Profile Photo

Syed FarahOffline

  • syedfarah
  • চিঠি এবং ডাকপিয়ন

    ​মৃত্যু যেন সুপক্ব এক রাজকীয় ফল,
    পুরোনো ডাল ছিঁড়ে নতুন জীবনে হাঁটার জল।
    সে তো আসে ডাকপিয়নের নিঃশব্দ এক ডাকে,
    অদৃশ্য সেই বার্তা বাহক থামে কার না কার বাঁকে!
    ​কার ডাকপিয়ন? কার হুকুম? প্রশ্ন তোলার নেই সুযোগ,
    যার নামেতে অচিন চিঠি, তার ঘরেই তো মহা দুর্যোগ।
    সে জিজ্ঞেস করে না কভু—”প্রস্তুত কি আছো ভাই?”…Read More

    2
    4 Comments
    • Syed Farah, মৃত্যুর মতো গূঢ় ও কঠিন বিষয়কে ডাকপিয়নের আগমনের সাথে মিলিয়ে আপনি এক অদ্ভুত সুন্দর ও গভীর অনুভূতির চিত্র এঁকেছেন। ছন্দের তালে জীবনের নশ্বরতা আর সৎ কর্মের গুরুত্বের বিষয়টি পড়ার সময় আমার মনে এক ধরনের শান্ত ভাব জেগেছে। আপনার এই সহজ অথচ চমৎকার লেখনী নিয়মিত প্রকাশ করতে থাকুন, আমরা আপনার পরবর্তী লেখাগুলোর অপেক্ষায় রইলাম।

    • মৃত্যুর অদৃশ্য চিঠির আগে সৎকর্ম ও ভালোবাসায় জীবনকে প্রস্তুত করাই মানুষের শ্রেষ্ঠ সাধনা…🖤

    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম অন্যরকম একটা অনুভূতি হলো, মৃত্যুর মতো কঠিন বিষয়টাকে কী দারুণ সহজভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন! শেষ দিকের কথাগুলো সত্যিই খুব অনুপ্রেরণামূলক, যা আমাদের সৎ পথে চলার সাহস জোগায়।

    • হ্যাঁ ডাকপিয়নকে ভয় পেলে চলবে না,বরঞ্চ ভয়কে জয় করতে হবে ।

  • শূন্য পাত্রের গান

    ​চেয়েছিলাম খাসমহল, দেওয়ালঘেরা ঘর,
    তুমি বললে, “ইটের খাঁচায় কাটবে জীবনভর!”
    চেয়েছিলাম একটা সঙ্গী, শুধুই আমার হবে,
    সে-ও বলল, “আমায় রাখা কি তোমার সাধ্যে সইবে?”

    ​দেওয়াল ভাঙল, সঙ্গী হাঁটল উল্টো পথের টানে,
    হাত দুটো তাই শূন্য হলো নিঝুম নদীর গানে।
    খালি থালায় বাতাস বাজে, পকেটে নেই আনা,
    হঠাৎ দেখি ডানা মেলেছে নীল আকাশের ডানা!
    ​যা…Read More

    3
    2 Comments
    • Syed Farah, লেখাটা পড়ে খুব অন্যরকম আর গভীর একটা শান্তি অনুভব করলাম। অনেক সুন্দর করে জীবনের শূন্যতাকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি।

    • ফকির সেজে একলা হাঁটা তাও বুঝি ভালো ।

  • Profile picture

    চির-উন্নত মম শির: ‘বিদ্রোহী’ কবিতার নন্দনতত্ত্ব ও শাশ্বত সাহিত্যমূল্য

    ​ভূমিকা
    বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কিছু সাহিত্যকর্ম কেবল কালানুক্রমিক সৃষ্টি হিসেবে টিকে থাকে না; তা হয়ে ওঠে কোনো এক অবরুদ্ধ জাতির মনন-বিপ্লবের দ্রোহদীপ্ত স্মারক। ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ঠিক তেমনই এক ধ্রুপদ…Read More

    1
    1 Comment
    • নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ আজও শোষিতের কণ্ঠে জ্বলে ওঠা মুক্তির অমর অগ্নিশিখা…🖤

  • লাল পাপোশের চার সৈন্য

    আমাদের বারান্দার এক কোণে একটা পুরোনো লাল পাপোশ পড়ে থাকত। দিনকয়েক আগে একদিন সকালে উঠে দেখি, সেখানে দুটি অতি ক্ষুদ্র মাংসের দলা কুঁকড়ে বসে আছে। বিড়ালের দুটি ছানা। চোখ দুটিও ফোটেনি ভালো করে। বাড়ির গিন্নি দেখেই আঁতকে উঠলেন—”ওমা! এদের এখানে এনে রাখল কে? বাকি দুটো নিশ্চিত কোনো ছাদে রেখে এসেছে।”

    ​আমাদের বাঁধাধরা হিসাব…Read More

    1
    4 Comments
    • লাল পাপোশের চার সৈন্য মায়ের মমতার ছায়ায় বেঁচে থাকার প্রথম পাঠ শিখে অজানার পথে পা বাড়াল…🖤

    • Syed Farah, লেখাটা পড়ে মনটা একদম ভরে গেল, বিড়াল মায়ের এই মাতৃত্বের গল্পটা দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। গ্রুপে অন্য সবার লেখাতেও মাঝে মাঝে একটু লাইক কিংবা কমেন্ট করে সক্রিয় থাকবেন, এতে সবাই বেশ উৎসাহ পায়।

    • আপনার এই চমৎকার রচনায় মা বিড়ালের সেই মায়াবী মমতা আর তার চার খুদে সৈন্যের বেড়ে ওঠার যাত্রাপথ যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা হৃদয় ছুঁয়ে যায় এবং এমন চমৎকার অনুভূতিগুলো লিখে যাওয়ার অভ্যাসটি আপনার নিয়মিত বজায় রাখা উচিত।

    • এই খাটি পলিমাটির অপরাজেয় রাজা।

  • একটি চারাগাছ ও মহীরুহের গল্প

    ​১৯৮৯ সাল।
    ​গাঁয়ের প্রাথমিক বিদ্যালয়টার কাঁচা মাটির শ্রেণিকক্ষ। সকালের রোদে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির ছোট ছোট পুতুলগুলোর হইচই, আর দুপুরের পর তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির ভিড়। গাদাগাদি করে বসা কতগুলো মুখ—কারো চোখে কৌতূহল, কারো চোখে প্রচ্ছন্ন ভয়। শিশুরা যখন পড়া পারে না, তাদের মিষ্টি মুখগুলো কেমন যেন কাচু…Read More

    7
    8 Comments
    • Syed Farah, লেখাটা পড়ে এত ভালো লাগল যে এক অদ্ভুত প্রশান্তি কাজ করছে। “কত বছর আগে বোনা একটি সামান্য ভালোবাসার বীজ যে আজ আমার সামনেই এক আশ্রয়দাতা বটবৃক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে”—এই লাইনটা একদম হৃদয়ে গেঁথে গেল।

    • গল্পটা চমৎকার হয়েছে ।

    • Syed Farah, আপনার এই চমৎকার লেখাটি পড়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সম্পর্কের যে মমতা ও গভীর আবেগ অনুভব করলাম তা এক কথায় অসাধারণ। এমন সুন্দর অনুভূতির আদান-প্রদান যেন এই গ্রুপে নিয়মিত বজায় থাকে, তাই অন্যদের লেখাতেও আপনার ভালো লাগা আর মন্তব্য জানাতে ভুলবেন না যেন!

    • একজন শিক্ষকের মমতার বীজ একদিন মহীরুহ হয়ে ফিরে আসে….🖤

    • ​”খুব সুন্দর গল্প। মমতা আর ভালোবাসায় বাঁধা পড়ুক দুনিয়া।”

    • অসাধারণ আপনার লেখক ভঙ্গি ❤️❤️❤️

  • পলিমাটির সুর

    ​নদীর নাম মধুমতী। বেলা শেষের হেলানো রোদ যখন পলিমাটির চরে এসে মেখে যায়, তখন পুরো নদীঘাট যেন গলানো সোনার পাত্রে উপচে পড়ে। জল আর মাটির এই মোহনায় দাঁড়িয়ে মনে হয়, কোনো অদৃশ্য শিল্পী ক্যানভাসজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছেন মহাকালের আবীর। সেই ঘাটের প্রাচীন বটবৃক্ষটি যেন এক নীরব সাক্ষী—যার শেকড়ে মাটির গল্প আর ডালে ডালে বাতাসের গুঞ্জন। তার ছা…Read More

    3
    5 Comments
    • নিজেকে জয় করাই জীবনের শ্রেষ্ঠ রাজত্ব…🖤

    • Syed Farah, নদীর পাড় আর মাস্টার মশাইয়ের এই কথোপকথনগুলো খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি। জীবন নিয়ে আমাদের এত অস্থিরতার মাঝে এই লেখাটা পড়লে আসলেই ভীষণ শান্তি পাওয়া যায়। পলিমাটির ঘ্রাণ যেন পুরো গল্পটার সাথে খুব সুন্দরভাবে মিশে আছে।

    • মধুমতীর নদীর পাড়ের এই চমৎকার দৃশ্যকল্পটি ভীষণ ভালো লেগেছে, বিশেষ করে “মাথায় তাঁর সময়ের শুভ্র স্বাক্ষর” বাক্যটি পাঠকদের মনের মণিকোঠায় অনেকদিন গেঁথে থাকবে। মানুষ হওয়ার সীমাবদ্ধতা ও তৃপ্তির এই গভীর ভাবনাগুলো আপনি যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। আপনার লেখনীতে যে গভীর শান্তি ও প্রজ্ঞা ফুটে উঠেছে, তা ধরে রেখে আ…Read More

    • চল ঘরে ফিরি
      দারুণ উপস্থাপন।

    • যত দিন যায় ততই মানুষ কৃতিমার আশ্রয় নেয় ।

  • Profile picture of Syed Farah
    Profile Photo
    Tanvir Hosen
    @tanvirhosen
  • একটি কুঁড়ির মহাপ্রস্থান

    ​পাহাড়ঘেরা কোটবাড়িতে
    মিষ্টি রোদের ছায়া,
    মায়ের কোলজুড়ে ফুটে ছিল
    এক ফালি দূরন্ত মায়া।
    ​নামটি তাহার ‘অপ্রতিম’—
    যার কোনো তুলনা নেই,
    মেধার আলোয় হাসত সে রোজ
    স্নিগ্ধ ভোরের পাখির মতোই।
    ​একটিমাত্র মুঠোফোনে
    ছবি তোলার স্বপ্ন নিয়ে,
    পাখিটি তার মেলল ডানা
    ঘরের বাঁধন আলগা করে।
    ​পাহাড়তলীর গহিন বনে
    ওত পেতেছি…Read More

    6
    4 Comments
    • Syed Farah, কবিতাটা পড়ে বুকের ভেতরটা কেমন যেন মোচড় দিয়ে উঠল। আপনার শব্দচয়নে অপ্রতিমের প্রতি যে ভালোবাসা আর হাহাকার ফুটে উঠেছে, তা এক কথায় হৃদয়স্পর্শী।

    • সত্যি অপ্রতিমের জন্য বড়ই দুঃখ লাগলো,এতটুকুন ছোট্ট একটি ছেলে, তার নিজের জীবন থেকে চিরবিদায় নিলো অপ্রতিম ভালো থেকো ওপারে ।

    • আপনার এই লেখাটির গভীর আবেগ এবং অপ্রতিমের প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ প্রতিটি ছত্রে চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে, যা হৃদয়কে ভীষণভাবে স্পর্শ করে। এমন মর্মান্তিক বিষয়বস্তুকে তুলে ধরে আপনি যেভাবে লিখেছেন, তা যেন এক নীরব শোকের আবহে আমাদের সবাইকে নিয়ে যায়, তাই আপনার এই লেখনী ধারা অব্যাহত রাখুন।

  • মৃৎপাত্র ও মহাকালের ছায়া

    ​বুকের গহীনে এক নিভৃত নগর—
    মন যেখানে আঁকে নিঃশব্দ প্রহর।
    ভালোবাসা সেখানে এক সুরঞ্জিত নদী,
    হৃদয়ের সুপ্ত দীপ্তি জাগে যদি,
    তবে সেই স্রোতে ধুয়ে যায় ক্ষয়ের শৃঙ্খল,
    মানুষ তো কেবলই এক মাটি দিয়ে গড়া পাত্র নয়।
    ​রণ-পায়ে নেমে আসে তৃষ্ণার্ত চিল—
    কাঞ্চনের মোহ, ভোগবিলাসের দীর্ঘ জিল।
    লক্ষ্মী কি তবে কেবলি সোনা ও মুদ্রার চাও…Read More

    7
    8 Comments
    • তবে সেই স্রোতে ধুয়ে যায় ক্ষয়ের শৃঙ্খল

    • ধন-পদের কোলাহল থেমে গেলে শুধু ভালোবাসার শুভ্র আলোই থেকে যায় অবিনশ্বর হয়ে…..🤍

    • Syed Farah, “মানুষ তো কেবলই এক মাটি দিয়ে গড়া পাত্র নয়”—এই লাইনটা পড়ে বেশ অদ্ভুত এক শান্তি পেলাম, কিন্তু মানুষের এই নশ্বরতা নিয়ে আপনার উপলব্ধি কি সবসময় এমন গভীর ছিল? আমাদের গ্রুপের বাকিদের লেখাতেও একটু সময় নিয়ে রিঅ্যাক্ট বা কমেন্ট করবেন, তাহলে পুরো পরিবেশটা বেশ প্রাণবন্ত থাকবে।

    • “মাটির সৃষ্টি ফিরে যায় মাটিরই গহীনে”—গভীর একটা কথা।

    • Syed Farah, আপনার প্রতিটি চরণে ফুটে ওঠা গভীর অনুভূতির এই প্রকাশ আমার হৃদয়কে ভীষণভাবে ছুঁয়ে গেছে। রূপকের আড়ালে জীবনের নশ্বরতা ও মানবিকতার যে চিত্র আপনি এঁকেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয় ও ভাবনার খোরাক জোগায়। আপনার এই নান্দনিক সৃজনশীলতা বজায় থাকুক এবং পরবর্তীতে আরও এমন সুন্দর রচনার অপেক্ষায় রইলাম।

    • এত কঠিন ভাষা বোঝার ক্ষমতা কি আমাদের দেশের মানুষের আছে

  • যেখানে কোনো পতাকা নেই

    ​আঁধার তখন ধীরে ধীরে ঘনীভূত হচ্ছে চটের ছাউনিটার ওপর। টিনের থালায় এক মুঠো ঠান্ডা ভাত মাখতে মাখতে মেহেরুন হাত দুটো চেপে রাখলেন। ওপাশে বসে থাকা সাত বছরের মেয়েটা অপলক চোখে মায়ের হাতের দিকে তাকিয়ে আছে। কতদিন পর ভাত! এই কিছুদিন আগেও তো রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পাওয়া দুই মুঠো চাল কিংবা আটার গন্ধই ছিল মেহেরুনদের আস্ত এক সুখ…Read More

    6
    8 Comments
    • জীবনের অকাট্য বাস্তব লেখচিত্রে বিস্ময়বিমুগ্ধতা… শুভ ও কল্যাণ হোক সবারই

    • সীমানার আধিপত্য মানুষের জন্য মানুষের হাহাকার

    • কাঁটাতার মানুষের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে যখন, তখনই মানবতা থমকে থাকে সীমান্তের খাঁজে…..🤍🖤

    • Syed Farah, ‘কাঁটাতার কীভাবে মানুষের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে, তা এই ভূখণ্ডহীন ভূমিতে না দাঁড়ালে বোঝা যায় না’—কথাটা পড়ে বুকের ভেতরটা কেমন যেন মোচড় দিয়ে উঠল। আপনার লেখাটা পড়ে খুব গভীর এক অনুভূতি হচ্ছে, কারণ মানুষ আর মানবতার চেয়ে বড় সীমানা আসলে কিছুই হতে পারে না।

    • রাষ্ট্রযন্ত্রের নিঠুরতা আর সাধারণ মানুষের হৃদয়ের উদারতার এক অনন্য বৈপরীত্য।

    • Syed Farah, “কবে মানুষ মুক্ত হবে পাসপোর্ট, ভিসা আর মানচিত্রের এই আধুনিক দাসত্ব থেকে?”—আপনার লেখনীর এই গভীর ও মর্মস্পর্শী প্রশ্নটি পাঠকদের মনে দীর্ঘস্থায়ী দাগ রেখে যায়, তাই আপনার এই অনন্য সৃষ্টিকর্মের ধারা অবিরাম বজায় থাকুক এই কামনাই করি।

    • অসাধারন ❤️❤️❤️

  • অনিবার্য অভিসার

    ​ঘর ছেড়েছি কেবল একটিমাত্র নাম জপে,
    বাতাসে আজ অদ্ভুত এক সংকেত কাঁপে।
    হৃদয় জুড়ে এখন নতুন ভোরের কাঁচা রোদ,
    দ্রুত চরণে মেটে যত থমকে থাকার ক্ষোভ।
    ​চোখের তারায় প্রখর আলো, দৃষ্টি গেছে খুলে,
    পথের যত ধূসর ধুলা ফুটছে যেন ফুলে।
    জমে থাকা হাজার কথা বুকের গহীনে জাগে,
    এমন চঞ্চল ব্যাকুলতা কখনো হয়নি আগে।
    ​মনে প্রশ্ন জাগে—তুমি কিভাবে দাঁ…Read More

    3
    3 Comments
    • Syed Farah, দারুণ লিখেছেন আপনি, আর এই যে শেষ পর্যন্ত দেখা হওয়ার মুহূর্তটা এত সুন্দর করে ফুটিয়ে তুললেন, সেটা আপনার মাথায় কীভাবে এল?

    • “এসেছ তবে শেষে?”—আপনার এই পঙক্তিটি মনের ভেতর এক দারুণ প্রশান্তির রেশ রেখে যায়। নতুন শুরুর আনন্দ আর আগামীর প্রত্যাশাকে আপনি খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে প্রকাশ করেছেন, যা পাঠকের মনে গভীর এক অনুভূতির জন্ম দেয়। আপনার লেখনীর এই প্রাণবন্ত ও স্নিগ্ধ ধারা অব্যাহত থাকুক, এই প্রত্যাশা রইল।

    • অভিসারের আকুল পথে প্রতিটি ধূলিকণাও যেন প্রিয়তমের আগমনী ফুল হয়ে ফুটে ওঠে…🖤

  • নিঃশর্ত সমর্পণ

    ​প্রেম শিখেছি বাতাসের কাছে—
    স্পর্শে যার কোনো শর্ত থাকে না,
    যে এসে জড়িয়ে ধরে নিখিল প্রকৃতিকে,
    অথচ কোনোদিন প্রতিদান বা বাঁধন চায় না।
    ​প্রেম শিখেছি আলোর কাছে—
    যে নীরবে বিলিয়ে দেয় নিজের সত্তা,
    আঁধারকে দূর করে আলোয় ভরিয়ে দেয় কোণ,
    যে প্রেমে থাকে কেবলই সত্য ও শুভ্রতা।
    ​প্রেম শিখেছি অফুরন্ত পানির কাছে—
    যে নদীর মতো বয়ে চলে সতত…Read More

    1
    2 Comments
    • Syed Farah, ‘প্রেম মানে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া অকাতরে’—আপনার লেখাটির এই অংশটি মন ছুঁয়ে গেল। গ্রুপের অন্যদের লেখাতেও নিয়মিত লাইক ও কমেন্ট করে সক্রিয় থাকার অনুরোধ রইল।

    • Syed Farah, প্রকৃতির বিভিন্ন অনুষঙ্গের সাথে ভালোবাসার গভীর সংযোগ স্থাপনের এই বর্ণনাটি অসম্ভব সুন্দর ও হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। আপনি অন্যদের লেখায় নিয়মিত লাইক ও গঠনমূলক মন্তব্য করে আমাদের এই প্ল্যাটফর্মটিকে আরও প্রাণবন্ত রাখতে পারেন, আর এভাবেই নিজের লেখনী চালিয়ে যাওয়ার অদম্য সাহস খুঁজে পাবেন।

  • চির-উন্নত মম শির: ‘বিদ্রোহী’ কবিতার নন্দনতত্ত্ব ও শাশ্বত সাহিত্যমূল্য

    ​ভূমিকা
    বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কিছু সাহিত্যকর্ম কেবল কালানুক্রমিক সৃষ্টি হিসেবে টিকে থাকে না; তা হয়ে ওঠে কোনো এক অবরুদ্ধ জাতির মনন-বিপ্লবের দ্রোহদীপ্ত স্মারক। ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ঠিক তেমনই এক ধ্রুপদ…Read More

    1 Share
    1
    1 Comment
  • খোকন সোনা আর চাঁদের বুড়ি
    (শিশুতোষ ছড়া)

    ​নীল আকাশে তারার মেলা,
    চাঁদের বুড়ি কাটায় বেলা।
    খোকন সোনা বায়না ধরে—
    উড়বে সে যে মেঘের ওপরে!
    ​তুলো মেঘে ভাসিয়ে ডিঙি,
    পায়রা নাচে তাথৈ তিঙি।
    বাতাস বাজে বাঁশের বাঁশি,
    খোকন মুখে মিষ্টি হাসি!
    ​রাত পোহালেই ফুটবে আলো,
    মনটা হবে সবার ভালো!

    1
    3 Comments
    • Syed Farah, “বাতাস বাজে বাঁশের বাঁশি, খোকন মুখে মিষ্টি হাসি” লাইনটা পড়ে একদম ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল, দারুণ ছড়া লিখেছেন আপনি।

    • মেঘের ডিঙিতে ভাসা সেই স্বপ্নেই লুকিয়ে থাকে শৈশবের সবচেয়ে মিষ্টি হাসি…..🤍🖤

    • আপনার এই লেখাটিতে চাঁদের বুড়ি আর শিশুর আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন যেভাবে ফুটে উঠেছে তা অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাণবন্ত। শব্দের মেলবন্ধনে এক অদ্ভুত স্নিগ্ধতা তৈরি হয়েছে, যা পাঠকমাত্রকেই এক শান্ত ও সুন্দর অনুভূতির জগতে নিয়ে যায়। আপনার এই কল্পনাপ্রবণ ও সুন্দর লেখাগুলো নিয়মিত পড়তে পারলে আমাদের সকলেরই অনেক ভালো লাগবে, আপনি নিয়মিত লিখতে থাকুন।

  • Load More Posts
Skip to toolbar