• তস্কর স্পর্শ
    আলতাফ হোসেন উজ্জ্বল
    মায়ামৃগের ভাষায় এসো—
    মেঘের শুদ্ধতায় স্নাত হোক প্রেম,
    ধুলো ঝেড়ে জেগে উঠুক
    হৃদয়ের গোপন বসন্ত।
    কচুরিপানার ফুলে চাঁদ মুগ্ধ রাতে,
    তোমার চোখে খুঁজি অপার্থিব আলো—
    পদ্মাবতী, থামাও উত্তাল নদী,
    কৃষ্ণপক্ষ ভেঙে এসো
    আমার নিঃসঙ্গতার নীল দরজায়।
    তোমার স্পর্শে—
    মেঘমল্লারে ফুটুক ভালোবাসা,…Read More

    1
    7 Comments
  • ​ডিজিটাল সংযোগের যুগে বিচ্ছিন্ন মানুষ: আমাদের একাকীত্বের আড়ালে কী?
    নাজনীন শামীম
    চট্টগ্রাম থেকে
    ২০শে অক্টোবর ২০২৬ইং

    ​আমরা ইতিহাসের এমন এক সময়ে বসবাস করছি, যেখানে পুরো পৃথিবী আমাদের হাতের তালুতে আটকে আছে। কয়েক হাজার মাইল দূরের কোনো মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে এখন আর দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয় না, একটা সিঙ্গেল ক্লিকই যথেষ্ট।…Read More

    1
    5 Comments
    • আপনার লেখায় “প্রযুক্তি আমাদের যোগাযোগের মাধ্যম হতে পারে, কিন্তু মানুষের অন্তরের তৃষ্ণা মেটানোর বিকল্প হতে পারে না” কথাটি অত্যন্ত গভীর ও বাস্তবসম্মত মনে হয়েছে। ডিজিটাল যুগের এই নীরব একাকীত্বের সংকট নিয়ে আপনার এই চিন্তাশীল বিশ্লেষণটি পাঠকদের নিজেদের জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবতে সাহায্য করবে। আপনি নিয়মিত লিখুন, কারণ আপনার এই শক্তিশালী ও সচেতন উপস্…Read More

    • নাজনীন শামীম, আপনার লেখাটা পড়ে একদম মনের কথাগুলোই যেন সামনে চলে এলো। ডিজিটাল দুনিয়ার এই ভীড়ে আমরা আসলেই কতটা একা হয়ে গেছি, সেটা খুব সুন্দর করে তুলে ধরেছেন।

    • ডিজিটাল প্রযুক্তি আমাদের যেমন সব সহজ করে দিয়েছে, তেমনি আমাদের কে অলস বানিয়ে দিয়েছে সহজেই।

  • হার্ডডিস্কের অন্ধকার ঘর
    কাজী অ্যাডাম

    আমার ভেতরে একটি ঘর আছে,
    যেখানে কাউকে ঢুকতে দিই না।

    সেখানে রাখা আছে
    তোমার চলে যাওয়ার দিন,
    তোমার বলা শেষ মিথ্যাটি,
    একটি ক্ষমা না চাওয়া,
    আর একটি দরজা
    যা আমি নিজেই বন্ধ করেছিলাম।

    বাইরে থেকে আমি স্বাভাবিক।

    কাজ করি,
    হাসি,
    মানুষের সঙ্গে কথা বলি।

    কেউ জানে না,
    রাতে আমি সেই ঘ…Read More

    1
    6 Comments
    • অতীতের স্মৃতিগুলোকে আগলে রাখা এই মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনটুকু অদ্ভুত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি, যেন মানুষের অন্তরের গহীনে জমে থাকা নীরব হাহাকারকে খুব কাছ থেকে অনুভব করা গেল, তাই এই গভীর অনুভূতির রেশ ধরে আপনি আরও অনেক সৃষ্টিশীল কাজ চালিয়ে যাবেন এই প্রত্যাশা রইল।

      • অতীতকে আঁকড়ে থাকা আর তা থেকে মুক্তি চাওয়ার মাঝখানে যে অদৃশ্য লড়াই, সেখানেই বোধহয় মানুষের সবচেয়ে নিঃশব্দ যন্ত্রণাগুলো বাস করে। আপনার পাঠে সেই দ্বন্দ্বটুকু এত গভীরভাবে ধরা পড়েছে জেনে সত্যিই ভালো লাগল।

    • অসাধারণ লিখেছেন,শুভকামনা রইল

      • কবি বন্ধু, আপনার শুভকামনা আমার কাছে সুন্দর এক প্রাপ্তি। আপনার কলমেও জন্ম নিক এমন সব সৃষ্টি, যা পাঠকের মনে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকে।

    • আপনার লেখা “মানুষ নিজেই সেটা সারাজীবন বহন করে” লাইনটা পড়ে একদম মনের ভেতর গেঁথে গেল। এমন অনুভূতিগুলো কি আসলে সময়ের সাথে সাথে হালকা হয় নাকি আমাদের সাথেই থেকে যায়?

      • আমার মনে হয় সময় অনুভূতির ভার কমাতে পারে, কিন্তু সব স্মৃতির ওজন মুছে দিতে পারে না। কিছু ক্ষত একসময় ব্যথা দেওয়া বন্ধ করে, তবু জীবনের কোনো বাঁকে তাদের অস্তিত্ব টের পাওয়া যায়।

  • সক্রিয়তা স্কোর ১০০০ পার হবার জন্যে এ সপ্তাহে মঞ্চবন্ধু খেতাবে ভূষিত হয়েছেন:

    * মেহেদী মারুফ @maruf1
    * শাহ্ আলম আল মুজাহিদ @shahalam

    লেখকমঞ্চে আপনাদের চমৎকার উজ্জ্বল উপস্থিতি, রি-একশন এবং মন্তব্যের মাধ্যমে মঞ্চকে একটি জমজমাট স্থান হিসাবে গড়ে তোলাতে আপনাদের এই অবদানের জন্য নিন অজস্র অভিনন্দন !

    প্রত্যেক নতুন ধাপ অগ্রসর হবার সাথে সাথে আপনাদ…Read More

    2 Comments
    • আপনারা নিয়মিত সক্রিয় থেকে যেভাবে সবাইকে উৎসাহ জুগিয়ে যাচ্ছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয় এবং অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। আমাদের এই সুন্দর আসরটিকে আরও প্রাণবন্ত রাখতে আপনি যেমন নিয়মিত লিখছেন, তেমনি অন্যদের লেখায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ও মন্তব্য করেও পাশে থাকার অনুরোধ রইল।

    • তুলট ডেস্ক, মঞ্চে আপনাদের এমন সুন্দর সক্রিয়তা আর সরব উপস্থিতি দেখে সত্যি খুব ভালো লাগছে, সবাইকে অনেক অনেক অভিনন্দন।

  • আযান শুনি
    লেখক : মোঃ নাজমুল আখতার।

    ক্ষুদ্র ক্ষুদ্রকাঠের গুড়োয় বাতাস যেন এখানে এসে ক্রমেই পরিবেশটা ভারী হয়ে যাচ্ছে। কাপড়ে মোড়ানো সমস্ত মুখখানা, দমচাপা দম নেওয়াই কষ্ট হয়ে যায়।

    স মিলের তীক্ষ্ণ ধারালো ব্লেডের দাঁতের সারিবদ্ধ লাইন প্রচন্ড চলমান গতিতে কাঠগুলোকে ধাপে ধাপে দেহ ছেদে আলাদা করে যাচ্ছে। ছ’তলার মসজিদ হতে আযানের বাণী মাইকে ভেসে আসছ…Read More

    2
    6 Comments
    • মো: নাজমুল আখতার, আপনার লেখায় ধুলোবালি ভরা কর্মব্যস্ত জীবনের মাঝে আযানের ডাকের সাথে হৃদয়ের যে টানাপোড়েন ফুটে উঠেছে, তা এক অদ্ভুত প্রশান্তি এবং জীবনের নিরেট সত্যকে খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে, তাই আপনার এই ভাবনার ধারাটি অব্যাহত থাকলে আরও চমৎকার সব সৃষ্টি আমাদের উপহার দিতে পারবেন।

    • মো: নাজমুল আখতার, আপনার লেখাটা পড়ে একদম চোখের সামনে পুরো দৃশ্যটা ভেসে উঠছে। কাজের ফাঁকে আযানের সুর আর বাস্তবতার যে টানাপোড়েন আপনি তুলে ধরেছেন তা সত্যিই বেশ গভীর। লেখাটি পড়ার পর বেশ অন্যরকম একটা অনুভূতি হলো।

    • বেচারা সাধু পায়না মধু।

  • নীলিমা (১)
    ——————বুলবুল আহমেদ——-

    এই শোন–
    আজ না, তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে।
    জানি! আয়নায় দেখেছি –
    এই শোন, চুলের খোঁপায় ফুল দাওনি কেন?
    ফাগুন তো আসেনি এখনও।
    ও আচ্ছা। কপালে টিপ দিতে বুঝি ভুলে গেছো ;
    টিপ তো দেইনা কখনও।
    জানো! আমি না টিফিনের কিছু টাকা জমিয়েছি –
    ভাবছি আর কিছু টাকা হলেই ;
    তোমার জন্য একটা নীল শ…Read More

    2 Comments
    • আপনার লেখনীর “স্বপ্নহীন চোখে,অন্তহীন চাহনিতে দাঁড়িয়ে পাশাপাশি” এই অংশটুকু অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী, আর সম্পর্কের টানাপোড়েন ও জীবনের রূঢ় বাস্তবতাকে ফুটিয়ে তোলার এমন সুন্দর প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়; আপনি যদি এই সংবেদনশীল ধারাটি বজায় রাখেন তবে লেখাগুলো পাঠকদের হৃদয়ে আরও গভীরভাবে দাগ কাটবে।

    • মো বুলবুল আহমেদ, লেখাটা একদম বাস্তব জীবনের টানাপোড়েন আর আবেগের একটা সুন্দর মিশ্রণ, কিন্তু আপনার এই নীলিমা কি শেষ পর্যন্ত লাল বেনারসি পরার স্বপ্নটা আর পূরণ করতে পারেনি?

  • নীলিমা (২য় পর্ব)
    বুলবুল আহমেদ——-

    তারপর
    দেখা সেই রাস্তার মোরে,
    যেখান থেকে খাঁচার পোষা পাখি গিয়েছিল উড়ে।
    চোখ পরে গেল চোখে, ধুকবুক শুরু হল স্তব্ধ এ বুকে ;
    কাঁপুনি জেগেছে ঠোঁটে, কত কথা বুকে জমা তবু নাহি মুখ ফোটে।

    নীলিমা হঠাৎ চেয়ে আমার পানে ‘কত বছর কেটেছে সঙ্গোপনে,
    একবারও কি পড়েনি আমায় মনে?
    জানো তোমায় অনেক ভেবেছি,
    ভাবতে…Read More

    2 Comments
    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম হারিয়ে গেলাম, বৃষ্টির দিনের এই স্মৃতিগুলো ভীষণ সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন। এই লেখাটা পড়তে পড়তে মনের ভেতর এক অদ্ভুত ভালো লাগা কাজ করছে।

    • আপনার এই লেখনীতে প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার মুহূর্তটি অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে এবং বৃষ্টিভেজা অনুভূতির বর্ণনাটি মনে প্রশান্তি ছড়িয়ে দেয়। বৃষ্টির দিনে কদম ফুলের সাথে ঘাসফুলের নুপুর পরিয়ে দেওয়ার দৃশ্যটি কল্পনা করা খুবই চমৎকার একটি অভিজ্ঞতা। আশা করছি আপনার লেখনীর ধারা এভাবেই অব্যাহত থাকবে এবং আপনি আরও অনেক সুন্দর উপহার আমাদের দেবেন।

  • কাসুন্দি উবাচ্‌
    পাড়ার সর্বজ্ঞদার চায়ের দোকানে বেঞ্চিতে বসে গামছাদা, লুঙ্গিদা আর ধুতিদা। সর্বজ্ঞদা স্নাতকস্তরে পড়াশুনা শেষ করে মফস্বলের আর পাঁচটা ছেলেপিলের মত চাকরি পরীক্ষার ইঁদুড় দৌড়ে সামিল হননি। বাবার জুটমিল বন্ধ থাকার পর থেকে নিজে বিয়ে থা না করলেও দুবোনের বিয়ে দেওয়া ইস্তক ভাইয়ের লেখাপড়া চালিয়েছেন এই দোকানটা করে। গামছাদা সর্বজ্ঞদাকে – “কে…Read More

    2 Comments
    • আপনার লেখাটা পড়ে একদম মনে হচ্ছে যেন আমাদের পাড়ার মোড়ের দোকানের চিরচেনা দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে উঠছে। চায়ের আড্ডায় মানুষের ভিন্ন ভিন্ন মতামতের লড়াইটা আপনি খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আচ্ছা, শেষ পর্যন্ত ধুতিদা কি ওই টপিকটা নিয়ে সর্বজ্ঞদার সাথে কথা বলেছিলেন?

    • মৈনাক, আপনার বর্ণনায় চায়ের দোকানের আড্ডা আর চরিত্রগুলোর মধ্যকার টানাপোড়েন এত জীবন্ত হয়ে উঠেছে যে মনে হচ্ছে ঠিক চোখের সামনেই সব ঘটছে। কথোপকথনের মাঝে ছোট ছোট বাক্যে যে গভীর সত্য লুকিয়ে রেখেছেন, তা পাঠকদের ভাবনার খোরাক জোগাবে এবং বিষয়বস্তুর সাথে নতুন কোনো নিরীক্ষা যোগ করতে চাইলে তা লেখার মান আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। আপনার কলমের এই সাবলীল ভঙ…Read More

  • আজ লিখছি।

    পাউরুটি
    ফাতেমা সিনথিয়া

    দুধে ভেজানো বিস্কুট,
    হাতে এক কাপ চা, খোলা জানলা,
    বাহিরে বৃষ্টি হচ্ছে খুব।
    আমি নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করি।
    দুধ চা আর বিস্কুট,
    স্বাদ ই আলাদা ।
    কিন্তু,
    দুধে ভেজানো পাউরুটি?
    অনেক দিন হলো খাই না।
    ছোট্ট থাকতে কত খেতাম,
    এখন আর খাওয়া হয় না।
    অনেক কিছুই আগের মত নেই,
    বৃষ্টি হচ্ছে।
    যদি ভ…Read More

    2 Comments
    • bithy 123 bithy, বৃষ্টির দিনে আপনার এই লেখাটা পড়ে ছোটবেলার অনেক স্মৃতি চোখের সামনে ভেসে উঠল, ভীষণ সুন্দর লিখেছেন আপনি।

    • bithy 123 bithy, আপনার লেখায় দুধে ভেজানো পাউরুটির সাথে জীবনের অভিজ্ঞতার যে চমৎকার তুলনা ফুটিয়ে তুলেছেন তা হৃদয়ে গভীর প্রশান্তি এনে দেয়, বিশেষ করে “দুধে ভিজে ও নেতিয়ে যায়, কিন্তু মিশে যায় না” এই অংশটি বিষণ্ণ বৃষ্টির দিনে মনের ভেতরে একরাশ সাহসের সঞ্চার করে, তাই এই সুন্দর অনুভূতির ধারাবাহিকতায় আপনার কলম যেন এভাবেই সবসময় সচল থাকে।

  • বোধ
    “আমি বিশ্বাস করি না, মৃত্যু নয় কোন প্রতিশোধ।”

    কবি বেই দাও

    মানুষ মৃত্যুকে ঘৃণা করে। বেঁচে থাকার জন্য ডুবন্ত মানুষ খড়কুটো আঁকড়ে ধরে। শরীরে পচনধরা মানুষ তবু বেঁচে থাকার চেষ্টা করে।

    মানুষ মৃত্যুকে মেনে নিতে চায় না, পারেও না। এই কথা পৃথিবীর সকলের জন্য সত্য।

    তাই বেঁচে থাকো, কারণ জীবন তোমার অধিকার। বেঁচে থাকো জীবনের প্রবল আকাঙ্ক্ষ…Read More

    2
    6 Comments
  • বিচ্ছু সেই
    — শরীফ এমদাদ হোসেন
    বাঁচতে আমি চাইনি কিন্তু বাঁচায় আমায় টেনশনে
    দিন কাটে না রাত কাটে না বেতনবিহীন পেনশনে।
    বাজার মুখী চাই না যেতে চাই না খেতে তরকারি
    যাই না এখন ঘরের বাহির হোক না যতই দরকারী।
    মাসের শেষে বিল আসে তা পৌঁছাতে হয় ঠিকমতো
    না হলে তো পানি বিদ্যুৎ আর ওষুধ মুদি বাদ যেতো।
    খাবার চালের দাম বেড়েছে ঠিক অল্প নাকি সামান্য
    যে…Read More

    1
    2 Comments
    • শরীফ এমদাদ হোসেন, “যারা লোটে ফায়দা উঠায় পাচার করার বিচ্ছু সেই”—লাইনটা একদম সত্যি কথা বললেন, বর্তমান সময়ের বাজারের যা অবস্থা তাতে মনটা খুব খারাপ হয়ে যায়।

    • আপনার লেখায় ‘যারা লোটে ফায়দা উঠায় পাচার করার বিচ্ছু সেই’ লাইনটি বাস্তবতাকে খুব তীক্ষ্ণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে, তাই এমন সমাজ সচেতন লেখা নিয়মিত লিখে আমাদের মুগ্ধ করতে থাকুন।

  • সারারাত কেটে গেলো অস্থিরতায়’। দুটি আঁখিপল্লবে আজ নামলো না রাজ্যের ঘুম। অথচ মা বলে আমার নাকি ঘুমের মাত্রা অনেক গভীর! কেন যে এই অস্বস্তি’ সেটা ভাবতে ভাবতেই রাতের নিকষ কালো আঁধার শেষে ধরনীতে নেমে এলো সোনালী স্নিগ্ধ আলো! সেই যে আঁখিদ্বয় হতে নিদ্রা নিলো বিদায়! ফিরলো না আর এই মানবীর তরে’ হতাশা সব করে নিলো আদায়! সেইরাতে ঘুম যে কেন এ…Read More

    1
    4 Comments
    • Nusrat jahan Sadia, লেখাটা পড়ে মনের ভেতরে কেমন একটা অদ্ভুত বিষণ্ণতা কাজ করছে। আসলে কিছু রাত কেন যে এমন নির্ঘুম কাটে, তার কোনো সদুত্তর হয়তো আমাদের কারোরই জানা নেই। আপনার শব্দ চয়নগুলো বেশ দারুণ হয়েছে, একদম মনের গভীরের কথাগুলো ফুটে উঠেছে।

    • আরো সুন্দর হউক প্রিঢ কবি।

    • Nusrat jahan Sadia, আপনার এই রচনায় নিঝুম রাতের একাকীত্ব আর মনের ভেতর জমে থাকা অব্যক্ত অনুভূতির যে ছবি ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই গভীর ও স্পর্শকাতর। রবীন্দ্রনাথের কবিতার সেই নিশীথ নিস্তব্ধতার মতো আপনার শব্দের বুননগুলো পাঠককে এক গভীর ভাবনার জগতে নিয়ে যায়, তাই এভাবেই মনের কথাগুলো কলমের কালিতে ফুটিয়ে তুলতে থাকুন।

  • ভালোবাসার হাতে খড়ি
    মাহমুদ হায়াত

    অপ্রকৃতস্হ একটা জলের প্রপাতে
    নিলাভ জোছনার স্নিগ্ধ আলোর দ্যুতি,
    কখন যে অজান্তে ছায়া ফেলেছে তাতে।
    আমি বুঝিনি স্বচ্ছ সে মধুর মুরতি,
    তখনো অস্পষ্ট ভালোবাসা কারে বলে
    স্তব্ধ জল আর রোদের সে লুকোচুরি।
    ধীরে ধীরে বুকে বাসা বাঁধে নানাছলে,
    অজান্তে হয় ভালোবাসার হাতে খড়ি।

    আর সেই আবরণহীন সুখগুলো
    বুক…Read More

    2
    3 Comments
    • সত্যি অসাধারন লিখেছেন🌸

    • Mahmud Hayat, লেখাটা পড়ে মনটা একদম ফ্রেশ হয়ে গেল। ভালোবাসার শুরুর অনুভূতিগুলো আপনি খুব সুন্দর করে গুছিয়ে লিখেছেন। এইরকম মিষ্টি কবিতা আরও পড়তে চাই আপনার প্রোফাইলে।

    • MAHMUD HAYAT, আপনার নিলাভ জোছনার স্নিগ্ধ আভা আর রোদের লুকোচুরির মতো চমৎকার সব উপমার বুনন হৃদয় ছুঁয়ে গেছে, আর ছন্দের দোলাচলকে আরেকটু মসৃণ করলে প্রতিটি চরণে আবেগের গভীরতা আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

  • জীবন মানে এখানে
    মাহমুদ হায়াত

    আমি যেখানে যত দূর যাই
    আতঙ্ক জড়ানো ভীরুভীরু পায়,
    একবার ডানে একবার বাঁয়
    তারপর পশ্চাৎ সন্মুখে চাই।

    চারিদিক পৈশাচিক সহজাত
    ওৎ পেতে বিভসৎ কালো হাত,
    দিনরাত মেলে আছে বিষদাত
    জীবন মানে এখানে সংঘাত।

    আগ্রাসন খুন ধর্ষন অহরহ
    ভয়ঙ্কর ভয়াবহ দুর্দিন দূঃসহ,
    মগজে মগজে দ্রোহ-বিদ্রোহ
    জীবন এখানে…Read More

  • জীবন মানে এখানে
    মাহমুদ হায়াত

    আমি যেখানে যত দূর যাই
    আতঙ্ক জড়ানো ভীরুভীরু পায়,
    একবার ডানে একবার বাঁয়
    তারপর পশ্চাৎ সন্মুখে চাই।

    চারিদিক পৈশাচিক সহজাত
    ওৎ পেতে বিভসৎ কালো হাত,
    দিনরাত মেলে আছে বিষদাত
    জীবন মানে এখানে সংঘাত।

    আগ্রাসন খুন ধর্ষন অহরহ
    ভয়ঙ্কর ভয়াবহ দুর্দিন দূঃসহ,
    মগজে মগজে দ্রোহ-বিদ্রোহ
    জীবন এখানে…Read More

  • উপকথা ৩১ ডিসেম্বর

    ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

    .

    [Dedication

    Dedicated to my otherworldly girlfriend,

    Jannat Sina Foring character based on real life model Jannatul Ferdous Sina— one of the most beautiful girl in Bangladesh.🇧🇩 and my anima!

    Her image brought light to my darkest days and lifted my spirits when I was at…Read More

    2 Comments
    • Ashik Mokami, লেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগলো যে কীভাবে কারো অস্তিত্ব আপনার অন্ধকার দিনগুলোতে আলোর মতো কাজ করেছে। বিশেষ করে ‘শেষের ওই ডটটা তার কপালের টিপ’—এই লাইনটা দারুণভাবে হৃদয়ে গেঁথে যাওয়ার মতো। আপনার এই সুন্দর অনুভূতিগুলো শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

    • Ashik Mokami, আপনার এই লেখাটিতে প্রিয়জনের প্রতি যে গভীর মুগ্ধতা ও স্নিগ্ধ আবেগের প্রকাশ ঘটেছে তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী, আর সামনের দিনগুলোতে এমন আরও সুন্দর অনুভূতিগুলো আপনার লেখনীতে নিয়মিত দেখতে পেলে খুব ভালো লাগবে।

  • মগজে কারফিউ!
    সোহেল নেওয়াজ

    একটু সময় চাই
    তোমায় খুঁজবার
    একটু সময় চাই
    সময় বরাবর
    দীর্ঘ এ পথ
    কতটা পথের
    কতটা নিজের
    নাকি আবেগের
    থামছে, চলছে
    দিচক্র রথ
    একটু প্রার্থনা
    ঘুচিয়ে বাসনা
    সাধ মিটিয়ে
    যাই চুকিয়ে
    যাই মিটিয়ে
    সকল লেনাদেনা
    কেমন যেন বিমুঢ়
    আস্ফালন
    সংখ্যাগুলো শুধুই সংযোজ…Read More

    1
    4 Comments
    • Shohel Nawaz, লেখাটা পড়ে খুব অন্যরকম একটা ফিল হলো। মগজে কারফিউর ব্যাপারটা আপনি দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আপনার এই অস্থির সময়ের ভাবনার পেছনের মূল কারণটা আসলে কী?

    • \”মগজে কারফিউ\” পঙ্‌ক্তিটির মধ্য দিয়ে যে যান্ত্রিক জীবনের অস্বস্তি আপনি তুলে ধরেছেন, তা পাঠকের মনে গভীর এক প্রশান্তি ও অস্থিরতার দোলা দিয়ে যায়। ব্যস্ততার মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলার এই আর্তনাদ দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনি, তাই এমন মননশীল লেখা নিয়মিত লিখে আমাদের সমৃদ্ধ করবেন বলেই আশা রাখি।

  • Load More Posts
Skip to toolbar