-
~আমাদের চিন্তাধারা~
স্তব্ধতা বলতে আমরা বুঝি নীরবতা। রাতের নীরবতা আমার সবাই দেখে থাকি। কিন্তু দিনের যে নীরবতা আছে তা উপলব্ধি করার সময়টাই বা আমাদের কোথায়?
যেমনটা আমরা**
ভেবেই পাইনা আমরা কিভাবে সমস্যা থেকে বের হয়ে আসবো কখনো কি ভাবা হয়েছে সমস্যাটা কেন হয়েছে? আমরা ভাবি এটা থেকে বাঁচলেই হয় কিন্তু সমাধানের চেষ্টা যে অনেক কমই আছে যার করে থাকি।যেমনটা রাতের আকাশ সবাই দেখে,,,রাতের নিস্তব্ধতা সবাই বুঝে। কিন্তু দিনের নিস্তব্ধতা কেউ বুঝতে চায় না।
নিজই দৈনন্দিন কাজে আমরা এতটাই ব্যস্ত যে বাইরের জগতটাকে দেখতে আমরা চাই না। যারা দেখি তারা যেন আনন্দটা উপলব্ধি করতে পারিনা।
সৃষ্টিকর্তা আমাদের বানিয়েছে তার তৈরি করা অপার সৌন্দর্যে বিস্তৃত জগৎটাকে দেখার জন্য , উপলব্ধি করার জন্য।
হায়! আফসোস…আজ আমরা তা করি না।সৃষ্টিকর্তার সেরা জীব মানুষ। মানুষ বুদ্ধিমান প্রাণী। বর্তমান সময়ে আমরা মানুষেরা প্রকৃতির এই সৌন্দর্য টাকে নষ্ট করে দিচ্ছি। তেমনি অহংকারীও হয়ে উঠছি।
কিছু লোক আছে যারা ভেবেই পায়না, কি করবে শুধুমাত্র লোক কি বলবে? এই ভয়ে।
কিছু আছে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী। তাদের যা মাথায় আসে তারা তাই করে বসে।
কিছুমানুষকে তো যেন বাদ দেওয়া যায় না।সমাজে এক নামে তাদের চেনা যায়। আমরা তাদের বলে থাকি নিন্দুক বা সমালোচনাকারী। যারা নিজে কি করে তা আমার জানা নেই কিন্তু অন্যের সমালোচনা করতে পিছুপা হয়না।
কিছু আছে আবেগি। আবেগ দিয়ে মানুষ, পরিস্থিতি বিচার করে।
কিছু আছে নির্বোধ। তার কথা হচ্ছে অন্যকে খুশি করে আমি কি করবো? নিজই স্বার্থ তার কাছে বড়। তার কর্মকাণ্ডের কারণে যে আড়ালে থাকা অন্য মানুষটিযে কষ্ট পাচ্ছে সেটা সে বুঝতে চায় না।
কিছু আছে আত্মমর্যাদাবান । তারা পরিবার-পরিজন, সমাজ , দেশ সবাইকে নিয়ে এগিয়ে চলে।কিছু আছে যারা এখন ভাবছে,,,আমি কেন লিখছি এসব…তারা ভাবছে, আমি সমাজের মানুষের মধ্যকার বৈশিষ্ট্য তুলে ধরছি।
আসলেই কি তাই! লেখায় তুলে ধরতে চেয়েছি এক চিত্র। আমাদের সবার সাথে পরিচিত। আসলে বলতে চেয়েছিলাম মানুষ আমরা সবাই ।যে যাই করি সবসময় অন্যের কথা ভেবে করি ।এই যে কেউ আছি নিজেকে নিয়ে ভাবি। কেউ আছি অন্যের সমালোচনা করে বেড়াই । কেউ আছি লোকে কি বলবে?এই ভয়ে কিছু করার সাহস টুকু পাই না।দৈনন্দিন জীবনে আমরা এতটাই মগ্ন যে নিজেকে সময় দিতে পারলেও প্রকৃতি ও চারপাশটাকে সময় দেওয়া যে আমাদের হয়েই ওঠে না।
নিজেকে সময় দেওয়ার কথা বলছি না কেননা যে মেয়েটি সারাদিন ধরে পরিবারের কথা ভেবে কাজ করে বেরিয়েছে। দিন শেষে সেও নিজের চুলটা বাঁধতে শিখে গেছে। দিন শেষে যে তৃষ্ণার্ত ছেলেটি অফিস করে বাসায় ফিরেচ্ছ, সে হয়তো নিজের জন্য রাস্তার পাশে থাকা দোকান থেকে এক বোতল পানি অন্তত কিনে নিজের তৃষ্ণা নিবারণ করেছে।কিন্তু একবার করেও না আমরা জগৎটাকে দেখতে চাইনা,চারপাশটাকে ভালো রাখতে চাইনা। আমরা কেন বুঝিনা ~এটাই তো আমি!কেন বুঝতে চাইনা এই স্বাভাবিক কথাটা~এই প্রকৃতির মাঝেই তো আমি। প্রকৃতি না থাকলে আমরাই বা বাঁচবো কি করে।
3 Comments
Friends
বিদৌরা প্রিয়দর্শিনী বারহান
@bedowrapriodarshini
অনুভূতির ডাইরি
@onuvutir-dairi
Bodor Choudhury
@bodorchoudhury
MD HAFIZUR RAHMAN
@mdhafizurrahman1
ছন্নছাড়া মহাপ্রান
@mihirmilton
এড: সাজেদুল হক টুটুল
@sazedul
Abcde gh.
@abcdegh
AdabenTatali
@adabentatali
সা দি য়া (নন্দিনী)
@nandini


দরকারি গদ্য; চলুক।