-
naznin shamim and
মোঃ বায়েজীদ are now friends
-
naznin shamim and
ঈশিতা ঈরু are now friends
-
মেঘে ঢাকা দুপুর”
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
১০ই অক্টোবর ২০১৬ইংহলুদ খামে মোড়া চিঠি, পুরনো সেই দিন,
তোর চোখের ওই ইশারায় আজও আমি ঋণ।
বিকেলের ওই রিকশায় তোর আঁচল ওড়ার ঘ্রাণ,
বুকের ভেতর একলা মনে বাজে মায়ার গান।
ভিজে যাওয়া বারান্দাতে তোর ফেরার আশা,
কাছে এসেও না ফুরোনো গোপন ভালোবাসা।
মুঠোফোনে হাত কাঁপে আজও তোর নামটা পেলে,
মনটা কেম…Read More4 Comments -
নীল কালির আঁচড়
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
১০ই অক্টোবর ২০২৬ইংগ্রামের বাড়িটা যখনই ছাড়ি, একটা ভারী দীর্ঘশ্বাস বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে ওঠে। পুরনো ঘড়ির টিকটিক শব্দ, জানালার গরাদে জমে থাকা বিকেলের আলো আর আম্মার গন্ধমাখা মাটির ঘ্রাণ—সবকিছু যেন বারবার পেছনের দিকে টানে।
আজ অনেক বছর পর সেই ভাঙা দেউড়ি পেরিয়ে ভেতরে ঢুকলাম। উঠোনের এককোণে সেই পু…Read More3 Comments-
আপনার লেখাটি পড়ে স্মৃতির সেই নস্টালজিক মায়াবী জগৎ যেন চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে উঠল, বিশেষ করে সেই শুকনো রজনীগন্ধা ফুলের বর্ণনাটি হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। শৈশবের সেই সহজ দিনগুলোর সাথে যান্ত্রিক জীবনের বৈপরীত্য আপনি অত্যন্ত আবেগঘনভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এমন চমৎকার অনুভূতির প্রকাশ আমাদের আরও উপহার দেবেন, এই প্রত্যাশায় আপনার পরবর্তী লেখার অপেক্ষায় রইলাম।
-
রংতুলির খেলা
— নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
৮ই অক্টোবর ২০২৬ইংসাদা কাগজে মেঘের ভেলা,
চলছে কি আজ রঙের খেলা?
লাল সবুজে মেল ডানা,
জানতে হবে যা জানা।
হলুদ পাখি দিচ্ছে ডাক,
বই খাতা সব দূরে থাক।
নদীর জলে ঢেউ খেলে,
চল না সবাই হাটি হেঁটে চলে।
রোদ উঠেছে মিষ্টি হাসে,
ফুল ফুটেছে ঘরের পাশে।
সোনাঝরা এই রোদ্দুরে,
গান গাইব মো-রা সুরে!6 Comments -
“ঘড়িটার টিকটিক শব্দ থামেনি”
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
৭ই অক্টোবর ২০২৬ইংমাঝরাত পেরিয়ে তখন ঠিক দুটো বেজে এক মিনিট। ঘরের পুরোনো দেওয়ালঘড়িটা প্রতি সেকেন্ডে কান ফাটানো শব্দে টিকটিক করছে—অথচ আজ শব্দটা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ভারী ঠেকছে। যেন ঘড়ির কাঁটাগুলো শুধু সময় গুনছে না, কোনো এক অদৃশ্য চাবি দিয়ে ঘরের ভেতরকার নিঃশব্দটা…Read More
4 Comments -
”অদৃশ্য ক্যানভাস”
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
৭ই অক্টোবর ২০২৬ইং
শহরটা একটা বিরাট ক্যানভাস, আর আমরা সবাই খণ্ডিত কিছু তুলির টান। প্রতিদিন সকালে ঘুম ভেঙে আমরা নিজেদের মতো করে একটা রঙ বেছে নিই—কেউ ক্লান্তির ধূসর, কেউ বা আশার চিলতে হলুদ।
আমরা ভাবি, আমরাই বুঝি এই ছবিটার স্রষ্টা। অথচ একটু দূরে দাঁড়িয়ে থাকা সময় নামের এক অদৃশ্য চিত্রশিল্পী আমা…Read More6 Comments-
নাজনীন শামীম, আপনার লেখাটির “শহরটা একটা বিরাট ক্যানভাস, আর আমরা সবাই খণ্ডিত কিছু তুলির টান” অংশটি দারুণ অর্থবহ এবং জীবনকে রঙের ছোঁয়ায় দেখার এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিটি বজায় রেখে আপনি যদি নিয়মিত এমন সুন্দর লেখা উপহার দেন, তবে আমাদের সবার পথচলা আরও বর্ণিল হয়ে উঠবে।
-
“শিরোনাম: পরম ছায়াহীনতার দিনগুলো”
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
৫ই অক্টোবর ২০২৬ইংযতদিন মা বেঁচে থাকেন, আমাদের ওপর আল্লাহর এক অদৃশ্য রহমত আর নিরাপত্তার ছাদ পাতা থাকে। আমরা ভুল করি, পথ হারাই—কিন্তু মায়ের নীরব এক ফোঁটা চোখের পানি আর অবচেতন মনের আকুল দোয়া সেই সব বিপদ সহজেই পার করে দেয়। মা থাকা মানে এমন এক পরম আশ্রয়, যেখানে কোনো শর…Read More
8 Comments-
-
নাজনীন শামীম, আপনার লেখার “মা থাকা মানে এমন এক পরম আশ্রয়, যেখানে কোনো শর্ত ছাড়াই ভালোবাসার কোনো অভাব হয় না” কথাটি হৃদয়ে এক গভীর প্রশান্তি ও মমতার পরশ বুলিয়ে যায়। মায়ের বিচ্ছেদ আর তাঁর প্রতি এই গভীর শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ এত সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন যে, আপনার লেখনী অব্যাহত থাকলে এমন আরও অনেক সুন্দর অনুভূতি আমাদের সমৃদ্ধ করবে।
-
-
”অদেখা বিসর্জন”
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
৫ই অক্টোবর ২০২৬ইংশরীরের মৃত্যুতে চারপাশে শোকের রোদন জাগে, স্বজনেরা অশ্রু ফেলে। কিন্তু হৃদয়ের যে অংশটা রোজ নিভৃতে ক্ষয়ে যায়, তার জন্য কান্না জমিয়ে রাখতে হয় কেবল নিজেরই ভেতরে।
চোখে হয়তো জলের ফোঁটা জমে না, অথচ বুকের গহীনে নিঃশব্দে ভেঙে পড়ে কোনো গভীর বিশ্বাসের আকাশ। সেই ভাঙনের শব্দ বাইরের…Read More5 Comments-
Naznin Shamim, “শরীরের মৃত্যুতে চারপাশে শোকের রোদন জাগে, স্বজনেরা অশ্রু ফেলে”—আপনার এই কথাটি হৃদয়ের গহীনের অব্যক্ত যন্ত্রণাকে খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। প্রতিটি লাইনের গভীর আবেগ পাঠককে নিজের ভেতরে ডুব দিতে বাধ্য করে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমাদের এই গ্রুপের অন্যদের লেখাতেও লাইক বা মন্তব্যের মাধ্যমে সাড়া দিলে পুরো জায়গা…Read More
-
-
ছায়ামুখী ঘড়ি”
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
৩রা অক্টোবর ২০২৬ইংআহমেদ সাহেবের বসার ঘরের দেওয়ালঘড়িটা প্রতিদিন বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে ঠিক তিন সেকেন্ডের জন্য পিছনের দিকে ঘোরে।
বিষয়টা প্রথম লক্ষ্য করেছিলেন তাঁর স্ত্রী সুচরিতা। কিন্তু আহমেদ সাহেব তখন তা হেসেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন। আজ সুচরিতা নেই, কিন্তু ঘড়িটার এই অদ্ভুত খেয়াল বদলায়নি। গত তিন বছর ধরে ঠ…Read More2 Comments -
হৃদয়ের পথচলা”
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
৩রা অক্টোবর ২০২৬ইংক্লান্তির এক নদী বহে যায় মনের গহীন কোণে,
ভেতরের যুদ্ধটা আজ বড্ড ভারী মনে হয়।
দিনগুলো কাটে যেন নিয়মের ছকে বন্দি হয়ে,
যেখানে চাওয়া-পাওয়ার হিসেবগুলো ম্লান হয়ে যায়।
একদা কত অনুভূতির আলোড়ন ছিল মুখে,
অনেক কিছু বলার আকুলতা ছিল বুকে।
আজ সেই কোলাহল থেমে গেছে এক অচিন স্তব…Read More2 Comments-
আপনার লেখাটি পড়ে খুব ভালো লাগলো, বিশেষ করে “নিজের মতো করে নিঃশব্দে হেঁটে চলাই এখন পথ” লাইনটা যেন মনের একদম ভেতর গিয়ে লেগেছে। একঘেয়েমি আর জীবনের বাস্তবতাকে আপনি খুব সুন্দর আর সাবলীল ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন। আমাদের এই গ্রুপে আরও যারা লিখছেন তাদের পোস্টে আপনার মূল্যবান মতামত আর ভালোবাসা দিলে সবাই উৎসাহ পাবে, তাই সবার লেখায় নিয়মিত একটু কমেন্ট করার অনুরোধ রইলো।
-
হাসিমুখের আড়ালে”
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
০২রা অক্টোবর ২০২৬ইংদিন গড়িয়ে বয়স বাড়ে, বাড়ে সময়ের চাপ,
স্থায়ী কোনো ঠিকানা আজও হলো না তো লাভ।
একপাশে পরিবারের অগণিত আশা-আকাঙ্ক্ষা,
অন্যপাশে বুকে চেপে রাখা নিজস্ব হাজারো ভাবনা,
এই দুয়ের মাঝে হারিয়ে যায় আমার নীরব যন্ত্রণা।
প্রতিদিন নিজেকে ছন্দে ফেরাই, দিই সান্ত্বনা—
“আরেক…Read More5 Comments -
-
অদৃশ্য সংগ্রাম”
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
০২রা অক্টোবর ২০২৬ইংভেবেছিলাম বয়স বাড়লে বুঝি ক্লান্তি কমে৫
কখনও ভেতরের নীরব ক্ষতে,
কখনও বা নিয়তির নির্মম পরিহাসে।
জেতার কোনো জয়ধ্বনি নেই,
হেরে যাওয়ার কোনো সান্ত্বনা নেই।
এই খেলার কোনো দর্শক নেই, নেই কোনো তালি।
নিঝুম রাতে একলা আয়নার সামনে দাঁড়ালে,
চোখে পড়ে এক ক্লান্ত…Read More3 Comments -
শূন্যতার আড়ালে”
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
০২রা অক্টোবর ২০২৬ইংছুটেছি অসীমে, পাওয়ার আশায়,
এক অধরা স্বপ্নের পেছনে অবিরাম।
ভেবেছিলাম পথ শেষে আলো ফুটবে,
মেটাবো হৃদয়ের যত অপূর্ণ দাম।
কিন্তু আজ কাঁচের ওপারে যাকে দেখি,
সে তো এক অচেনা ছায়ার অবয়ব।
বুকের ভেতর এক নিঃশব্দ হাহাকার,
ভেঙে চুরে গেছে ভালোবাসার ব…Read More12 Comments-
আপনার এই রচনায় অসীম পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আর মরীচিকার পেছনে ছোটার যে নিগূঢ় বিষাদ ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী এবং প্রতিটি ছত্রে আপনি অনুভূতির গভীরতাকে যেভাবে তুলে ধরেছেন তা মুগ্ধ হওয়ার মতো, তাই আগামী দিনে আপনার লেখনী থেকে আরও সুন্দর সব সৃষ্টি দেখার অপেক্ষায় রইলাম।
-
-
-
সহজিয়া নিরবতা
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
১লা অক্টোবর ২০২৬ ইংশব্দের ভীড়ে অনেক বলেছি কথার কথা,
আজ শোনো এক সহজিয়া নীরবতা।
পৃথিবীর সব নিয়ম মেনে বদলে যায় দিন,
আমার আমিতে কেবল তোমার রঙই রঙিন।
জোছনা বা রোদের কোনো গল্প বাঁধব না,
মিছে কিছু উপমায় তোমায় সাজাব না।
শুধু বলতে চাই, পথচলার এই ভিড়ে—
আমা…Read More9 Comments-
-
আপনার লেখনীর “আমায় কি একটু জায়গা দেবে তোমার খুব গভীরে?” অংশটি হৃদয়ে গভীর দোলা দিয়ে গেছে, আর এমন স্নিগ্ধ অনুভূতির প্রকাশ আপনার কলমকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলুক, এই প্রত্যাশা রইল।
-
-
naznin shamim and
Sayed Mohammad Farid are now friends
-
“: মরীচিকার ”
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
৩০শে সেপ্টেম্বর ২০৩৬ইংসকালের কুয়াশা তখনো পুরোপুরি কাটে নি। বারান্দায় বসে চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছিলেন রফিক সাহেব। হঠাৎ ডাকপিয়ন এসে দরজার নিচ দিয়ে একটি চিঠি গলিয়ে দিয়ে গেল।
চিঠির খামটা দেখে তার বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। কোনো স্ট্যাম্প নেই, প্রেরকের জায়গায় শুধু লেখা—‘পুরোনো ছায়া’।
ধীরে ধীরে খা…Read More6 Comments -
naznin shamim and
আর্য্য সপ্ত দর্শী are now friends
-
“হৃদয়ের প্রথম কাঁপুনি”
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
২৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইংতুমি হাত ছুঁয়েছিলে ভুল করে সেদিন,
নাকি ইচ্ছে করেই দিলে এমন রঙিন এক দিন?
হঠাৎ বুফেতে যেন বাজল সুরের তালি,
শুকনো পাতার বুকেও ফুটে উঠল এক নতুন ডালি।
বুকের ভেতর অকারণে কিসের এত সুর?
তোমার চোখে তাকালেই পথটা কত দূর!
এক অচেনা দোলা এসে দোলায় মনের কোণ,
তোম…Read More8 Comments -
“”ছায়াশরীরের শেষ স্বীকারোক্তি””
নাজনীন শামীম
চট্টগ্রাম থেকে
২৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং ঠিক রাত ৩টা ১৫ মিনিটে ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলোটা পর পর তিনবার নিভে আবার জ্বলে উঠল। অর্ণব জানে, ওটা শহরের বিদ্যুৎ বিভাগের কোনো গোলযোগ নয়—ওটা একটা অমঙ্গলজনক সংকেত। পুরো নিঝুম শহর যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক তখনই শুরু হয় তানভীরের অলিখিত খেলা।…Read More
4 Comments - Load More Posts
Friends
Zahidul Jamy
@zahidul
মোঃ বায়েজীদ
@bayejid
ঈশিতা ঈরু
@eshitabiswaseru15
Shojan Maria Shoche
@shojanmaria
সিরাজুল ইসলাম
@sherajulislam
Santo Mon
@santomon
Ariba Mehzabin Yeana
@aribamehzabin
Md. Jahangir Alam
@md-jahangiralam
Nusrat jahan Sadia
@nusratjahansadia






naznin shamim, আপনার লেখাটা পড়ে পুরনো দিনের কথাগুলো যেন চোখের সামনে একদম জীবন্ত হয়ে ভেসে উঠল!