-
কবিতা :- “শান-ই-মুহাম্মাদ (সা.)”
লেখক :- রাতিন আহমেদআধারে যখন যায় ডুবিয়া, খোদা পাকের স্বাদের দুনিয়া,
সৃষ্টি সকল পথ হারিয়া যায়, খোদা পাকের নাম ভুলিয়া।আসিলো তখন এই ধরায়, উদ্ধারিতে তামাম সৃষ্টিকুল,
আশরাফুল ইনসান, হাবীবে খোদা, মুহাম্মাদ রাসূল।প্রতিষ্ঠা করিতে শান্তির দ্বীন, এলো নবী আলামিন,
নবী শিরোমণি সে, সায়্যিদুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যিন।দোজাহানের বাদশা, নবী মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ,
মা আমেনার উদরে এলেন, ইয়া নবী, হাবীবুল্লাহ।মক্কা করলেন উজালা, ইয়া নবী, নূরীল্লাহ,
মদিনায় দিবানিশি—ইয়া রাসূলুল্লাহ, ইয়া রাসূলুল্লাহ।খোদা পাকের সাক্ষ্য দিলেন—লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ,
খোদা পাক বলেন, হায়! মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ।আপনি রূপে খোদার ছবি, হে দিলদারে মদিনা,
আপনার হাতেই খোদার হাত, হে শাহে মদিনা।আপনার কথা খোদার কথা, হে তাজদারে মদিনা,
গুণে আলামিন, গুণে সাদিক—নাই আপনার তুলনা।খোদাতে আপনি, আপনাতে খোদা—দলিলে এই ঘোষণা,
আপনার গোলামী, খোদার গোলামী—বলে সাঁই রাব্বানা।সকল নবীর আপনি নবী, হে মুহাম্মাদ আরাবীন,
সকল রাসূলের ইমাম আপনি, হে ইমামুল মুরসালীন।সকল মুমিনের ইমাম আপনি, হে ইমামুল মুত্তাকীন,
প্রেমের সম্রাট, দয়ার সাগর, আপনি হে নবী ইয়াসীন।নূরে খোদা, নূরুল আমিন, আপনি হে নবী আরেফীন,
শাহে হুদা, দিলদারে খোদা, আপনি সুলতানুল আশেকীন।আসিলেন আপনি আরব শহরে, হে হাবীবে কিবরিয়া,
প্রেমের ফুল ফুটালেন আপনি, হে দিলদারে কিবরিয়া।কালেমার দাওয়াত দিলেন আপনি, হে শাহে আম্বিয়া,
খোদার কালাম কোরআন দিলেন, হে আশরাফুল আম্বিয়া।আপনি ছাড়া শাফায়াত করিবে নাই, দো-জাহানে আম্বিয়া,
শাহে কায়েনাত, দিলদারে খোদা, আপনি তাজদারে আম্বিয়া।হে নবী, আপনি নূরে খোদা, মুর্শিদে হায়দার,
যাহরা’র পিতা, শাফিয়ে মাহশার।
আপনার দুই দৌহিত্র, বেহেশতের সর্দার,
অলি-আল্লাহ সকলে, আপনারই শাজরার।হে নবী, আপনি তাজদারে মদিনা, মাহবূবে ইয়াযদান,
মাহবূবে খোদা, মাহবূবে সুবহান।
সুলতানে দো-জাহান আপনি, কুতবে আশিকান,
মদিনার চাঁদ, নূরের সুলতান।হে নবী, আপনি নূরে হিদায়াত, ফাখরে কায়েনাত,
জানে কায়েনাত, রূহে কায়েনাত।
মুজদায়ে জান্নাত আপনি, শামসে রিসালাত,
শাহে রিসালাত, তাজদারে রিসালাত।হে নবী, আপনি সাকিয়ে কাওসার, তায়বার নূর,
দিলদারে রাসূল, হৃদয়ের সুর।
সিরাজুস সালিকীন আপনি, সিরাজুম মুনীর,
নূরে দো-আলম, আল-মুবাশশির।হে নবী, আপনি রউফুর রহীম, রাসূলে কারীম,
তাজদারে হারামাইন, আবুল কাসিম।
শাহে মদিনা আপনি, নূরে মুজাসসাম,
আল-মুকাররাব, আল-মুকাররাম।হে নবী মহান, আপনার শানে নত আরশের সম্মান,
কত নামেই ডাকে আপনাকে, ওই রব মহান।
মুস্তফা, আহমদ, মাহমুদ—এসবই আপনারই সম্মান,
আপনার গুণের গান গাহে খোদা আল-রহমান।
যুগে যুগে গাইবে এই দুনিয়া, হে নবী, আপনারই শান।11 Comments-
-
শুকরিয়া @faith
-
-
-
কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা রইল। 🤍🌹 @prithula
-
-
রাতিন আহমেদ, “মক্কা করলেন উজালা, ইয়া নবী, নূরীল্লাহ” পঙ্ক্তিটির মধ্য দিয়ে যে উজ্জ্বল আভা ফুটে উঠেছে তা সত্যিই প্রশান্তিদায়ক। আপনার এই সুন্দর ও ভক্তিপূর্ণ অনুভূতির সাথে অন্য সদস্যদের কাজেও যদি নিয়মিত লাইক বা মন্তব্যের মাধ্যমে সাড়া দেন, তবে আমাদের এই গ্রুপটি আরো প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
-
অসাধারণ লেখনী, পড়তে পড়তে বিশ্ব নবীর জন্য ভালোবাসা আরো প্রবল হয়ে উঠলো! ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা নেবেন কবিপ্রিয়!
-
@drako শুকরিয়া ও ভালোবাসা নিবেন🌹 | ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা আপনাকেও🌹
-
-

RATIN AHMED
WRITER & POET
"পবিত্র আস্তানায়-ই-বারী" থেকে আমি রাতিন আহমেদ। একজন কবি ও লেখক। ৮ই আগস্ট ২০০২ সালে চট্টগ্রাম শহরে আমার জন্ম। তবে আমি বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছি। আমার পিতার নাম জনাব নাছির আহমেদ। ছোট থেকেই তিনি আমায় মনুষ্য জীবনের উদ্দেশ্য ও পরিচালনা সম্পর্কে শিক্ষা দিতেন। এবং পরিশেষে আমায় নিয়ে যান মহান "পবিত্র আস্তানায়-ই-বারী"। আর সেখানেই সেই মহান সুন্দর শিক্ষার ছায়াতলে জন্ম হয় আমার লেখালেখির। প্রেম, আত্মশুদ্ধি, মানবতা, নবীপ্রেম, আধ্যাত্মিক অনুসন্ধান এবং স্রষ্টার প্রতি নিবেদনই আমার লেখার প্রধান সুর। আমার লেখার ভাষা সহজ, কিন্তু শব্দচয়নে রয়েছে সুফি ভাবধারার আবহ। ফারসি-উর্দু ঘরানার শব্দ, প্রেমের রূপক এবং আধ্যাত্মিক অনুভবকে সহজ বাংলার সঙ্গে মিলিয়ে নির্মাণের প্রচেষ্টা ।
উল্লেখযোগ্য রচনা :-
কবিতা — “শান-ই-মুহাম্মাদ (সা.)” | “গোলাম-ই-লুৎফা গুলজার বারী” | “মানুষ” | “গোফতার-ই-দীল” | “ইশকনামা-ই-রাতিন” | “মনের কথোপকথন” | “আশেক” | “দশ হরফ” |
সংগীত — “আয় কে যাবি কারবালায়” | “হায় প্রেম বিধাতা” |
গল্প — “পোড়া বাড়ী” | “সন্ধ্যার সায়মন” |
আমার সাথে যুক্ত থাকুন :-
Page :- https://www.facebook.com/ZeroRatin
Instagram :- https://www.instagram.com/zero_ratin
Threads :- https://www.threads.net/@zero_ratin
Website :- https://ahmedworldin.blogspot.com
Youtube :- https://youtube.com/@ahmedworldin
Tiktok :- https://www.tiktok.com/@ahmedworldin

রাতিন আহমেদ, নবীজি (সা.)-এর শানে লেখা আপনার এই দীর্ঘ কবিতাটি বেশ চমৎকার হয়েছে। পুরো কবিতায় ভক্তির যে বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে, তা পড়ার সময় আপনি কোন দিকটি লিখতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রশান্তি অনুভব করেছেন?