Profile Photo

mueheb samnunOffline

  • muehebsamnun
  • বৃষ্টির ওপারে যে মেয়েটি দাঁড়িয়ে ছিল

    ​বিকেলের বৃষ্টি সব সময় এক নিয়মে নামে না। কোনো কোনো দিন আকাশ ভাঙা জল দেখে মনে হয়, ওপর থেকে কেউ বুঝি বালতি উপুড় করে দিচ্ছে। আবার কোনো কোনো দিন এমন একটা মায়াবী অন্ধকার চারপাশকে ঘিরে ধরে, মনে হয় বহু যুগের জমিয়ে রাখা কোনো দীর্ঘশ্বাস এতদিনে মেঘ হয়ে ঝরে পড়ছে।

    ​সেদিনও তেমনই একটা দিন ছিল।

    ​অরিন্দম যখন…Read More

    4
    7 Comments
    • ​বিকেলের বৃষ্টি সব সময় এক নিয়মে নামে না।

    • খুব সুন্দর ভাষায় লেখা। হ্যাঁ, আপনার Transloom পাতাটি খুঁজে পেয়েছি। ফেসবুকে সার্চ দিয়ে কোনো কারণে পাইনি, কিন্তু গুগলে সার্চ দিয়ে ফেইসবুকের পাতাটা পেয়েছি। “Transloom | Magura” নামে। ধন্যবাদ শেয়ারের জন্যে।

      • অশেষ ধন্যবাদ। আপনাদের অনুপ্রেরনাই আমার শক্তি।

    • গল্পের শেষ লাইনটা— “কিছু অপেক্ষা শুধু মনে রাখার জন্য বেঁচে থাকে”— ভীষণ আবেগী আর সুন্দর লেগেছে আপনার লেখা এই লেখাটি পড়ে খুব ভালো লাগলো, আশা করি আপনার Transloom পেইজে এমন আরও দারুণ সব গল্প পড়তে পাবো।

    • বৃষ্টির দিনে একাকী স্টেশনের এই রহস্যময় বর্ণনা এবং অতৃপ্ত অপেক্ষার অনুভূতিগুলো ভীষণভাবে হৃদয়ে দাগ কেটে যায়। আপনার লেখার এই চমৎকার পরশ বজায় রেখে ভবিষ্যতে আরও এমন রোমাঞ্চকর পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে পারেন।

    • দারুণ লিখেছেন। ভয়ের সাথে এক অদ্ভুত মায়া মিশিয়ে দেওয়া গল্পটা মনে গেঁথে থাকবে।

  • Profile picture of Poly Alam
    Profile Photo
    Poly Alam
    @butterflywords
  • Profile picture of Kazi Adam
    Profile Photo
    Kazi Adam
    @kaziadam
  • আজ থেকে অনেক বছর আগে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে কুয়াশাচ্ছন্ন কোনো শীতের সকালে যখন ট্রেনের অপেক্ষায় চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছিলাম, ঠিক তখনই লক্ষ করলাম প্লাটফর্মের এক কোণে বসে থাকা আট বছরের একটি ছেলে শেষ হয়ে যাওয়া কাগজের কাপগুলো কুড়াতে শুরু করেছিল।

    উপলব্ধি করলাম – আসলে এই অসহনীয় দারিদ্র এক নিরেট বাস্তবতা, যা প্রতিদিন এই হতভাগা দেশের আনাচে…Read More

    3
    2 Comments
    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে উঠল, বিশেষ করে “অভাবের সবচেয়ে নিষ্ঠুর রূপ হলো– মানুষের স্বপ্ন দেখার অধিকারটুকুকে সবার আগে কেড়ে নেয়” লাইনটি ভীষণ গভীর। আমাদের চারপাশে প্রতিদিন এমন কত শত দৃশ্য দেখি, কিন্তু আপনার মতো করে এভাবে গুছিয়ে বলার ক্ষমতা সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজ হিসেবে আমাদের এই দেউলিয়াত্ব নিয়ে ভেবে দেখার সময় বোধহয় সত্যিই চলে এসেছে।

    • Mueheb samnun, আপনার লেখায় ফুটে ওঠা ‘অভাবের সবচেয়ে নিষ্ঠুর রূপ হলো– মানুষের স্বপ্ন দেখার অধিকারটুকুকে সবার আগে কেড়ে নেয়’ এই লাইনটি গভীর বেদনার সাথে আমাদের সামাজিক বাস্তবতাকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছে, তাই আপনার এই সচেতনতামূলক পর্যবেক্ষণগুলো মানুষের মনে আলোড়ন তুলবে জেনে সামনের দিনগুলোতেও আরও শক্তিশালী সব লেখা আমাদের উপহার দেবেন বলে আশা রাখি।

  • আজিমপুর গোরস্থানের সোঁদা মাটির গন্ধটা শাফিনের রক্তে মিশে আছে।

    ​তার জন্মের তিন মাস পরই একটা এক্সিডেন্টে বাবা মা দুজনেই চলে যান। শাফিনের শৈশবের পুরোটা আর কৈশরের অর্ধেক টা কাটে তার বিধবা দাদির সাথে। বুদ্ধি হওয়ার পর থেকেই শাফিন প্রতি শুক্রবার বাবার কবরের পাশে এসে দাঁড়াত। দশম শ্রেণীতে পড়ার সময় দাদিও পরপারে চলে গেলেন। জীবনের একমাত্র আশ্রয়টুক…Read More

    3
    4 Comments
    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম অন্যরকম একটা অনুভুতি হলো, বিশেষ করে “প্রাণহীন জড়বস্তু শরীরটাকে বিদায় দাও, চিন্তা কর না, আমি সবসময়ই তোমার সাথে আছি”—এই কথাগুলো খুব আবেগী ছিল; আচ্ছা শাফিনের কি এরপর থেকে আর একা লাগে না?

    • শাফিনের একাকীত্বের বিষাদ আর প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার যে মায়াময় মুহূর্ত আপনি ফুটিয়ে তুলেছেন, তা হৃদয় ছুঁয়ে যায় এবং চাইলে আপনি পরবর্তী লেখাতে চরিত্রটির মানসিক পরিবর্তনের দিকটি আরেকটু বিস্তারিত করে তুলে ধরতে পারেন, তবে আপনার এই সুন্দর লেখনী নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে পাঠককে আরও মুগ্ধ করুক।

    • অদ্ভুত সুন্দর। বাস্তবতা আর পরাবাস্তবতার সুন্দর মিশেল। আবার শাফিন একজন নাগরিক ক্যারেকটার … সব মিলে অন্যরকম লাগল। শুভেচ্ছা নিন …!

      • এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। এভাবে উৎসাহ দিয়ে যদি পাশে থাকেন, তাহলে আমি আরও বেশি লিখব।

  • বৃষ্টির গন্ধটা বাতাসে ছিল, কিন্তু বৃষ্টি নামেনি। ভ্যাপসা গরম আর স্যাতসেতে আর্দ্রতা মিশে চারপাশটা যেন একটা থমথমে নাটকের মঞ্চ হয়ে উঠেছিল।

    ​তিনতলার ছাদ। ঠিক মাঝখানটায় পড়ে আছেন রহিম সাহেব। চোখ দুটো আধবোজা, যেন অনন্তকালের কোনো বিস্ময় দেখছেন। গলায় কালচে ফাঁসের দাগটা প্রদীপের আলোর নিচে একটা কুৎসিত শুঁয়োপোকার মতো লেপ্টে আছে। পাশে একটা কাঠের চেয়…Read More

    3
    2 Comments
  • Profile picture of mueheb samnun

    mueheb samnun changed their profile picture

    3
    1 Comment
  • রাত ঠিক দুটো। হঠাৎ করেই ঘুমটা ভেঙে গেল। ঘর অন্ধকার, শুধু জানলা দিয়ে বাইরের ল্যাম্পপোস্টের আবছা আলো এসে পড়েছে ঘরের কোণে। তাকিয়ে দেখি, বিছানার ঠিক পাশেই বসে আছে কুকুরটা। একদম স্থির, কোনো নড়চড় নেই। শুধু ওর চোখ দুটো অন্ধকারে অদ্ভুত একটা লালচে আভায় জ্বলছে।
    ​অথচ আজ সন্ধ্যায় যখন ওকে রাস্তা থেকে কুড়িয়ে আনলাম, কী নরম, কী নিরীহ লাগছিল দেখতে! একটু আদর করতে…Read More

    4
    6 Comments
Skip to toolbar