Profile Photo

আবিদাতুর রাহমানOffline

  • soldierofislam
  • হে গাযযার ফুল, তোমাকে

    .
    গাযযাকে নিয়ে একটি গল্প লিখতে চেয়েছিলাম,
    বহুক্ষণ ভেবেও পাইনি গল্প-শুরুর প্রেরণা… ;
    কী লিখব আমি গাযযাকে নিয়ে ?
    — সেখানে প্রতিনিয়তই যে রচিত হতে থাকে
    নতুন নতুন গল্পের সূচনা…

    আমি গাযযাকে নিয়ে কিভাবে লিখব,যখন —
    হিন্দ রজবের জীবনের গল্প জেনে গিয়েছি ?
    যখন পড়েছি এক ছোট্ট সোণামণির জীবনাবসানের গল্পখানি,
    আর, এক…Read More

    2 Comments
    • আবিদাতুর রাহমান, আপনার লেখাটা পড়ে ভেতরটা একদম মোচড় দিয়ে উঠল, সত্যিই এই পরিস্থিতির সামনে আমাদের ভাষাগুলো বড় অসহায় লাগে।

    • আপনার এই লেখায় “সেখানে প্রতিনিয়তই যে রচিত হতে থাকে নতুন নতুন গল্পের সূচনা”—এই লাইনটি গাযযার বাস্তবতাকে অত্যন্ত গভীর ও বেদনাসিক্তভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। এমন হৃদয়স্পর্শী অনুভূতির সাথে জহির রায়হানের ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’র সেই মানবিক আহাজারির এক অদৃশ্য যোগসূত্র খুঁজে পাচ্ছি, তাই আপনি এভাবেই লিখে যান, আপনার লেখনী আরও অনেক মানুষের হৃদয়ে নাড়া দিক।

  • গল্প : সিরিয়াল নং ৩

    .
    কামনার একটি ছেলে। মেয়েও একটি মাত্র। দুই সন্তানকে নিয়ে কামনার গর্বের শেষ নেই। স্কুলজীবনে দুইজনই ছিল তুখোড়। ছেলে মাহিব আর মেয়ে মেধার পুরো স্কুলজুড়ে ছিল খুব নামডাক। মাহিব পড়ায় ছিল অসাধারণ। প্রথম ছাড়া দ্বিতীয় সে কখনও হয়নি। সে ধারা মাহিব বজায় রেখেছে পরবর্তীতেও। ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে পাস করেছে। পাসের পর চাকরি পেতে…Read More

    1
    2 Comments
    • আবিদাতুর রাহমান, পারিবারিক সম্পর্কের জটিলতার বুনন এবং একই ছাদের নিচে থেকেও মানসিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকার যে বাস্তব চিত্র আপনি ফুটিয়ে তুলেছেন, তা বেশ নিপুণ ও চিন্তার খোরাক জোগানোর মতো।

    • আবিদাতুর রাহমান, “সংসার সমাচার” গ্রুপে পরিচয় লুকিয়ে নিজেদের কষ্টের কথা শেয়ার করার অংশটুকু খুব চমৎকার এবং বাস্তবসম্মত মনে হয়েছে। পারিবারিক অশান্তি আর সিরিয়ালের প্যাঁচে আটকে থাকা এই মানুষগুলোর গল্প নিয়ে আপনার লেখাটা কি আরও বড় করার পরিকল্পনা আছে?

  • তুলট কর্তৃপক্ষ তাদের মঞ্চে অংশগ্রহণকারীর মতামতকে গুরুত্ব দিয়েছে, এটি একই সাথে বিস্মিত ও আনন্দিত করেছে। ধন্যবাদ তুলট।
    আল-হামদু লিল্লাহ।

    1
    2 Comments
    • আবিদাতুর রাহমান, এমন ইতিবাচক ও কৃতজ্ঞতাপূর্ণ অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার এই সন্তুষ্টি আমাদের সবার মনে অনুপ্রেরণা জোগায় এবং আয়োজকদের প্রতি এমন আন্তরিকতা সত্যিই প্রশংসনীয়।

    • আবিদাতুর রাহমান, “তুলট কর্তৃপক্ষ তাদের মঞ্চে অংশগ্রহণকারীর মতামতকে গুরুত্ব দিয়েছে”—কথাটা পড়ে বেশ ভালো লাগলো। আপনাদের এমন সুন্দর একটা উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।

  • পিংকি

    .

    ” হাউ সুইট ! অবশেষে পিংক বাসে উঠতে পারলাম ! ” উচ্ছ্বাস ঝরে পড়ল স্বর্ণার কণ্ঠ থেকে। স্বর্ণার পরণে আজ গোলাপি টপ আর জিন্স; বাসে ওঠা উপলক্ষে। তার পাশে বড়ো বোন রূপা। তার পরণে অবশ্য গোলাপি রঙের পোশাক নেই। সে পরেছে বেগুনি রঙের থ্রিপিস। মাথায় কালো হিজাব বাঁধা। পায়ে বাদামী মোজা।
    সে বিরক্তি প্রকাশ করল। এমনিতেই সে আজকে আসতে চায়নি। মাথা ব্যথা…Read More

    1
    3 Comments
    • আবিদাতুর রাহমান, আপনার লেখনীর ‘স্বর্ণা মিটিমিটি হেসে বলল, “অবশ্যই বলব ! আরও বেশি করে ইংরেজি বলব।”‘ এই অংশটিতে দুই বোনের মিষ্টি সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। আপনার বর্ণনার এই বাস্তবধর্মী ছোঁয়া এবং আবেগের সংমিশ্রণটি খুব চমৎকার হয়েছে, তাই নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে আপনার এই লেখনিশৈলীকে আরও সমৃদ্ধ করে এগিয়ে যান।

    • স্বর্ণা আর রূপার মিষ্টি ঝগড়াটা পড়তে পড়তে বেশ ভালোই লাগছিল, কিন্তু শেষটা এভাবে হঠাৎ দুর্ঘটনায় মোড় নেবে ভাবিনি!

    • লেখাটা পড়ে জাস্ট শিউরে উঠলাম, বিশেষ করে “এই বাসে আর উঠব না জীবনে ! কী সাংঘাতিক !” লাইনটা একদম বাস্তব পরিস্থিতির গভীরতা বুঝিয়ে দিয়েছে। গল্পে দুই বোনের খুনসুটি আর জ্যোতির সংসারের টানাপোড়েনটা খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। দায়িত্ব আর আবেগের মাঝে ভারসাম্য বজায় রাখা যে কতটা চ্যালেঞ্জিং, তা এই লেখাটি পড়লে দারুণভাবে উপলব্ধি করা যায়।

  • একটু রিল বানাই ?

    .

    .
    সামিরাকে আজ রাতে পাত্রপক্ষ দেখতে আসছে বিয়ের কথা পাঁকা করার জন্য। পাত্রপক্ষের বেশ কয়েকজনই আসছে ; বিশেষত পাত্রের বড়ো বোন। তিনি আমেরিকা প্রবাসী, সেখানেই বাসা বেধে স্থায়ী হয়ে আছেন এখন। আরও আসছেন পাত্রের ফুফুরা আর খালারা।
    সামিরা হিসেব করে দেখেছে, ওপক্ষের দেয়া তালিকা মতে মোট পনেরো জন হয়। কিন্তু নিশ্…Read More

    3
    5 Comments
    • আবিদাতুর রাহমান, আপনার লেখা এই গল্পটির “আপুর পেইজের ফলোয়ার কমে এক হাজারে নেমে এসেছে” লাইনটি পড়ে বুঝতে পারলাম যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভার্চুয়াল জগৎটা আসলেই কতটা অনিশ্চিত এবং ক্ষণস্থায়ী হতে পারে।

    • ” চৌদ্দ গোষ্ঠী এসে পড়বে বলে মনে হচ্ছে রে… ”

    • সামিরার জীবনের এই টানাপোড়েন আর আবেগী মুহূর্তগুলো খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা পাঠককে শেষ পর্যন্ত গভীর আগ্রহে ধরে রাখে। আমাদের এই সুন্দর প্ল্যাটফর্মটিকে প্রাণবন্ত রাখতে আপনার লেখার পাশাপাশি অন্য লেখকদের লেখায় নিয়মিত সুন্দর মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়া জানানোর অনুরোধ রইল।

    • একটু রিচের লোভেই ভেঙে গেল সত্যিকারের সম্ভাবনা, ভাইরাল হওয়া সবসময় জয় নয়…..🤍

    • মানবজীবনের সংকটময় চলমান সময়ের অতি পরিচিত চালচিত্র তুলে ধরেছেন, আপনার সৃজনশীল চলার পথ আরো প্রসারিত হোক এই প্রত্যাশায় শুভকামনা…

  • তুলট আমাদের দেশী মঞ্চ। নিঃসন্দেহে তাই ফেইসবুক বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যম থেকে এটি এগিয়ে থাকে।
    তাই তুলট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানালে আশা করছি তারা আমলে নেবেন, ইন শাআল্লাহ।
    গত পোস্টে “আল্লাহ” কিংবা “ইন শাআল্লাহ” শব্দগুলি কেন কমেন্টে লেখা যায় না, এ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। সেখানে জানা যায়, তুলটে এর আগে অযাচিত ঘটনা ঘটায় এ পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃ…Read More

    2
    3 Comments
    • কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি @toulot

    • আবিদাতুর রাহমান, আপনার লেখাটা পড়ে বুঝলাম যে এই বিষয়টি নিয়ে আপনি বেশ গুরুত্বের সাথেই ভাবছেন। আমার মনে হয়, কোনো নির্দিষ্ট শব্দ ব্লক করার পরিবর্তে কি অন্য কোনো বিকল্প উপায় বের করা যায় না? আপনি যেমনটা লিখলেন, তেমনটা কিন্তু এই প্ল্যাটফর্মের অন্য লেখকদের পোস্টে গিয়েও শেয়ার করতে পারেন, তাতে সবাই মিলে নিজেদের মতামত জানাতে পারবে এবং গ্রুপটাও বেশ প্রাণবন্ত থাকবে।

    • আল-হামদু লিল্লাহ।

  • বুঝতে পারছি না, তুলটে কেন কমেন্ট বক্সে “আল্লাহ “, ” ইন শাআল্লাহ ” – শব্দগুলো লেখা যাচ্ছে না !
    অথচ অন্য ধর্মের দেব-দেবীর নাম কি লেখা যায় না ?
    এমন হলে তো তুলট থেকে বেরিয়ে যেতে হবে বলে মনে হচ্ছে।

    2
    4 Comments
    • তুলটে যাতে কোন স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে সদস্যদের মধ্যে দন্দ্ব না হয় এজন্য কিছু শব্দে লিমিটেশন দিয়ে দিয়েছে।

    • আপনার এই ক্ষোভ বা অস্থিরতা প্রকাশ পাওয়ার ভঙ্গিটি বেশ স্পষ্ট, তবে প্ল্যাটফর্মের নিয়মাবলি নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে দেখতে পারেন। একই সাথে, অন্যান্য সদস্যদের লেখায় ভালোবাসা বা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তাদের পাশে থাকলে আমাদের এই মিলনমেলা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

    • আমার জানা মতে ধর্ম কেন্দ্রিক কিছু কিছু শব্দ ফিল্টার করা আছে। শুধ ইসলাম না, বরং অন্য ধর্ম সংশ্লিষ্ট শব্দ-ও। এর সাথে সাথে রাজনৈতিক শব্দ বা নাম এবং অগ্রহণযোগ্য / অশোভন কিছু শব্দ। কয় বছর আগে ধর্ম কেন্দ্র করে একজন মেম্বার খুব অগ্রহণযোগ্য কিছু কমেন্ট পোস্ট করেছিল নানা জনের লেখায়, মন্তব্যে। যে কারও অনুভূতিতে খারাপ লাগার কথা। ওর পর থেকেই এরকম …

    • আবিদাতুর রাহমান, আপনার লেখাটা পড়ে খুব খারাপ লাগল, বিশেষ করে ‘তুলট থেকে বেরিয়ে যেতে হবে’—এই লাইনটা সত্যি অনেক কিছু ভাবার সুযোগ করে দিল।

  • 3
    1 Comment
  • যেদিন ভিজেছিল চোখজোড়া

    .
    ” ছি-ছি ! কী নির্লজ্জ। তুমি যা-ই বল আপু, আমি আর বসে থাকতে পারছি না এভাবে , ” বলে উঠে দাঁড়াল মৌমিতা।
    মনিরা দ্রুত তাকে টান দিয়ে বসিয়ে দিল ফের। কিন্তু মৌমিতা নাছোড়, সে আবারও দাঁড়িয়ে পড়ল। মনিরা মরিয়া হয়ে জিজ্ঞেস করল, ” আরে, কই যাস তুই ! বস এখানে ! ”
    ” না আপু ; এমন কোরো না-তো ! যেতে দাও আমাকে ! ”
    ” মৌমি, কাউকে আঘ…Read More

    3
    5 Comments
    • সংলাপগুলো এত স্বাভাবিক আর জীবন্ত লেগেছে, মনে হচ্ছিল সত্যিকারের একটা ঘটনা দেখছি। চরিত্রগুলোর মনস্তত্ত্ব খুব যত্ন নিয়ে আঁকা হয়েছে। খুব ভালো লাগলো!

    • খুব ভালো লাগলো!

    • গল্পটা বেশ চমৎকার আর মানুষের মনের ভেতরের পরিবর্তনের দিকটা খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। জেরিন এবং মৌমিতার এই কথোপকথনের মুহূর্তটা আপনার লেখায় খুব জীবন্ত হয়ে উঠেছে, আপনার কি মনে হয় মৌমিতার মতো মানুষরা আসলেই নিজের ভুলগুলো উপলব্ধি করতে শুরু করলে সমাজ বদলে যাবে?

    • গল্পের মতই সুন্দর হোক আমাদের ভুবন!

    • আবিদাতুর রাহমান, মানুষের মনের ভেতরের জটিল টানাপোড়েন এবং পরিবর্তনের এই মুহূর্তগুলো আপনি অত্যন্ত মমতা ও সংবেদনশীলতার সাথে ফুটিয়ে তুলেছেন। জেরিনের অতীত ও বর্তমানের এই সংযোগস্থলটি পাঠকের হৃদয়ে গভীর দাগ কাটে, তাই আপনার লেখনীর এই সাবলীল ধারা নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে বজায় রাখলে দারুণ কিছু হবে।

  • পথযাত্রা

    .
    (১).

    ” বাবা, আমাকে যেতে দাও। প্লিজ বাবা, আজ গেলে আর যাব না। আমি কথা দিয়েছি, বাবা। মেয়েটা বসে থাকবে, ” দরজা ধাক্কাতে ধাক্কাতে করুণ স্বরে বলতে লাগল রাফিয়া। কিন্তু ওপাশ থেকে কিছুমাত্র সাড়া পাওয়া গেল না।

    রাফিয়া এবার রাফানকে ডাকতে শুরু করল, ” রাফান, তুই একটু খুলে দে-না ভাই। খুব জরুরী ওখানে যাওয়া। ”
    এবারও সাড়া পেল না সে। মরি…Read More

    4
    6 Comments
    • সুন্দর গল্প তবে, রাফিয়ার জন্য মনটা খারাপ লাগছে মঞ্চবন্ধু, এবার একটা মন ভালো করার গল্প চাই!

    • আপনার লেখাটিতে জীবনবোধ ও গভীর আবেগ এক অদ্ভুত সংবেদনশীলতা নিয়ে ফুটে উঠেছে, যা সত্যিই পাঠককে ভাবিয়ে তোলে। আপনি চমৎকারভাবে চরিত্রগুলোর মানসিক দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তুলেছেন, আর আমাদের এই সক্রিয় প্লাটফর্মে মাঝে মাঝে অন্যদের লেখায় মন্তব্য বা ভালোবাসা জানিয়ে নিজের উপস্থিতিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলুন, এতে সবারই ভালো লাগবে।

    • বড় বড় ঘটনার ঘাত প্রতিঘাত – খুব বাস্তব আর মন কেড়ে নেয়।

    • আবিদাতুর রাহমান, লেখাটির প্রতিটি লাইন এত হৃদয়স্পর্শী যে “সিজদায় পাওয়া গিয়েছিল রাফিয়াকে সেদিন” — এই লাইনটি পড়ে আমার বুকটা একদম কেঁপে উঠল! রাফিয়ার জীবনের এই কঠিন সত্যগুলো এবং তার শেষ অনুরোধগুলো পড়ে আপনার কি খুব কষ্ট হয়নি?

    • মাশাআল্লাহ, অসাধারণ লিখেছেন। রাফিয়ার জন্য দোয়া রইলো।

  • 3
    1 Comment

Friends

Profile Photo
Md Shakhawat Hossen
@mdshakhawathossen
Profile Photo
FAM Farhad
@fmfarhad71gmail-com
Profile Photo
area info
@areainfo
Profile Photo
গোলাম ফারুক অভি
@enterprisesikder45gmail-com
Profile Photo
02101988
@sahedahmed
Profile Photo
শেখ মিজানুর রহমান
@sheikhmizanurrahman66gmail-com
Skip to toolbar