় মতো পাঠাতে পারেন?&quot;  ভাবী তাচ্ছিল্যের সহিত বলল, &quot;ভাই সকাল সকাল ঘুম নষ্টের এই স্কুল- মক্তবে আজকের আধুনিক সমাজের কেউ কি বাচ্চা ভর্তি করে? ১০ টায় কিন্ডার গার্টেনের গাড়ি এসে নিয়ে যাবে, ১ টায় বাড়ি পৌঁছে দিবে। এরপর বাচ্চারা খেয়ে ঘুমাবে। আধুনিক সমাজতো এভাবেই চলে । আপনারা পরে আছেন সেই গেঁয়ো যুগে।&quot; আমাদের দুজনের কথোপকথনের মধ্যেই ছেলে নাস্তা নিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে। ভাবী, আমার মতো গেঁয়ো ভূতের সাথে আর বেশি কথা না বলাকে সঙ্গত মনে করে, ছেলেকে ভিতরে ঢুকিয়ে গেইট বন্ধ করে দিলেন। হয়তোবা আমার কারণে সকাল সকাল মুড নষ্ট হওয়ায় বিরক্তিও প্রকাশ করছেন।

আমি মনে মনে ভাবলাম , এ আধুনিকতা কোথায় থেকে এলো। আমিতো অনেক বছর সিঙ্গাপুরে ছিলাম। সে দেশের মানুষ রাত ৮ টায় মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নেয় এবং রাত ১০ টায় মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ে। সকাল ৬টার মধ্যে উঠে মর্নিং ওয়ার্ক শেষে গোসল করে নাস্তা খেয়ে ৮টায় কর্মস্থলে গমন করে। আর যাদের রাতের শিফটে ডিউটি তাদের ব্যাপার ভিন্ন। 

ঐ দেশ অনেক উন্নত ও আধুনিক। অথচ আমাদের অনুন্নত ও দরিদ্র দেশের মানুষ বলছে, রাতে অনেক দেরি করে খাওয়া ও ঘুমানো এবং সকালে দেরি করে ঘুম থেকে উঠা নাকি আধুনিকতা!  এ তথাকথিত  আধুনিকতার কথায় অত্যাশ্চর্য  হয়ে ভাবতে ভাবতে কখন যে বাজারে পৌঁছে গেলাম, টেরই পেলাম না !</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/272472/</link>
				<pubDate>Thu, 10 Sep 2026 14:21:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্প: তথাকথিত আধুনিকতা<br />
কবি মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>মধুমাসের এক শনিবার সকাল ৯ টা বাজে ব্যাগ হাতে নিয়ে বাজারে রওনা হয়েছিলাম। পাশের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় গেইটে দাঁড়ানো ভাবী (এক প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রী) ডেকে বললেন, &#8220;এত সকাল সকাল কোথায় চললেন?&#8221; আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম! তবে কি সময় ভুল দেখে বের হলাম? অগত্যা মোবাইলে সময়টা আবার দেখ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-272472"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/272472/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6593a25bca74309bc4029c1b5ed6c577</guid>
				<title>বাঞ্ছা জাগে 
মিজান পঞ্চায়েত

সলিল হলো মীনের সদন
নীরদালয় যেমনি পবন,
সৃজিয়েছেন যে মহাজন 
শূন্যে সে বসত করে, 
বাঞ্ছা জাগে হেরি তারে।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271975/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 08:02:58 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>বাঞ্ছা জাগে<br />
মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>সলিল হলো মীনের সদন<br />
নীরদালয় যেমনি পবন,<br />
সৃজিয়েছেন যে মহাজন<br />
শূন্যে সে বসত করে,<br />
বাঞ্ছা জাগে হেরি তারে।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>3</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">f66a792fea86e5594b94ef82d82c6cd3</guid>
				<title></title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271972/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 08:02:08 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>1</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">42f010e2abb85e69e626eb116821cf05</guid>
				<title>মানবতার দেওয়াল
  মিজান পঞ্চায়েত

বেশি থাকলে দিয়ে যান
প্রয়োজনে নিয়ে যান,
সবাই মিলে গাহি মোরা
মানবতার জয়োগান।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271968/</link>
				<pubDate>Wed, 09 Sep 2026 08:01:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>মানবতার দেওয়াল<br />
  মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>বেশি থাকলে দিয়ে যান<br />
প্রয়োজনে নিয়ে যান,<br />
সবাই মিলে গাহি মোরা<br />
মানবতার জয়োগান।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">fb2fed0bddeeaccf55d13e250ee59695</guid>
				<title>গল্পের নাম: সীমানার বড়াই
কবি মিজান পঞ্চায়েত 

একদা নিশ্চিন্ত পুর নামে এক রাজ্য ছিল। সে রাজ্যের রাজার নাম ছিল অচিন্ত সেন গুপ্ত। রাজার সেনাপতির নাম ছিল নির্ভীক পঞ্চায়েত। রাজার রাজবাড়ির নাম ছিল চান্দিশ করা সেনরাজ বাড়ি। আজও সে রাজ বাড়ি জীর্ণ শীর্ণ হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কালের স্বাক্ষী হয়ে। রাজবাড়ির অনতিদূরেই ছিল সেনাপতির বাড়ি। সেনাপতি ছিল পঞ্চায়েত বংশের লোক।
সেনাপতির শখ ছিল কুকুর পোষা। তার পালিত কুকুরের নাম ছিল রাজবাবু। যেমন সেনাপতি তেমনই তার কুকুর। অত্র অঞ্চলে রাজবাবুর জুড়ি নেই। খুব শক্তিশালী ও শিকারী এ কুকুরের সুনাম রাজার নিকট ও অজানা ছিল না। তাই রাজা শিকারে যাওয়ার সময় সেনাপতিকে কুকুরটিকে সাথে নিতে বলতেন।  শিকার তাড়িয়ে আনতে কুকুরটি সহযোগিতা করত। 
একদিন শিকার থেকে ফেরার পথে এক গ্রামের উপর দিয়ে যাচ্ছিলেন । এমন সময় পাশের বাড়ি থেকে একটি কুকুর বের হয়ে ঘেউ ঘেউ করে রাজবাবুকে ধমক দিতে লাগলো। ধমক খেয়ে রাজবাবু লেজ গুটিয়ে সেনাপতির গা ঘেঁষে চলতে লাগলো। সে কুকুরটি ছিল রাজবাবুর তুলনায় নিতান্তই দূর্বল।  এ দৃশ্য দেখে রাজাতো হতবাক! রাজা সেনাপতিকে ডেকে বলল, &quot;সেনাপতি তোমার রাজবাবুর কি হল যে একটা সাধারণ কুকুরের ভয়ে ভীত হয়ে গেল।&quot;  জবাবে সেনাপতি বলল, &quot;রাজা মশাই, আমার রাজবাবু ভয়ে ভীত হয়নি। ঐ কুকুরটি তার নিজ বাড়ির সীমানায় থেকেই ঘেউ ঘেউ করছে। সেটি কিন্ত নিজের শক্তির ভরসায় সাহস দেখায় নি, বিপদে পড়লে মনিব এসে তাকে সাহায্য করবে  এ ভরসায় সীমানায় থেকে সাহস দেখিয়েছে। কুকুর হলেও আমার রাজবাবু ব্যাপারটি বুঝে। তাই সে ঐ কুকুরটিকে আক্রমন করে নি। দূর্বলেরা শুধুমাত্র আপনজনের ভরসায় নিজ সীমানার মধ্যে থেকেই শক্তি দেখায়। মহারাজ একেই বলে সীমানার বড়াই।&quot; ব্যাপারটি বুঝতে পেরে রাজা খুব খুশি হলেন এবং সেনাপতিকে একশ মোহর পুরস্কার দিলেন।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271626/</link>
				<pubDate>Tue, 08 Sep 2026 11:34:55 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>গল্পের নাম: সীমানার বড়াই<br />
কবি মিজান পঞ্চায়েত </p>
<p>একদা নিশ্চিন্ত পুর নামে এক রাজ্য ছিল। সে রাজ্যের রাজার নাম ছিল অচিন্ত সেন গুপ্ত। রাজার সেনাপতির নাম ছিল নির্ভীক পঞ্চায়েত। রাজার রাজবাড়ির নাম ছিল চান্দিশ করা সেনরাজ বাড়ি। আজও সে রাজ বাড়ি জীর্ণ শীর্ণ হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কালের স্বাক্ষী হয়ে। রাজবাড়ির অনতিদূরেই ছিল সেনাপতির&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-271626"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/271626/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>4</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">6ac67023734f857e9ee270d3c5d0f0c0</guid>
				<title>ঝরা পাতা 
মিজান পঞ্চায়েত

তোমাকে ধন্যবাদ না জানিয়ে 
অকৃতজ্ঞ হব না আমি,
ছলনার পাশা খেলায় 
তুমিই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন!
তিন চালেই আমার রাজা মাত 
সত্যি তুমি তুলনা হীন।

এক সময় আমি ছিলাম 
তোমার স্বপ্ন চারিনী,
তোমার কবিতায় আমি ছিলাম 
শত ছন্দের ছন্দ মালা ।
তোমার দৃষ্টিতে আমি ছিলাম 
মিস্ ওয়াল্ড!

কীভাবে তোমাকে অবিশ্বাস করবো,
তাইতো তোমার কোন চাওয়াই অপূর্ণ রাখিনি।

আজ আমি তোমার বলেই বোল্ড!
প্রলয়ংকারী বলের ঝড়ে 
দলিত মথিত মোর কচি শাখা।
জীর্ণ শীর্ণ হয়ে উড়ছি আমি 
শুকনো এক ঝরা পাতা ।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271625/</link>
				<pubDate>Tue, 08 Sep 2026 11:34:37 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ঝরা পাতা<br />
মিজান পঞ্চায়েত</p>
<p>তোমাকে ধন্যবাদ না জানিয়ে<br />
অকৃতজ্ঞ হব না আমি,<br />
ছলনার পাশা খেলায়<br />
তুমিই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন!<br />
তিন চালেই আমার রাজা মাত<br />
সত্যি তুমি তুলনা হীন।</p>
<p>এক সময় আমি ছিলাম<br />
তোমার স্বপ্ন চারিনী,<br />
তোমার কবিতায় আমি ছিলাম<br />
শত ছন্দের ছন্দ মালা ।<br />
তোমার দৃষ্টিতে আমি ছিলাম<br />
মিস্ ওয়াল্ড!</p>
<p>কীভাবে তোমাকে অবিশ্বাস করবো,<br />
তাইতো তোমার কোন&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-271625"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/271625/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">70da169198b7ce8ed3b4628aefafa7cf</guid>
				<title>পরিচিতিঃ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (কবি মিজান পঞ্চায়েত) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন চান্দিশ করা গ্রামে ১৫ মার্চ ১৯৭৩ খ্রি. জন্ম গ্রহণ করেন। পিতার নাম মোহাম্মদ আবদুল হক   এবং মাতার নাম ফাতেমা বেগম। নয় ভাইবোনের মধ্যে তিনিই বড়। 

কবি চৌদ্দগ্রাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস. এস. সি, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে থেকে এইচ.এস. সি এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান ও গণিত নিয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
 এছাড়াও B.Ed,  C.in.Ed এবং B.R.M.P নামক তিনটি ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেন। 

ছাত্রজীবনে তিনি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সহিত জড়িত ছিলেন।  সে সময় তিনি কুমিল্লার বিভিন্ন নাট্য শালায় অনেকগুলো নাটকে অভিনয় করেন। কবির অভিনীত নাটকের মধ্যে -কাল পূরুষ, সুবচন নির্বাসনে,  পদ্মাবতী উল্লেখযোগ্য।

কর্মজীবনে তিনি, নালঘর উচ্চ বিদ্যালয়, ফেলনা উচ্চ বিদ্যালয়, বিজয়করা মাদ্রাসা ও চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। এরপর সিঙ্গাপুর গমন করেন। কয়েক বছর পর প্রবাস থেকে এসে  শিক্ষকতার পেশায় পুনরায় নিয়োগ প্রাপ্ত হন। বর্তমানে তিনি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন। 

পেশার পাশাপাশি লেখা লেখির নেশাতেও তিনি নিমগ্ন। তিনি প্রায় ২০০০ টি ছড়া, কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন। এখন পর্যন্ত কবির , পুষ্পিত প্রবচন, সুবচন, কবিতার সাতকাহন, প্রবচন, আজও তোমার অপেক্ষায়, গোধূলির সহযাত্রী, মুজিব তুমি না হলে, একুশে, তবু রেখো মনে,   হৃদয়ে মুহাম্মদ , নবীন গল্প, হৃদয়ে শহীদ জিয়া ও সেরা শতক নামক একক ও যৌথ মিলিয়ে তেরোটি গল্প ও কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। 

তাছাড়া  তিনি ইসলাম ও বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করেন। গবেষণা ধর্মী দুটি বই, &quot;ইসলামে বিজ্ঞান ও নীতি নৈতিকতা&quot; এবং  &#039;&#039;কোরআন ও হাদিসের আলোকে ইসলাম&#039;&#039; প্রকাশিত হয়েছে।

কবি, বেশ কিছু গবেষণা প্রবন্ধ লিখেছেন । প্রবন্ধ গুলোর মধ্যে &quot;আদম পাহাড়ের পায়ের ছাপ ও মানুষের দৈহিক উচ্চতা নির্ণয়&quot;  নামক গবেষণা প্রবন্ধটি আন্তর্জাতিক রিচার্চ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

কবি ,বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠন থেকে এখন পর্যন্ত তিনি ৩০ টির অধিক সংবোর্ধনা পেয়েছেন। তাছাড়াও তিনি প্রায় দুই সহস্রাধিক কাব্য সনদ অর্জন করেছেন। এখনো নিরলসভাবে লিখে চলেছেন।
কবি বেশ কিছু গবেষণা প্রবন্ধও লিখেছেন। সেগুলো আন্তর্জাতিক রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ হলো : আদম পাহাড়ের পায়ের ছাপ, পেশাজীবিদের দক্ষতা উন্নয়নে গৃহিণী পেশার ভূমিকা, বয়োঃসন্ধি কালে নারী দেহের স্তন ও নিতম্বের গঠনগত পরিবর্তন, দিনে দিনে মানুষের হিংস্রতা কেন বৃদ্ধি পাচ্ছে ইত্যাদি।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271624/</link>
				<pubDate>Tue, 08 Sep 2026 11:34:02 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>পরিচিতিঃ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (কবি মিজান পঞ্চায়েত) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন চান্দিশ করা গ্রামে ১৫ মার্চ ১৯৭৩ খ্রি. জন্ম গ্রহণ করেন। পিতার নাম মোহাম্মদ আবদুল হক   এবং মাতার নাম ফাতেমা বেগম। নয় ভাইবোনের মধ্যে তিনিই বড়। </p>
<p>কবি চৌদ্দগ্রাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস. এস. সি, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে থেকে এইচ.এস. সি এ&hellip;<span class="activity-read-more" id="activity-read-more-271624"><a target="_blank" href="https://toulot.com/n_astream/p/271624/" rel="nofollow ugc">Read More</a></span></p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>7</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">87d06a142e9c3e5c1442d680e53a50f4</guid>
				<title>মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (কবি মিজান পঞ্চায়েত/ কবি মিজান বিএসসি) changed their profile picture</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271159/</link>
				<pubDate>Mon, 07 Sep 2026 12:29:09 +0600</pubDate>

				
									<slash:comments>2</slash:comments>
				
							</item>
					<item>
				<guid isPermaLink="false">03398fb9e13fa6a55e2dc681b773fb39</guid>
				<title>ভয়কে করো জয়
সাহসীদের তরেই কেবল 
ভাগ্য সহায় হয়।
-কবি মিজান পঞ্চায়েত।</title>
				<link>https://toulot.com/n_astream/p/271156/</link>
				<pubDate>Mon, 07 Sep 2026 12:12:30 +0600</pubDate>

									<content:encoded><![CDATA[<div class="activity-inner"><p>ভয়কে করো জয়<br />
সাহসীদের তরেই কেবল<br />
ভাগ্য সহায় হয়।<br />
-কবি মিজান পঞ্চায়েত।</p>
</div>]]></content:encoded>
				
									<slash:comments>5</slash:comments>
				
							</item>
		
	</channel>
</rss>